«

»

Feb ১৩

সিক্রেট সোসাইটি- ‘মিথরাস’

সিক্রেট সোসাইটিগুলো সাধারণ মানুষের কাছ থেকে এক ধরণের বাড়তি আকর্ষণ পায়। সময় ও পরিস্থিতি কখনো কখনো আলোকচ্ছটার মত তাদের সামনে এনে দিলেও, আল্টিমেটলি এগুলো মিথিক্যাল হয়েই থাকে। একটি প্রচলিত মিথ হল শক্তিশালী কিছু সিক্রেট সোসাইটি প্রভাবশালী ব্যক্তি বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে নিয়ন্ত্রণ করে আদতে পুরো মানবজাতিকেই নিয়ন্ত্রণ করে। ইলুমিনাটি নামক সোসাইটিটির নিয়ন্ত্রণক্ষেত্র ফিল্ম, মিউজিকসহ বিনোদন জগৎ। পৃথিবীর বৃহৎ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রী হলিউড বলিউডে (অভিনেতা সাইফ আলী খানের ইলুমিনাটি প্রডাকশন! [১]) তাদের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী ইলুমিনাটিরা প্যাগান বা শয়তানের উপাসক। আসলে অতীব গোপনীয়তাই তাদের মিথে পরিণত করেছে, ফলে সত্য-মিথ্যা প্রশ্নবিদ্ধই থাকে। তবে ঐতিহাসিক কিছু বাস্তবতা অবশ্যই আছে। তবে দেখা গেছে, অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতেই এসব সিক্রেট সোসাইটিগুলো লোকচক্ষুর আড়ালে যেতে বাধ্য হয়। ইলুমিনাটি, ফ্রিমেসন নামের গোপন সংগঠনগুলো যতটা আলোচনায় আসে, সে হিসেবে ‘মিথরাস’ নামক গোপন সংগঠনটি খুব কমই আলোচিত হয়। অথচ এই ‘মিথরাস’দের ধর্ম ছিল একসময়ে প্যাগান ইউরোপীয় সভ্যতায় খুবই প্রভাবশালী একটি ধর্ম। শুধু তাই নয় এর ব্যাপ্তি ঘটেছিল সারা পৃথিবীব্যাপী। এর প্রভাব এতোই শক্তিশালী ছিল যে এটি একেশ্বরবাদী ক্রিষ্টিয়ান ধর্মকেও প্যাগানিজমের রূপ দিতে সক্ষম হয়েছিল। মূল স্রোতের ক্রিষ্টিয়ানিটি প্যাগানিজম দ্বারা প্রভাবিত এরকম একটা ধারণা প্রচলিত থাকলেও, সেই প্যাগানিজমের উতস যে ‘মিথারাস’ সেটা হয়ত অনেকেই জানে না। এই লেখায় সেই ‘মিথরাস’দের জানার চেষ্টা করা হবে।

পার্সিয়ান ভাষার প্রভাব এই উপমহাদেশে অনেক আগে থেকেই। তাই পার্সিয়ান ‘মেহের’ নামটির সাথে তারা পরিচিত হয়ে থাকবেন। তেমনি শুনে থাকবেন ভারতীয় ‘মিত্রা’। এই ‘মিত্রা’ বা ‘মেহের’ হল ইন্দো-ইরানিয়ান সূর্যদেবতা ‘মিথারাস’ যাকে পার্সিয়ানরা খৃষ্টপূর্ব ২০০০ সালের দিকে উপাসনা করত। পার্সিয়ানদের বিশ্বাস অনুযায়ী ‘মিথরাস’ হল তাদের রক্ষাকর্তা। হিন্দুদের ‘মিত্রা’ দেবতা হলেন পার্সিয়ানদের সেই দেবতা ‘মিথরাস’. মিত্রাকে নিয়ে ঋগ্বেদ-এ স্তুতিবাক্যও আছে (৩:৫৯). মিত্রাকে হিন্দুরা দেবতা বরুণ এর সাথে স্মরণ করে। বরুণ ও মিত্রার মিলিত রূপ হল ‘অসুর’ [৩].  তবে কালক্রমে ‘মিত্রা’ অনেকটা আড়ালে চলে যায়, তা অপেক্ষা ‘বরুণ’ অনেক বেশী প্রভাবশালী হয়ে যায়।

পার্সিয়ান (বর্তমান ইরান) ধর্ম থেকে অন্য সব দেবতারা বিতারিত হলেও ব্যাপক জনপ্রিয়তার জন্য আরিয়ান দেবতা ‘মিথরাস’ পার্সিয়ানদের ধর্মে জায়গা করে নেয়। ‘মিথরাস’ এর আধুনিক নাম ‘মেহের (Mehr)’। এর পার্সি অর্থ হল ‘ভালবাসা’ ‘বন্ধুত্ব’ ও ‘সূর্য’.  এর সাথে মিল পাওয়া যায় মিশরীয় সূর্যদেবতা ‘হোরাস’ এর। প্রাচীন মিশরীয়রা নিজেদের দেবতা হোরাসের ঔরসজাত মনে করত! মজার ব্যাপার হল বর্তমান মিথরাসদের (মিথরাস দেবতার অনুসারী) ধর্মীয় আচারে [২] হোরাস ও তার পিতামাতা আইসিস ও ইসিরিসকেও (আইসিস ও ইসিরিস আবার যমজ ভাইবোন!) স্মরণ করা হয়, যেন একই সুত্রে গাঁথা! ইংল্যান্ডের মিথলজীর কিং আর্থারও সূর্য দেবতা। চাইনিজ মিথলজিতেও এই মিথরাস শয়তানের হাত থেকে রক্ষাকারী ত্রাণকর্তা। বৌদ্ধদের বিশ্বাস অনুযায়ী সর্বশেষ বুদ্ধা হলেন ‘মৈত্রেয় (Maiterya)’। ইউরোপের সেলটিকদের সাথেও এই মিথরাস’দের যোগসাজোশ আছে। সেল্টিক দেবতা ওগমা (Ogma) এবং লুঘ (Lugh) সেই মিথরাস এর সমতুল্য। ফ্রান্সের গল’এ এই ওগমাকে ওগমিউস বলা হতো যিনি আলো ও শিক্ষার দেবতা। রিচবার্গে যে পুথি পাওয়া যায় তাতে দেখা যায় ওগমার মাথা থেকে রশ্মি বের হয়ে আসছে।  ‘মিথারাস’ দেবতা পার্সিয়ানদের সীমানা ছাড়িয়ে বিখ্যাত রোমান সাম্রাজ্যে সৈনিকদের মধ্যে এতো জনপ্রিয়তা পেয়েছিল যে যুদ্ধদেবতা হিসেবে মিথরাস এর উপাসনা ছিল তাদের নিয়মিত ধর্মীয় আচারের অংশ। রোমানদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে ইউরোপে ক্রিষ্টিয়ানিটি জায়গা করে নেবার আগে মিথরাসরাই ছিল সবচেয়ে জনপ্রিয় প্যাগান কাল্ট। কিন্তু ক্রিষ্টিয়ানিটির প্রভাব বাড়তে থাকলে মিথরাসদের অস্তিত্ব সংকটের মুখে পড়ে। তাদের উপাসনালয়গুলোর উপর প্রতিষ্ঠিত হয় ক্রিষ্টিয়ান চার্চ। বাধ্য হয়েই তারা গোপনে চলে যায়, কিন্তু পরবর্তী সভ্যতায় তাদের ছাপ ঠিকই রেখে যেতে সক্ষম হয়।

পার্সিয়ান মিথরাসদের সাথে রোমান মিথরাদের মিল থাকলেও কিছু পার্থক্যও বিদ্যমান। পার্সিয়ান মিথরাস’রা মনে করে তারা অবিবাহিত দেবী আনাহিতার সন্তান যিনি মিথরাস যিনি খৃষ্টপূর্ব ১৭৫ সালে জন্ম নেন ও খৃষ্টপূর্ব ২০৮ সালে স্বর্গে পৃথিবী ত্যাগ করেন। সেখানে তাকে চিত্রিত করা হয় তীর ধনুক হাতে শিকারীর বেশে। অপরদিকে রোমান মিথরাস দেবতাকে দেখা যায় ষাঁঢ় হত্যাকারী হিসেবে। তবে কালক্রমে পার্সিয়ান মিথরাস, রোমান মিথরাস এর মধ্যে অনেকটাই বিলীন হয়ে যায়। আর মানব ইতিহাসে মিথরাসদের যে প্রভাব সেটা মূলত রোমান মিথরাসদের। রোমান মিথরিক প্রথা অনুযায়ী মিথরাসরা ডান হাতে হ্যান্ডশেক করে। ডান হাতে হ্যান্ডশেক করে আত্নিক সম্পর্ক তৈরী করা মিথরাসদের একটি খুব প্রচলিত প্রথা ছিল, যা এখনও বিদ্যমান। মিথরাস’রা সূর্যের দিকে তাকিয়ে স্যালুট দেয়, যা থেকে স্যালুট এর প্রচলন ও প্রসার ঘটে বলে ধারণা করা হয়। পার্সিয়ান মিথরাসকে ছেলে ও মেয়ে উভয়েই উপাসনা করে থাকে, কিন্তু রোমান মিথরাস হল পুরুষকেন্দ্রিক একটি কাল্ট।

ধারণা করা হয় ইউরোপীয়ান খৃস্টানদের নাইট টেম্পলার, ফ্রিমেসনারী, ইলুমিনাটি নামক সিক্রেট সোসাইটি মিথরাসদেরই শাখা। ফ্রিমেসনদের সাথে মিথরাসদের সম্পর্কের কথা জানা যায় ১৮৭০ সালে ‘Charter of the Mitharas Lodge’ থেকে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্সিয়াল ডকুমেন্টে প্রেসিডেন্ট গারফিল্ড সম্পর্কে জানা যায়-

Garfield, James Abram,. Address at the Mitharas Lodge of Sorrow, Washington, November 10, 1881

উল্লেখ্য গারফিল্ড ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ২০তম রাষ্ট্রপতি এবং একজন ফ্রিমেসন। তার এই লজটি এখনও ওয়াশিংটন ডিসিতে চালু আছে বিভিন্ন শাখা উপশাখা নিয়ে। এর মধ্যে ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় “Mehr Lodge”।

বর্তমানে মিথরাসদের উপস্থিতি দেখতে পাওয়া যায় মূলত পাশ্চাত্যের দেশগুলিতে [৪]. তবে জাপান, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ডেও তাদের শাখা আছে। তবে তারা হাজার হাজার বছর ধরে অস্তিত্ব টিকিয়ে রেখে এখনো যে বিদ্যমান সেটাই উল্লেখ করার মত। ফ্রিমেসন কার্ল কেলনার উনিশ শতকের শেষের দিকে মিথরাসদের লজ “Ordo Templi Orientis (OTO)” প্রতিষ্ঠা করেন, যার সদস্যরা তান্ত্রিক ও যাদুবিদ্যার মাধ্যমে উপাসনা করে থাকে। বিখ্যাত ব্রিটিশ যাদুকর আলিস্টার ক্রউলি ১৯২২ সালে এর প্রধান হন! ক্রাউলি নিজেকে একজন ফ্রিম্যাসন হিসেবে পরিচয় দিতেন এবং মিথরাস কাল্টেরও সদস্য। অনেকের কাছে সে শয়তানের পূজারী! মিথরাসদের ‘OTO’ ওয়েব সাইটগুলোতে [২] এইসব আলোচিত ব্যক্তিদের শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করা হয়!

মিথরাসরা নিজেদের স্বাধীন লোকদের সংগঠন বলে থাকে [২]. তারা ব্যক্তির স্বাধীনতার স্ফূরণ ঘটাতে চায়। তাদের সাথে এ সময়ের প্রসারিত বস্তুবাদী ধ্যান ধারণার একটা মিল পাওয়া যায়। ইউরোপিয়ান এনলাইটেনমেন্টের অন্যতম একজন অগ্রপথিক বিখ্যাত নাস্তিক ও মুক্তমনা ফ্রেডরিক নীটশেকে তারা খুব শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে! শুধু তাই নয়, তাদের লজগুলোতে Gnostic প্রার্থনার আয়োজন হয়। উল্লেখ্য ইউরোপের ১৮’শো শতকের এনলাইটেনমেন্টের সময় প্রাচীন Gnoticism নতুনরূপে বোদ্ধামহলে প্রভাব বিস্তার করে। ডারউইনের দাদাসহ ডারউইন নিজেও এই Gnoticism দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন। ম্যাজিসিয়ানদের মধ্যে মিথরিক এর চর্চা সীমাবদ্ধ থাকলেও ইদানীংকালে শিল্প, সাহিত্য, সংগীত ও ছায়াছবিতে এরা নতুনভাবে প্রাণ পাচ্ছে। উল্লেখ্য পিকাসো তার বিভিন্ন চিত্রকর্মে মিথরিক সিম্বল ব্যবহার করেছেন।

মিথরাসরা মুসলিমদের সুফি মতবাদে কিছুটা প্রভাব বিস্তার করলেও তাদের সবচেয়ে বড় সাফল্য সম্ভবত খৃষ্টান ধর্মে তাদের প্যাগানিজমের ছাপ রাখতে পারার মধ্য দিয়ে। বর্তমানে জেসাস এর জন্ম সারা পৃথিবীব্যাপী বেশীরভাগ খৃষ্টানই পালন করে থাকে। তবে খৃষ্টানদের সব দল তা ২৫শে ডিসেম্বর পালন করে না। খৃষ্টানদের এরকম একটি দল হল জোহেভা’স উইটনেট। গসপেলে জেসাস এর জন্ম নিয়ে কোন কথা পাওয়া যায় না এবং প্রথমদিকে চার্চ একে উদযাপনও করেনি। জেসাস এর জন্ম হয়েছিল শীতকালে, গ্রীষ্মে নয়। স্যার জেমস জে ফ্রেজারের মতে খ্রিষ্টিয়ানিটি স্থায়ী ভিত্তি পাওয়ার আগে তার প্রতিপক্ষ প্যাগানদের থেকে তা খ্রিষ্টানদের উৎসবের মধ্যে ঢুকে পড়ে। সূর্যকেন্দ্রিক জুলিয়ান ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ২৫শে ডিসেম্বর সূর্য সবচেয়ে দীর্ঘ, আর মিথরাস’রা সূর্যের জন্মদিন হিসেবে এই দিন পালন করে থাকে। উল্লেখ্য রোমান সম্রাট অরেলিয়ান ২৫শে ডিসেম্বর ২৭৪ সালে সূর্যদেবতাকে সাম্রাজ্যের প্রধান প্যাট্রন হিসেবে অভিহিত করেছিলেন এবং ‘ক্যাম্পাস মিরথিয়াস’ নামে একটি উপাসনালয় উৎসর্গ করেন। মিথারাসদের থেকে খৃষ্টান ধর্মে ঢুকে যাওয়া কিছু জিনিষ হল:

১. মিথরাস দেবতার জন্ম ২৫শে ডিসেম্বর।

২. মিথরাস দেবতা ভার্জিন মা থেকে জন্ম নেন।

৩. মিথরাস হলেন রক্ষাকর্তা, যিনি রক্তক্ষরণ দ্বারা তা করে থাকেন।

৪. মিথরাস’রা ব্যাপটাইজট হতো।

৫. ওয়াইনকে মিথরাস’রা উৎসর্গক্রীত রক্ত হিসেবে দেখে থাকে।

৬. রবিবার তাদের কাছে পবিত্র।

৭. চার্চ এর ফাদারদের মতো মিথরাসদের টেম্পলে ফাদার থাকে।

৮. মিথরাসদের পবিত্র ফাদাররা লাল টুপি, চাদর ও রিং পরিধান করে যার সাথে রোমান ক্যাথলিকদের মিল আছে। অবশ্য মিথরাসদের পরিহিত এই টুপি ফরাসী বিপ্লবীরা পরিধান করত। রোম সাম্রাজ্যে স্বাধীন হয়ে যাওয়া দাসরাও লাল টুপি পরিধান করত, যাকে স্বাধীনতা টুপি বলা হতো।

মিথরাসরা বিভিন্ন বিপ্লবের কারিগর বা এতে প্রভাব বিস্তারকারী এরকম একটি ধারণাও প্রচলিত। যেমন, মিথরাস’রা বা তাদের সমগোত্রীয় ম্যাসনদের হাত ছিল ফরাসী বিপ্লবে। মিথারাসদের মত ফরাসী বিপ্লবে পরিহিত লাল টুপির মানে ছিল স্বাধীনতা ও  সমতা। ল্যাটিন আমেরিকান বিপ্লবীরাও লাল টুপি পরিধান করত। অপরদিকে  আমেরিকান বিপ্লবীরা প্রাথমিক দিকে এই লাল স্বাধীনতা টুপি পরিধান করতো, যেই বিপ্লবের সাথে কেউ কেউ ম্যাসনদের যোগসাজোশ দেখিয়ে থাকেন। মিথরাসদের অবদানের ঐতিহাসিক বাস্তবতা আছে, কিছু আছে যোগসাজোশ এর সাথে মিথ মিলে তাদের একটি রোমাঞ্চকর সিক্রেট সোসাইটিতে পরিণত করেছে।

 

সূত্র:

[১] http://www.bollywoodlife.com/tag/saif%E2%80%99s-production-house-illuminati-films/

[২] http://mithras-oto.org/announce.html (মিথারাদের একটি সাইট)

[৩] http://www.wisegeek.com/who-is-mitra.htm

[৪] http://www.oto.org/

[৫] The Mysteries of Mithras, The Pagan Belief that Shaped the Christian World, by Payam Nabarz

১২ comments

Skip to comment form

  1. 6
    ওয়াসিফ

    দেখেন তো ঐ লাল টুপি দেখতে এরকম নাকি…

  2. 5
    Mamun

    Assalamu alikum…………..nice post…i like that.

    1. 5.1
      শামস

      আপনাকেও ধন্যবাদ।
       

  3. 4
    sami23

    আগেই এরকম বতমান বিশ্বের প্রভাবশালী,এবং শক্তিশালী সিক্রেট ধম কাবালা কথা শোনে ছিলাম।আপনার লেখাতে আরো কিছু জানতে পারলাম।ধন্যবাদ আপনাকে এরকম লেখা উপহার দেওয়ার জন্য।এখানে কাবালা সম্পকে একটা লিংক দিলাম পড়ে দেখতে পারেন।  
    http://www.sparknotes.com/philosophy/kabbalah/section1.html

    1. 4.1
      শামস

      ধন্যবাদ পড়া ও মন্তব্যের জন্য।
      ইহুদী কাব্বালাদের কথা শুনছি, তবে বিস্তারিত কিছু জানি না। আপনার লিঙ্ক পড়ে দেখব।
      ধন্যবাদ।
       

  4. 3
    সাদাত

    শব্দটা কি মিথারাস হবে, নাকি মিথরাস?

    1. 3.1
      শামস

      মিথরাস হবে, ঠিক করে দেয়া হয়েছে।

      1. 3.1.1
        সাদাত

        ছবিসহ আরো বেশ কিছু জায়গায় এখনো রয়ে গেছে। সময় করে ঠিক করে দিয়েন।
        আর লেখাটার জন্য ধন্যবাদ। এই সম্পর্কে আগে কিছুই জানা ছিল না।

  5. 2
    এস. এম. রায়হান

    মিথারাস নিয়ে লেখাটি বেশ ভালো লাগলো। মিথারাস এর ক্ষমতা তো ব্যাপক! এই ‘মিথারাস’ নাম থেকেই 'মিথ' শব্দের উৎপত্তি নাকি!

    1. 2.1
      শামস

      ধন্যবাদ পড়ার জন্য।
      'মিথ' শব্দটি আসচে গ্রীক 'মিথোস' থেকে। মিথরাসদের সাথে এর শাব্দিক কোন যোগসাজোশ আছে আছে বলে কোথাও পাই নাই।
       

  6. 1
    এম ইউ আমান

    মিথারাসদের সম্পর্কে কোন ধারণাই ছিল না। মিথারাসদের থেকে খৃষ্টান ধর্মে ঢুকে যাওয়া ব্যপারগুলি কোয়ায়েট ইন্টারেস্টিং। মুসলিমদের সুফি মতবাদে এদের প্রভাব সম্পর্কে দু’একটি উদাহরণ জানতে চাই।
    মিথ নিয়ে যেহেতু আগ্রহান্বিত হয়েছেন, সময় সুযোগ হলে রথচাইল্ডদের মিথগুলি সম্পর্কে লিখলে ভালো হয় (বিয়ণ্ড হোয়াট ইজ এভেইলেবল ইন উইকিপিডিয়া)। সরোয়ার একটা পোষ্ট লিখেছিলেন, কোয়ায়েট ইন্টারেস্টিং।    

    1. 1.1
      শামস

       
      মিথরাসদের সুফিইজমের সাথে সম্পর্কটা স্থাপিত হয় মূলত পার্সিয়ান (ইরান) মিথরাসদের মাধ্যমে। যেমন মিথরাস’রা ধর্মীয় আচারের অংশ হিসেবে যেভাবে ওয়াইন খায় পার্সিয়ান সুফিইজমে সেই চর্চা ঢুকে পড়ে। তাছাড়া ধরা যাক, মিথরাস বিশ্বাসে আগুন ও সূর্যের একটা বিশেষ ভুমিকা আছে। পার্সিয়ান সুফিইজমে আগুন জ্বালিয়ে নাচ, গান করে ধর্মীয় স্তুতির মাধ্যমে স্রষ্টার আরাধনার রীতি আছে।
       

      সময় সুযোগ হলে রথচাইল্ডদের মিথগুলি সম্পর্কে লিখলে ভালো হয় (বিয়ণ্ড হোয়াট ইজ এভেইলেবল ইন উইকিপিডিয়া)।

      রথচাইল্ডের উপর ইউটিউবে বেশকিছু ভিডিও আছে। কিছু ব্যাপারে আমি নিজেও কনভিন্সড হয়েছি। এ নিয়ে বাংলায় লেখা হয়েছে কিনা জানি না, তবে ভিডিওগুলো দেখতে পারেন।
       

Leave a Reply

Your email address will not be published.