«

»

May ২৩

নাস্তিকের সংখ্যাবৃদ্ধি- এতো নাস্তিক এলো কোথা থেকে!

কয়েক মাস আগে নাস্তিকদের সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে একটা খবর দৃষ্টি কেড়েছিল। খবরটি  কৌতুহলউদ্দীপক নিঃসন্দেহে। স্রষ্টায় অবিশ্বাসই নাস্তিকতা। নাস্তিকতা ব্যক্তির স্বাধীন ইচ্ছা, নিজে থেকে নির্বাচন করার ব্যাপার- এটাকে আপাত সেরকমই মনে হয়। কিন্তু দেখা গেছে ধর্মানুসারীদের মত নাস্তিকতাও স্বেচ্ছা নির্বাচনের বিষয় নয়। নাস্তিকদের সংখ্যা বৃদ্ধির খবর শুনে মূল খবরে গিয়ে তারই প্রতিফলন পাওয়া যাবে। অবশ্য খুব অবাক করা ব্যাপার ছিল সংবাদটি পরিবেশনের ধরণ। কালেরকন্ঠে এ খবরটি আসছে এভাবে ‘বিশ্বের প্রতি ছয়জনে একজন ধর্মহীন’। বিশ্বে প্রতি ছয়জনে পাঁচজনের ধর্ম আছে সেটা শুনার চেয়ে একজনের যে ধর্ম নেই তা বলার মধ্যে এক ধরণের থ্রিল কাজ করে বুঝা যায়। কুকুর মানুষ কামড়ালে খবর হয় না কিন্তু মানুষ কুকুর কামড়ালে সেটি যেমন খবর হয়।

প্রগতিশীল ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদী গোষ্ঠী নামের নাস্তিকগোষ্ঠীও (প্রগতিশীলতা, ধর্মনিরপেক্ষতা, মানবিকতা একে অপরকে ছাড়া চলতে পারে না!) যেভাবে তথ্যটি দিয়েছে সেখানেও দেখা যায় প্রতি ছয়জনে একজন প্রথাগত ধর্মে বিশ্বাস করে না। কিন্তু যারা এই গবেষণা করেছে ও যাদের গবেষণার উপাত্ত জনে জনে ব্যবহার করছে তারা খবরটিকে মানুষের কুকুর কামড়ানোর মতন ঘটনা হিসেবে দেখে নাই। মূল গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান Pew Forum প্রতি দশজনে আটজন নিজেদের ধর্মীয় গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত বলে বিবেচনা করাকে গুরুত্বসহকারেই স্থান দিয়েছে। তবে প্রতি ছয়জনে একজন যে প্রতিষ্ঠিত ধর্মের সাথে সম্পর্ক নেই সেটাও উল্লেখ করেছে।

যাক পিউ ফোরাম এর মূল লেখায় ঢুকে বিষয়টি পরিষ্কার হল। অধার্মিকদের অনেকেরই বিশ্বাস ও আধ্যাত্নিকতা আছে, নির্ভেজাল নাস্তিক না। সেটা এমন কিছু না, কারণ আস্তিকদের মধ্যেও ভেজাল আছে, মুনাফেক আছে আর আছে বর্ণচোরা। তবে মূল ঘটনা হল এই নাস্তিকরা মূলত বামপন্থী মতবাদের বাইপ্রোডাক্ট। আর সেটি স্বেচ্ছা নির্বাচনের বিষয়তো না-ই। দেখা গেছে এই ধর্মহীনদের শতকরা '৬২ ভাগ'ই চীনা। সাংস্কৃতিক বিপ্লবের নামে লক্ষ লক্ষ লোক হত্যা করেই সমাজতন্ত্র আসছে, আর তার হাত ধরে নাস্তিকতার ক্ষেত্রও তৈরী হয়েছে। আর এই অধার্মিকদের ৭৬ ভাগই এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের। উত্তর আমেরিকাতে মাত্র ৫% এবং ইউরোপে ১২%।

এই অধার্মিকরা যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ সেখানেও বামরাজত্ব! চেক রিপাবলিক (৭৬%), উত্তর কোরিয়া (৭১%), এস্তোনিয়া (৬০%), জাপান (৫৭%), হংকং (৫৬%) এবং চীন (৫২%)! চেক রিপাবলিকে প্রায় ৪১ বছর কমিউনিস্ট শাসনাধীন ছিল, এস্তোনিয়া ১৯৪০ সাল থেকে রাশিয়া দ্বারা দখল হবার পর প্রায় ৫০ বছর কমিউনিস্ট শাসনাধীনে, উত্তর কোরিয়াতো এখনও কমিউনিজমের লীলাভুমি! বস্তুবাদী জাপান ও হংকং এক্ষেত্রে কিছুটা ব্যতিক্রম! নাস্তিকতা বামজাত, কিন্তু বাম নাস্তিকসহ আপামর নাস্তিকরা বাম ও নাস্তিকরে যেন তেল-জলের মতো দেখে। এই সম্পর্ক ঢাকতে তারা ভেক ধরে প্রগতিশীলতা, আধুনিকতা ও মুক্তমনার!

দেশভিত্তিক ধর্মীয় শ্রণীবিভাগ_০১

যাক, নাস্তিকতা যেমনেই বাড়ুক (!) বাড়ছেতো। এত নাস্তিক, দিশাহীন! দিশা ঠিক করার জন্য দরকার একটা উপাসনালয়! এর জন্য একটা ভিত্তি তৈরী করা হয়ে গেছে আগেই, এথিইস্ট বাস নিয়ে লম্ফঝম্ফ কম হয় নাই, দিকনির্দেশনামূলক বইও লিখা হইতেছে। যাই হোক ওই উপাসনালয়ে থাকবে অমালিন শান্তি, ভালোবাসা আর বন্ধুত্ব, আফটার অল মানবধর্মও তাই বলে! উপাসনালয় ছাড়া এগুলো যে জমে না প্রকারান্তরে সেটাই যেন তারা স্বীকার করে নিয়েছে! আর প্রতিযোগিতাটাতো ধার্মিকদেরই সাথে! ঈশ্বর ছাড়া নাস্তিকও হওয়া যায় না, উপাসনালয় ছাড়া তাদের চলবে কী করে।

২০ comments

Skip to comment form

  1. 8
    আহমেদ শরীফ

    সময়োপযোগী তথ্যবহুল পোস্ট।

    1. 8.1
      শামস

      পড়া ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

  2. 7
    পাভেল আহমেদ

    চিন, জাপানের বহু মানুষ তো বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী। সেখানে তো এমনিতেই স্রষ্টার স্থান নেই। এই কারনেই মনে হয় তারা ধর্মের প্রতি অতটা গুরুত্বও দেয় না।

    1. 7.1
      শামস

      জাপানে বৌদ্ধ আছে, তবে বেশির ভাগ লোকাল শিন্টো ধর্মের অনুসারী। তারা বৌদ্ধেরও উপাসনা করে। তবে ওদের সমাজ প্রচন্ডভাবে বস্তুবাদী! কমিউনিস্টরাই কেবল উগ্র বস্তুবাদী না! সেক্যুলারিস্টরা কিছুটা কম মাত্রার বস্তুবাদী ঘরনার!

      আর চীনে বৌদ্ধদের উপরও চাইনীজ কমিউনিস্টরা খুব অত্যাচার করেছে। মুসলিম, খৃষ্টান বৌদ্ধ নির্বিশেষে সবার উপাসনালয়ই ভেঙ্গেছে। সেখানেও জাপানীজদের মতো ধর্ম মানা লোক আছে। খাটি বৌদ্ধ খুব কম হলেও ‘তাও’ ও ‘বৌদ্ধ’ ধর্মের মিশ্রণ সেই ধর্মে। তবে নাস্তিকের সংখ্যাই বেশী।

      একসময় আমার ল্যাবমেট এক চাইনীজ মেইনল্যান্ডের ছাত্র ছিল। সে কমিউনিস্ট পার্টির ক্যাডার ও ধর্ম মানে না। আসলে ধর্ম সম্পর্কে কিছু জানেও না। কিন্তু বৌদ্ধের মূর্তিকে মাথা নত করে এক ধরণের শ্রদ্ধা জানায়। তাকে একবার জিজ্ঞাসা করলে বললো সে তার পিতামাতাকে করতে দেখেছে, তাই করে!

      1. 7.1.1
        পাভেল আহমেদ

        পুরাই লুল ব্যাপার সেপার! 😀 🙂

  3. 6
    ফুয়াদ দীনহীন

    ফেইচবুকে দেখলাম আলি জাকেরের রেফারেন্সে এই কথাগুলিঃ

    “সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সালমান
    রুশদি এটা চমৎকার মন্তব্য করেছেন। মন্তব্যটা হচ্ছে,
    “বামপন্থীদের যদি ১০০ ঘণ্টা সময় দেয়া হয়,
    তাহলে তাঁরা নিজেদের মধ্যে লড়াই করবেন ৯০
    ঘণ্টা ধরে, ৮ ঘণ্টা পর্যন্ত নিজেদের মধ্যে সদ্ভাব
    বজায় রাখতে পারবেন আর বিশ্বজুড়ে পুজিবাদের
    “কালো হাত” ভেঙ্গে দেয়ার লড়াইয়ে ব্যয় করবেন
    মাত্র ২ টি ঘণ্টা।“
    বিপ্লব না হলেও কমরেডদের সংঘাত
    দীর্ঘজীবী হয়েছে।”

    এখন দেখা যাচ্ছে অনেকেই সালমান রুশদিকে না চিনেই বামদেরকে রুশদির দেওয়া মেডিসিন খাওয়াচ্ছেন। নাকি বামরাই রুশদিকে আমদানি করছে কে জানে। নাকি রুশদি নিজেও বাম?

    1. 6.1
      শামস

      আলী যাকের কি নাটক করা যাকের?

      বামরা সব নেতা, তাই তাদের ভাঙ্গাভাঙ্গি ছাড়া কাজ নেই। তাদের মধ্যে ইজম তীব্র হওয়ায় একটা সময় শত্রু নিজেদের মধ্য থেকেই নির্বাচন করে। কতল করার সুবিধা না থাকায় আরেকটা দল গড়ে।

      1. 6.1.1
        ফুয়াদ দীনহীন

        তা ঠিক জানি না।

  4. 5
    ফুয়াদ দীনহীন

    নাস্তিকদের সংখ্যা বৃদ্ধি কিংবা কমা বিষয়টা আসলেই আপেক্ষিক, কারণ ঠিক কত জন সত্যিকার অর্থে নাস্তিকতায় বিশ্বাস করে তা বলা মুশকিল। যেহেতু বিপদের মত বিপদে পরলে সবাই কম বেশী স্রষ্টাকে ডাকে। 

     

    লেখাটা তত্যবহু ও কাজের। ধন্যবাদ শামস ভাই।

    1. 5.1
      শামস

      ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য।

  5. 4
    মুনিম সিদ্দিকী

    লেখা পড়ে জানা গেল অনেক কিছু। তথ্য মূলক লেখার জন্য ধন্যবাদ।

    1. 4.1
      শামস

      আপনাকেও ধন্যবাদ।

       

  6. 3
    নীরব সাক্ষী

     এত নাস্তিক, দিশাহীন! দিশা ঠিক করার জন্য দরকার একটা উপাসনালয়! এর জন্য একটা ভিত্তি তৈরী করা হয়ে গেছে আগেই, এথিইস্ট বাস নিয়ে লম্ফঝম্ফ কম হয় নাই, দিকনির্দেশনামূলক বইও লিখা হইতেছে। যাই হোক ওই উপাসনালয়ে থাকবে অমালিন শান্তি, ভালোবাসা আর বন্ধুত্ব, আফটার অল মানবধর্মও তাই বলে! উপাসনালয় ছাড়া এগুলো যে জমে না প্রকারান্তরে সেটাই যেন তারা স্বীকার করে নিয়েছে!

    নাস্তিকেরাও প্রার্থনা করবে! এ দুনিয়ায় বিনোদনের আর শেষ নেই…  

    1. 3.1
      শামস

      আসলেই বিনোদন।

  7. 2
    এস. এম. রায়হান

    নাস্তিকতা বামজাত, কিন্তু বাম নাস্তিকসহ আপামর নাস্তিকরা বাম ও নাস্তিকরে যেন তেল-জলের মতো দেখে। এই সম্পর্ক ঢাকতে তারা ভেক ধরে প্রগতিশীলতা, আধুনিকতা ও মুক্তমনার!

    থাম্বস আপ।

    বেশ কিছুদিন আগে আমি "বাম নাস্তিক" ও "মুক্তমনা নাস্তিক" এর মধ্যে পার্থক্য জানতে চেয়ে সদালাপ ও সামু ব্লগে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম। উল্লেখ্য যে, মুক্তমনা নাস্তিকরা বাম নাস্তিকদেরকে প্রকৃত নাস্তিক ও বিজ্ঞানমনষ্ক মনে করে না। এ ব্যাপারে তাদের মতামতও জানতে চেয়েছিলাম। এতদিনেও কেউ আমার এই প্রশ্নের জবাব দেয়নি। অথচ এরা উভয়েই এক ঘাটে জল খাচ্ছে!

    1. 2.1
      শামস

      বামগুলা সম্ভবত আমাদের দেশেও নাস্তিকদের সবচেয়ে বড় পারসেন্টেজ! মুক্তমনা নাস্তিকরা পূজিবাদী। একঘাটে ঘোল খেলেও, মুক্তমনা নাস্তিক বাম নাও হতে পারে আবার বাম নাস্তিকও মুক্তমনা নাও হতে।  পুজিবাদীরা বামদের  নাকে খত দিয়ে, কফিনে ঢুকিয়ে বিশ্বমঞ্চ থেকে বিদায় করলেও বামগুলা নাস্তিক-নাস্তিক ভাই ভাই এর কারণেই হয়তো মুক্তমনাদের সঙ্গ ছাড়তে পারেনা! 

       

      1. 2.1.1
        sami23

        বেশ কিছু তথ্য জানা হল।সেই সাথে ভালো লাগাটা জানিয়ে গেলাম।

         

        যাই হোক ওই উপাসনালয়ে থাকবে অমালিন শান্তি, ভালোবাসা আর বন্ধুত্ব, আফটার অল মানবধর্মও তাই বলে! উপাসনালয় ছাড়া এগুলো যে জমে না প্রকারান্তরে সেটাই যেন তারা স্বীকার করে নিয়েছে! আর প্রতিযোগিতাটাতো ধার্মিকদেরই সাথে! ঈশ্বর ছাড়া নাস্তিকও হওয়া যায় না, উপাসনালয় ছাড়া তাদের চলবে কী করে

         

        হা ভাই এরা নিজেদের স্বার্থের জন্য হেন কাজ নেই করে না। হেন কথা নেই বলে না। নিজেদের সুবিধার জন্য এরা টুপি পরে সামাজিক কাজের অংশ হিসেবে বছরে দুয়েকবার মসজিদে যায়। কখনো গণ্যমান্য রাজনীতিবিদ কেউ মারা গেলে তার জানাজায় অংশ নেয়। এই মেনন-ইনু-শাহরিয়ার কবির গংরাই পেটু-পূজারী খাজাদের দখলে থাকা ফাউন্ডেশনে গিয়ে মিলাদুন্নবীসহ নানা হালুয়া-রুটির প্রোগ্রামে হাজির হয়ে ভাগ বসায়। 

        1. 2.1.1.1
          শামস

          @সামি২৩, এই মেনন ইনু শাহরিয়াররা এখন ইসলামের জন্য সবচেয়ে বেশী কাঁদে!!! নিজের ঘর দূরবিত্তদের দ্বারা পুড়ে গেলে বিচার না পাবার হতাশায় যেমন মানুষ মূষড়ে পড়ে সেই অবস্থায় মেনন ইনু শাহরিয়ারদের চ্যালারা খোচা দেয় হুজুররা কোরান পুড়ানোতে প্রতিবাদ করে না কেন?

          এই নষ্ট রাজনীতিক ও চ্যালাদের জন্য সাদাত ভাইয়ের একটা ফেসবুক স্ট্যাটাস শেয়ার না করে পারলাম নাঃ

          “এক লোক শুকরের গোস্ত খাচ্ছে।
          আরেক জন গরুর গোস্ত খাচ্ছে।
          শুকর খোর: ভাই আপনি যে গরু খাচ্ছেন,এটা তো ১০০% হালাল হচ্ছে না।
          গরু খোর: কেন?
          শুকর খোর: গরুটা ঠিক কিবলামুখী হয়ে জবাই করা হয় নাই,একটু বাঁকা হয়ে জবাই করেছে।”

  8. 1
    এম_আহমদ

    …আস্তিকদের মধ্যেও ভেজাল আছে, মুনাফেক আছে আর আছে বর্ণচোরা। তবে মূল ঘটনা হল এই নাস্তিকরা মূলত বামপন্থী মতবাদের বাইপ্রোডাক্ট। আর সেটি স্বেচ্ছা নির্বাচনের বিষয়তো না-ই। দেখা গেছে এই ধর্মহীনদের শতকরা ’৬২ ভাগ’ই চীনা। সাংস্কৃতিক বিপ্লবের নামে লক্ষ লক্ষ লোক হত্যা করেই সমাজতন্ত্র আসছে, আর তার হাত ধরে নাস্তিকতার ক্ষেত্রও তৈরী হয়েছে। … নাস্তিকতা বামজাত, কিন্তু বাম নাস্তিকসহ আপামর নাস্তিকরা বাম ও নাস্তিকরে যেন তেল-জলের মতো দেখে। এই সম্পর্ক ঢাকতে তারা ভেক ধরে প্রগতিশীলতা, আধুনিকতা ও মুক্তমনার!

    সুন্দর হয়েছে -অ্যান্ড টাইমলি। নাস্তিক্যবাদ পোস্টমডার্ন দর্শনের আর্বিভাবের ফলে ফ্যাকাসে হয়ে পড়েছে। তবে এই ‘ধর্মটি’ বিগত প্রায় ৩০০ শো বছরে যে সংস্কৃতি, প্রাতিষ্ঠানিকতা, এবং রাষ্ট্র-যান্ত্রিক ব্যবহারে, যে সর্বগ্রাসী শক্তি অর্জন করেছে –তা সহসা চলে যাবার মত নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানাদি ও মিডিয়া শক্তির জোরেই এখন এই ধর্ম টিকে আছে।

     এই প্রসঙ্গের সাথে মিল রাখে এমন একটি মন্তব্য এখানে করে এলাম, দেখতে পারেন। 

    1. 1.1
      শামস

      মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

       

Leave a Reply

Your email address will not be published.