«

»

Sep ২৭

রাজা রামমোহন রায়ের সংস্কার আন্দোলন ও ইসলামের প্রতি দায়বদ্ধতা

Rammohon Rai Imageআঠারো’শ শতক এর দিকে বাংলায় যে সংস্কার আন্দোলন শুরু হয় সেই আন্দোলনের একজন হিসেবে রাজা রামমোহন রায় স্মরণীয় হয়ে আছেন। এই আন্দোলনটি তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি হাজার বছর ধরে চলা কিছু অমানবিক প্রথার মূলে কুঠারাঘাত করে। তবে এখানে মনে রাখতে হবে বাঙ্গালী মধ্য ও উচ্চবিত্তের এই সংস্কার আন্দোলন আপামর বাঙ্গালীর জন্য ছিল না। সতীদাহ প্রথা ছিল হিন্দু সমাজের প্রচলিত একটি প্রথা, তাছাড়া এই আন্দোলন নতুন যে ধর্মেরও সূত্রপাত করে সেটিও মূলত হিন্দু ধর্মেরই সংস্কার। রাজা রামমোহন রায় যেমন এসব আন্দোলন প্রথমে শুরু করেননি তেমনি তিনি এর একমাত্র পুরুষও না। সতীদাহ প্রথা দূরীকরণে তার অবস্থান নিয়ে ইতোমধ্যেই আলোচনা করা হয়েছে (সতীদাহ প্রথা নির্মূলীকরণে মুসলিমদের অবদান)। এই লেখাতে মূলত তার ধর্ম সংস্কার নিয়ে আলোচনা করা হবে।

রাজা রামমোহন রায় (১৭৭৪-১৮৩৩ খৃষ্টাব্দ) এর হিন্দু ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলন এর পরিণতি-ই হলো ব্রাহ্মসমাজ। ব্রাহ্মসমাজ তিনটি ভাগে বিভক্ত: রক্ষণশীল আদি সমাজ যারা পরিপূর্ণভাবে হিন্দু ধর্মীয় পুস্তক বিশেষ করে উপনিষদ এর উপর নির্ভরশীল, নববিধান সমাজ যারা হিন্দু ধর্মীয় পুস্তকের বাইরে বৌদ্ধ, খৃষ্টান বা ইসলাম ধর্ম থেকে ধার করতে বলে, আর সবশেষে সাধারণ ব্রাহ্মসমাজ যারা জাতপ্রথাকে অস্বীকার করে, ভিন্ন জাতের বিবাহকে মানে ও অন্যান্য ধর্মের সাথে নিজেদের মহিলাদের ব্রাহ্ম রীতি অনুযায়ী বিবাহতেও এদের আপত্তি নেই [১]। এই ব্রাহ্মসমাজ মূলত একেশ্বরবাদী ধারণা থেকে উদ্ভুত। ব্রাহ্মসমাজের প্রধান ফোকাসগুলো হলো [২]: ১. একেশ্বরবাদ, ২. জাতাপাত দূরীকরণ, ৩. যৌতুক প্রথার বিলোপ, ৪. সতীদাহ প্রথার বিলোপ, ৫. জ্ঞানের বিস্তার। একেশ্বরবাদের ধারণাতে মূলত ইসলাম ও পরবর্তীতে খৃষ্টান ধর্মের কিছুটা প্রভাব বিদ্যমান, যা পরবর্তীতে আলোচনা করা হবে। জাতপাত প্রথা, যৌতুক প্রথা, সতীদাহ প্রথা হিন্দুসমাজ তখনও ধারণ করলেও কয়েকশত বছর ধরে পাশাপাশি অবস্থান করা ইসলাম ও পরবর্তীতে খৃষ্টান ধর্মীয় রীতি ছিল তা থেকে প্রায় মুক্ত। এক্ষেত্রে একেশ্বরবাদী আব্রাহামিক ধর্মগুলোর সাথে প্রতিযোগীতায় একটা চাপ সেই সংস্কারকদের মধ্যে সব সময়ই ছিল।

রামমোহন রায় ও তার পূর্বসূরীরা সেই একেশ্বরবাদকে তাদের ধর্মের প্রধান চালিকাশক্তি করতে গিয়ে, প্রথাগত হিন্দু ধর্ম থেকে অনেক দূরে সরে যান, যদিও হিন্দু সংস্কৃতি ও সমাজকে অতিক্রম করতে পারেননি। তিনি হিন্দু ধর্মের মধ্যে খুব অনুজ্জ্বলভাবে বিদ্যমান একেশ্বরবাদীতাকে তার ধর্মের চালিকাশক্তি করেন। তিনি হিন্দু ধর্মের সংস্কার চেয়েছিলেন একে প্রতিযোগীতায় টিকিয়ে রাখতে। এক্ষেত্রে ইসলামের প্রভাব কেমন ছিল তা একটি ছোট্ট উদাহরণ দিলে পরিষ্কার হবে। বাবার মৃত্যুর পর রামমোহন রায় মুর্শিদাবাদ এসে পার্সি ভাষায় প্রথম যে বই লিখেন তার প্রিফেস ছিল আরবীতে “Tuhfat-ul-Muwahhidin” যার অর্থ করলে দাঁড়ায় “A Gift to Monotheism” [৩]। তাছাড়া তিনি বাংলা, সংস্কৃতের পাশাপাশি ফারসী ও আরবীটাও রপ্ত করেছিলেন [৪]। 

অপরদিকে খৃষ্টানদের সাথে মিল রেখে ব্রাহ্মসমাজের উপাসনালয়গুলোর নাম রাখা হয় চার্চ, আর তাদের উপাসনার দিন খৃষ্টানদের মতোই রবিবারে [১]। এখানে প্রাসঙ্গিকভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন, রামমোহন রায় ছিলেন ব্রিটিশদের বেতনভূক্ত কর্মচারী এবং ইংরেজদের সাথে তার বিশেষ সম্পর্ক সর্বজনবিদিত। রামমোহন রায় মূলত ধার্মিক ছিলেন এবং ধর্মের ব্যাপারে তার আগ্রহ বুঝা যায় হিন্দুসহ অন্যান্য ধর্মীয়দের সাথে নিয়মিত ধর্মীয় আলোচনা থেকে।

মুসলিমরা যখন বাংলায় প্রবেশ করে, তখন তারা ব্রাহ্মণ রাজপূত ও অন্যান্য যুদ্ধবাজ গোত্রগুলোর উপর নিজেদের সামরিকভাবেই যে কেবল শ্রেষ্ঠত্য দেখিয়েছিল তা নয়, তারা এই উপমহাদেশে ধর্মীয় সংস্কারেও অতুলনীয় প্রভাব বিস্তার করেছিল। যার ফলশ্রুতিতে মধ্যযুগে একেশ্বরবাদ হিন্দু সংস্কার আন্দোলনের খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে যায়। ইসলামের সেই প্রভাবের কারণেই হিন্দু সংস্কারক ও বিশিষ্ট দার্শনিক রামানুজ (১০১৭- ১১৩৭ খৃষ্টাব্দ) শুদ্রদের তার মন্দিরে আসতে ও উপাসনা করতে দেন [৫]। আইন, ধর্ম, প্রথা, আচার-আচরণের বই মনুসংহিতা যেভাবে জাতপাতের সীমানাকে (এই বিশ্বের স্রষ্টা ব্রহ্মার জন্ম স্বর্ণডিম্ব থেকে। তার মুখ থেকে ব্রাহ্মণ, বাহু থেকে ক্ষত্রিয়, উরু থেকে বৈশ্য এবং পদতল থেকে শুদ্রের সৃষ্টি) নির্ণয় করে দিয়েছে সেখানে সবচেয়ে নীচুস্তরের শুদ্রদের পক্ষে উঁচুজাতের ধর্মালয়ে প্রবেশাধিকার ছিল না। অন্যান্য সামাজিক বৈষম্যও ছিল অমানবিক ও ভয়াবহ। রামানুজ এর এক শিষ্য (জন্ম ১২৯৯) রামানন্দ সেই জাতপাত প্রথাকে নিরুৎসাহিত করতে সব ধরণের জাতের জন্যই তার উপাসনালয়কে উন্মুক্ত করে দেন। ইতিহাস বর্ণনাকারী ম্যাকুলিফ এ প্রসঙ্গে বলেন, “…এটা নিশ্চিত যে রামানন্দ বেনারসে শিক্ষিত মুসলিমদের সংস্পর্শে এসেছিলেন।” উল্লেখ্য রামানন্দের মোট বারো জন শিষ্যের একজন হলেন বিখ্যাত সংস্কারক কবির (জন্ম ১৩৯৮ খৃষ্টাব্দে, যদিও তা নিয়ে মতভেদ আছে)। তার নাম ‘কবির’ এসেছে আরবী শব্দ ‘আল-কবির’ থেকে যা ইসলাম বর্ণিত আল্লাহর ৩৭তম নাম। কবির হিন্দু ও মুসলিম উভয়ের মধ্যে সম্মিলন ঘটিয়ে তার ধর্মমত প্রচার করেন [৫]।

Rammohon Ray Reformation_01

তবে ইসলামকে সবচেয়ে বেশি ধারণ করেছেন সম্ভবত গুরু নানক। তার ধর্মের মূলমন্ত্র ইসলাম থেকে ধার করা। তিনি নিজেকে ইসলামের নবীদের মতো একজন প্রেরিত পুরুষ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। ইসলামের নবীকেই তার রোল মডেল হিসেবে নিয়েছেন। ইসলামের নবীর মতোই তিনি তার অনুসারীদের স্রষ্টার উপর পূর্ণ আত্নসমর্পণ এর কথা বলেছেন। কবির, নানক ও তার পরবর্তী শিষ্যরাও ভারতীয় ধাঁচে একেশ্বরবাদ প্রচারে আত্মনিয়োগ করেন। তারা মূর্তিপূজার বিরুদ্ধেও কাজ করেছিলেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: গরিবদা (১৭১৭-১৭৭৮ খৃষ্টাব্দ), রামচরণ (জন্ম ১৭১৮ খৃষ্টাব্দ), ইত্যাদি। রামচরণের অনুসারীরা রাম সেনা হিসেবে পরিচিত ছিলেন এবং এক সময় মূর্তিপূজার ঘোরতর বিরোধী বনে যান। রামচরণের গোত্র মুসলিমদের মতোই দিনে পাঁচবার উপাসনার রেওয়াজ চালু করেন। অপরদিকে নারায়নি রাজপূত গোত্রের শিবনারায়ণ আঠারো শতকে (১৭৩৪ খৃষ্টাব্দে) এক ঈশ্বর মতবাদ প্রচার করেছেন, জাতপাতের বিরোধীতা করেছেন [৫]। এই ধারাবাহিকতার সূত্র ধরে, পরবর্তীতে রাজা রামমোহন রায় (১৭৭৪-১৮৩৩ খৃষ্টাব্দ) দেব দেবীর পূজার বিরুদ্ধে আরো জোরালো অবস্থান নিতে পেরেছিলেন। এ সম্পর্কে তিনি লিখেন [৬]:

The ground which 1 took in all controversies was, not that of opposition to Brahminism, but to a perversion of it ; and I endeavoured to show that the idolatry of the Brahminism was contrary to the practice of their ancestors, and the principles of the ancient books and authorities which they profess to revere and obey.

সংস্কার আন্দোলনে ইসলাম ও পরবর্তীতে খৃষ্টান ধর্মের ধর্মীয় ও সামাজিক প্রভাবের বাইরে আরকটি তাগিদ ছিল, আর তা হলো হিন্দুদের ধর্মান্তকরণ ঠেকানো। আব্রাহামিক একেশ্বরবাদী ইসলাম ও খৃষ্টান ধর্ম প্রসারণশীল ও এদের ধর্মীয় ও সামাজিক আবেদনে ধর্মান্তকরণ ছিল স্বাভাবিক একটি ঘটনা। ১৮৪৫ সালে উমেশচন্দ্র সরকার ও তার স্ত্রী খৃষ্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত হলে হিন্দুরা আতঙ্কিত হয়ে এর পরের দিনই তৎকালীন ৪০,০০০ টাকা যোগাড় করে একটি হিন্দু স্কুল প্রতিষ্ঠার উদ্দোগ নেন , উদ্দেশ্য ছিল খৃষ্টান মিশনারীদের স্কুলের প্রভাব কমানো। রাজা রামমোহন রায়ের মতো এত প্রভাব বিস্তারকারী না হলেও সেই স্কুল প্রতিষ্ঠা ও তৎপরবর্তী আন্দোলনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতা রাজা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছিলেন [৬]।  

একটা বিষয় এখানে স্পষ্ট, আর তা হলো, একেশ্বরবাদী আব্রাহামিক ধর্মগুলোর বিশ্বজনীন আবেদনের কাছে পৌত্তলিকতা-সমৃদ্ধ হিন্দুসমাজ অসহায় ছিল [৭]। এই অসহায়ত্ব তাদের সংস্কারের দিকে ঠেলে দেয়। স্বামী দয়ানন্দ স্বরস্বতী ১৮৭৫ সালে যে আর্য সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন তার প্রধান লক্ষ্য ছিল যেসব হিন্দু মুসলিম ও খৃষ্টান হয়ে গেছে তাদের আবার হিন্দু ধর্মে ফিরিয়ে আনা। এজন্য হিন্দু ধর্মের প্রচলিত প্রতিমা পূজা, জাতপাতকে তারা বর্জন করেন। যেসব নীচু শ্রেণীর হিন্দু ইসলাম ও খ্রিষ্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছে তাদেরকে ফিরিয়ে আনার জন্য ‘শুদ্ধি’ নামে এক ধরণের ধর্মীয় আচারেরও প্রচলন করা হয়। তাছাড়া অস্পৃশ্যদের ধর্মে ধরে রাখার জন্য ‘শুদ্ধিত’ নামে এক ধরণের ধর্মীয় আচার ছিল যার দ্বারা নীচু জাতেরা উপরের জাতে উত্তরণ করতে পারে [৮]। পরবর্তীতে রামকৃষ্ণ মিশনের রামকৃষ্ণ ইসলাম ও খৃষ্টান ধর্ম দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এর মতোই হিন্দু ধর্মকেও বৈশ্বিক করার প্রয়াস পান। স্বামী বিবেকানন্দও ছিলেন সেই রামকৃষ্ণ মিশনের অনুসারী [৭]।

মুসলিমদের এই উপমহাদেশে আগমন ও শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হবার ফলে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল ব্রাহ্মণরা! এজন্য সামরিক, সামাজিক ও আধ্যাত্নিক প্রায় সবক্ষেত্রে পরাজিত ব্রাহ্মণদেরকেই সংস্কার আন্দোলনের অগ্রভাগে পাওয়া যায়। ব্রাহ্মসমাজের বিশিষ্ট লোকদের মধ্যে ছিল সেই উঁচু জাত ও উচ্চবিত্তের লোকেরা। ব্রাহ্মসমাজের প্রতিষ্ঠাতা রাজা রামমোহন রায়, দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর, আর্য সমাজের স্বামী দয়ানন্দ সারাভাস্তি, রামকৃষ্ণ মিশনের রামকৃষ্ণ, এছাড়া রামানন্দ, রামানুজ কবির সবাই ছিলেন উঁচু বর্ণের ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণকারী। এছাড়া ব্রাহ্মসমাজের আন্দোলনে ভূমিকা রাখা আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮০৭-১৯০৫), রবীন্দ্রনাথ নিজে, উপেন্দ্রকিশোর রায় ও আরো অনেকে [৩]।

আঠারো শতকের দিকে বাঙ্গালীর রেনেসাঁ’র সময় হিন্দু সমাজের যে সংস্কার আন্দোলন হয় তা ছিল নিকট প্রতিবেশী মূলত মুসলিম ও পরবর্তীতে কিছু সময়ের জন্য খৃষ্টান ধর্মের আধ্যাত্নিক ও সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার একটি প্রচেষ্টা। তাদের এই আন্দোলনটা ছিল কয়েকশো বছর ধরে চলা সংস্কার আন্দোলনের একটা ধারাবাহিকতা। এই আন্দোলনের প্রথম ক্ষেত্র তৈরী করেছিল ইসলাম ও পরবর্তীতে শেষ সময়ে খৃষ্টান ধর্ম। মুসলিমদের এই উপমহাদেশে আগমণে ব্রাহ্মণরা কেবল ক্ষমতাই হারায়নি, তাদের মর্যাদাও ভূলুন্ঠিত হয়েছিল, ফলে সংস্কার আন্দোলনে তাদেরকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়। তাদের এই সংস্কার আন্দোলন হিন্দু সমাজের মৌলিক কিছু বিশ্বাস ও রীতিকে অস্বীকার করেছে (যেমন: প্রতিমাপূজার বিরোধীতা, জাতপাত বর্জন ইত্যাদি)। হিন্দুদের মুসলিম ও খৃষ্টান ধর্মে ধর্মান্তকরণ ঠেকানোর পাল্টা প্রতিক্রিয়াও ছিল একটি কারণ। রাজা রামমোহন রায়সহ সংস্কারকদের এই ধর্মীয় ও সামাজিক আন্দোলনের সাথে ইসলামের অবদান ও প্রভাব আষ্ঠেপৃষ্ঠে জড়িত।

 

সূত্র:

১। The Peoples of India, J. D. Anderson, Cambridge at the University Press, 1913

২।  https://sites.google.com/site/brahmosamajorg/

৩। http://www.thebrahmosamaj.net/impact/impact.html

৪। http://www.philtar.ac.uk/encyclopedia/hindu/ascetic/brahmo.html

৫। Influence of Islam on indian Culture by Tara Chand

৬। History of Bengali Language and Literate by Dinesh Chandra Sen

৭। http://hinduism.iskcon.org/tradition/1207.htm

৮। http://www.indianetzone.com/3/arya_samaj.htm

৩৩ comments

Skip to comment form

  1. 10
    অজয় রাউত

    @এম_আহমদ

    আপনি কি ইমরানার কেস স্টাডি করেছেন? সকল পক্ষের বিবরণ পাঠ করেছেন? দারুল উলুম দেওবন্দের ফাতোয়া ও ফাতওয়ার বেসিস পাঠ করেছেন? এগুলো করে থাকলে বলেন।”

    আপনি কি ভারতীয় আইনকে চ্যালেঞ্জ করছেন (যে আইনে ইমরানার শ্বশুর শাস্তি পেয়েছে)? এভাবে ব্লগে চ্যালেঞ্জ করার কোনও সুযোগ নেই, ভারতের আইনকে চ্যালেঞ্জ করার দুটো রাস্তা আছে, উপরের আদালতে আপীল করুন, রায় পছন্দ না হলে সংসদে তিন চতুর্থাংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আপনার পছন্দমতো আইন বদলে নিন। এটাই গণতন্ত্র, অবশ্য আপনাদের বোঝার বাইরে। ইসলাম তো গণতন্ত্র স্বীকার করে না।

     এখন কথা হচ্ছে আপনি কি এই ফতোয়াটিকে সমর্থন করেন? আপনার ইতর পিতা (তর্কের খাতিরে ধরলাম আমারও) আপনার (তর্কের খাতিরে ধরলাম আমারও)স্ত্রী কে রেপ করলো, জানাজানি হবার পর আপনার (তর্কের খাতিরে ধরলাম আমারও) ধর্মীয় সমাজপতিরা বিধান দিল(যেটা সমর্থন করল সর্বোচ্চ ধর্মীয় সংস্থা) আপনার(তর্কের খাতিরে ধরলাম আমারও) স্ত্রী এখন থেকে আপনার(তর্কের খাতিরে ধরলাম আমারও)মা। আপনি(কুতর্কের খাতিরেও ধরতে পারলাম না)কি এই ফতোয়াটিকে সমর্থন করেন?(উপর নিচে রিপিটেশন মাফ করবেন)।

    আপনার কথায় আমি এরশাদ মাঞ্জির বদলে সাদা বিধবাকে ইসলামের রক্ষাকারী হিসেবে বেছে নিচ্ছি।

    মূর্খতার জবাব দেওয়ার দরকার ছিলনা। কিন্তু আমিওতো সিলেটী বাঙাল। আপনি যদি এই নোংরামোকে জাস্টিফাই করতে না পারেন তবে আমাদের পূর্বপুরুষরা আপনাদের মত কামলাদের জন্যই বলে গিয়েছিলেন “ছিঁড়তায় পারনা মুরগির বাল, আর নাম চটকাস শেখ দুলাল”।  

  2. 9
    সরোয়ার

    অসাধারণ লেখা যা ইতিহাসের দলিল হয়ে থাকবে। লেখাটি মুক্তমনাদের গায়ে আগুন ধরিয়ে দিবে! লেখককে ধন্যবাদ।

    1. 9.1
      শামস

      মুক্তমনাদের আগুন লাগারই কথা, কিন্তু কোন উপায় নাই!

      আপনাকেও ধন্যবাদ।

       

  3. 8
    কাজী মুহাম্মদ ইলিয়াস

    @raihan rahman ১।সৌদি আরবে নারীর গাড়ি চালানোর উপর যে বিধি নিষেধ আছে তার সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নাই।এই আইন সেই দেশের নিজস্ব আইন। ২।ইরানে জেনা করার কারনে শুধু মাত্র নারীদেরকেই পাথর নিক্ষেপ করে মারা হয় না পুরুষদেরকেও মারা হয়।যে অন্যায় করবে সে শাস্তি পাবে।কিন্তু অন্যায়কারী শাস্তি পেলে আপনার কি সমস্যা?নাকি নারী ভোগ করার সুযোগ নষ্ট হয়ে যাবে সেই ভয়ে? ৩।আফগানিস্তানে ইঞ্চি মেপে যদি বোরখা পড়ানো অপরাধ হয় তাহলে ধর্মনিরপেক্ষবাদী দেশগুলোতে হিজাব পরতে না দেয়াও অপরাধ।তবে কিন্তু আলেমদের মধ্যে বিভেদ আছে নেকাব পরার ব্যাপারে।তাই আফগানিস্তানে তালেবানরা যা করেছে তা তাদের নিজস্ব ব্যাখ্যা।কিন্তু আপনি না বুঝেই কেবল বক বক করেন।হাজার হলেও বানরের বংশধর তো।তাই ল্যাঞ্জা নাড়ানো ছাড়া থাকতে পারেন না। ৪।আমাদের দেশের ইমাম-মুয়াজ্জিনরা তো আর আপনাদের মত হিজড়া না।নারীর প্রতি পুরুষের আকর্ষণ তো স্বাভাবিক।সেই জন্যই তো আল্লাহ নারী-পুরুষ দুইজনের জন্যি পর্দা ফরজ করেছেন।যদি আমাদের আলেমরা নারী লোভী হত তাহলে তারা নারীকে উন্মুক্ত করে দিতে বলতো। আপনি আলেমদের দোষ ধরলেন কিন্তু আপনাদের গরু হুমায়ুন অজাত যে নিজের যুবতী মেয়েকে দেখে লালা ঝরাইছে সেটার কোন দোষ ধরলেন না।বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইয়া দেখলে যে তার চুইঙ্গামের মত চাবাইতে মন চায় সে ব্যাপারে আপনাদের কোন অভিমত নাই।কেন?এগুলা কি প্রগতিশীলতা তাই?ওহ এরা তো আবার নারী মুক্তিকামী।নাস্তিকদের কথা হল জীবন হল উপভোগ করার বিষয়।তো উপভোগ না করে কেন শুধু শুধু টাইম নষ্ট করে এখানে লেখা-লেখি করতেছেন?আপনার তো এখন মদ-গাঞ্জা-বাবা-আফিম-নারী নিয়ে পড়ে থাকার সময়।নাকি আখিরাতের চিন্তায় ঘুম আসে না?তাই মুসলিমদের সাথে একটু গুতাগুতি করে নিজের মনকে শান্তনা দেন?আপনার কমেন্টগুলো দেখে মনে হচ্ছে আপনি খুবই দুশ্চিন্তায় আছেন।

    1. 8.1
      শামস

      এই মন্তব্য মডারেটেড হয়ে আসা উচিত ছিল!

  4. 7
    sami23

    শামস ভাই,
    চমৎকার একটি ব্যতিক্রমধর্মী লেখা উপহার দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। হিন্দু সমাজের সংস্কার আন্দোলনে রামমোহন রায় আত্মশক্তি এবং আত্মপ্রত্যয়ে সুপ্রতিষ্ঠিত প্রশান্ত গভীর অবদানের ছাপ সুস্পষ্ট।এই সংস্কার আন্দোলন তিনি করে ছিলেন ফরাসী বিপ্লবে মূলমন্ত্রে অনুপ্রাণিত হয়ে।তিনি হিন্দু ধর্মে পুরাণের কাহিনীগুলো এবং অন্ধবিশ্বাস, কুসংস্কার ভর্তি হিন্দু ধর্মী গ্রন্থ বদলে বেদান্ত ও উপনিষদের কথা শুনিয়েছেন রাজা রামমোহন রায়।তার সতীদাহ প্রথা বিলোপ এবং  বিধবা বিবাহ বৈধকরণ পাশাপাশী তিনি সর্ব প্রথম হিন্দু ধর্মে মা-বাবার সম্পত্তিতে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি জোর প্রচেষ্টা চালান।

    1. 7.1
      শামস

      ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

       

  5. 6
    শামস

    @অজয় রাউত,

    হিন্দুদের সব সংস্কার মুসলিমদের প্রভাব দ্বারা হয়েছে সেটা দাবী করা হয়নি। ইসলাম দ্বারা হিন্দু ধর্ম ধর্মীয়, আধ্যাত্নিক ও সামাজিকভাবে কিভাবে প্রভাবিত হয়েছে সেটাই এই লেখার উপজীব্য, তথ্য প্রমাণ সহকারে উল্লেখ করা হয়েছে। সেগুলো নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বলুন।

    এরপর দেখুন বুদ্ধকে নিজেদের অবতার বানিয়ে নেওয়া। মুসলমানরা যদি ভারতে আরও একহাজার বছর রাজত্ব করত, তবে আপনাদের নবীও একজন অবতারে পরিণত হতেন।

    মুসলিমরা প্রায় ৫০০ বছরের উপর ভারত শাসন করেছে, আরো ১০০০ বছর শাসন করলে মানে সর্বমোট ১৫০০ বছর শাসন করলে তিনি 'অবতারে' পরিণত হতেন? আপনার অঙ্কের হিসাব অনুযায়ী, আল্লাহ আমাদের নবী ও মুসলিমদের প্রতি রহম করেছে!

    আপনার কথায় ইসলামের সংস্কার দরকার নেই,

    আমিতো ইসলামের সংস্কার দরকার নাই বলিনি, বলেছি ইসলামের সামনে এক্সাম্পল কোন ধর্ম, ইসলামের কোন আধ্যাত্মিক, আইন বা কিসের সংস্কার করতে হবে সেটা বলুন। যদি এক্সাম্পল থেকে থাকে কেন সেগুলো এক্সাম্পল, কোন সংস্কার কেন করতে হবে- একটি একটি করে আনুন। কিছুই আনলেন না, সব ডিঙ্গিয়ে উপসংহারে চলে গেলেন! 

    আপনি বোধহয় লিংক দুটো দেখার কষ্ট স্বীকার করতে চাননি।  

    অযথা কষ্ট করার প্রয়োজন মনে করিনি। আপনাকে এর উত্তরও এর আগের মন্তব্যে উল্লেখ করেছি। পড়ে উত্তর দিন।

     

  6. 5
    এস. এম. রায়হান

    @Raihan Rahman, দুঃখিত! মুসলিম পরিবারে জন্মনিয়েও বিবেকের তারনায় "ইসলাম" নামক  বস্তুটিকে গ্রহন করিনি। যে কারনে- অজ্ঞতা! হীনমন্যতায়! ডুবে আছি? তবে, মদ-বেশ্যা-গেলমানের লোভ আর দোযখের আগুনের ভয়ে আরবী-কিতাবে আজন্ম মাথা বিক্রি করে দিলে আমিও আপনার মত ২১ শতকের আলোক ঝলমলে তালেবান হয়েই থাকতান। ধন্যবাদ।

    হিন্দুরা দেখা যাচ্ছে সন্ত্রাসী মুসলিমদের (তাদের ভাষায়) ঐরশজাত সন্তান হতে খুব পছন্দ করে! মনাদের ব্রাহ্মণ গুরুজী তো বেশ কয়েকবার সন্ত্রাসী মুসলিমদের (তার ভাষায়) ঐরশজাত সন্তান হিসেবে জন্ম নিয়েছে! এদেরকেই মনে হয় অভিশপ্ত বলা হয়।

    1. 5.1
      সাদিয়া

      হিন্দুরা দেখা যাচ্ছে সন্ত্রাসী মুসলিমদের (তাদের ভাষায়) ঐরশজাত সন্তান হতে খুব পছন্দ করে! মনাদের ব্রাহ্মণ গুরুজী তো বেশ কয়েকবার সন্ত্রাসী মুসলিমদের (তার ভাষায়) ঐরশজাত সন্তান হিসেবে জন্ম নিয়েছে! এদেরকেই মনে হয় অভিশপ্ত বলা হয়।

      ১.আপনার হিন্দু বিদ্বেষের কারন কি?

      ২.মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া মানুষ কি নাস্তিক হতে পারে না ??

      ৩.ড. হুমায়ূন আযাদ/ আরজ আলী মাতুব্বর কি মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করে নি ???

       

      1. 5.1.1
        এস. এম. রায়হান

        ১.আপনার হিন্দু বিদ্বেষের কারন কি?

        এখানে হিন্দু বিদ্বেষের কিছু নাই। বরঞ্চ আপনার মতো হীনমন্য হিন্দুরা নিজ নাম ও জন্মপরিচয় গোপন করে মুসলিম নারী/পুরুষ নাম নিয়ে নিজেকে মুসলিম পিতার ঔরশজাত দাবি করে ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে। এই দিনের আলোর মতো সত্য কথা বলা মানে হিন্দু বিদ্বেষ নয়।

        ২.মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া মানুষ কি নাস্তিক হতে পারে না ??

        এইটা মূর্খামী নাকি ধূর্তামী? আমি কোথাও এমন দাবি করি নাই।

        ৩.ড. হুমায়ূন আযাদ/ আরজ আলী মাতুব্বর কি মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহন করে নি ???

        আবারো মূর্খামী অথবা ধূর্তামী। হুমায়ূন আযাদ, আরজ আলী মাতুব্বর, তসলিমা নাসরিন'রা মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে মানে এই নয় যে সদালাপের 'সাদিয়া!', 'রায়হান রহমান!'রাও মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছে। এইটা একেবারেই সাধারণ বোধের ব্যাপার। বেশী ধূর্তামী করতে গেলে মাথা থেকে সাধারণ বোধও হাওয়া হয়ে যায়।

  7. 4
    মুনিম সিদ্দিকী

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন- ভারতে হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের প্রধান অন্তরায় হচ্ছে মুসলিমদের ধর্ম আচার নয় আর হিন্দুদের অন্তরায় ধর্ম নয় আচার। এতে প্রমাণিত হয় যে হিন্দু ধর্ম নিছক আচার প্রথা পালনে আবদ্ধ ধর্ম। তবে ইতিহাস বলে হিন্দু ধর্ম হচ্ছে লতা জাতীয় উদ্ভিদের মত, যখন কোন ধর্ম ধারণকে প্রগতীশীল বলে প্রচলিত থাকে তখন সেই ধর্মের আচার প্রথা নামক গাছে সে বেয়ে উঠে, তাইতো তাদের পূজা পর্বণে এখন মিনি স্কার্ট পরে মেয়েদেরকে নাচতে দেখতে পাওয়া যায়।

    হিন্দু নামক ধর্ম এখন ইউরোপীয় ধ্যান ধারণার গাছে চড়তে লেগেছে, যত চড়বে তত তারা প্রগতিশীল বলে নিজদেরকে জাহির করতে পারবে!!!

    লেখার জন্য ধন্যবাদ।

  8. 3
    শাহবাজ নজরুল

    রাজা রামমোহন রায়, দেবেন্দ্রনাথ সহ শিক্ষিত হিন্দুসমাজ সাধারণ জ্ঞান ব্যবহার করেই বুঝেছিলে হিন্দু ধর্মের অসারতা। আর এও বুঝেছিলেন হিন্দু ধর্মের সমস্যাগুলোর সমাধান আছে ইসলামে। রামমোহন রায় সহ ঠাকুর পরিবারের সহয়তায় তত্কালীন হিন্দু সমাজে আসলেই প্রগতির দোলা লেগেছিল। অসাধারণ সুন্দর এই লেখাটির জন্যে অশেষ শুভেচ্ছা। আর একটা প্রশ্ন -- ব্রাহ্ম সমাজের বর্তমান অবস্থা কি? এটা কি এখন মৃত আন্দোলন? পরে আরো প্রসঙ্গ নিয়ে আসছি।

    1. 3.1
      শামস

      ইসলামের আগমনে হিন্দুরা ধর্মসংস্কারে অনেকটা বাধ্য হয়। প্রশ্ন হলো, সংস্কার কেন করতে হয়। এর উত্তর খুব সোজাসাপ্টা। হিন্দু সংস্কারকরা সেই সঠিক কাজটিই করেছেন।

      এটা মূলত এলিটদের সংগঠন হয়ে যায়। ফলে যা হবার তাই হয়েছে। তবে এখনো তাদের কিছু উপস্থিতি বজায় রাখলেও হাতে গোনার মতো মনে হয়নি।

       

      1. 3.1.1
        অজয় রাউত

        “ইসলামের আগমনে হিন্দুরা ধর্মসংস্কারে অনেকটা বাধ্য হয়। প্রশ্ন হলো, সংস্কার কেন করতে হয়। এর উত্তর খুব সোজাসাপ্টা।”

        উত্তর যদি জানাই থাকে তাহলে ইসলামের সংস্কারের কাজটা শুরু করলেই হয়। নিজেরা না পারলে যারা করতে চাইছে  তাঁদের অন্তত সমর্থন করুন। ইসলামের নামে এসব শয়তানী   আর কদ্দিন চলবে?

         

        1. 3.1.1.1
          শামস

          @অজয় রাউত,

          হিন্দু ধর্মের সংস্কারের কারণ ইসলাম তথা আব্রাহামিক ধর্ম। ইসলামের আধ্যাত্নিক, ধর্মীয় আইন কেন সংস্কার করতে হবে। আর ইসলামের সংস্কার করার জন্য 'এক্সামপল' কোন্‌ ধর্ম? কারো মুখের বুলি নিজে আওরান আপত্তি নেই, কিন্তু বলতে হবে কেন সেগুলো এক্সামপল, সংক্ষেপে পয়েন্ট বাই পয়েন্টে। একবারে একটি পয়েন্ট এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন। অন্যরাও আলোচনায় অংশ নিতে পারে, হয়তো আপনার দেয়া সংস্কারে উতসাহীও হতে পারে।

        2. অজয় রাউত

          “হিন্দু ধর্মের সংস্কারের কারণ ইসলাম তথা আব্রাহামিক ধর্ম।”

          কারন তবে একমাত্র কারন নয়, হিন্দু ধর্মের সংস্কার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। ৬০০ খ্রিঃ পুঃ চার্বাক দর্শন বলছে “ ন স্বর্গ নাপবর্গো বা নৈবাত্মা পারলৌকিকঃ।/ নৈব বর্ণাশ্রমাদিনাং ক্রিয়াশ্চ ফলদায়িকাঃ।/ অগ্নিহোত্রং ত্রয়ো বেদাস্তিদন্ডং ভস্মগুণ্ঠনম্।/ বুদ্ধি পৌরুষহীনানাং জীবিকা ধাতৃনির্মিতা।/ ততশ্চ জীবনোপায়ো ব্রাহ্মণৈ বিরহিতাস্তিহ।/ ভূতানাং প্রেতকার্যানি ন ত্বন্যবিদ্যতে ক্কচিৎ।/ ত্রয়ো বেদস্য কর্তারো ভন্ডধূর্তনিশাচরাঃ।/ জর্ফরিতুর্ফরিত্যাদি পণ্ডিতানাং বচঃ স্মৃতম।। -- স্বর্গ-নরক নেই, পারলৌকিক আত্মাও নেই। বর্ণাশ্রমাদির ক্রিয়াও নিস্ফলা। অগ্নিহোত্র (যজ্ঞ), তিন বেদ, ত্রিদন্ড আর ভস্মলেপন বুদ্ধি ও পৌরুষহীন মানুষদের জীবিকার উপায় মাত্র। মৃত লোকদের শ্রাদ্ধ প্রভৃতি ব্রাহ্মণদের জীবিকার উপায় হিসাবে তাঁদের রচিত বিধান ছাড়া আর কিছুই নয়। তিন বেদের রচয়িতারা ধূর্ত, ভণ্ড ও নিশাচর। পণ্ডিতদের দ্বারা উচ্চারিত জর্ফরিতুর্ফরি ইত্যাদি মন্ত্র (অশ্বমেধ যজ্ঞে ঋগ্বেদীয় মন্ত্র) অর্থহীন ভ্যাজরভ্যাজর।” এধরনের কথা কি ইসলামে উচ্চারন করা যায়।

          এরপর দেখুন বুদ্ধকে নিজেদের অবতার বানিয়ে নেওয়া। মুসলমানরা যদি ভারতে আরও একহাজার বছর রাজত্ব করত, তবে আপনাদের নবীও একজন অবতারে পরিণত হতেন।

          একটি ডাইন্যামিক ধর্ম হিসেবে হিন্দু ধর্মে সবসময়ই সংস্কার চলছে। রামকৃষ্ণ পরমহংস (কেউ কেউ গরমহংসও বলে, যেমন আমি) সবধর্ম চর্চার পরেই এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন “যত মত তত পথ”। সিরদি সাইবাবা যেমন বলেছিলেন “সবকা মালিক এক হ্যায়”। হিন্দু ধর্ম ডগমেটিকদের বুঝার অনেক বাইরে, এর মধ্যে আমিও আছি, আসারাম বাপুও আছে, দলিতরাও আছে মায়াবতিও আছেন, ঝালে ঝোলে অম্বলে, ধর্মে আর জিরাফে সবাই মিশে আছে।

          আপনার কথায় ইসলামের সংস্কার দরকার নেই, ঠিক আছে, জিহাদ চলুক, ফতোয়া চলুক, বোমা বন্দুকের মাধ্যমে ইসলামের প্রসার চলুক, শুধু একটু সংস্কার করে শিয়া সুন্নি খুনোখুনিটা বন্ধ করা যায় কিনা একটু ভেবে দেখবেন।

          আপনি বোধহয় লিংক দুটো দেখার কষ্ট স্বীকার করতে চাননি।  

        3. 3.1.1.2
          এম_আহমদ

          @অজয় রাউত:

          নিজেরা না পারলে যারা করতে চাইছে  তাঁদের অন্তত সমর্থন করুন।

          এই ভিডিও লিঙ্কে আপনি কি দেখেছেন যার সমর্থনের কথা এখানে বলছেন? মাথা ঠিক থাকলে কথা পার্থক্যের স্থানগুলো নিয়ে আসেন।

          মনে হয় ভারতের gange rape দেখেননি এবং rape statistics দেখেননি, না হলে isolated case জেনেরেলাইজ করার এত উৎসাহ সহজে আসত না। 

           

        4. অজয় রাউত

          “মনে হয় ভারতের gange rape দেখেননি এবং rape statistics দেখেননি, না হলে isolated case জেনেরেলাইজ করার এত উৎসাহ সহজে আসত না।”

          আমিতো রেপকে হাইলাইট করিনি, রেপের পর ইসলামি ফতোয়া বিচারটার কথাই বলতে চেয়েছিলাম, আপনিতো আমার মন্তব্যের স্পিরিটটাকেই রেপ করলেন।

        5. এম_আহমদ

          @অজয় রাহুত

           নিজেরা  [ইসলামের সংস্কার করতে] না পারলে   যারা করতে চাইছে  তাঁদের অন্তত সমর্থন করুন।

          ইসলামের নামে এসব শয়তানী   আর কদ্দিন চলবে?

           

          আপনি কি ইমরানার কেস স্টাডি করেছেন? সকল পক্ষের বিবরণ পাঠ করেছেন? দারুল উলুম দেওবন্দের ফাতোয়া ও ফাতওয়ার বেসিস পাঠ করেছেন? এগুলো করে থাকলে বলেন। উইকির লিঙ্কে informed opinion ফরম করার তথ্য নেই। কিন্তু এসবের আগেই আপনি আলেমদেরকে ‘শয়তান’ আখ্যা দিচ্ছেন। আপনাদের সমস্যা হচ্ছে যা ঘিলুতে ধরে না, তাই নিয়ে মন্তব্য করা, বিদ্যা দেখানো। এগুলো যে চরম মূর্খতা সেদিকে খেয়াল নেই। ‘মাঞ্জি’ নামের এক লেসবিয়ান যার ধারণায় হিজাব/বোরখা যেন মাথায় কনডম আচ্ছাদিত করা, যার কাছে কোরানে ভুল রয়েছে, যে নবীতে বিশ্বাসের প্রয়োজন মনে করে না, আরও কতকিছু। এই পথভ্রষ্ট লারে-লাপ্পা হচ্ছে ইসলাম বিদ্বেষী খবিস সম্প্রদায়ের আলোচিত আইকন, যাকে মাহদী হাসান তার মুখোশ উন্মোচন করে দিয়েছে। আর আপনি এখানে মিনি মিনি করে এই মহিলার “ইসলাম-সংস্কারের” আহবান জানাচ্ছেন! কি ঘটছে সে বুঝ কেবল মন্তব্য! আমরা সিলেটে বলে থাকি, ‘বাল চিড়ার ভাগ নাই আটারো টেখা মাস’, অর্থাৎ খাটি অপদার্থ, মুখে যা আসে তাই বলে। একটি কেসের জটিলতা, তার দিগ্বিদিক, তার পরিপ্রেক্ষিত –কিছু জানা নেই, কিন্তু আলেমরা ‘শয়তান’! আপনি এখানে কি ‘হাইলাইট’ করেননি? কি বুঝেছেন, আর কি চেনাচ্ছেন? মুখে যা আসে তাই বলা! আপনার মন্তব্যের স্পিরিট বুঝি এখন ‘রেপ’ হয়ে গেছে!!!!

        6. sami23

          আমরা সিলেটে বলে থাকি, ‘বাল চিড়ার ভাগ নাই আটারো টেখা মাস’, অর্থাৎ খাটি অপদার্থ, মুখে যা আসে তাই বলে

          হা হা হা আহমদ ভাই আপনি দেখি পুরো সমাজের সামনে দাদারে ধুতি ধইরা টান দিয়া নেংটা করে ফেলছেন!

  9. 2
    এস. এম. রায়হান

    সদালাপে মুসলিম ছদ্মনামে বর্ণবাদী ধূর্ত হিন্দুদের মন্তব্য কেনো প্রকাশ করা হচ্ছে? বর্ণবাদী ধূর্তরা এখানে মুসলিম ছদ্মনামে মন্তব্য করে অন্য ব্লগে যেয়ে ভিন্ন ছদ্মনামে তার নিজেরই করা মন্তব্য কোট করে সদালাপ ও আমাদেরকে গালিগালাজ করছে। এই ধরণের সুযোগ কি কোনো হিন্দু বা এমনকি নাস্তিকরূপী মনা ব্লগে দেওয়া হবে?

    1. 2.1
      শামস

      রায়হান ভাই, গালিগালাজ না করলে এবং ধ্রমীয় ব্যক্তিত্ব এবং ধর্ম নিয়ে বিরূপ কিছু না বললে, মন্তব্য প্রকাশ করতে দেয়াটাই ঠিক হবে। যে সার্কাস আমার ব্লগ বা মনাতে দেখা যায়, সদালাপে সেই সার্কাস দেখাটা কাম্য নয়, কিন্তু সেই সার্কাস এর ক্লাউনদ্ললে,চেনার জন্য ওসব খোয়াড়ে যাওয়ার দরকার কি? সদালাপের গাইডলাইন যতক্ষণ অনুসরণ করবে তখন যে কেউ মন্তব্য করতে পারা উচিত।

      ভালো থাকুন।

       

  10. 1
    Raihan Rahman

    কে কার কাছে দায়বদ্ধ?
    দেখুন অলৌকিক ধর্মতত্বে কুসংস্কার থাকবেই। এবং থাকাটাই অতি স্বাভাবিক। ধর্মের জ্বিন, ভুত, ফেরেস্তা, রাক্ষস, শয়তান……………….. এসব গল্প কথার কল্পচিন্তা সমাজকে কি আধুনিক সংস্কার দিতে পারে! আপনিই বলুন। হিন্দু ধর্মের জাতপ্রথা, খ্রীষ্ট ধর্মের চার্চ শাসন, ইসলাম ধর্মের মধ্যযূগীয় শরিয়া, শিকলবন্ধি নারি এবং তারচেয়ে ভয়ংকর শিয়া-সুন্নি-সালাফি-ওহাবি-আহম্মদি জাতবিভেদ সংঘাত(যা এখন মারাত্মক পর্যায়ে)……………….. এসব কখনো কোন সমাজে কল্লান বয়ে আনে না।

    যে কারনে আব্রাহামিক ধর্মের একেশ্বরবাদী অমানবিক চার্চ শাসনকে John Locke,Thomas Jefferson এর মত উদার নৈতিক সেক্যুলার চিন্তাবীদরা  সেই ১৭ শতকেই ইউরোপ-আমেরিকা থেকে বিদায় করে দেয়। একই অবস্হা ঘটেছে ইসলামের কপালে। মধ্যযূগীয় ইসলামি শরিয়ার খেলাফতি শাসনকে ইসলামের কেন্দ্রবিন্দু তুরস্ক থেকে ঝেটিয়ে বিদায় করা হয়।

    আশা করি বিষয়টি ধরতে পেরেছেন এতক্ষনে। ধন্যবাদ।

    1. 1.1
      শাহবাজ নজরুল

      ঝিকে মেরে বউকে শেখানো? হিন্দু ধর্মের বর্ণপ্রথা, জাত-পাত, সতীদাহ, বিধবা বিবাহ, বিধবার সারাজীবন নিরামিষ খেয়ে জীবনপার, নারীও অধিকার না থাকা সহ সকল অমানবিক প্রথার সাথে ইসলামকে একপাতে তুলে দিলেন? এখানে দুই স্তরের ভন্ডামি আছে -- প্রথমত তাত্ত্বিক ভাবে ইসলামে কোনই অবিচার ও অসাম্য নেই। প্রায়োগিক ক্ষেত্রে হয়ত ব্যক্তিরা সঠিক ইসলামী নীতি সব সময় প্রয়োগ করেন নাই। তবে তার জন্যে ইসলাম দায়ী নয় -- দায়ী হচ্ছে যে মুসলিম সঠিক ভাবে ইসলাম প্রয়োগ করতে পারল না তার। দ্বিতীয়ত, প্রতিটি ধর্মের (ইসলামের ক্ষেত্রে কেবল প্রায়োগিক অর্থে) একটা করে ভুল দিক কেবল একপাতে তুলে সবাইকে সমার্থক করে বলা চরম ভন্ডামি। তাত্ত্বিক ভাবে ইসলামের সাথে হিন্দুধর্মের ওজন নিলে হিন্দু ধর্মের ওজন আসবে শুন্য। আর প্রায়োগিক অর্থে ভাবলেও হিন্দু ধর্মের অনাচারের ইতিহাস ও তাতে ধর্মের প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন মিলিয়ে দেখলে তা হবে ইসলামের ইতিহাসের চাইতে হাজার গুন বেশি অমানবিক। অতএব হাজার গুনের ওজন পার্থক্যের বিষয়কে একপাতে তুলে সমান ওজনের বলে প্রচার করাটা চরম ভন্ডামি। ধন্যবাদ।

      1. 1.1.1
        Raihan Rahman

        ইসলাম ধর্ম আসলে সিকায় ঝুলানো রসের পিঠা! ধরাছোঁয়ার একদম বাইরে!!

        ১। সৌদি আরবে এই ২১ শতকেও মেয়েরা গাড়ী চালাতে পারেনা, মেয়েদের স্বাক্ষ্য পুরুষের অর্ধেক, নারীর ভোটাধিকার নেই, মক্কা মদীনায় ঘরেঘরে পুরুষের মৌজ ফুর্ত্তির হেরেম, প্রতিরাতে বাপ/পুতের পালাক্রমে কাজের বুয়া ধর্ষন— যতদোষ মুসলমানের, ইসলামের না।
        ২। ইরানে জেনার অভিযোগে নারী কে মাটিতে পুতে পাথর নিক্ষেপে হত্যা করা হয়-- যতদোষ মুসলমানের, ইসলামের না।
        ৩। আফগানিস্তানে মেয়েদের হেজাব ইঞ্চি/ইঞ্চি মেপে ১৯/২০ হলে নারীকে প্রকাশ্যে বেতমারা হয়, নারী গৃহবন্ধি, নারীর স্কুল বন্ধ, পুরুষের ভুবিয়ে, অবাধ্যতার কারনে নারীর শিরছ্ছেদ--  যতদোষ তালেবানের, ইসলামের না।
        ৪। বাংলাদেশে ইমাম-মোয়াজ্জিন-ক্কারি-হাফেজ-হুজুর-মুফতী সাহেবদের নারী দেখা মাত্রই মুখ দিয়ে লালাঝরে, ধর্ষন করতে মুঞ্চায়, লাভ মেরেজ করতে ইছ্ছা করে- -- যতদোষ মুসলমানের, ইসলামের না।

        তো ইসলাম ধর্মের বায়ু, পানি, জমিতে কি এমন মাদকতার রস মিশে আছে যে কারনে : "যেখানেই ইসলাম-  সেখানেই শিকলবন্ধি অধিকারহীন নারী,  চাবুক, দোররা, পাথ্থর নিক্ষেপ? সেখানেই ইসলাম- সেখানেই সুইসাইড বোমাবাজি, পাল্টাপাল্টি মসজিদে হামলা, হত্যা, ধর্ষন, খুন, সন্ত্রাস? সেখানেই ইসলাম- সেখানেই বিজ্ঞানহীনতা, পশ্চাদপদতা, ঝাড়/ফুক/পানিপড়া, কুসংস্কারের অন্ধকার??" 

        1. 1.1.1.1
          এস. এম. রায়হান

          বেশী বেশী গোমূত্র মিশ্রিত ভোদকা গিলে মুসলিম ছদ্মনাম নিলে ইসলাম ও মুসলিমদেরকে এরকমই দেখায়। এখানে আমাদের কিছুই করার নাই। দোষ হচ্ছে ঐ গোমূত্র মিশ্রিত ভোদকা আর লেঞ্জার। এতেও যদি আপনাদের ঘুম ভালো হয়ে তাতেই বা ক্ষতি কী!

        2. 1.1.1.2
          শামস

          @Raihan Rahman,

          আপনার উপরের মন্তব্যটি  আপনার অজ্ঞতা, হীনমন্যতা ও বিদ্বেষ প্রকাশ করে। ধারণা করছি আপনি অমুসলিম ছিলেন এবং এখনো আছেন। চাইলেই আপনার এই অজ্ঞতা ও হীনমন্যতা খুব সহজেই দূর করতে পারেন।

           

        3. Raihan Rahman

          @ শামস…………………..,

          দুঃখিত! মুসলিম পরিবারে জন্মনিয়েও বিবেকের তারনায় "ইসলাম" নামক  বস্তুটিকে গ্রহন করিনি। যে কারনে- অজ্ঞতা! হীনমন্যতায়! ডুবে আছি? তবে, মদ-বেশ্যা-গেলমানের লোভ আর দোযখের আগুনের ভয়ে আরবী-কিতাবে আজন্ম মাথা বিক্রি করে দিলে আমিও আপনার মত ২১ শতকের আলোক ঝলমলে তালেবান হয়েই থাকতান। ধন্যবাদ।

        4. এস. এম. রায়হান

          আপনি এখনো 'ধারণা' করছেন যে সে অমুসলিম ছিল এবং এখনো আছে!

    2. 1.2
      শামস

      @Raihan Rahman,

      হিন্দু, বৌদ্ধ, খৃষ্টান, ইসলাম সবগুলোকে এক পাল্লায় হিসেব করছেন কেন? এ লেখা যদি পড়ে বুঝে থাকেন তাহলে একপাল্লায় হিসেব করারতো কথা না।

      যে কারনে আব্রাহামিক ধর্মের একেশ্বরবাদী অমানবিক চার্চ শাসনকে John Locke,Thomas Jefferson এর মত উদার নৈতিক সেক্যুলার চিন্তাবীদরা  সেই ১৭ শতকেই ইউরোপ-আমেরিকা থেকে বিদায় করে দেয়। 

      আপনি হিন্দু মুসলিম খৃষ্টান সব ছেড়ে ছুড়ে জন লক এর দিকে ঝুকছেন, তারে আবার বলছেন উদারনৈতিক সেক্যুলার চিন্তাবিদ। আপনার পাঠশালায় সেভাবেই শিক্ষা দেয়া হয়!

      এ লেখাটা পড়ে দেখতে পারেনঃ দাসত্ব বর্ণবাদ ও মানবধর্ম

       

       

      1. 1.2.1
        Raihan Rahman

        @ শামস…………………..,

        হাঁ, আমার আর আপনার ফারাক এখানেই- আমি হিন্দু মুসলিম খৃষ্টান……. তন্ত্র-মন্ত্র সংস্কারে বিশ্বাসী। আর আপনি? ৭ শতকের অসহায় ক্রীতদাসীদের সাথে মুমিনের অতিরস্কারযোগ্য ধর্ষন যজ্ঞকে(সুরা ২৩:৬)  অতি পবিত্র ভেবে এখনো বুকে আক্রে ধরে বসে আছেন। ধন্যবাদ।

    3. 1.3
      এস. এম. রায়হান

      ধর্মের জ্বিন, ভুত, ফেরেস্তা, রাক্ষস, শয়তান……………….. এসব গল্প কথার কল্পচিন্তা সমাজকে কি আধুনিক সংস্কার দিতে পারে! আপনিই বলুন। হিন্দু ধর্মের জাতপ্রথা, খ্রীষ্ট ধর্মের চার্চ শাসন, ইসলাম ধর্মের মধ্যযূগীয় শরিয়া, শিকলবন্ধি নারি এবং তারচেয়ে ভয়ংকর শিয়া-সুন্নি-সালাফি-ওহাবি-আহম্মদি জাতবিভেদ সংঘাত(যা এখন মারাত্মক পর্যায়ে)……………….. এসব কখনো কোন সমাজে কল্লান বয়ে আনে না।

      এই মন্তব্যটা মনাদের ভণ্ড গুরুজী মগাজিৎ রায় স্ট্যাইলে দুধ, পানি, ও গোমূত্রের মিশ্রণে উৎকট গন্ধযুক্ত মগাখিচুড়ি হয়ে গেছে। দুধ, পানি, ও গোমূত্রকে আলাদা করার শিক্ষা পারিবারিকভাবে বা ছোটবেলা থেকে না পেলে বড় হয়ে সহসা মাথায় ধরবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.