«

»

Feb ২৬

অন্যান্য একেশ্বরবাদী ধর্মগুলির সাধারণ পরিচিতি

পৃথিবীতে কত ধর্ম আছে তা হিসাব করে বলাটা কখনো হয়ত সম্ভব না। কতগুলো আছে ওইসব ধর্মের লোকজন ধর্ম বলে দাবী করে- আদতে এগুলো ধর্ম কিনা তা বলাটা মনে হয় খুব মুশকিল। ইসলামের বাইরে সাধারণত মুসলিমরা অন্যান্য ধর্ম সম্বন্ধে কম মাথা ঘামায়। তবে অন্য ধর্ম সম্বন্ধে একটু ধারণা রাখলে নিজের অবস্হানটা আরো ভালভাবে বুঝতে সহায়তা করতে পারে। ইন্টারনেটে একটু সার্চ করলেই এসব ধর্মের সাথে পরিচিত হওয়া যায়, কিন্ত তথ্য থাকে প্রচুর ফলে খেই হারিয়ে ফেলতে হয়, আমার কাছে সে রকমই মনে হয়। যেমন কেউ যদি হিন্দু ধর্ম পড়া শুরু করে তাহলে আগা-মাথা খুজে পাওয়া আরো বেশী কষ্টকর, এতে আছে অসংখ্য গড! (প্রচলিত ধারণা ৩৩ কোটি) আর নির্দিষ্ট কোন মতবাদ না থাকা, যদিও আজকাল কেউ কেউ সাধারণ কিছু মতবাদকে সামনে ঠেলে দিয়ে গা বাঁচানোর একটা চেষ্টা করে থাকে। সিন্ধু নদের অববাহিকায় বসবাসকারী জনগণের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আচার অনুষ্ঠান নিয়ে এই ধর্ম। নিকট প্রতিবেশী হবার কারণে বাংলাদেশে এ ধর্মটা সম্বন্ধে সাধারণ মুসলিমরা কিছুটা জানে। এ লেখায় মূলত ইসলামের বাইরে অন্যন্য একেশ্বরবাদী ধর্মগুলিকে (যার মধ্যে সবগুলোকে শেষ পর্যন্ত একেশ্বরবাদী বলা যায় কিনা তা প্রশ্নবিদ্ধ!) কেবল একটু পরিচিত করে দেবার সামান্য চেষ্টা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে Nicky Brooks এর Overview of Religions (Vol 6, No.1) এর সাহায্য নেয়া হয়েছে।

ক্রিষ্টিয়ানিটি

সাধারণভাবে ক্রিষ্টিয়ানিটি বলতে চোখের সামনে ক্রস ভেসে আসে। আসলে এই ক্রস বহনকারী সবাই কিন্তু একইভাবে এই ধর্মটিকে বিশ্বাস করে না। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য এবং ব্যাপক পার্থক্যমূলক ভাগ আছে। এসব ভাগ এর মধ্যে আছে অগণিত মতবাদ। আলাদাভাবেই তাদেরকে তুলে ধরার একটা প্রয়াস নেয়া হবে। সাধারণভাবে খৃষ্টানরা স্রষ্টার তিনটা ফর্মকে বিশ্বাস করে, আর তা হল: (God The Father) পিতা, (Jusus The Son) ছেলে এবং (The Holy Spirit) পবিত্র আত্না। গড (God) তার সন্তান (Jusus) কে মনুষ্য আকৃতিতে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন যাতে মানুষ বুঝতে পারে কীভাবে স্রষ্টার কাছে ফিরে আসতে হয়। তারা বিশ্বাস করে ‘জিসাস’ (যীশু বা হযরত ঈসা (আ:)) তার ক্রুশবিদ্ধ হবার তৃতীয় দিন আবার ফিরে আসেন যা ইস্টার সানডে হিসাবে পালন করা হয়। স্বর্গে ফিরে যাবার আগে তিনি পৃথিবীতে ৪০ দিন ছিলেন বলে খৃষ্টানরা বিশ্বাস করে। তাছাড়া ‘জিসাস’ দ্বিতীয়বার আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেন বলে অধিকাংশ খৃষ্টান বিশ্বাস করে। খৃষ্টানদের তিনটা প্রধান গ্রুপ: ‘ক্যাথলিক’, ‘অর্থডক্স’ এবং ‘প্রোটস্টান্ট’। ‘প্রোটস্টান্ট’ এর মধ্যে আবার ‘এংগলিকান’ ও ‘প্রেসবাইস্টরিয়ান’ আছে। ক্যাথলিকরা মূলত ল্যাটিন ভাষাভাষী রোমান সাম্রাজ্য কেন্দ্রিক আর অর্থোডক্স খৃষ্টানরা মুলত গ্রীক কেন্দ্রিক। সংখ্যার বিচারে ক্যাথলিকরা সবচেয়ে বেশী- প্রায় ১.১ বিলিয়ন। পোপকে পৃথিবীতে স্রষ্টার প্রতিনিধি ধরা হয়। ক্যাথলিকরা বিশ্বাস করে ভার্জিন মেরী (জিসাস এর মাতা) পাপমুক্ত এবং পবিত্র আত্না দ্বারা গর্ভবতী হন।(ভার্জিন বার্থ একটা অবিশ্বাস্য ব্যাপার ছিল কয়েকে দশক আগেও, সমালোচনার হাত থেকে বাচার জন্য পবিত্র আত্নাকে এখানে আনা হয় বলে এর প্রতিপক্ষরা বলে থাকে।বর্তমানযুগে ভার্জিন বার্থকে অসম্ভব বলে ধরা হয় না)

অর্থোডক্স চার্চ এর বেশ কিছু জাতীয়্তাভিত্তিক চার্চ আছে, যেমন: ‘গ্রীক’, ‘রাশিয়ান’ এবং ‘সার্বিয়ান’। তাদের ‘ইকুমেনিকাল কাউন্সিলকে’ সর্বোচ্চ অথরিটি ধরা হয়। তাদের ধর্মীয় আচারে অনেক পার্থক্য। তারা জুলিয়ান সালকে ধরে ইস্টারকে পালন করে, যা ক্যাথলিক ও প্রোটস্টান্টদের চেয়ে পরে। প্রোটস্টান্ট আন্দোলন শুরু হয় পশ্চিম ইউরোপে মার্টিন লুথার দ্বারা রোম এর সাথে মতপার্থক্য থেকে। তারা খৃষ্টান ধর্মকে পোপকেন্দ্রিকতা থেকে সাধারণ মানুষের দিকে নিয়ে আসার পক্ষপাতী। এর একটি শাখা এংগলিকান মুলত বৃটিশদের সংস্কৃতি কেন্দ্রিক। এর অন্যান্য শাখাগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ‘মেথডিস্ট’, ‘লুথারিয়ান’, ‘ব্যাপটিস্ট’ ইত্যাদি।

খৃষ্টানদের অরো কিছু চার্চ আছে যেগুলোকে ফ্রী চার্চ বলা হয়, যার মধ্যে ‘এসেম্বলী অব গড’, ‘ব্রেথার্ন’, ‘কনগ্রেশনাল’, ‘ইভানজেলিকাল’ ইত্যাদি। এছাড়া আছে ‘ইউনিটারিয়ান’ যারা “holy trinity (the father, the son & holy spirit)” ও জিসাস এর “divinity” কে অস্বীকার করে। সাধারণ খৃষ্টানদের কাছে তারা মুল স্রোত থেকে বিচ্যুত।

জুডাইজম

তারা মূলত মোসেস বা প্রফেট মুসার অনুসারী যা ৩৭৬০ বি.সি. তে আসছে বলে ইহুদীরা বিশ্বাস করে। আব্রাহামিক ধর্মগুলোর মধ্যে মুসলিম ও খৃষ্টান ছাড়া ইহুদীরা উল্লখযোগ্য। বর্তমানে প্রায় ১২ মিলিয়ন ইহুদী সারা বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে, তবে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল, কানাডা, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, হল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও অষ্ট্রেলিয়াতে তুলনামুলকভাবে বেশী। তাদের বিশ্বাস, দর্শন, ধর্ম, সিভিল ল’ তোরাহ বা বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্ট এর উপর ভিত্তি করে। এগুলো মুলত লিখিত আইন। অপরপক্ষে কথ্য আইনকে বলা হয় তালমুদ যা তোরাহতে আইনী ব্যাখ্যামুলক মন্তব্য। তাদেরও মুসলিমদের মত যাকাত দিতে হয়। ইসরাঈলের ইহুদীরা একটা মৃতপ্রায় হিব্রুভাষাকে পুরোপুরি ব্যাবহারিক ভাষায় পরিণত করতে সমর্থ হয়। তবে অর্থডক্স ইহুদীরা ইংলিশকে ব্যবহার করে থাকে। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ইহুদীরা মুলত বিভিন্ন দল ও উপদলে বিভক্ত, যেমন ‘হাসিদিক ইহুদী (পোলান্ড)’, ‘ইদ্দীশ (জার্মান)’, ‘সেপারডিক (স্পেন এবং মধ্যপ্রাচ্য)’, ‘আশখাজেনিক ইহুদী (পূর্ব ইউরোপ)’ ও আরো অনেক। তাদেরও মুসলিম ছেলেদের মত খৎনা করা হয়। খাবার দাবার এর ব্যাপারে ইহুদীরা খুব রক্ষণশীল তবে মুসলিমদের সাথে অনেক মিল আছে। মুসলিমদের মতই তাদের জন্য শুকর নিষিদ্ধ। প্রাণীকে জবেহ করা ও তার প্রিপারেশনটাও অনেকটা মুসলিমদের মত। তারা দুধ ও মাংসকে একসাথে তৈরী করে না বা সংরক্ষণও করে না। ইউম কাপূর ইহুদীদের প্রধান উৎসব যা মুলত সেপ্টেম্বর ও অক্টবরের কোনো এক সময়ে। এটা ইহুদী বর্ষপঞ্জী অনুসরণ করে পালন করা হয়। ইহুদীরা বিশ্বাস করে স্রষ্টা পরবর্তী বছরের জন্য মানুষের ভাগ্য লেখে এবং এই দিনে তাকে ফাইনাল করে। এই উৎসবে তারা বেশ কিছু আচার করে যেমন উপোস থাকা, সারা রাত জেগে প্রার্থনা করা, ধর্মীয় বই পড়া ইত্যাদি। তাদের প্রধান উপাসনা সপ্তাহের শনিবার সকালে। উপাসনার আগে তাদের ‘এবলুশন (কিছুটা মুসলিমদের ওযুর মত)’ করতে হয়। অর্থডক্স ইহুদী মেয়েদের পোষাকের ব্যাপারে বাধ্যবাধকতা আছে, তাদের শালীন কাপড় পড়তে হয় যাতে শরীরের খুব কম অংশই দেখা যায়। কিছু অর্থোডক্স ইহুদীদের বাইরে সাধারণ ইহুদীরা ধর্মকর্ম তেমন মানে না বললেই চলে। যদিও ঈসরাইল রাষ্ট্র নিয়ে ইহুদীদের মধ্যে কোনো বিরোধ নেই এবং এই রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য তারা কোনো ন্যায় অন্যায়ের ধার ধারে না।

জোহেভা উইটনেস

এই আন্দোলন শুরু হয় মূলত যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়াতে ১৮৭০ সালে বাইবেলের কিছু ছাত্রের গ্রুপ দ্বারা। চার্লস টাজে রাসেল এর প্রধান উদ্যোক্তা। পৃথিবীর প্রায় ২৩৫টি দেশে মোট ৬০ লাখ লোক এর অনুসারী। খৃস্টান ছাত্রদের মধ্যে এই গ্রুপটিকে বেশ একটিভ মনে হয়। তারা বিশ্বাস করে জোহেভাস উইটনেসের ছোট একটি সংখ্যা স্বর্গতে শাসন করবে যাদের অসাধারণ কিছু ক্ষমতা আছে। তারা ২৫শে ডিসেম্বরকে যিশুর জন্মদিন হিসাবে পালন করে না। তাদের মতে বাইবেলে যিশুর জন্মকাল বলা হয়েছে গ্রীষ্মকালে অথচ পুরো ডিসেম্বর মাসটাতে মুলত শীত থাকে। সে হিসাবে এটা এপ্রিল এর পরে কোনো একটা সময়ে। তাছাড়া তাদের মতে এটা প্যাগানদের গড ‘সূর্য’ এর জন্য এই উৎসব যা জেসাসের ৪০০ বছর পর খৃষ্টান ধর্মে এসেছে ‘ক্রাইস্ট মাস (Christ Mass)’ হিসাবে। এভাবে জন্মদিন পালনটাকে তারা প্যাগানদের উৎসব হিসাবে দেখে। তাদের মতে প্রাচীন ইহুদী ও খৃষ্টানরা এভাবে জন্মদিন পালন করত না কারণ এর দ্বারা পৌত্তলিকতা আসার একটা সম্ভবনা থাকে। তারা মদকে নিরুৎসাহিত করে, কারণ তারা মনে করে বাইবেলে এটা না খাওয়ার ব্যাপারে সতর্কতা আছে। ধুমপান একেবারেই নিষিদ্ধ। তারা অন্যের দেহ থেকে রক্ত নেয়াটাকে সঠিক মনে করে না। তবে তারা অটোলোগাস ব্লাডকে ব্যবহারের পক্ষপাতী।

দ্যা চার্চ অব জেসাস ক্রাইস্ট অব লেটার ডে সেইন্ট

তারা মূলত ‘মরমন’ নামে বেশী পরিচিত। তারা মরমনদের বইতে বিশ্বাস করে যা জন স্মিথ নামে এক ব্যাক্তি ১৮২০ সালে গোল্ডেন প্লেট থেকে অনুবাদ করেন। মরমনরা বিশ্বাস করে এঞ্জেল ‘মরমন’ জন স্মিথকে গোল্ডেন প্লেট এর সন্ধান দেন। এর প্রধান শাখা যুক্তরাষ্ট্রের উটাহ এর সল্টলেক সিটিতে। পৃথিবীতে প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ মরমন আছে। এখানে উল্লেখ্য ২০০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান প্রসিডেন্ট পদপ্রার্থী মিট রোনি একজন মরমন। শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট এর দৌড়ে সে ছিটকে পড়ে। এর জন্য তার ধর্মটা একটা বাধা হিসাবে ধরা হয়। কারণ সাধারণ আমেরিকানরা একজন মরমনকে প্রসিডেন্ট হিসাবে দেখতে ইচ্ছুক ছিল না। মরমনদের বিশ্বাস (God The Father) পিতা, (Jusus The Son) ছেলে উভয়েরই শারিরীক অস্তিত্ব আছে, তবে Holy Ghost হল পবিত্র আত্না। তাদের মতে সকল মানুষেরই স্রষ্টা হবার সম্ভবনা আছে।

শিখ

আব্রাহামিক ধর্মগুলোর বাইরে একেশ্বরবাদী আর একটি ধর্ম হল শিখ। তবে হিন্দুরা এটাকে তাদের একটি উপদল হিসাবে মনে করে। তাদের মতে এই মতবাদটি তাদের ধর্ম থেকে অনেক কিছু ধার করেছে। তবে যতদূর দেখা যায় এ ধর্মটি ইসলাম ধর্ম থেকে একত্ববাদের পাশাপাশি হিন্দুদের কাছ থেকে বেশ কিছু আচার শেয়ার করে। মতবাদটি ১৬ শতকের প্রথম দিকে প্রতিষ্ঠা পায়। আঠারো শতক পর্যন্ত দশজন গুরু একাজে সাহায্য করেন। তাদের এগারো নম্বর গুরু হলো ‘গুরু গ্র্যান্থসাহেব’ যা তাদের ধর্মীয় বই, অর্থ্যাৎ আর কোনো গুরু আসবে না। শিখরা এক ঈশ্বরে বিশ্বাসী এবং তাকে বিশ্বের স্রষ্টা মনে করে। শিখরাও হিন্দুদের মত জন্মান্তরবাদে বিশ্বাস করে। শিখরা ৫টা K কে মানে: কেশ, চিরুণী, ধাতুর ব্রেসলেট, তলোয়ার এবং কাছা (শর্টস)। (শিখদের সাথে মুঘলদের যুদ্ধ চলে অনেক বছর ধরে। তাদের দাবী অনুযায়ী সম্রাট জাহান্গীর সব শিখকে মুসলিম হয়ে যাবার আদেশ জারী করেন। শিখরা দশম ধর্মগুরু গুরুগোবিন্দ সিংহ এর নেতৃত্বে রক্তক্ষয়ী বেশ কয়েকটি যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়। তারা পণ করে যতদিন পর্যন্ত মুঘলদেরকে পরাজিত করতে না পারবে ততদিন তারা চুল দাড়ি কাটবে না। মূলত এর থেকেই তারা দাড়ি না কাটার চর্চা করে আসছে)। শিখদের মধ্যে যারা এই পাঁচটা চিহ্নকে বহন করে তাদেরকে ‘অর্মৃতদারি’ বলে, তারা মাংস ভক্ষন থেকে বিরত থাকে এবং প্রতিদিন তাদের ইবাদতস্হান গুরুদুয়ারাতে যায়। গুরুদুয়ারাতে শিখদের ধর্মগ্রন্হ ‘গুরু গ্র্যান্থসাহেব’ থাকে যাকে সবসময় সামনে থেকে দেখতে হয়, কখনও পিছন ফিরা যায়না। শিখদের মধ্যে অনেকে নিরামিশাষী, আবার অনেকে মাছ খায় না। তারা সাধারণত গরু ও শুকরের মাংস খায় না। শিখদের কাছে মাথায় পড়া পাগড়ির গুরুত্ব অপরিসীম। খুব বেশী প্রয়োজন না পড়লে শিখ ছেলেরা নীচে পরা ‘কাছা’ কখনো খুলে না। শিখদের মধ্যে অনেক দল উপদল আছে যারা অনেকে রীতিনীতি যেমন, চুল না কাটা, তলোয়ার রাখা ইত্যাদি মানে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.