«

»

Apr ০৬

পিউ রিসার্চ: মুসলিম পৃথিবীর বৃহত্তম জনগোষ্ঠী হিসেবে আবির্ভূত হতে চলেছে

অন্যান্য দিনের মত অনলাইনে বিশ্বের গণমাধ্যম খবরা-খবর নিচ্ছিলাম। হঠাত CNN নিউজ চ্যানেলের ওয়েবসাইটের একটি সংবাদের দিকে চোখ আটকে গেল। যথেষ্ট কৌতুহল উদ্দিপক খবরটি প্রকাশিত হয়েছে এভাবে-

The world's fastest-growing religion is …

(CNN) If tech futurists are to be believed, by the year 2050, robots will do many of our errands and drive our cars. If a new study on religious trends is to be believed, many of those robot-controlled cars will stop and park at mosques and churches.-  

CNN নিউজ চ্যানেলটিতে এভাবে সংবাদ পরিবেশিত হবার কারণ হচ্ছে, পিঊ রিসার্চ সেন্টার থেকে প্রাপ্ত একটি পরিসংখ্যান।

প্রথমেই পিউ রিসার্চ সেন্টার নিয়ে কিছু কথা না বললেই নয়। Pew Research Centre মূলত যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান যারা নানান ধরণের সামাজিক, ভৌগলিক আর ব্যক্তি মতামত নিয়ে গবেষণা পরিচালনা করে  থাকে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের গবেষণালব্ধ তথ্য আর উপাত্তকে  গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয় আর পৃথিবীর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম যেমন বিবিসি, সিএনএন, ওয়াশিংটন পোস্ট এর মত সংবাদ মাধ্যমগুলোতে প্রকাশ করা হয়। এই গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য ঠিক পানিতে ফেলে দেবার মত নয়। এই রিসার্চ সেন্টার সম্প্রতি একটি গবেষণা প্রকাশ করেছে যা কিছুটা অবাক হবার মতই।

সেটি হচ্ছে —

বিশ্বে ২০৫০ সাল নাগাদ মুসলিম জনসংখ্যা হবে খ্রিস্টানদের প্রায় সমান। ইসলাম হবে এ দুনিয়ার সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল ধর্মবিশ্বাস। বর্তমান তথ্যের ভিত্তিতে করা এক হিসাবে (প্রজেকশান) এমনটিই দেখা গেছে। যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘পিউ রিসার্চ সেন্টার’- এর ধর্মীয় রূপরেখাবিষয়ক এক সমীক্ষায় এ কথা বলা হয়েছে। সারা বিশ্বের জন্মহার, জনসংখ্যা বৃদ্ধির ধারা এবং ধর্মান্তরের পরিসংখ্যানের তথ্যের ভিত্তিতে এ সমীক্ষা করা হয়েছে।

pew research1
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে স্থানীয় সময় গত ০২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে পিউ রিসার্চ সেন্টার। পিউ সেন্টারের এ গবেষণা বিশ্বের প্রভাবশালী সব গণমাধ্যম গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে। পিউ সেন্টার তাদের ওয়েবসাইটে পুরো গবেষণা কর্মটি বিভিন্ন স্মারণী সমেত প্রকাশও করেছে। 

গবেষণায় বলা হয়, বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বিস্তার লাভকারী ধর্ম ইসলাম। আগামী ২০৭০ সালের পর বিশ্বে ইসলাম হবে সবচেয়ে জনপ্রিয় ধর্ম। 

pew research2
আর ২০৫০ সালের মধ্যে ভারতে মুসলমানদের সংখ্যা মুসলিম দেশ হিসেবে পরিচিত ইন্দোনেশিয়াকেও ছাড়িয়ে যাবে। মুসলিম জনসংখ্যার দিক দিয়ে ভারত ইন্দোনেশিয়াকে ছাড়িয়ে গেলেও দেশে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরাই সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকবে।

একদিন ধর্মসমূহ ডায়নোসরের মতো বিলুপ্ত হয়ে যাবে, এমন ধারণার কথা অতীতে অনেকেই বলছেন। তবে ওই গবেষণার ফলাফল বলছে সম্পুর্ন ভিন্ন কথা। সেখানে বলা হয়েছে, প্রায় প্রতিটি ধর্মের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পাবে ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা। এরপরেই রয়েছে খ্রিষ্টান ও হিন্দু জনসংখ্যা।

সমীক্ষায় পাওয়া তথ্যে জানা যায়, ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসীদের সংখ্যা ২০৫০ সাল নাগাদ গিয়ে দাঁড়াবে ২৭৬ কোটিতে। ওই সময় মুসলমানরা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ হবে। ২০৫০ সালে বিশ্বের মোট জনসংখ্যা ৯শ’ কোটি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। গবেষণা বলা হয়, ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে মুসলমান এবং খ্রিস্টানদের মধ্যে একটা সমতা বজায় থাকবে। খ্রিস্টানদের সংখ্যা বাড়লেও মুসলমানদের হারে বাড়বে না। মুসলমানদের সংখ্যা হবে ২ দশমিক ৮ বিলিয়ন যা মোট জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ এবং খ্রিস্টানদের সংখ্যা ২ দশমিক ৯ বিলিয়ন (মোট জনসংখ্যার ৩১ শতাংশ) গিয়ে দাঁড়াবে। যদি এই ধারা চলতে থাকে তাহলে ২০৭০ সালের পর বিশ্বে ইসলামই বেশি জনপ্রিয় ধর্ম হবে। ২০৫০ সালে ইউরোপের মোট জনসংখ্যার ১০ শতাংশ হবে মুসলিম যা ২০০৯ সালে ছিল ৫ দশমিক শতাংশ। অর্থা‍ৎ ২০৫০ সালে প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৬ জনের বেশি হয় মুসলমান কিংবা খ্রিস্টান হবে। একই সময়ে ইউরোপে হিন্দুদের সংখ্যা দ্বিগুণ হবে। বতর্মানে সেখানে হিন্দুদের সংখ্যা ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন। অভিবাসনের ফলেই এটা ঘটবে। ২০১০ সালে বিশ্বে মুসলমানদের সংখ্যা ছিল ১ দশমিক ৬ বিলিয়ন যখন খ্রিস্টানদের সংখ্যা ছিল ২ দশমিক ১৭ বিলিয়ন।

সামনের দিনগুলতে একদিকে বাড়বে যেমন ধর্মহীন মানুষের সংখ্যা, ঠিক তেমিন বিপুল পরিমান মানুষ ধর্ম বিশ্বাস, বিশেষ করে ইসলাম ধর্মে কনভার্টেড হবে।

আরও বেশ কিছু তথ্য উঠে এসেছে পিউর গবেষণায়। যুক্তরাষ্ট্রে নাস্তিক সহ ধর্মহীনদের সংখ্যা ১৬ শতাংশ থেকে ২৬ শতাংশে উন্নীত হবে। তবে বিশ্বব্যাপী নাস্তিক সহ কোনো ধর্মের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নন, এমন মানুষের সংখ্যার হার হ্রাস পাবে।

যুক্তরাষ্ট্রে খ্রিষ্টানদের জনসংখ্যা ৭৮% থেকে হ্রাস পেয়ে ৬৬% হবে। ইসলাম হবে দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম,ইহুদী ধর্ম নেমে যাবে তিন নম্বরে। সাব-সাহারা অঞ্চলের আফ্রিকান দেশগুলোতে বিশ্বের মোট খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের ৪০% বসবাস করবে। ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্রের পর সবচেয়ে বেশি খ্রিষ্টান বসবাস করবে নাইজেরিয়ায়।   

pew research3
গবেষণায় জানানো হয়, বিশ্বে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা ৩৪ শতাংশ হারে বাড়ছে। এর ফলে জনসংখ্যা ১ বিলিয়ন থেকে ২০৫০ সালে ১ দশমিক ৪ বিলিয়নে গিয়ে দাঁড়াবে যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ১৪ দশমিক ৯ শতাংশ। বিশ্বের জনসংখ্যার আধিক্যের দিক দিয়ে তৃতীয় স্থানে উঠে আসবে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। এছাড়া কোনো ধর্মের সঙ্গে যুক্ত নয় এমন মানুষের সংখ্যা হবে ১৩ দশমিক ২ শতাংশ। বর্তমানে এরা জনসংখ্যার দিক থেকে তৃতীয় স্থানে। 

সমীক্ষায় বলা হয়েছে, আগামী ৪ দশকে বিশ্বে মুসলিমদের সংখ্যা দ্রুতহারে বাড়তে থাকলেও বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় জনসংখ্যা হবে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা। ২০১০ সালে বিশ্বে খ্রিস্টান জনসংখ্যা ছিল ২.১৭ বিলিয়ন, যেখানে মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ১.৬ বিলিয়ন। সেখানে ২০৫০ সালে বিশ্বে খ্রিস্টান জনসংখ্যা হবে ২.৯ বিলিয়ন, যা মোট জনসংখ্যার ৩১ শতাংশ। মুসলিম জনসংখ্যা হবে ২.৮ বিলিয়ন যা মোট জনসংখ্যার ৩০ শতাংশ। আর বৌদ্ধদের সংখ্যা বাড়বে শুধুমাত্র চীন, জাপান ও থাইল্যান্ডের মতো কয়েকটি দেশে।

মুসলিম জনসংখ্যা রিপাবলিক মেসডনিয়া, নাইজেরিয়া সহ প্রায় ৫১ টি দেশে ৫০% এরও বেশী হবে। রিপাবলিক মেসডনিয়া আর বসনিয়া খৃষ্টান প্রধান থেকে মুসলিম প্রধান দেশে পরিণত হবে। 

pew research5

পৃথিবীতে মুসলিম জনগষ্ঠি বিপুল বৃদ্ধির অনেক কারনগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে উচ্চ জন্মহার। ইউরোপ, রাশিয়া ,চায়না সহ আমেরিকার দেশগুলোতে ধর্মহীন জীবন-জাপন করা, লিভটুগেদার আর বিয়ে বা সংসার করে বাচ্চা-কাচ্চা নেয়ার প্রবনতা অনেক কম। তাছাড়া টোটাল ফার্টিলিটিও কম। তাই এসব অঞ্চলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রবনতা নিতান্ত অপ্রতুল (বৃদ্ধির হার – ০.৫ থেকে ০.৯)। অন্যদিকে মুসলিম প্রধান অঞ্চলগুলোতে ধর্মিয় প্রভাব আর পারিবারিক অবকাঠামো অটুট থাকার পাশাপাশি উচ্চ জন্মহারের কারনে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার অনেক বেশী (বৃদ্ধির হার ১.0 থেকে >২.০)। 

pew research6

বিশ্বের ১৭৫টি দেশের ২ হাজার ৫০০ জরিপ থেকে সংগ্রহ করা তথ্যের ভিত্তিতে এই বিশ্লেষণ করেছে পিউ। তবে তারা এটাও বলেছে যে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বড় ধরণের সামাজিক, অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক পরিবর্তন, সশস্ত্র যুদ্ধ, ইত্যাদি বিষয়গুলো এই স্বাভাবিক প্রবণতাকে ব্যাহতও করতে পারে। তা না হলে, ২০৫০ সাল নাগাদ এমনটাই হবে বিশ্বের ধর্মভিত্তিক মানচিত্র।

তথ্যসূত্র:

http://www.pewforum.org/2015/04/02/religious-projections-2010-2050/

http://edition.cnn.com/2015/04/02/living/pew-study-religion/

http://www.wsj.com/articles/study-projects-growth-shifts-in-worlds-muslim-christian-populations-1427983415

http://www.washingtonpost.com/blogs/worldviews/wp/2015/04/02/chart-there-will-be-almost-as-many-muslims-as-christians-in-the-world-by-2050/

http://indianexpress.com/article/india/by-2050-india-to-have-the-worlds-largest-muslim-population-study/

http://www.banglanews24.com/fullnews/bn/382464.html

http://www.ittefaq.com.bd/world-news/2015/04/03/18350.html

১১ comments

Skip to comment form

  1. 6
    মাহমুদ

    মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির এই ভবিষ্যত পরিসংখ্যান দেখে ধর্মনিরপেক্ষবাদী, বাম রাম ইহুদি, খ্রিস্টান, ব্রাহ্মন্যবাদীদের মাথা হয়ত আরও খারাপ হবে !

  2. 5
    মজলুম

    মুসলিম জনসংখ্যা বাড়লে আনন্দের কিছু নই। দেখেন না দূর্বল ইমান নিয়ে এই বিশাল জনসংখ্যাকে  ভেড়ার পালের মতো দুনিয়া জুড়ে তাড়িয়ে বেড়িয়ে হত্যা করা হচ্ছে। আল্লাহ তায়াল বলছেন, তোমরাই বিজয়ী হবে যদি মুমিন হও। আমাদের দরকার মুমিন হওয়া, বিশাল জনবহরের দূর্বল ইমানদার নয়।

    1. 5.1
      শামসুল আরেফিন

      খুব ভাল লেগেছে আপনার মন্তব্য। ধন্যবাদ।

  3. 4
    শাহবাজ নজরুল

    খবরটা অনেক জায়গাতে দেখা হয়েছে। তবে আপনার পোস্টে রেখচিত্র সহ পরিসংখ্যান গুলো দেয়াতে ভালো হলো। রেখাচিত্রের অভিক্ষেপ বিষয়টিকে সার্বিকভাবে আত্মস্থ করার ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। লেখাটি সদালাপের মূল্যবান সংযোজন।

    এর সাথে সাথে আরেকটা প্রশ্ন মনে জাগে। সংখ্যাই কি সব?

    1. 4.1
      শামসুল আরেফিন

      এর সাথে সাথে আরেকটা প্রশ্ন মনে জাগে। সংখ্যাই কি সব?

      ইসলামের ক্ষেত্রে সংখ্যা তেমন জরুরী কিছু নয়। কোয়ালিটি বেশী গুরুত্বপুর্ন। কিন্তু পরিসংখ্যান আর সংখ্যা ভবিষ্যত নিয়ে ভাবতে আর কর্ম -পদ্ধতি নির্নয় করতে সাহায্য করতে পারে অবশ্যই। সেই আশাতেই পোস্ট দিয়েছি।

      মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

  4. 3
    এম_আহমদ

    এই ধরণের রিসার্চ প্রিডিকশনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ইউরোপ আমেরিকান গণমানসিকতায় fearmongering করা। অর্থাৎ দ্রুত আরও সতর্ক হও, ওরা নিয়ে যাচ্ছে, ওরা সর্বত্র ঘিরে ফেলছে, আমাদের 'সভ্যতা' সংকোচিত হয়ে যাচ্ছে। অন্য উদ্দেশ্য হচ্ছে মুসলমানদের উপিওর আক্রমণকে গণমানসে সহনীয় করে তোলা। আজকে ইসলাম ও মুসলমানদের উপর নানাবিধ আক্রমণের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হচ্ছে ইসলমকে গতানুগতিক ব্যক্তিক ধর্মে রূপায়ণ। ধর্ম করতে চাও, নিজ ঘরে কর, মসজিদে গেলেও আমরা সেটা নিয়ন্ত্রণ করব। এ পর্যন্ত terrorism made in America -এই মর্মে অনেক গবেষণা প্রকাশ পেয়েছে। আমাদের দেশে যা হচ্ছে তাও এই পরিকল্পনার অংশ। এ বিষয়ে আমার এই লেখাটি দেখা যেতে পারে। ধর্মীয় আক্রমণ -গায়ে সহানোর পায়তারা। মুসলমানরা যদি স্যাকুলার (তথা নাস্তিক) সার্বিক আর্থ-রাজনৈতিক সমাজ ব্যবস্থা হাসিমুখে মেনে নিয়ে ইসলামী শিক্ষা, সমাজ, আইন ইত্যাদি থেকে মুখে আনা থেকে বিরত হয়ে যায় এবং নামাজ রোজা তসবিহ তাহলীলে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে তবেই লেটা চুকবে।

    1. 3.1
      শামসুল আরেফিন

      আজকে ইসলাম ও মুসলমানদের উপর নানাবিধ আক্রমণের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হচ্ছে ইসলমকে গতানুগতিক ব্যক্তিক ধর্মে রূপায়ণ। ধর্ম করতে চাও, নিজ ঘরে কর, মসজিদে গেলেও আমরা সেটা নিয়ন্ত্রণ করব। 

      ঠিক তাই । কিন্তু পরিসংখ্যান অনেক দিকনির্দেশিনা দিতে পারে। যারা ইসলামী বিশ্বের কল্যান আর ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা করেন, তাদের জন্য পথনির্দেশনা হিসেবে কাজ করতে পারে। আর শত্রুরা শত্রুর কাজ করবেই। যা বিগত ১৪০০ বছর যাবত করে আসছে।  এতো নতুন কিছু নয়।

      মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

  5. 2
    নির্ভীক আস্তিক

    তথ্যবহুল পোষ্ট। অনেক কিছু জানতে পারলাম। ধন্যবাদ।

    1. 2.1
      শামসুল আরেফিন

      ধন্যবাদ ভাই আপনাকেও, পড়া আর মন্তব্য করার জন্য।

  6. 1
    রিজভী আহমেদ খান

    Muslim population has been ever increasing
    through birth rate as well as high rate of
    conversions. Islam is fastest growing religion and
    consequently this religion has become now the
    largest followers on this planet. At this moment
    Muslim population stands at 2.08 billion which is
    far greater than currently estimated 1.6 to 1.7
    billion whereas Christian Population is 2.01 billion
    [religiouspopulation.com ]. According to some
    sources Muslim populations in India, China,
    Nigeria, Tanzania, Ethiopia and in some other
    countries are displayed less than the actual
    population they have. In many parts like Europe
    [Cambridge University], North America[CNN ],
    Christian’s are getting away from their religious
    belief, On the contrary among the Muslim
    Population the faith to their religion is ever
    increasing [CNN ]. Consequently the present so
    called higher no of Christian population as stated
    in different sources, practically do not have any
    significance. It is expected that if present rate of
    increase of Muslim population continues that by
    2030 One out of Three person will be Muslim. .
    1. Population Reference Bureau
    2. CIA Fact Sheet
    3. Wikipedia, The Free Encyclopedia
    4. The Library Of Congress: Country Studies
    5. United States Department Of State: Background
    Notes
    6. Bureau of International Information Programs
    7. HOLT, RINEHART & WINSTON: ATLAS
    8. Pew Forum
    9. BBC: News
    10. BBC: Religion And Ethics
    11. International Islamic News Agency
    12. Ferm, Vergilius (ed.). AN ENCYCLOPEDIA OF
    RELIGION; Westport, CT: Greenwood Press
    (1976), pg. 145.
    [1st pub. in 1945 by Philosophical Library. 1976
    reprint is unrevised.]
    13. The Phnom Phenh Post: Issue 10/22, October
    26
    -- November 8, 2001
    14. Vietnamese Muslim Association: History of
    Islam
    in Vietnam
    15. Republic Of China Yearbook: Religion Islam
    16. The Hindu : `It’s easy to exploit Muslims in
    the
    name of religion’ (Friday, October 01, 1999)
    17. The Muslim News:Vandalized Koran Stirs
    Japan’s
    Muslims(11-06-2001)
    18. Arab Net
    19. The Kuwait Information Office:Kuwait Country
    Profile

    1. 1.1
      শামসুল আরেফিন

      Thank you sir, for your nice and informative comment. 

      Here i like to add some new information about Europe--

      1- In 2030, Muslims are projected to make up more than 10% of the total population in 10 European countries: Kosovo (93.5%), Albania (83.2%), Bosnia-Herzegovina (42.7%), Republic of Macedonia (40.3%), Montenegro (21.5%), Bulgaria (15.7%), Russia (14.4%), Georgia (11.5%), France (10.3%) and Belgium (10.2%).

      2- Russia will continue to have the largest Muslim population (in absolute numbers) in Europe in 2030. Its Muslim population is expected to rise from 16.4 million in 2010 to 18.6 million in 2030. The growth rate for the Muslim population in Russia is projected to be 0.6% annually over the next two decades. By contrast, Russia’s non-Muslim population is expected to shrink by an average of 0.6% annually over the same period.

Leave a Reply

Your email address will not be published.