«

»

Apr ৩০

আমারব্লগে অভিজিৎ রায়ের বিবর্তনীয় মুখচ্ছবি

সত্যকে সবারই জানা উচিত। আমারব্লগে ‘মানবতাবাদী’ নিক খোলা হয় ২০০৯ সালের জানুয়ারী মাসে। এই নিক থেকে এ পর্যন্ত মাত্র ৩টি পোস্ট আর ৫৪টি মন্তব্য করা হয়েছে। পোস্ট ৩টি আবার পরে মুছে ফেলা হয়েছে। যে ৩টি পোস্ট দেওয়া হয়েছিল সেগুলো আসলে নিজস্ব কোনো লেখা ছিল না। ৩টি পোস্টের মধ্যে ২টি ছিল মুক্তমনা ব্লগের লেখাকে প্রমোট করে খুবই সংক্ষিপ্ত পোস্ট – যেভাবে সামু ব্লগে ‘মেজভাবী’ নিকে মুক্তমনা ব্লগের ইসলামবিদ্বেষী লেখাকে প্রমোট করা হয়েছে। ৩য়টা ছিল বুশ আর সৌদী বাদশাকে নিয়ে ব্যঙ্গ করা একটি ছবি মাত্র। অথচ মন্তব্যগুলো থেকে দেখা যাচ্ছে ‘মানবতাবাদী’ মুখোশের আড়ালের লোকটা একাধারে ইসলাম, ইসলামের নবী, ও বিবর্তনবাদ বিষয়ে একজন মহান বিশেষঅজ্ঞ। বিগত দুই-আড়াই বছরেও এমন একজন বিশেষঅজ্ঞের নিজের লিখা একটিও পোস্ট নাই! মজার ব্যাপার হচ্ছে ধরা খাওয়ার ভয়ে এই নিকে আমাদের কারো পোস্টে কখনো কোনো মন্তব্যও করা হয়নি! দেখেশুনে বিশেষ কিছু পোস্টেই মূলত মন্তব্য করা হয়েছে।

যাহোক, কিছুদিন আগে বাংলা বিবর্তনবাদীদের তালগাছবাদী পীরবাবা হোড়াস মোল্লার এক পোস্টে বিবর্তনবাদের কল্পকাহিনীকে প্রমাণ করার জন্য দাবি করা হয় এই বলে যে, মানব দেহে বেশ কিছু অঙ্গ এবং মাসল আছে যেগুলো কোনো কাজেই লাগেনা যাদের মধ্যে অ্যাপেনডিক্স অন্যতম। প্রথমত, এটি বিজ্ঞানের নামে একটি মিথ্যাচার। তার দাবির স্বপক্ষে পীয়ার-রিভিউড কোনো বৈজ্ঞানিক জার্নালের রেফারেন্স দিতে পারেনি। দ্বিতীয়ত, সায়েন্স জার্নালের একটি প্রবন্ধে অ্যাপেনডিক্স সম্পর্কে ঠিক তার বিপরীতটাই দাবি করা হয়েছে। ফলে সায়েন্স জার্নালের রেফারেন্স দিয়ে সেই পোস্টে আমি একটি মন্তব্য করি। মন্তব্য করার পর দেখলাম আমার উপর আক্রমণ শুরু হয়ে গেছে। অনিচ্ছা সত্ত্বেও আরেকটি মন্তব্যে তার অজ্ঞতাকে উন্মোচন করে তালগাছ দিয়ে দেই। পরে সরোয়ার-সহ আরো দু-এক জন তাদের সাথে বিতর্ক শুরু করেন। এর মধ্যে কোথা থেকে হঠাৎ করে ‘মানবতাবাদী’ নিকে একাধারে সরোয়ার, সদালাপ, ইসলাম, ইসলামের নবী, হারুন ইয়াহিয়া, ও আমার উপর হামলে পড়ে বিকৃত আর কুরুচিকর ভাষায় আক্রমণ শুরু করা হয়। কিছু নমুনা দেখুন-

আদিল মাহমুদের এক মন্তব্যে ‘মানবতাবাদী’ ছদ্মনামের আড়ালে আসল ব্যক্তির নাম ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর ‘মানবতাবাদী’র কুরুচিকর ভাষায় মন্তব্য দেখুন [ধরা খাওয়ার পর নিজের সাম্প্রদায়িক মুখোশ ঢাকার জন্য তার ভৃত্য আদিল মাহমুদের মাথায় কাঁঠাল ভেঙ্গে তাকে কৌশলে ‘হিন্দু’ বানিয়ে দিয়ে একেবারে নরেশ মন্ডলের পুত্র পর্যন্ত বানিয়ে দেওয়া হয়েছে!]:

তুহিন নামে এক ব্লগার সম্ভবত নাস্তিকদের সমালোচনা করে একটি ১৮+ পোস্ট দিয়েছিল। সেই পোস্টে তুহিনকে আক্রমণ করা হয় এভাবে [সামু ব্লগে ‘মেজভাবী’ নিকে আমাকেও মকসুদুল মুমেনিন পড়ে বড় হওয়ার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ‘মানবতাবাদী’ আর ‘মেজভাবী’ নিকের আড়ালের ভণ্ডটা ঠিক কী পড়ে বড় হয়েছে তা অবশ্য জানা যায় না; মনাসংহিতা কি-না, কে জানে!]:

এক মুসলিম ব্লগারের উপর জঙ্গী হামলা চালানো একটি পোস্টে নিচের মন্তব্যটি করা হয়। সেখানে সুযোগ বুঝে মুসলিম-বিদ্বেষী ব্লগারদেরকে আমাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। বাঁশির আওয়াজ পাওয়ার সাথে সাথে দু-এক জন মুরিদ ঠিকই আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। দেখুন-

এক ‘সরোয়ার’ নামকেই কতভাবে বিকৃতি করা হয়েছে লক্ষ্য করুন। কতটা অসুস্থ আর বিকৃত মানসিকতার হলে ছদ্মনামে অন্যের আসল নামকে এভাবে বিকৃতি করা যেতে পারে? ‘চক্রবাক’ নিকে সর্বপ্রথম আমার নাম বিকৃতি করে আমার পেছনে ভণ্ডমনাদের হয়রানিও কিন্তু তার ব্লগ থেকেই শুরু হয়েছে। স্যাটায়ারের নামে আমাকে অত্যন্ত তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যভাবে উপস্থাপন করে একটিমাত্র পোস্ট দিয়ে অনন্তকালের জন্য ‘চক্রবাক’ নিক অক্কা পেয়েছে। ‘মানবতাবাদী’ আর ‘মেজভাবী’ নিক থেকেও আমাদেরকে একইভাবে হেয় করা হয়েছে।

এই লাইনে নতুন কিংবা অনভিজ্ঞ পাঠকদের জন্য কিছু ঈশারা-ইঙ্গিত:

– বাংলা ভাষাকে ইচ্ছেমতো ধর্ষণ করা হয়েছে। উদ্দেশ্য হচ্ছে নিজেকে 'আলাদা' হিসেবে দেখানো। মন্তব্যগুলো একটু মনোযোগ দিয়ে পড়ে দেখুন। যারা ভিন্নমত সাইটে 'রুদ্র মোহাম্মদ' ছদ্মনামে বামপন্থী নাস্তিক নন্দিনী হোসেনকে বিকৃত ও কুরুচিকর ভাষায় আক্রমণ দেখেননি তারা এই পোস্ট থেকে কিছু নমুনা পেতে পারেন।

– আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু: ইসলামের নবী (মূল লক্ষ্যবস্তু), ইসলাম, মুসলিম, সদালাপ সাইট, সরোয়ার, রায়হান, হারুন ইয়াহিয়া, ইত্যাদি। অথচ ‘মানবতাবাদী’ নিকের কারো সাথে সদালাপ সাইট কিংবা আমাদের কারো জীবনেও কোনো ক্যাচাল হয়নি!

– একই সাথে ইসলামের নবী, ইসলাম, মুসলিম, সদালাপ সাইট, সরোয়ার, হারুন ইয়াহিয়া, আর আমার উপর অশ্লীল ও কুরুচিকর ভাষায় হামলে পড়ার মতো লোক এই মহাবিশ্বে একজনই আছে। কারো মস্তিষ্ক পুরোপুরি ড্যামেজ না হলে সামান্য একটু মাথা খাটালেই যেকেউ বুঝতে পারবে যে, এই নিকের আড়ালে অভিজিৎ রায় ছাড়া অন্য কেউ থাকতে পারে না।

– আমু ব্লগের ‘মানবতাবাদী’ আর সামু ব্লগের ‘মেজভাবী’ উভয়েরই সদালাপ সাইটের প্রতি বিদ্বেষ লক্ষ্যণীয়। দু'জনেই সরোয়ারের দাড়ি সম্পর্কেও অবগত! মন্তব্যগুলো থেকে বুঝা যাচ্ছে সরোয়ারকে খুব কাছে থেকে দেখা পরিচিত কেউ। অথচ আমি নিজে-সহ আমাদের মধ্যে অনেকেই হয়তো এই গোপন তথ্য সম্পর্কে অবগত ছিলেন না! এর কারণ হচ্ছে সরোয়ারের সাথে সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিতে তার ব্যক্তিগতভাবে দেখা হয়েছে।

– আমার আর সরোয়ারের প্রতি চরম বিদ্বেষ লক্ষণীয়। অন্যদিকে আদিল মাহমুদ, জঙ্গিদেব, আর হোড়াসকে নিজের পোষ্য ভৃত্য বলে মনে হচ্ছে!

– আমু ব্লগে ‘মানবতাবাদী’ নিকে প্রথম বারের মতো আমাকে আর সরোয়ারকে 'গুপি গাইন' আর 'বাঘা বাইন' বলে আমাদেরকে নিয়ে উপহাস-বিদ্রূপের দ্বার খুলে দেওয়া হয়। সাথে সাথে তার দু-জন অন্ধ মুরিদ আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তার মাস দুই পর সামু ব্লগের ‘মেজভাবী’ নিক থেকেও আমাদেরকে 'গুপি' আর 'বাঘা' বলা হয়, যদিও বাস্তবে দেখা যাচ্ছে সে নিজেই জ্বীনের বাদশারূপী গুপি গাইন সেজে তার তিন-চার জন জ্বীনরূপী বাঘা বাইন ভৃত্যকে বানর নাচন নাচাচ্ছে!!!

– আমু ব্লগের পরিবেশে সুযোগ বুঝে আমাদেরকে ‘ছাগু’ বলে গালি দিয়ে সেখানোকার ভার্চুয়াল ‘ছাগু পোন্দানী’ গ্রুপকে আমাদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তার কাছে মুসলিম মানেই সন্ত্রাসী কিংবা ছাগু।

– ‘মানবতাবাদী’ মুখোশে জ্বীনের বাদশা থেকে শুরু করে তার মুরিদ জ্বীনেরা সকলেই ছদ্মনামধারী – একজনও স্বনামে লিখে না! মধ্য যুগের পাদ্রী-পুরোহিত আর পলপটের উত্তরসূরীরা আজ বিজ্ঞানের ইজারা নিয়ে মুখোশ পরিধান করে হাতে-মুখে গোচনা নিয়ে মুসলমান নামক 'অসুর'দের হাত থেকে (অপ)বিজ্ঞানকে রক্ষা করার গুরুদায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নিয়েছে।

– ‘মানবতাবাদী’ মুখোশের আড়ালের আসল পরিচয় ফাঁস হয়ে যাওয়ার পর-পরই অফ যাওয়া হয়েছে। তার সর্বশেষ মন্তব্য ছিল ২০১০ সালের ১৯শে আগস্ট – যেখানে নিজের মুখোশ উন্মোচিত হওয়াতে আদিল মাহমুদকে গোমূত্রের তৈরী ঘোল খাইয়ে 'হিন্দু' বানিয়ে দেওয়া হয়েছিল! ‘মানবতাবাদী’ নিকে আর কখনোই নিজের লেখা পোস্ট দিতে পারবে না। অন্ধ পূজারীদেরকে বোকা বানানোর উদ্দেশ্যে দু-এক লাইনের ছুট-ছাট মন্তব্য করতে পারলেও নিকটার প্রতি যদি লক্ষ্য রাখা হয় তাহলে দেখা যাবে আজ বাদে কাল তাকে অনন্তকালের জন্য অক্কা পেতেই হবে! কারণ, এই নিকের আড়ালে আছে অতি পরিচিত এক ধূর্ত – মুক্তমনাদের অতি বিশ্বস্ত ধর্মগুরুজী – নতুন বা অপরিচিত কেউ নয়।

বন্যা আহমেদ তার এক মন্তব্যে বলেছিলেন- ছদ্মনামে মানুষের প্রকৃত স্বরূপ প্রকাশ পায়। এবার বিচারের ভার পাঠকদের উপর ছেড়ে দেওয়া হলো।

আরো দেখুন:

সামু ব্লগে অভিজিৎ রায়ের বিবর্তনীয় মুখচ্ছবি

মুক্তমনা ব্লগে অভিজিৎ রায়ের বিবর্তনীয় মুখচ্ছবি

১১ comments

Skip to comment form

  1. 10
    এস. এম. রায়হান

    আমু ব্লগে আর কখনোই বাংলা ভাষাকে এভাবে 'ধর্ষিত' হতে দেখা যাবে না। বাংলাভাষী-প্রেমীদের জন্য এইটা একটা সু-খবরই বলা যায়। অভিজিৎ রায়ের খৎনাধারী ভৃত্যরা চেষ্টা করে দেখতে পারে। ভৃত্যদের প্রতি চ্যালেঞ্জ থাকলো। অভিজিতের সৌদি-প্রবাসী ভৃত্য কাঠ বলদ এবং ক্যানাডা-প্রবাসী ভৃত্য হোড়াস মোল্লা বড়জোর ছাগালাপ, ছাগালাপী, হয়রান মোল্লা, এস্কিমোল্লা, ইত্যাদি বলে ম্যাৎকার করতে পারে। ঐ পর্যন্তই। আর আঃ মাহমুদ তো সেটুকুও পারবে না! অভিজিৎ রায় তার খৎনাধারী ভৃত্যদেরকে কী পরিমাণ গরু-গাধা-ছাগল মনে করত, ভেবে দেখুন পাঠক। হাতেনাতে ধরা খাওয়ার পরও অভিজিতের খৎনাধারী ভৃত্যরা কিন্তু জেনেবুঝেও তাদের ব্রাহ্মণ প্রভুকে ডিফেন্ড করে উল্টোদিকে আমাদেরকেই গালিগালাজ করেছে।

  2. 9

    সত্য এসে মিথ্যার সামনে দাডালে মিথ্যা বিলুপ্ত হয় ৷

  3. 8
    এস. এম. রায়হান

    মুক্তমনা ধর্মের মুরিদদের প্রতি প্রশ্ন:

    এই পোস্ট প্রকাশ হওয়ার পর থেকে আমু ব্লগের 'মানবতাবাদী' গেল কোথায়??? এতদিনেও এই আইডি থেকে কোনো পোস্ট বা এমনকি মন্তব্যও নেই কেন!?!

  4. 7
    এস. এম. রায়হান

    আমু ব্লগের নাস্তিকদেরকে রামগাধা বানিয়ে ঘোল খাওয়াতে যেয়ে আমাদের হাতে ধরা পড়ে 'মানবতাবাদী' গেল কোথায়? এই পোস্ট দেওয়ার পর প্রায় তিন বছর অতিক্রান্ত হতে চলল। অথচ এই দীর্ঘ সময়ে তার একটি লেখা বা এমনকি কোনো মন্তব্যও নেই!!!

    1. 7.1
      আহমেদ শরীফ

      মন্তব্য থাকবে কী করে! ওরা সদালাপ আর সদালাপীদের ভীষণ ভয় পায়। ইনভিজিবল ম্যানের মত প্রতিটি পোস্ট খুঁটিয়ে পড়ে যায় নিঃশব্দে নীরবে। সেজন্যে এখানে আগুন জ্বালালে তাদের আঙিনায় ধোঁয়া ওঠে। এখানকার অনেক পোস্ট-মন্তব্য নিয়ে দেখা যায় আমুতে-মনায় পোস্ট ফেঁদে নাকিকান্নার মাতম জুড়ে দেয় তবুও সাহসে ভর করে স্বনামে এখানে আসার হিম্মত করতে পারে না। মাঝে মাঝে বুক ঠুকে এরকম ছদ্মনিকে এসে অশ্লীলতার বন্যা বইয়ে দিয়ে সিচুয়েশন ডাইভার্ট করার চেষ্টা করে থাকে, কী করবে আর, পেটে বিদ্যে থাকলে তবে তো 'যুক্তি-আলোচনা'।

  5. 6
    আহমেদ শরীফ

    ইন্টারেস্টিং ! এদের রুচিগর্হিত কমেন্টগুলো দেখলেই সাথে সাথে মানবতাবাদী'র ভন্ডামির মুখোশ খুলে পড়ে _ সংষ্কৃতি-মানবতা-যুক্তিবাদিতাকে দুই শ্বাপদ পায়ে দলে যেন এগিয়ে আসে ভয়ংকর হিংস্র ফ্যাসিস্ট দানববিশেষ, এটাই ওদের আসল স্বরুপ যা আসল নিকে তো চক্ষুলজ্জার খাতিরে বের করতে পারে না, কিন্তু ছদ্ম নিকে অপ্রতিরোধ্যভাবে বের হয়ে পড়ে তাদের আসল চেহারাকেই উম্মুক্ত করে দেয়।।

  6. 5
    শামস

    হাহা…………এমন ভাবে উপস্থাপন করলেন, টোনটা চিনতে অসুবিধা হয় না! বেশ কয়েকটা মনার ভণ্ডামির মুখোশ ইতিমধ্যে বিভিন্ন সাইটে খুলে দিতে দেখলাম। এরা যুক্তিবাদী ও বিজ্ঞানমনস্ক সমাজ গড়বে এই মানসিকতা নিয়ে। হাহাপগে………………

  7. 4
    শাহবাজ নজরুল

    ‘মানবতাবাদী’-র ডায়ালগ গুলো কিন্তু বেশ মজার। অভিজিতের সুন্দর রচনাশৈলীর সাথে পরিচিত আমরা প্রায় সকলে। ঐ একই মার্জিত ভাষার লোকের মুখে যে এই ভাষাও আসতে পারে তা ভাবলে বেশ অবাকই হতে হয়।

    --শাহবাজ

  8. 3
    Roni

    Sometimes Manobotabadi, Sometimes something else,
    Doctorate degree is doing nothing but making him mindless……..

    Good Work-

  9. 2
    সরোয়ার

    বিবর্তনবাদ যদি বাস্তবিকভাবে বিজ্ঞান হিসেবে দেখা হয়, তাহলে  বিজ্ঞান-সম্মত সমালোচনায় এত কান্না-কাটির অবকাশ নাই। মুক্তমনারূপী মানবতাবিরোধী মৌলবাদীদের সামনে বিবর্তনবাদ নিয়ে যুক্তিসম্মত প্রশ্ন করতেই হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে পাগলের প্রলাপ বকতে থাকে। অথচ এরাই নাকি বিজ্ঞানের ঠিকাদারী নিয়েছে বলে ব্লগে ব্লগে ফেরী করে বেড়াচ্ছে!

  10. 1
    সরোয়ার

    বন্যা আহমেদ তার এক মন্তব্যে বলেছিলেন ছদ্মনামে মানুষের প্রকৃত স্বরূপ প্রকাশ পায়।

    যেখানে বাঘের ভয়, সেখানেই রাত হয়! সেই বন্যা আহমেদ এখন বন্যা রায়ে বিবর্তিত হয়ে মুক্তমনার ছদ্মরূপী গুরুর সংসার করিতেছেন! ভগবানের লীলা-খেলা বুঝা বড় দায়!

    মানবতাবাদী নিকে গুরুর গন্ধ মিশ্রিত শব্দ গুচ্ছে আমার তেমন কিছু মনে হয়নি। কেননা বাস্তব জীবনে বন্ধু মহলে উনি ঐসব শব্দ ব্যবহারে অভ্যস্ত। মজার ব্যাপার হচ্ছে উনার চিন্তা-চেতনায়, শয়নে-স্বপনে মুসলিম-বিদ্বেষ থাকলেও মুসলিমদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বেশ আনন্দের সাথে ভুরি ভোজন করতে দেখা যেত!

Leave a Reply

Your email address will not be published.