«

»

Aug ১৪

বিনোদন তত্ত্ব: বাচ্চাদের জন্য দারুণ বিনোদন!

যারা কখনো পৌত্তলিকদের উপাসনালয় দেখেননি তারা জানার জন্য হলেও যেকোনো উপাসনালয় একবার দেখে নিতে পারেন। লক্ষ্য করলে দেখবেন তাদের উপাসনালয়ে অনেক মূর্তি রাখা আছে। মূর্তিগুলোকে তারা নিজেদের মতো করে রঙ-তুলি দিয়ে বানিয়েছে। মূর্তিগুলো দেখে বাচ্চারা বেশ মজা পায়। পৌত্তলিকদের এমন কোনো উপাসনালয় বা বাড়ি পাওয়া যাবে না যেখানে ধর্মীয় কোনো মূর্তি বা ইমেজ নাই। ফলে পৌত্তলিকতা হচ্ছে ইমেজ-ভিত্তিক একটি ধর্ম – যার অপর নাম পেগ্যানিজম।

এবার বিনোদনবাদীদের লেখাগুলো যদি পরখ করা হয় তাহলে দেখা যাবে বিনোদন তত্ত্ব মূলত একটি ইমেজ-ভিত্তিক তত্ত্ব। বিনোদনবাদী কাঠমোল্লারা লক্ষ লক্ষ বছর আগের কিছু জীবাশ্মের অংশবিশেষ কিংবা মাথার খুলি থেকে কাঠমিস্ত্রির মতো হাতুড়ি-বাটালি দিয়ে নিজেদের ইচ্ছেমতো কাল্পনিক ইমেজ বানিয়ে, সাথে আরো কিছু কাল্পনিক ইমেজ যোগ করে, বিনোদন তত্ত্বকে বিজ্ঞানের নামে 'প্রমাণিত সত্য' বলে দাবি করে অসচেতন লোকজনের মস্তক ধোলাই করছে। নিচের ইমেজগুলো লক্ষ্য করুন-

(বানর জাতীয় প্রাইমেটস থেকে ধাপে ধাপে বিনোদনবাদীদের বিবর্তন! মাঝের ধাপগুলো মিসিং লিঙ্ক!)

(একটি চতুষ্পদী জন্তু থেকে ধাপে ধাপে আধুনিক চতুষ্পদী ঘোড়ার বিবর্তন! মাঝের ধাপগুলো মিসিং লিঙ্ক!)

(ডাইনোসর থেকে ধাপে ধাপে পাখির বিবর্তন! মাঝের ধাপগুলো মিসিং লিঙ্ক!)

(একটি চতুষ্পদী জন্তু থেকে ধাপে ধাপে জলের তিমি ও ডলফিনের বিবর্তন! মাঝের ধাপগুলো মিসিং লিঙ্ক!)

(বিনোদনবাদীদের কাল্পনিক বিবর্তন গাছ!)

বিনোদনবাদের কল্পকাহিনী বাচ্চাদের জন্য দারুণ বিনোদনমূলক একটি উৎস হলেও অনেক ব্রেন-ড্যামেজ্‌ড বয়স্কদের কাছে সেটিই আবার গাছ থেকে ভূমিতে অ্যাপেল পড়ার মতোই সত্য!!!

মজার ব্যাপার হচ্ছে বিনোদনবাদের কল্পকাহিনী হাতির মাথাওয়ালা গণেষ ও দশ হাতওয়ালা কালীর চেয়েও অনেক বেশী অযৌক্তিক ও অবাস্তব হওয়া সত্ত্বেও বাংলা বিনোদনবাদীরা বিনোদনবাদের কল্পকাহিনীকেই লাঠি-সোটা-গালি দিয়ে ডিফেন্ড করে! কিন্তু কেন? এর কারণ হচ্ছে বিনোদনবাদের কল্পকাহিনীকে বিজ্ঞানের নামে ইসলামের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখানে ইসলাম নামক 'মধু' না থাকলে বিনোদনবাদকে কেউ হয়তো ছুঁয়েও দেখত না, কিংবা একবার ছুঁয়ে দেখে দ্বিতীয়বার আর ফিরেও তাকাত না! তারা আব্রাহামিক ধর্মে মানুষের সৃষ্টিতত্ত্বকে বাতিল করে দিয়ে মূলত মানুষের বিবর্তনের পেছনেই সময় ব্যয় করে [এক জোড়া মানুষ থেকে ধীরে ধীরে মানুষের বংশবৃদ্ধি নাকি বিনোদনবাদী কাঠমোল্লাদের কাছে মিথ!]। তবে বিশেষ একটি ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে টু-শব্দটিও কেউ করে না – যেটি আসলেই মিথ [ব্রহ্মার মুখ, বাহু, উরু, ও পা থেকে চার বর্ণের মানুষের সৃষ্টি]। তারা এমনকি উদ্ভিদ ও অন্যান্য প্রাণীর বিবর্তন নিয়েও সময় নষ্ট করতে নারাজ। পাঠকরা ইতোমধ্যে বাংলা বিনোদনবাদী কাঠমোল্লাদের অসৎ উদ্দেশ্য ও ধূর্তামী ধরতে পেরেছেন নিশ্চয়।

 

বাচ্চাদের জন্য আরো কিছু বিনোদন (বিনোদনবাদীদের আত্মীয়স্বজন)

evolutionproof1

evolutionproof2

evolutionproof3

evolutionproof4

evolutionproof5

evolutionproof6

(ছবিগুলো মুক্তমনাদের ধর্মকারী সাইট থেকে নেওয়া হয়েছে।)

২৯ comments

Skip to comment form

  1. 9

    সুন্দর লিখেছেন বোগাস বিবর্তনবাদ।

  2. 8
    এমিনেম

    কখনই নয়! স্রষ্টার একটা পরিষ্কার ধারণা চাই, ধর্মপুস্তকে বর্ণিত গোঁজামিল দেওয়া স্রষ্টা নয়। স্রষ্টা নিয়ে বিভ্রান্তি অাছে বলেই  উল্লেখযোগ্য একটা পার্সেণ্ট স্রষ্টায় বিশ্বাস অানতে পারেনা।

    1. 8.1
      রাতুল

      পরিষ্কার ধারণাটা কি, স্বয়ং আল্লাহ পাক আপনার সামনে এসে ব্লবেন,এই যে আমি আল্লাহ্‌, এইবার বিশ্বাস হল তো, এই ধরণের কিছু কি? আপনার কথা তো বাচ্চা ছেলেদের মতই শুনাচ্ছে। এতই সহজে যদি ধর্মের বুঝটা পেতে হয় আপনাদের তবে তো আর কোন কিছুরই দরকার ছিলোনা। কি বলেন? আপনার নিজের ধারণাই আর প্রশ্ন গুলোই আসলে পরিষ্কার না। আর ভালো করে ইসলাম সম্পর্কে জানার চেষ্টা করুন। শুধু শুধু তর্কের খাতিরে তর্ক না করে ভালো ম্ন নিয়ে জানার চেষ্টা করুন। আল্লাহ্‌ পাক আমাদের ভালো মত সব কিছু বুঝার তৌফিক দান করুন ………।

    2. 8.2
      নির্ভীক আস্তিক

      "স্রষ্টার একটা পরিষ্কার ধারণা চাই।  ধর্মপুস্তকে বর্ণিত গোঁজামিল দেওয়া স্রষ্টা নয় । স্রষ্টার অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্ত আছে বলেই উল্লেখযোগ্য একটি সংখ্যা স্রষ্টা তে বিশ্বাস আনতে পারে না ।"

      -- একটু বেশি সরল হয়ে গেল। আমি বলছি ইসলামে বর্ণনা করা স্রষ্টাই অনন্য। এর চাইতে সচ্ছ ধারনা সম্ভব নয়। কিন্তু আপনি-ই এর উত্তর দিয়ে দিয়েছেন-  তাহলে মানুষ বিশ্বাস করছেনা কেন ? আমি বলব -- তারা বিশ্বাস  করতে চাচ্ছেনা কারন তারা অহংকারী তারা সহজে একে অপরের কথাই মেনে নিতে রাজি নয় । তারাই অদেখা সৃষ্টিকর্তা-র কথা কে মেনে নিবে কি করে ? একি ঘরের দুই সন্তান এরমধ্যে বড়ভাই যখন ছোট ভাইকে হাত দিয়ে খাইয়ে দিচ্ছে তখনি ছোট ভাই ডান হাত দিয়ে বড় ভাইয়ের গালে থাপ্পর মারছে । পৃথিবীর শত সহস্র শাসন ব্যবস্থা আর মতাদর্শ গড়ে উঠার পিছনে এটাই কারন । কিন্তু কোন মতাদর্শ যে ঠিক তা আমাদের দেখা উচিৎ অই মতাদর্শের কার্যকরণের মাধ্যমে । তার প্রভাবে সমাজের মূল ভাবধারার উপর দাড়িয়ে মুল্যবধের যে সংজ্ঞা দার করানো হয়েছে তাতে মনুষ্যত্যের সংজ্ঞাকে বন্যের বুনোদের থেকে পৃথক করা যায় কিনা ।  যাই হোক আমি হাজার বললেও আপনি হয়তোবা মেনে নিবেন না যার প্রতিফলন আপনার উত্তরেই আছে- **কিন্তু অনেক মানুষ তো মেনে নিচ্ছে না ।** এটি অতি সরল উত্তর যা কিন্তু অনেক সন্তান তো পিতাকে শ্রদ্ধা করছেনা, অনেক মা তো সন্তানকে লালন পালন করতে ইচ্ছুক নয় -এই প্রবাল গুলোকে সমর্থন করে। 

      যাই হোক, আপনার অবস্থান থেকে স্রষ্টার একটি পরিছন্ন বর্ণনা দিন । ইসলামের এত সুন্দর পরিচ্ছন্ন (তবে আপনার মতে বিভ্রান্তি মূলক) এক আল্লাহ্‌র চাইতে আপনার পরিচ্ছন্ন স্রষ্টার ৫ টি অনন্য বৈশিষ্ট তুলে ধরুন । ঠিক জীববিজ্ঞানে মানুষের যেমন ছয়টি অনন্য বৈশিষ্ট্য কে সামনে রেখে তাকে জীবজগতে সবচেয়ে অনন্য ধরা হয়েছে, ঠিক তেমনি আল্লাহ্‌র সাথে আপনার চাওয়া স্রষ্টার  অনন্য বর্ণনা এনে দার করান । একটু সহজ করে দেই -তিনি ন্যায়বিচার করবেন কিসের ভিত্তিতে? তার মতাদর্শ কি ? তিনি যদি থাকেন-ই তবে তিনি তার উপস্থিতি মানুষদের জানানো প্রয়োজন মনে করবেন কিনা- নাকি বসে বসে তামাশা দেখবেন, আর তিনি যদি তার উপস্থিতি জানাতে চান তাহলে তিনি তা কিভবে করতে পারেন বলে আপনার মনে হয় ? তিনি ভাল আর খারাপ এর মাঝে পার্থক্য করবেন কিনা ? তিনি তার আনুগত্যে অন্য কিছুকে গ্রহনকরা কে স্বীকৃতি দিবেন কিনা ? তিনি মানুষ এমন খুশি তেমন সাজ-এ বাদ সাধবেন কিনা, যা একটি সভ্য সমাজ ব্যবস্থা এর জন্য আমরা করে থাকি (যদিও বিবর্তনবাদী ও নাস্তিকরা তা করেন না !! ) এবং সবশেষে আপনার বর্ণনা করা পরিচ্ছন্ন স্রষ্টা কে নাস্তিকরা মেনে নিবে কিনা?

  3. 7
    ইমরান হাসান

    এই বিবর্তন বাচ্চাকালে প্রচুর পড়েছি। খুব মজা লাগতো তবে আজকে বিবর্তনবাদী বিজ্ঞানীরাই এলোমেলো বিবর্তন এর ধারণাকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে অ্যাল্গরিদমিক বিবর্তন এর কথা বলছেন। অথচ এই কথা আইডি-বাদীরা অনেক আগেই বলে দিয়েছেন  কোন কিছু অ্যাল্গরিদমিক হবার মানেই এর একটা বুদ্ধিমান স্রষ্টা আছেন এটাই তারা স্বীকার করতে নারাজ।

    1. 7.1
      এস. এম. রায়হান

      তবে আজকে বিবর্তনবাদী বিজ্ঞানীরাই এলোমেলো বিবর্তন এর ধারণাকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে অ্যাল্গরিদমিক বিবর্তন এর কথা বলছেন।

      বিবর্তন তত্ত্ব যেখানে পুরোটাই কল্পকাহিনী, অনুমান, আর অন্ধ বিশ্বাস এর উপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে সেখানে বিবর্তন 'এলোমেলো' নাকি 'অ্যাল্গরিদমিক' সে প্রশ্ন অবান্তর।

      1. 7.1.1
        ইমরান হাসান

        @এস. এম. রায়হান: তবে রায়হান ভাই আমি তো আইডি-বাদি। এটাও কি ভুল? আমি এটাই বলতে চেয়েছিলাম যে আইডি এর সাফল্য দেখে বিবর্তনবাদিরাও আজকাল আইডি এর মত অ্যালগোরিদম তৈরি করা শুরু করে দিয়েছে, কিন্ত এটা একেবারে স্রষ্টা এর ধারণা এর সমার্থক এটাই তারা বুঝতে পারছেন না। তবে কোন ভুল থাকলে সেটা আপনি বলে দিতে পারেন।

        1. 7.1.1.1
          এস. এম. রায়হান

          তুমি একজন ইসলামে বিশ্বাসী মুসলিম, আইডি-বাদি না। মুসলিমদেরকে 'আইডি-বাদি' নামে আলাদা তকমা নেয়ার দরকার নাই, যদিও মুসলিমদের যুক্তি/বিশ্বাসের সাথে আইডি-বাদিদের যুক্তির সামঞ্জস্যতা থাকতে পারে।

        2. ইমরান হাসান

          ধন্যবাদ রায়হান ভাই 

  4. 6
    ফোরকান

    আমিও অনেক বিনোদন পাইলাম রায়হান ভাই। কিন্তু খারাপ লাগে যখন দেখি আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গরাই বিবর্তনবাদের শিকার হয় বেশি। 

    1. 6.1
      এস. এম. রায়হান

      কিন্তু খারাপ লাগে যখন দেখি আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গরাই বিবর্তনবাদের শিকার হয় বেশি।

      তা তো বটেই। বিবর্তনবাদীদের তৈরি করা 'মিসিং লিঙ্কগুলোর' সবগুলোতেই কৃষ্ণাঙ্গদের অবয়ব দেয়া হয়েছে।

      1. 6.1.1
        শামস

        কৃষ্ণাঙ্গদের অবয়ব কেন থাকবে না। বিবর্তনবাদের বাদ-এর নামে বৈজ্ঞনিক বর্ণবাদ এর কথাতো মিথ্যে নয়।

        ১৭০০ সাল থেকেই মানুষের শরীরের মাপজোক করে তাদের মধ্যে রেসিয়াল সংজ্ঞা দেয়া হতো। খুব বিকৃতভাবে কৃষ্ণাঙ্গদের শরীরের বিভিন্ন অংগপ্রত্যঙ্গ মাপা হতো, মনুষ্যত্বের চরম অবমাননা ছিল সেসব কাজ। তারপর হাত মুছে খোড়াখুড়িতে লেগে গেল। উদ্দেশ্য সেই একটা, সাদাদের রেসকে শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করা। ১৮০০ শতক থেকেই ইউরোপিয়ানরা মাটি খোড়াখুড়ি শুরু করে। বিবর্তনবাদ তত্ত্ব দেয়ার পর এর গতি বেড়ে যায়। এই মাটি খোড়াখুড়ি করে জীবাশ্ম আবিষ্কারের লক্ষ্য ছিল অন্যান্য প্রাইমেট থেকে মানুষের বিবর্তন প্রমাণ করা। আফ্রিকাই ছিল প্রধান খোড়াখুড়ির ভান্ডার। ইউরোপিয়ানদের চোখে এই আফ্রিকানরা ছিল, "সাভেজ"। আফ্রিকানদের ঠিক মানুষ বলে মনে করা হতো না। মানুষ ও এপ এর মাঝামাঝি কিছু। ফলে মিসিং লিঙ্ক সেখানে পাওয়া যাবে না তো কোথায় পাওয়া যাবার সম্ভবনা বেশী থাকবে।

        আজ থেকে প্রায় ১০০ বছর আগে জার্মানরা নামিবিয়ায় প্রায় ৬৫,০০০ হেরেরোকে হত্যা করে কিছু কন্সেন্ট্রেশন ক্যাম্পে। উল্লেখ্য ১৮৮৪-১৯১৫ সাল পর্যন্ত নামিবিয়া ছিল জার্মানদের কলোনী। অমানুষ হেরেরোদের হত্যা করতে বুলেট খরচও করতে তারা চায়নি! শুধু মেরেই থেমে থাকেনি। মরুভুমির ঐ মৃত্যুপূরীর উপরও তাদের লোভাতুর দৃষ্টি পড়ে! জার্মান জিনবিজ্ঞানী ইউজেন ফিশার ঐ মৃতদের কঙ্কাল সংগ্রহে উদ্যোগ নেন। লক্ষ্য সেগুলোকে নিয়ে গবেষণা করা আর বর্ণবাদের ভিত্তিকে মজবুত করা। এই ফিশার হল ইউজেনিক্সের সমর্থক বিশিষ্ট ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদী!

        1. 6.1.1.1
          এস. এম. রায়হান

          মূল্যবান ও তথ্যপূর্ণ মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

  5. 5
    রাতুল

    এখানে ইসলাম নামক 'মধু' না থাকলে বিবর্তনবাদকে কেউ হয়ত ছুঁয়েও দেখত না, কিংবা একবার ছুঁয়ে দেখে দ্বিতীয়বার আর ফিরেও তাকাত না………..ভালো লেগেছে।

  6. 4
    এম_আহমদ

    ১৯ শো শতক থেকে  রাষ্ট্র বিজ্ঞান, সমাজ বিজ্ঞানের থিওরিগুলোতে সস্যিয়েল ডারউইনিজম প্রাধান্য পায়। তখন ইউরোপীয়ান আধিপত্যবাদ তুঙ্গে। থিয়োরিস্টরা ধরেই নিয়েছেন যে ইউরোপীয়নরা যদি ফিটেস্ট (fittest) না হয় তবে বাকিরা পরাজিত হবে কেন। তারপর গোলাম দেশগুলোকে পরিচালনা করার জন্য চাকর বাকর তৈরি করতে যে স্কুল-কলেজ তৈরি করা হয় সেখানে তাদের বিবর্তনবাদী থিওরি প্রাধান্য পায়। চাকর-বাকররা থিওরি interrogate করার মত পজিশনে উপনীত হওয়ার আগেই প্রভু-ভক্ত হয়ে সবকিছু গিলে ফেলেন। বাংলাদেশের লেখকদের ব্যাপারে যে সামান্যটুকু বুঝি তাতে মনে হয় অনেকেই দর্শন, সমাজবিজ্ঞান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সাহিত্য, আর্ট, ইত্যাদি বিষয় পড়তে গিয়ে থিওরিতে মার খেয়ে যা হবার তাই হয়। তাদেরকে ধর্মের ব্যাপারে ক্রিটিক্যাল হতে অনুভূতি জানানো হয় বটে, কিন্তু বিজ্ঞানের ‘প্রতিষ্ঠিত’ কিছু মতকে স্পর্শ করতে দেয়া হয় না। এটাই দুঃখজনক।

    আজ অনেক মিউজিয়ামে এমন অনেক কঙ্কাল দেখতে পাওয়া যায় যাদের মাত্র ২/১ টি দেহাবশেষ পাওয়া গিয়েছে কিন্তু বাকি অংশ জুড়ে দেয়া হয়েছে হাতুড়ে বাটালের মাধ্যমে, ‘ধারণার’ সমন্বয় ঘটিয়ে। আবার এটাও অনেকের কাছে হয়ে পড়ে বিজ্ঞান, বিশেষ করে বাচ্চাদের কাছে। ঐ কঙ্কালগুলোর নিচে একটি caption এই মর্মে দেয়া যেতে পারত যে এগুলো এভাবে চিন্তা করে সাজানো হয়েছে।

    1. 4.1
      এস. এম. রায়হান

      তারপর গোলাম দেশগুলোকে পরিচালনা করার জন্য চাকর বাকর তৈরি করতে যে স্কুল-কলেজ তৈরি করা হয় সেখানে তাদের বিবর্তনবাদী থিওরি প্রাধান্য পায় … চাকর-বাকররা থিওরি interrogate করার মত পজিশনে উপনীত হওয়ার আগেই প্রভু-ভক্ত হয়ে সবকিছু গিলে ফেলেন … তাদেরকে ধর্মের ব্যাপারে ক্রিটিক্যাল হতে অনুভূতি জানানো হয় বটে, কিন্তু বিজ্ঞানের ‘প্রতিষ্ঠিত’ কিছু মতকে স্পর্শ করতে দেয়া হয় না।

    2. 4.2
      নির্ভীক আস্তিক

  7. 3
    শামস

    @এমিনেম,
    বাচ্চাদেরতো রূপকথাও পড়ানো হয়। রূপকথার মধ্যে আবার ছোটদের রূপকথা বড়দের রূপকথাও আছে। এখানে স্বীকৃতি আর অস্বীকৃতির কি আছে? 
     

  8. 2
    এমিনেম

    অাপনার এই টপিকের কি কোন যৌক্তিকতা রইল? যেখানে অান্তর্জাতিক স্তরে জীববিজ্ঞান এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানে জৈব বিবর্তন একটি স্বীকৃত অধ্যায় ও পাঠক্রম!

    1. 2.1
      মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত

      এত বড় মিথ্যাচার করতে পারলেন আপনি! আমি নিজেও তো মেডিকেলে পড়ি, আজ পর্যন্ত বিবর্তন সংক্রান্ত কোনো টপিক পেলাম না।

      1. 2.1.1
        এমিনেম

        মিথ্যাচার তো অাপনি করছেন! মেডিক্যাল পাঠক্রমে কি একটা লাইনও বিবর্তন নেই? 

        1. 2.1.1.1
          মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত

          বিবর্তনবাদ কখনোই ফ্যাক্ট হতে পারেনি,ভবিষ্যতেও পারবে না।এটা থিওরী হিসেবেই টিকে থাকবে।মেডিকেলে কোনো রূপকথা পড়ানো হয় না।
           
           

        2. এমিনেম

          অাপনি কোন দেশের মেডিক্যাল সিলেবাসের কথা বলছেন?  

        3. মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত

          যে বিষয়ে আপনার কোনো ধারণা নেই,সেটা সম্পর্কে বালসুলভ মন্তব্য করে নিজের অজ্ঞতা জাহির করছেন আপনি।

        4. এমিনেম

          ইভ্যলুশনারী মেডিসিন বলে একটা শাখা অাছে সেটাও কি অস্বীকার করবেন!

    2. 2.2
      এস. এম. রায়হান

      আমি অনেকদিন ধরে আপনার মন্তব্যের ইচ্ছে করেই কোন জবাব দেই না। জবাব না দেয়ার কারণ হচ্ছে মন্তব্যগুলো জবাব পাওয়ার যোগ্য নয়। মনের কথা খোলাখুলিই বলে দিলাম, তাতে বেজার হলে করার কিছু নাই। তার উপর আবার কিছুদিন আগে কারো এক মন্তব্য থেকে জানতে পারলাম আপনি নাকি পিএইচডি করছেন, তা যে বিষয়েই হোক না কেন। সত্যি বলতে, কথাটা শুনে আমি ফিক করে হেসে দিয়েছিলাম। হেসে দেয়ার কারণ হচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে সদালাপে আপনার মন্তব্যগুলোর মেরিট, ক্লাশ সেভেন/এইটের ছাত্রদের মন্তব্যের মেরিটও এর চেয়ে ভাল হবে। কারো পিএইচডি করার খবর শুনে সবারই খুশী হওয়ার কথা কিন্তু আপনার পিএইচডি'র খবর শোনার পর থেকে কেন জানি মনে হয় খবরটা যেন মিথ্যা হয়! কারণ আপনি পিএইচডি'র মানকে হেয় করছেন। আচ্ছা, আপনি কি সত্যিই পিএইচডি করছেন?

      1. 2.2.1
        এমিনেম

        অাপনার সঙ্গে কোন অবাঞ্ছিত তর্ক করতে চাইনা, তবে বলতে চাই যে, বিবর্তন যদি ভুল হয় তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় গুলো এটাকে ছুড়ে ফেলছেনা কেন? কেন বিভিন্ন দেশের সরকার বিবর্তন গবেষণায় অর্থ ব্যয় করছে ?

        1. 2.2.1.1
          এস. এম. রায়হান

          আপনি পিএইচডি করছেন কিনা তা কিন্তু বললেন না। এখানে লুকানোর কী আছে তা বোধগম্য নহে।

  9. 1

Leave a Reply

Your email address will not be published.