«

»

Apr ২৭

কামরান মির্জার অজ্ঞতা আর মিথ্যাচারের জবাব

বিশিষ্ট মুক্তমনা কামরান মির্জা অনেক আগে "Quranic Erroneous Science and Contradictions!" শিরোনামে একটি গার্বেজ আর্টিকল লিখেছিলেন। সেই থেকে তার লেখাকে খণ্ডন করার জন্য বিভিন্ন জনের কাছে থেকে মেইল পেতে থাকি। কেউ কেউ তাকে ডিবেটের জন্য চ্যালেঞ্জ দেওয়ার কথাও বলেছেন। প্রত্যুত্তরে বলেছিলাম, কামরান মির্জা-সহ তাদের কারো লেখাতেই ইসলামের বিরুদ্ধে এমন কোনো অভিযোগ নেই যেটি মিশন্যারিজ পরিচালিত অ্যানসারিং-ইসলাম বা সমমনা কোনো সাইটে পাওয়া যাবে না। সেই সাইটগুলো থেকে ধারণা নিয়ে নিজের মতো করে বাংলায় লিখা হয়। অথচ সেই সাইটগুলোর অভিযোগ ও অপপ্রচারের জবাব অ্যানসারিং-ক্রিশ্চিয়ানিটি সাইট-সহ বেশ কিছু সাইটে অনেক আগেই দেওয়া হয়েছে। ফলে নতুন করে জবাব দেওয়ার আসলে কিছুই নাই। তথাপি কেউ কেউ আমাকে বাংলায় জবাব দিতে বলেছেন। সত্যি বলতে, কারো নাম উল্লেখ না করলেও “কোরআনের বিরুদ্ধে বহুল প্রচলিত পঁচিশটি অভিযোগ খণ্ডন” এবং “কোরআন ও বিজ্ঞান নিয়ে বিভ্রান্তি” নামক সিরিজে তাদের প্রায় সবগুলো অভিযোগের জবাব অনেক আগেই দেওয়া হয়েছে।

যাহোক, কথা না বাড়িয়ে মূল প্রসঙ্গে আসা যাক। কারো কারো অনুরোধে কামরান মির্জা-সহ আরো দু-এক জনকে ঠিকই ওপেন ডিবেট চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আজ পর্যন্তও সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করা হয়নি। নিজে অজ্ঞ, নাস্তিক, বুশের দালাল, ইত্যাদি হয়ে অসচেতন ও সমমনা পাঠকদেরকে বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে তার সেই লেখাতে কুরআনের নৈতিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলে তার সাথে হাদিস যোগ করে অপ্রাসঙ্গিক ও আবোল-তাবোল অনেক প্রলাপ বকে বিশাল একখান গরুর রচনা লিখা হয়েছে। সেগুলো নিয়ে সময় নষ্ট না করে সরাসরি কুরআনের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও মিথ্যাচার নিয়ে আলোচনা করা হবে। কোনো একটি বিষয়ে ডজন খানিক কুরআনের আয়াত ও হাদিস দিয়ে তার সাথে নিজের ইচ্ছেমতো যাচ্ছেতাই যোগ করে বিশাল গরুর রচনা লিখা হচ্ছে ‘মিশান্যারিজ কৌশল’, যাতে করে অজ্ঞ লোকজন না পড়েই যেন ধরে নেয় যে তার মধ্যে কিছু সত্য তো থাকতেই পারে! তার সেই লেখাতে মুসলিমদেরকে বিভিন্নভাবে হেয়ও করা হয়েছে যেগুলোও এখানে এড়িয়ে যাওয়া হবে।

He wrote: The Universe is only 4,137 years old! If we believe Quranic creation theory, or Biblical genealogy then, the age of this whole universe is less than five thousands year old. Islamic scriptures say that Allah has created this heaven and earth, from nothingness, within six days and after that He created Adam, the first human being; and Prophet Muhammad was the 90th descendant of Adam. According to calculation, considering 30 years to be the age difference between two successive generations, Allah created this heaven and earth only 4,137 years ago. On the contrary, geological experts say that the earth is more than 4.5 billion years old. Question is who is right about it? Allah was right or the modern scientists are right?

জবাব: পাঠক লক্ষ্য করুন! কোরআন সম্পর্কে যাদের মোটামুটি ধারণা আছে তাদের অনেকেই হাসি চেপে রাখতে পারবেন না। কোরআনে এ'রকম কিছু লিখা থাকা তো দূরে থাক, এমনকি মুসলিমরাও কখনো এই মহাবিশ্ব বা পৃথিবীর বয়স ৪,১৩৭ বছর বিশ্বাস করেনি! কেউ কি কখনো এমন উদ্ভট কিছু শুনেছেন? বুশের আমেরিকান ল্যাবে বসে এ'রকম একটি মারদাঙ্গা আবিষ্কারের স্বপক্ষে কোরআন থেকে কোনো রেফারেন্স দেওয়া হয়নি। সে অনন্তকাল ধরে চেষ্টা করলেও এ'রকম কিছু দেখাতে পারবে না। এমনকি হাদিস থেকেও দেখাতে পারবে না। তাছাড়া হাদিসে সে'রকম কিছু লিখা থাকলেও তো তাতে কোরআন ভুল প্রমাণ হচ্ছে না। যে লোক ৯/১১-এর সমসাময়িক সময় থেকে নিজেকে ‘মুরতাদ’ দাবি করে চব্বিশ ঘন্টা ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঘৃণা-বিদ্বেষ আর অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে এবং যাকে মনাদের অনেকেই একজন 'বিশিষ্ট ইসলামিক স্কলার' হিসেবে বিশ্বাস করে, সেই লোক যদি কোরআন আর হাদিসের মধ্যে পার্থক্যই না জানে তাহলে তো আধুনিক যুগের প্রাণীরাও হেসে দেবে। অধিকন্তু, আদমের বয়সের সাথে এই মহাবিশ্ব বা পৃথিবীর বয়সের সম্পর্কই বা কী! কোরআন-হাদিসের কোথায় লিখা আছে যে, আদম ও এই পৃথিবীকে একই সাথে সৃষ্টি করা হয়েছে? অতএব দেখা যাচ্ছে যে, সম্পূর্ণ মিথ্যা-প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে কোরআনকে 'অবৈজ্ঞানিক' প্রমাণ করার বৃথা চেষ্টা করা হয়েছে।

প্রশ্ন হচ্ছে এভাবে মিথ্যা-প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে কোরআনের মহাবিশ্ব বা পৃথিবীকে ৪,১৩৭ বছর বানিয়ে দেওয়ার পেছনে কারণটা কী? ওয়েল, অনেকেই হয়তো জানেন যে খ্রীষ্টানদের বিশ্বাস অনুযায়ী এই পৃথিবীর বয়স প্রায় ছয় হাজার বছর। তাদের মধ্যে অনেকেই কিন্তু এই পৃথিবীর বয়স প্রায় ছয় হাজার বছরই বিশ্বাস করে। ফলে প্রভুদের মান-সম্মান বাঁচানোর জন্য হয়তো কোরআনের পৃথিবীর বয়সকে বাইবেলের পৃথিবীর বয়সের চেয়েও কম বানিয়ে দেওয়া হয়েছে! মির্জা মিয়া হয়তো ভেবেছেন, যেখানে প্রভুদের বিশ্বাস অনুযায়ীই এই পৃথিবীর বয়স প্রায় ছয় হাজার বছর সেখানে মুসলিমদের বিশ্বাস অনুযায়ী ছয় হাজার বছরের কম ছাড়া বেশী হতেই পারে না!

He wrote: God created the Heaven first or, the Earth first? Which one was created first? As you will see in the verses below, Allah at one time says that Earth was created first and another time He says that the Heaven was created first.

[Quran-2:29]: It is He who hath created for you all things that are on Earth; THEN He turned to the Heaven and made them into seven firmaments (Skies).

[Quran- 79:27-30]: Are you the harder to create, or is the heaven that He built? He raised the height thereof and ordered it; and He has made dark the night thereof, and He brought forth the morning thereof. And after that, He spread (flattened) the earth.

Now, does it match modern science? Do you believe that, Earth was created first, and after that, God created Heaven? Does modern science tell us that?

জবাব: প্রথমত, আয়াতগুলোতে আসলে পৃথিবী ও আকাশমন্ডলী সৃষ্টির কথা বলা হয়নি। বরঞ্চ সৃষ্টির পরবর্তীতে পৃথিবীর উপরিভাগে সৃষ্ট জিনিস এবং আকাশমন্ডলীর ডিজাইন, অর্ডার, ও পারফেকশনের কথা বলা হয়েছে। দ্বিতীয়ত, কোনো আয়াতেই সুস্পষ্ট করে ক্রোনলজিক্যাল অর্ডার উল্লেখ নেই। আরও লক্ষ্যণীয় যে, প্রথম আয়াতে আকাশমন্ডলী (বহুবচন) এবং দ্বিতীয় আয়াতে আকাশ (একবচন) উল্লেখ করা হয়েছে। এর পরও পরস্পর-বিরোধী হয় কীভাবে! তৃতীয়ত, মাওলানা ইউসুফ আলীর অনুবাদ থেকে উধৃতি দেওয়ার কথা বলা হলেও তাঁর অনুবাদের ব্র্যাকেটে ‘skies’ ও ‘flattened’ শব্দ দুটি লিখা নাই! এমনকি পিকথাল বা শাকিরের অনুবাদেও নাই। তার মানে এই ভণ্ড নিজের মতো করে শব্দ বসিয়ে দিয়েছে!

He wrote: Numerical contradictions. There are many numerical contradictions in the Quran. God cannot make an error in doing simple calculations. How many days did it take to create Heavens and Earth? The verses 7:54, 10:3, 11:7, and 25:59 clearly state that God (Allah) created the heaven and the Earth in 6 days. But the verses below stated:

Is it that ye deny Him who created the earth in Two Days? [Quran-41:9]

He set on the (earth) Mountains standing firm high above it, and bestowed blessing on the earth, and measured therein all things to give them nourishment in due proportion, in FOUR DAYS. [Quran-41:10]

So He completed them (heavens) as seven firmaments in Two days and… [Quran-41:12]

Now do the math: 2 (for earth) + 4 (for nourishment) + 2 (for heavens) = 8 days; and not 6 days.

জবাব: হা-হা-হা! প্রাইমারি স্কুলের পোলাপানের মতো না বুঝে সবগুলো সংখ্যা যোগ করলেই তো আর হলো না! কেননা সংখ্যাগুলো একে অপরের সাথে ওভারল্যাপও তো করতে পারে। যেমন কেউ যদি বলে: বাড়িটা তৈরী করতে ৫০ দিন লেগেছে এবং রং করতে লেগেছে ৫ দিন। প্রশ্ন হচ্ছে বাড়িটা তৈরী করতে মোট ৫৫ দিন নাকি ৫০ দিন লেগেছে? প্রাইমারীর ছাত্র হয়তো ৫৫ দিন বলতে পারে তবে কলেজের ছাত্র কিন্তু ৫০ দিনই বলবে। যাহোক, কোরআনের কোথাও ৮ দিনে মহাবিশ্ব সৃষ্টির কথা লিখা নেই। এটি আসলে সমালোচকদের অজ্ঞতা অথবা নিজস্ব মনগড়া ব্যাখ্যা। কোরআনের বেশ কিছু আয়াতে যেহেতু ৬ দিন উল্লেখ আছে এবং আয়াত ৪১:৯-১২-তে যেহেতু ধাপে-ধাপে কিছু বর্ণনা দেওয়া আছে সেহেতু মোট দিনের সংখ্যা ৬ দিন মাথায় রেখেই ওভারল্যাপিং দেখতে হবে। তবে হ্যাঁ, ৯ অথবা ১২ নাম্বার আয়াতে যদি ২ এর অধিক দিন অথবা ১০ নাম্বার আয়াতে যদি ৪ এর অধিক দিন লিখা থাকতো সেক্ষেত্রে কিন্তু কোনো ভাবেই ওভারল্যাপিং করানো সম্ভব হতো না। কোরআনের মিরাকল দেখলেন তো! কাজেই এখানে ব্যাখ্যার সুস্পষ্ট একটি রুম রয়ে গেছে। প্রকৃতপক্ষে ৯ নাম্বার আয়াতের ২ দিন আলাদাভাবে গণনায় আসবে না- এই ২ দিন তার পরের আয়াতের সাথে মিলে যাবে।

He wrote: Allah’s Days Equal to 1000 Years or 50,000 Years?

Verily a day in the sight of the Lord is like a thousand years of your reckoning. [Quran 22:47]

To Him, on a Day, the space whereof will be a thousands years of your reckoning [Quran 32:5]

The angels and the spirit ascend unto him in a day the measure whereof is Fifty thousands years. So, which one is it ? Is the day of Allah equal to 1,000 earth years or 50,000 earth years? [Quran-70:4]

জবাব: প্রথমত, সূরা দুটি ভালো করে পড়লে যে কেউ বুঝতে পারবেন যে, দুটি বিষয়ের প্রসঙ্গ আলাদা। প্রথম আয়াতে মানুষের কথা বলা হয়েছে এবং দ্বিতীয় আয়াতে অ্যাঞ্জেল ও স্পিরিটের কথা বলা হয়েছে। অতএব, কোনো অসঙ্গতি নেই। দ্বিতীয়ত, এক জায়গাতে ১০০০ আর অন্য জায়গাতে ৫০,০০০ লিখা থাকলেই সাংঘর্ষিক হয় না। ধরা যাক, কেউ দু’সময়ে দু’রকম বক্তব্য দিলেন: (১) আমি ঢাকা থেকে কলকাতায় গিয়েছি ১ ঘন্টায়; (২) আমি ঢাকা থেকে কলকাতায় গিয়েছি ১৬ ঘন্টায়। সাদা চোখে দেখলে বক্তব্য দুটিকে সাংঘর্ষিক মনে হলেও বাস্তবে তা নয়। কারণ প্রথম বক্তব্যে এরোপ্লেন এবং দ্বিতীয় বক্তব্যে ট্রেন ব্যবহার করা হয়েছে, যদিও যানবাহনের কথা উল্লেখ করা হয়নি। কোরআনের আয়াতগুলোতে এটাই বুঝাতে চাওয়া হয়েছে যে, স্রষ্টার সময়ের সাথে পার্থিব সময়ের কোনো তুলনা হয় না। সেটা বুঝানোর জন্য কিছু উদাহরণও দেওয়া হয়েছে।

He wrote: Fallacies on Sun-set and Sun-rise? The Koran teaches us that the Sun sets in a muddy spring.

“Till, when he (the traveler Zul-qarnain) reached the setting-place of the Sun, he found it going down into a muddy spring.” [Quran-18:86]

“Till, when he reached the rising-place of the Sun, he found it rising on a people for whom We had appointed no shelter from it.” [Quran- 18:90]

There are serious scientific errors here. Firstly, it is scientifically accepted fact that, the Sun never goes down in a muddy spring or clear spring. Secondly, this seems to presuppose a FLAT Earth, otherwise how can there be an extreme point in the West or in the East? A sunrise there would be basically just the same as at any other place on this earth, at land or sea. It would still look as if it is setting “far away”. It does say, that he reached THE PLACE where the Sun sets and in his second Journey the place where it rises. Does anybody need to go near rising or setting places to observe—sun-set or sun-rising?

জবাব: প্রথমত, কোরআনের কোথাও আল্লাহ নিজে পঙ্কিল জলাশয়ে সূর্য অস্ত যাওয়ার কথা বলেননি। যুলকার্নাইন যা দেখেছেন তার বর্ণনা দেওয়া আছে। দ্বিতীয়ত, এই আয়াত অনুযায়ী সূর্যাস্তের ‘সময়’ অথবা ‘স্থান’ যেকোনোটি হতে পারে। আয়াতটির সঠিক অনুবাদ হবে ‘It appeared to him.’ তবে ‘He found’ বা ‘It appeared to him’ যেটাই হোক না কেনো, আল্লাহ কিন্তু যুলকার্নাইন যা দেখেছেন সেটাই বর্ণনা করেছেন। তৃতীয়ত, একদম প্রথম থেকেই সূর্যকে একটি জ্বলন্ত অগ্নিপিণ্ড হিসেবে মানুষ জেনে এসেছে। এজন্য সূর্যকে ‘সান গড’ হিসেবে ওয়ার্শিপও করা হয়। সেই জ্বলন্ত অগ্নিপিণ্ড প্রতিদিন সন্ধায় পানিতে ডুব দিয়ে পরদিন সকালে আবার পানি থেকে জ্বলে ওঠে!?! নিতান্তই হাস্যকর! যারা কোরআনের এই আয়াত পড়ে সূর্যকে আক্ষরিক অর্থে পানিতে ডুবা-উঠা বোঝে তাদের যৌক্তিকতা ও সততা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহের অবকাশ আছে। সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের বর্ণনাটি এসেছে আসলে প্রচলিত কথা-বার্তার উপর ভিত্তি করে। লোকজন সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের দৃশ্য দেখার জন্য কিন্তু ঠিকই সমুদ্রের তীরে যায়। সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের সময় জানার জন্য ঠিকই পেপার-পত্রিকা পড়ে। অথচ একই কথা কোরআনে লিখা থাকাতে 'অবৈজ্ঞানিক' 'অবৈজ্ঞানিক' বলে চিৎকার-চেঁচামেচি করা হয়। পক্ষপাতদুষ্ট অথবা মস্তকধোলাই না হলে আয়াতটি পড়ে কারো মনেই সন্দেহের উদ্রেক হওয়ার কথা নয়। কারণ সংশয় করার মতো সেখানে আদপেই কিছু নেই। সংশয়েরও তো মা-বাপ থাকা উচিত! যেকেউ আয়াতটির আগে-পরে কিছু আয়াত পড়লে বুঝতে পারবেন যে, বিষয়টিকে একটি স্বাভাবিক ঘটনা হিসেবেই বর্ণনা করা হয়েছে। আয়াতটিকে এভাবেও বর্ণনা করা যায়: When he reached at Cox’s Bazar Sea beach (a sun setting place), he found the sun setting in the Bay of Bengal. সমস্যা কোথায়? আরো মজার কাহিনী হচ্ছে সূর্যকে যদি সত্যি সত্যি পানিতে ডুব দেওয়ার কথা বলা হতো এবং পৃথিবীকে যদি সত্যি সত্যি সমতল ও অনড় মনে করা হতো, যেভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তাহলে তো সূর্য পশ্চিম দিকে ডুব দিয়ে আবার পশ্চিম দিক থেকেই উদিত হওয়ার কথা। অনুরূপভাবে, পূর্বদিকে ডুব দিকে আবার পূর্বদিক থেকেই উদিত হওয়ার কথা। কোরআনে এ'রকম কিছু কি বলা আছে যে, সূর্য পশ্চিম দিকে ডুব দিয়ে পৃথিবীর নিচ দিয়ে দৌড় দিয়ে গিয়ে পূর্বদিক থেকে উদিত হয়? তবে বাইবেলে কিন্তু আছে। দেখুন: “The sun also ariseth, and the sun goeth down, and hasteth to his place where he arose.” (Ecclesiastes 1:5)

He wrote: Quran wonders why/how Sun and Moon do not collide/catch each other? The Quranic Ayat (36:40) is telling us that—Sun can not catch/overtake/collide with Moon; Or, Night cannot outstrip the day, Or, darkness of Night is covered by Day light; and Day light is covered by Darkness of Night. Where is the sun and where is the moon situated? Can anybody tell me how they could collide/meet/overtake each other? Are the sun and moon neighbors to each other? I have the answer for this error: Ancient people saw (bare eye observations) Sun and Moon traveling from east to west (and west to east) seemingly in the same Sky area or same path, yet they do not collide or catch each other and causing day and night etc. People in the 7th century hardly could imagine that all of these phenomena are simply due to Earth’s rotation and NOT by Sun’s rotation. Sun is stationary for Earth, because earth is stuck in the sun’s Gravity, like we are stuck in earth’ gravity. Quran never say anywhere in the whole Quran that, THE EARTH ROTATES. Quran maintained Geo-centric theory in every respect. Earth was considered center of the Universe.

জবাব: কোরআনের কোথাও চন্দ্র ও সূর্য একই কক্ষপথে আবর্তনের কথা লিখা নেই। তবে সে সময় মানুষ এমন কিছুতে বিশ্বাস করতে পারে। কোরআনে বিষয়টিকে সংশোধন করা হয়েছে। অন্যথায় চন্দ্র ও সূর্য একে-অপরকে ধরার প্রশ্ন আসতো না। তাছাড়া কেউ যদি অনুমান করে বলেন: The sun cannot cause the moon to gravitate towards itself and the night and the day cannot lengthen or shorten other than the appointed measure – সেক্ষেত্রেও কিন্তু কারোরই কিছু বলার থাকবে না। অনুরূপভাবে, কোরআনের কোথাও মহাবিশ্বকে যেমন ভূ-কেন্দ্রিক বলা হয়নি তেমনি আবার সূর্যকে পৃথিবীর চারিদিকে আবর্তনের কথাও লিখা নেই। ভূ-কেন্দ্রিক মহাবিশ্বের ধারণা এসেছে গ্রীক ফিলোসফি ও বাইবেল থেকে। আর এ কারণেই ভূ-কেন্দ্রিক মহাবিশ্বের বিশ্বাসে আঘাত হানার কারণে খ্রীষ্টান চার্চ বিজ্ঞানীদের উপর হত্যা-নির্যাতন চালিয়েছিল।

He wrote: Why Allah created Stars? Quran gives us more scientific knowledge by telling us that the stars were created by Allah as missiles to throw at the devils:

Quran-67:5: And We have (from of old) adorned the lowest heaven (sky) with lamps, and We have made such (Lamps as) missiles to drive away Satans (Evils)…

Quran-37:6-8: We have indeed decorated the lower heaven (sky) with (in) the stars, (for beauty) and for guard against all obstinate rebellious Satans. So they should not strain their ears in the direction of the Exalted Assembly but be cast away from every side.

Thus, the stars are nothing but missiles to throw at devils so that they may not eavesdrop on the heavenly council. Heavenly council? Here Quran is actually talking/describing about falling (shooting) stars (Ulka, Dhumkathoo). Superstitious minds of Quran believed that the sky is the roof (seven firmaments) over the earth where kingdom of Allah situated and there in Allah’s kingdom daily assembly (Allah and His Angels) sits to discuss how to run Allah’s business on earth. So, Allah does not want Satan to listen Allah’s secret conversation with His Angels. DOES THIS AGREE WITH MODERN SCIENCE?

জবাব: প্রথমত, আয়াতে ‘শুটিং স্টার’ বলে কিছু নেই; ল্যাম্প বা প্ল্যানেট লিখা আছে। দ্বিতীয়ত, ল্যাম্প বা প্ল্যানেট নিক্ষেপ করার কথা লিখা নেই। ল্যাম্প বা প্ল্যানেট তো এমনি এমনি মুভ করে। তৃতীয়ত, এই আয়াতগুলো একেক জন অনুবাদক একেক ভাবে অনুবাদ করেছেন। চতুর্থত, অদৃশ্য জ্বীন বা ডেভিল যে কী ধরণের ক্রীয়েচার – বাস্তবে তাদের কোনো অস্তিত্ব আছে কি-না – সেটা এখন পর্যন্তও জানা সম্ভব হয়নি। বিজ্ঞানীরাও জোর দিয়ে এর স্বপক্ষে বা বিপক্ষে কিছু বলতে পারবেন না। পঞ্চমত, এ'রকম ঘটনা কোথায় সংঘটিত হয় বা হয়েছে তারও সুস্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত নেই। অতএব, বিষয়টিকে অবৈজ্ঞানিক বলার কোন পথ-ই যে খোলা নেই!

He wrote: Seven heavens (seven firmaments)? Quran teaches us that there are seven heavens one above the other (67:3-5, 71: 15-16, 41:12). How come SEVEN firmaments (layers)? Modern science tells us that, actually there is no such thing Sky or any roof over us, it is only a space with no known boundary at all. These verses simply reinforce the ancient idea of ROOF over us which is called SKY, is not it? We know very well the word CANOPY stands for a tent in the desert, and Canopy always must have a roof over it to protect from Sun’s heat.

জবাব: এই আয়াতগুলোর অনুবাদে কোনো কোনো অনুবাদক ‘Seven heavens’, কেউ কেউ ‘Seven firmaments’, এবং কেউ বা আবার ‘Seven universes’ লিখেছেন। বিজ্ঞানীরা ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছেন যে, এই পৃথিবীর উপরিভাগে সত্যি সত্যি সাতটি স্তর আছে (যেমন: Troposphere, Stratosphere, Mesosphere, Thermosphere, Exosphere, Ionosphere, and Magnetosphere.)। অন্যদিকে আবার কিছু বিজ্ঞানী মাল্টিভার্সের সম্ভাবনার কথাও বলছেন। আরবিতে ‘সাত’ সংখ্যার দ্বারা আক্ষরিক অর্থে যেমন সাত বুঝায় তেমনি আবার অনির্দিষ্টসংখ্যকও বুঝানো হয়। ফলে পৃথিবীর উপরিভাগে একাধিক স্তর হোক অথবা একাধিক মহাবিশ্ব হোক – যেকোন দিক দিয়ে কোরআনের সত্যতাই প্রমাণিত হবে!

He wrote: Quran teaches us that the stars are in the lower heaven, but the moon is in the midst of the seven heavens. How come moon is furthest object than stars? My humble questions to the readers, please tell me how come Allah is telling us that He decorated lower heaven (Sky) by stars? Are stars situated at the lower sky? Modern science tells us that, stars are (most) furthest object from our solar system. Sun is the nearest star for us. Does Quran tell us that the SUN is also a star? Answer is a BIG NO. Allah says Sun is a lamp/torch for the earth. Am I right? Do you see how much science here?

41.12: So He completed them as seven heavens in two Days, and He assigned to each heaven its duty and command. And We adorned the lower heaven with lights, and (provided it) with guard.

71.15-16: See ye not how God hath created seven heavens in harmony; And hath made the moon a light therein, and made the sun a lamp?

জবাব: প্রথমত, কোরআনে হেভেন বা আকাশকে সুস্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়নি। একেক জন একেক ভাবে ব্যাখ্যা করেন। দ্বিতীয়ত, কোরআনে পৃথিবীকে বেজ বা রেফারেন্সও বলা হয়নি। ফলে ‘নিচ’ বা ‘উপর’ বলতে ঠিক কোন্ রেফারেন্স এর ভিত্তিতে বুঝানো হয়েছে সেটা বলা মুশকিল। অতএব, বিষয়টিকে কোনভাবেই অবৈজ্ঞানিক বলা যাবে না। তৃতীয়ত, ইউসুফ আলী ছাড়া অন্যান্য অনুবাদে চন্দ্রকে ‘মধ্যভাগে’ স্থাপনের কথাও লিখা নেই। একটি মাত্র অনুবাদ দেখেই তড়িঘড়ি করে মহা সিদ্ধান্তে পৌঁছলেই তো আর কোরআন অবৈজ্ঞানিক প্রমাণিত হবে না!

He wrote: Sky/Heaven is hanging without pillars?

The Quran says [31:10]:
He hath created the heavens (Skies) without supports (pillars) that ye can see, and hath cast into the earth firm Mountains/Hills, so that it quake not with you; and He hath dispersed.

Modern science tells us- whole thing around the earth is space and there is no boundary even we go Billions of Trillions of miles in all direction. Questions are: When there is no sky above us then how in the world, question of pillars comes? What was the need of pillars? Do we really have a roof above us? Is there anything called above or bellow in true sense? Are mountains there to prevent earth from shaking?

জবাব: প্রথমত, কোরআনের কোথাও আকাশকে সলিড বলা হয়নি। দ্বিতীয়ত, কোরআনে সাধারণতঃ ‘হেভেন্স (বহুবচন)’ বলতে পৃথিবী ছাড়া সম্পূর্ণ মহাবিশ্বকে এবং ‘হেভেন/স্কাই (একবচন)’ বলতে আকাশকে বুঝানো হয়েছে। কাজেই আয়াতের প্রথম অংশে ‘হেভেন্স’ বলতে গ্রহ-নক্ষত্রকে বুঝানো হয়েছে, আকাশকে নয়। আয়াতের দ্বিতীয় অংশে আকাশ ব্যবহার করা হয়েছে, সেটা অন্য অর্থে। তাছাড়া এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য পটভূমিকা জানারও দরকার আছে। যেমন বাইবেল অনুযায়ী হেভেন্স এর পিলার আছে (Job 26:11)। ফলে সেই সময়ের অনেকেই হয়তো তা-ই বিশ্বাস করতো। কোরআনে বিষয়টিকে সংশোধন করা হয়েছে। অর্থাৎ কোরআনে বলতে চাওয়া হয়েছে যে, হেভেন্স এর যে কোনো পিলার নাই সেটা তো দেখাই যাচ্ছে! কোরআনে এভাবে আরো কিছু প্রচলিত বিশ্বাসকে সংশোধন করা হয়েছে।

He wrote: Why Mountains were created? In the following verses, Quran claims that mountains were set on the earth so that the earth never can shake when human being dwelt in it.

And We have set on earth firm mountains, lest it (the earth) should shake with them (mountains). [Quran- 21:31]

He created the heavens without supports that you can see, and has cast onto the earth firm mountains lest it (the earth) shake with you. [Quran-31:10]

It is clearly understood that Quranic author was completely ignorant about the geological reasoning for existence of mountains. He saw that mountains are huge and heavy. So, He (Allah) thought mountains actually prevent Shaking (Earthquake) of the earth. Fact is, this particular reason for existence of mountains is a direct contradiction with modern geological knowledge. Geology proves to us that movement of tectonic plates, or earthquake itself causes mountains to be formed. Besides, we know very well that, every year several dozens of earthquakes happen on earth. Then what is the result of Allah’s promise? Can we believe that, Mountains are there to prevent earthquake?

জবাব: প্রথমত, কোরআনের কোথাও পর্বতমালাকে ভূমিকম্প প্রতিরোধ করার কথা বলা হয়নি। আয়াতে বলা হয়েছে, “Lest it (the earth) should shake with you.” দ্বিতীয়ত, যদিও পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর দ্রুত বেগে ঘুরছে তথাপি পৃথিবীকে স্থির তথা অনড় মনে হয়। পৃথিবীর পৃষ্ঠভাগ ফুটবল বা বেলুনের মতো মসৃণ হলে পৃথিবীর ঘূর্ণনের কারণে হয়তো ঝাঁকুনির সৃষ্টি হতো। কোরআনে বলা হয়েছে যে, পৃথিবীর পৃষ্ঠভাগে পর্বতমালা স্থাপন করে ঝাঁকুনিকে প্রতিরোধ করা হয়েছে। অথচ এই আয়াতগুলো নিয়ে বছরের পর বছর ধরে বোকার মতো হাসি-তামাসা ও কৌতুক করা হচ্ছে!

He wrote: Historical blunders in Quran. In several Suras the Qur’an confuses Mary the mother of Jesus [Miriam in Hebrew] with Miriam the sister of Aaron and Moses, and daughter of Amram which is about 1400 years off.

At length she brought (the babe) to her people, carrying him (in her arms), They said: "O Mary! Truly a strange thing has thou brought! O sister of Aaron, thy father was not a man of evil, nor your mother a woman unchaste!" [Sura: 19:27-28]

জবাব: হাদিসে এই বিভ্রান্তির জবাব দেওয়া হয়েছে। অ্যারাবিকে বোন বা পুত্রকে বংশধরও বলা হয়। বাইবেলেও একই নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে।

He wrote: Sky/Heaven is nothing but A ROOF or Canopy over the Earth? The Quran says:

And We have made the sky a roof withheld (from them). Yet they turn away from its portents. [Quran-21:32]

And We have made the sky (heavens) as roof (canopy) well guarded. [Quran-21: 32]

Modern science tells us- whole thing around the earth is space and there is no boundary even we go Billions of Trillions of miles in all direction. Questions are: When there is no sky above us then how in the world, question of pillars comes? Do we really have a roof above us? Is there a canopy (Shamiaa’na) above the earth? In most Bengali translated Quran all Maulanas writes: Allah akashke samiaana bannei-ese. Is there anything called above or below in true sense? This verse below even confirming the idea of ‘Canopy’ which has no holes/windows and it is like a sealed cap over the earth which is a “couch” for mankind.

জবাব: আগেই বলা হয়েছে যে, কোরআনের কোথাও আকাশকে ‘সলিড ছাদ’ বলা হয়নি। সলিড ছাদ ব্যবহার করা হয় মূলতঃ বৃষ্টির পানি ও সূর্যের আলো থেকে রক্ষার জন্য। ফলে আকাশকে ‘সলিড ছাদ’ মনে করা হলে সেই ছাদ ভেদ করে আবার বৃষ্টির পানি ও সূর্যের আলো পৃথিবীতে আসে কীভাবে! কোরআনে ‘ক্যানোপি’ শব্দটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ক্যানোপি শব্দের অর্থ শামিয়ানা বা মশারি। শামিয়ানা ব্যবহার করা হয় মূলতঃ সূর্যের ক্ষতিকর ও প্রখর তাপ থেকে রক্ষার জন্য। অর্থাৎ শামিয়ানা ভেদ করে সূর্যের আলো যেমন ভেতরে আসতে পারে তেমনি আবার সেই আলোর প্রখরতাও কমে যায়। মশারিও এমনভাবে ডিজাইন করা হয় যেন একদিকে ক্ষতিকর মশার হাত থেকে রক্ষা হয় অন্যদিকে আবার মশারির মধ্যে আলো-বাতাসও ঢুকতে পারে – যাকে বলে এক ঢিলে দুই পাখি মারা। অনুরূপভাবে, কোরআনে আকাশকে ‘শামিয়ানা’ বলতে একদিকে যেমন ক্ষতিকর কিছুর হাত থেকে রক্ষার কথা বলা হয়েছে (যেমন, ক্ষতিকর রশ্মি) অন্যদিকে আবার শামিয়ানা ভেদ করে সূর্যের আলো আসার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে, যেটি ১৪০০ বছর আগে কোনোভাবেই জানা সম্ভব ছিল না। এবার আয়াতটা কিন্তু সমালোচকদের দিকেই বুমেরাং হওয়ার কথা (21:32 And We have made the heaven/sky a guarded canopy and yet they turn aside from its signs.)!

He wrote: Sun and moon rotates/travels? Quran never said everything in the universe does move/rotates, but Quran always said SUN and MOON moves/travels. Quran never ever said that, the earth moves or travels. And this is an open challenge to all Mullahs to disprove my assertion. Like all other religious books, Holy Quran believed Geo-centric theory and earth was considered center of the Universe.

Response: Ops! What a fool! Nowhere in the Qur'an does it mention the "Geo-centric theory and earth was considered center of the Universe"!

He wrote: Quran foretold about cosmic expansion of Big-bang theory! Allah says:

And We have spread out the (spacious) earth: How excellently We do spread out! [Quran-51:48]

With the power and skill did we construct the Firmament; for it is We Who create the vastness of space. [Quran-51:47]

Have We not made the earth as a wide expanse, And the mountains as pegs (anchor)? [Quran-78:6-7]

And the earth We have spread out (like a carpet); set thereon Mountains firm and immovable; [Quran-15:19]

Now, does this match with space expansion of our universe according to the Big-bang theory? Certainly not. Quran never told that “Universe” is expanding; rather Allah talked about the unlimited open space between the Earth and the imaginary sky. And Allah also bragged that He made the earth wide and spacious. Allah was sure that earth is flat like a carpet and mountains are there to anchor the earth so that earth does not shake with us. Is there any modern science here? APOLOGISTS TRIED TO EXPLAIN THESE WORDS “EXPANSE” OR “SPEAD OUT” AS THE COSMIC EXPANSION OF THE UNIVERSE. This is a pure distortion of the actual intention of the Ayat.

Response: He seems to be a robot who has no idea what he is talking about. No Muslim ever used the words 'expanse' or 'spread out' from the verses 51:48, 78:6-7, and 15:19 to claim that the Universe is expanding! These verses are not talking about the Universe at all! He has willfully chosen the wrong verses to make a fool out of himself! So, once again he has proven himself to be an ignorant or a deceiver. Funny thing is that he has repeatedly uttered the same stuff throughout his garbage saying that Allah didn't intend to mean this or that, rather He meant such and so! The question is how this robot came to know Allah's mind!

He wrote: Quran foretold life from WATER. Let us find out from what Quran predicted origin of life from water. The Hindu scripture Veda (8000 B.C.) described origin of Earth and life from WATER of the SEA. The Great Greek Philosopher and Scientist THALES (640-546 B.C.) was the first Human to theorize that, Everything in this Universe was created from WATER OF THE SEA. Problem was, Thales could not provide any scientific proof. After that, ARISTOTLE (384-322 B.C.), the pupil of Plato and Tutor of Alexander the Great, concluded: "Because of the fact that, Plants & Animal body contains plenty of WATER and life needs WATER that was why THALES thought WATER WAS THE ORIGIN OF LIFE". Therefore, Mankind did not have to wait until 7th century for Allah to say importance of WATER for life.

Response: Firstly, as the reader can see, he didn't produce any reference in favor of his above claims. Secondly, EVERYTHING in this Universe was not created from water, as the Great Greek Philosopher and Scientist Thales thought! Thirdly, does he at all know what his point is!

He wrote: Allah copied draconian code of law from the ancient king Hammurabi! Hammurabi, the King of Babylonia, Mesopotamia (2900 B.C.) gave the low: Killing for revenge, i. e., "life for life, hand for hand, eye for eye, ears for ears, tooth for tooth and wounds equal for equal." And the Allah's law in Qur'an [5:45] says: "life for life, hand for hand, eye for eye, ear for ear, tooth for tooth and wounds equal for equal." What is the difference between the code? Don't we see any similarities between the judgment of King Hammurabi (a human), and Omnipotent Allah? Here in this decree of judgment, who probably copied from whom? Was not the Allah (which was Muhammad himself) copied from that Kaffir Hammurabi and sold it in the name of his imaginary Allah?

Response: Firstly, once again he sounds like a complete ignorant who has never read the Qur'an. According to the Qur'an, Allah has sent His Revelation to all the nations since the time of Adam. So, there is a high possibility that Mirza's god Hammurabi copied the code from Allah's previous Revelation. Secondly, the code is actually an anti-criminal law. So, why is he calling it 'draconian code of law' if he himself is not a criminal! Thirdly, is he still not sure whether Muhammad and Allah are the same or different entity!

He wrote: Finally, I maintain my assertion that Qur'an possesses many contradictions/scientific flaws, ethical, historical and logical blunders and of course ample inconsistencies and redundancies. Yet, wishful apologists will never see what we can see, because of this great saying mentioned below:

"The mind of a bigot is like the pupil of the eye; the more light you pour upon it, the more it will contract." – Oliver Wendell Holmes.

Response: It has already been shown that the above saying exactly fits with an anti-Muslim fanatic like him! Yet if he has any doubt then he is challenged for an open debate to justify his oft-repeated claims against the Qur'an. Otherwise the reader would surely assume that he is a liar, a fraud, and a coward who is afraid of truth.

Leave a Reply

Your email address will not be published.