«

»

May ২২

এক নজরে গৌতম বুদ্ধ ও বৌদ্ধ ধর্ম

গৌতম বুদ্ধ ছিলেন প্রাচীন ভারতের এক ধর্মগুরু এবং তাঁর দ্বারা প্রচারিত ধর্ম বিশ্বাস ও জীবন দর্শনকে বৌদ্ধ ধর্ম বলা হয়। খ্রীষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দিতে গৌতম বুদ্ধের জন্ম। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর অনুগামীরা তাঁর জীবনকথা ও শিক্ষা লিপিবদ্ধ করেন। তাঁর শিক্ষাগুলি প্রথম দিকে মুখে মুখে প্রচলিত ছিল। বুদ্ধের মৃত্যুর প্রায় চারশো বছর পর এগুলি লিপিবদ্ধ করা হয়।

গৌতম বুদ্ধের পিতা ছিলেন রাজা শুদ্ধোদন আর মাতা ছিলেন মায়াদেবী। মায়াদেবী কপিলাবস্তু থেকে পিতার রাজ্যে যাবার পথে অধুনা নেপালের অন্তর্গত লুম্বিনি গ্রামে বুদ্ধের জন্ম দেন। তাঁর জন্মের সপ্তম দিনে মায়াদেবীর জীবনাবসান হয়। পরে তিনি বিমাতা গৌতমী কর্তৃক লালিত হন। জন্মের পঞ্চম দিনে রাজা ৮ জন জ্ঞানী ব্যক্তিকে সদ্যোজাত শিশুর নামকরণ ও ভবিষ্যৎ বলার জন্য ডাকেন। তাঁর নাম দেওয়া হয় সিদ্ধার্থ – যে সিদ্ধিলাভ করেছে বা যার উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন বলেন, রাজকুমার একদিন সত্যের সন্ধানে বেরিয়ে যাবেন এবং বোধিপ্রাপ্ত হবেন।

বুদ্ধের বিবাহ সম্বন্ধে দুই ধরণের মত আছে। প্রথম মত অনুসারে ১৬ বছর বয়সে তিনি একটি প্রতিযোগিতায় তাঁর স্ত্রীকে লাভ করেন। আর একটি মত অনুসারে ২৮ বছর বয়সে তাঁকে সংসারের প্রতি মনোযোগী করার জন্য তাঁর পিতা-মাতা তাঁকে রাজকন্যা যশোধরার সাথে বিবাহ দেন।

কথিত আছে, একদিন রাজকুমার সিদ্ধার্থ বেড়াতে বের হলে ৪ জন ব্যক্তির সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হয়। প্রথমে তিনি একজন বৃদ্ধ মানুষ, অতঃপর একজন অসুস্থ মানুষ, এবং শেষে একজন মৃত মানুষকে দেখতে পান। তিনি তাঁর সহিস চন্নকে এ প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হলে চন্ন তাঁকে বুঝিয়ে বলেন যে, এটিই সকল মানুষের নিয়তি। একই দিন কিংবা অন্য একদিন তিনি দেখা পেলেন একজন সাধুর, যিনি মুণ্ডিতমস্তক এবং পীতবর্ণের জীর্ণ বাস পরিহিত। চন্নকে এঁর সম্বন্ধে জিজ্ঞেস করলে, তিনি বলেন উনি একজন সন্ন্যাসী যিনি নিজ জীবন ত্যাগ করেছেন মানুষের দুঃখের জন্য। রাজকুমার সিদ্ধার্থ সেই রাত্রেই ঘুমন্ত স্ত্রী, পুত্র, ও পরিবারকে নিঃশব্দ বিদায় জানিয়ে প্রাসাদ ত্যাগ করেন। সিদ্ধার্থের এই যাত্রাকেই বলা হয় মহানিষ্ক্রমণ।

তার মানে মানুষের বৃদ্ধ হওয়া, অসুস্থ হওয়া, মৃত্যু হওয়া, ও সন্ন্যাসীদের সম্বন্ধে বুদ্ধের কোনো ধারণা ছিল না। তিনি এগুলো জানতে পেরেছেন চন্ন নামের এক ব্যক্তি থেকে। এই অবস্থায় তিনি ঘুমন্ত স্ত্রী, পুত্র, ও পরিবারকে নিঃশব্দ বিদায় জানিয়ে প্রাসাদ ত্যাগ করেন।

দুঃখ ও দুঃখের কারণ সম্বন্ধে জানতে সিদ্ধার্থ যাত্রা অব্যাহত রাখেন। প্রথমে তিনি আলারা নামক একজন সন্ন্যাসীর কাছে যান। তাঁর উত্তরে সন্তুষ্ট হতে না পেরে তিনি যান উদ্দক নামক আর একজনের কাছে। কিন্তু এখানেও কোনো ফল না পেয়ে কিছু দিন যাবার পর তিনি মগধের উরুবিল্ব নামক স্থানে গমন করেন। সেখানে প্রথমে একটি উত্তর-পূর্বমুখি শিলাখণ্ডের উপর বোধিসত্ত্ব জানু পেতে বসে আপন মনেই বলেছিলেন যে, "যদি আমাকে বুদ্ধত্বলাভ করতে হয় তা হলে বুদ্ধের একটি প্রতিচ্ছায়া আমার সম্মুখে দৃশ্যমান হোক।" এই কথা উচ্চারিত হবার সঙ্গে সঙ্গে শিলাখণ্ডের গায়ে তিন ফিট উঁচু একটি বুদ্ধের প্রতিচ্ছায়া প্রতিফলিত হয়। বোধিসত্ত্ব তপস্যায় বসার পূর্বে দৈববাণী হয় যে, "বুদ্ধত্ব লাভ করতে গেলে এখানে বসলে চলবে না; এখান থেকে অর্ধযোজন দূরে পত্রবৃক্ষতলে তপস্যায় বসতে হবে।" এরপর দেবগণ বোধিসত্ত্বকে সঙ্গে করে এগিয়ে নিয়ে যান। মধ্যপথে একজন দেবতা ভূমি থেকে একগাছা কুশ ছিঁড়ে নিয়ে বোধিসত্ত্বকে দিয়ে বলেন যে, এই কুশই সফলতার নিদর্শন স্বরূপ। বোধিসত্ত্ব কুশগ্রহণের পর প্রায় পাঁচ শত হাত অগ্রসর হন এবং পত্রবৃক্ষতলে ভূমিতে কুশগাছটি রেখে পূর্বমুখি হয়ে তপস্যায় বসলেন। কঠোর সাধনার ফলে তাঁর শরীর ক্ষয়ে যায়। কিন্তু এ তপস্যায় তিনি ভয়, লোভ, ও লালসাকে অতিক্রম করে নিজের মনের উপর সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ লাভ করতে সক্ষম হলেন। সহসা তিনি বুঝতে পারেন এভাবে বোধিলাভ হবে না। তিনি তাই আবার খাদ্য গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিলেন। অবশেষে কঠোর তপস্যার পর তিনি বুদ্ধত্বপ্রাপ্ত হলেন। তিনি দুঃখ, দুঃখের কারণ, প্রতিকার প্রভৃতি সম্বন্ধে জ্ঞান লাভ করলেন। এ ঘটনাটিই বোধিলাভ নামে পরিচিত। আক্ষরিক অর্থে "বুদ্ধ" বলতে একজন জ্ঞানপ্রাপ্ত মানুষকে বুঝায়। উপাসনার মাধ্যমে উদ্ভাসিত আধ্যাত্মিক উপলব্ধি এবং পরম জ্ঞানকে "বোধি" বলা হয়।

বুদ্ধের দর্শনের প্রধান অংশ হচ্ছে দুঃখের কারণ ও তা নিরসনের উপায়। বাসনা সর্ব দুঃখের মূল। বৌদ্ধমতে সর্বপ্রকার বন্ধন থেকে মুক্তিই হচ্ছে প্রধান লক্ষ্য। এটাকে নির্বাণ বলা হয়। নির্বাণ শব্দের আক্ষরিক অর্থ নিভে যাওয়া, বিলুপ্তি, বিলয়, অবসান, ইত্যাদি। এ সম্বন্ধে বুদ্ধের চারটি উপদেশ (Four Noble Truths) যা আর্যসত্য বা চতুরার্য সত্য নামে পরিচিত:

1. Suffering does exist

2. Suffering arises from attachment to desires

3. Suffering ceases when attachment to desire ceases

4. Freedom from suffering is possible by practicing the Eightfold Path

বলা হচ্ছে দুঃখ একটি বাস্তবতা – যা বুদ্ধের আগেও সকলেরই জানার কথা। এই দুঃখের কারণ হচ্ছে কামনা-বাসনা-বন্ধন। সকল প্রকার কামনা-বাসনা-বন্ধন থেকে মুক্তি লাভই হচ্ছে নির্বাণ। এগুলোকেই বুদ্ধের চারটি উপদেশ তথা "Four Noble Truths" বলা হয়।

বুদ্ধ পরকাল সম্বন্ধেও অনেক কিছুই বলে গেছেন। পরকাল নির্ভর করে মানুষের ইহজন্মের কর্মের উপর। মৃত্যুর পর মানুষ ৩১ লোকভূমিতে গমন করে। এই ৩১ লোকভূমি হছে ৪ প্রকার অপায়: তীর্যক, প্রেতলোক, অসুর, ও নরক। ৭ প্রকার স্বর্গ: মনুষ্যলোক, চতুর্মহারাজিক স্বর্গ, তাবতিংশ স্বর্গ, যাম স্বর্গ, তুষিত স্বর্গ, নির্মানরতি স্বর্গ, ও পরনির্মিত বসবতি স্বর্গ। ১৬ প্রকার রুপব্রহ্মভূমি। ৪ প্রকার অরুপব্রম্মভূমি। মোট ৩১ প্রকার। এই ৩১ প্রকার লোকভূমির উপরে সর্বশেষ স্তর হচ্ছে নির্বাণ (পরম মুক্তি)। যেমন: ইহজন্মে মানুষ যদি মাতৃহত্যা, পিতৃহত্যা, গুরুজনের রক্তপাত ঘটায় তাহলে মৃত্যুর পর সেই মানুষ চতুর উপায়ে (তীর্যক, প্রেতলোক, অসুর, ও নরক) জন্মগ্রহণ করে, আর ইহজন্মে মানুষ যদি ভালো কাজ করে তাহলে মৃত্যুর পর সেই মানুষ বাকি ২৮ লোকভূমিতে গমন করে।

ত্রিপিটক হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মীয় পালি গ্রন্থের নাম। পালি তি-পিটক হতে বাংলায় ত্রিপিটক শব্দের প্রচলন। তিন পিটকের সমন্বিত সমাহারকে ত্রিপিটক বোঝানো হয়। পিটক শব্দের অর্থ ঝুড়ি যেখানে কোনো কিছু সংরক্ষণ করা হয়। খ্রীষ্টপূর্ব ৩য় শতকে সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে ত্রিপিটক পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ হিসাবে স্বীকৃত হয়। এই গ্রন্থের গ্রন্থনের কাজ শুরু হয়েছিল বুদ্ধের পরিনির্বানের তিন মাস পর অর্থাৎ খ্রীষ্টপূর্ব ৫৪৩ অব্দে এবং সমাপ্তি ঘটে খ্রীষ্টপূর্ব প্রায় ২৩৬ অব্দে। প্রায় তিনশ' বছরে তিনটি সঙ্ঘায়নের মধ্যে এর গ্রন্থায়নের কাজ শেষ হয়।

বৌদ্ধ ধর্মে স্রষ্টার কোনো ধারণা নেই। বলা হয়ে থাকে বুদ্ধও নাকি স্রষ্টার প্রশ্নে নীরব ছিলেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই তাদের ধর্মগ্রন্থকে স্রষ্টার বাণী হিসেবে বিশ্বাস করা হয় না। এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টাকে মাথায় রেখে বৌদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসীদের প্রতি নিচে কিছু যৌক্তিক প্রশ্ন রাখা হলো (কোনো প্রকার আক্রমণ বা হেয় অর্থে নয়):

১. যে ধর্মে স্রষ্টারই কোনো স্থান নাই সেই ধর্মে আবার স্বর্গ, নরক, অসুর, প্রেতলোক, ইত্যাদি এলো কোথা থেকে? এগুলোকে তাহলে কে সৃষ্টি করেছে?

২. বৌদ্ধরা জন্মান্তরবাদ তথা কর্মের উপর ভিত্তি করে জন্ম-মৃত্যু'র চক্রে বিশ্বাস করে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কর্মের উপর ভিত্তি করে কারো পুনঃ পুনঃ জন্ম-মৃত্যু হবে কি-না, কেউ নির্বাণ লাভ করবে কি-না – এগুলো কে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে?

৩. বুদ্ধের কাছে দৈববাণী কোথা থেকে এসেছিল, আর বুদ্ধ জ্ঞান লাভই বা করেছিলেন কার কাছে থেকে?

৪. বৌদ্ধদের বিশ্বাস অনুযায়ী বুদ্ধ নির্বাণ লাভ করেছেন। কিন্তু বুদ্ধ নিজে কী করে নিশ্চিত হয়েছিলেন যে, তিনি সত্যি সত্যি নির্বাণ লাভ করেছেন? বৌদ্ধরাই বা কীসের উপর ভিত্তি করে তা বিশ্বাস করেন? গৌতম বুদ্ধের পর আর কেউ নির্বাণ লাভ করেছে কি-না?

৫. বৌদ্ধ ধর্ম অনুযায়ী খুনি, ধর্ষক, যুদ্ধাপরাধী, সন্ত্রাসী, ও অন্যান্য বড় বড় অপরাধী যারা ইতোমধ্যে মারা গেছে তাদের বিচার কে করবে? তাদের হাতে যারা বলি হয়েছে তাদেরই বা কী হবে? তারা কি কখনোই ন্যায়বিচার পাবে না? কে ও কীভাবে তাদের ন্যায়বিচার করবে?

৬. "জীব হত্যা মহা পাপ" – ভালো কথা। কিন্তু কেউ এই মহা পাপ করে ফেললে বৌদ্ধ ধর্ম অনুযায়ী তার কোনো রকম শাস্তির ব্যবস্থা আছে কি-না?

৭. বৌদ্ধদেরই দাবি অনুযায়ী বুদ্ধ একজন মানুষ ছিলেন। তাহলে আড়াই হাজার বছর আগের একজন মানুষের বাণীকে "ধ্রুব সত্য" ধরে নিয়ে সেগুলোকে ধর্ম বানিয়ে পালন করার পেছনে যুক্তি কী? তাছাড়া সারা পৃথিবী জুড়ে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করে একজন মৃত মানুষের মূর্তি বানিয়ে তার পূজা বা শ্রদ্ধা করার পেছনেই বা কী যুক্তি থাকতে পারে?

সূত্র:

১. বৌদ্ধ ধর্ম – উইকিপিডিয়া

২. গৌতম বুদ্ধ – উইকিপিডিয়া

৩. Buddhism – Wikipedia

নোট: জায়গায় জায়গায় কিছু মন্তব্য আর শেষের প্রশ্নগুলো ছাড়া পুরো লেখাটি বাংলা উইকিপিডিয়া থেকে নিয়ে কিছুটা সাজিয়ে লিখা হয়েছে।

৫৩ comments

Skip to comment form

  1. 24
    mahbub

    জীব হত্যা মহাপাপ” কিন্তু মুসলিম হত্যা ‘মহাপূণ্য -গৌতম বুদ্ধ
    মুসলমানদের নিধনের বেলায়  সব ধর্মের মানুষ একজোট , মায়ানমারের ব্যাপারে এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বৃদ্ধাঙ্গুলি চোষণ করতেছে | আর  যদি কোথাও মুসলমানের হাতে অন্য ধর্মের ২/৪ টা গরু ছাগল ও মারা যায় সবাই এক হয়ে ,
    মুসলমান জঙ্গি বলে জিকির তোলে | অং সান সু চি   নাকি শান্তিতে নোবেল পেয়েছে , এমন পুরস্কারে দোচা দেই |
    আল্লাহ মিয়ানমারের বৌদ্ধ দের হেদায়েত দাও নয়তো ধ্বংস করে দাও

     

     

     

  2. 23
    Madhumangal Saha

    একটা কথা জানতে ইছা করছে , আপনারা কি মুস্লিম হয়ে জান্মান নাকি জানমানর পর মুস্লিম হন । মানে আমি জানতে চাইছি '' মুসুল্মানি''' /সুন্নত কি ? এটা কি আল্লার নির্দেশ ? নাকি ছোটো থেকেই একটা traning, যে তোমাকে  বড়ও হোয়ে রক্ত দেখে  ভঁয় পেলে চোলবে না ্‌। যারা 'কাফের' তাদের রক্ত দেখে যেন ভই না পাই তার জন্য নাকি এই ভাবে নিজেকে তৈরি করা , শুনেছি মেয়ে দেরও নাকি একই হাল মানে খুথ্যনা করা হই, এটা কি সত্যি ? আছা আল্লা কেনও সুন্নত দিয়ে পাঠাই না বলতে পারেন ? 

  3. 22
    প্র্রজেস মৌলিক

    আচ্ছা সব ধর্ম থেকে ইসলাম শ্রেষ্ঠ ধরে নিলাম।।আপনার ধর্মের শ্রেষ্ঠত্ব গুলো বলুন এবং আপনার ধর্মের সবাই ই কি সেগুলো মেনে চলে? ইসলাম শব্দের মানে কি? সেটা কি শুধু শোভা বর্ধনের জন্য নাকি তার প্রয়োগের ও দরকার আছে?? ইসলামিক দেশ গুলিতে এত সংঘর্ষ কেন? কোরানে স্পষ্ট লেখা আছে পরধর্মকে নিন্দা করবেনা কিন্তু আপনারা!!!!!!! আমার মনে এমন অনেক প্রশ্ন আছে ধর্ম নিয়ে যার উত্তর আমি পাইনি। আপনার মতে ধর্ম কি? সত্যিকার অর্থে ধর্ম কেমন হওয়া উচিত??

    1. 22.1
      tutul

      যে ধর্মে যুদ্ধ নীতি আছে, যে ধর্মে অন্য ধর্মের মানুষ কে নিকৃষ্ট জিব বলা হয়, যে ধর্মে যদি ইসলাম ত্যাগ করে তা হলে তাকে হত্যার বিধান রাখে,ইসলাম শ্রেষ্ঠ  কি ভাবে ? ইসলাম শান্তির ধর্ম কি ভাবে ? 

    2. 22.2
      Anonymous

      ইসলামকে  জানতে গেলে --ইসলাম  বিদ্বেষী  বই পড়ে ইসলাম  সমন্ধে  জানা যায় না—
      ইসলাম  সমন্ধে জানতে হলে  পবিত্র কোরান-হাদিস  পড়তে হয়। 

  4. 21
    nushrat

    a little study or knowledge on Buddha has arises those questions in you, study in depth  , you will get the answers by yourself. be happy 

    1. 21.1
      Jukai

      in short, buddhism is philosophy of buddha. it is, therefore, not a religion. and one more thing, it is an offshoot of Hinduism. so, be happy.

  5. 20
    কবি মোমিনুল হক আরাফাত

    কোন ধর্ম সম্পর্কে আমি অভিযোগ করতে যাব
    না। তবে এইটাই বলব স্রষ্টা এক জন আছেন।
    আপনারা কি এইটাই দেখেনি যে? আকাশটা
    কি ভাবে শূন্যর উপর দাঁড়িয়ে আছে?
    এইটার সাথে কিন্তু কোন খুঁটি নাই।
    আমরা মানুষের যদি একটি বাড়ি তৈরি করি
    অনেক খুঁটি দিতে হবে। এইটা মহান স্রষ্টার
    সৃষ্টি তাই খুঁটির প্রয়োজন হল না।
    এক জন সন্তান জন্ম হচ্ছে দু জন নারী পুরুষ
    মিলনের ফলে। জন্মের আগে সন্তানটা
    কোথায় ছিল? কে তাকে মানুষ রূপে
    পৃথিবীতে পাঠিয়েছে?
    একটি সুখ রানো থেকে মানুষের জন্ম।
    যে এই সুখরানোতে আমাদের প্রাণ দিয়েছিল
    তিনিই হলেন সৃষ্টি কথা।
    তিনি যে ভাবে একটি সুখরাণো থেকে
    আমাদের কে পৃথিবীতে আগমন গঠিয়েছেন।
    ঠিক তেমনি আবার জীবিত করবেন।
    আর আমাদের ন্যায় অন্যায়ের বিছার
    করবেন।

    1. 20.1
      sobnam

      কবি সাহেব,

      ছোট্ট ডিঙি নৌকা দিয়ে কি মহাসমুদ্র পাড়ি দেয়া যায়? আপনি কল্পনাকে সত্যি ভাবছেন কেন? আপনার কি জাহাজ হবার/ বানাবার ইচ্ছে আছে? একটি কুয়ার (কূপমণ্ডূক) মধ্যে জাহাজ চালাতে পারবেন? ভাল থাকুন।

  6. 19
    Golden Mean

    বিখ্যাত লেখক এস. এম. রায়হান এর লেখা অবলম্বনে "যে সকল যৌক্তিক কারণে বৌদ্ধ ধর্ম বিশ্বাসযোগ্য নয়"

    আপনার লেখাটি পড়ে সামান্য কিছু লিখতে ইচ্ছে করলো, সর্বপ্রথমে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই যে বেশ কিছু যৌক্তিক কারণ তুলে ধরার জন্য, আসলে এই কারণগুলো আপনার মত আরও যারা মুসলিম ধর্মে বিশ্বাসী (ধ্যানে-জ্ঞ্যানে) অনেকের মধ্যে সংশয় তৈরি করে যে হ্যাঁ আসলেই তো! 

    লেখালেখির অভ্যাস কম এবং ব্যাস্ততার মাঝে বিস্তারিত লিখতে না পারার অপারগতা প্রকাশ করছি, 

    লেখাটির পরিপ্রেক্ষিতে আমি বলবো জনাব এস. এম. রায়হান  সাহেবের আরোও একটু বৌদ্ধ ধর্মের প্রতি মননশীলতা ও দার্শনিকতার ধার বাড়িয়ে দিক। কেননা প্রায় বিভিন্ন ব্লগে পরিলক্ষিত হয় যে, স্বীয় ধর্মের যৌক্তিক কারণগুলো আন্যান্য ধর্মের নীতি বা কানুন বাত্যয় ঘটলে বা আবিস্কার করতে পারলে ওইখানেই পাট শেষ, পরবর্তী কি আছে বা কি নাই কোন দর্শন আর দর্শন করা হয় না। ঠিক তাই হচ্ছে ……  পরবর্তিতে তা স্বীয় ধর্মই মহান ! আর তাই আপনারা যারা এস. এম. রায়হান সাথে একমত পোষণ করছেন তাদের কে অনুরোধ করবো আপনারা দয়া করে আরো জানুন, শুধুমাত্র দর্শন নয় বৌদ্ধ ধর্মের বিনয় খন্ড, অভিধম্মকে জানার চেষ্টা করুন, সব উত্তর পায়ে যাবেন। আপনারা হয়ত বলতে পারেন আমি কেন লিখছি না! আমি বলবো আপনারা তো লেখালেখি করেন, বই পড়েন তো আরো একটু না হয় কষ্ট করুন।

    পরিশেষে, এই কথাটি হয়তো সবাই মানতে চাইবে না, আবার মানবেও!

     "পৃথিবীতে ধর্ম এবং বিজ্ঞান সবসময় একি পথে হাঁটে না" বিভিন্ন লেখকগন এই টপিকে তাদের নিজ নিজ ধর্মকে বিজ্ঞান দিয়ে ব্যাখ্যা করেছেন। তাই দার্শনিক লেখগগন উক্তিটি একটু বিশ্লেষন করুন আপনার ধর্মের সাথে যায় কিনা!

    "একমাত্র বৌদ্ধ ধর্মই বিজ্ঞানের সাথে সবসময় একি পথে হেঁটেছে এবং হাঁটছে" এই বাক্যটি আমি জোর দিয়ে বলছি না, কেননা একটা Religious Conflict হোক চাই না, আপনারাই বের করুন। 

    ধন্যবাদ 

  7. 18
    karim

    বুদ্ধ কেন রক্ষা??? কিভাবে রক্ষা করবে বা রক্ষা হবে জানতে হলে এসে দেখতে হবে। দুর থেকে দেখতে পাবে না। মানুষ যখন প্রথম মোবাইল আবিষ্কার হলো সবাই গল্প মনে করতো, বলতো এও সম্ভব নাকি? এখন সবার হাতে হাতে সবাই বিশ্বাস করে। ভাই আসুন জেনে যান বুদ্ধের পথ ধরে চললে কিভাবে রক্ষা পাওয়া যায় দেখে যান।

    1. 18.1
      এস. এম. রায়হান

      বৌদ্ধরাও 'করিম' নাম রাখে জানা ছিল না তো!

      বুদ্ধ কেন রক্ষা??? কিভাবে রক্ষা করবে বা রক্ষা হবে জানতে হলে এসে দেখতে হবে। দুর থেকে দেখতে পাবে না।

      তা কোথায় যেয়ে দেখতে হবে?

      মানুষ যখন প্রথম মোবাইল আবিষ্কার হলো সবাই গল্প মনে করতো, বলতো এও সম্ভব নাকি? এখন সবার হাতে হাতে সবাই বিশ্বাস করে।

      কার মধ্যে কী! হাসতে হাসতে শেষ 😀

      ভাই আসুন জেনে যান বুদ্ধের পথ ধরে চললে কিভাবে রক্ষা পাওয়া যায় দেখে যান।

      আরে বাবা, কোথায় যেয়ে জানতে হবে? পাগলা গারদে?

  8. 17
    Lutfunnesa

    পৃথিবীর সমস্ত মানুষ যদি নির্বাণ লাভ করতে চায় এবং গৌতম বুদ্ধের দেখানো পথ অনুসারে সবাই মিলে কোন বৃক্ষের নীচে গিয়ে কঠোর সাধনায় নিমগ্ন হয় তাহলে পৃথিবীর অবস্থাটা কি দাঁড়াবে? নাকি একসংগে সবার নির্বাণ লাভ করার চেষ্টার কোন অনুমতি নেই? এখানে ধরেই নেয়া হয়েছে কম সংখ্যক মানুষ বিহারে গিয়ে সাধনা করবে, বাকিরা স্বাভাবিক কাজকর্ম করবে।

  9. 16
    Lutfunnesa

    যদি পৃথিবীর সমস্ত মানুষ বিশ্বাস করে জীব হত্যা মহা পাপ তাহলে পৃথিবীতে মানুষের অস্তিত্বই সংকটের মধ্যে পড়বে। পোকামাকড়ের বংশ বৃদ্ধির হার মানুষের চাইতে অনেক গুন বেশি। তাছাড়া অন্যান্য প্রাণী ও মৎসকূলতো আছেই। এটা কোনভাবেই বাস্তবসম্মত কোন নীতি হতে পারে না। এখানে ধরেই নেয়া হয়েছে পৃথিবীর খুব অল্প সংখক মানুষ এই নীতি আবলম্বন করবে।

  10. 15
    সেতু

    মানুষ ধর্ম নিয়ে কতো বাড়া-বাড়ি করে। অথচ নিজেই নিজের ধর্ম সঠিক ভাবে পালন করেনা। এক ধর্ম আরেক ধর্মকে দোষারোপ করে। এ বলে আমার ধর্ম সঠিক ও বলে আমার ধর্ম সঠিক। আসলে কোন ধর্মের মানুষ সুখি সেটাই তো বুঝা যাচ্ছে না। যিশু বলেন, নবী বলেন, কৃষ্ণ বলেন, বুদ্ধ বলেন, এমন কি আল্লহ বলেন, কে সবার মনকে এক করতে পরেছেন?! কেউ  পারেনি। কেউ সৃষ্টিকর্তাকে বিশ্বাস করেন আবারে কেউ করেন না। কেউ কোন দেবতাকে বিশ্বাস করে আবার কেউ তার কর্মকে বিশ্বাস করে। আমার প্রশ্ন, কোন বিশ্বাসের মানুষ সত্যিকার অর্থে সুখী? হিন্দু-মুসলিম-খ্রিষ্টান-বৌদ্ধ ধর্মলম্বীদের বলছি, কোন ধর্মে কোন কাজটা সমাজের জন্য, দেশের জন্য, মানুষের জন্য, নিজের জন্য, আপরের জন্য, পৃথিবীর জন্য, এমনকি অন্যকোন প্রানীর জন্য অকল্যাণকর  আমাকে দেখিয়ে দেন তো????? এখানে দেখলাম বিশেষ করে বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের ধর্ম নিয়ে বেশী আলোচনা হয়েছে। তাই বলছি বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের কোন কোন কাজগুলো আপনার চোখে অকল্যানকর সেগুলো একটু দেখান।

     

  11. 14
    সত্য সন্ধানী

    কেন বৌদ্ধ ধর্ম বিজ্ঞানসম্মত এর গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা চাচ্ছি! ব্যখ্যা না করতে পারলে কিন্তু নিজেকেই মিথ্যুক হিসাবে প্রমাণ করবেন! @বড়ুয়া!

  12. 13
    sk barua

    apni valovabe na jene likhlen keno? ta mukhatar parichoy.  boudda dharma hocche adunik biggan sanmatto dharma.

     

  13. 12
    সুমন শেখ

    ভালো লাগলো ভাই। আপনার Facebook id পেলে খুশি হতাম।

  14. 11
    নাজমুল

    @ সাগর

    সাগর ভাই কে বলি আপনি মৃত্যু নিয়ে কি চিন্তা করেন??

    @ এস এম রায়হান

    আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ধৈর্য ধরে ব্যাখ্যা দেবার জন্য।।

    আল্লাহ সাগর ভাই কে সহিহ বুঝ দিন।।

  15. 10
    এস. এম. রায়হান

    বৌদ্ধদের 'জীব হত্যা মহা পাপ' নামক অসার বুলি মনে হচ্ছে 'কুরবানীর গোহত্যা মহা পাপ'-এ সঙ্কুচিত হয়ে গেছে! এ বিষয়ে এক বৌদ্ধের প্রতারণামূলক একটি লেখার পুরোটা নিচে কপিপেস্ট করা হলো-

    সখি কোরবানী কারে কয়

    লিখেছেন: শাখা নির্ভানা

     

    মানুষ হয়ে জন্মানোর অনেক ঝক্কি আছে, ঝামেলাও কম না। এই ঝামেলা তৈরী হয়েছে মানুষের বুদ্ধিমত্তা, যুক্তি, তর্ক, পর্যবেক্ষন, ও রুচি থাকার কারনে। আমরা চাইলেও এইগুলো থাকবে, আবার না চাইলেও থাকবে। এ ব্যপারে আমাদের করার কিছু নেই। আমাদের করার যা আছে তা হলো সার্বজনিন কল্যানে এই বুদ্ধিমত্তাকে অনুসরন করা। প্রশ্ন হলো, স্থান কাল পাত্র ভেদে তা কি আমরা করি? না, করি না। তার একটা জলন্ত উদাহরন জ্বলজ্বল করে জ্বলতে দেখি ঈদুল আযহা এলে। কোরবানীর আভিধানিক অর্থ হলো আত্মত্যাগ, অথচ নিজেকে অক্ষত রেখে হত্যা করি পশুদের। ফুডচেইনের দোহাইটা একেবারে খারাপ না। খাবারের প্রয়োজনে হিংস্র পশুরা একে অপরকে হত্যা করে। ক্ষিদে মিটে গেলেই তাদের হত্যাস্পৃহা বন্ধ হয়ে যায়। উতসব, দান, পূণ্য অথবা মৃগয়ার দোহাই দিয়ে তারা হত্যা করে না। এসব ক্ষেত্রে পশুরা যে অনেকটা মানবিক তা যুক্তিতেই টিকে যায়।

    ফুডচেইনের কথায় ফিরে আসি। খাদ্যশৃঙ্খলের কথা মনে হলে জীবন বৃক্ষের কথা স্মরণ হয়, যে বৃক্ষের গোড়া একটাই। এই প্রতিকী বৃক্ষের অর্থ- জীবের আবির্ভাবের শুরুতে আমরা সবাই এক। সেখান থেকে বিবর্তিত হয়ে আমরা বৃক্ষের ভিন্ন ভিন্ন শাখায় বসে আদি স্বজাতিদের ধরে ধরে খাচ্ছি। এ যেন পূত্র খায় প্রপিতামহের দেহ- সবই সেই খাদ্যশৃঙ্খলের নামে। বিবেক, বুদ্ধিমত্তা, প্রযুক্তি কি বলে? সব থেকে বড় শর্বনাশ ঘটিয়েছে প্রানীদেহে স্নায়ুতন্ত্রের জাল। সব প্রানীকে বেঁধে ফেলেছে একই অনুভুতির স্বাদে। স্পর্শ, ব্যাথা, কষ্ট, আনন্দ এইসব কিছুর ত্রিমাতৃক অনুভুতির ধারক আর সংবাহক এই স্নায়ু। নিজের গায়ে শক্ত করে একটা চিমটি কেঁটে দেখুন কেমন কুকড়ে যাওয়া ব্যাথার অনুভুতি এনে দেয় শরীরে। জীবনবৃক্ষের প্রতিটি প্রানীর বেলায়ও তাই। যে যন্ত্রনা নিজের জন্যে চাই না তা অন্য প্রানের উপরে চাপিয়ে দেই কিভাবে? বিবেক, বুদ্ধিমত্তা কিছুইতো সায় দেয় না। আগেই বলেছিলাম বুদ্ধিমত্তা ঝামেলার। সেই ঝামেলাই এক সময় যুক্তি-তর্ক দিয়ে আপনাকে পশুনিধন বিরোধী করে তুলতে পারে। পুষ্টিবিজ্ঞানীরা বলেন শরীরে প্রানীজ আমিষের দরকার আছে। বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে সেই চাহিদারও যোগান দেয়া যেতে পারে। দুধ, ডিম এগুলো শতকরা শতভাগ প্রানীজ আমিষ। শুনেছি মরুদেশে রয়েছে দুম্বা জাতীয় প্রানী, যাদের শরীর থেকে বর্ধিত মাংশ কেটে নিলেও প্রানী মরে না। রয়েছে প্রানীজ আমিষের খুব কাছাকাছি উদ্ভিজ আমিষের সরবরাহ। আপন ভাল কে না চায়। কখনও কখনও সেই ভালর পথে বাঁধা হয়ে দাড়াতে পারে প্রানীজ আমিষ। প্রানীজ আমিষ শরীরে আত্মিকরনের জন্যে যকৃত আর বৃক্ককে পরিশ্রম করতে হয় অনেক এবং পরিশেষে এদের বর্জ সঠিকভাবে নিস্কাসন করতে না পারলে দেহ রোগগ্রস্থ হয়। তাহলে কথা উঠতে পারে, উদ্ভিদের তো প্রাণ আছে; তাদের কেন নিধণ করা হচ্ছে। তারা কি ব্যাথা পায় না? এই প্রশ্নেরও উত্তর আছে। আমরা ফল খাই, বীজ খাই না। বীজ রোপণ করে আবার উদ্ভিদের জন্ম দেই। কিছু কিছু উদ্ভিদের বীজও খেয়ে থাকি আমরা- যেমন, শীম জাতীয় উদ্ভিদ। তবে উদ্ভদের স্নায়ুতন্ত্রের গঠন আর প্রানীরটা এক নয়, পার্থক্য আছে বিস্তর। আমদের মতন স্নায়ুতন্ত্রের বিস্তার তাদের নেই। তাদের কোন কেন্দ্রীয় স্নায়ু বা ব্রেইন নেই। শরীরের কোন আকষ্মিক পরিবর্তন, তা যদি পরিবেশের কারনেও ঘটে থাকে তবু তার প্রতিকৃয়া তারা কেমিকেল এনজাইমের মাধ্যমে উদ্ভিদ দেহের সব জায়গায় সঞ্চালিত করতে চেষ্টা করে। ঠিক আমদের মতন ব্যাথাবোধ প্লান্টের দেহে কাজ করে না। এখানে উল্লেখ করতে হয়, পশ্চিমের সাধারন মানুষও খুব বেশী বনের মোষ তাড়ায়। একটু গুগল সার্চ দিলে দেখতে পাবেন অনেক এমেচার গবেষক প্লান্ট নিউরোলজীর উপরে কাজ করছে এবং তারা তাদের পরস্পরের অভিজ্ঞতার আদান প্রদান করে নিজেরা আনন্দ পাচ্ছে আবার পৃথিবীর জ্ঞান ভান্ডারকেও সমৃদ্ধ করছে। এরপরেও প্লান্ট নিউরোলজী সম্পর্কে আরো জানতে চাইলে এখানে ক্লিক করুনঃ
    (http://en.wikipedia.org/wiki/Plant_perception_%28physiology%29)।

    হোমো সেপিয়েন্সদের দাতের বিন্যাসের দিকে তাকালে দেখা যাবে- তারা ঠিক তৃণভোজীও (Herbivores) না, আবার মাংশাসীও (Carnivores) না। উইজডাম টীথ বা আক্কেল দাতের অবস্থাও তথৈবচ। তৃণ চর্বনে তা ব্যবহৃত না হওয়ায় নষ্ট হয় দ্রুত। একজন দন্তচিকিতসকের কাছে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলতে পারবেন বছরে কতগুলো আক্কেল দাত তিনি তুলে থাকেন। এমন হয়, কারন আমরা তৃণভোজী না, তবে খানিকটা নিরামিষভোজী। অপরপক্ষে মানুষের ক্যানাইন টীথগুলো (কুকুরে দাত বলে অনেকে) বেশ ছোট এবং ভোতা, মাংশাসীদের তুলনায়। তারমানে আমরা মাংশাসীও না। তাহলে কেন এই সৌখিন পশু নিধন। দশাসই কুকুরে দাত নিয়ে পুরা সুন্দরবনের ব্যাঘ্র সমাজ এক বছরে যতগুলো পশু হত্যা করে, আমারা শীমের বিচির মতন ছোট্ট চারটে কুকুরে দাত নিয়ে তার শতগুন বেশী সংখ্যক পশু নিধন করে এটাই প্রমান করি- বাঘ আমাদের থেকে বেশী মানবিক।

    মাথা থাকলেই মাথাব্যাথা রোগ হবে। আর এই মাথাব্যাথার একমাত্র মহৌষধ মাথাটাকে খাটানো। কোরবানী আসলে জিনিসটা কি, তা কি আমরা একবারো সেভাবে ভেবেছি? কোরবানী আসলেই একটা মহত কাজ এবং সমাজ সংসারের অনেক বড় উপকার সাধিত হয় তাতে। কিন্তু সেটা করার আগে আমাদের প্রিয়বস্তু নির্বাচন করতে হবে। অধিকাংশ স্বাভাবিক মানুষের প্রিয়বস্তু তাদের স্বামী, স্ত্রী, সন্তান এবং পিতামাতা। কিন্তু কেউ কি আল্লাহ-সোবহানা-তা’আলার উদ্দেশ্যে তাদের হত্যা করে? ঠিক বলেছেন, মানুষ তা করে না। করা উচিতও নয়। আল্লাহ যথার্থ বুদ্ধিমান বলে তিনি এমন আদেশ দেননি। তার বদলে তিনি আদেশ করলেন প্রিয় বস্তু বা প্রিয় সম্পদকে তার নামে উতসর্গ করতে। তাই এটা আবশ্যকীয় কাজ হলো তাদের জন্যে, যারা সক্ষম। এখানে খুব সহজে স্থান-কাল-পাত্রের ব্যপারটা চলে আসে। যখন আব্রাহামকে কোরবানীর আদেশ করা হয়েছিল তখন সে সরাসরি পশু পালন থেকে জীবিকা নির্বাহ করতো এবং এই পেশা দ্বারা কোরবানীর জন্য উদবৃত্ত সম্পদও তার ছিল। তখন থেকে অবস্থাপন্ন পশুপালকেরা তার এই কাজকে অনুসরণ করতে থাকে। তারপরে কালের চাকা বহুদূর গড়ালো। মানুষের জীবিকা আর আটকে রইলো না লাইভস্টোকে। তারপরেও কি মুমিনেরা প্রিয়বস্তু বলতে শুধুই গরু ছাগলকে বুঝবে? জটিল কোন বুদ্ধি না, সাধারন বুদ্ধিতে কি বলে? ধরা যাক বাংলাদেশের কথা। শতকরা কতজন মানুষ সরাসরি লাইভস্টোক থেকে জীবিকা নির্বাহ করে কোরবানীতে সক্ষম হয়ে উঠছে? শুধু পশু কোরবানীতে সক্ষম হলে চলবে না। কারন কোরবানীর একটা বড় উদ্দেশ্য চেরিটি বা দান। পশু কোরবানীর যে ফাইনাল প্রডাক্ট, অর্থাত সেই মাংশের চাহিদা মানুষের আছে কি না তাও দেখতে হবে। কমনসেন্সে বলে চেরিটি করতে হলে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে মানুষের চাহিদা মেটাতে হয়। আমার জানা মতে বাংলাদেশের বহু মানুষের মূল চাহিদা বাসস্থান, চিকিতসা, শিক্ষা। গরু-ছাগলের মাংশ এইসব মৌলিক চাহিদা কতটা মেটাতে পারে, তা ভাববার বিষয়। আবার বাংলাদেশে যারা এই লাইভস্টোক পেশার বাইরে রয়েছেন, যেমন- কৃষক, প্রবাসী শ্রমিক, গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ইত্যাদি, তাদেরও প্রিয় বস্তু কি গরু-ছাগল, না অন্য কিছু? শ্লেষের সুরে বলতে পারেন- তুমি বাপু মানুষকে বছরে একটা দিন আমোদ আহ্লাদ করতে দিতে চাও না। তুমি লোক ভালো না। জনে জনে, প্রকাশ্যে হত্যা-উতসব এই যুগে, এই চিন্তার বল্গাহীনতার যুগে কতটা গ্রহনযোগ্য তাও ভাববার বিষয়। কাল চলমান আর আমরা দাড়িয়ে আছি ঠায়, জিনিসটা কেমন দাঁড়াবে তাহলে?


    রহিম সাহেব একজন বিখ্যাত কবি। তিনি ভাবতেই পারেন না এই প্রানীটি তার সবচেয়ে প্রিয়বস্তু। তিনি মনে করেন, তার প্রিয়বস্তু তার খ্যাতি, প্রতিপত্তি।

    একটা উদাহরন দিলে বিষয়টা আরো পরিস্কার হবে আশা করি। ধরা যাক জনাব আব্দুর রহিম একজন খুব বড় কবি। তার সমান কবি বাংলাদেশে আর একজনও নেই। তার কাব্য প্রতিভা দেশের সীমান্ত ছেড়ে আরো বহুদূরে চলে গেছে। কবিতা তাঁর পেশা-নেশা, ধ্যান-জ্ঞান। কবিতা তাকে দিয়েছে খ্যাতি ও প্রতিপত্তি। এখন যদি রহিম সাহেবকে জিজ্ঞেস করা হয়- জনাব, বুকে হাত দিয়ে বলুন তো আপনার সবচেয়ে প্রিয় বস্তুটা কি? যথার্থ সত্যবাদী হিসাবে রহিম সাহেব বলবেন, আমার কাব্য প্রতিভা এবং তার মাধ্যমে গড়ে উঠা আমার খ্যাতিই আমার সবচেয়ে প্রিয় বস্তু। রহিম সাহেব এই যুগের যুধিষ্টির। কজন হতে পারে তার সমান? এবার আপনারাই বলুন তার কি বস্তু কোরবানী দেয়া উচিত? নিশ্চয়ই গরু বা ছাগল নয়। রহিম সাহেব তাই ঠিক করেছেন, আগামী কোরবানী ঈদে তিনি দশ জন প্রতিশ্রুতিশীল দরিদ্র কবিকে বৃত্তি প্রদান করবেন, যাতে তারা উজ্জল কাব্য প্রতিভা হিসাবে ভবিষ্যতে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। আমার মনে হয়, রহিম সাহেব উতকৃষ্ট একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কবি আব্দুর রহিম একজন আলোকিত মানুষ। তিনি ঠিক ঠিক ধরে ফেলেছেন, এই আত্মত্যগে তার খ্যাতি আর প্রতিপত্তির উপরে জাগতিক আসক্তি কিছুটা হলেও কমবে। তিনি এও জানেন শিল্প-সাধনায় অমন আসক্তি কতটা ক্ষতিকর। কোরবানীর দার্শনিক উদ্দেশ্য হলো, ব্যাক্তির সবথেকে প্রিয় বস্তুর উপরে জাগতিক আসক্তি কমিয়ে ফেলা, যাতে মূল কর্তব্য কাজে ডিভোশনটা দেয়া যায়। আর সেই আসক্তি কমাতে গিয়ে যে সম্পদ তৈরী হয় তার সর্বোতকৃষ্ট ব্যবহার নিশ্চিত করা হলো জাগতিক উদ্দেশ্য। সুতরং ভিন্ন পেশা, চিন্তা ও রুচীর লোকের জন্য কোরবানীর ধরন ভিন্ন হতে বাধ্য।

    অপেক্ষা করুন, আর কিছুদিন পরেই বাজারে আসছে সিন্থেটিক মাংশ, যা বানানো হবে কারখানায় যৈব প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে। ইতিমধ্যে বিফ-বার্গারের মাংশের চাকতি বানানো হয়েছে ল্যবেরোটরিতে। প্রানীর জন্ম না দিয়ে, প্রানী হত্যা না করেই প্রানীর মাংশ। এরপরেও যারা প্রানী-হত্যা উতসবে অংশ নিয়ে পূণ্য অর্জন করতে চায় তাদের হেদায়েত করতে পারবে একমাত্র সেই আল্লাহ-সোবহানা-তায়ালা যিনি এই হত্যার হুকুমটি দিয়েছিলেন। তবে শুধু ক্ষুধার প্রয়োজনে, শরীর রক্ষা বা খাদ্যশৃঙ্খলের ন্যুনতম তাগিদে প্রানী হত্যাকে আমি মহাপাপ বলবো না, বলবো স্থুল বা তৃমাত্রীক কাজ, যা একটা সাধারন স্তরের প্রানীই করতে পারে। পাপ মার্সি কিলিং-এ, হত্যা উতসবে। প্রকাশ থাকে যে, হত্যা-উতসব শুধু ইসলামে নয়, সকল ধর্ম বিশ্বাসের জন্য লজ্জার। মানুষের মাথার ভিতরে আছে উতকৃষ্ট মানের বুদ্ধিমত্তা। যে বুদ্ধিমত্তা নিয়ে একটা বাঘ ক্ষুধা নিবৃত্তির জন্যে অন্য প্রানীর রক্তে যে প্রকৃয়ায় হাত রাঙায়, তার থেকে শতগুন উর্বর বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আমরা সেই একই কাজ করবো কিনা সেটা ভেবে দেখার দায়িত্ব আমাদেরই।

    এই পোস্টের কিছু মন্তব্যও নিচে কপিপেস্ট করা হলো-

     

    আদিল মাহমুদ

    নভেম্বর ২৫, ২০১৩ সময়: ৬:৩৩ পূর্বাহ্ণ | লিঙ্ক

    ভাল বিষয়, কৃত্রিম মাংসের সম্ভাবনা নিয়ে কিছুদিন আগেই দুটি ভাল লেখা এখানে এসেছিল সফিক আর কাজী মামুনের কাছ থেকে।

    গার্মেন্টসে কেন ঘন ঘন আগুন লাগে এবার কিছুটা মনে হয় বুঝলাম। গার্মেন্টস মালিকরা হয়ত এভাবে তাদের প্রিয় জিনিস উতসর্গ করে দেন।

     

    বিপ্লব রহমান

    নভেম্বর ২৬, ২০১৩ সময়: ৮:০৭ অপরাহ্ণ | লিঙ্ক

    ভাবতে অবাক লাগে, কতিপয় গালগল্পের ওপর আদিম যুগের পশু বলি এখনো চলছে! আর কয়েকশ বছর আগেও এদেশে নরবলী/ শিশুবলীও বহাল ছিলো!

    ভাবনটি উস্কে দেওয়ায় শাখা নির্ভানা’কে সাধুবাদ।

     

    গীতা দাস

    নভেম্বর ২৮, ২০১৩ সময়: ৭:৫১ পূর্বাহ্ণ | লিঙ্ক

    আমার এক সিনিয়র আপা প্রতি বছর একটা গরীব পরিবারকে একটা গরু কিনে দিয়ে দেন লালন পালন করে জীবিকা নির্বাহের জন্য। কোরবাণীতে যত গরু জবাই হয় তার অর্ধেক সংখ্যকও যদি গরীবদের জীবিকা নির্বাহে দিয়ে দেয়া হত তবে জাতি হিসেবে আমরা আর একটু এগুতে পারতাম।

     

    শাখা নির্ভানা এর জবাব:
    নভেম্বর ২৮, ২০১৩ at ৩:২২ পূর্বাহ্ণ

    শাক সবজিদের অনুভুতি কম, ওদের হত্যা করা যেতে পারে। তবে পরিকল্পিত ভাবে।

     

    শাখা নির্ভানা

    ডিসেম্বর ২, ২০১৩ সময়: ১১:৪৫ অপরাহ্ণ | লিঙ্ক

    ক্ষুধার এক জায়গায় শেষ আছে, কিন্তু পূন্যের কোন শেষ নেই। তাই পূন্যের জন্য হত্যা এক ধ রনের নৈতিক ঙ্খলন।

    1. 10.1
      এস. এম. রায়হান

      প্রথমে মুক্তমনা বৌদ্ধ শাখা নির্ভানার (এটি কি নাম নাকি নিক, ঠিক বুঝতে পারছি না) প্রতারণাগুলো উল্লেখ করা যাক-

      ১. উনি সুকৌশলে 'ইসলাম-দরদী' সেজে ইসলামের ঘাড়ে বন্দুক রেখে একদিকে ইসলাম ও মুসলিমদেরকে অনৈতিক প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন অন্যদিকে আবার নিজ ধর্মকে নৈতিক বানানোর চেষ্টা করেছেন।

      ২. এটা প্রমাণ করতে উনি বিজ্ঞানের ঘাড়ে বন্দুক রেখে মুসলিমদেরকে সিন্থেটিক মাংশ খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন যেন মুসলিমরা বিজ্ঞানের কোনো খবরাখবর রাখে না, সবাই আদিল টাইপের আরকি। কিন্তু উনি নিজে সিন্থেটিক মাংশ খাওয়া শুরু করেছেন কি-না, তা বলেননি। ভণ্ডামী লক্ষণীয়। তাছাড়া মুসলিমদেরকে সিন্থেটিক মাংশ দিয়ে কুরবানী (?) করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে কি-না, তাও উল্লেখ করা হয়নি।

      ৩. একই লেখাতে বিবর্তনবাদ নামক পেগ্যান ধর্মের ঘাড়েও বন্দুক রেখে নিজেকে বিবর্তনবাদী হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

      এক ইসলামকে অনৈতিক প্রমাণ করার জন্য কত কসরত আর কত আয়োজন! এই ধরণের নীচু মানসিকতার প্রতারণা মূলত ধূর্ত বর্ণবাদীরা করে থাকে। কিন্তু বৌদ্ধরাও যে একই মানসিকতার তা জানা ছিল না।

    2. 10.2
      এস. এম. রায়হান

      শাখা নির্ভানা বলেছেন:

      শাক সবজিদের অনুভুতি কম, ওদের হত্যা করা যেতে পারে। তবে পরিকল্পিত ভাবে।
      ক্ষুধার এক জায়গায় শেষ আছে, কিন্তু পূন্যের কোন শেষ নেই। তাই পূন্যের জন্য হত্যা এক ধ রনের নৈতিক ঙ্খলন।

      এগুলো যদি বৌদ্ধ ধর্মের বাণী হয়ে থাকে তাহলে প্রমাণ দেন। আর যদি তা না হয় তাহলে বুদ্ধের উপর বুদ্ধগিরি করে নিজে নিজে ধর্ম বানিয়ে মুসলিমদেরকে অনৈতিক প্রমাণ করা কী ধরণের নৈতিক স্খলনের মধ্যে পড়ে? এই ধরণের প্রতারণামূলক শিক্ষা কি বৌদ্ধ ধর্ম দেয়?

    3. 10.3
      এস. এম. রায়হান

      মুক্তমনা গীতা দাস বলেছেন:

      আমার এক সিনিয়র আপা প্রতি বছর একটা গরীব পরিবারকে একটা গরু কিনে দিয়ে দেন লালন পালন করে জীবিকা নির্বাহের জন্য।

      মুক্তমনা গীতা দাসের [কাল্পনিক?] সিনিয়র আপা উনার (গীতা দাসের) সংস্পর্শে এসেই মানবতাবাদী হয়েছেন মনে হয়! তা গীতা দাস, লালন পালন শেষে যখন গরুগুলোকে দিয়ে আর কিছু করা যায় না তখন গরীব পরিবার সেই গরুগুলোকে কী করে?

      কোরবাণীতে যত গরু জবাই হয় তার অর্ধেক সংখ্যকও যদি গরীবদের জীবিকা নির্বাহে দিয়ে দেয়া হত তবে জাতি হিসেবে আমরা আর একটু এগুতে পারতাম।

      প্রথমত- কোরবাণীতে যে গরুগুলো জবাই করা হয় সেগুলো আসে কোথা থেকে, আর কারা সেগুলো কিনে? সেগুলো তো গরীব পরিবার থেকেই আসে, আর ধনীরাই কিনে, নাকি? তাহলে কোরবাণীর বদৌলতে গরীবদের জীবিকা নির্বাহ হচ্ছে না কীভাবে? নাকি গীতা দাস চাচ্ছেন যে ধনী লোকজন ভারত থেকে গরুগুলো কিনে নিয়ে এসে বাংলাদেশের গরীব লোকজনকে দিয়ে দেবে, আর টাকা যাবে ভারতের পকেটে? গীতা দাস ঠিক কী বলতে চান?

      দ্বিতীয়ত- কোরবাণীতে যে গরুগুলো জবাই করা হয় সেগুলোর মাংশ খাওয়া হয়, পানিতে ফেলে দেওয়া হয় না। কোরবাণীর বদৌলতে গরীব লোকজনও কিছু মাংশ খেতে পায়। আর কোরবাণীর গরুগুলোর হাড়-হাড্ডি ও চামড়া শিল্পজাত কাজে ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে গীতা দাসেরা প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা খরচ করে মূর্তি বানিয়ে কয়েকদিন পূজা করে মূর্তিগুলোকে পানিতে ডুবিয়ে দেওয়া হয়- অর্থাৎ প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা স্রেফ পানিতে ফেলে দেওয়া হচ্ছে। অথচ মুক্তমনা গীতা দাসের প্রস্তাব অনুযায়ী কোরবাণীর গরু জবাই না করে গরীবদের জীবিকা নির্বাহে দিয়ে দেওয়া হলে জাতি হিসেবে আমরা আর একটু এগুতে পারতাম! এই ধরণের প্রস্তাব দিতে হলে হিন্দুমনা হতে হবে, গীতা দাস।

  16. 9
    আতিকুর রহমান তালুকদার

    দেখুন……আল্লাহ স্বয়ং কোরআনেই বলেছেন যে …যার যার ধর্ম তার তার…..। এখানে ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করাটা বোধহয় ভালো হবে না। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করার ফলে অনেক জাতি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে.। তাই আমাদের সবার বিশেষ করে মুসলিম ভাইদের উচিত প্রত্যেক ধর্মকে সম্মান করা।………..যারা অল্প জ্ঞানী তারাই ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করে। যারা জ্ঞানী তারা অন্য ধর্মকে বুঝতে চেষ্টা করে…………….

    1. 9.1
      এস. এম. রায়হান

      হঠাৎ করে আতিকুর রহমান তালুকদার নামে এই ধরণের মন্তব্য কেন? এখানে ধর্ম নিয়ে কে কোথায় বাড়াবাড়ি করেছে? আর কোন্‌ ধর্মকে ও কীভাবেই বা অসম্মান করা হলো? আপনি কোরআনের রেফারেন্স দিয়েছেন কিন্তু আপনি কি জানেন কোরআনে কিছু কিছু ধর্মীয় বিশ্বাসকে (যেমন: ট্রিনিটি, পৌত্তলিকতা, ইত্যাদি) অত্যন্ত কঠোরভাবে কনডেম করা হয়েছে?

  17. 8
    এস. এম. রায়হান

    বৌদ্ধ ধর্ম নিয়ে অনেক প্রশ্ন থাকলেও এই লেখাতে মাত্র ছয়টি প্রশ্ন করা হয়েছে। প্রশ্নগুলোর মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক তিনটি প্রশ্ন হচ্ছে-

    ২. মানুষের কর্মের উপর ভিত্তি করে পুনঃ পুনঃ জন্ম-মৃত্যু হবে কি-না – কেউ নির্বাণ লাভ করবে কি-না – এগুলো কে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে?

    এই প্রশ্নের জবাবে উপরে একজন বৌদ্ধ বলেছেন-

    You are your own guide, if you are living an immoral life here, you cannot hope for a good rebirth….if you are living a virtuous life here…nobody can stop your good rebirth…we are more interested in living ethical and proper life here i this very life…nobody else determines our path or destiny

    একজন মানুষের মৃত্যুর পর তার কর্মের উপর ভিত্তি করে সে পুনরায় জন্মগ্রহণ করবে কি-না, কিংবা নির্বাণ লাভ করবে কি-না -- এগুলো নাকি সেই মৃত মানুষ নিজেই নির্ধারণ করে!!! এর চেয়ে অযৌক্তিক ও হাস্যকর কিছু কি হতে পারে?

    ৫. বৌদ্ধ ধর্ম অনুযায়ী খুনি, ধর্ষক, যুদ্ধাপরাধী, সন্ত্রাসী, ও অন্যান্য বড় বড় অপরাধী যারা ইতোমধ্যে মারা গেছে তাদের বিচার ও তদনুযায়ী শাস্তির ব্যবস্থা কে ও কীভাবে করবে? তাদের হাতে যারা বলি বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদেরই বা কী হবে? তারা কি কখনোই ন্যায়বিচার পাবে না? কে ও কীভাবে তাদের ন্যায়বিচার করবে? ৬. জীব হত্যা মহা পাপ – ভালো কথা। কিন্তু কেউ এই মহা পাপ করে ফেললে বৌদ্ধ ধর্ম অনুযায়ী তার কোনো রকম বিচার বা শাস্তির ব্যবস্থা আছে কি-না?

    উপরের দুটি প্রশ্নের জবাবে উনি যা বলেছেন তার সারসংক্ষেপ হচ্ছে একজন মানুষ খুন, ধর্ষণের মতো কোনো অপরাধ করার পর সে নিজের অন্তরে অশান্তি বা শাস্তি অনুভব করে। এটাই তার অপরাধের শাস্তি! নিজের অন্তরে অশান্তি বা শাস্তি অনুভব করাই যদি কারো অপরাধের শাস্তি হয় তাহলে আইন-আদালত ও বিচার ব্যবস্থার কী দরকার?! বৌদ্ধ ধর্ম অনুযায়ী কি তাহলে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির রায় দিয়ে অন্যায় করা হয়েছে?! ভেবে দেখুন।

  18. 7
    আহমেদ শরীফ

    ফেসবুকে বেশ ক'মাস আগে দেখেছিলাম শুধুমাত্র হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ধর্মাবলম্বীদের নিয়ে 'সর্বধর্ম অসাম্প্রদায়িক সমিতি' নামে একটি সমিতি গঠন হতে, যাদের কিছু কার্যক্রম/পাঠচক্র/সভা ইত্যাদি রীতিমত ফেসবুকে স্ক্যাজিউলড ইভেন্টের নামে ঘোষণা-টোষণা দিয়ে হল-টল ভাড়া নিয়ে কিছু কিছু অনুষ্ঠিতও হত। 'অসাম্প্রদায়িকতা'কে খুব উৎসাহ দিয়ে গজিয়ে ওঠা নাম না জানা অনেক বক্তাকে দেখা যেত বক্তব্য দিতে, পত্রপত্রিকায় মাঝে মাঝে ছবিসহ দেখাও যেত ওনাদের এই মহতি অনুষ্ঠানের খবর।

    আমি অবাক হয়ে ভাবছিলাম 'সর্বধর্ম সমিতি'তে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম সম্প্রদায়ের বা তাদের কোন প্রতিনিধির নামগন্ধও নেই কেন! নাকি ইসলামকে এনারা ধর্মই মনে করেন না। পরে কিছু ইসলামবিদ্বেষী গ্রুপে ওনাদের তরুণ পাতি নেতাদের ইসলামবিদ্বেষের হাতেখড়ি দেয়া হল, ওনারাও বেশ বুঝে নিয়ে উদ্যম নিয়ে বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। ৬-ই এপ্রিলের পর থেকে অবশ্য তাদের ফেসবুক 'কার্যক্রম' ও উৎসাহ মোটামুটি অনেক থিতিয়ে যায়।

  19. 6
    মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত

    বুদ্ধ মনে হয় সাগরের জানের জিগিরি দোস্ত ছিল। সেজন্য তাবলীগের সাথে জড়িত থেকেও(!) উনি বুদ্ধের ঢাল হিসেবে কাজ করেন আর এজন্য মনে হয় বর্ণমনাদের কাছ থেকে কিছু পয়সাও পান।

  20. 5
    BBSU

    Thanks for bringing up this sort questions for open discussion. 
    The Buddha was a human being like us. He experienced all sorts of emotional and psychological stress like you and me before enlightenment. He searched for an answer to these types of stress and discovered a path that came to be known as 'Middle Way'. This path is one hundred percent ethical. This path shows us how to be free from mental negativities in this life itself. This path shows how we can make ourselves happy and peaceful in this life. 
    If you look at the India of sixth century B.C. you may undertsand that there were a lot of superstitious beliefs and injustice. You see women of Manusmriti -- the popular law book of Hindus. Women is not free, not allowed to participate in educational activities. But it was the Buddha who allowed women to follow his path. It was a social revolution in his time. Please read this essay for a proper analysis of Buddhist nuns -- http://worldlitonline.net/voices-from-the-yore.pdf

    1. 5.1
      এস. এম. রায়হান

      What you have said here are somewhat true and understandable, but my questions have not been answered yet!

      1. 5.1.1
        BBSUU

        বৌদ্ধরা জন্মান্তরবাদ তথা কর্মের উপর ভিত্তি করে জন্ম-মৃত্যু'র চক্রে বিশ্বাস করে। তাদের এও বিশ্বাস যে, গৌতম বুদ্ধ নির্বাণ লাভ করেছেন। প্রশ্ন হচ্ছে গৌতম বুদ্ধ কী করে নিশ্চিত হয়েছিলেন যে তিনি সত্যি সত্যি নির্বাণ লাভ করেছেন? বৌদ্ধ ধর্মে অনুসারীরাই বা কীসের উপর ভিত্তি করে তা বিশ্বাস করে। গৌতম বুদ্ধের পর আর কেউ নির্বাণ লাভ করেছেন কি-না?

        We believe that the Buddha gained Nirvana by observing the profound doctrine he taught. But that is not the biggest question for me. Most of his contemporary disciples who came from other religions had serious debates with him. They were convinced of the Buddha's wisdom and became his disciples. Anyway, I cannot meet the Buddha to verify if he attained nirvana or not. In that case the Buddha would advice you to see the teachings and see if there is anything practical and useful for you. For me the teachings make perfect sense. It talks about disciplining our body, mind, and speech, It gives guidelines how to develop mental tranquillity and see things from proper perspective. I have practised this myself and found great benefit. Please see the link for a brief summary about avoiding evils and developing good http://www.follow-the-path.org/resources/flow%20chart.pdf . If we understand these and practise perfectly we are sure to attain nibbana. If you think they are not practically important, then you can forget about them and follow a better path.

        মানুষের কর্মের উপর ভিত্তি করে পুনঃ পুনঃ জন্ম-মৃত্যু হবে কি-না – কেউ নির্বাণ লাভ করবে কি-না – এগুলো কে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে?

        স্বর্গ, নরক, অসুর, প্রেতলোক, ইত্যাদির অবস্থান কোথায় এবং এগুলোকে কে সৃষ্টি করেছে?

        "You are your own guide, if you are living an immoral life here, you cannot hope for a good rebirth….if you are living a virtuous life here…nobody can stop your good rebirth…we are more interested in living ethical and proper life here i this very life…nobody else determines our path or destiny…we have to follow the path and find our destinations ourselves….we create our heavens by living peacefully with family members and friends…we create our hells by trying to take advantage of our positions…"

        গৌতম বুদ্ধের সামনে শিলাখণ্ডের গায়ে তিন ফিট উঁচু একটি বুদ্ধের প্রতিচ্ছায়া কীভাবে প্রতিফলিত হলো, দৈববাণী এবং দেবগণ কোথা থেকে এলো, আর গৌতম বুদ্ধ জ্ঞান লাভই বা করলেন কোথা থেকে?

        I do not know what you are referring to with the first two sentences. The wisdom of the Buddha Buddha emerged after properly observing the pattern of human existence. Everything in this world -- inside the body, with our relationships to people and outside in the evironment -- is conditionally and causally connected. They come into being and cease causal patterns. When the mind is perfectly tranquilled it is possible to understand the conditional relations. That is the knowledge. Failing to understand the casal relations of what happens within and outside we create confusions and troubles. The following links will teach you how to develop that mental strength to figure our position and develop Buddha wisdom in you.

        http://www.accesstoinsight.org/tipitaka/mn/mn.118.than.html

        But it is good to follow a guided course.

        Please do not believe. It is an experiential wisdom. Practice the path and see if it is helpful, if yes, then good, if not then just abandon. The Buddha's advice regarding free thinking is gleaned mostly from the following discourse

        http://buddhism.about.com/od/thetripitaka/a/kalamasutta.htm

        বৌদ্ধ ধর্ম অনুযায়ী খুনি, ধর্ষক, যুদ্ধাপরাধী, সন্ত্রাসী, ও অন্যান্য বড় বড় অপরাধী যারা ইতোমধ্যে মারা গেছে তাদের বিচার ও তদনুযায়ী শাস্তির ব্যবস্থা কে ও কীভাবে করবে? তাদের হাতে যারা বলি বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদেরই বা কী হবে? তারা কি কখনোই ন্যায়বিচার পাবে না? কে ও কীভাবে তাদের ন্যায়বিচার করবে?

        জীব হত্যা মহা পাপ – ভালো কথা। কিন্তু কেউ এই মহা পাপ করে ফেললে বৌদ্ধ ধর্ম অনুযায়ী তার কোনো রকম বিচার বা শাস্তির ব্যবস্থা আছে কি-না?

        We are compassionate to the person who has committed an injustice or crime. He is so ignorant and misguided due to the mental negativities and social conditions. We propose how to rehabilate that person. We look for causes and conditions try to make that person a better human being. We understand that the moment one thinks of doing and´evil he is already undergoing a punishment. Very often you see that in our legal system criminals are freed due to lack of evidence. But those criminals know that they did an evil…it is hard to forget …and their lives are in fact hell. the following links may give you an idea about what I am talking --

        http://ccbs.ntu.edu.tw/FULLTEXT/JR-BE/jbe101789.htm http://www.indianexpress.com/news/uk-troops-to-visit-bodhgaya-to-destress/1046307/

      2. 5.1.2
        এস. এম. রায়হান

        Sorry for the very late response as I totally forgot this comment. However, I don't think you have answered any of my questions to-the-point, and you know that very well. Yet if you want to believe in this religion/philosophy, that is up to you.

        My question was- গৌতম বুদ্ধ কী করে নিশ্চিত হয়েছিলেন যে তিনি সত্যি সত্যি নির্বাণ লাভ করেছেন?

        Your answer-

        We believe that the Buddha gained Nirvana by observing the profound doctrine he taught.

        That is your belief! But my question was how Buddha himself was certain that he indeed gained Nirvana, before his death?

        My question- মানুষের কর্মের উপর ভিত্তি করে পুনঃ পুনঃ জন্ম-মৃত্যু হবে কি-না – কেউ নির্বাণ লাভ করবে কি-না – এগুলো কে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে?

        Your answer-

        You are your own guide, if you are living an immoral life here, you cannot hope for a good rebirth….if you are living a virtuous life here…nobody can stop your good rebirth…we are more interested in living ethical and proper life here i this very life…nobody else determines our path or destiny

        That is totally illogical and doesn't make any sense at all. How would you determine your destiny by yourself after your death based on your deeds and actions?

        My question- বৌদ্ধ ধর্ম অনুযায়ী খুনি, ধর্ষক, যুদ্ধাপরাধী, সন্ত্রাসী, ও অন্যান্য বড় বড় অপরাধী যারা ইতোমধ্যে মারা গেছে তাদের বিচার ও তদনুযায়ী শাস্তির ব্যবস্থা কে ও কীভাবে করবে? তাদের হাতে যারা বলি বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদেরই বা কী হবে? তারা কি কখনোই ন্যায়বিচার পাবে না? কে ও কীভাবে তাদের ন্যায়বিচার করবে?

        জীব হত্যা মহা পাপ – ভালো কথা। কিন্তু কেউ এই মহা পাপ করে ফেললে বৌদ্ধ ধর্ম অনুযায়ী তার কোনো রকম বিচার বা শাস্তির ব্যবস্থা আছে কি-না?

        Your answer-

        We are compassionate to the person who has committed an injustice or crime. He is so ignorant and misguided due to the mental negativities and social conditions.

        Are you saying that Hitler, Stalin, Pol Pot, war criminals, and all other criminals are ignorant and misguided, and you are compassionate to them?

        We propose how to rehabilate that person. We look for causes and conditions try to make that person a better human being.

        How did you try to make Hitler, Stalin, Pol Pot, and all other criminals a better human being?

        We understand that the moment one thinks of doing and´evil he is already undergoing a punishment. Very often you see that in our legal system criminals are freed due to lack of evidence. But those criminals know that they did an evil…it is hard to forget …and their lives are in fact hell.

        So, are you suggesting that the murderers, rapists, and all other criminals need not be punished as they undergo 'internal punishment' within themselves? Are you not then denying the laws, justice, and criminal courts?

        1. 5.1.2.1
          আহমেদ শরীফ

          My question- মানুষের কর্মের উপর ভিত্তি করে পুনঃ পুনঃ জন্ম-মৃত্যু হবে কি-না – কেউ নির্বাণ লাভ করবে কি-না – এগুলো কে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে?

          আমারও একই প্রশ্ন। 'কর্ম' বা 'ক্রিয়া'র কথা বলা হচ্ছে, কিন্তু 'কর্তা' কোথায়?

  21. 4
    সাদাত

    দারুণ পোস্ট এবং চমৎকার প্রশ্ন।

  22. 3
    মিথুন বড়ুয়া

    বুদ্ধ ধর্ম বলতে প্রথমে আমি বলবো শান্তি? কারন আমি শান্তই বলবো কারন বুদ্ধ রাষ্ট্র দেখুন আর মুসলিম রাষ্ট্র গুলু দেখুন তাহলে প্রথম উদাহরন পেয়ে যাবেন। আমার মনে হই আপনি শুধু আল কোরআন নিয়ে গবেষণা করে দেখে ছেন বুদ্ধিযম নিয়ে নই তানাহলে আপনি কিভাবে বলেন যে বুদ্ধ ধর্ম বলতে কিছুই নেই।
    -রাষ্ট্র সাসন সম্পর্কে বুদ্ধ আছে তাহলো ঃ    বীর্যী  রাজ্যের  বীর্যীরা যখন বুদ্ধের কাছে রাজ্য বা দেশ কিভাবে রাখা করা যাই  তার একটা উপাই জানতে চাইলেন বুদ্ধ তখন বীর্যিদের  উদ্দেশ্য করে বলেন ঃ
    ১/ যতদিন বীর্যীরা সকলে একত্রিত হইয়ে সামাজিক বা রাষ্ট্রীয় কর্মসূচী গ্রহন করবে।
    ২/ যতদিন সেই গৃহীত কর্মসূচী অনসারে সকলে একত্রে কর্ম সম্পাদন করবে।
    ৩/ যতদিন রাষ্ট্রীয় অনূসাসন মেনে চলবে।
    ৪/ যতদিন স্ত্রি জাতির মর্যাদা রক্ষা করবে।
    ৫/ যতদিন জ্ঞানবৃদ্ধ ও বয়োবৃদ্ধ সম্মান করবে এবং তাদের উপদেশ মেনে চলবে।
    ৬/ যতদিন সদ্ধর্ম প্রতিপালন করবে।
    ৭/ যতদিন শ্রমণ ও ব্রাহ্মণদের সম্মান ও সাচ্ছন্দুবিধান করবে ততদিন বীর্যিদের কোন পরাজয় বয়া পরিহানি হবে না ।
    এই সাতটি উপদেশ বুদ্ধ ধর্মে সপ্তুপরিনিহাজ ধর্ম বলে উল্লেক আছে বলুন দাদা বুদ্ধ ধর্মতে রাষ্ট্র কি নাই বলুন একটা রাষ্ট্র সাসন করতে আর কি দরকার ?
    বুদ্ধ বলেন একজন মানুষ সে নিজেই নিজের মুক্তিদাতা তাই তোমাদের সেভাবে নিজেকে পরিচালনা করতে হবে। বুদ্ধ বলেন তোমরা যদি আমার উপদেশ মেনে পঞ্চশীল পালন কর তাহলে তোমরা ইহ ও পরকাল ২এ সকে তাকবে

    1. 3.1
      এস. এম. রায়হান

      বুদ্ধ ধর্ম বলতে প্রথমে আমি বলবো শান্তি? কারন আমি শান্তই বলবো কারন বুদ্ধ রাষ্ট্র দেখুন আর মুসলিম রাষ্ট্র গুলু দেখুন তাহলে প্রথম উদাহরন পেয়ে যাবেন।

      বৌদ্ধ রাষ্ট্রগুলোতে শান্তির নহর বইছে, এজন্য বৌদ্ধ ধর্ম শান্তির ধর্ম; আর মুসলিম রাষ্ট্রগুলোতে অ-শান্তির নরক বিরাজ করছে, এজন্য ইসলাম অশান্তির ধর্ম -- এই কথা বলতে চাচ্ছেন তো? তা বুদ্ধ(!) রাষ্ট্র ও মুসলিম রাষ্ট্রের কিছু উদাহরণ দেন দেখি। মায়ানমার, তিব্বত, ও শ্রীলঙ্কা কি বুদ্ধ রাষ্ট্র?

      আমার মনে হই আপনি শুধু আল কোরআন নিয়ে গবেষণা করে দেখে ছেন বুদ্ধিযম নিয়ে নই তানাহলে আপনি কিভাবে বলেন যে বুদ্ধ ধর্ম বলতে কিছুই নেই।

      বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থের কোথায় 'বুদ্ধিজম' বা 'বুদ্ধ ধর্ম' লিখা আছে তার পক্ষে প্রমাণ দেন। না দিতে পারলে প্রমাণ হবে যে আপনিই বুদ্ধিজম নিয়ে গবেষণা করেননি।

      বুদ্ধ বলেন একজন মানুষ সে নিজেই নিজের মুক্তিদাতা তাই তোমাদের সেভাবে নিজেকে পরিচালনা করতে হবে।

      একজন মানুষ নিজেই নিজের মুক্তিদাতা কী করে হয়? মানুষের মৃত্যুর পর তার নিজের কি কিছু করার থাকে? এগুলো তো স্রেফ অযৌক্তিক ও পেগ্যান বিশ্বাস।

      বুদ্ধ বলেন তোমরা যদি আমার উপদেশ মেনে পঞ্চশীল পালন কর তাহলে তোমরা ইহ ও পরকাল ২এ সকে তাকবে

      পরকালে আপনাকে কে সুখে (সকে!) রাখবে? বুদ্ধ? উনি তো আজ থেকে প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে মারা গেছেন, নাকি? একজন মৃত মানুষ কী করে আপনাকে সুখে রাখবে? ডাজ ইট মেক এনি সেন্স? আপনি যদি মনে করেন আপনি এই প্রশ্নগুলোর জবাব জানেন না তাহলে বৌদ্ধ ধর্মের একজন স্কলারকে নিয়ে আসেন।

    2. 3.2
      সাগর

      @মিঠুন, দাদা কার সাথে তর্ক করতে এসেছেন। মাথা নষ্ট না করতে চাইলে কেটে পরুন এখান থেকে। আর উনি যাই বলুক না কেন প্রতিবাদ করার দরকার নেই।বুদ্ধ কে সেটা এনার কাছ থেকে জানার দরকার আমাদের নেই। বুদ্ধ কে আমরা ভালো করেই চিনি এবং জানি। এনার লেখাটা বরং মুস্লিম রাই পড়ুক।

      1. 3.2.1
        এস. এম. রায়হান

        দাদা কার সাথে তর্ক করতে এসেছেন। মাথা নষ্ট না করতে চাইলে কেটে পরুন এখান থেকে।

        সত্যের মুখোমুখি হলে মাথা নষ্ট, চোখ নষ্ট, কান নষ্ট, পেট নষ্ট, ও অনেক কিছুই নষ্ট হতে পারে।

        আর উনি যাই বলুক না কেন প্রতিবাদ করার দরকার নেই।

        কোনো রকম যুক্তি ছাড়াই একজন বৌদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসীর (?) এমন আর্তনাদ দেখে হাসি পাচ্ছে!

        বুদ্ধ কে সেটা এনার কাছ থেকে জানার দরকার আমাদের নেই। বুদ্ধ কে আমরা ভালো করেই চিনি এবং জানি।

        ১মত, এখানে বুদ্ধ সম্পর্কে যা কিছু বলা হয়েছে তা হুবহু বৌদ্ধদের সোর্স থেকে নেওয়া হয়েছে। বানোয়াট কিছু লিখে থাকলে লেখা থেকে উদ্ধৃতি দিয়ে দেখান। ২য়ত, বুদ্ধ কে সেটা আমার কাছ থেকে আপনাদের জানার দরকার নাই যদিও লেখাতে কোনো রকম মিথ্যাচার বা ঘৃণা-বিদ্বেষ এর লেশ মাত্র দেখাতে পারবেন না। কিন্তু এই আপনিই ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষীদের কাছে থেকে ইসলামের নবী ও কুরআন সম্পর্কে জানছেন, তাদেরকে বাহবাও দিচ্ছেন। ভণ্ডামী?

        এনার লেখাটা বরং মুস্লিম রাই পড়ুক।

        সাম্প্রদায়িক মন্তব্য। আপনি মনে হয় বলতে চাচ্ছেন মুক্তমনা ব্লগে ইসলাম নিয়ে লেখাগুলো বরং বর্ণবাদী হিন্দু আর বৌদ্ধরাই পড়ুক?

      2. 3.2.2
        এস. এম. রায়হান

        আপনাকে অফ-টপিকে দুটি প্রশ্ন করছি। নিজ বাবা-মা'র প্রতি ন্যূনতম শ্রদ্ধাবোধ থেকে থাকলে আশা করি সঠিক জবাব দেবেন। আপনি জন্মসূত্রে কোন্‌ ধর্মের? বর্তমানে কোন্‌ ধর্ম বা দর্শনে বিশ্বাস করেন?

        1. 3.2.2.1
          সাগর

          @এস. এম. রায়হান:দাদা এভাবে উত্তর নেবার দরকার নেই।জান্তে চেয়েছেন তাই বলছি।মা বাবা মুস্লিম।আমি নিজেও তাব্লীগের সাথে জড়িত ছিলাম। দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর-কোন ধর্ম কেই দুচোখে দেখতে পারিনা,আর ঈশ্বরকে(যদি থাকে ) মনে করি মানুষের শত্রু।সদালাপকে অনুরোধ করছি-আমার বিশ্বাস কি সেটা বলেছি কাউকে আঘাত দেয়ার জন্য নয়।  বুদ্ধকে নিয়ে যা কিছু বলেছেন তা আপনার ও দোষ নয়-কিছু অলৌকিকত্ব তার অনুসারীরা পরে বুদ্ধের নামে চালিয়ে দিয়েছেন। যে দেশের মানুষ এই সেদিনের মানুষ রামকৃষ্ণ কে ভগবানের আসনে বসান সেই দেশের মানুষ বুদ্ধের সময়ে বা পরে কেমন ছিলেন একবার ভেবে দেখতে পারেন।আর বৌদ্ধ ধর্ম নিয়ে সমালোচনা করতে চাইলে করুন,আমার আপত্তি নেই। ভাল থাকবেন।

        2. এস. এম. রায়হান

          মা বাবা মুস্লিম।আমি নিজেও তাব্লীগের সাথে জড়িত ছিলাম।

          মা-বাবা মুসলিম, নিজে তাবলীগের সাথে জড়িত ছিলেন- অথচ মুক্তমনা ব্লগে ইসলাম বিদ্বেষীদের সাথে সুর মিলিয়ে হেঁয় হেঁয় করছেন আর এখানে এসে বৌদ্ধ ধর্মকে কোনো যুক্তি ছাড়াই অন্ধের মতো ডিফেন্ড করছেন। এই কথা শুনলে বোবারও বোল ফুটে হাসি আসবে।

        3. সাগর

          আপনি মনে হয় আমার কমেন্ট টি  ভালো করে পড়েন নি।আমি কিন্তু বলেছি বৌদ্ধ ধর্মের সমালোচনা করতে চাইলে করুন আর আমি ডিফেন্ড করেছি বুদ্ধ কে বৌদ্ধ ধর্ম কে নয়।ধন্যবাদ।

        4. এস. এম. রায়হান

          মা বাবা মুস্লিম।আমি নিজেও তাব্লীগের সাথে জড়িত ছিলাম।

          জন্মদাতাকে অস্বীকার করতে বিবেকে বাধা দেয় না? পারিবারিকভাবে এই শিক্ষা পেয়েছেন? ছিঃ! ছিঃ! মনা ব্লগে কী বলেছেন দেখুন-

          সাগর এর জবাব:

          জুলাই ৩০, ২০১২ at ৭:০১ পূর্বাহ্ণ

          @নিখর তাবিক, (যদি ঈশ্বর থাকে) আমাকে একটু বল্বেন,সে কি কোন ধর্মের? আপনাকে বলি আমি ধর্ম ছেরেছি তার প্রধান কারন হল এই ঈশ্বরের ধরন। যতগুলো ধর্ম আছে আপনি একটু বিচার বিশ্লেশন করে দেখুন এসব ধর্মে বর্নিত একটা ঈশ্বরের ও ঈশ্বর হবার যোগ্যতা নেই।আপনাকে ভেবে দেখতে হবে যে আল্লাহর, ভগবানের বা গডের ঈশ্বর হবার যোগ্যতা আছে কিনা, ভালো করে দেখলেই বুঝতে পারবেন সবগুলো ই ফালতু আর খামাখা ভয়ংকর। একটু কিছু হলেই ফস করে উঠেন, বিশেষ করে ইস্লামের আল্লাহ।আমার দেখা সবচেয়ে most violent character/মহা ভয়ংকর চরিত্র হল এই আল্লাহ,যাকে নিয়ে আপনাদের নাচানাচি।

    3. 3.3
      সাদাত

      সম্ভব হলে, লেখক পোস্টের শেষের দিকে যে কয়েকটা প্রশ্ন করেছেন, সেগুলোর উত্তর দিন। আমরা আপনার কাছ থেকে কিছু শিখি।

      1. 3.3.1
        এস. এম. রায়হান

        হেঃ হেঃ ওদের কাছে থেকে আপনার আর কিছু শেখা হবে না! কেননা এই মৌলিক প্রশ্নগুলোর যৌক্তিক জবাব দেওয়ার সাধ্য তাদের কারোরই নাই। অথচ এরকম একটি ধর্ম/দর্শনকে স্রেফ প্রপাগাণ্ডার জোরে পশ্চিমা বিশ্বের আস্তিক-নাস্তিক নির্বিশেষে অনেকের কাছেই 'মহান মানবতাবাদী ও যুক্তিবাদী দর্শন' হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছে, অনেকে বিশ্বাসও করেছে!

        1. 3.3.1.1
          মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত

          হুম…কেমন মানবতাবাদী দর্শন, সেটা তো মিয়ানমারেই দেখা গেছে। তাছাড়া অহিংসার বাণী নিয়ে লঙ্কান বৌদ্ধরা লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশ দূতাবাসে বৌদ্ধধর্ম প্রচারও করতে গেছে, রামুর ঘটনার পরে।

        2. 3.3.1.2
          উপালি

          @ রায়হাঁনো --  
          নিচে আপনার প্রশ্ন গুলোর সাধ্যমত উত্তর দেয়া হয়েছে । আশা করি সেগুলি প্রাসঙ্গিক। বর্তমান যুগ হচ্ছে তথ্য প্রযুক্তির যুগ । এখন মানুষ বোকা নয়। শুধু মাত্র প্রপাগান্দার কারণে পশ্চিমা বিশ্বের মানুষগুলো  একটা যুক্তিহীন ধর্মকে গ্রহণ করবে বলে আমার মনে হয় না। তাদের ব্যাক্তিক জীবনে উপকার না পেলে তাঁরা শুধু শুধু এই ধর্ম গ্রহণ করবে কেন ? মধ্যযুগ হলে একটা কথা । তখন তরবারির জোড় ছাড়া বিশ্ব জয় বা ধর্ম প্রচার করা হয় নি। অন্তত কিছু কিছু ধর্মের ক্ষেত্রে হলেও এটা সত্য । 
          @ মহাবিদ্রহী,
          মিয়ানমার সরকার কর্মকর্তাদের অন্যায় অত্যাচার দেখে বুদ্ধদর্শনের উপর একটা মন্তব্য করা ঠিক নয় । অনেক সময় সরকার নিজ সার্থ হাসিলের জন্য অনেক দুর্নিতি করে থাকে। বুদ্ধ ধর্ম এটা সমর্থন করে না । আপনি হয়তো জানেন না ২০০৭ সালে মিয়ানমারের বৌদ্ধ  ভিক্ষুরা  তাদের সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিল । সরকার সেই ভিক্ষুদেরকেও রেহাই দেয় নি। কঠিনভাবে শাস্তি দিয়েছে। মিয়ান্মারে রোহিগ্যাদের উপর যে অন্যায় অত্যাচার চলছে সেটা নিয়ে বৌদ্ধ বিশ্ব উদ্বিগ্ন নিছের লিংকটি দেখলেই বুঝতে পারবেন http://www.huffingtonpost.com/2012/12/10/buddhist-leaders-respond-to-violence-against-muslims-in-myanmar_n_2272336.html
          আর আপনি বলছেন "লঙ্কান বৌদ্ধরা লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশ দূতাবাসে বৌদ্ধধর্ম প্রচারও করতে গেছে, রামুর ঘটনার পরে।" এটা আপনার মঙ্থনগড়া কথা। কারণ, ঐ মৌন মিছিলে আমিও ছিলাম। এটা শুরু থেকে  সম্পূর্ণই শান্তি পূর্ণ ভাবে চলছিল । আমাদের হাতে লাঠি ছিল না । বরং বাংলাদেশে রামুতে বিধ্বংসিত ঘরবাড়ি বৌদ্ধ মন্দির ইত্যাদির পোস্টার ছিল । আমরা প্রায় এক হাজার পার্টিচিপেন্টএই পস্টার হাতে দূতাবাসের দিকে যাই। কিন্তু শেষ পর্যায়ে এসে একটা ভুল বুঝাবুঝির কারণে একজন পানির  বোতল ছুরে মারে। সেটি গিয়ে বাংলাদেশ দূটাবাসের একটা জানালায় লাগে এবং কাঁচ ভেঙ্গে যায়। পড়ে এই ঘটনাটাই মিডিয়াতে ফলাও করে প্রচার করা হয়। ভুল বুঝাবুঝি ছিল যে  পেছনের সাড়ির কয়েকজন মনে করেছিল তাদের নেতা যারা স্মারক লিপি নিয়ে যাবার কথা তাদেরকে ভেতরে ঢুক্হতে দেয়া হয় নি। এই খানে কোন লাঠিয়ালো ছিল না। এবং বোউদ্ধধর্ম প্রচার করাও উদ্দেশ্য ছিল না। 
          অনেক ধন্যবাদ 

        3. এস. এম. রায়হান

          @ রায়হাঁনো

          আমার নামের এই বিকৃতি কেন?

          মধ্যযুগ হলে একটা কথা । তখন তরবারির জোড় ছাড়া বিশ্ব জয় বা ধর্ম প্রচার করা হয় নি। অন্তত কিছু কিছু ধর্মের ক্ষেত্রে হলেও এটা সত্য ।

          ঝি-কে মেরে বৌ-কে শিক্ষা না দিয়ে একটু ঝেড়ে কাশেন।

        4. 3.3.1.3
          উপালি

          এই ব্লগের মধ্যে বুদ্ধ দর্শন নিয়ে যে সমস্ত নেতি বাচক মন্তব্য করা হয়েছে সেগুলোর জন্য আমি আপনাদেরকে দোষারোপ করবো না । এর একটা প্রধান কারণ হচ্ছে বাংলাদেশে বা বাংলা ভাষায় বুদ্ধ দর্শন নিয়ে গবেষণা করবার সুযোগ সুবিধা নাই বললেই চলে। তাই খুব কম লোকেই বুদ্ধ দর্শন সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান সম্পন্ন। ওনেক অনেক বোউদ্ধরাও বুদ্ধদর্শণ ভালোভাবে বুঝে না। সম্পূর্ণ ত্রিপিটক ও এখন ও বাংলায় অনুবাদিত হয় নি। গত শতাব্দির কিছু অনুবাদের ভাষা এখন কঠিন মনে হয়। তারপর ও ভালো বই যে নাই তা নয় । আবুল ফজলের 'মানব পুত্র বুদ্ধ' অত্যন্ত ভালো বই। আমাদের ব্লগে কিছু ভালো বৈ আছে । দয়া করে পরবেন এবং সম্যকভাবে বিবেচনা করে তারপর মন্তব্য করবেন। কারণ সংকীর্ণ জ্ঞানের দ্বারা কিছুই লাভ হয় না। আপ্নারাও বুদ্ধ সম্পর্কে ভালো ভাবে জান্নতে পারছেন না । শুধু শুধু এইসমস্ত নেতি বাচক মন্তব্য করে সময় নষ্ট করছেন। একজন মানুষ যে পৃথিবীর কাছ থেকে খুব কমী নিয়েছে অথছ প্রত্যকেটি মুহুর্ত মানুষের মানবিকতার উন্নয়নের জন্য নিবেদন করেছে সেরকম একজন মানুষকে অবমাননা করে কি লাভ। এডুইন আর্নল্ড মার্ক্স আইনস্টাইন রবীন্দ্রনাথ আহ্মবেদকর অনেক অনেক জ্ঞানী মানুষ বুদ্ধকে এমনিতেই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নি । আর আপনারা যদি মনে করেন আপনারা এসব জ্ঞানীদের চেয়ে ও জ্ঞানী তাহলে কিছু করবার নেই । শুধু আপ্সোস এই যে পৃথিবী এই জ্ঞানের কোন উপকার পাচ্ছে না 🙂 
          ইন্টারনেটে প্রকৃত বুদ্ধ দর্শনকে যথাযথভাবে প্রকাশ করতে বাঙ্গালি পাঠকদের জন্য আমরা একটা ব্লগ খুলেছি । please visit us at 
          http://bbsu.wordpress.com/category/buddhist-books-online/bengali-books-download/

        5. এস. এম. রায়হান

          এই ব্লগের মধ্যে বুদ্ধ দর্শন নিয়ে যে সমস্ত নেতি বাচক মন্তব্য করা হয়েছে সেগুলোর জন্য আমি আপনাদেরকে দোষারোপ করবো না।

          এখানে বুদ্ধ দর্শন নিয়ে কোথায় নেতিবাচক মন্তব্য করা হয়েছে তার প্রমাণ দেন।

          দয়া করে পরবেন এবং সম্যকভাবে বিবেচনা করে তারপর মন্তব্য করবেন। কারণ সংকীর্ণ জ্ঞানের দ্বারা কিছুই লাভ হয় না।

          এখানে কোথায় সংকীর্ণ জ্ঞানের পরিচয় দেওয়া হয়েছে তা উল্লেখ করেন।

          আপ্নারাও বুদ্ধ সম্পর্কে ভালো ভাবে জান্নতে পারছেন না।

          লিঙ্ক ধরিয়ে না দিয়ে বুদ্ধ সম্পর্কে ভালো ভাবে জানিয়ে আপনি নিজেই একটা পোস্ট দেন।

          শুধু শুধু এইসমস্ত নেতি বাচক মন্তব্য করে সময় নষ্ট করছেন।

          মূল পোস্ট নিয়ে কিছু না বলে শুধু শুধু মিথ্যা অভিযোগ করে সময় নষ্ট করছেন।

          একজন মানুষ যে পৃথিবীর কাছ থেকে খুব কমী নিয়েছে অথছ প্রত্যকেটি মুহুর্ত মানুষের মানবিকতার উন্নয়নের জন্য নিবেদন করেছে সেরকম একজন মানুষকে অবমাননা করে কি লাভ।

          এখানে বুদ্ধকে কীভাবে অবমাননা করা হলো প্রমাণ দেন।

        6. এস. এম. রায়হান

          সামান্যতমও কোনো প্রমাণ না দিয়ে এই ব্লগের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। আপনি একজন মিথ্যাবাদী।

  23. 2
    এস. এম. রায়হান

    Women in Buddhism

    Bhikkhus vs. Bhikkhunis

    1. A bhikkhuni who has been fully ordained even for more than a century must bow down, rise up from her seat, salute with hands palm-to-palm over her heart, and perform the duties of respect to a bhikkhu even if he has been fully ordained only a day. This rule is to be honored, respected, revered, venerated, never to be transgressed as long as she lives.”

    2. A bhikkhuni must not spend the rains in a residence where there is no bhikkhu…

    3. Every half-month a bhikkhuni should request two things from the Bhikkhu Sangha: she should ask for the date of the uposatha day and come for an exhortation…

    4. At the end of the Rains-residence, a bhikkhuni should invite (criticism both from) the Bhikkhu Sangha and the Bhikkhuni Sangha on any of three grounds: what they have seen, what they have heard, what they have suspected…

    5. A bhikkhuni who has broken any of the vows of respect must undergo penance for half a month under both Sanghas…

    6. Only after a probationer has trained in the six precepts for two years should she request ordination from both Sanghas…

    7. A bhikkhu must not in any way be insulted or reviled by a bhikkhuni…

    8. From this day forward, the admonition of a bhikkhu by a bhikkhuni is forbidden, but the admonition of a bhikkhuni by a bhikkhu is not forbidden. This rule, too, is to be honored, respected, revered, venerated, never to be transgressed as long as she lives.

    The duties and obligations of a wife towards her husband

    (a) Wife should not harbor evil thoughts against her husband;

    (b) Wife should not be cruel, harsh or domineering;

    (c) Wife should not be a spendthrift but should be economical and live within her means;

    (d) Wife should zealously guard and save her husband’s property and hard-earned earnings;

    (e) Wife should always be virtuous and chaste in mind and action;

    (f) Wife should be faithful and harbor no thought of any adulterous acts;

    (g) Wife should be refined in speech and polite in action;

    (h) Wife should be kind, industrious and hardworking;

    (i) Wife should be thoughtful and compassionate towards her husband and her attitude should equate that of a mother loving and protecting her son;

    (j) Wife should be modest and respectful;

    (k) Wife should be cool, calm and understanding, serving not only as a wife but also as a friend and adviser to her husband when the need arises.

    In Anguttara Nikaya and Samyutta Nikaya, it is clearly mentioned that a man’s duty is his unending quest for knowledge, the improvement and stabilization of his skill and craftsmanship, and dedication to his work and ability to find the wherewithal for the maintenance and sustenance of his family. On the other hand it was stated, as a matter of fact, that it was the woman’s duty to look after the home, and to look after her husband.

    However, as Zen nun Heng-Ching Shih states, women in Buddhism are said to have five obstacles, namely being incapable of becoming a Brahma King, ‘Sakra’, King ‘Mara’, Cakravartin or Buddha. This is based on the statement of Gautama Buddha in the Bahudhātuka-sutta of the Majjhima Nikaya in the Pali Canon that it is impossible that a woman should be “the perfectly rightfully Enlightened One (or Buddha)”, “the Universal Monarch”, “the King of Gods”, “the King of Death” or “Brahmaa'”.

    According to Diana Paul, Buddhism inherited a view of women whereby if they are not represented as mothers then they are portrayed as either lustful temptresses or as evil incarnate. (Source)

  24. 1
    এস. এম. রায়হান

    যে সকল যৌক্তিক কারণে বৌদ্ধ ধর্ম বিশ্বাসযোগ্য নয়

    প্রথমত- ইহুদী-খ্রীষ্টান-মুসলিম’রা যেমন এমন একজন মহান স্রষ্টায় বিশ্বাস করে, যিনি অপরাধী-নিরপরাধী নির্বিশেষে সবারই সূক্ষ্মভাবে ন্যায়বিচার করতে সক্ষম, বৌদ্ধরা সে'রকম কোনো স্রষ্টায় বিশ্বাস করে না।

    দ্বিতীয়ত- বুদ্ধ নিজেকে যেমন নবী-রাসূল বলে দাবি করেননি তেমনি আবার তাঁর বাণীকে স্রষ্টার বাণী বলেও দাবি করা হয়নি। তাঁর অনুসারীরাও এমন কিছুতে বিশ্বাস করে না। কাজেই বৌদ্ধ ধর্ম পুরোপুরি একটি মনুষ্য-রচিত ধর্ম বা দর্শন। শতভাগ নিশ্চিত হয়ে মনুষ্য-রচিত ধর্মে বিশ্বাসের তো কিছু নেই। মানুষ হয়ে মানুষের দর্শনে বিশ্বাসেরই বা কী আছে!

    তৃতীয়ত- বৌদ্ধ ধর্মে স্রষ্টার অস্তিত্ব না থাকায় খুনি, ধর্ষক, যুদ্ধাপরাধী, সন্ত্রাসী, চোর-ডাকাত, ও অন্যান্য অপরাধী যারা ইতোমধ্যে মারা গেছে তাদের বিচার ও তদনুযায়ী শাস্তির ব্যবস্থা কে ও কীভাবে করবে – তার যৌক্তিক ও মানবিক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না। আর তাদের হাতে যারা বলি বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদেরই বা কী হবে! তারা কি কখনোই ন্যায়বিচার পাবে না? কে ও কীভাবে তাদের ন্যায়বিচার করবে? বৌদ্ধ ধর্মে সবকিছুকে প্রকৃতির হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বোবা-কালা-অন্ধ প্রকৃতি তো ভালো ও মন্দের মধ্যে পার্থক্য করতে অক্ষম; ন্যায় ও অন্যায়ের মধ্যে পার্থক্য করতে অক্ষম; সত্য ও মিথ্যার মধ্যে পার্থক্য করতে অক্ষম; নৈতিকতা ও অনৈতিকতার মধ্যে পার্থক্য করতে অক্ষম। প্রকৃতি কী করে গৌতম বুদ্ধ ও হিটলারের মধ্যে পার্থক্য করবে!?

    চতুর্থত- বৌদ্ধ ধর্মে সালভেশনের ব্যাপারটাকে অস্পষ্ট রাখা হয়েছে। মানুষের মৃত্যুর পর ঠিক কী হবে সেটাও পরিষ্কার করে বলা হয়নি।

    পঞ্চমত- পার্থিব দৃষ্টিকোণ থেকেও বৌদ্ধ ধর্ম একটি অবাস্তব বা অপ্রায়োগিক ধর্ম। কেননা পার্থিব জগতে চুরি-ডাকাতি, হত্যা, ধর্ষণ, ব্যভিচার, সন্ত্রাস, ইত্যাদি অপরাধের বিচার ও তদনুযায়ী শাস্তির ব্যাপারে বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থে সম্ভবত কিছু বলা নাই। এমনকি বৌদ্ধ ধর্মে পারিবারিক আইন-কানুন আছে বলেও মনে হয় না। বৌদ্ধ ধর্ম মূলত কিছু নীতিবাক্যের উপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু শুধুমাত্র কিছু নীতিবাক্য দিয়ে একটি দেশ বা সমাজ চলতে পারে না। কারণ, একটি সমাজে যেমন ভালো মানুষ আছে তেমনি আবার বিভিন্ন ধরণের অপরাধীও আছে।

    অতএব, সবকিছু বিচার-বিবেচনা করে বৌদ্ধ ধর্মে বিশ্বাস করার কোনোই যৌক্তিকতা খুঁজে পাওয়া যায় না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.