«

»

Mar ২১

অভিজিৎ রায়ের নেতৃত্বে মুক্তমনা ব্লগে ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষের মহোৎসব

বাংলা অন্তর্জালিক পরিমণ্ডলে ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষের সূতিকাগার হচ্ছে 'মুক্তমনা' ব্লগ, আর এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক অভিজিৎ রায়। ‘মুক্তমনা’ সদস্যদের সক্রিয় অংশগ্রহণেই গড়ে উঠেছে ‘ধর্মকারী’র মতো ধর্ম [মূলত ইসলাম ও মুসলিম] নিয়ে রুচিবিকৃত কৌতুকের সাইট। অভিজিৎ রায় নিজে কিছুটা কৌশলের আশ্রয় নিয়ে এই খেলায় লিপ্ত হলেও মুক্তমনায় তারই পৃষ্ঠপোষকতায় চলে ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষের মহোৎসব। অভিজিৎ রায় নিজে নিরপেক্ষতার চাদরে মুখ ঢাকতে গিয়ে নির্ভেজাল তথ্যের ভিত্তিতে অন্যান্য ধর্মের একটু-আধটু সমালোচনাও কখনো সখনো করেন বটে; কিন্তু সাথে সাথেই বিকৃত তথ্য আর মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে ইসলাম সমালোচনার বাহানায় ইসলাম-বিদ্বেষের বিষবাষ্প ছাড়তে ভুল করেন না কখনোই।

অভিজিৎ রায় সঙ্গত কারণে স্বনামে 'মুক্তচিন্তার চর্চা' বা 'মুক্তবুদ্ধির চর্চা' করেন না বললেই চলে। 'মুক্তচিন্তার চর্চা' করার জন্য উনি মুখোশের আড়ালে মাথা গুঁজতেই বেশী পছন্দ করেন। অসংখ্য ছদ্মনামে ইসলামবিদ্বেষের অভিযোগে অভিযুক্ত অভিজিৎ রায় হাতেনাতে বেশ কয়েকবার ধরা খেয়ে [এখানে, এখানে, ও এখানে দেখুন] প্রকাশ্যে নিজের ভণ্ডামীকে যথাসাধ্য লুকিয়ে রাখতে চেষ্টা করলেও শেষ রক্ষা যে হয়নি, তার পক্ষে মাত্র দুটি নমুনা নিচে দেওয়া হলো।

প্রথমত- রাজীব ওরফে 'থাবা বাবা'র লেখাকে এভাবে ডিফেন্ড করতে হলে নিজেকে 'থাবা বাবা'র চেয়েও কুৎসিত মানসিকতার এবং চরম ধূর্ত হতে হবে। এ প্রসঙ্গে অন্য কোনো লেখায় বিস্তারিত আসবে। শুধু 'থাবা বাবা'কেই নয়, আসিফ-সহ বাংলা অন্তর্জালের সকল ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষীকে 'মুক্তচিন্তার চর্চাকারী' আখ্যা দিয়ে – তাদেরকে পাকিস্তান আমলের প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবীদের সাথে তুলনা করে – অভিজিৎ রায় বিভিন্নভাবে তাদেরকে ডিফেন্ড করার চেষ্টা করছেন। দেখুন-

aroy3

দ্বিতীয়ত- অভিজিৎ রায় কীভাবে ইসলামের সাথে অন্য দু-একটি ধর্মের জগাখিচুড়ি পাকিয়ে থাকেন, উপরের প্রথম মন্তব্যটি তার একটি নমুনা মাত্র। কোন্‌ ধর্মগ্রন্থের কোন্‌ শ্লোকে কাদের পশ্চাৎদেশে কী গরম করে ছ্যাকা দিতে বলা হয়েছে, সেটা অভিজিৎ রায়েরই ভালো জানার কথা। বাস্তবতার নিরিখে সেটা হয়তো সমালোচনার যোগ্যই বটে, কিন্তু এর সাথে ইসলামের কতিপয় বিষয়কে তথ্যবিকৃতি, কল্পনাপ্রসূত অতিরঞ্জন আর মুখরোচক চাপাবাজির মাধ্যমে কেমন নৈপুণ্যের জগাখিচুরি বানিয়েছেন সেটা লক্ষ্য করার মতো। একই সাথে চরম ধূর্ত ও বিদ্বেষী ব্যক্তি ছাড়া এরূপ কূটকৌশলের আশ্রয় সত্যান্বেষী নিরপেক্ষধর্মী সমালোচক কখনোই গ্রহণ করতে পারেন না। যে কোরআনে স্বামী-স্ত্রীকে একে-অপরের বন্ধু ও পোষাক বলা হয়েছে সেখানে স্ত্রীকে "শস্যক্ষেত্র" যে কোনো খারাপ দৃষ্টিকোণ থেকে বলা হতে পারে না, সেটা বলাই বাহুল্য [বিস্তারিত এখানে]। পালিত পুত্র যার সাথে কোনো রক্তের সম্পর্কই নেই, ইসলামের দৃষ্টিতে যে কোনো পুত্রও নয় ওয়ারিশও নয়, তার তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীকে বিবাহের অনুমোদন সংক্রান্ত আয়াতকে বিবর্তনবাদী (?) ও নাস্তিক (?) দাবিদার অভিজিৎ রায়ের কাছে 'অশ্লীল' ও 'কুৎসিত' মনে হয় [এ সংক্রান্ত আয়াতের প্রেক্ষাপট ও ব্যাখ্যা এখানে পাওয়া যাবে]। তারপরও এ সংক্রান্ত আয়াতগুলোর সাথে চরম বিদ্বেষী ও নোংরা লেখাগুলোর তুলনা কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের ব্যক্তি করতে পারেন না। কিন্তু অভিজিৎ রায় শুধু তুলনা করেই ক্ষান্ত হননি, স্পর্ধার সাথে ঘোষণা দিয়েছেন এই মর্মে যে, রাজীবের লেখাগুলোর চেয়েও অশ্লীল কথাবার্তা কোরআন ও নবীর জীবনে রয়েছে। ইসলামোফোবিক ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি ছাড়া সুস্থ মস্তিষ্কের কারো পক্ষেই এমন দাবি করা সম্ভব নয়। কতখানি ইসলাম-বিদ্বেষ হৃদয়ে ধারণ করলে নিচের কার্টুনটা শেয়ার করা যায় সেটা বিচারের ভার পাঠকের ওপরেই ছেড়ে দেওয়া হলো।

এখানে অভিজিৎ রায় যে ‘ধর্মকারী’ সাইটের কার্টুন শেয়ার করেছেন সেই সাইটটা আসলে মুক্তমনাদেরই আরেকটা কদর্য প্ল্যাটফর্ম। মুক্তমনা ব্লগের অনেকেই সেখানে লেখালেখি করেন। ‘ধর্মকারী’ সাইটের প্রচারণাও শুরু হয় মুক্তমনা ব্লগ থেকেই।

এবার অভিজিৎ রায়ের পৃষ্ঠপোষকতায় মুক্তমনা ব্লগে ‘মুক্তচিন্তার চর্চা’র নামে কী ঘৃণ্য ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষের চাষাবাদ হয় তার কিছু নমুনা নিচে তুলে ধরা হচ্ছে।

 

# 'আকাশ মালিক' ছদ্মনামে অভিজিৎ রায়ের এক বিশিষ্ট মুরিদের 'মুক্তচিন্তার চর্চা'র কিছু নমুনা

নমুনা-১: "কোরান মা’নেই তো ছয় বছরের শিশুকে (আয়েশা) ধর্ষণ, পুত্রবধুর (জয়নব) সাথে সঙ্গম। শরিয়ত মা’নেই তো বহু বিবাহ, হিলা বিবাহ, পাথর মারা, হাত কাটা, মাথা কাটা, রগ কাটা, সিনেমায় বোমা, মাজারে বোমা, যাত্রায় বোমা, আদালতে বোমা, মাঠে বোমা, ঘাটে বোমা, পেটে বোমা। ইসলাম মা’নেই তো বদর যুদ্ধ, অহুদ যুদ্ধ, খায়বার যুদ্ধ, মুতা যুদ্ধ, জামাল যুদ্ধ, সিফফীন যুদ্ধ, কারবালা, ৯ সেপ্টেম্বর, ১৭ আগস্ট, ২১ আগস্ট। বর্তমান বিন লাদেনই তো ১৪শো বছর পূর্বের মুহাম্মদের প্রেতাত্মা, বর্তমান শাইয়েখ আব্দুর রহমান, সাইদুর রহমান, মুফতি হান্নান, মৌলানা মান্নান, নিজামী, আমিনী, গো-আজম, সাঈদীই তো ১৪শো বছর পূর্বের আবু বকর, উমর, উসমান, আলী, মুয়াবীয়া, খালিদ, অলীদ, তালহা, জুবায়ের। … কি এমন দায় পড়েছে কেরোসিনের বোতল থেকে দুধ পান করার? মানবতা শিক্ষার বইয়ের কি আকাল পড়েছে এই দুনিয়ায়? … ইসলাম সংস্কার নয়, বর্জন করতে হবে…" [স্ক্রীনশটসূত্র]

নমুনা-২: "একদল খুনী লুটেরা ডাকাত সেক্স ম্যানিয়াক, এদেরকে মুসলমান আদর্শ মানুষ মানে… সকল খবিস মিলে বানাইছে এক ধর্ম, নাম দিছে ইসলাম।" [স্ক্রীনশট, সূত্র]

নমুনা-৩: "মুহাম্মদের যতই বুদ্ধি আর সাহস থাকুক না কেন, আজকের যুগে তার জন্ম হলে তিনি একজন বিন লাদেন, হিটলার বা বড়জোর একজন চেঙ্গিস খান হতে পারতেন, নবী হতে পারতেন না।" [স্ক্রীনশটসূত্র]

নমুনা-৪: "মুহাম্মদ আমাদের যুগে জন্ম নিলে বড়জোর এক শায়েখ আব্দুর রহমান বা বিন লাদেন হতে পারতেন, নবি হতে পারতেন না।" [স্ক্রীনশট, সূত্র]

নমুনা-৫: "মুহাম্মদের ইসলাম অমুসলিমদের রক্ত পান করে বড় হয়েছিল, মুহাম্মদের মৃত্যুর পর থেকেই নিজেদের রক্ত মাংশ খেয়ে আজ পর্যন্ত বেঁচে আছে।" [স্ক্রীনশট, সূত্র]

নমুনা-৬: "কোরান বুঝে পড়ার পর একজন মানুষের জন্যে দুটো পথই খোলা থাকে, মধ্যবর্তি স্থান বা তৃতীয় কোন পথ নেই। (১) জঙ্গীবাদী জিহাদী বা সন্ত্রাসী (২) পুরোপুরি নাস্তিক বা অবিশ্বাসী।" [স্ক্রীনশট, সূত্র]

নমুনা-৭: "মুহাম্মদই আল্লাহ, কোরানই মুহাম্মদ। কোরান নিশ্চয়ই মুহাম্মদ রচিত আরব সাম্রাজ্যবাদের দলিল, পৃথিবীর মানুষের জন্যে কোন জীবনবিধান নয়। সারা বিশ্ব জুড়ে ইসলামি সন্ত্রাস, নিরীহ মানুষকে খুন / রাহাজানি, নারী ধর্ষনকারী কাজের জন্য মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষক, মৌলানা-মৌ্লুভী বা কোন সরল প্রাণ ইমানদার মুসলমানকে দায়ী করার আগে ভাবতে হবে এর উৎস কোথায়। সময় এসেছে মুহাম্মদের আসল চেহারাও তার কোরান রচনার গুপ্ত রহস্য নতুন প্রজন্মের সামনে উন্মুক্ত করে দেয়ার।" [স্ক্রীনশট, সূত্র]

নমুনা-৮: "রেইপিষ্ট পাকিস্তানী আর আল্লাহর মধ্যে পার্থক্য কতটুকু? এই আল্লাহর পুজো মানুষে করে?" [স্ক্রীনশট, সূত্র]

নমুনা-৯: "মোল্লা ব্যাটা যখন শিশুটিকে ধর্ষণ করছিল আল্লাহ তখন হাসছিলেন, না কাঁদছিলেন? … শিশুটির যদি একটা কুত্তা থাকতো, সেই কুত্তার সামনে মোল্লার বাবারও ক্ষমতা হতোনা শিশুটিকে রেইপ করে। একটা নিরপরাধ, অসহায় শিশুকে ধর্ষণ থেকে বাঁচাতে আল্লাহর কি একটা কুত্তার শক্তিও নাই?" [স্ক্রীনশট, সূত্র]

নমুনা-১০: "কোরান হলো নাটকের পান্ডুলিপি, তা’ও ৭৫ভাগ অন্যান্য বই থেকে নকল করা। মুহাম্মদ তার পারিবারিক ঝগড়া-ঝাটি আর ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করার লক্ষ্যে যে সকল আয়াত কোরানে যে ভাবে লিখেছেন, সেখান থেকে আসল ঘটনা উদ্ধার করা কঠিন। এখন হাদিস ছাড়া আমরা কী ভাবে বুঝবো সুরা তাহরিমে বর্ণীত ঘটনায় মুহাম্মদ হাফসার ঘরে জয়নবের মধু খেয়েছিলেন, না ম্যারিয়ার দুধু খেয়েছিলেন?" [স্ক্রীনশট, সূত্র]

নমুনা-১১: "হালাল, হারাম আল্লাহর অন্যান্য হাজারটা মিথ্যে কথার দুটো কথা। বিজ্ঞানে আল্লাহ, হারাম, হালাল এ সমস্ত নেই। একজন খাঁটি হালালখোরকে শুওর অথবা কুকুরের মাংস দিয়ে তৈরী শুওর-পোলাও বা কুকুর-বিরাণীর অর্ধেক খেতে দিন। খানা খেয়ে সুন্নতি তরিকায় আংগুল চুষে চুষে বলবে শুকুর আলহামদুলিল্লাহ বড় মজাদার খানা আল্লায় খাওয়ালো। পরের দিন বাকী অর্ধেক খেতে দিন। কিছুক্ষণ খাওয়ার পর বলুন- এটাতো কুকুরের মাংস। দেখুন অবস্থাটা কি হয়। টয়লেটে বা বাথরুমে যাওয়ার সময় পাবেনা, বমি করে আগের দিনের ভাত সহ সব বের করে ফেলবে। কারণটা কি? কারণটা হলো তখন বিশ্বাসের ভাইরাস (প্যারাসাইট) তার উপর ক্রীয়াশীল হয়।" [স্ক্রীনশট, সূত্র]

আরো কিছু নমুনা: নমুনা-১২, নমুনা-১৩, নমুনা-১৪, নমুনা-১৫

 

# 'ভবঘুরে' ছদ্মনামে মুক্তমনায় এক ছুপা হিন্দুত্ববাদীর 'মুক্তচিন্তার চর্চা'র কিছু নমুনা

নমুনা-১: "এমন ধরনের একটা যৌন বিকৃত, অপ্রকৃতিস্ত, বিকৃতমনা, অস্বাভাবিক চরিত্রের মানুষ মোহাম্মদ ছিলেন বলেই তার অনুসারীরাও ঠিক তার মত- বিকৃত মস্তিষ্ক, অস্বাভাবিক, অসুস্থ ও উন্মাদ। এখন সময় এসেছে- হয় তাদেরকে সুস্থ হতে হবে, নইলে এ দুনিয়া থেকে তাদেরকে সবংশে চলে যেতে হবে। মাঝা মাঝি কোন পথ তাদের জন্য খোলা নেই। এ বিষয়টা যত তাড়াতাড়ি মোহাম্মদের অনুসারীরা বুঝতে পারবে ততই মঙ্গল্। নইলে পৃথিবী সত্যিকার অর্থে একটা ভয়াবহ ও বিশাল ধ্বংস যজ্ঞ প্রত্যক্ষ করবে অদুর ভবিষ্যতে।" [স্ক্রীনশট, সূত্র]

নমুনা-২: "মোহাম্মদ যে কোন নবী ছিল না, ছিল একটা আস্ত ভন্ড ও মানসিক রোগী তা প্রমান করতে কোরান হাদিস থেকে শত শত উদাহরন টেনে বের করার দরকার নাই … ঠিক এ কারনেই অধিকাংশ মুসলমানই মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন … মুসলমানরা কোন যুক্তি বোঝে না, তর্ক বোঝে না, তারা সুস্থ আলোচনা করতে পারে না। তাদের একটাই পরিচয় তারা মুসলমান ও বলাবাহুল্য চোখ কান থাকতেও অন্ধ ও বধির এক জাতীয় প্রানী।" [স্ক্রীনশট, সূত্র]

নমুনা-৩: "কোরান-হাদিস ভাল করে পড়ুন, দেখতে পাবেন মোহাম্মদ কত বড় হিংসুক, নিষ্ঠুর, লম্পট আর কামুক। মোহাম্মদ ছিল স্যডিস্ট যে নিরাপরাধ মানুষকে খুন করে মজা পেত, তাদের সদ্য বিধবা স্ত্রীদেরকে ধর্ষণ করে উল্লাস করত।" [স্ক্রীনশট, সূত্র]

নমুনা-৪: "কোরান পড়ে বোঝা যায় মোহাম্মদ ভীষণ রকম নারী বিদ্বেষী ছিলেন … মোহাম্মদ নারীদেরকে মানুষ বলে স্বীকার করতেই রাজি ছিলেন না (যা কোরান ও হাদিসের পাতায় পাতায় বিবৃত)।" [স্ক্রীনশট, সূত্র]

নমুনা-৫: "ইসলাম দুনিয়া থেকে চিরতরে বিদায় হওয়া এখন খালি সময়ের ব্যপার … কারন সভ্য জাতির পিঠ যখন দেয়ালে ঠেকে যাবে, নিশ্চয়ই তারা বসে বসে আঙ্গূল চুষবে না। চুষবে যে না তা আমরা আফগানিস্তান ও ইরাকের পরিনতি দেখেই বুঝেছি।" [স্ক্রীনশট, সূত্র]

নমুনা-৬: "মোহাম্মদের যুগে শিশু ও নারীদের ওপর আক্রমন করাটা ছিল আরবদের ঐতিহ্য বিরোধী। এটা ছিল কাপুরুষতা। তাই তারা প্রায় অসভ্য একটা জাতি হলেও এ কামটা তারা কখনো করত না। বরং এ প্রথা চালু করে মোহাম্মদ।" [স্ক্রীনশট, সূত্র]

নমুনা-৭: "আচ্ছা পুরুষ মানুষ কি শুধুমাত্র যৌনলীলা করার জন্যই ধর্ম কর্ম করবে? যৌনলীলার চাইতে বেশী আনন্দদায়ক আর কিছুই কি মোহাম্মদের মাথাতে আসেনি?" [স্ক্রীনশট, সূত্র]

নমুনা-৮: "মোহাম্মদ ছিল অতীব ধুরন্ধর, কৌশলী ও দুর দৃষ্টি সম্পন্ন … মোহাম্মদের ইসলাম আসলে কোন ধর্মীয় বিধান নয় এটা হলো একটা স্বৈরতান্ত্রিক রাজনৈতিক আদর্শ … দাসী ও বন্দী নারীদেরকে ধর্ষন করা হলো আল্লাহর হুকুম।" [স্ক্রীনশট, সূত্র]

নমুনা-৯: "বেহেস্ত তো সেক্স এরই কারখানা অন্য কথায় বিশাল পতিতালয়।" [স্ক্রীনশট, সূত্র]

আরো কিছু নমুনা: নমুনা-১০, নমুনা-১১, নমুনা-১২, নমুনা-১৩, নমুনা-১৪, নমুনা-১৫

 

# 'আবুল কাশেম' ছদ্মনামে মুক্তমনায় 'মুক্তচিন্তার চর্চা'র কিছু নমুনা

নমুনা-১: "নবিজি যখন অহী পেতেন তখন তাঁকে মৃগী রোগীর খিঁচুনী ধরত বলা যেতে পারে … তবে নবীজি যখন লুট তরাজ চালাতেন, মানুষ হত্যা করতেন, গনহত্যা চালাতেন, নারী উপভোগ করতেন, কাউকে ধোঁকা দিতেন, যুদ্ধ পরিচালনা করতেন–তখন তা সজ্ঞানেই করতে। মৃগী রোগের খিঁচুনী তখন তাঁকে ধরত না। কারণ, এই সময় মৃগী রোগে ধরলে উনার পক্ষে ঐ সব ইসলামী ক্রিয়া কলাপ করা সম্ভব হত না।" [স্ক্রীনশট, সূত্র]

নমুনা-২: "আল্লাহ্‌র প্রেরীত রসুল মুহম্মদের কি সত্যি কোন মৃগী রোগ ছিল? আমি এ ব্যাপারে সম্পুর্ণ নিশ্চিত নয়। কারন, নবীজি যা করেছেন সব পরিপূর্ণ সজ্ঞানে করছেন। মানুষ খুন করার সময়, লুটতরাজ করার সময়, নারীদের নিয়ে যৌন উন্মত্ততায় নিমজ্জিত হওয়ার সময়, গনহত্যা কয়ার সময়, নিজের পালিত পূত্রের স্ত্রীকে বিবাহ করার সময়, শিশু বালিকাকে ধর্ষন করার সময়…ইত্যাদি নানা ইসলামী ক্রিয়া কলাপে যখন নবীজি মেতে থাকতেন তখন কিন্তু উনার কোন রকঅম মতিভ্রম অথবা মৃগী রোগের লক্ষন দেখা যায়নি। নবীজি যা-ই করেছেন সম্পূর্ণ সজ্ঞানে করেছেন।" [স্ক্রীনশট, সূত্র]

নমুনা-৩: "আমি মনে হয় প্রতি পাঁচ মিনিট পর পর [যৌন সঙ্গমের] চিন্তা করি … এই ব্যাপারে আমার সাথে নবীজির বেশ মিল আছে। নবীজি রাস্তায় সুন্দরী, যৌনাবেদনময়ী নারী দেখলেই যৌন সঙ্গম করতে চাইতেন। এবং যয়নাবের কাছে চলে আসতেন তাড়া ড়ি কিছু করার জন্যে। আমি নবীজির অনেক প্রশংসা করি এই জন্যে যে উনি নিজের যৌন ক্ষুধার ব্যাপারে খুব সৎ মনোভাব ব্যাক্ত করে গেছেন।" [স্ক্রীনশট, সূত্র]

নমুনা-৪: "আজকের বিশ্বের সবচাইতে বড় সমস্যা হচ্ছে ইসলাম … কিন্তু অসুবিধাটা হচ্ছে ঐ খানে যখন কোরান বলছে নবীজী যা করে গেছেন তা সর্বকালে সর্বশ্তানে মুসলিমদের জন্যে বাধ্যতামূলক। ঊনি যে ভাবে পোষাক পরতেন, যে ভাবে দাড়ি, চুল, নখ, হাত পা—সব কিছু রাখতেন ঐ ভাবেই সব মূসলিম কে মানতে হবে। ঊনি যদি নাবালিকার সাথে যৌন কর্ম করছেন, সেটাও সব মুসলিমদের জন্য ওয়াজেব। ঊনি যে ভাবে সন্ত্রাস চালিয়েছেন, সেই ভাবেই সমস্ত মুসলিমদের সন্ত্রাস চালাতে হবে। এই জন্যেই ইসলাম সভ্যতার জন্য এক বিশাল হুমকি।" [স্ক্রীনশট, সূত্র]

নমুনা-৫

নমুনা-৬

আরো কিছু নমুনা: নমুনা-৭, নমুনা-৮, নমুনা-৯, নমুনা-১০, নমুনা-১১, নমুনা-১২, নমুনা-১৩, নমুনা-১৪, নমুনা-১৫, নমুনা-১৬, নমুনা-১৭, নমুনা-১৮, নমুনা-১৯, নমুনা-২০

 

# মুক্তমনায় বিভিন্ন নিকে 'মুক্তচিন্তার চর্চা'র আরো কিছু নমুনা

নমুনা-১

আরো কিছু নমুনা: স্ক্রীনশট-১, স্ক্রীনশট-২, স্ক্রীনশট-৩, স্ক্রীনশট-৪, স্ক্রীনশট-৫, স্ক্রীনশট-৬, স্ক্রীনশট-৭, স্ক্রীনশট-৮

নমুনা-

নমুনা-

নমুনা-

নমুনা-

নমুনা-

নমুনা-

নমুনা-

নমুনা-

নমুনা-১০

নমুনা-১

 

বলাই বাহুল্য, এখানে যেটুকু নমুনা দেখানো হয়েছে সেগুলো বিশাল সমুদ্রে এক বিন্দু জলের মতো। এভাবেই 'মুক্তবুদ্ধির চর্চা', 'মুক্তচিন্তার চর্চা', 'বিজ্ঞানমনস্কতা', 'বাক-স্বাধীনতা', 'ধর্মীয় কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লেখা', ইত্যাদির দোহাই দিয়ে অভিজিৎ রায় তার বিশ্বস্ত কিছু মুরিদ নিয়ে নামে-বেনামে চালিয়ে যাচ্ছিলেন তার ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী মিশন। কিন্তু এখন সময় খারাপ। একদিনের বন্ধুরাও এখন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে এই সব ঘৃণা উৎপাদকদের দিক থেকে। কারণ, একটা কথা সবাই বোঝেন – সভ্য সমাজে নাস্তিক ও ধর্মে অবিশ্বাসীদের ঠাঁই হলেও উগ্র সাম্প্রদায়িক ও কুৎসিত মানসিকতার ধর্ম-বিদ্বেষীদের ঠাঁই নাই।

৮৭ comments

৩ pings

Skip to comment form

  1. 38

    এইগু্লো আসলে মানুষের চেহারার আড়ালে সুশিল পশুদের পক্ষেই সম্ভব। তাদের মুক্ত মন আসলে কি পরিমান বদ্ধ তার প্রমান তারা দিয়ে যাচ্ছে, হিপক্রট এর দল। 

  2. 37
    কিংশুক

    আপনার প্রশ্নের বিস্তারিত উত্তর দেওয়া যেতো। কিন্তু সংক্ষেপে বলি খাইবার দূর্গে সেই ইহুদি মহিলার পরিবেশন করা মাংস মুখে দেওয়া মাত্রই নবী সাঃ মাংস আমাকে বিষের সংবাদ দিচ্ছে বলে মুখ থেকে ফেলে দেন (অন্য আরেকজন সাহাবী রাঃ খেয়ে ইন্তেকাল করেন)। তিনি সত্য নবী ছিলেন বলে পাথর,গাছ,বন্য জন্তু পর্যন্ত তাঁর  সাথে কথা বলতো। আর তিনি বিষ ক্রিয়ার ফলে তিন বছর অসূস্থ ছিলেন না। মৃত্যুর পূর্বে অল্প কিছু দিন অ সূস্থ ছিলেন । আল্লাহ্ তায়ালার ইচ্ছা ছিল নবী সাঃ কে শহীদি মর্যাদা দিবেন কিন্তু নবী তো ইসলাম কায়েম করার আগ পর্যন্ত শহীদ হতে পারেন না আবার পরাজিতও হতে পারেন না। তাই এক বিশেষ পদ্ধতিতে প্রিয় রাসূল সাঃ কে শহীদি মৃত্যু দিলেন।মাহফুজ ভাই আমার একজন প্রিয় লেখক, উনার সামুর প্রায় সব লেখা পড়া আছে।  মাহফুজশান্ত ভাইয়ের পরামর্শ মতো আল্লাহর বানী আল কোরআন পড়ুন,জানুন,বুঝুন । তাহলেই পথ পেয়ে যাবেন ইনশাল্লাহ

    1. 37.1
      মাহফুজ

      @ কিংশুক

      ধন্যবাদ আপনাকে। তবে সামুতে আমার গুটি কয়েক লেখা আছে। আমার সব লেখাগুলো এই লিংকে পাবেন- Everlasting heavenly light-

  3. 36
    জনার্দন আচার্য

    মুক্তমনা ব্লগারেরা  ইসলামের বিরুদ্ধে যে সব প্রশ্ন করে,
    তার জবাব দিয়ে দিলেই হয়।  অযথা বিতর্কের সৃষ্টি করে কোনো সমাধান হয়না। 
    যেমন আমার একটা প্রশ্ন। 
    নবি, আল্লার প্রেরিত মহা মানব। ইসলামী হাদিস এবং কোরানে প্রমাণিত। তাই সূত্র দিয়ে বক্তব্য ভারী করতে চাইনি। 
    তো ' মহান আল্লাহতালা বলেছেন, নবি আল্লাহতালার সবথেকে প্রিয় বন্ধু। তাহলে,
    নবীকে যখন খাবারের সাথে বিষ মিশিয়ে, খাবার নবীর সামনে দেওয়া হলো, তখন মহান আল্লাহতালা নবীকে জিব্রাইল দ্বারা সতর্ক করা থেকে বিরত থাকলেন কেন ? যে জিব্রাইল কিনা আল্লাহতালার বাণী নিয়ে নিমিষে মহান নবীর কাছে উপস্থিত হওয়ার অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন। যুক্তির খাতিরে ধরে নিলাম, নবি বিষ ক্রীয়ায় ৩ বৎসর যাবৎ মরণ যন্ত্রনা ভোগ করবেন, এইটা আল্লাহতালার ইচ্ছা।

    কিন্তু কেন ? যদি এইটা কুকর্মের ফল হয়। 
    তাহলে মহান নবি, মহান হয় কি করে ? 
    ইসলাম নিয়ে কোনো প্রশ্ন করলে অনেক মুসলিম প্রশ্নের জবাব দেওয়া দূরে থাক, অশ্রাব্য ভাষায় গালি দেয়, এবং উল্টে প্রশ্ন করে, যে ইসলাম সমন্ধে প্রশ্ন কারীর কতটা জ্ঞান আছে ? প্রথমত প্রশ্নের জবাব প্রশ্ন হয়না।

     ঈমানের অপর নাম বিশ্বাস। 
    বুদ্ধি জিবি প্রমান ছাড়া অন্ধ বিশ্বাস এ বিশ্বাস করেন না। 
    সঠিক তথ্য প্রমান ছাড়া কোনো যুক্তিকেই সভ্য সমান গ্রহণ করেনা। 
    ধন্যবাদ। 

    1. 36.1
      এম_আহমদ

      @জনার্দন আচার্য:

      (১) আচার্য সাহেব আপনি এসেছেন মুহাম্মাদ (সা) আল্লাহর নবী নন -এই কথাটি বলতে, কিন্তু তা কোন ভাল আচার্যের ভাষা ও আচরণে আসে নি,  যুক্তিসঙ্গত হয়েও আসে নি। আপনার অভিমতটি ব্যক্ত করার জন্য  যে কসরত করছেন তা হাস্যকর। প্রথমে লেখকের লেখার সমালোচনা এভাবে করছেন: “মুক্তমনা ব্লগারেরা  ইসলামের বিরুদ্ধে যে সব প্রশ্ন করে, তার জবাব দিয়ে দিলেই হয়”, কেন? এই সদালাপে শত শত জবাব রয়েছে। বাংলা ব্লগ জগতে এটি হচ্ছে জবাব দানেরই একটি উত্তম স্থান। আপনি একটু চোখ খুললেই তা দেখতে পেতেন। উত্তম জবাবের আরেকটি অংশ হচ্ছে প্রতিপক্ষ ইতর হলে তাদের ইতরামিও তোলে ধরা। এখানে সেই কাজটি করা হয়েছে। কিন্তু এই কাজটি দেখতে হয়ত আপনার বিষ বিষ করছে, এই যা?

      (২)  তারপর কফিবারের সিগারেটপায়ীর ন্যায় ‘সুরুটে’ টান দিয়ে বাহুল্য প্রশ্নের অবতারণা এভাবে করেছেন, “মহান আল্লাহতালা বলেছেন, নবি আল্লাহতালার সবথেকে প্রিয় বন্ধু। তাহলে, নবীকে যখন খাবারের সাথে বিষ মিশিয়ে, খাবার নবীর সামনে দেওয়া হলো, তখন মহান আল্লাহতালা নবীকে জিব্রাইল দ্বারা সতর্ক করা থেকে বিরত থাকলেন কেন?” কিন্তু এখানে থামেন নি। কারণ উদ্দেশ্য প্রশ্ন নয়।

      আপনি এসেছেন, নারিং বিরিং করে এটাই দেখাতে যে মুহাম্মাদ (সা)  কয়েক বছর বিষ-ক্রিয়া অনুভব করেছেন -এটা ছিল তার 'কুকর্মের' ফল (নায়ূযুবিল্লাহ)! ইতরজন কিন্তু ইতরামি গোপন করতে পারে না। এই অভিজ্ঞান ও ভাষিক যুক্তি-জ্ঞান তাদের থাকে না। থাকলে আপনার স্পষ্ট যৌক্তি দুর্বলতা আপনার নজরেই প্রথমে প্রতিভাত হত। বন্ধু হওয়াতে নবীর মানবিকতা তিরোহিত হয় নি। এ বিষয়ে আপনার পড়াশুনা নেই। না হলে দেখতে পেতেন আল্লাহ এটাও বলেছেন, ‘ (হে নবী) আপনি (তাদেরকে) বলে দিন, “আমি তোমাদের মত একজন মানুষ, আমার কাছে (এই মর্মে) অহি নাজিল হয়েছে যে তোমাদের উপাস্য কেবলমাত্র একজনই’” (৪১/৬, ১৮/১১০)। কোরানে এবং পূর্বেকার গ্রন্থসমূহে আল্লাহ তার আরও প্রিয়জনের কথা বলেছেন। তারা সবাই মানুষ ছিলেন। প্রিয়জন হওয়া একটি আধ্যাত্মিক অবস্থান, বা মাকাম, একটি করুণা ও মহত্ত্বের স্থান। এটা আপনি জানেন নি। সকল নবী/রাসূল ও প্রিয়জনরা শারীরিক জগতের রোগ-শোক, ব্যথা-বেদনা -তথা মানবিক বাস্তবতার অধীনে ছিলেন। কেবল কোন কোন ক্ষেত্রে আল্লাহ তার নিজ ইচ্ছায় ইন্টারভিন করেছেন। তাছাড়া সার্বিকভাবে তারা এই জগতের সার্বিক বিধানের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। নবীর ঘরে অনেক দিন খাবার ছিল না কিন্তু জিব্রাইল খাবার নিয়ে আসেন নি; যুদ্ধে তিনি আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, এজন্য জিব্রাইল আসতে হয় নি; তিনি প্রিয়জন হলেও তার ভবিষ্যৎ জ্ঞান ছিল না; এভাবে ফিরিস্তি সুদীর্ঘ করা যেতে পারে। আপনি প্রিয়জন হওয়া ও মানবিক অবস্থা বুঝতে গোলমাল করছেন। যে পার্থক্য জানেন না, তা বিনয়ের সাথে প্রশ্ন না করে নিজের সিদ্ধান্ত ও বিদ্বেষ মিশ্রিত অভিমত এখানে শুনাতে এসেছেন। Next time, হয় প্রশ্ন করবেন, না হয় অভিমত ব্যক্ত করবেন। কিন্তু প্রশ্ন করে নিজেই অভিমত দিয়ে নিজ দুর্বলতা প্রকাশ করবেন না।

      ভাল থাকুন।

    2. 36.2
      মাহফুজ

      @জনার্দন আচার্য

      শুধুমাত্র প্রশ্ন করলেই কিংবা অন্যের কাছ থেকে গুটিকয়েক প্রশ্নের উত্তর শুনে নিলেই সত্যের সন্ধান পাওয়া যায় না। এর জন্য নির্মোহ অন্তরে নিজেকে জানার ও যাঁচাই করার প্রচেষ্টা নিতে হয়।

      হাঁ, অবশ্যই মুহাম্মদ (সাঃ) শেষ নবী এবং আল্লাহর রাসূল। শুধু পবিত্র কোরআনেই নয়, পূর্ববর্তী ঐশীগ্রন্থ সমূহেও এ বিষয়ে উল্লেখ আছে।

      অন্ধত্ব যেমন ভাল নয়। তেমনি সভ্যতার নামে অসভ্যতামী করাও খারাপ কাজ। আর অজ্ঞতাই মানুষকে এরূপ কাজে উৎসাহ যোগায়।

      বিষ-টিষ মিশ্রিত হাদিছ চর্চার আগে মহান স্রষ্টা প্রেরিত নিরন্তর জ্যোতি আল-কোরআন চর্চায় সময় দিলে যে কোন বিবেকবান মানুষ মিথ্যার মায়াজাল থেকে বেরিয়ে এসে সত্য ও শান্তির ঠিকানা পেয়ে যাবেন- ইনশা’ল্লাহ।

  4. 35
    জাবির

    আমার ভাবতেও ঘৃণা হয় কারো ধর্মের প্রতি অন্যের এত বিদ্বেষ কেন? আমাদের ইসলাম তাদের কি ক্ষতি করেছে যে উঠেপড়ে লাগতে হবে, আর মুক্তচিন্তা কারো ধর্মকে আঘাত করা? ধিক্কার জানাই এই বেয়াদপ কুলাঙ্গারদের।

  5. 34
    Ahmed

    Kotha amar ektai! Jajakallah khairan for this revelation…..
    Mon theke doa janai apnar jonno… Allah obosshoi apnake uttom bodla diben and neyk hayyat diben…. Fan hoye gelam apnar….

  6. 33
    এম_আহমদ

    @এস এম রায়হান

    ভাই, আপনাকে একটি কথা বলতে যাচ্ছি, শুনবেন কিনা আল্লাহই জানেন। আপনি মুক্তমনাগণ, মুক্তমনা-ব্লগ, অভিজিত ইত্যাদি বিষয়ে যা লিখেছেন তা একটি বই আকারে অতিসত্বর প্রকাশের ব্যবস্থা করুন। এতে সদালাপে আরও যাদের ভালো লেখা রয়েছে সেগুলোও সংযোগ করতে পারেন। কাজটি তাড়াতাড়ি হওয়ার জন্য লেখাগুলো যে আকার-আকৃতিতে আছে সেভাবে হলেই চলবে।
    আমাদের হাতে দৈনন্দিন জীবনে এমন লেখার দরকার -দলিল হিসেবে। মুখে কথা কেউ মানতে চায় না। তাছাড়া সব কথা স্মৃতিতে ধারণ করাও যায় না।
    আমরা সদালাপের সবাই কয়েক কপি করে খরিদ করে নিলে প্রকাশনার কিছু খরচ এসে যাবে। আপনি একটু চিন্তা করে দেখেন।

    1. 33.1
      নির্ভীক আস্তিক

      আমার মনে হয় কাজটি ধারাবাহিক ভাবে করা উচিৎ। দলিলগুলোকে সন্নিবেশিত করে এর উৎস, কাজটির ধারাবাহিকতা, বাম্পন্থিদের এতে ভূমিকা এবং শেষে সামাজিক বিশৃঙ্খলা তৈরিতে এসকলের অবদান। তবে নীরপেক্ষতা অবশ্যই পালন করতে হবে। এতে করে যদি উগ্রবাদী মুসলিমদের সমালোচনাও করতে হয় সেটিও করতে হবে।

  7. 32
    সাদিক

    আমি একটা চ্যলেঞ্জ জানিয়েছিলাম যে আপনারা ইসলামের নামে যা প্রচার করেন সব ভুয়া, বানান , বিকৃত এবং সেটা আমি যথাযথ দলিল দস্তাবেজ সহ এ্ই আপনাদের ব্লগে প্রমান করব যদি আমার লেখা প্রকাশের স্বাধীনতা দেয়া হয় অর্থাৎ আমাকে লেখা প্রকাশের জন্য পাসওয়ার্ড দেয়া হয়।

    দিয়ে দেন না আপনারা এই ব্যাটা উজবুক বিদ্রোহী যা চাইছে তাই। দেখি তো সে কি ঘোড়ার ডিম প্রমান করতে পারে। তবে নিজের চ্যালেঞ্জ ছেড়ে ফাতরামি করলে গাধাটাকে ব্যান করে দিলেই পারেন পরে।

  8. 31
    এস. এম. রায়হান

    মুসলিমদের দাবি অনুযায়ী কতিপয় নাস্তিক ব্লগার [যদিও কিছু হিন্দু ব্লগারও সাথে আছে] ইসলামের নবীকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ কথাবার্তা বলেছে, চরম অশ্লীল ও অবমাননাকর কার্টুন প্রচার করেছে। অন্যদিকে ইসলাম বিদ্বেষীদেরকে ডিফেন্ড করতে যেয়ে অভিজিৎ রায় দাবি করেছে যে স্বয়ং কোরআনেই এর চেয়ে ঢের বেশী অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ কথাবার্তা আছে। খুব খিয়াল কৈরা। প্রমাণ হিসেবে সে নারীদের 'পরিত্রাতা' সেজে বলেছে যে কোরআনে নারীদেরকে শষ্যক্ষেত্র বলা হয়েছে। তার ভাষায় 'শষ্যক্ষেত্র' নাকি চরম অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ একটি শব্দ, যদিও শষ্যক্ষেত্র'র মতো একটা প্রাকৃতিক কিছু অশ্লীল হয় কী করে সেটা সে-ই ভাল জানে। তাছাড়া একজন নাস্তিকের কাছে শ্লীল বা অশ্লীল বলেও তো কিছু থাকার কথা না।

    প্রশ্ন: অভিজিৎ রায়ের বাবা যদি তার মা'কে 'শষ্যক্ষেত্র' হিসেবে ব্যবহার না করে থাকেন তাহলে অভিজিৎ রায়ের জন্ম হলো কীভাবে? অভিজিৎ রায় কি টেস্ট টিউব বেবি?

  9. 30
    এস. এম. রায়হান

    অভিজিৎ রায়ের এক বিশিষ্ট মুক্তমনা মুরিদ তার পরিচিত কিছু মুসলিমকে বাসায় দাওয়াত দিয়ে 'হালাল মাংশ' নাম করে শুয়োর ও কুকুরের মাংশের পোলাও-বিরানী খাইয়েছে। খাওয়া শেষে সে বলেছে এটা তো শুয়োর ও কুকুরের মাংশের পোলাও-বিরানী! এই কথা শুনে মুসলিমরা যখন বমি করা শুরু করেছে তখন সেই দৃশ্য দেখে সে উল্লাশ প্রকাশ করেছে। এখানে দেখুন।

    বুঝা গেল অভিজিৎ রায়ের এই নাস্তিক মুরিদ তার বাসায় নিয়মিত শুয়োর ও কুকুরের মাংশ খায়। কিন্তু সে কখনো হিন্দুদেরকে 'খাসির মাংশ' নাম করে গো-মাংশ খাইয়েছে কি-না, তা জানা যায় না। অভিজিৎ রায়ের সাচ্চা মুরিদ বলে কথা।

  10. 29
    এস. এম. রায়হান

    মুক্তমনারা বলে, "MUZZLE ME NOT", হিন্দু যুব সেনারাও বলে, "MUZZLE ME NOT"!
     

    হিন্দু যুব সেনা -Hindu youth army

  11. 28
    এস. এম. রায়হান

    শিবসেনা ও হিন্দু যুব সেনা পরিচালিত কিছু পেজেও 'মুক্তবুদ্ধির চর্চা' চলছে-
     
    I hate islam

    Reality Of Bangladesh

    হিন্দু যুব সেনা -Hindu youth army {এই পেজের শেষের দিকে দেখুন}

    https://www.facebook.com/pages/FUCK-bangladesh/304678116260839

  12. 27
    Md. Iftekharuzzaman

    These types of pages should be banned immediately. O ALLAH save us.
     

  13. 26
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    কার্যত আমি মুক্তমনাদের সবার ব্লক লিস্টে আছি। কয়দিন আগে আসিফ ব্লক করছে। এখন অভিজিত ব্লক করে আমার বিরুদ্ধে কথা বলছে। আসলে এইটাই হলো ওদের গন্তব্য। 

    1. 26.1
      সরোয়ার

      জিয়া ভাই, আপনাকে ব্লক করে আপনার ও সদালাপের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করে! দেখেছেন মুক্তমনা ইসলাম বিদ্বেষীরা কত বড় ধুরন্ধর ও ভণ্ড! বিজ্ঞানের খোয়াড় থেকে ইসলাম বিদ্বেষের দিন মনে হয় আপাতত শেষ হয়ে আসছে!

      1. 26.1.1
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        এইটা নতুন কিছু না। ওরা মিথ্যা বলবেই -- সেইটাইতো ওদের বৈশিষ্ট্য। তবে যুক্তি দিয়ে তর্ক করতে গেলাম আর আমাকে ব্লক মারলো -- সেইটাই দু:খ 🙂 

  14. 25
    এস. এম. রায়হান

    অভিজিৎ রায়ের 'বাকস্বাধীনতা'র নমুনা-
     

     
    জিয়া ভাই ও সদালাপের বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ ছাড়া ডাহা মিথ্যাচার করে জিয়া ভাইকে তার ফেসবুকে ব্লক মারা হইছে-

  15. 24
    ইমরান হাসান

    কি আর বলব। কিছুই বলার নাই বলেই মনে হচ্ছে। মুক্তমনা নামটাকে পর্যন্ত এই সব নাস্তিকেরা বদনাম করে দিবে বলেই মনে হচ্ছে। 

  16. 23
    sanjid

    প্রথমে মনে করেছিলাম এই সব ভণ্ড নাস্তিকদের বিরুদ্ধে কেউ বলতে আসবে না। আপনি এই দায়িত্ব নিয়েছেন। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আল্লাহ্‌ আপনার উপর রহমত বর্ষিত করুন।

  17. 22
    বিদ্রোহী

    শাহবাজ নজরুল
    আপনার ইসলামিক স্কলারশিপ হলো সুবিধাবাদি স্কলারশিপ।তারা তাদের ইসলামি বিধাণ যেখানে প্রয়োগ করলে ইসলামের ভাল চেহারা দেখায় সেখানেই সেটা প্রয়োগ করে , কিন্তু একই বিধান অন্য যায়গাতে প্রয়োগ করে না , কারন তখন ইসলামের আসল চেহারা প্রকাশ পেয়ে যায়। আপনাদের স্কলারশিপরা দাবী করছে সুরা আত তাওবার হিংসাত্মক বানীগুলো সেই সময়কার প্রেক্ষিতে নাজিল হয়েছিল , তাহলে শান্তির বানীগুলোকে কেন সেই একই কায়দায় বলা যাবে না যে সেগুলোও সেই সময়কার প্রেক্ষিতে নাজিল হয়েছিল ? না সেটা তারা করবে না। কারন তাহলে ইসলামের আর কোন কিছুই অবশিষ্ট থাকে না, হা হা হা । ভারী মজা! তাই না ?  মানুষরা এখন আর আপনাদের ঐ তথাকথিত ইসলামি স্কলারশীপের মত গাধা নেই। তারা ইচ্ছা করলেই সব কিছু এখন জানতে পারে বুঝতে পারে। তাদেরকে গাধা ভাবার কোন কারন নেই আর। যারা মনে করে মানুষজন এখনও গাধাই আছে , তারা নিজেরাই গাধা। 
    এসব ধানাই পানাই বহুত হয়েছে, এখন এসব আর কোন কামে দিবে না। এটা যত তাড়াতাড়ি বুঝবেন ততই মঙ্গল।

    1. 22.1
      আহমেদ শরীফ

      'সদালাপে' আদরের ঠেলায় অতিষ্ঠ 'বিদ্রোহী' শেষ পর্যন্ত রণক্লান্ত হয়ে আঁতুড়ঘরের বারান্দায় বিকট স্বরে কান্না জুড়ে দিয়েছে …

      এইখানে,

      ইসলামি জ্ঞান যাচাই ও কিছু ভন্ড মানুষের পরিচয়

  18. 21
    বিদ্রোহী

    সবাইকে,
    আমি একটা চ্যলেঞ্জ জানিয়েছিলাম যে আপনারা ইসলামের নামে যা প্রচার করেন সব ভুয়া, বানান , বিকৃত এবং সেটা আমি যথাযথ দলিল দস্তাবেজ সহ এ্ই আপনাদের ব্লগে প্রমান করব যদি আমার লেখা প্রকাশের স্বাধীনতা দেয়া হয় অর্থাৎ আমাকে লেখা প্রকাশের জন্য পাসওয়ার্ড দেয়া হয়। সেটা না করে , ফালতু বক্তব্য দিয়ে চলেছেন কেন সেটা বুঝলাম না। যাহোক, আপনাদের সাহস আমার বোঝা হয়ে গেছে। আপনাদের বললাম অন্য ব্লগে চলুন সেটাও গ্রহন করলেন না। এই আপনাদের বিদ্যার দৌড় ? এ্রই আপনাদের বিশ্বাসের জোর  ? আপনাদের সুযোগ ছিল আপনাদের বক্তব্য সত্য ও যৌক্তিক প্রমান করার। কিন্তু সেটা গ্রহন করলেন না, এর মাধ্যমে এটাই প্রমানিত হলো যে -- আপনারা আমার সাথে বিতর্ক করার যোগ্য নন ও আসলে ভীষণ ভয় পেয়ে গেছেন আসল গোমর ফাক হয়ে যাওয়ার আশংকায়।  আর দেখুন এটাই হলো তথ্য প্রবাহের অবাধ সুযোগের ক্ষমতা। এভাবে এখানে এই খাচায় আপনাদের মনের মত ইসলাম প্রচার করে আর বিশেষ সুবিধা হবে না , মানুষের চোখ কান এখন খোলা যে কেউ যে কোন তথ্যই অতি সহজেই জোগার করে ফেলতে পারে কম্পিউটারের একটি মাত্র ক্লিকে।
    ধণ্যবাদ আপনাদের অজ্ঞতা ও মূর্খতা প্রকাশ করার জন্য।

    1. 21.1
      আহমেদ শরীফ

      এটাই প্রমানিত হলো যে — আপনারা আমার সাথে বিতর্ক করার যোগ্য নন ও আসলে ভীষণ ভয় পেয়ে গেছেন আসল গোমর ফাক হয়ে যাওয়ার আশংকায়।  আর দেখুন এটাই হলো তথ্য প্রবাহের অবাধ সুযোগের ক্ষমতা। এভাবে এখানে এই খাচায় আপনাদের মনের মত ইসলাম প্রচার করে আর বিশেষ সুবিধা হবে না , মানুষের চোখ কান এখন খোলা যে কেউ যে কোন তথ্যই অতি সহজেই জোগার করে ফেলতে পারে কম্পিউটারের একটি মাত্র ক্লিকে।
      ধণ্যবাদ আপনাদের অজ্ঞতা ও মূর্খতা প্রকাশ করার জন্য।

      ধন্যবাদ।

      বরং পরিশেষে আরো একবার এটাই প্রমাণিত হল যে মন্তব্যাকারে উম্মুক্ত বিতর্ক করার সুযোগ পেয়েও 'মুক্তমনা' রা কিভাবে নিজের অজ্ঞতা প্রকাশে নগ্ন হয়ে পড়ার ভয়ে অনেক তর্জনগর্জন করেও শেষ পর্যন্ত পশ্চাদপসরণ করতে বাধ্য হয়। নিজেদের ব্লগকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রেখে অন্যান্য ব্লগে তারা এসে বলার সুযোগ পেয়েও নিজ বক্তব্য বিস্তারে বার বার ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে শুধুমাত্র যৌক্তিক-তথ্যভিত্তিক মননশীল বিতর্কে অপরাগতা-অক্ষমতার কারণে। তবে তাদের নিজস্ব বদ্ধ খাঁচায় বসে বসে অবাধে নিজস্ব মিশন 'ইসলামবিদ্বেষ' প্রচার আর আগের মতো নিরাপদ নয়, কারণ মানুষের চোখকান খোলা থাকায় তথ্যপ্রযুক্তির অবাধ এই যুগে 'ইসকনওয়ালা' দের সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়ানোর দিন শেষ হল বলে। 'বিজ্ঞানমনষ্কতার' নামে নাস্তিকতার পচা পাঁচন মিশিয়ে ভুলভাল তথ্যভরা নিজস্ব ঢঙে পরিবেশিত অপবিজ্ঞান, 'মানবতাবাদ' এর গান গেয়ে নিজ ধর্মাবলম্বীদের আজগুবি জীবনাচার-কুসংষ্কার-জাতপাতকে সযত্নে কৌশলে একপাশে রেখে অন্য সম্প্রদায়ের সশ্রদ্ধ বিশ্বাসকে অমানবিক-অশ্লীলভাবে পদদলিত করা, 'মুক্তচিন্তা' 'নাস্তিকতা' ইত্যাদির নাম দিয়ে একমাত্র ইসলাম ও মুসলিমদের সুনির্দিষ্টভাবে টার্গেট করে 'ইসলামবিদ্বেষ'কেই একমাত্র জীবনের লক্ষ্য জ্ঞান করে দিবারাত্রি ইসলাম ও মুসলিমের বিরুদ্ধে জঘন্য কুৎসা-কটুক্তি-বিষোদগার-বিদ্রুপের নাটের গুরুরা _ আপনাদের দিন শেষ। জনগণের সামনে এতদিনের ছদ্মনামের আড়ালে লুকিয়ে থাকা সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষী ভয়ংকর চেহারা এখন স্পষ্ট হতে শুরু করেছে, দিনে দিনে আরো স্পষ্ট হবে। পালাবার পথ নেই, আজ হোক কাল হোক, জনতার আদালতে দাঁড়াতেই হবে। অচিরেই।

      আর 'সদালাপ' ও এর লেখকরা স্বয়ং আল্লাহর দরবারে দায়বদ্ধ, অনলাইনে 'ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার' এর যে কোন অপচেষ্টা সাধ্যের শেষ পর্যন্ত প্রতিহত করতে _ আর এই দায়বদ্ধতার পবিত্র বন্ধনে এখনো 'সদালাপ' এক পরিবারের মতো আছে, ইনশাআল্লাহ থাকবে।

    2. 21.2
      শাহবাজ নজরুল

      পাগলের প্রলাপ ভালই চালাচ্ছেন। এই পোস্টে এ নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে আপনার সাথে। আর আপনি Fair and Square আপনার পয়েন্ট প্রমানে ব্যর্থ হয়েছেন। আপনি দিচ্ছেন নিজের মনগড়া ব্যাখ্যা। আপনি নিজেই স্বীকার করেছেন যে ইসলামী স্কলারশিপ থেকে আপনি সরাসরি প্রমান দেখাতে পারেননি যে 'ধর্মের ব্যপারে বাড়াবাড়ি নেই' এই ধারা রহিত হয়ে গেছে। আপনার পাগল ও বিকারগ্রস্থ মস্তিস্কে এটা মনে হতে পারে -- তবে ইসলামী স্কলারশিপে এসব সাপ-ব্যাঙ গল্পের কোনো স্থান নেই। এগুলো পাগলের প্রলাপ বলে ভাগাড়ে নিক্ষিপ্ত হবে। তাই ভাগাড়ে নিক্ষিপ্ত আপনার হাস্যকর যুক্তি নিয়ে আপনি সুখনিদ্রা যান না কেন -- কেউ তো মানা করছে না। কেন এখানে এসে বারবার পাগলা কুকুরের মত ঘেউ ঘেউ করছেন আর বলছেন -- আমি সবাইকে চ্যালেঞ্জ করি। আপনি চ্যালেঞ্জ আগে দিয়েছেন এবং তা প্রমানে ব্যর্থ হয়েছেন। তবে আবার কেন একই বেসুরো গানা গাচ্ছেন?

      যাইহোক, আপনাকে আরেকটা সুযোগ দেয়া হলো -- ইসলামী স্কলারশিপ থেকে সরাসরি প্রমান দেখান যে ৯.৫ দ্বারা ২.২৫৬ রহিত হয়ে গেছে। একেবারে ভার্বেটিম প্রমান চাই। না পারলে আপনার প্রস্তাবনা এখানেই মাটি চাপা পড়লো। এর পরেও আর্তনাদ করলে তা পাগলা কুকুরের তর্জন গর্জনের চেয়ে বেশি কিছু বলে গণ্য হবেনা। সিদ্ধান্ত আপনার।

  19. 20
    বিদ্রোহী

    আমাদের নবী(স) সত্য নবী, এটা প্রমাণ করে দিতে হবে, কোরান ও হাদিস ছাড়া। আর একজন মুমিন খুব সহজেই প্রমাণ করে দিতে পারে।

    কিভাবে সেটা পারে ? অন্ধবিশ্বাসের দ্বারা ? নাকি অন্য কোন সাক্ষ্য আছে ?

    1. 20.1
      মোঃ তাজুল ইসলাম

      একজন প্রকৃত মুসলমান অন্ধ-বিশ্বাসে বিশ্বাসী হয় না। ‘অন্ধ-বিশ্বাস’ ঈমান ধ্বংস করে দেয়। সহজ ও সরলভাবে প্রমান করা যায়, নবী(স) সত্য নবী।

      1. 20.1.1
        প্রশ্ন কর্তা

        আমাদের নবী(স) সত্য নবী, কোরান ও হাদিস ছাড়া কিভাবে সেটা প্রমাণ করা যায় একটু বলবেন বা রেফারেন্স দিবেন? একটু উপরেই তো বলা হয়েছে যে কোরান বুঝতে হলে ঈমান লাগবে। যার ঈমান নাই তার কাছে কিভাবে প্রমাণ করবেন? 

        নবী (স) সত্য সেইটা আমরা বিশ্বাস করি। কিন্তু বিশ্বাস কি প্রমাণ। একটা উদাহরণ দেই, আমি বললাম যে অমুক তমুককে হত্যা করেছে। আমি চোখে দেখি নাই, আমার বিশ্বাস করেছি। সেটা কি যথেষ্ট প্রমাণের জন্য যে অমুক তমুক কে আসলেই খুন করেছে?

        [Disclaimer: আমি ইমানদার মুসলমান] 

        1. 20.1.1.1
          মোঃ তাজুল ইসলাম

          Mobile-a ekhono bangla font install kori nai. Sorry.
          Answer is very easy to proof our prophet(s) is true prophet. First, get yourself. Who r u? Where r u? What r u? Why r u? where do u go during sleep? After getting these answer lead life with purety(100% clean). U will get answer.
          Note1: u will get help to find out those answers only from 29:69
          Note2: A pure muslim never demand him/her self of “imandar Musolman”.

        2. 20.1.1.2
          মোঃ তাজুল ইসলাম

          Choddho-nam bebohar Kore apni proman korechen, apni “imandar musolman” non.

  20. 19
    মোঃ তাজুল ইসলাম

    সালাম।
    অনেক ধন্যবাদ পরিশ্রম করে লিখার জন্য।

    আমাদের নবী(স) সত্য নবী, এটা প্রমাণ করে দিতে হবে, কোরান ও হাদিস ছাড়া। আর একজন মুমিন খুব সহজেই প্রমাণ করে দিতে পারে।

    মুক্ত-মনার নির্বোধেরা জানে, তারা যা দাবি করে এবং বলে, তার কোন ভিত্তি নেই। অহংকার আর জিদের বশবর্তী হয়েই অলীক কল্পনার ভিতরে নিজের ‘আমি’-কে ঢুকিয়ে বিদ্বেষের তামাশার খেলায় মত্ত। (২:৬-৭) যেখানে স্বয়ং আল্লাহ এদের মোহর মেরে দিয়েছেন, সেখানে আমাদের কি করার/বলার আছে? দয়াকরে, এই সকল নির্বোধদের প্রসঙ্গ চিরতরে বাদ দিন।

  21. 18
    এস. এম. রায়হান

    'বিজ্ঞান ও মুক্তবুদ্ধির চর্চাকারী' অভিজিৎ রায়ের মুক্তমনা ব্লগে মুসলিমদের সম্পর্কে বলা হয়েছে-

    বিকৃত মস্তিষ্ক, অস্বাভাবিক, অসুস্থ, উন্মাদ, মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন, অন্ধ ও বধির এক জাতীয় প্রানী, বিশ্বাসের ভাইরাসে আক্রান্ত, চূর্ণমস্তিষ্ক, জঙ্গী, সন্ত্রাসী, ইত্যাদি।

    ইসলাম ও মুসলিমদেরকে দুনিয়া থেকে চিরতরে উৎখাতের জন্য হুমকি দেওয়া হয়েছে এভাবে-

    এখন সময় এসেছে- হয় তাদেরকে সুস্থ হতে হবে, নইলে এ দুনিয়া থেকে তাদেরকে সবংশে চলে যেতে হবে। মাঝা মাঝি কোন পথ তাদের জন্য খোলা নেই। এ বিষয়টা যত তাড়াতাড়ি মোহাম্মদের অনুসারীরা বুঝতে পারবে ততই মঙ্গল্। নইলে পৃথিবী সত্যিকার অর্থে একটা ভয়াবহ ও বিশাল ধ্বংস যজ্ঞ প্রত্যক্ষ করবে অদুর ভবিষ্যতে।
     
    ইসলাম দুনিয়া থেকে চিরতরে বিদায় হওয়া এখন খালি সময়ের ব্যপার … কারন সভ্য জাতির পিঠ যখন দেয়ালে ঠেকে যাবে, নিশ্চয়ই তারা বসে বসে আঙ্গূল চুষবে না। চুষবে যে না তা আমরা আফগানিস্তান ও ইরাকের পরিনতি দেখেই বুঝেছি।

    1. 18.1
      আহমেদ শরীফ

      সনাতনধর্মীরা বসে নেই, সর্বত্র রীতিমত উঠেপড়ে লেগেছে ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে-

      Islam is is a fuckn sick religion--thanx god America/NATO slowly destroying Pakistan/Islam.

      My suggestion to all good Pakistani folks--please re-join the religion of your ancestors (Hinduism).

      Your forefathers/ancestors were all Hindu,
      you guys better leave this sick Arabic pedophile death cult (Islam) —-go back to your roots (Hinduism), otherwise no-one can save you.

      Hindu’s burn body after death—Muslims don’t, that’s why many sick sex starved people rape body of Muslims women/ girls in grave. go back to Hinduism if you want protect your asses getting raped in graveyard after ur death

      India is Rising super power of 21st century--so Re-joining Hinduism can only save Pakistan/Muslims….otherwise you guys will kill each other--even you Muslims hate each other, like Hassan Nisar/Dr Vervej Hoodbhoy(true paki scholar of 21st century) said, aap logan ki ajaan ka time different hai, shia hate sunni--sunni hate ahamadi etc

      nothing wrong in going back to your roots.

      you all pakis’s have blood of Hindu’s in your veins as your elders were all Hindu.

      contact VHP(vishwa hindu parishad)if you want re-join religion of your ancestor

      contact if you need any help
      http://vhp.org/

      Thanks
      your well-wisher

      সূত্র

  22. 17
    কায়সার মোল্লা

    অনেক পুরানো ঘটনার স্মৃতি সম্বলিত প্রবন্ধটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। ধন্যবাদ লেখককে।

  23. 16
    সরোয়ার

    মুক্তমনা আবুল কাশেমের (যার বিদ্বেষী মন্তব্যের স্ক্রিনশট এই পোস্টে দেয়া আছে) ইসলাম বিদ্বেষের গভীরতার নমুনা দেখুন:
     
    আবুল কাশেমসহ অন্যান্য পশ্চিমা ইসলাম বিদ্বেষীরা পরামর্শ করেছে কিভাবে পশ্চিমা বিশ্বকে ইসলাম-মুক্ত (Islamization) করা যায়। আবুল কাশেম সেই সিম্পোজিয়ামের এক্সপার্টের ভূমিকা পালন করেছে (কেননা সে ‘Apostates Speak Out and Beyond Jihad: Critical Views From Inside Islam নামক বইয়ের লেখক)! পশ্চিমা বিশ্বকে ইসলাম-মুক্ত করতে সে আট দফা কৌশল উত্থাপন করেছে। মুক্তমনা আবুল কাশেমের দাবীর মধ্যে ছিল-

    ১। মুসলিমদেরকে নন-মুসলিম (পশ্চিমা দেশগুলোতে) দেশে প্রবেশ করতে চুক্তিপত্রে এই মর্মে স্বাক্ষর দিতে হবে যে তারা মুসলিম ভ্রাতৃত্বে বিশ্বাস করে না (pan-Islamism)। এই চুক্তি যারা ভংগ করবে তাদের নাগরিত্ব কেড়ে নেয়া হবে এবং সাথে সাথে ইসলামিক ‘প্যারাডাইসে’ ফেরত পাঠাতে হবে।

    ২। বিধর্মীরা যাতে ইসলাম ধর্মে কনভার্ট হতে না পারে সেজন্য প্রয়োজনে আইন করে তা প্রতিহত করতে হবে!

    ৩। মসজিদ বানানো বন্ধ করতে হবে। বিদ্বেষী আবুল কাশেম মসজিদ প্রতিষ্ঠা রোধ করতে বেশ্যাখানা, সিনেমা হল, মদখানা, পর্ণ ইন্ড্রাস্টির উদাহরণ তুলে ধরেছে! তার ভাষায়

    “Please note that controlling mosques is not the same as banning them. It is similar to controlling pubs, cinema houses, brothels, and adult entertainment centres.

    তার এসব পয়েন্টে বিশ্ব ‘নন্দিত’ ইসলাম বিদ্বেষীরাও দ্বি-মত প্রকাশ করেন! সেই বৈঠকে আল-কায়েদা বিশেষজ্ঞ ড রোহান গুনারত্নেও উপস্থিত ছিলেন। উনার মতে মুসলিমদের একটি ক্ষুদ্র অংশ চরমপন্থার সাথে জড়িত। কিন্তু এই যুক্তি বাংগালী মুক্তমনা মানতে পারেনি। রেগে-মেগে একাকার অবস্থা! আবুল কাশেমের মতে গুনারত্ন হচ্ছে naïve! “Dr. Gunaratna is too simplistic in his thought” মুক্তমনা কাশেম তাকে স্মরণ করিয়ে দেন যে আসল সমস্যা হচ্ছে কোরান, হাদিস, মুহাম্মদ (সা)-কে নিয়ে! তার ভাষ্য হচ্ছে-

    Dr. Gunaratna is very naïve. He forgets that Islamist terrorism is the direct result of the stipulations of the Koran, Sunna, and Sharia. If he would read the exegeses of the Koran by eminent scholars of Islam, such as ibn Abbas, Jalalyn, ibn Kathir, Tabari, Maulana Maududi, Hilali and Khan, he would have found that none of them differ from the doctrinal bases of al-Qaeda. The reality is: the Koran firmly backs up the terror, murder, loot and barbarism of the jihadists.

    Unfortunately, there is only Islam—the Islam preached, practiced and enforced by Muhammad. The entire ummah is bound by Islamic law to emulate Muhammad in complete.

    বিস্তারিত-
    Symposium: Confronting Islamization of the West

    মুক্তমনাদের ইসলাম বিদ্বেষের নমুনা সদালাপের এই লেখাতেও পাওয়া যাবে-
    কার্ডিওলজি জার্নাল প্রসংগে ‘মুক্তমনা’র অভিজিৎ রায়ের মিথ্যাচার

  24. 15
    Md. Lutfor Rahman

    A person might be theist or atheist. He/she is free to live according to his faith. But he should not criticise religions followed by others. Some atheists criticized Islam and other religions to some extent  just hearing from others. They do not read the original text with interpretations and the reasons of revealing of those verses. They do not  ask good scholars of Islam or other religions about their questions. Islam teaches Muslims not to criticise other religions but, if invited to discuss different aspects of other religions with their scholars in an environment of dialogue and understanding. That is why muslims do not or like to attack/criticize any religions. A good muslim always prefer to set good example by following the teachings of Islam.

  25. 14
    বিদ্রোহী

    আমার জানতে ইচ্ছা করছে ইসলাম বিদ্বেষ কাকে বলে ? ইসলামের সমালোচনা করাটাই কি ইসলাম বিদ্বেষ? আর চোখ কান জ্ঞান বিদ্যা বুদ্ধি থাকার পরেও অন্ধের মত সব কিছু বিশ্বাস করে তা অনুসরন করা কি ইসলাম প্রেম ? দয়া করে কেউ ইসলাম বিদ্বেষের সংজ্ঞা দিবেন ? ইসলামের আলোচনা কোন সীমা অতিক্রম করলে তাকে ইসলাম বিদ্বেষী বলা যাবে ?

    1. 14.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      ইসলাম বিদ্বেষ বলতে ইসলাম ধর্মের প্রতি যে কোনো ধরণের ঘৃণা প্রকাশ, অসদ্ভাব, শত্রুতাচরণ, বৈরীভাব এবং আক্রোশমূলক কথা বলা বা লিখার দ্বারা অপপ্রচার প্রকাশ করাকে বুঝানো হয়ে থাকে।

      1. 14.1.1
        বিদ্রোহী

        ইসলাম কি অন্য ধর্মের প্রতি ঘৃণা পোষণ করে না ? ইসলাম কি অন্য ধর্মের সাথে সহাবস্থান সমর্থন করে বা অন্য ধর্মকে সম্মান করে  ? কেউ যদি ইসলামের কোন নেতি বাচক দিক নিয়ে প্রশ্ন করে , বা মোহাম্মদের ব্যক্তিগত তথ্যমূলক ব্যপারে বাস্তব প্রশ্ন উত্থাপন করে সেটা কি ইসলাম বিদ্বেষী হবে ?

        1. 14.1.1.1
          শাহবাজ নজরুল

          ইসলাম কি অন্য ধর্মের প্রতি ঘৃণা পোষণ করে না ?

          না করেনা। ইসলামের কথা হচ্ছে ইসলাম হাক্ক বাকি ধর্ম বাতেল বা মিথ্যা। এর মানে এই নয় যে ইসলাম বাকি ধর্মকে ঘৃণা করতে বলে। বরং 'লা ইক্রাহা ফিদ্দিন" হচ্ছে ইসলামের অন্যতম অলংঘ্যনীয় মৌলিক ধারা-যেখানে যে যার ধর্ম পালন করবে এমন নিশ্চয়তা  দেয়া আছে।

          ইসলাম কি অন্য ধর্মের সাথে সহাবস্থান সমর্থন করে বা অন্য ধর্মকে সম্মান করে ?

          ইতিহাসের প্রথম দিন থেকেই ইসলাম অন্য ধর্মের সাথে সহ-অবস্থান করে এসেছে -- অন্য অনেক ধর্মের ক্ষেত্রে যেটা ঘটেনি। 'সম্মান' মানে কী বলতে চাইছেন তা সাবজেক্টিভ। বাকি সব ধর্ম যে ভুল এ ব্যপারে ইসলামের বক্তব্য স্পষ্ট। কিন্তু নিজ ধর্ম নিজের -- এই স্বাধীনতা মনে হয় একমাত্র ইসলাম-ই দেয়। অন্য ধর্মের লোক তাদের ধর্মীয় বিধির আলোকে ইসলামী রাষ্ট্রে আদালত চালাতে পারে -- এটা মনে হয়না আর কোনো ধর্মে আছে। ইসলামে অন্য ধর্মের উপাসনালয় রক্ষার নির্দেশ আছে। এই মহানুভবটাও মনে হয়ে সব ধর্মের মধ্যে কেবল ইসলামে-ই আছে। আর 'আহলে কিতাব' বলে সুস্পষ্ট সম্মান একমাত্র ইসলাম ধর্মেই দেয়া হয় -- অন্য কোনো ধর্মে তা নেই। তাই আমার মতে সব ধর্মের মধ্যে ইসলাম-ই কেবল অন্য ধর্মকে সম্মান করে -- একথা বললে মনে হয়না অত্যুক্তি হবে।

          কেউ যদি ইসলামের কোন নেতি বাচক দিক নিয়ে প্রশ্ন করে , বা মোহাম্মদের ব্যক্তিগত তথ্যমূলক ব্যপারে বাস্তব প্রশ্ন উত্থাপন করে সেটা কি ইসলাম বিদ্বেষী হবে ?

          ইসলামে নেতিবাচক দিক নেই।
          অজানা বিষয়ে আলোচনা অবশ্যই হতে পারে। তবে এক্ষেত্রে খোলা মন নিয়ে আলোচনা করতে হবে। উস্কানি যে দেয় সে আলোচনা করতে চায়না। আলোচনা করতে হবে পারস্পরিক বোঝাপড়ার মধ্যে দিয়ে। যেমন ধরুন উপরের ভবঘুরের কমেন্ট পড়ে মনে হয়না যে সে সত্যিকারার্থে আলোচনার্থী -- বরং সবাই বলবে সে উস্কানিদাতা ও বিদ্বেষীমনা। সে ঘৃণার চাষাবাদ করে। এই ঘৃণা তার জন্যে ঘৃণা বৈ কিছু দেবেনা। এটা বাচ্চা ছেলেদেরও বোঝার কথা।

        2. বিদ্রোহী

          ধন্যবাদ ভাই আপনার মন্তব্যের জন্য। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতা ভিন্ন। কোরান হাদিস সিরাত তাফসির এসব পড়ার মনে হয়েছে, ইসলাম অন্য ধর্মকে সম্মান তো দুরের কথা চুড়ান্ত রকম অসম্মান করে। আপনার দ্বীন নিয়ে বাড়া বাড়ি নেই জাতীয় বক্তব্য পরবর্তীতে বাতিল হয়ে গেছে, কিন্তু আপনারা মানুষের সামনে অসত্য প্রচার করেন ও তাদেরকে বিভ্রান্ত করেন। আর একারনেই আমি আপনাদের মত মানুষদেরকে সব চাইতে বড় ভন্ড বলে থাকি। আমি দু:খিত কথাটি বলা জন্য কিন্তু না বলে পারা গেল না। কারন দেখলাম খুব আত্ম প্রত্যয় নিয়ে আপনি আপনার মন্তব্য লিখেছেন অথচ যা ডাহা মিথ্যা ছাড়া আর কিছুই না। এ বিষয়ে প্রতিটি পযেন্টেই আপনাকে আমি জবাব দিতে পারি আর যথাযথ দলিল সহ্ প্রমান করে দিতে পারি যে আপনি যা দাবী করলেন তা সম্পূর্ন মিথ্যা, হ্যা মিথ্যা। এ বিষয়ে আমার সাথে বিতর্ক করতে চাইলে সর্বক্ষনের জন্য নয় শুধু এ বিতর্কের সময়টুকুতে আমাকে একটা পাসওয়ার্ড দেয়া হোক, যাতে আমি যখন তখন উত্তর প্রতি উত্তর দিতে পারি। এখন সাহস থাকলে আওয়াজ দিয়েন , যদি পিছ হটে যান বুঝব সাহস নেই ও আপনাদের দৌড় মসজিদ পর্যন্তই।

        3. আহমেদ শরীফ

          কোরান হাদিস সিরাত তাফসির এসব পড়ার মনে হয়েছে, ইসলাম অন্য ধর্মকে সম্মান তো দুরের কথা চুড়ান্ত রকম অসম্মান করে।

          আপনার কি মনে হয়েছে তা খুব একটা তাৎপর্যপূর্ণ নয়, কারণ কোরআন-হাদিসশাস্ত্র-তাফসির এসব অনুধাবনে দু'টো জিনিস সবার আগে দরকার। প্রথমে 'ঈমান বিল গাইব' এরপর আরবি ভাষা ও ব্যকরণ সম্পর্কীয় জ্ঞান -- যা আপনার নেই। ভিন্নধর্মী একজন সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষী হিসেবে আপনার কোরআন-হাদিস পঠন ও 'ভুলভ্রান্তি' আবিষ্কারের ব্যাপারে আপনিই প্রথম নন, আপনার আগে আরো হাজার পথিকৃৎ রয়ে গেছে। ইসলামের অপব্যাখ্যা দিয়ে স্বজ্ঞান প্রণীত আজগুবি তত্বকে নিজের মনমতো রঙে সাজিয়ে কটুক্তি-বিষোদগার করে বিশ্বের দরবারে সম্প্রদায় হিসেবে নিজেদের ও নিজেদের কোণঠাসা বিদঘুটে ধর্মের ব্রাত্য হওয়ার জ্বালা ভোলার জন্যই অকারণে ভিন্নধর্মের প্রতি আক্রমণ ও আস্ফালনের সংষ্কৃতি গ্রহণ করেছেন, কিন্তু তাতে করে নিজের পরাজিত, কুন্ঠিত, বেদনাক্লিষ্ট চেহারা ঢাকা পড়বে না।

          'চুড়ান্ত রকমের অসম্মান' করলে আপনি নির্বিঘ্নে এতক্ষণ ধরে যা খুশি বলছেন কিভাবে? আপনি নিজে একজন ভিন্নধর্মী হিসেবে ভিন্ন একটি ধর্মের বিষয়ে খুবই সামান্য জ্ঞান নিয়ে আলগা আত্মবিশ্বাসের জোরে নিজের মতকেই ধ্রুব সত্য হিসেবে নিতান্ত গলার জোরে প্রচার করার চেষ্টা করছেন যা দৃষ্টিকটুভাবে অশোভন। বিতর্কের চ্যালেঞ্জ দিচ্ছেন যে আলগা আত্মবিশ্বাসের জোরে তা নিতান্তই ফাঁকা আওয়াজ। কারণ প্রকৃত তাত্বিক আলোচনা শুরু হলে আপনার জ্ঞানের স্বল্পতা ও চিন্তাশক্তির অসারতা ধরা পড়া শুরু হলে 'ভবঘুরে', 'বিদ্রোহী'র পরে নতুন কোন একটা আইডিতে শিফট করে যথারীতি পলায়নে তৎপর হবেন সন্দেহ নেই।

          গণজাগরণ মঞ্চ তথা স্বাধীনতাপক্ষের শক্তির বিরাট ক্ষতি করেছেন আপনারা অন্তর্ঘাতমূলক দুরভিসন্ধির অপপ্রয়াসে। স্বাধীনতার চেতনায় প্রকৃত বিশ্বাসী হলে এতদিনে ক্ষ্যান্ত দিতেন। মুক্তচিন্তার নামে যথেচ্ছাচার এখনো মুসলিমদের সমাজে ব্যপকভাবে চালু হয়নি।

          ইসলাম ও মুসলিমরা 'সহনশীল' না হলে ইসলামবিদ্বেষের মূল নাটের গুরুরাসহ আপনাদের মতো ক্লীবগণ এখনো বহাল তবিয়তে আছে কি করে? থাবা বাবা (রাজিব হায়দার), আসিফ মহিউদ্দিন, নাস্তিক নবী (সানিউর রহমান) -- সব মুসলিম নামধারী ইসলামবিদ্বেষীদের ওপর হামলা হয়েছে ঠিকই, সনাতনধর্মী ইসলামবিদ্বেষী নাটের গুরু যারা মূল নাটকের বড় বড় নাট্যকার তাদের কারো ওপর কিন্তু এখনো হামলা হয়নি।

        4. বিদ্রোহী

          আহমেদ শরিফ
          এত কথা না বলে , যে আহ্বান জানালাম সাহস থাকলে সেটা গ্রহন করুন। আমাকে এখানে পাসওয়ার্ড দেয়া হোক আর তারপর দেখা যাবে কে সত্য আর কে মিথ্যা বলে। আর তা না হলে চলুন অন্য নবযুগ ব্লগে ।
          সেখানে একটা আইডি তৈরী করলেই যে কেউ লেখা পোষ্ট ও মন্তব্য করতে পারে । আপনার লেখা সেন্সরবিহীন ভাবেই সেখানে প্রকাশ করতে পারবেন। এখানে নিজেদের পরিসরে এক তরফা কথা বললে তা দিয়ে কোন কিছু্ই প্রমানিত হবে না।আপনাদের করুনার ওপর এখানে মন্তব্য করতে হয় , বিতর্ক কারো করুনার উপর নির্ভর করে হয় না।
          আপনি বললেন --

          প্রথমে 'ঈমান বিল গাইব' এরপর আরবি ভাষা ও ব্যকরণ সম্পর্কীয় জ্ঞান — যা আপনার নেই।

          আপনার এই বক্তব্য যে ইসলামকে নস্যাত করে দেয় সেটুকু বোঝার বুদ্ধিও আপনাকে আল্লাহ দেয় নি। কিভাবে জানেন ?একমাত্র আরবরা ছাড়া আরবি ভাষা ভালমতো কারও পক্ষে বোঝা সম্ভব নয় কারন সেটাই তাদের মাতৃভাষা। আর তাই ইসলাম একমাত্র আরবদের পক্ষে ছাড়া পুরোপুরি কারও পক্ষেই বোঝা সম্ভব নয়। তার অর্থ ইসলাম শুধুমাত্র আরবদের জন্য। অনারবদের জন্য নয়। আসলে ইসলাম তো নয় এটা হলো আরব সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার একটা ধর্মাশ্রয়ী রাজনৈতিক মতাদর্শ। আমরা সেটা বুঝেও না বোঝার ভান করি। আর প্রান পণে চেষ্টা করে যাচ্ছি মনে প্রানে আরব হওয়ার জন্য কিন্তু তা সম্ভব নয়।যে গাছ আরব দেশে জন্মে , তা কি বাংলার মাটিতে জন্মায় ? আর যদিও বা জোর করে জন্মান হয়, তা কি আরবের মত ফলন দেয় ? তাই মনে প্রানে আরবী না , বাঙালী হওয়ার চেষ্টা করুন। কাকের পেছনে ময়ূর পুচ্ছ লাগালে তা ময়ুর হয়ে যায় না। তাই তো আরবরা আমাদেরকে ফকির মিসকিন বলে ডাকে। এর পরেও আপনাদের মত লোক ঐ আধা সভ্য আরবদের পায়ের কাছে গিয়ে মাথা ঠুকেন। আপনাদের আত্মসম্মান বোধটাও নেই। মাথায় ঘিলু থাকলে এটুকুতেই সব বুঝে যাওয়ার কথা।
          আবারও বলছি- সাহস থাকলে আমার প্রস্তাব গ্রহন করুন আর প্রমান করুন আপনার দাবী সত্য , প্রস্তাব গ্রহন না করার অর্থই ধরে নেব , আপনাদের দৌড় মসজিদ পর্যন্ত।
           
           
           

        5. আহমেদ শরীফ

          আমাকে এখানে পাসওয়ার্ড দেয়া হোক আর তারপর দেখা যাবে কে সত্য আর কে মিথ্যা বলে। আর তা না হলে চলুন অন্য নবযুগ ব্লগে ।
          সেখানে একটা আইডি তৈরী করলেই যে কেউ লেখা পোষ্ট ও মন্তব্য করতে পারে ।

          এখানে মন্তব্য করতে কোন অসুবিধা হচ্ছে আপনার বলে তো মনে হয় না। যেভাবে করে যাচ্ছেন সেভাবেই নিজের চর্বিতচর্বণ পেশ করতে থাকুন।

          নবযুগ ব্লগ বর্ণবাদি মূর্খদের স্বর্গ না হলে সেখানে ঠিকই যেতাম, কিন্তু ধুপধুনোর উৎকট গন্ধে সেখানে গা গুলিয়ে আসছে সেজন্যে একবার ভিজিট করেই আর যাবার প্রবৃত্তি হয় নি। বরং নবযুগের লজ্জাবতী নবকুমারদের এখানে সাড়ম্বরে নিয়ে আসুন অভিষেক হয়ে যাক এখানেও।

          এখানে নিজেদের পরিসরে এক তরফা কথা বললে তা দিয়ে কোন কিছু্ই প্রমানিত হবে না।আপনাদের করুনার ওপর এখানে মন্তব্য করতে হয় , বিতর্ক কারো করুনার উপর নির্ভর করে হয় না।

          এখানে এক দুই তরফা না বহু তরফা কথা হয় যা পাঠকদের সামনে দৃশ্যমান, আর এ পর্যন্ত অনেক কিছুই 'সদালাপ' লেখকদের দ্বারা প্রমাণিত/উম্মোচিত হয়ে কিছু কিছু মহলে হতাশা-শোকের ছায়া নেমে এসেছে বলেই তো আপনার মত একজন গুণধরের এত তৎপর আস্ফালন। হাবিজাবি বাজে কথা না বলে মূল বক্তব্যে আসুন।

          অন্য ব্লগ-ফোরামের কথা জানি না তবে যতক্ষণ শ্বাস টিকে থাকে 'সদালাপ' ইসলামবিদ্বেষীদের ক্রনিক 'দুঃস্বপ্ন' হয়েই থাকবে।

        6. আহমেদ শরীফ

          আপনার এই বক্তব্য যে ইসলামকে নস্যাত করে দেয় সেটুকু বোঝার বুদ্ধিও আপনাকে আল্লাহ দেয় নি। কিভাবে জানেন ?একমাত্র আরবরা ছাড়া আরবি ভাষা ভালমতো কারও পক্ষে বোঝা সম্ভব নয় কারন সেটাই তাদের মাতৃভাষা। আর তাই ইসলাম একমাত্র আরবদের পক্ষে ছাড়া পুরোপুরি কারও পক্ষেই বোঝা সম্ভব নয়।

          বোঝাই যাচ্ছে যে যাদের 'কীর্তি' ব্যবচ্ছেদ করে পোস্ট দেয়া হয়েছে তাদের ‘ভাবমূর্তি’ উদ্ধারের তৎপরতা ভালভাবেই শুরু হয়েছে। তবে আপনার আক্রমণ ভঙ্গির অসংলগ্নতাগুলো আমুব্লগের এক 'শর্মা'র কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। তিনিও নিজের  'হাইপার এ্যাকটিভ' ভাবমূর্তি তুলে ধরার নেশায় আপনার মতোই নির্বোধসদৃশ উক্তি করে লোক হাসিয়ে প্রচুর বিনোদন দিতেন। ইনফ্যাক্ট তিনি স্বঘোষিত সুরাসেবী হিসেবে সুরা সেবন করেই বেধড়ক বল্গাহীন মন্তব্যঝড় সৃষ্টিতে মেতে উঠতেন, সুরার প্রভাবে শেরশায়েরি জাতীয় পোস্ট দেবার শখও ছিল।

          তো যাই হোক এখানে কোথাও আমি বলিনি যে 'আরবদের মতো করে' আরবি বুঝতে হবে। সেরকম না বুঝেও যে আরবি ভাষা বোঝা যায় তার প্রমাণ দীনেশচন্দ্র সেন। আরবি বোঝারও আগে চাই 'ঈমান বিল গাইব' _ যা আপনার নেই। পবিত্র কোরআনের শুরুতেই বলা হয়েছে 'এই কিতাবের সত্যতা সন্দেহের উর্ধ্বে, এটি খোদাভীরুদের জন্য সুস্পষ্ট পথনির্দেশ'। তো যার ঈমান আছে খোদাভীরুতা আছে সেই বুঝতে সক্ষম হবে, সে আল্লাহর জন্য সবকিছু উৎসর্গ করতে রাজি হবে। যার ঈমানই নেই তার পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়।

          ইসলাম সনাতনধর্মের মতো আঞ্চলিক ধর্ম নয়। এটি একটি প্রধানতম আন্তর্জাতিক ধর্ম। প্রতিদিন অন্যান্য ধর্ম থেকে এতে ধর্মান্তরিত হচ্ছে। অনুসারী বেড়েই চলেছে। বিশ্বমানবের কৌতূহল এই মহাগ্রন্থ 'কোরআন' সম্পর্কে অপরিসীম, এটি বিশ্বে সর্বাধিক পঠিত গ্রন্থ।

  26. 13
    আহমেদ শরীফ

    বাংলা ভাষায় ইসলামবিদ্বেষী লেখালেখির সবচেয়ে ঘিনঘিনে মূল সুতিকাগার হচ্ছে 'মুক্তমনা'। এটিতে আশ্রয় নিয়েই সবচেয়ে হিংস্র ইসলামবিদ্বেষী কলমসন্ত্রাসীরা জোট বেঁধে চরম মুসলিমবিদ্বেষী একজন বর্ণবাদী হিন্দু প্রবাসী ব্লগমালিক 'অভিজিৎ রায়' এর সাদর প্রশ্রয়ধন্য অভয়ারণ্যে অবাধে বিচরণ করে মনের সুখে প্রাণঘাতী সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়ানোর ভ্রষ্টাচারে লিপ্ত আছে। অন্যান্য ব্লগ-ফেসবুকেও 'মুক্তমনা' ব্লগের গৃহপালিত কলমসন্ত্রাসীরা বিভিন্ন ছদ্মনাম ব্যবহার করে জঘন্য সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প অনেক বছর ধরেই পারষ্পরিক যোগসাজশের মাধ্যমে চমৎকার নিষ্ঠার সাথে ছড়িয়ে চলেছেন। বাংলা ভাষায় 'মুক্তচিন্তা'/'বিজ্ঞান'/'মানবতা' ইত্যাদির দোহাই দিয়ে বিভিন্ন মতাদর্শের ধুয়া তুলে এসবের আড়ালে সবকিছুকে ছাপিয়ে আদতে চরম ইসলামবিদ্বেষ প্রচারের পেশাগত দক্ষতায় 'মুক্তমনা' নজিরবিহীন উদাহারণ সৃষ্টির দাবিদার। 'মুক্তমনা'য় মূল গায়েন অভিজিৎ রায় ও তদীয় শিষ্য 'আকাশ মালিক' জুটিই একমাত্র নক্ষত্র নন, এখানে স্বনামে, বেশিরভাগই বেনামে আরো অনেক ইসলামবিদ্বেষী লেখক রয়েছেন। 'মুক্তমনা'য় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখালিখি হলেও মূলতঃ ইসলামবিদ্বেষী লেখায় সিদ্ধহস্ত না হলে বা মাঝে মাঝে সেরকম লেখা না দিলে সেখানে লেখক হিসেবে সমাদর পাওয়া যায় না। 'ধর্মকারী' নামের বীভৎসতম কুৎসিত ব্লগটি মূলতঃ 'মুক্তমনা' প্রভাবিত-অনুরক্ত লেখকদের নিয়েই গঠিত, উভয় ব্লগে সমান তালে লেখালেখি করা সেরকম সব্যসাচী বেশ ক'জন এখনো নির্বিঘ্নেই বিরাজমান। অধুনা  'নবযুগ' প্ল্যাটফর্মটি তুলনামূলকভাবে নতুন। সম্ভবতঃ 'মুক্তমনা' সরকারীভাবে বাংলাদেশের অনলাইনে নিষিদ্ধ হয়ে যাওয়ার আশংকায় একই গোষ্ঠি কর্তৃক প্রস্তুতকৃত। এখানেও ওই 'মুক্তমনা' গণই সোৎসাহে দলেবলে একই সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে নির্বিকারচিত্তে ছড়াতে শুরু করেছে।

    'মুক্তমনা' সম্বন্ধে আগে অনলাইন ব্যবহারকারীদের একাংশ জানতেন। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের প্রবল স্রোতে 'মুক্তমনা', 'ধর্মকারী' ব্লগগুলোর ইসলামবিদ্বেষী অপতৎপরতার ভয়ংকর স্পর্শকাতর তথ্যসমূহ এখন বিপুলভাবে ছড়িয়ে যাওয়ায় বর্তমান এবং অনাগত দিনগুলোতে বাংলাদেশে তীব্র সাম্প্রদায়িক অসন্তোষ অস্থিরতার ইন্ধন সৃষ্টি, সার্বিকভাবে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হওয়াসহ আইনশৃংখলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতির সমূহ সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে -- যার বিপজ্জনক কিছু আভাস বিগত দিনগুলোতে দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছেন।

    আশার কথা, সরকার ইতোমধ্যেই শুধু ঘোষণা দিয়েই ক্ষান্ত না হয়ে কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নেয়ায় জনমনে এই গুরুতর সমস্যাটির সমাধানের অগ্রগতির ব্যাপারে প্রত্যাশার সঞ্চার হয়েছে। ইতোমধ্যে অবশ্য 'ধর্মকারী' কার্যকরভাবে নিষিদ্ধ করায় সরকার নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। 'মুক্তমনা'সহ ওপরে উল্লেখিত বাকি দুইটি ব্লগ বাংলা ব্লগস্ফিয়ারে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করতঃ সংশ্লিষ্ট অভিযুক্তদের আরো কোন নতুন প্ল্যাটফর্ম থেকে থাকলে তদন্তের মাধ্যমে সেগুলোর ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নিলেই বড় ধরণের একটি অগ্রগতি হয়েছে বলে ধরে নেয়া যেতে পারে বলে অবস্থাদৃষ্টে বিজ্ঞজনরা মনে করেন।

    1. 13.1
      বিদ্রোহী

      যারা ইসলামকে অপমান করছে তাদেরকে না হয় আইনের আওতায় বিচার করা হলো, ভাল কথা। কিন্তু যারা ইসলামের নামে কলেজ বিশ্ব বিদ্যালয় মাদ্রাসাতে ছাত্রদের মগজ ধোলাই করে তাদের উন্মাদ খুনীতে পরিনত করছে , সেসবের বিরুদ্ধে কি করতে হবে বলে আপনাদের মতামত ?
      তাছাড়া , আপনারা কি মনে করেন ইসলাম খুবই ঠুনকো একটা ধর্ম ? যে কেউ এর সমালোচনা করল আর অমনি ইসলাম ধুলিস্যাত হয়ে গেল ? তা না হলে আপনাদের এত মাথা ব্যথা কেন ? আল্লাহই তো বলেছে- তার কোরান সেই হেফাজত করবে, অর্থাৎ তার ইসলাম সেই রক্ষা করবে। সেখানে আপনি বা আপনারা তার সেই দায়িত্ব হাতে নিয়ে কি প্রকারান্তরে কুফরি করছেন না ?
      ইসলাম যদি আল্লাহর একমাত্র সত্য ধর্ম হয়, কোথায় কে সমালোচনা করল তাতে ইসলামের কিছুই যাবে আসবে না। মুহাম্মদকে নিয়ে কে কি বাজে কথা বলল তাতেও তার কিছুই আসবে যাবে না। সুতরাং আমার মনে হয় -- ধর্মানুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগে মানুষের বাক স্বাধীনতা রুদ্ধ করতে চাইলে মানুষ আরও বেশী আগ্রাসী হয়ে আরও বেশী করে ধর্মানুভুতিকে আঘাত করবে। এখন যেমন কিছু ধর্মোন্মাদ তাদের ওপর খুনের নেশায় ঝাপিয়ে পড়ছে, এমন দিন আসবে যখন তারাও পাল্টা আঘাত হানা শুরু করবে। এক তরফা মার কেউ খেতে বেশীদিন রাজি হবে না।
      তাই আমার অনুরোধ, ইসলামকে ইসলামের জায়গায় থাকতে দেন, যদি এটা আল্লাহর একমাত্র মনোনীত ধর্ম হয়ে থাকে, তাহলে সে টিকে যাবে , তা না হলে টিকবে না , এটার বিচারের ভার আল্লাহর ওপরেই ছেড়ে দিন ।

      1. 13.1.1
        আহমেদ শরীফ

        সম্প্রদায়বিশেষের ধর্মীয় অনুভূতিতে অকারণ স্পর্শকাতর আঘাতকারীগণ নিঃসন্দেহে এক ধরণের 'সামাজিক অপরাধী' এবং বাংলাদেশ তথা উপমহাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে অবশ্যই দমননীতি প্রয়োগের যোগ্য। 'প্রেক্ষাপট' চিন্তা না করে কেতাবি কথা বলে বক্তিমে ঝেড়ে লাভ নেই, বাস্তবতা চিন্তা করতে হবে।

        সার্বিক বিচারে 'ধর্ম অবমাননাকারী'দের ব্যাপারে এই দমননীতি-

        * দেশের স্থিতিশীলতা আনয়নে।
        * আরো ব্যপক সহিংসতা-দাঙ্গা-অস্থিরতা-জানমালের বিনাশরোধকল্পে।
        * তথাকথিত 'মুক্তচিন্তক'দের জীবন নিরাপদকর…
        * যুদ্ধাপরাধীদের প্রশ্নে আজ দ্বিধাবিভক্ত আপামর জনতার ইসলাম অবমাননার কারণে ক্ষোভ-সন্দেহ নিরসনে ও পুনরায় একাত্মকরণে।
        * গণজাগরণ মঞ্চের চেতনাকে আগাছামুক্ত জঞ্জালমুক্ত করতে।

        আরো অনেক ক্ষেত্রেই ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সমর্থ হবে বলে আশা করা যায়। সমস্ত জাতি যখন এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে '৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের সদৃশ প্রচন্ড স্বতঃস্ফূর্ততায় আবার এক হয়ে উঠতে যাচ্ছিল -- তখন এই অপরিণামদর্শী ইসলামবিদ্বেষীগুলোর কারণেই চলমান আন্দোলন পূর্ণতাপ্রাপ্ত হতে মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়। অল্প সময়ে এত সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠা সবকিছুকে ল্যাজেগোবরে করে ছত্রখান করার কৃতিত্ব ইসলামবিদ্বেষীদের। এই দায় ইসলামবিদ্বেষীদের নিতেই হবে এবং এই ঐতিহাসিক অবিমৃষ্যকারীদের বাকস্বাধীনতার নামে কাণ্ডজ্ঞানহীন বল্গাহীন যথেচ্ছাচারিতা বন্ধে উদ্যোগ নেয়া দেশে ও জাতির স্বার্থেই অতি জরুরি।

      2. 13.1.2
        আহমেদ শরীফ

        সুতরাং আমার মনে হয় — ধর্মানুভূতিতে আঘাত করার অভিযোগে মানুষের বাক স্বাধীনতা রুদ্ধ করতে চাইলে মানুষ আরও বেশী আগ্রাসী হয়ে আরও বেশী করে ধর্মানুভুতিকে আঘাত করবে। এখন যেমন কিছু ধর্মোন্মাদ তাদের ওপর খুনের নেশায় ঝাপিয়ে পড়ছে, এমন দিন আসবে যখন তারাও পাল্টা আঘাত হানা শুরু করবে। এক তরফা মার কেউ খেতে বেশীদিন রাজি হবে না।

        তারা বেশিদিন মার খেতে রাজি হবে না ঠিকই, কারণ তারা বেশি বিপাকে পড়লে পালিয়ে যাবে। ইতিমধ্যেই অনলাইনে ফেসবুক পেজ-ব্লগ গায়েব করে পালিয়ে যাওয়ার ধূম পড়েছে গণহারে। পাল্টা মার দেয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না বরং ১ জন মার খেলে অবস্থা দেখে আরো ১০০ জনের মাথা থেকে ইসলামবিদ্বেষীতার ভূত সিজনাল জ্বরের মতোই নেমে যাবে। ‘পাল্টা মার’ দেয়া কাপুরুষদের পক্ষে সম্ভব নয়। সেটা দিতে সুকঠিন ব্যক্তিত্ব লাগে। রাজিবের মৃত্যুর পরপর তাকে ‘শহিদ ঘোষণা’ ‘জানাজা পড়ানোর ধুম’ ‘লেখাগুলো তার নয় দাবি করা’ ‘লেখাগুলো মুছে ফেলা’ সহ এইসব অসংলগ্ন কাজকর্ম করা ব্যক্তিত্বহীনদের পক্ষেই স্বাভাবিক।

        ইসলামবিদ্বেষী 'বীরপুরুষ'দের যত আস্ফালন গর্জন ভার্চুয়াল গগনেই, বাস্তবের শক্ত মাটিতে আছড়ে পড়লেই ভার্চুয়াল বাঘ মূহুর্তে দ্রুত পলায়নপর লেজ গুটনো ভিজে বেড়াল হয়ে উধাও হওয়ার প্রাণপণ গতিকেই আঁকড়ে ধরে।

        ‘মুক্তচিন্তক’দের ব্যক্তিত্বহীনতায় অতিষ্ঠ সুপরিচিত ব্লগার ‘দেশি পোলা’র ভর্ৎসনা পোস্ট দেখুন

  27. 12
    শাহবাজ নজরুল

    বাংলা ব্লগে 'মুক্তচিন্তার' লেবাসে ইসলাম বিদ্বেষিতার নেতৃত্ব দিচ্ছে 'মুক্তমনা' ব্লগটি। এ থেকেই স্পিন অফ করে তৈরী হয়েছে 'ধর্মকারী' ও 'নবযুগ' ব্লগ। তবে মূল বিদ্বেষী সুতিকাগার হচ্ছে মুক্তমনা। আর মুক্তমনা'কে এই লক্ষ্যে প্রথম দিন থেকেই চিয়ার-লিডিং করে চলেছেন অভিজিৎ রায়। ব্যাটা 'মুক্তমনের' ভং ধরে থাকে -- তবে কোনমতেই সে মুক্তমনা নয় -- বরং সে এক ও অকৃত্রিম ইসলাম বিদ্বেষীমনা -- এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তার আগের লেখা 'বিজ্ঞানময় কিতাব' যে ফালতু যুক্তি দিয়ে ভরপুর তা সে নিজেও জানে। তাই এ নিয়ে কোনদিনও সে ওপেন ডিবেটে আসেনা। আসল মুক্তমনা হলে কিন্তু প্রতিপক্ষের কাছে ভুল স্বীকার করতে বাঁধা থাকার কথা নয় -- যদি সে আসলেই ভুল করে থাকে। অভিজিৎ প্রথম দিন থেকেই উপসংহার নিয়ে বসে আছে। তালগাছ বগলে নিয়ে ঘুরে বেড়ায় -- কিন্তু নাম নিয়েছে মুক্তমনা!!! অনেক লেখা হলো যে 'শস্যক্ষেতের' মানে কি, লেখা হলো বানু কুরায়জাতে ইহুদিরা কিভাবে দোষী হতে পারে, লেখা হলো জয়নাব বিনত জাহ্স কিভাবে উম্মাহাতুল মুমিনীন হতে পারেন, লেখা হলো বদর যুদ্ধের জন্যে কিভাবে আসলে কুরাইশ`রাই দায়ী -- কিন্তু মুক্তমনের লোকদের কি দেখেছেন প্রতিপক্ষের দেখানো যুক্তির উপর ভিত্তি করে বিতর্ককে পরবর্তী পর্যায়ে নিয়ে যেতে? কখনো না। অভিজিৎ রায় 'মুক্তমনের' অধিকারী বলে দাবি করেন -- কিন্তু কখনো এটা তাকে বলতে দেখিনি যে কিভাবে আমাদের দেয়া রিবাটালগুলো ভুল। বিতর্ককে তারা কখনো পরের স্টেজে নিতে চান না -- কিংবা হয়ত পরবর্তী পর্যায়ে নেবার মত আসলেই মাল মশলা নেই!!! কিন্তু নাম নিয়েছেন মুক্তমনা!!??!!

    তার চ্যালা 'আকাশ মালিক' যে আমুতে সবার কাছে জুতার বাড়ি খাইছে তা বাংলা ব্লগের সবাই জানেন -- সবাই এর স্বাক্ষী। দেখেছেন কি কখনো অভিজিৎকে তার 'আবু রুশদ' উপাধি তুলে নিতে। আবার মামা বাড়ির আবদার -- মুক্তমনা সাজে!!! ভণ্ডামীর জায়গা পায়না। সারা দেশরে বেকুব পাইছে -- ভাবছে যেভাবে গেলাবে সেভাবেই গিলবে। ভণ্ডের দল যত্তসব।

    রায়হান ভাই -- আপনাকে ধন্যবাদ জানানোর ভাষা নেই। এখন অনলাইনে কারা মুক্তচিন্তার নাম ভাঙিয়ে ইসলাম বিদ্বেষের সাথে জড়িত তা নিয়ে সরকার চিন্তিত। আশাকরি, এই পোস্ট থেকে ব্লগের ইসলাম বিদ্বেষীদের সম্পর্কে সরকার জানতে পারবেন।

  28. 11
    সাদাত

    ইতিবাচক, তথ্যপূর্ণ ও দলিল (রেফারেন্স) সমৃদ্ধ লেখাটির জন্য রায়হান ভাইকে অনেক ধন্যবাদ। মুক্তমনার ইসলামবিদ্বেষকে তুলে ধরে এমন একটি রেফারেন্স-সমৃদ্ধ ও তথ্যপূর্ণ লেখার অভাব ছিল। মুক্তমনার ইসলাম-বিদ্বেষের স্বরূপ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে লেখাটি ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে এতে কোন সন্দেহ নেই।

  29. 10
    করতোয়া

    আমার মতে মুক্তমনা ব্লগের লেখাগুলোর পয়েন্ট ধরে ধরে ধর্মের তথ্য ও ইতিহাসের ভিত্তিতে আমাদের পোস্ট দেয়া উচিৎ, তাতে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে।

    1. 10.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      সম্পূর্ন একমত। ইতিবাচক ও তথ্যপূর্ন দলিলসহ লেখা চাই। 

    2. 10.2
      সাদাত

      @করতোয়া:
      আপনার প্রস্তাবিত উচিত কাজটা তো সদালাপে অব্যাহত রয়েছে।
      এই লেখাটা অন্য একটি উচিত কাজ। ‘মুক্তবুদ্ধির চর্চা’র নামে ইসলাম-বিদ্বেষকে কীভাবে প্রমোট করা হয় তার স্বরূপ এখানে তুলে ধরা হয়েছে।

  30. 9
    তামীম

    এই ইসলাম বিদ্বেষীরা যখন কোন মুসলিমের সাথে কথা বলে, তখন তাদের মুখে থাকে মধু, অন্তরে বিষ। 'মুক্তবুদ্ধির চর্চা' ব্যানারের আড়ালে এরা কি পরিমাণ বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে, চাক্ষুস না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।

    ধন্যবাদ এদের এই হীন প্রচেষ্টাকে জনসম্মুখে উন্মুক্ত করে দেবার জন্য।

  31. 8
    বিদ্রোহী

    কি যে বলেন ভাই । আমি ব্যক্তিগত ভাবে উদার পন্থী। কিন্তু তাই বলে ভবঘুরের মত একটা উগ্র ধর্ম বিদ্বেষীকেও দেখতে পারি না। এই হারামজাদাটা বেশী আতলামি করে। ভাব দেখায় ওর চাইতে কেউ বেশী বোঝে না। ওর অনেক কথারই যথাযথ যুক্তি নেই তবে কিছু কিছু কথা বেশ যুক্তিপূর্ণও মনে হয়। নাসেক মানসুক নিয়ে যা বললেন -- ও যে ব্যখ্যা সেটাও কিন্তু ফেলনা নয়। সেজন্যেই বলছিলাম যদি নবযুগ সাইটে গিয়ে বিতর্ক করতেন , বিষয়টা খোলাসা হতো। আমরা অনেক কিছুই জানি না , তাই জমজমাট একটা বিতর্ক হলে তখন অনেক কিছুই খোলাসা হয়ে যায়। এখন বিতর্ক করা না করা আপনাদের ব্যপার।

    1. 8.1
      এম_আহমদ

       
      “নাসেক মানসুক নিয়ে যা বললেন — ও যে ব্যখ্যা সেটাও কিন্তু ফেলনা নয়”, আপনি কীভাবে এই assessment-এ আসলেন?  

      1. 8.1.1
        বিদ্রোহী

        “নাসেক মানসুক নিয়ে যা বললেন — ও যে ব্যখ্যা সেটাও কিন্তু ফেলনা নয়”, আপনি কীভাবে এই assessment-এ আসলেন?

        দেখুন , এই ব্লগের কল্যানে নাসিক মানসুক বিষয়টা জানা গেছে। আগে তো এর নামও শুনিনি কোনদিন। এখন এই নাসিক মানসুক বলতে যা বুঝি তা হলো -- কোন কোন আয়াত পূর্ববর্তী কোন কোন আয়াতকে বাতিল করেছে, যা আবার কোরানে আল্লাহই বলেছে। কিভাবে বোঝা যাবে কোন আয়াত দ্বারা কোন আয়াত বাতিল হবে ? এটা কিন্তু কোরানে বলা নেই যে এই আয়াত দ্বারা এই আয়াত বাতিল করা হলো। সেক্ষেত্রে নাসিক মানসুক যে বিধিটি অনুসরন করবে তা হবে নিম্নরূপ-
        একই বিষয়ের ওপর নাজিল কৃত দুই বা ততোধিক আয়াত থাকলে সর্বশেষে নাজিলকৃত আয়াত দ্বারা পূর্ববর্তী সকল আয়াত বাতিল হয়ে যাবে।
        আমরা ব্লগে কারও লেখা পড়ে সাথে সাথেই সেটা বিশ্বাস করি না। আমরা  বক্তব্য গুলো চেক করে বোঝার চেষ্টা করি সেটা সত্য না মিথ্যা। নাসিক মানসুক এর ওপর নানা ইসলামি সাইট ছাড়াও অন্যান্য সাইটে গিয়েও দেখেছি আল্লাহ যদি কোন আয়াতকে বাতিল করে অন্য আয়াত নাজিল করে তাহলে তার বিধিটা হবে উপরের মতই। ভবঘুরের এ বিষয়টা আমার কাছে যৌক্তিক মনে হয়েছে।
         

        1. 8.1.1.1
          সাদাত

          @বিদ্রোহী:

          নাসিক আর মানসুক বলে কিছু নাই।
          আছে নাসিখ এবং মানসুখ।
          এ ব্যাপারে ভবঘুরের ভুল বুঝটাই আবার তুলে ধরলেন। এ বিষয়ে একটা লেখা তৈরি করেছিলাম। কিন্তু লেখাটা হারিয়ে গেছে, ল্যাপটপ চুরি হয়ে যাবার কারণে। আবার তৈরি করতে হবে মনে হচ্ছে।

        2. বিদ্রোহী

          আপনি বলছেন নাসিক মানসুক বলে কিছু নেই। তাহলে কোরানের নিচের আয়াত দুটির অর্থ কি ?
           
          আমি কোন আয়াত রহিত করলে অথবা বিস্মৃত করিয়ে দিলে তদপেক্ষা উত্তম অথবা তার সমপর্যায়ের আয়াত আনয়ন করি। তুমি কি জান না যে, আল্লাহ সব কিছুর উপর শক্তিমান? (সূরা বাকারা -২:১০৬)
          এবং যখন আমি এক আয়াতের স্থলে অন্য আয়াত উপস্থিত করি এবং আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেন তিনিই সে সম্পর্কে ভাল জানেন; তখন তারা বলেঃ আপনি তো মনগড়া উক্তি করেন; বরং তাদের অধিকাংশ লোকই জানে না। (সূরা নাহল-১৬:১০১)
          আপনাকে বুঝতে হবে এইসব গভীর জিনিস আমরা আগে জানতাম না। জেনেছি ইন্টারনেট চালু হওয়ার পর। আমরা এটাও মনে করি যে কোন বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে হলে পক্ষ বিপক্ষ দুই তরফের বক্তব্য শোনা। তারপর নিজের বিবেক বুদ্ধি প্রয়োগ করে প্রকৃত সত্য জানা। আমাদের সম্পর্কে আগেই নেতিবাচক ধারনা করে কোন লাভ নেই। আমরা একবিংশ শতাব্দির প্রজন্ম। আমরা সব কিছুই জ্ঞান বুদ্ধি ও যুক্তি দিয়ে বুঝতে চাই ।
          খেয়াল করুন কোন রকম যুক্তি প্রদর্শন ব্যতীতই আপনি বার বার বলছেন ভবঘুরে ভুল , কিন্তু কিভাবে ভুল সেটা আপনি একবারও ব্যখ্যা করেন নি। এটা কিন্তু কোন যুক্তি খন্ডন নয়। আবার আপনি বলছেন নাসিক মানসুক বলে কিছু নেই। অথচ ইসলাম প্রচারকারী একটি সাইট কি বলছে দেখুন-
          The Arabic words 'nasikh' and 'mansukh' are both derived from the same root word 'nasakha' which carries meanings such as 'to abolish, to replace, to withdraw, to abrogate'.
          The word nasikh (an active participle) means 'the abrogating', while mansukh (passive) means 'the abrogated'. In technical language these terms refer to certain parts of the Qur'anic revelation, which have been 'abrogated' by others. Naturally the abrogated passage is the one called 'mansukh' while the abrogating one is called 'nasikh'.
           
          সূত্র: http://www.sunnipath.com/library/books/B0040P0021.aspx
          কোরানের আয়াতও একই সাক্ষী দিচ্ছে, অথচ আপনি কোন রকম ব্যখ্যা ছাড়াই দিব্বি বলে দিলেন যে নাসিক মানসুক বলে কিছু নেই।উক্ত আয়াতদুটি নিজেই কিন্তু বলছে যে আল্লাহ কিছু আয়াত বাতিল করে নতুন আয়াত নাজিল করেন। এমন কি কোন ইসলামী পন্ডিত এ ব্যখ্যা না দিলেও উক্ত আয়াত থেকেও নাসিক মানসুক অর্থাৎ বাতিলকারী আয়াত ও বাতিলকৃত আয়ত সম্পর্কে সুস্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে। অথচ আপনি স্বীকার করছেন না। তাহলে কে ঠিক ? কোরান নাকি আপনি ??
           
           

        3. সাদাত

          আরে ভাই,
           আমি বলেছি:

          নাসিক আর মানসুক বলে কিছু নাই।
          আছে নাসিখ এবং মানসুখ।

          অর্থাৎ শব্দটা নাসিক নয়, নাসিখ (Nasikh)
          মানসুক নয়, মানসুখ (Mansukh)
           দুই লাইনের বাংলা তাও বুঝতে না পেরে এতবড় কমেন্ট করে বসেছেন!

        4. বিদ্রোহী

          সাদাত
          খ এর জায়গায় ক লেখাতে কি বুঝতে খুব বেশী সমস্যা হয়েছে? ইংরেজী উদ্ধৃতিতে তো ঠিকই আছে। সেখানে তো Nasikh ও Mansukh ই আছে । নাকি সেটাও চোখ এড়িয়ে গেছে ? আচ্চা ধরুন এখন নাসিখ ও মানসুখই লিখলাম। এখন তাহলে উত্তরটা কি হবে? এগুলো কি ? বলা যাবে এখন ?

        5. 8.1.1.2
          এম_আহমদ

          আপনার উত্তরে আমি হতাশ হলাম। আপনি যে কিছুই জানেন না, তাই প্রমাণ করলেন। তবুও আপনার কথা সামনে রেখে আরেকটা উত্তর দেই। 

          এখন এই নাসিক মানসুক বলতে যা বুঝি তা হলো — কোন কোন আয়াত পূর্ববর্তী কোন কোন আয়াতকে বাতিল করেছে, যা আবার কোরানে আল্লাহই বলেছেন। কিভাবে বোঝা যাবে কোন আয়াত দ্বারা কোন আয়াত বাতিল হবে? এটা কিন্তু কোরানে বলা নেই যে এই আয়াত দ্বারা এই আয়াত বাতিল করা হলো। সেক্ষেত্রে নাসিক মানসুক যে বিধিটি অনুসরন করবে তা হবে নিম্নরূপ --একই বিষয়ের ওপর নাজিল কৃত দুই বা ততোধিক আয়াত থাকলে সর্বশেষে নাজিলকৃত আয়াত দ্বারা পূর্ববর্তী সকল আয়াত বাতিল হয়ে যাবে।

           
          আপনি বলছেন, ‘কোরানে বলা নেই যে এই আয়াত দ্বারা এই আয়াত বাতিল করা হলো’, তাই আপনি একটা থিওরি বের করে ফেলেছেন, ‘একই বিষয়ের ওপর নাজিল কৃত দুই বা ততোধিক আয়াত থাকলে সর্বশেষে নাজিলকৃত আয়াত দ্বারা পূর্ববর্তী সকল আয়াত বাতিল হয়ে যাবে! ভাইজান, আপনি কেডা, একটু খোলাসা করে বলেন?  আপনি কীভাবে কী মনে করেন, তাতে আমাদের কী যায় বা আসে? কত পাগল কতখানে থাকে, কেউ কি কিছু বললেই আমাদেরকে দৌঁড় মেরে তার সাথে বিতর্ক শুরু করে দিতে হবে? একজনের হয়ত কাজ-কাম নেই, সে vagabond –ভবঘুরে। কিন্তু সবাই কি ভবঘুরে হলে এ জগত চলবে? আপনি এখানে এসে প্রকারান্তে বলছেন, নাসেখ মানসূখের ব্যাপারে আপনি একটা থিওরি আবিষ্কার করেছেন। কিন্তু কোন কোন বই-পুস্তক পড়ে এই থিওরিতে উপনীত হলেন সে বিষয়ে কিছুই বললেন না। এমন মনগড়া থিওরি যদি আপনার হয় এবং তার কোন দলীল দস্তাবেদ থাকে না, তবে এসব পাগলামী কথায় কে বসবে? আপনি আপনার থিওরি নিয়ে থাকুন। যারা কোরানে বিশ্বাস করে না, তাদেরো তো থিওরি আছে -তারা তো এটাকে বানোয়াট মনে করে। এসব সমস্যার কি কোন সমাধান আছে? আপনি যদি গোটা কোরানটাকে মানসূখ করে নেয়ার আরেকটা থিওরি আবিষ্কার করেন, সে ক্ষেত্রে কি আমাদের কি কিছু করার আছে?  আপনার প্রথম এবং শেষ শিক্ষক যদি ভবঘুরে হয়, তবে তাতেও আমাদের করার কিছু নেই। আপনি বলছেন:

          আমরা ব্লগে কারও লেখা পড়ে সাথে সাথেই সেটা বিশ্বাস করি না। আমরা  বক্তব্য গুলো চেক করে বোঝার চেষ্টা করি সেটা সত্য না মিথ্যা। নাসিক মানসুক এর ওপর নানা ইসলামি সাইট ছাড়াও অন্যান্য সাইটে গিয়েও দেখেছি আল্লাহ যদি কোন আয়াতকে বাতিল করে অন্য আয়াত নাজিল করে তাহলে তার বিধিটা হবে উপরের মতই। ভবঘুরের এ বিষয়টা আমার কাছে যৌক্তিক মনে হয়েছে।

          আপনি যদি ব্লগে কারও লেখা পড়ে বিশ্বাস করেন না এবং চেক করেই পড়েন, তবে ভবঘুরের লেখাটা কার লেখার সাথে চেক করে পড়লেন এবং কীভাবে তা যৌক্তিক মনে হল? কোন সাইটটা আপনাকে বলেছে একই বিষয়ের ওপর নাজিল কৃত দুই বা ততোধিক আয়াত থাকলে সর্বশেষে নাজিলকৃত আয়াত দ্বারা পূর্ববর্তী সকল আয়াত বাতিল হয়ে যাবে,  উক্ত সাইটের বিবরণ কিভাবে দেক করে নিয়ে সেই সত্য হজম করলেন? কথা আরেকটু চালান, দেখি if you worth my time. আব্দুল আজিজ না আব্দুল হক নামের একজন এই সব নিয়ে কিছু কথা শুরু করেছিল। আমি বলেছিলাম, আপনি কি জানেন তা বলেন (exactly মনে নেই তবে এমনটি বলেছিলাম)।. সে আর ফিরে আসে নি।
           
          আরেকটি কথা। আমরা প্রায় সবাই আমাদের নিজেদের নিজ নাম ও পরিচিতি নিয়ে কথা বলি। কিছুই লুকানো নয়। আল্লাহ আমাদেরকে এই সাহস দিয়েছেন যে জয় পরাজয় উভয়কেই আমরা মেনে নিতে পারি। আপনার পক্ষে এটা কি বলা সম্ভব যে আপনি পৈতৃক সূত্রে খাটি নাস্তিক, না খাটি হিন্দু, না খাটি মুরতাদ? আপনার পরিচয় ব্যক্ত করলেও আমার কাছ থেকে কোন prejudicial কথা পাবেন না। কথার স্বার্থে কথা বলার সময় আমার নেই। খামাখা বিতর্ক করারও সময় নেই। বিতর্কের জন্য উভয় পক্ষের subject oriented জ্ঞানের প্রয়োজন হয়, referential কথা বলতে হয়, না হলে আলোচনায় কোন আনন্দ থাকে না। ফালতু ঝগড়া হয়।
          ধন্যবাদ 

        6. শাহবাজ নজরুল

          আহমেদ ভাই "নাই শিয়াল দেশে মোরগ প্রধান" -- আমাদের বিদ্রোহী, ভ্যাগাবন্ড, ভবঘুরে, আব্দুল হক, কায়সার আহমেদ, ভোরের হাতছানি …. ইত্যাদি নানা লোকের (নাকি একই ব্যক্তি!!!) সমস্যা এখানেই। গর্ভবের ব্লগে লেখে, ২ পাতা পড়েই নিজেকে ডক্টরেট ভাবে আর সারা দুনিয়ারে ভাবে গবেট। ওই ছাগল গুলার ব্লগে একদল নটি আবার তৈরী থাকে -- কিছু কথা ছাড়লেই "তালিয়া বাজে"; তখন এরা ভাবে … "আহাহা কি হনুরে!!!" এই ছাগলগুলা আসলেই ছাগল -- তাই নিজে যে ছাগল তা বোঝে না!!! কথায় আছে না -- পাগলে কিন্তু নিজেরে পাগল ভাবেনা -- আর একইভাবে ছাগল ও জানেনা যে সে ছাগল। সাদাত ভাইয়ের এই কথা --

          নাসিক আর মানসুক বলে কিছু নাই।
          আছে নাসিখ এবং মানসুখ।

          বোঝার মত এন্টেনা যার নাই … সহজ বাংলা যে বোঝেনা … সে ভাবে নিজে বিদ্যাসাগর হয়ে বসে আছে। কোথায় যাবেন বলেন? এই ছাগলডারে পারলে আপনি একটু সামলান। আগে মহি ভাইয়ে পোস্টে হুদাই এই ছাগলের পেছনে অনেক সময় নষ্ট করছি।

        7. বিদ্রোহী

          এস আহমদ ভাই
          ধন্যবাদ দীর্ঘ উত্তরের জন্য।অনেক কথাই বললেন। ভাবলাম আসল কথাটা কিছূ বলবেন।  কিন্তু কিছুই বললেন না। তাই কিছুই বুঝলাম না।  বড়ই দু:খ পাইলাম।

        8. বিদ্রোহী

          শাহবাজ নজরুল

          বোঝার মত এন্টেনা যার নাই … সহজ বাংলা যে বোঝেনা …

          আপনার বোঝার এন্টেনা বুঝি বিশাল বড়? তা কিন্তু আপনার লেখায় কোথাও বোঝা যায় নি।
          নাসিখ ও মানসুখ লিখতে খ এর জায়গায় ক লেখাতে এমন কি মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে গেল ? যাহোক , একজন জ্ঞানী মানুষের মত আসল বিষয়টা ধরে উত্তর দিয়ে দিলেই তো ল্যা্ঠা চুকে যেত। তাই নয় কি ? নাসিক ও মানসুক বলতে যে নাসিখ ও মানসুখ বুঝিয়েছি সেটুকুই যখন বুঝতে পারেন নি তখন আপনার বোঝার এন্টেনা যে কত বড় তা কিন্তু এ সব পাঠকরাই বুঝে গেছে।  কথায় বলে না, খালি কলস বাজে বেশী !!!

        9. আহমেদ শরীফ

          আপনার নবযুগ দেখছি 'মুক্তমনা'রই 'বি' টিম! রাতদিন ইসলামের বিষোদগারে লেগে থাকা ছাড়া আর কোন কাজ নেই আপনাদের, যেন দুনিয়ায় ইসলামই সবচেয়ে বড় সমস্যা। গুণধর লেখকবৃন্দের সংখ্যা খুব বেশি নয় আর লেখার স্টাইলগুলো দেখে বোঝা যায় হাতেগোণা কয়েকজনই বিভিন্ন ছদ্মনামে লিখে যাচ্ছে। পরিচালকবৃন্দ আগে থেকেই স্বনামধন্য, এক নজরে পরিচালকবৃন্দ-

          নবযুগ ব্লগের বর্তমান ব্যবস্থাপনা কমিটি:

          ১) আবুল কাশেম
          ২) সৈয়দ কামরান মির্জা
          ৩) ভবঘুরে
          ৪) মহসিনা খাতুন

          ষোলকলা পূর্ণ হতে আরো কয়েকজনের নাম লাগবে, এখানে হেভিওয়েট যোদ্ধা আরো লাগবে। যাই হোক সরকারী নিয়ন্ত্রণ শুরু হওয়ার আগাম আভাস পেয়েই নতুন ঠিকানায় হিজরত করার উদ্যোগকে স্বাগতঃ না জানিয়ে উপায় নেই। আমারব্লগে এর মধ্যেই সরকারী চিঠি এসে গেছে, স্বনিয়ন্ত্রিত না হলে ব্লগসাইটই বাংলাদেশের ওয়েবাকাশে বিটিআরসি ব্লক করে দিতে পারে। তার আগেই সতর্কতামূলক স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু করাটা বুদ্ধিমানের হয়েছে সেটা বলতেই হবে।

          বাংলাব্লগ নিয়ন্ত্রনে বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে প্রেস বিজ্ঞপ্তি
           
          আমারব্লগ ডট কম (http://www.amarblog.com) ২১ মার্চ ২০১৩ সকালে বাংলাদেশ বিটিআরসি(http://www.btrc.gov.bd) থেকে একটি ইমেইল নির্দেশ পেয়েছে।সহকারী পরিচালক স্বাক্ষরিত এ নির্দেশনায় আমার ব্লগকে বেশ কয়েকজনের ব্লগ একাউনট বাতিল এবং উল্লেখিত ব্লগারদের ব্যাক্তিগত তথ্যাদি- আই পি এড্রেস, লোকেশন, ইমেইল, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাক্তিগত নাম পরবর্তী ২৪ ঘন্টার মধ্যে বিটিআরসি কার্যালয়ে ইমেইলে জমা দিতে বলা হয়েছে! নির্দেশনামায় বিটিআরসির সহকারী পরিচালক কোন আইন কিংবা আদালতের আদেশের ভিত্তিতে এ নির্দেশ দিচ্ছেন তা উল্লেখ করেননি!

    2. 8.2
      রাতদিন

      জমজমাট একটা বিতর্ক হলে তখন অনেক কিছুই খোলাসা হয়ে যায়।-বিদ্রোহী
       
      http://www.shodalap.com/oldsite/_Debate_1.htm এখানে সদলাপের পুরাতন বিতর্ক দেখতে পারেন। 

  32. 7
    বিদ্রোহী

    আপনাদের কাছে একটা অনুরোধ জানাই। আপনাদের এ ব্লগে তো স্বাধীন ভাবে কোন কিছু লেখা যায় না , বা আলোচনা সমালোচনাও করা যায় না। নবযুগ বলে একটা ব্লগ আছে সেখানে রেজিস্ট্রি করে সাথে সাথে লেখা প্রকাশ ও মন্তব্য করা যায়। ভবঘুরে বলে যে লোকের ব্যপারে আপনারা বিশদ আলোচনা করেছেন তার একটা লেখা সেখানে আছে কোরান হাদিস তাফসির থেকে যথাযথ রেফারেন্স সহ।
    বেগম খালেদা জিয়া কর্তৃক নাস্তিক ঘোষনা ও শান্তির ধর্ম ইসলাম নিয়ে কিছু কথা
    ব্লগ সাইট: নবযুগ
    আপনাদের কেউ কি দয়া করে সেখানে তার প্রতিটা পয়েন্ট খন্ডন করবেন ? অথবা তার প্রতি উত্তর দিয়ে একটা নিবন্ধ লিখে সেখানে পোষ্ট করবেন ? তাহলেই কিন্তু আমাদের মত উদারমনা মানুষ অনেক উপকৃত হতো। সত্যি কথা বলতে কি আপনাদের এ ব্লগে তেমন কিছুই শেখা যায় না কারন সব আলোচনাই প্রায় আপনাদের এক তরফা, সামান্য মতের অমিল হলেই আপনারা তার লেখা বা মন্তব্য প্রকাশ করেন না।এক তরফা আলোচনা থেকে তেমন কিছু জানা যায় না।
     
    আপনাদের উত্তরের প্রতীক্ষায় থাকলাম।

    1. 7.1
      এম_আহমদ

       
      (১) আপনি এখানে এসে এমন এক লোকের ব্যাপারে হামসে-তুমসে দেখাচ্ছেন যে attention পাওয়ার মত কেউ নয়, নেহায়েত একজন ইসলাম বিদ্বেষী মূর্খ। ভবঘুরে তার ব্লগে নাসিক/মান্সূখের ব্যাপারে যে মূর্খ-ধারণা পোষণ করে, সেই কথাগুলো বলার জন্য ব্লগ রচনা করেছে। আগেও একবার তার ফালতু কথাবার্তা বলেছে। নাসেখ/মানসূখের ব্যাপারে তার রেফারেন্সগুলো কই? যে পারিভাষিক ও শাব্দিক অর্থে কোরান এই শব্দটি ব্যবহার করেছে –সেই আলোচনা কই? একজন আস্ত-পাগল একটা কিছু লিখলেই তার উত্তর দেয়া কি জরুরি হয়ে পড়ে?
       
      (২) সে ধানাই পানাই করে বলছে, ‘প্রকৃত পক্ষে কে কাফির আর কে কাফির না তা একমাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানে না।’ অপর জাগায় বলছে, ‘কোরান ও হাদিসে খুব পরিষ্কারভাবে বলা আছে যে -- কাফিরদের পাকড়াও করে হত্যা করতে হবে। যারা ইসলাম পরিত্যাগ করবে তাদেরকেও হত্যা করতে হবে।’ কে কাফির তা যদি আল্লাহ ছাড়া কেউ জানবে না, তাহলে কোরান তাদেরকে কীভাবে হত্যার নির্দেশ দেয়? যে বিষয় আল্লাহ ছাড়া কেউ সনাক্ত করতে পারে না, সে বিষয়ে হত্যার নির্দেশ আসে কীভাবে? (আমি এখানে আমার মত প্রকাশ করছি না, বরং তার অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলছি)।
       
      (৩) ভবঘুরে নাস্তিক শব্দকে গালি হিসেবে ধরে নিয়েছে! কেন? এটা গালি কেন? তারপর হাদিস টানছে! অথচ তার এই সামান্য জ্ঞান নেই যে বা যারা যে প্রকাশ্যে নাস্তিকতা প্রকাশ ও প্রচার করে তাদের বেলায় শব্দ প্রয়োগে হাদিসে কোরানে কোন বাধা নেই। নাস্তিকও উত্তেজিত হওয়ার কিছু নেই। প্রকাশ্যে এবং কাজে কর্মে ইসলামের বিপক্ষে কুফরি পথ অবলম্বন করে বুঝি বুখারির হাদিস দেখানো হবে, আলেম মাশায়েখরা যারা আজীবন হাদিস শিক্ষা দিচ্ছেন তাদের জন্য বুঝি ইন্টারনেট থেকে হাদিস কাট এন্ড পেস্ট করতে হবে? শহরের পোলা গ্রামে এসে বুঝি কই মাছ ধরা শিখাবে? কী স্পর্ধা! শাহবাগী নাস্তিকদের ব্যাপারে এখানে আমার মন্তব্য পড়তে পাড়েন।
       
      (৪) এই মূর্খটার দৃষ্টিতে নাকি রাজীবকে যারা হত্যা করেছে তারা রাজীবের ‘বিচার’ কোরান হাদিস মোতাবেক করেই ফেলেছে! বলছে, ‘ইবনে কাথিরের তাফসির অনুযায়ী কাফিরদের হত্যা করার এ কোরানিক নির্দেশ সর্বকালীন। এখন প্রশ্ন হলো রাজিব কি কাফির? অবশ্যই কাফির কারন সে ইসলাম ত্যাগ করে নাস্তিক হয়ে গেছে, আর তাই সে নবিকে নিয়ে কটুক্তি করেছে। সুতরাং কোরানের বিধি অনুযায়ী তার মৃত্যুদন্ড প্রাপ্য হয়ে গেছিল।’ দেখুন তো, এই মূর্খের সাথে কে কথা বলতে যাবে? নাসেখও বুঝে না, মানসূখও বুঝে না, ইসলামী আদালত কি এবং শরিয়া বিচারের ক্ষেত্রে কোরান ও হাদিসকে কীভাবে ব্যবহার করে এই মূর্খের সেইসব বিষয়ে প্রাথমিক জ্ঞানও নেই। এই ভবঘুরে আবার দেখাতে চায় ইসলাম অশান্তির ধর্ম। তার কথা মত নাস্তিক হলেই যদি মুসলমানরা ছুরি হাতে নিয়ে কলিজা বের করে দেয় তবে ইসলামী দেশগুলোতে হাজার হাজার নাস্তিক বেঁচে থাকে কীভাবে?
       
      (৫) বিদ্রোহী ভাইজান, আপনি কে? আপনি কি কোনভাবে ঘবঘুরে হবার সম্ভাবনা রাখেন? 

    2. 7.2
      সাদাত

      @বিদ্রোহী:
      না, সামান্য তো দূরের কথা অনেক বেশি মতের অমিল হলেও লেখা বা মন্তব্য প্রকাশে কোন সমস্যা হবার কথা নয়; তবে ভাষার ব্যবহার ঠিক রাখতে হবে।

      ঐ নবযুগ সাইটটা তো মুক্তমনাদেরই আরেকটা প্ল্যাটফর্ম। এটা এখানকার সকলের জানার কথা, পাবলিসিটির দরকার ছিল না। ইচ্ছে করেই কেউ সেটাকে পাত্তা দেয় না। আর তাছাড়া ভবঘুরে ঘুরে ঘুরে বারে বারে সদালাপে তো আসছেই। আমাদের যাবার দরকার কী?

  33. 6
    সুমিত

    আপনি কিভাবে নিশ্চিত হলেন যে, অভিজিৎ রায়ই বিভিন্ন নামে কমেন্ট করেন?

    1. 6.1
      এস. এম. রায়হান

      প্রথমত, আমার পোস্টে যাদের মন্তব্যের স্ক্রীনশট-সহ নাম উল্লেখ করা হয়েছে তাদের কেউই যেখানে আজ পর্যন্তও এই প্রশ্ন করেনি, তাদের কেউই কোনো পোস্ট দিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেনি, সেখানে আপনি এই প্রশ্ন করার কে? চ্যালাকে কেউ যে পছন্দ করে না, তা কি বোঝেন?
       
      দ্বিতীয়ত, আপনার এই প্রশ্নের জবাব পেতে চাইলে নিচের দুটি প্রশ্নের জবাব আগে দিতে হবে (কিছু কিছু ক্ষেত্রে কাউন্টার প্রশ্নেই উত্তর বেরিয়ে আসে):
       
      ১. 'মনিরুজ্জামান সজল' যে মুশফিক ইমতিয়াজ চৌধুরীর-ই ছদ্মনাম, সেটা অভিজিৎ রায় কীভাবে নিশ্চিত হয়েছে? অভিজিৎ রায় কীভাবে নিশ্চিত হয়েছে যে মুশফিক ইমতিয়াজ-ই তার (অভিজিৎ রায়ের) ফেসবুক আইডি ফেক করে আরেকটি আইডি বানিয়েছে? অন্য কেউও তো এই কাজ করতে পারে, পারে না কি?
       
      ২. 'সেতারা হাসেম' ও 'আ হা মহিউদ্দীন' যে এক ব্যক্তি, সেটা মুক্তমনাদের কেউ কেউ নিশ্চিত হয়েছে কীভাবে?

  34. 5
    সরোয়ার

    কিন্তু তাদের সেই অশ্লীল কথাগুলোকে সরাসরি এখানে পোষ্ট করাটা কি ঠিক হলো? জানেন তো নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি মানুষের আকর্ষণ বেশী থাকে। এখন মানুষ তো আরও বেশী ঐ সাইটে ঢুঁ মারবে বলে মনে হয়। সেটা কি ভাল হবে?

    বিদ্বেষীদের মুখোশ উন্মোচন হওয়া জরুরী, তাহলে সরকার দেশের স্বার্থে এদের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে পারবে। এরাই থাবা বাবা'র মত তরুণের মস্তক ধোলাই করে সমাজে ছেড়ে দিয়েছে। একজন ব্রেইনওয়াশড থাবা বাবা'র কারণে যুদ্ধপরাধীদের বিচারের মত যৌক্তিক দাবীর ইস্যুও স্তিমিত হয়ে গেছে। জনগণ হচ্ছে দ্বিধান্বিত। তাই বাংলাদেশে ইসলাম বিদ্বেষী প্রচারণার মাস্টারমাইন্ডকে যাতে জনগন চিনতে পারে সেজন্য তার মুখোশ উন্মোচন হওয়া জরুরী।

    আর অন্যদিকে প্রগতিশীল সুশীল সমাজের অনেকে মুক্তমনা সাইটের পৃষ্ঠপোষকতা করে বলে অভিজিৎ রায় প্রচার করেছে। আমার বিশ্বাস ঐসব সুশীল বুদ্ধিজীবিরা মুক্তমনা সাইট সম্পর্কে অবগত নন। আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি উক্ত বুদ্ধিজীবিগণ ইসলাম বিদ্বেষী নন। তাদের অজ্ঞতার সুযোগে তাদের নামকে ব্যবহার করে মুক্তমনা সাইটকে জাতে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।

    1. 5.1
      বিদ্রোহী

      এরাই থাবা বাবা’র মত তরুণের মস্তক ধোলাই করে সমাজে ছেড়ে দিয়েছে। একজন ব্রেইনওয়াশড থাবা বাবা’র কারণে যুদ্ধপরাধীদের বিচারের মত যৌক্তিক দাবীর ইস্যুও স্তিমিত হয়ে গেছে।

      নাস্তিক মুরতা্দদের ব্লগের কারনে থাবা বাবাদের সৃষ্টি হচ্ছে , সেটা ভাল কথা নয়। কিন্তু  যে  ব্লগের কারনে নাফিস বা থাবা বাবার হত্যাকারী ধর্মোন্মাদ সৃষ্টি হচ্ছে সে ব্যপারে আপনাদের কি বক্তব্য ? এসব কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়ারা কিসের লোভে ধর্মোন্মাদ খুনীতে  পরিনত হচ্ছে? কিভাবে তারা সেটা হচ্ছে, এটার জন্য দায়ী কে? যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সারা দেশের অধিকাংশ মানুষের দাবী , আস্তিক নাস্তিক কাফির মুরতাদ সবার দাবি। একজন সমর্থক নাস্তিক প্রমানিত হওয়ায় সেটাকে ইস্যু করে এই আন্দোলনের গতিকে পাল্টে দেয়ার জন্য যারা দায়ী তাদের ব্যপারে আপনাদের কি বক্তব্য ?

      পরিশেষে, আপনারা কি গণতন্ত্রে বিশ্বাসী? যদি বিশ্বাসী হয়ে থাকেন , তাহলে আপনারা যারা নাস্তিক তাদের যেমন ধর্ম প্রচারের অধিকার আছে, যারা নাস্তিক তাদেরও তেমন ধর্ম যে ভূল সেটা প্রচারের অধিকার থাকবে, তাই নয় কি ? ধর্ম বিষয়টাই যেখানে অন্ধ বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত সেখানে নাস্তিকরা যৌক্তিকভাবে তাদের বক্তব্য পেশ করে। সেটা করা মাত্রই আপনাদের ধর্মানুভুতিতে আঘাত লাগে। আপনারা যে অহরহ নাস্তিকদের গালি দেন তাতে তাদের নাস্তিকানুভুতিতে আঘাত লাগে না ? নাকি অনুভুতি একমাত্র আপনাদেরই এক তরফা?

      1. 5.1.1
        আহমেদ শরীফ

        নাস্তিক মুরতা্দদের ব্লগের কারনে থাবা বাবাদের সৃষ্টি হচ্ছে , সেটা ভাল কথা নয়।

        সেক্ষেত্রে প্রশ্ন ওঠে, জেনেশুনে বিশেষ কিছু ব্লগে-ওয়েবসাইটে জামাই আদরে তোয়াজ করে এতকাল 'থাবা বাবা'দের প্রতিপালন করা হয়েছে কেন? 'ভাল কথা নয়' জেনেও মানবতার ধ্বজাধারীরা নিজেদের প্ল্যাটফর্মে এমন কাজের অবাধ স্বেচ্ছাচারিতার সুযোগ কেন দিলেন?

        কিন্তু  যে  ব্লগের কারনে নাফিস বা থাবা বাবার হত্যাকারী ধর্মোন্মাদ সৃষ্টি হচ্ছে সে ব্যপারে আপনাদের কি বক্তব্য ? এসব কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়ারা কিসের লোভে ধর্মোন্মাদ খুনীতে  পরিনত হচ্ছে? কিভাবে তারা সেটা হচ্ছে, এটার জন্য দায়ী কে?

        আচারধর্মী নৈমিত্তিকতার নিরিখে ইসলাম ধর্মের প্রতি মুসলিমদের শ্রদ্ধা-আবেগ-আনুগত্য সাধারণভাবে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের তুলনায় অনেক বেশি এটা সবাই ভাল করেই জানে। এখন ইচ্ছাকৃতভাবে চুড়ান্ত অশ্লীল-কদর্য ভঙ্গিতে দায়িত্বজ্ঞানহীন সুতীব্র কুৎসিত বিষোদগারের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্প ছড়িয়ে একটি মুসলিমপ্রধান দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি মারাত্মকভাবে বিনষ্টের জন্য যারা দায়ী -- তাদের ব্যাপারে আপনার বক্তব্য কি? আল্লাহ খোদা বিশ্বাস করুক বা না করুক -- দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়ের হৃদয়ের সবচেয়ে স্পর্শকাতর বিষয়ে অসহনীয় আঘাত করে বিপজ্জনকভাবে স্থিতিশীলতা নষ্টের সুনিশ্চিত সম্ভাবনার ধারণা থাকা সত্বেও যারা 'বাকস্বাধীনতা' 'মুক্তচিন্তা'র দোহাই দিয়ে এইসব কাজ করে যায় -- সেসব 'শিক্ষিত' অমানুষদের আপনি কোন্‌ বিচারে সুনাগরিক বলে অভিহিত করবেন? শুধু যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চায় বলেই কি তাদের সজ্ঞানে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা সৃষ্টির ইন্ধন যোগানোর অপরাধ হালকা হয়ে যায়? তারা কিভাবে এসব করে যাচ্ছে, এসবের জন্য দায়ী কে? দায়ী ওইসব ব্লগ প্রশাসক-পৃষ্ঠপোষক যারা এই বিষবৃক্ষ লালন করেছেন। এখন মাশুল দিতে হচ্ছে, হয়তো আরো হবে।

        যে কোন মতাদর্শ প্রতিষ্ঠার বেদিমূলে বলির রক্ত দিতে হয়। তাহলে 'নাস্তিক্য মতবাদ' প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে দু'একজন বলি হলে তাতে এত অস্থির হবার কি আছে, বরং শোককে সংহত করে শক্তিতে পরিণত করেন। তা না করে ঘটনার অব্যবহিত পর থেকেই ফেসবুক-ব্লগ থেকে পোস্ট-কমেন্ট এমনকি আইডিশুদ্ধ রাতারাতি গায়েব করে চিপাচাপায় আরশোলার মত প্রাণপণে লুকিয়ে অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার ‘চাচা আপন পরাণ বাঁচা’ সদৃশ যে প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে তা যেমন রীতিমত অবিশ্বাস্য, তেমনি নাস্তিক্য সমাজের জন্য খুবই করুণ, শোকাবহ। আর অনলাইনের নিরপেক্ষ নীরব দর্শকদের জন্য কৌতুকপ্রদ।

        এই হীন মানসিকতার নগ্ন প্রকাশে এটাই কি প্রমাণিত হয় না যে বঙ্গে নাস্তিক্যের যে অধুনা ঢেউ তা নিতান্তই একটা হুজুগ, মতাদর্শিকভাবে উল্লেখযোগ্য কোন সারবস্তু নেই, নেই কোন মহত্ব-বীরত্ব, আদর্শের প্রতি আনুগত্য, নিবীর্য কাপুরুষের মতো পলায়নকামী নীরবতায় আর কি প্রমাণ হয় বলবেন? নিজেরা ‘নাস্তিক’ পরিচয়ে পরিচিত হওয়া থেকে বাঁচার জন্য নির্মমভাবে নিহত সতীর্থ সহযোদ্ধার পরিচয় পর্যন্ত পাল্টে দিয়ে অবিশ্বাসীকে ‘শহীদ’ বানানোর জন্য সে কী তৎপরতা! জানাযা পড়িয়ে ‘ইসলামী’ মোড়কে সাজানোরই বা কি প্রয়োজন ছিল? এসব কি আদর্শিক-মানবিক-ব্যক্তিত্বের দৈন্যই প্রকট করে তোলেনি? ইসলামের বিরুদ্ধে কটুক্তি বিষোদগার করে আবার সুযোগমত সুবিধা পাওয়ার জন্য ইসলামের ‘সুশীতল’ ছায়ায় আশ্রয় ঠিকই নিতে হয়।

        'নাস্তিক্য প্রতিষ্ঠা' যদি এতই মহান কর্ম হয় সেটা তো অনেক মানবিকভাবে যুক্তির নমনীয় সৌন্দর্যমন্ডিত শাণিত তরবারী দ্বারা ধীরে ধীরে সুকুমার-সুললিতভাবেও করা যেত, নোংরা নর্দমার ভাষায় সম্প্রদায়বিশেষের শ্রদ্ধার স্পর্শকাতর জায়গাটিতে পাশবিকভাবে কদর্য অশ্লীল ক্লেদ ছড়িয়ে কোন্‌ 'মহান দায়' উদ্ধার হয় তা বুঝিয়ে বলবেন কি? এখন এইসব নোংরামির শাস্তি সরকারী-'বেসরকারী' উভয় ক্ষেত্রেই পেতে হচ্ছে, হবে। সাধারণ জনগণ যখন জেনে গেছে তখন খবর আছে। আগে হাজারজোড়া চোখ থাকলে এখন লক্ষ জোড়া চোখ অনলাইনে। আজ হোক কাল হোক ছদ্মনাম ব্যবহার করে বদমায়েশি করার সাজা পেতেই হবে।

        বাস্তবতার মাটিতে পা রাখুন। বই-অনলাইন-স্বপ্ন-কল্পনার জগত-আদর্শলিপি এসব নিজস্ব জায়গায় একরকম, বাস্তবের মাটিতে একেবারে অন্যরকম। বাস্তবে স্থান-কাল-পাত্র খুব হিসেব করে বিবেচনা করতে হয়। স্বপ্ন আর বাস্তবের তফাত যত তাড়াতাড়ি উপলব্ধি করা যায় ততই মঙ্গল। নাহলে স্বপ্ন থেকে বাস্তবের কঠিন প্রস্তরময় মাটিতে আছড়ে পড়লে স্বপ্নভঙ্গ ও কোমরভাঙ্গার তীব্র বেদনায় ভেউ ভেউ করে কাঁদা ছাড়া উপায় থাকবে না।

      2. 5.1.2
        MOHAMMAD ISLAM

        প্রত্যেক ধর্মপালনকারি ই একজন আস্তিক।আপনি নাস্তিক,নাস্তিকতা করেন সমস্যা নাই।ইসলামবিদ্দেসিতা কইরেন্না।আপনার ধর্মে ভুল ধরার শখ হিন্দু ধর্মে ধরেন,খ্রিস্টান ধর্মে ধরেন,বৌদ্ধ ধর্মে ধরেন আর না পারলে নাস্তিকের ডারউইন মতবাদে ধরেন এদের অনুসারিরা আপনাকে কিছুই বলবেনা। কারন তাদের নিজেদেরই নিজের ধর্মে পরিপূরণ আস্থা,বিশ্বাস ও ভালবাসা নাই।কিন্তু আল্লাহ swt মনোনিত একমাত্র পূর্ণাংগ জীবন বিধান ইসলাম ধর্মের মিথ্যা ভুল ধরে কুৎসা অপপ্রচার কইরেন্না।কারন ইসলাম ধর্মের অনুসারি মুসলমানেরা নিজের বাবা-মা,এমনকি নিজের জানের চেয়ে ও বেশি ইসলামকে ভালবাসে।যদি এক বাপের সন্তান হয়ে থাকেন,মাথায় জ্ঞ্যান-বুদ্ধি কিছু থেকে থাকে ও যুক্তি মেনে-বুঝে থাকেন ইসলামে সত্যিকারের ভুল ধরিয়ে দেন।ইসলাম ধর্মে একটা ভুলও ধরাতে পারবেননা ইং শা আল্লাহ।

  35. 4
    বুড়ো শালিক

    বাকিদের কথা তেমন জানি না, কারণ তাদের সাথে আমার কখনো সরাসরি কথা হয় নাই। তবে আকাশ মালিক সম্পর্কে জানি কিছুটা, কারণ তার সাথে আমারব্লগে বেশ কয়েকবার কথাবার্তা হয়েছে। এই লোকের মতো হিপোক্রিট, ফ্যাক্ট টুইস্টার দুনিয়ায় আর একটা আছে কি-না সন্দেহ। তার পাতায় পাতায় জলজ্যান্ত মিথ্যা ভরা বই যে সত্য বলা হয়নিকে যুক্তি ও রেফারেন্সের মাধ্যমে উপর্যুপরি ঘায়েল করা সদালাপের লেখক সাদাতের দেয়া পোস্টগুলো (, , , ) ব্লগস্ফিয়ারে আসার পরে এবং সবার দ্বারা সেই পোস্টগুলো তার লেখায় ও বিভিন্ন জায়গায় কমেন্টের উত্তরে পচানিস্বরূপ দেয়ার ফলে সেই বেচারা লেখালেখি ছেড়ে নিরুদ্দেশ হবে বলে আমার ধারণা ছিলো। তবে সে ধারণা যে ভুল ছিলো তা প্রমাণিত হলো। আর হবে না-ই বা কেন? মুক্তমনা (!) বলে কথা!
     
    আর এই কুৎসিত মিথ্যায় পূর্ণ বই যে সাইটে নির্বাচিত বই হিসাবে প্রোমোটেড হয়, মুক্তমনা অ্যাডমিন নামে যে সাইট থেকে এই বইয়ের প্রশংসাসূচক লেখা আসে, সে সাইটও যে এই বইয়ের মতোই মুক্ত(!)চিন্তার সাইট হবে বলাই বাহুল্য।
     
    আসলে তাদের চিন্তা মুক্তই। একটু বেশিই মুক্ত আর কি! ফিজিক্স বইয়ে মুক্তিবেগের কথা পড়েছিলাম। এই বেগে কোন কিছুকে ছুঁড়ে মারলে নাকি তা পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরণ ছাড়িয়ে চলে যাবে মহাশূন্যে। এই মুক্তমনারা মুক্তচিন্তা (!) করতে করতে কখন যে তাদের মাথার ঘিলু, যুক্তিবোধ, চিন্তা করার ক্ষমতাকে মুক্তিবেগে ছুঁড়ে দিয়েছে, নিজেরাও মনে হয় জানে না! নতুবা কোন সুস্থ মানুষের পক্ষে এভাবে একটা নির্দিষ্ট ধর্ম ও তার ধর্মপ্রচারকের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে বিদ্বেষ ছড়ানো সম্ভব না বলেই মনে করি।

    1. 4.1
      করতোয়া

      ১০০% সহমত। আমার অনেক প্রশ্নের জবাব তারা আজো দেয় নাই। এখানে মুক্তবোদ্ধার বিচরণ হয় না বরং সেখানে কিছু মুক্ত গাধা চড়ে বেড়ায়।

  36. 3
    Abu Bakar

    আসলেই এসব তথাকথিত মুক্তমনাদের দুর্দিন যাচ্ছে ইদানিং। সবাই কেমন যেন গা ঢাকা দিয়েছে। কিন্তু তাদের সেই অশ্লীল কথাগুলোকে সরাসরি এখানে পোষ্ট করাটা কি ঠিক হলো? জানেন তো নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি মানুষের আকর্ষণ বেশী থাকে। এখন মানুষ তো আরও বেশী ঐ সাইটে ঢুঁ মারবে বলে মনে হয়। সেটা কি ভাল হবে?

    1. 3.1
      এস. এম. রায়হান

      মানুষ আরও বেশী ঐ সাইটে ঢুঁ মারবে -- এই ভয়ে 'মুক্তবুদ্ধির চর্চা' ও 'বিজ্ঞান-মনষ্কতা'র দোহাই দিয়ে যারা অসচেতন তরুণ প্রজন্মের মস্তক ধোলাই করে অপরাধ জগতে ঠেলে দিচ্ছে তাদের মুখোশ উন্মোচন করা থেকে বিরত থাকবেন?

      1. 3.1.1
        Abu Bakar

        মগজ ধোলাই আর কিভাবে করবে। মানুষ এখন সহজেই যে কোন তথ্য পেয়ে যায় আর বুঝতে পারে কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা। মুক্তমনাতে কিছু ভণ্ড বদমায়েশ কি লিখল আমাদের নবী সম্পর্কে, সরাসরি সেটাই যদি এ ব্লগে প্রকাশ করা হয়, সেটা কেমন যেন একটু খারাপ দেখায়, এটাই বলতে চেয়েছিলাম। তবে যাইহোক, বর্তমানে যে কোন সমালোচনার জবাব যৌক্তিক ভাবেই দেয়া উচিত। এটাই আমি মনে করি।

        1. 3.1.1.1
          এস. এম. রায়হান

          মুক্তমনাদের গুরু এগুলোকে 'মুক্তবুদ্ধির চর্চা' হিসেবে চালিয়ে দিয়ে উল্টোদিকে ইসলামে বিশ্বাসীদেরকে ধর্মান্ধ, চূর্ণ মস্তিষ্ক, প্যারাসাইট, সন্ত্রাসী, ভাইরাসে আক্রান্ত, বিদ্বেষী, ইত্যাদি ট্যাগ করছে। ফলে সে 'মুক্তবুদ্ধির চর্চা' বলতে আসলে কী বুঝায় সেটা যদি প্রমাণ-সহ না তুলে ধরা হয় তাহলে লোকজন জানবে কী করে, তাই না?

  37. 2
    সাদাত

    এভাবেই মুক্তবুদ্ধির চর্চা, মুক্তচিন্তার চর্চা, বিজ্ঞান চর্চা, বাক-স্বাধীনতা, ইত্যাদির দোহাই দিয়ে অভিজিৎ রায় তার বিশ্বস্ত কিছু অনুসারী নিয়ে নামে-বেনামে চালিয়ে যাচ্ছিলেন তার ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী মিশন। কিন্তু এখন সময় খারাপ। একদিনের বন্ধুরাও এখন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে এই সব ঘৃণা উৎপাদকদের দিক থেকে। কারণ, একটা কথা সবাই বোঝেন- সভ্য সমাজে নাস্তিকদের ঠাঁই হলেও উগ্র সাম্প্রদায়িক ও কুৎসিত মানসিকতার ধর্ম বিদ্বেষীদের ঠাঁই নাই।

    দারুণ বলেছেন।

  38. 1
    সরোয়ার

    লেখাটিকে স্টিকি করা হোক। দেশে শান্তি কায়েমের স্বার্থে এধরণের বিদ্বেষী বা হেটমুঙ্গারদেরকে উন্মোচন করা জরুরী, কেননা এরা ‘মুক্তবুদ্ধির চর্চা’র নামে তরুণদের মগজ ধোলাই করে থাকে। থাবা বাবা হচ্ছে এদেরই একটি প্রডাক্ট।

    এই লেখার জন্য  এস এম রায়হান সাহেব  সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি, কেননা উনি দীর্ঘদিন যাবত মুক্তমনা সাইটের সাথে পরিচিত। লেখককে ধন্যবাদ।

  1. 0
    অভিজিতের মৃত্যু এবং আমার অনুভূতি | স্বপ্নচূঁড়া

    […] নিচের লিংকে অভিজিতের ব্লগ বিষয়ে একটি … […]

  2. -1
    অভিজিতের মৃত্যু এবং আমার অনুভূতি | স্বপ্নচূঁড়া

    […] নিচের লিংকে অভিজিতের লিখা একটি পোষ্ট […]

  3. -2
    Bangladeshi-American Blogger Hacked to Death in Dhaka - Global Voices Advocacy

    […] theke Mahabiswa” (From Vacuum to the Great World). His writing and blogging had evoked the ire of religious extremists, and he received regular threats from Islamist groups. He often spoke out against Islamist groups, […]

Leave a Reply to ইমরান হাসান Cancel reply

Your email address will not be published.