«

»

Nov ২৯

এক নজরে গীতা ও কৃষ্ণ

হিন্দু ধর্মে একক বা স্বয়ংসম্পূর্ণ কোনো ধর্মগ্রন্থ নেই। ঋগ্বেদ দিয়ে এই ধর্মের যাত্রা শুরু। অতঃপর শত শত বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে আরো তিন খণ্ড বেদ (যেমন: যজুর্বেদ, সামবেদ, ও অথর্বদেব)-সহ ডজন ডজন ধর্মগ্রন্থ (যেমন: রামায়ণ, মহাভারত, গীতা, উপনিষদ, পুরাণ, মনুসংহিতা, ইত্যাদি) রচনা করা হয়েছে। তার মানে শুধুই ঋগ্বেদ বা এমনকি চার খণ্ড বেদ দিয়েও হিন্দু ধর্মকে পূর্ণভাবে উপস্থাপন করা যাবে না। উদাহরণস্বরূপ- রামায়ণ ছাড়া যেমন রামের কোনো অস্তিত্ব নেই, মহাভারত ছাড়া কৃষ্ণেরও কোনো অস্তিত্ব নেই। কাজেই রাম ও কৃষ্ণে বিশ্বাস করতে হলে যথাক্রমে রামায়ণ ও মহাভারতে বিশ্বাস করতেই হবে। অন্যদিকে হিন্দুদের একদম মৌলিক বিশ্বাসগুলো (যেমন: অবতারবাদ, জন্মান্তরবাদ, ও নির্বাণ) এসেছে গীতা-উপনিষদ থেকে, বেদ থেকে নয়। কাজেই হিন্দু ধর্ম থেকে যদি রাম, কৃষ্ণ, অবতারবাদ, জন্মান্তরবাদ, ও নির্বাণকে বাদ দেওয়া হয় তাহলে বর্তমান হিন্দু ধর্ম বলে কিছু থাকবে না। পাশাপাশি অসংখ্য দেব-দেবী ও তাদের উপর ভিত্তি করে রচিত পৌরাণিক কাহিনীগুলো তো আছেই। এজন্যই হয়তো শিক্ষিত ও মডারেট হিন্দুরা গীতার উপর যতটা গুরুত্ব দেয়, বেদের উপর ততটা গুরুত্ব দেয় না। তবে সবচেয়ে পুরাতন এবং সেই অর্থে মৌলিক ধর্মগ্রন্থ হিসেবে বেদকে তারা উপেক্ষাও করতে পারে না। আবার গীতাতে যেহেতু কোনো সামাজিক আইন-কানুন নেই সেহেতু আইন-কানুনের জন্য তাদেরকে মনুসংহিতার দ্বারস্থ হতে হয়।

যাহোক, গীতা হচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও পবিত্র ধর্মগ্রন্থ। ভারতীয় দর্শনের অন্যতম ভিত্তিও এই গীতা। এতে বেদ, বেদান্ত, উপনিষদ প্রভৃতি গ্রন্থে বর্ণিত দার্শনিক তত্ত্বের সার সংগৃহীত হয়েছে। তাই গীতাকে হিন্দু ধর্মের সকল ধর্মগ্রন্থের সারগ্রন্থও বলা হয়। গীতাকে হিন্দুরা এতটাই গুরুত্ব দেয় যে, তাদেরকে যদি বেদ ও গীতার মধ্যে কোনো একটিকে বেছে নিতে বলা হয় সেক্ষেত্রে গীতা ছেড়ে বেদকে বেছে নেওয়ার মতো কাউকেই হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না। তবে তাদের কাছে গীতা সবচেয়ে জনপ্রিয় ও পবিত্র ধর্মগ্রন্থ হলেও এটি মহাভারতের একটি অংশ, স্বতন্ত্র কোনো ধর্মগ্রন্থ নয়। সেই গীতা থেকে কিছু বিষয় নিয়ে সংক্ষেপে আলোকপাত করা হবে।

কৃষ্ণ হচ্ছেন স্বয়ং গড বা ঈশ্বর

গীতার কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছেন কৃষ্ণ। হিন্দুশাস্ত্রীয় বিবরণ বা লোকবিশ্বাস অনুযায়ী কৃষ্ণের জন্ম হয়েছিল খ্রীষ্টপূর্ব ৩২২৮ সালে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সম্প্রদায় বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে কৃষ্ণের পূজা করে থাকে। একাধিক বৈষ্ণব সম্প্রদায়ে তাকে বিষ্ণুর অবতার রূপে গণ্য করা হয়; অন্যদিকে কৃষ্ণধর্মের অন্যান্য সম্প্রদায়গুলিতে তাকে ঈশ্বর এর মর্যাদা দেওয়া হয়। কৃষ্ণকে যেহেতু ঈশ্বর হিসেবে বিশ্বাস করা হয় সেহেতু তাদের কাছে গীতা হচ্ছে ঈশ্বরের বাণী। অন্যদিকে আবার তারা যেহেতু ঈশ্বরকে স্বচক্ষে দেখে বিশ্বাস করে সেহেতু তারা খ্রীষ্টান, মুসলিম, ও ইহুদীদেরকে ‘অন্ধ বিশ্বাসী’ বলে সমালোচনা করে থাকে। যদিও হিন্দুরা যেমন কৃষ্ণকে মানুষরূপী ঈশ্বর হিসেবে বিশ্বাস করে, খ্রীষ্টানরাও তেমনি যীশুকে মানুষরূপী গড বা গডের পুত্র হিসেবে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও মুসলিম ও ইহুদীদের সাথে খ্রীষ্টানদেরকেও ‘অন্ধ বিশ্বাসী’ বলা হয়! [সূত্র: , ]

krishna2

বিস্তারিত এখানে: http://www.bhagavad-gita.ws/god.html#god2

আল্লাহকে বলা হয়েছে ইসলামের অদৃশ্য গড। তা অবশ্য ঠিকই আছে! কিন্তু খ্রীষ্টানদের গডের ক্ষেত্রে ‘?’ চিহ্ন দিয়ে ‘অজ্ঞাত’ বলা হয়েছে, যেটি একটি মিথ্যাচার। কেননা খ্রীষ্টানরা যীশুকে গড হিসেবে বিশ্বাস করে। এছাড়াও আরো অনেক মানুষরূপী গড থাকতে শুধু কৃষ্ণের ছবি দেখিয়ে বলা হয়েছে, "As you can see above, there is only one God. Seeing is believing, not seeing is pure speculation. How can you believe in someone without actually seeing them or knowing what they look like?" মানব জাতির ইতিহাসে অসংখ্য মানুষরূপী গডের মধ্যে কৃষ্ণ কেন একমাত্র গড হবেন – তার পক্ষে কোনো যুক্তি দেওয়া হয়নি।

যাহোক- একদিকে আস্তিকদের পক্ষ থেকে একমাত্র গড বা ঈশ্বরকে চোখের সামনে হাজির করেই তবে বিশ্বাস করার কথা বলা হচ্ছে এবং সেই সাথে অন্যান্য ধর্মের ‘অদৃশ্য গড’-কে 'নাই' করেও দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে আবার অভিজিৎ রায়ের মতো একই ধর্মের নাস্তিকদের দাবি অনুযায়ী ঈশ্বর নিজে এসে তার অস্তিত্বের কোনো প্রমাণ দেননি কিংবা ঈশ্বর নামক কেউ যে আছেন তার পক্ষে কোনো প্রকার প্রমাণ কেউ দেখাতে পারেনি!

মজার ব্যাপার হচ্ছে এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে এই ধর্মের আস্তিক ও নাস্তিক গ্রুপ দুটি কখনো একে-অপরের মুখোমুখি হয় না। বরঞ্চ তারা স্ব স্ব অবস্থানে থেকে মূলত মুসলিমদেরকে ‘অন্ধ বিশ্বাসী’ বলে হেয় বা সমালোচনা করে, যেহেতু মুসলিমরা আল্লাহকে স্বচক্ষে না দেখেও যুক্তি ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বিশ্বাস করে।

বিনোদনের এখানেই শেষ নয়। একই ধর্মের কেউ কেউ আবার নিজেকে 'নাস্তিক' দাবি করে একেশ্বরবাদী কোরআনের আল্লাহকে বিজ্ঞান দ্বারা 'নাকচ' করে দিয়ে সর্বেশ্বরবাদী ঈশরকে ডিফেন্ড করে। পাশাপাশি এও বলা হচ্ছে যে, হিন্দু ধর্মের সর্বোচ্চ দর্শন নাস্তিকতা। অথচ হিন্দু আস্তিকরা তার কোনো প্রতিবাদ করে না! তার মানে আস্তিকদেরও তাতে সায় আছে। ভালো কথা। হিন্দু ধর্মের সর্বোচ্চ দর্শন যদি নাস্তিকতা হয় তাহলে যারা নিজেদেরকে নাস্তিক বলে দাবি করছে তারাই তো প্রকৃত হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী হওয়ার কথা! তাদের কার্যকলাপে অবশ্য তার ছাপও পরিলক্ষিত হয়। অন্যদিকে হিন্দু আস্তিকরা সকলেই অজ্ঞ বা ভণ্ড হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে সেটাও তারা স্বীকার করে না। তাহলে দেখা যাচ্ছে যে, সত্য-মিথ্যার কোনো পরোয়া না করে একই ধর্মের আস্তিক-নাস্তিক-নিধর্মী-অজ্ঞেয়বাদী নির্বিশেষে সকলেই হাতের আশেপাশে যা কিছু পাওয়া যায় তার সবকিছুকেই ইসলাম ও মুসলিমদের দিকে এলোপাতাড়িভাবে ছুঁড়ে মারছে – যদি কোনোটা লেগে যায় এই আশায়!

গীতার আলোকে নাস্তিকতা

স্রেফ প্রচারণার জোরে অনেককেই বিশ্বাস করানো হয়েছে যে, একমাত্র কোরআনেই মৃত্যু-পরবর্তী জীবনে বিশ্বাসীদের জন্য পুরস্কার এবং অবিশ্বাসীদের জন্য শাস্তির কথা লিখা আছে। আর পুরস্কারের লোভ ও শাস্তির ভয়েই মুসলিমরা ইসলামে বিশ্বাস করে। ভাবখানা এমন যে, পুরস্কারের লোভ ও শাস্তির ভয় ছাড়া ইসলামের কোনো ভিত্তিই নেই! আপরদিকে অন্যান্য ধর্মগ্রন্থে যেমন নাস্তিকদেরকে জামাই আদরে আপ্যায়ন করা হয়েছে তেমনি আবার মৃত্যু-পরবর্তী জীবনে পুরস্কার ও শাস্তির কথাও কিছু লিখা নেই। এমনকি অন্যান্য ধর্মের পরিবার থেকে নিজেদেরকে ‘নাস্তিক’ দাবি করে কোরআনের যে আয়াতগুলোতে মৃত্যু-পরবর্তী জীবনে অবিশ্বাসীদের জন্য শাস্তির কথা লিখা আছে সেগুলো উল্লেখ করে ইসলামকে অমানবিক, অসহিষ্ণু, ভয়ঙ্কর, ও বিদ্বেষী প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়। অথচ বাইবেল ও গীতাতে অবিশ্বাসীদেরকে বিভিন্নভাবে আক্রমণ ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা ছাড়াও মৃত্যু-পরবর্তী জীবনে হেল বা নরকের শাস্তির কথা লিখা আছে, এবং সেই সাথে বিশ্বাসীদের জন্য হেভেন বা স্বর্গের লোভও দেখানো হয়েছে। গীতাতে বিশ্বাস ও ওয়ার্শিপের উপর এতটাই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে যে, তা কল্পনারও বাইরে। নাস্তিকদেরকে মানুষই মনে করা হয়নি। গীতা অনুযায়ী পরকাল তো দূরে থাক এমনকি ইহকালেও বিশ্বাস ছাড়া ভালো কাজের কোনোই মূল্য নাই। নাস্তিক, বস্তুবাদি, এবং যারা কৃষ্ণকে ওয়ার্শিপ করেনা তাদের উদ্দেশ্যে কৃষ্ণের ভাষায় গীতা থেকে কিছু স্লোক তুলে দেওয়া হলো:

There are only two types (or castes) of human beings in this world: The divine, or the wise (believer); and the demonic, or the ignorant (disbeliever). The divine has been described at length, now hear from Me about the demonic, O Arjuna. Persons of demonic nature do not know what to do and what not to do. They neither have purity nor good conduct nor truthfulness. They say: The world is unreal, without a substratum, without a God, and without an order. Sexual union of man and woman alone and nothing else causes the world. Adhering to this wrong atheist view, these degraded souls – with small intellect and cruel deedsare born as enemies for the destruction of the world. Filled with insatiable desires, hypocrisy, pride, and arrogance; holding wrong views due to delusion; they act with impure motives. Obsessed with endless anxiety lasting until death, considering sense gratification their highest aim, convinced that sense pleasure is everything; Bound by hundreds of ties of desire and enslaved by lust and anger; they strive to obtain wealth by unlawful means for the fulfillment of sensual pleasures. They think: This has been gained by me today, I shall fulfill this desire, I have this much wealth, and will have more wealth in the future; That enemy has been slain by me, and I shall slay others also. I am the Lord. I am the enjoyer. I am successful, powerful, and happy; I am rich and born in a noble family. Who is equal to me? I shall perform sacrifice, I shall give charity, and I shall rejoice. Thus deluded by ignorance; Bewildered by many fancies; entangled in the net of delusion; addicted to the enjoyment of sensual pleasures; they fall into a foul hell. Self-conceited, stubborn, filled with pride and intoxication of wealth; they perform service only in name, for show, and not according to scriptural injunction. These malicious people cling to egoism, power, arrogance, lust, and anger; and hate Me who dwells in their own bodies and those of others. I hurl these haters, cruel, sinful, and mean people into the cycles of rebirth in the womb of demons again and again. O Arjuna, entering the wombs of demons birth after birth, the deluded ones sink to the lowest hell without ever attaining Me. (Gita 16:6-20)

The evil doers, the ignorant, the lowest persons who are attached to demonic nature, and whose power of discrimination has been taken away by divine illusive power (Maya) do not worship or seek Me. (Gita 7:15)

The irrational, the faithless, and the disbeliever (atheist) perishes. There is neither this world, nor the world beyond, nor happiness for the disbeliever. (Gita 4:40)

Whatever is done without faith – whether it is sacrifice, charity, austerity, or any other act – is useless. It has no value here or hereafter, O Arjuna. (Gita 17:28)

গীতাতে এ'রকম স্লোক আরো আছে। বাংলা নাস্তিকদের লেখাতে ভুলেও কখনো গীতার এই স্লোকগুলোর উদ্ধৃতি দেওয়া হয়নি যেখানে তাদেরকে অনন্তকালের জন্য নরকের শাস্তির ভয় দেখানো-সহ কত ভাবে ও কতটা রূঢ় ভাষায় আক্রমণ করা হয়েছে। এই কি তাহলে হিন্দু ধর্মের সহনশীলতার নমুনা, যেভাবে আস্তিক-নাস্তিক নির্বিশেষে এই ধর্মের সকলেই দাবি করে! আরো বলা হয় যে হিন্দু ধর্মে যত-মত-তত-পথ আছে। এই দাবি করেও হিন্দু ধর্মকে সহিষ্ণু দেখানোর চেষ্টা করা হয়, যদিও যৌক্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই ধরণের আপ্তবাক্যের কোনোই মূল্য নেই। কেননা যত-মত-তত-পথ দর্শন সত্য হলে হিটলার, পলপট, বিন লাদেন, নরেন্দ্র মোদির পথকেও একেকটি পথ হিসেবে মেনে নিতে হয়। এমনকি গীতা অনুযায়ী কৃষ্ণকে ওয়ার্শিপ না করলে কোনো সালভেশন নেই (গীতা ৯:২৫)। অর্থাৎ হিন্দু ধর্ম অনুযায়ীও ইচ্ছেমতো ওয়ার্শিপ করা যাবে না। তাহলে যত-মত-তত-পথ হলো কী করে! শুধু তা-ই নয়, কৃষ্ণকে ওয়ার্শিপ করলেই সাত খুন মাফ এবং সেই সাথে সালভেশনও নিশ্চিত। দেখুন:

Worshippers of the celestial controllers go to the celestial controllers, the worshippers of the ancestors go to the ancestors, and the worshippers of the ghosts go to the ghosts, but My devotees come to Me, and are not born again. (Gita 9:25)

Even if the most sinful person resolves to worship Me with single-minded loving devotion, such a person must be regarded as a saint. (Gita 9:30)

Set aside all meritorious deeds and religious rituals, and just surrender completely to My will with firm faith and loving devotion. I shall liberate you from all sins. (Gita 18:66)

গীতার আলোকে ধর্মযুদ্ধ

গীতার ১০:৩১ স্লোক অনুযায়ী রাম ও কৃষ্ণ উভয়েই যোদ্ধা ছিলেন। বেদ, রামায়ণ, ও মহাভারতে প্রচুর যুদ্ধ ও হতাহতের ঘটনা আছে। তবে সেদিকে না যেয়ে শুধু গীতা থেকে এ বিষয়ে কিছু স্লোক তুলে ধরা হবে। গীতা মূলত কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের উপর ভিত্তি করে রচিত একটি ধর্মগ্রন্থ, যে যুদ্ধে প্রায় চল্লিশ লক্ষ মানুষ হতাহত হয় এবং যার নেতৃত্বে ছিলেন স্বয়ং কৃষ্ণ।

গীতা অনুযায়ী অর্জুন যুদ্ধ করতে নারাজ। চরম দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভুগছেন। কী করবেন বুঝে উঠতে পারছেন না। কেননা যুদ্ধে প্রচুর হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি হয়। আর সে যুদ্ধ যদি হয় নিজ আত্মীয়-স্বজনের বিরুদ্ধে তাহলে তো মহাবিপদ। অথচ কৃষ্ণ অর্জুনকে যুদ্ধ করার জন্য বিভিন্নভাবে প্ররোচিত ও অনুপ্রাণিত করছেন। যুদ্ধের জন্য এমনভাবে প্ররোচিত করা হচ্ছে যে, গীতা না পড়লে তা অনুমানও করা যাবে না। বলা হচ্ছে: এই জীবন কিছুই না; যুদ্ধ করে মৃত্যুবরণ করার চেয়ে বড় সম্মান আর নেই; যুদ্ধ না করলেই বরং পাপ হবে; যুদ্ধ একটি সুবর্ণ সুযোগও বটে; যুদ্ধে মারা গেলে সরাসরি স্বর্গে যাওয়া যাবে, আর বিজয়ী হলে রাজ্যের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করা যাবে; ইত্যাদি। গীতার প্রথম দুটি চ্যাপ্টার পড়ে দেখা যেতে পারে। কৃষ্ণের চেয়ে অর্জুনকেই বেশি মানবিক মনে হবে। গীতা থেকে কিছু নমুনা তুলে ধরা হলো:

Sanjaya said: Having said this in the battlefield and casting aside his bow and arrow, Arjuna sat down on the seat of the chariot with his mind overwhelmed with sorrow. (Gita 1:47)

Lord Krishna said: How has the dejection come to you at this juncture? This is not fit for a person of noble mind and deeds. It is disgraceful, and it does not lead one to heaven, O Arjuna. (Gita 2:2)

Do not become a coward, O Arjuna, because it does not befit you. Shake off this trivial weakness of your heart and get up for the battle, O Arjuna. (Gita 2:3)

Arjuna said: How shall I strike my grandfather, my guru, and all other relatives, who are worthy of my respect, with arrows in battle, O Krishna? It would be better, indeed, to live on alms in this world than to slay these noble personalities, because by killing them I would enjoy wealth and pleasures stained with their blood. (Gita 2:4-5)

Lord Krishna said: You grieve for those who are not worthy of grief, and yet speak words of wisdom. The wise grieves neither for the living nor for the dead. (Gita 2:11)

The physical bodies of the eternal, immutable, and incomprehensible Spirit are perishable. Therefore fight, O Arjuna. (Gita 2:18)

Even if you think that the physical body takes birth and dies perpetually, even then, O Arjuna, you should not grieve like this. Because death is certain for the one who is born, and birth is certain for the one who dies. Therefore, you should not lament over the inevitable. (Gita 2:26-27)

All beings are unmanifest, or invisible to our physical eyes before birth and after death. They manifest between the birth and the death only. What is there to grieve about? (Gita 2:28)

O Arjuna, the Spirit that dwells in the body of all beings is eternally indestructible. Therefore, you should not mourn for anybody. (Gita 2:30)

Considering also your duty as a warrior you should not waver like this. Because there is nothing more auspicious for a warrior than a righteous war. (Gita 2:31)

Only the fortunate warriors, O Arjuna, get such an opportunity for an unsought war that is like an open door to heaven. (Gita 2:32)

If you will not fight this righteous war, then you will fail in your duty, lose your reputation, and incur sin. (Gita 2:33)

People will talk about your disgrace forever. To the honored, dishonor is worse than death. (Gita 2:34)

The great warriors will think that you have retreated from the battle out of fear. Those who have greatly esteemed you will lose respect for you. (Gita 2:35)

Your enemies will speak many unmentionable words and scorn your ability. What could be more painful to you than this? (Gita 2:36)

You will go to heaven if killed on the line of duty, or you will enjoy the kingdom on the earth if victorious. Therefore, get up with a determination to fight, O Arjuna. (Gita 2:37)

Treating pleasure and pain, gain and loss, and victory and defeat alike, engage yourself in your duty. By doing your duty this way you will not incur sin. (Gita 2:38)

The one who is free from the notion of doership, and whose intellect is not polluted by the desire to reap the fruit; even after slaying these people, he or she neither slays nor is bound by the act of killing. (Gita 18:17)

যুদ্ধ ও হত্যার জন্য এতো বেশি প্ররোচনা কোরআনে পাওয়া যাবে না। তাছাড়া কোরআনে সুস্পষ্টভাবে আত্মরক্ষার্থে যুদ্ধ করার কথা বলা আছে এবং সীমা অতিক্রম করতেও নিষেধ করা হয়েছে (কোরআন ২:১৯০), যে'রকম কোনো উপদেশ বাণী গীতাতে নেই। এমনকি হিন্দু ধর্মের বর্ণপ্রথা অনুযায়ী একটি যোদ্ধা শ্রেণীও আছে- যারা শিবসেনা, রামসেনা, বজরং দল, ইত্যাদি নামে পরিচিত। কৃষ্ণের নেতৃত্বে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে উভয় পক্ষের ৩৯,৩৬,৫৮৮ জন সৈন্য নিহত হয় যাদের মধ্যে বিরোধী পক্ষের সৈন্য সংখ্যা ছিল ২৪,০৫,৬৯৬ জন। গীতাতেও এই হত্যাযজ্ঞের সত্যতা পাওয়া যায়। এ প্রসঙ্গে গীতাতে কৃষ্ণ বলেছেন-

I am death, the mighty destroyer of the world. I have come here to destroy all these people. I have already destroyed all these warriors. Kill all these great warriors who are already killed by Me. Do not fear. You will certainly conquer the enemies in the battle; therefore, fight! (Gita 11:32-34)

কোরআন বা হাদিসের কোথাও এই ধরণের ভয়ঙ্কর কথাবার্তা ও হত্যাযজ্ঞের ঘটনা নেই। মূলত কৃষ্ণের নেতৃত্বে এবং কৃষ্ণের কারণে আজ থেকে হাজার হাজার বছর আগে শুধুমাত্র কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধেই প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষ নিহত হয়। এতবড় একটি গণহত্যা নিয়ে বাংলা নাস্তিকদের লেখায় মানবতার বুলি আউড়িয়ে কখনোই কান্নাকাটি করতে দেখা যায়নি। কান্নাকাটি বা কৃষ্ণের বিরুদ্ধে বিষোদগার বা গীতার সাথে সম্পৃক্ত করা তো দূরে থাক, এমনকি তাদের লেখার কোথাও এতবড় একটি গণহত্যার কথা ভুলেও উল্লেখ করা হয়নি। অথচ ইসলামের নবীকে হিটলার-স্ট্যালিনের চেয়েও বড় গণহত্যাকারী বানিয়ে দিয়ে তাদের অসংখ্য মন্তব্য আছে। এমনকি তারা বানু কুরাইযা গোত্রের মাত্র ৬০০-৯০০ জন বিশ্বাসঘাতক রাজাকারের হত্যা নিয়ে বছরের পর বছর ধরে মায়াকান্না করে আসছে।

গীতার অসঙ্গতি ও বৈজ্ঞানিক ভ্রম

আস্তিক-নাস্তিক নির্বিশেষে হিন্দুদের কারো কারো দাবি অনুযায়ী গীতাতে অনেক বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের ইঙ্গিত আছে, যদিও গীতা থেকে সূত্র-সহ কোনো রকম যৌক্তিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয় না। গীতার ভলিউম বেশ ছোট হওয়াতে প্রথমবার খুব ভালো করে পড়েছি। দ্বিতীয়বার অডিওতে শুনেছি। পাশাপাশি বিচ্ছিন্নভাবে কিছু স্লোক একাধিকবার পড়া হয়েছে। অথচ উল্লেখ করার মতো কিছু নজরে পড়েনি। সন্দেহ এড়ানোর জন্য গুগল সার্চ দিয়েও তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। বলাই বাহুল্য, গীতাতে সত্যি সত্যি বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের কিছু ইঙ্গিত থেকে থাকলে সেগুলো মেনে নিতে আমার কোনোই আপত্তি নেই। বরঞ্চ গীতার কিছু স্লোককে অবৈজ্ঞানিকই মনে হয়েছে। যেমন:

১. নিচের স্লোকে তিনটি ওয়ার্ল্ড এর কথা বলা হয়েছে: হেভেন, আর্থ, ও লোয়ার রিজিয়ন্স। এখানে ‘লোয়ার রিজিয়ন্স’ বলতে খুব সম্ভবত পৃথিবী পৃষ্ঠের নিম্নভাগকে বুঝানো হয়েছে। যৌক্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে ‘লোয়ার রিজিয়ন্স’ প্রসঙ্গটি তখনই আসার কথা যখন পৃথিবীকে স্থির মনে করা হবে। পৃথিবীটা যেহেতু একই সাথে নিজ অক্ষের উপর এবং সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে সেহেতু ‘লোয়ার রিজিয়ন্স’ বা ‘আপার রিজিয়ন্স’ বলে কিছু থাকার প্রশ্ন আসে না। অন্যদিকে ‘হেভেন’ (একবচন) বলতে খালি চোখে মাথার উপর যে আকাশকে দেখা যায় সেটিকে বুঝানো হতে পারে। কারণ গীতার কোথাও বহুবচন অর্থে ‘হেভেন্স’ শব্দ ব্যবহৃত হয়নি।

O Arjuna, there is nothing in the three worlds – heaven, earth, and the lower regions – that should be done by Me, nor there is anything unobtained that I should obtain, yet I engage in action. (Gita 3:22)

২. গীতাতে গড হিসেবে কৃষ্ণ নিজের মাহাত্ম্য বর্ণনা করে নিজেকে কিছু প্রাকৃতিক বস্তুর সাথে তুলনা করেছেন। সেটা করতে যেয়ে চন্দ্র এবং সূর্যকে অন্যান্য নক্ষত্র বা জ্যোতিষ্কদের তুলনায় সম্ভবত বড় মনে করা হয়েছে। খালি চোখে চন্দ্র এবং সূর্যকে যেমন মনে হয়, কৃষ্ণেরও তেমনই মনে হয়ে থাকতে পারে। কৃষ্ণ বলেছেন, "I am the radiant sun among the luminaries … I am the moon among the stars." বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে কৃষ্ণের বক্তব্যকে এ'রকম শুনায়: I am the ant among the elephants! অর্থাৎ হাতির চেয়ে পিঁপড়া বড়!

I am the sustainer, I am the radiant sun among the luminaries, I am the controller of wind, I am the moon among the stars. (Gita 10:21)

৩. নিম্নের স্লোক দুটিকে সংঘর্ষিক মনে হয়েছে। প্রথম স্লোকে কৃষ্ণ নিজেকে আজন্মা বলেছেন এবং দ্বিতীয় স্লোকে অনেকবার জন্ম নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

One who knows Me as the unborn, the beginningless, and the Supreme Lord of the universe, is considered wise among the mortals, and becomes liberated from the bondage of Karma. (Gita 10:3)

Lord Krishna said: Both you and I have taken many births. I remember them all, O Arjuna, but you do not remember. (Gita 4:5)

৪. সনাতন ধর্মের ত্রিত্ববাদ অনুযায়ী ব্রহ্মা হচ্ছেন স্রষ্টা, বিষ্ণু হচ্ছেন পরিচালক, এবং শিব হচ্ছেন ধ্বংসকারী। অথচ নিচের স্লোকে কৃষ্ণ নিজেকে একই সাথে স্রষ্টা, পরিচালক, ও ধ্বংসকারী হিসেবে দাবি করেছেন। গরমিল মনে হয় না?

O Arjuna, I am the Supreme Spirit (or Supersoul) abiding in the inner psyche of all beings. I am also the creator, maintainer, and destroyer – or the beginning, the middle, and the end – of all beings. (Gita 10:20)

৫. নিচের স্লোকে ‘মুন গড’ ও ‘ওয়াটার গড’ এর কথা বলা হয়েছে। চন্দ্রকে ‘গড’ ভাবার প্রশ্ন তখনই আসবে যখন সেটিকে জীবন্ত বা স্ব-শক্তিসম্পন্ন কিছু মনে করা হবে – সাদা চোখে যেমন মনে হয় আরকি।

You are the controller of death, the fire, the wind, the water god, the moon god, and the creator, as well as the father of the creator. (Gita 11:39)

৬. নিম্নের স্লোক দুটির বৈজ্ঞানিক কোনো ব্যাখ্যা আছে কি-না, কে জানে।

Those who know that the duration of creation lasts 4.32 billion years and that the duration of destruction also lasts 4.32 billion years, they are the knowers of the cycles of creation and destruction. (Gita 8:17)

All beings merge into My primary material Nature at the end of a cycle of just over 311 trillion solar years, O Arjuna, and I create them again at the beginning of the next cycle. (Gita 9:7)

৭. গীতার কিছু স্লোককে কল্পকাহিনীর মতো মনে হয়। কৃষ্ণকে সকলেই একজন মানুষ হিসেবে দেখতে পাচ্ছেন। অথচ গীতাতে তার সম্পর্কে এমন কিছু বর্ণনা আছে যেগুলো কোনো মানুষের পক্ষে অসম্ভব – যেগুলোকে কল্পকাহিনী ছাড়া অন্য কোনো ভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না। উদাহরণস্বরূপ, কুরুক্ষেত্রের যোদ্ধারা কৃষ্ণের জ্বলন্ত মুখের মধ্যে দ্রুতগতিতে ঢুকে যেয়ে ধ্বংস হচ্ছে! সম্পূর্ণ মহাবিশ্বই কৃষ্ণের মুখের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে! ইত্যাদি। অর্জুন আবার এই দৃশ্যগুলো দেখেছেন। একজন মানুষের মুখের ভেতর সম্পূর্ণ মহাবিশ্ব কী করে ঢুকে যাওয়া সম্ভব! তাছাড়া সম্পূর্ণ মহাবিশ্বই যদি কৃষ্ণের জ্বলন্ত মুখের মধ্যে ঢুকে যায় সেক্ষেত্রে অর্জুন আবার সেই দৃশ্য কোথা থেকে এবং কীভাবে দেখলেন! দেখুন:

I see You with infinite power, without beginning, middle, or end; with many arms, with the sun and the moon as Your eyes, with Your mouth as a blazing fire scorching all the universe with Your radiance. (Gita 11:19)

These warriors of the mortal world are entering Your blazing mouths as many torrents of the rivers enter into the ocean. (Gita 11:28)

All these people are rapidly rushing into Your mouths for destruction as moths rush with great speed into the blazing flame for destruction. (Gita 11:29)

You are licking up all the worlds with Your flaming mouths, swallowing them from all sides. (Gita 11:30)

I hurl these haters, cruel, sinful, and mean people into the cycles of rebirth in the womb of demons again and again. O Arjuna, entering the wombs of demons birth after birth, the deluded ones sink to the lowest hell without ever attaining Me. (Gita 16:19-20)

নৈতিকতা ও পারিবারিক আইন-কানুন

গীতাতে পারিবারিক আইন-কানুন বলে কিছু নেই। তাছাড়া বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ যেমন খুন, হত্যা, ধর্ষণ, ব্যভিচার, চুরি-ডাকাতি, মাদকাসক্তি, অশ্লীলতা, শিশু হত্যা ইত্যাদিকে যেমন কনডেম করা হয়নি তেমনি আবার এই ধরণের অপরাধের জন্য কোনো প্রকার শাস্তির বিধানও নেই। সম্পূর্ণ গীতাতে একটিবারের জন্যও মিথ্যা বলাকে কনডেম করা হয়নি। এমনকি নিরপরাধী মানুষ হত্যাকেও কনডেম করা হয়নি। বরঞ্চ মানুষের দেহ নশ্বর, আত্মা অবিনশ্বর, জন্মিলে মরিতেই হবে, ইত্যাদি কথা বলে মানুষ হত্যা যে কোনো অপরাধ নয়, গীতাতে এমন ইঙ্গিতই দেওয়া আছে (গীতা ২:১৮, ২৬-২৭, ১৮:১৭)। ভক্তরা কৃষ্ণের প্রতি ভালোবাসা আর ভক্তিমার্গের কীর্তন যপলেও গড হিসেবে কৃষ্ণ যে অন্তত ভালো মানুষকেও ভাল বাসেন – মানুষের প্রতি দয়াশীল বা সহানুভূতিশীল – এমন কোনো কথা গীতার কোথাও লিখা নেই। বরং উল্টোটাই লিখা আছে – ভক্তি ও ভালোবাসা দিয়ে কৃষ্ণের উপাসনা করতে বলা হয়েছে।

গীতার দর্শন

গীতাকে অনেক উচ্চ মার্গের দর্শনশাস্ত্র বলে দাবি করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রেও গীতা থেকে সরাসরি কোনো প্রমাণ দেওয়া হয় না। গীতাতে উচ্চ মার্গের দর্শন যে কোথায় আছে এবং কে তা নির্ধারণ করবে, সেটাও একটা প্রশ্ন। যাহোক, একটি ধর্ম নিয়ে গবেষণার শুরুতেই সেই ধর্মে সালভেশন সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে নিতে হয়। কেননা সালভেশন-ই হচ্ছে যেকোনো মানুষের চূড়ান্ত লক্ষ্য। এর মধ্যেই যদি সুস্পষ্ট গলদ থেকে থাকে তাহলে সেই ধর্মে বিশ্বাসের যৌক্তিকতা থাকে না। এবার গীতার আলোকে সালভেশন নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করা যাক।

প্রথমত, হিন্দুরা কৃষ্ণকে একমাত্র গড বা ঈশ্বর হিসেবে দাবি করছে। অন্যদিকে নাস্তিকদের দাবি অনুযায়ী ঈশ্বর নিজে এসে তার অস্তিত্বের কোনো প্রমাণ দেননি। কৃষ্ণ তাহলে কে? কৃষ্ণ যদি সত্যি সত্যি ঈশ্বর তথা এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা হয়ে থাকে তাহলে নাস্তিকরা তাকে স্বচক্ষে দেখেও ঈশ্বর হিসেবে মেনে নিচ্ছে না কেন? এটি হচ্ছে ঈশ্বর প্রবঞ্চনা (God delusion)-এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। স্বচক্ষে দেখেও বিশ্বাস করে না! বরঞ্চ চাক্ষুস প্রমাণকে কৌশলে এড়িয়ে যেয়ে অদৃশ্য গডে বিশ্বাসীদেরকে উদ্দেশ্য করে ‘প্রমাণ নাই, প্রমাণ নাই’ রব তুলে নিজেদেরকে একই সাথে 'নাস্তিক', 'যুক্তিবাদী', 'সংশয়বাদী', 'ফ্রী-থিংকার', 'ক্রিটিক্যাল থিংকার', 'বিজ্ঞানমনষ্ক', ইত্যাদি দাবি করে আকাশ-বাতাস প্রকম্পিত করা হয়।

দ্বিতীয়ত, গীতার দর্শনকে একই সাথে অস্পষ্ট এবং অমানবিক মনে হয়েছে- বিশেষ করে সামসারা (Reincarnation) ও মোকশা (Salvation)। সামসারা তথা জন্মান্তরবাদের যৌক্তিক বা বৈজ্ঞানিক বা মানবিক কোনো ভিত্তিও নেই। একজন সৎ শূদ্রের মৃত্যুর পর তার আত্মা কোনো ব্রাহ্মণের দেহে স্থানান্তরিত হলো কি-না – একজন অসৎ ব্রাহ্মণের মৃত্যুর পর তার আত্মা কোনো শূদ্র বা নিম্ন শ্রেণীর জীবের দেহে স্থানান্তরিত হলো কি-না – অসৎ লোকজনের মৃত্যুর পর তাদের আত্মা সাপ-ইঁদুর-কুকুর-বিড়াল-ইত্যাদির দেহে স্থানান্তরিত হলো কি-না – কীট-পতঙ্গ ও পশু-পাখির মৃত্যুর পর তাদের আত্মা মানুষের দেহে স্থানান্তরিত হলো কি-না … এগুলোর পক্ষে কোনো প্রমাণ নেই। অথচ জন্মান্তরবাদ সত্য হলে অসংখ্য প্রমাণ থাকার কথা। প্রকৃতপক্ষে, সবারই ব্যাপারটা জানার কথা। কেননা আত্মা যদি তার পূর্বের কার্যকলাপ স্মরণ রাখতে না পারে তাহলে সেই আত্মার উন্নতিই বা হবে কীভাবে? তাছাড়া মানুষকে গাইড করার জন্য যদি এই মহাবিশ্বের স্রষ্টাকে মানুষ হয়ে এই পৃথিবীতে জন্ম নিতে হয় তাহলে কীট-পতঙ্গ, পশু-পাখি, ও উদ্ভিদকে কে গাইড করে!

ধরা যাক, একজন অসৎ মানুষের মৃত্যুর পর শাস্তিস্বরূপ তার আত্মা একটি কুকুরের দেহে স্থানান্তরিত হলো। কুকুর যেমন পড়তে পারে না তেমনি আবার ভালো-মন্দও কিছু বোঝে না। এবার কুকুরটির মৃত্যুর পর সেই আত্মা মানুষ নাকি কীট-পতঙ্গ নাকি অন্য কিছুর দেহে স্থানান্তরিত হবে – সেটা কে ও কীভাবে নির্ধারণ করে? এক জীব থেকে অন্য জীবের দেহে আত্মার স্থানান্তরকেও অমানবিক মনে হয়েছে। কোনো প্রমাণ ছাড়াই ইভিল মানুষের আত্মাকে শাস্তিস্বরূপ নিরীহ পশু-পাখির উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে! একজন মানুষ নির্বাণে আদৌ পৌঁছল কি-না – তার-ই বা প্রমাণ কী? অধিকন্তু, গীতার দর্শন আনুযায়ী সকল জীবের আত্মা ও বুদ্ধিমত্তা নাকি এক সময় ব্রহ্মার সাথে মিশে যাবে। তা-ই যদি হয় এবং মৃত্যুর পর নিজস্বতা বলে যদি কিছুই না থাকে তাহলে এই দর্শনে বিশ্বাস করা আর না করার মধ্যে তো কোনো পার্থক্য থাকে না। পুরোহিতরা এই ধরণের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের যৌক্তিক কোনো জবাব দিতে পারেন না। (গীতা ৬:৪৪-৪৫, ১৪:১৫, ৫:১৭)

তৃতীয়ত, গীতাতে স্রষ্টা ও সৃষ্টি সম্বন্ধে স্বচ্ছ কোনো ধারণা পাওয়া যায় না। কখনো মনে হয় স্রষ্টা ও সৃষ্টি একে-অপর থেকে আলাদা; কখনো বা আবার মনে হয় সম্পূর্ণ মহাবিশ্বটাই স্রষ্টা, যাকে সর্বেশ্বরবাদ বা প্যান্থিইজম বলা হয়। আর এজন্যই হয়তো হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা গাছ-পালা, পশু-পাখি, চন্দ্র-সূর্য, পাহাড়-পর্বত, মানুষ ইত্যাদির পূজা করে থাকে। তবে সম্পূর্ণ মহাবিশ্বটাই গড তথা স্রষ্টা হলে কিন্তু মানুষ, পশু-পাখি, ও গাছ-পালা-সহ সবকিছুই স্রষ্টা বা স্রষ্টার অঙ্গ হবে। সেক্ষেত্রে স্রষ্টার অবতার, ধর্মগ্রন্থ, পূজা-পার্বন, ন্যায়-অন্যায়, সত্য-মিথ্যা, স্বর্গ-নরক, নির্বাণ ইত্যাদিকে নিতান্তই অর্থহীন ও হাস্যকর মনে হয়। কেননা সেক্ষেত্রে আপনি-আমিসহ সব কিছুই গড হবে! (গীতা ৯:১৬-১৮)

চতুর্থত, গীতাতে স্বর্গ-নরকের ব্যাপারটিও অস্পষ্ট। স্বর্গ বলতে ঠিক কী বুঝানো হয়েছে তা অনুমান করা মুশকিল। তবে হিন্দু ধর্মে নাকি স্বর্গ-নরক কোনো স্থায়ী জায়গা নয়। উইকিপিডিয়া অনুযায়ী স্বর্গ হচ্ছে মেরু পর্বতের উপর অবস্থিত একটি ক্ষণস্থায়ী জায়গা- যেখানে পূণ্যবান আত্মারা নির্বাণ লাভের আগ পর্যন্ত থাকে এবং পরবর্তী জন্মের জন্য অপেক্ষা করে। আর নরক হচ্ছে এমন একটি জায়গা যেখানে মৃত্যুর পর পাপীদেরকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ফুটন্ত তেলে শাস্তি দিয়ে আবার পৃথিবীতে পাঠানো হয়। তাহলে তো হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী অনেক আগেই স্বর্গ-নরক তৈরী করা হয়েছে। অন্যদিকে গীতার দর্শন আনুযায়ী এই পৃথিবীটাই এক প্রকার নরক। এই পৃথিবীতে জন্ম নেওয়া মানেই পূর্ববর্তী জীবনের পাপের ফলস্বরূপ নরকে নিক্ষিপ্ত হওয়া! তার মানে এই পৃথিবীর সবাই নরকে বাস করছে! এজন্য হিন্দুরা যোগা বা ইয়োগার মাধ্যমে এই জগৎ থেকে পরিত্রাণের চেষ্টা করে যাতে এই পৃথিবীতে আর জন্ম না হয়। তবে ইয়োগার মাধ্যমে কীভাবে যে সেটা সম্ভব, কে জানে! যারা ইয়োগা করে না তাদের তাহলে কী হবে! (গীতা ৮:১৫-১৬, ১৪:১৮)

পঞ্চমত, বেদের সাথে সামঞ্জস্যতা বজায় রেখে গীতাতেও বর্ণ প্রথাকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে। সতীদাহ প্রথার মতো কোনো প্রথাকে হয়তো আইন করে বন্ধ করা সম্ভব কিন্তু বর্ণ প্রথার মতো একটি প্রথাকে আইন করে কোনো ভাবেই নির্মূল করা সম্ভব নয়। কেননা এটি ধর্মে বিশ্বাসীদের রন্ধ্রে-রন্ধ্রে গেঁথে যায়। (গীতা ১৮:৪২-৪৪)

উপসংহার: কোরআনে যেহেতু জন্মান্তরবাদ তথা পুনঃ পুনঃ জন্ম-মৃত্যুর কোনো ধারণা নেই সেহেতু মৃত্যুর পর আর কোনো সুযোগ থাকবে না (কোরআন ২:২৮, ৪৪:৫৬)। প্রকৃতপক্ষে, কোরআনে জন্মান্তরবাদের ঠিক বিপরীতটাই বলা হয়েছে। কোরআন অনুযায়ী একজন মানুষের সর্বোচ্চ দু’বার মৃত্যু এবং দু’বার জন্ম হবে (কোরআন ৪০:১১)। কাজেই এই পৃথিবীতে মৃত্যুই হবে শেষ মৃত্যু এবং তার পরের জন্মই হবে সর্বশেষ জন্ম। অন্যদিকে হিন্দু ধর্মের দর্শন অনুযায়ী অসংখ্যবার জন্ম-মৃত্যুর সুযোগ আছে। তাহলে গীতার দর্শন কিন্তু মানুষকে অবাধ অন্যায় ও পাপ কাজ করাকে অনুপ্রাণিত করছে। আর তা-ই যদি হয় তাহলে তো গীতার দর্শনে বিশ্বাসেরও কোনো যৌক্তিকতা থাকে না। দু-এক বার না হয় পশু-পাখি হয়েই জন্ম হলো! তারপর না হয় ভেবে দেখা যাবে! তাছাড়া পূর্ববর্তী জীবনে আপনারা কে-কী ছিলেন – তা কি কেউ স্মরণ করতে পারেন? অতএব, জেনেশুনে গীতার দর্শনে বিশ্বাস করে অবশেষে কোরআন যদি সত্য হয় তাহলে কোনো সালভেশন নেই। অন্যদিকে কোরআনে বিশ্বাস করে অবশেষে গীতার দর্শন সত্য হলে সালভেশনের জন্য অসংখ্যবারও সুযোগ থাকতে পারে। কাজেই কোনো যুক্তিবাদী মানুষ জেনেশুনে এমন মহা-বোকামী করতে যাবে কেন! বস্তুত যে'সকল ধর্মে জন্মান্তরবাদের ধারণা আছে সে'সকল ধর্মে বিশ্বাসের কোনোই মানে নেই। অথচ এই ধরণের অযৌক্তিক ও অমানবিক দর্শনের দ্বারাই হাজার হাজার বছর ধরে মিলিয়ন মিলিয়ন অশিক্ষিত মানুষকে বোকা বানিয়ে বিশেষ কিছু মানুষের দাস করে রাখা হয়েছে।

পরিশেষে- গীতার শুরুটা যদিও খাপছাড়া, যেহেতু মহাভারতের একটি অংশ; তথাপি গীতাকে সার্বিকভাবে চমৎকার একটি ধর্মগ্রন্থ মনে হলেও স্রষ্টার বাণী হিসেবে বিশ্বাস করার মতো কিছু পাওয়া যায়নি। পুরো গ্রন্থটা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়লে কোনো নিরপেক্ষধর্মী মানুষের কাছে মনেই হবে না যে, এটি স্রষ্টার বাণী। বরঞ্চ যেটি মনে হবে সেটি হচ্ছে একজন মানুষকে ঈশ্বর বানিয়ে নাটকের মতো করে কেউ লিখেছেন, যেখানে পুরোপুরি অযৌক্তিক ও অবিশ্বাস্য রকমের কিছু কল্পকাহিনীও যোগ করা হয়েছে, এবং যার জ্ঞান মূলত সেই সময়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

নোট: লেখাটি সদালাপের পুরাতন সাইটে অনেক আগে একবার প্রকাশিত হয়েছিল। এর আগে বাংলায় গীতার উপর সমালোচনামূলক কোনো লেখা নজরে পড়েনি। কিছুটা সংযোজন-বিয়োজন ও সম্পাদনা করে পুনঃপ্রকাশিত হলো। একজন ইসলামে বিশ্বাসী হিসেবে প্রবন্ধটি লিখা হয়েছে। ফলে শতভাগ নিরপেক্ষতার নিশ্চয়তা দেওয়া হচ্ছে না। তবে কোনো প্রকার ভুল-ভ্রান্তি ধরিয়ে দিলে সংশোধন করে নেওয়া হবে।

[গীতার অনুবাদের লিঙ্ক]

৭৭ comments

Skip to comment form

  1. 43
    তপন

    একটি সিনেমার মাঝখান থেকে কিছু বললে যা হয়। এই পোস্টের পোস্ট দাতা সেভাবেই পোস্ট দিয়েছেন। যার ফলে এটা  গীতার ব্যাখ্যা না হয়ে গীতার অপব্যাখ্যা হয়ে গেছে। গীতা বুঝতে হলে একে শুরু থেকে পড়তে হবে। জানতে হবে কর্ম যোগ, জ্ঞানযোগ, ভক্তিযোগ কি? কোরআনে এসব যোগের কিছুই নাই। সুতরাং  গীতার দর্শন বিচারে কোরান হচ্ছে একটি বলদের দর্শণ। আর পোস্ট দাতা গীতা সম্পর্কে অসংখ্যা ভুল তথ্য দিয়েছেন যা যেকোনো গীতা পড়া লোকের চোখে ধরা পড়বে। তাই কথা আর বেশি বাড়াতে চাই না। 

  2. 42
    sun

    valo laglo chalie jan,,,,,,Thank you

     

  3. 41
    omar faruk

    ধর্ম কেন এখানে। যার যার ধর্ম তার কাছে। সবার কর্ম ফল এক দিন ভোগ করবে। #রায়হান ভাই, এক হিন্দু আমাকে প্রশ্ন করল যে #(আপনাদের নবীর কেন 23 বছর কোরআন নাযিল হতে লাগলো?)আমি কি জবাব দেবো, আমি যে ধর্ম বিষয়ে কোনও হাফেজ নই। ওরা বলে ওদের ধর্ম সঠিক ধর্ম। আসুন ওরা মূর্তি পূজা করে। ওদের বেদে 15শ33 অনুচ্ছেদ বলে মূর্তিপূজা হারাম। কতই না মজা। মাঝখানে রেখে যাওয়ার উওর বলে আমাকে সাহায্য করবেন। আপনাকে আল্লাহ্ হাজার বছর বাঁচিয়ে রাখুক।

  4. 40
    sumon

    আপনি আমাকে বলবেন,,,, সনাতন ধর্মের কি কোন অস্তিত্ব নাই, এই ধর্মের এতো অলৌকিক ঘটনা সব মিথ্যে।

    1. 40.1
      কিংশুক

      অন্ধ বিশ্বাস ছাড়া সাধারণ যুক্তি, বিজ্ঞান, ইতিহাস, ভূগোল ইত্যাদি দিয়ে বিচার করলে হিন্দু ধর্মের সকল ধর্মগ্রন্থ স্রেফ রুপকথা। তাও আবার অমানবিক বর্নবাদ, সতীদাহ ইত্যাদি অত্যাচার অনাচার ধর্মের অংগ। আধুনিক যুগে হিন্দু ধর্ম বাঁচানোর একটাই উপায় তা হলো বিজেপি বানিয়ে মুসলমান ইসলামের ঘাড়ে সব দোষ চাপিয়ে নিজেদেরকে শ্রেষ্ঠ বর্ণ আর্য জাতি বলে চেঁচামেচি করা। প্রতিদিন দুই চার পোটলা গাজা খেয়ে ইসলাম মুসলিম নবী ও তার পরিবারকে চটির ভাষায় গালি না দিলে হে দু ধর্ম বাঁচবেনা যে কাজ দাঁড়িপাল্লা মালাউনরা দিবারাত করে যাচ্ছে ।

    2. 40.2
      এস. এম. রায়হান

      সম্পূর্ণ অ্যাকাডেমিক স্ট্যাইলে লিখা এই প্রবন্ধে সনাতনপন্থীদের 'ভাষা' আর কথাবার্তা দেখে লজ্জায় সেগুলোর কোনো জবাবই দেইনি। ২নং মন্তব্যে একজন তো লেঞ্জা লুকিয়ে গোচনা-সহ থ্রেট পর্যন্ত দিয়েছে-

      আপনার লেখা দেখে খুবই হাসি পেলো।আপনার মতো ছাগলের মাথায় উপনিষদের আধ্যাত্মিকতা ঢুকবে না এটাই স্বাভাবিক।তার চেয়ে বরঞ্চ ভালো করে আরবী আদবকায়দা শিখুন।মরুভূমির প্রভুদের পা চাটতে বরং সুবিধা হবে।পরবর্তীকালে যদি হিন্দুধর্ম নিয়ে কোনো আপত্তিকর মন্তব্য করেন,তা হলে আপনার পরিণতি অত্যন্ত খারাপ হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

      যাহোক, এই লেখায় সনাতন ধর্মের অস্তিত্ব নিয়ে কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা হয়নি। কাজেই আপনার মন্তব্যটা এখানে অপ্রাসঙ্গিক। তবে সনাতন ধর্মের কোনো অস্তিত্ব না থাকলে এই প্রবন্ধই তো লিখা হতো না, তাই নয় কি?

  5. 39
    ইকবাল

    আপনাদের আলোচনা বেশ ভাললাগল

  6. 38
    নকুল বৈরাগী

    ইতিহাস লেখা দেশ কাল পাত্র অনুযায়ী পাল্টে যায় , কিন্তু সত্য অপরিবত্তিত থাকে । আপনি নিজেকে গভীর ভাবে চিন্তা করুন । আপনি যখন জন্মালেন , তখন আপনার কোন নাম ছিল না । আপনার কোন ভাষা ছিল না । নির্দিষ্ট সময়ে আপনাকে একটি নাম দেওয়া হল । মায়ের মুখ থেকে ভাষা নিলেন । আপনা কে দীক্ষা দেওয়া হল । আপনি একটা বিশেষ ধর্ম ভুক্ত হয়ে গেলেন । বিবাহ হল , সংসার হল তাঁর পর বয়স হয়ে গেল । অতঃপর মারা গেলেন । এখন দেখার জন্মের সময় আপনি সাদা কাগজ ছিলেন । তাতে অনেক কিছু লেখা হল ।

    ভাবুন কেউ যখন সদ্য মারা জান । মৃত্যুর পর চার ঘণ্টা সমস্ত অঙ্গ প্রত্যাঙ্গ সতেজ থাকে । যা প্রতিস্তাপন যোগ্য । আবার মারা গেলে সকলে বলে অমুক মহাশয় মারা গেছেন । অনেক মানুষ তাঁকে দেখতে আসেন । এখন প্রশ্ন সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যাঙ্গ সজিব থাকা সত্তেও এমন কি নেই যার জন্য মানুষটিকে মৃত বলা হচ্ছে । মুখ আছে কথা বলতে পারছে না , চোখ আছে দেখতে পাচ্ছে না । পা আছে চলতে পারছে না । এবার নিজেকে প্রশ্ন করুন , তাঁর সেই শক্তি কোথায় গেল ? কোথা থেকেই বা এল ? কি সেই শক্তি ?, যা সমস্তটা পরিচালনা করছিল । 

     

  7. 37
    nbsd

    আমি সবার ম ন্তব্য পরলাম।অনেকেই অনেক ম ন্তব্য ক রেছেন ধ্রম নিয়ে।কি ন্তু কেউ কি ভেবেছেন আমাদের প্রিথিবির আর স উর জগতের ক থা।ভগবান আল্লাহ জিসু এরা যদি আলাদা হ ত তাহ লে কি আমাদের স উর জগত ঠিক থাক ত। তারা একেক জ ন একেক গ্রহ কে একেক দিকে ঘুরাত।জিবন বলে আর কিছু থাক ত না।ধ্রম ত দুরের ক থা।
    এটা মানতে ই হ বে সে একজন।কাজেই আসুন ধ্রম নিয়ে স মালচনা আমরা বাদ দেয়।তবে এটা বলতে পারেন ক ন্টা আস ল ধ্রম। এটা সবাই নিজে নিজে বেছে নিন।ইতিহাস কি বলে দেখুন জানুন।আর কিছু বলব না।

  8. 36
    নকুল বৈরাগী

    প্রিয় , রায়হান বাবু … আপনার লেখাটি আমার খুবই ভাল লেগেছে । খুবই সুন্দর ভাবে শ্রী কৃষ্ণ , গীতা ও  হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে তরথ্য ,যুক্তি দিয়ে  উপস্থাপন করেছেন । যা  খুবই মনোগ্রাহী , আপাতত ঠিক বলে মনে হয় । শ্রী কৃষ্ণের অস্তিত্ব বিষয়ে সন্দিহান প্রকাশ করেছেন । হিন্দু ধর্মের একক কোন ধর্ম গ্রন্থের উপর অবিস্বাসের কথা বলেছেন । কুরুক্ষেত্র যুদ্ধকে পারিবারিক বিষয় ও শ্রী কৃষ্ণকে এই যুদ্ধের উৎসাহ দাতা হিসাবে বর্ণনা করেছেন । আপনি যাই লিখেছেন তথ্য যুক্তি দেওয়ার চেষ্টা করেছেন । এবং আর অনেক কিছু লিখেছেন ।

                যাই হোক আপনার লেখাটি খুবই সুন্দর হয়েছে । অনেকে আপনার লেখার পছন্দ করেছেন অনেকে করেন নি । আমি আপনার লেখার মিশ্র প্রতিক্রিয়া দিচ্ছি । তবে এখানে আমার দু একটি কথা বলার আছে । যে কোন আদালতে খুব দামি , পাকা উকিল যেমন বিভিন্ন মামলায় খুনি আসামিকে নির্দোষ ও নির্দোষী কে  দোষী প্রমানিত করেন , বিভিন্ন তথ্য ও প্রমানকে বিকৃতি ঘটিয়ে । কথার মার প্যাচে , অঙ্গি ভঙ্গিতে উপস্থাপনের কায়দায় । ঠিক তেমনি,  আপনিও করেছেন । কিন্তু সব অপরাধি বিচারকের সামনে অপরাধ স্বীকার না করলেও উকিলের সামনে প্রকাশ করতে হয় । সেই অপরাধের ফাক- ফোঁকর খুজে অপরাধিকে বাঁচান । তাই উকিল অপরাধের সব জানেন বা জানতে হয় , কিন্তু তিনিও বিচারক কে গোপন করেন , বিচারক না জেনে ভুল বিচার করে ফেলেন । তাই আপনি যখন হিন্দুদের ধর্ম গ্রন্থ পরেছেন বিশেষ করে গীতা , শ্রী কৃষ্ণ কে ? আপনি ভাল করেই জানেন । কিন্তু আপনি তা সকলের সামনে প্রকাশ করবেন না, কেননা আপনি যে মনে অন্য সঙ্কল্প করে রয়েছেন । তাকেই প্রতিষ্ঠা করবেন, নিরপেক্ষ চিন্তা প্রকাশ করবেন না এটাই স্বাভাবিক । কিন্তু তার মধ্যেও ভাল মনের উকিল যারা, অপরাধীকে বাঁচালেও বাড়ি ফিরে নির্জনে অনুশোচনা করেন ।আবার কেউ কেউ ভাবে এটা ব্যাবসা । তবে শ্রী কৃষ্ণ ঐতিহাসিক কি না বিচার করার দায়িত্ব আপনাকেই দিলাম । গুজরাতের দ্বারকায় সমুদ্রের নিচে প্রাচীন দ্বারকা নগরির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে ।, যার নির্মাণ শৈলী বিশেষ পদ্ধতিতে গড়া যা বিশেষ জাহাজে করে প্রদর্শন করান হয় , চাইলে দেখে যেতে পারেন । বুদ্দদের ধর্ম গ্রন্থ জাতক কাহিনীতে , ইন্দ্রপস্তের রাজা ধনঞ্জয় কৌরব্যের নাম পাওয়া যায় , তাদেরই লেখা অনুযায়ী তিনি য়ুধিস্তির বংশীয় । এছারা তখনও মথুরায় যাদবেরা রাজত্ব করতেন । ছান্দোগ্য উপনিষদে সপ্তম খণ্ডে ২৬৯ শ্লোকে দেবকীনন্দন শ্রী কৃষ্ণের কথা আছে । ভাগবতেও শ্রী কৃষ্ণের অস্তিত্ব দেখা যায় ।

                 হিন্দুদের যাবতীয় ধর্ম গ্রন্থের ও  দর্শনের আকর গ্রন্থই হল বেদ , সবই বেদময়, বেদ হতে আরম্ভ ও বেদেই শেষ । দেশ ও কাল আনুজায়ি পুনরায় প্রকাশিত হয়েছে মাত্র । শিক্ষার্থী মন নিয়ে  পড়লেই বুঝতে পারবেন , পক্ষ পাতি উকিলের দৃষ্টিতে হলে বুঝতে পারবেন না । শ্রী কৃষ্ণ ও রাম কে ছিলেন ?  য়বন হরি দাস , সন্ত কবির , চাঁদ কাজি ,তিন করি মিয়াঁ আর বহু মনিষীরা জেনে ছিলেন ও কৃষ্ণময় হয়ে গেছিলেন  । তাই আপনি তাকে খুজতে গেলে আপনি নিজেকেই নিজে হাড়িয়ে যাবেন । আপনি নিশ্চয় দেখেছেন গীতায় শ্রী কৃষ্ণ ও কোরানে আল্লার যে বর্ণনা দিয়ে তা একই । কেননা ঈশ্বর ও আল্লা একজনই , লালন ফকিরের গান শুনুন , ভাল লাগবে । শুধ আপনি না,অনেক সাইটে দেখি,  অনেক মানুষ বিশ্ব নবী ও ইসলাম সম্পর্কেও আজ গুবি কথা লেখেন যার কোন প্রয়োজন নেই । আসুন সত্য জানি ও সত্যময় হই । জয় হোক, সর্ব শক্তিমানের ।
     

  9. 35
    desertstorm

    people who are interested to know more about hinduism. click on the link below.

    http://nirmukta.com/2011/08/27/the-status-of-women-as-depicted-by-manu-in-the-manusmriti/

     

  10. 34
    অজয়

    হিন্দুধর্মগ্রন্থ পবিত্র বেদ-উপনিষদ-গীতা অবতারনকালের মত এখন আর বিশুদ্ধ অবস্থায় নেই , এ সব গ্রন্থাদির সংকলক হিসেবে যার নাম পাওয়া যাচ্ছে তিনি কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস যিনি ব্রহ্মসূত্র নামে এক গ্রন্থের রচয়িতা যাতে সর্বসৃজক ধারণাকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি । অথচ তাঁর সংকলনগুলোতে স্রষ্টা-উপাসনা ও সৃষ্ট-উপাসনা মিলেমিশে এমন ভয়ানক অবস্থায় হিন্দুদেরকে নিয়ে গিয়েছে যে স্রষ্টার প্রেরিত অবতার কৃষ্ণ প্রমূখকে স্রষ্টা হিসেবে মনে করার মত মহাপাপকে ও মূর্তিপূজার ন্যায় অধিকতর মহাপাপকে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে । হরি ছাড়া নেই উপাস্য কৃষ্ণ তাঁর এক দাস্য । 

  11. 33
    দূর্যোধন

    মহাভারতে কৃষ্ণ অর্জুনকে বলছেন, "সমগ্র বিশ্বে ধর্ম স্থাপনার জন্য এ যুদ্ধ অনিবার্য।" আবার বলছেন, "সমগ্র বিশ্বে একটি মাত্র রাষ্ট্র থাকবে, প্রথমবার "ভারত " তার নাম।"

    আসুন দেখি সমগ্র বিশ্ব বলতে মহাভারতে কি বলা আছে —-- মহাভারত অনুসারে কুরু রাষ্ট্র, পানচাল, মগধ, দারোকা, বিরাট, গান্ধার ইত্যাদি রাজ্যের নাম দেখতে পাওয়া যায়। এসকল স্থানের সমষ্টি নিয়ে কখন সমগ্র আর্যাবর্ত কিংবা সমগ্র বিশ্ব শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।

    আজব কাহিনী. আফ্রিকা, আমেরিকা, ইউরোপ ইত্যাদি স্থান কি তখন পৃথিবীতে ছিলো না, নাকি কৃষ্ণ চলে যাওয়ার পর পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছে? বিজ্ঞান পড়লেই জানতে পারবেন আফ্রিকা মহাদেশে আজ থেকে ছয় হাজার বছর আগের মানুষের মাথার খুলি পাওয়া গেছে!!! আসলে বাস্তবে হিন্দু ধর্ম হচ্ছে সে সময়কার কতিপয় মানুষের তৈরি একটা ধর্ম, যাতে রয়েছে কোটি কোটি দেবতা। এমনকি ভগবানরা নিজেদের মধ্যেও যুদ্ধ করছে। তা না হলে সমুদ্রের ওপারে যে আরও দেশ আছে তা তাদের জানাই ছিলো না। আর ভগবানেরা ভারত বাদে পৃথিবীর অন্য স্থানে অবতার হলেন না কেন?

    1. 33.1
      কিংশুক

      হিন্দু ধর্মের সব দেবতা ঈশ্বর হিমালয় পর্বতে বাস করে!!! চরমতম অন্ধ বিশ্বাস ছাড়া হিন্দু ধর্ম বিজ্ঞান ইতিহাস ভূগোল সব নিক্তিতে 100% হাস্যকর রুপকথা।

  12. 32
    trueman.

    Islam is the only true religion.

    1. 32.1
      kumar mondol

      Yes, we can see the face of the true religion embodied by Boko Haram, ISIS and other terror groups.

      1. 32.1.1
        ভানু ভাস্কর

        ধরুন একজন সনাতনধর্মী মুসলিম নাম নিলো, সে কি মুসলিম হয়ে যাবে? যাবে না। সুতরাং বোকো হারাম যদি ইসলামের নাম নিয়ে হারাম কাজ করে, তার দায় যে কেনো আপনারা ইসলামের ঘাড়ে চাপান বুঝতে পারি না। অবশ্য আপনার কথা কি বলব, আধুনিক প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবিরাও ওই যাকে বলে আপনার মত-ই ব্যাখ্যা করে। জঙ্গীবাদের নাম আপনারা-ই দিয়েছেন ইসলাম। একটু পড়ে দেখুন। তুলনামূলক আলোচনায় দেখবেন ইসলাম কত স্বচ্ছ ও পূর্ণাঙ্গ! 

        আমি মহাভারত পড়েছি। এত উচ্চমার্গের বই কমই আছে। ব্যাসদেবের লেখার তারিফ করতে হয়। কিন্তু এই বইকে আমার কাছে উচ্চমানের সাহিত্য ছাড়া ধর্মগ্রন্থ কখনো মনে হয়নি। রামায়নের ক্ষেত্রেও ওই একই কথা। আমি এই বইগুলো থেকে অনেক কিছু শিখেছি। অর্জুনকে শ্রীকৃষ্ণের দেয়া ধর্মশিক্ষার কিছু কিছু কথা অবশ্যই ভালো লেগেছে। ভালো কথা শুনতে ভালোমানুষের ভালো লাগে, চোরে শুধু ধর্মের কথা শোনেনা, চোরে যুক্তিও মানেনা। যেমন এ মহাবিশ্বে অনেকগুলো ইশ্বরের মালিকানা আছে কথাটা অসার, কিন্তু কেউ কেউ মানছে।

        বলি কি সোজা পথে ভেবে দেখুন, তাহলে একমে বা দ্বিতীয়াম বা লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ -এর মুলতত্ত্ব বুঝতে পারবেন, আর এটা-ই শেষ কথা। সময় চলে যাবার আগে সোজা পথে ভাবতে শিখুন।

         

  13. 31
    soharab

    মিস্টার পার্থ দাশ, আমি আপনাদের এই বিভাগে আজই প্রথম। আপনাদের কথা চালাচালির অনেকগুলো লেখা আমি আজ পড়লাম। বেশ ভালোই লাগলো। কিন্তু আমি বুঝতে পারছি না আপনি কিভাবে হিন্দু ধর্ম বলছেন। আসলে হিন্দু ধর্ম বলে ভারতবর্ষে কিছু নেই। যেটা আছে তা হলো, সনাতন ধর্ম। আর এই ধর্ম যারা অনুসরণ করে তাদের বলা হয় বেদান্তবাদী।
    আপনার কাছে আমার ছোট একটি প্রশ্ন, তা হলো শ্রী কৃষ্ণের আমলে আপনাদের ধর্ম মতে রাস ছিলো। শ্রী কৃষ্ণের জন্ম হয়ত ৫০০০/৬০০০ বছর পূর্বে। অথচ বিজ্ঞানিরা সারা দুনিয়া খুজে বেড়াচ্ছেন বন-জঙ্গল খুজে বেড়াচ্ছেন পৃথিবীর আদি কিছু পাওয়ার জন্য। ২০ কোটি ৩০ কোটি বছর পূর্বের অনেক আজব আজব ফসিল পেয়েছেন কিন্তু আজ পর্যন্ত বিজ্ঞানিরা রাসের কোন ফসিল পাননি। অথচ এই রাসরা ভারতবর্ষেই মানুষ আবার কখনো ভয়ংকর রূপে বিচরণ করেছে। আপনি কি বলতে পারবেন বৈজ্ঞানিকভাবে এর সত্যতা কতটুকু।

     

  14. 30
    partha das

    যারা উঠে দাড়াও বলতে বোঝে মারতে আসছে তাদের আর যুক্তি  আর ব্যাখ্যা যে জেগে ঘুমায় তাকে কি কে বোঝাবে ??? হিন্দুদের ধর্মে নেই যা তা বলে প্রমান করতে চাইবে নিজে ঠিক অথছ ভুল ভাল বলে জাচেছ । যা তা বাজে লেখা । মুস্লিম দের দেশ গুলো একটু দেখুন কেমন সুরিয়াত আইনএর ফলে মানুষ ঢিল মেরে নারিদের হত্যা কড়ছে তালিবান রা, কান কেটে নিচেছ, গুলি করে হত্যা করছে, তাদের কাছে নারীবাদ হিন্দুদের শেখার দরকার নেই । যারা মানুষ কে মানুষ বলে ভাবে না, বাংলা দেশে হিন্দুদের ঘর বাড়ি পোরাচেছ তাদের এত কথা শুনলেও হাসি পায়। এইরকম মুসলিম জাতির ভাল কোন উদাহরণ থাকলে জানিয়েন। এরা মানুষ কে মানুষ বলে ভাবে না, শুধু কে ধর্মীয় মুসলিম কে ধর্মীয় হিন্দু সেই হিসাবে দ্যাখে। জঘন্য হীনমন্যতা ও কুৎসিত সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষে তাদের অপবিত্র অন্তরগুলো ভরা। হিন্দু মেয়েরা তাদরে বাপ মা স্বামীর সম্পত্তি পায় সেইটুকু খোঁজ খবর রাখে না। আমিতো বলব হযরত মহম্মদ রোমান দের ইহুদীদের ধর্মের নকল করে আরব দের সঙ্ঘব্ধ করেছিল । কোন ধর্মের প্রচার করেনি । কাফের কে কোতল কর বলে হযরত মহম্মদ তাদের যুদ্ধবাজ করে তুলে ছিল । কারণ অন্ন ধর্মের মানুষও তো মানুষ তাদের কোতল করার মানে কি ?  নিজেদের ধর্মের ভুলগুলো আগে ঠিক করুন দাদা তারপর গীতা নিয়ে ভাববেন।

    1. 30.1
      আহমেদ শরীফ

      যাই হোক অবশেষে বাংলিশ থেকে কিছুটা উন্নীত হয়ে বাংলায় কমেন্ট করার জন্য ধন্যবাদ।

      এলোমেলো পারম্পর্যহীন এসব বক্তব্যে বিশেষ কিছু বোঝা গেল না যদিও, অভিমান-অনুযোগের সুরে করা দিশেহারা মন্তব্যে আপনার বর্ণবাদি সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষটুকুই উৎকটভাবে ফুটে উঠেছে শুধু। সাধ্যে কুলোলে পোস্টপ্রসঙ্গের সাথে সঙ্গতি রেখে মন্তব্য করুন। পোস্টে বিধৃত যুক্তিপ্রমাণ খন্ডনে প্রাসঙ্গিক উপযুক্ত দলিলপ্রমাণ নিয়ে আসুন। যুক্তির শক্তিতে এই পোস্টকে অসার প্রমাণ করুন। সময় নিয়ে গবেষণা করে আবার আসুন।

      একান্তই না পারলে অফ যান এবং আর উত্যক্ত না করে সদালাপের বুদ্ধিমান পাঠকদের রেহাই দিন।

  15. 29
    partha das

               (১৯০০ খৃঃ ২৮শে মে স্যান ফ্রান্সিস্কোতে প্রদত্ত বক্তৃতার সংক্ষিপ্ত অনুলীপি)

          গীতা সম্বন্ধে প্রথমেই কিছু ভূমিকার প্রয়োজন। দৃশ্য -কুরুক্ষেত্রের সমরাঙ্গন।পাঁচ হাজার বৎসর পূর্বে ভারতবর্ষে আধিপত্য লাভের জন্য একই রাজবংশের দুইটি শাখা -কুরু ও পাণ্ডব যুদ্ধেক্ষেত্রে সমবেত হইয়াছিল। পাণ্ডবদের ছিল রাজ্য ন্যায়সঙ্গত অধিকার, কৌরবদের ছিল বাহুবল। পাণ্ডবদের পাঁচ ভ্রাতা এতদিন বনে বাস করিতেছিলেন; শ্রীকৃষ্ণ ছিলেন তাঁহাদের সখা। কৌরবেরা পাণ্ডবদিগকে সূচ্যগ্র মেদিনী দিতেও রাজী হইল না।

          গীতায় প্রথম দৃশ্যটি যুদ্ধক্ষেত্রের। উভয় দিকে আছেন আত্মীয়-স্বজন ও জ্ঞাতিবন্ধুরা-এক পক্ষে গৌরব-ভ্রাতৃগণ, অপর পক্ষে পাণ্ডবেরা। একদিকে পিতামহ ভীষ্ম,অন্যদিকে পৌত্রগন।বিপক্ষদলে তাঁহার ঞ্জাতি বন্ধু ও আত্মীয়দের দেখিয়া, তাহাদিগকে বধ করিবার কথা চিন্তা করিয়া অর্জুন বিমর্ষ হইলেন এবং অস্ত্রত্যাগ করাই স্থির করিলেন। বস্তুতঃ এইখানেই গীতার আরম্ভ।

          পৃথিবীতে আমাদের সকলেরই জীবন এক বিরামহীন সংগ্রাম। অনেক সময় আমরা আমাদের দুর্বলতা ও কাপুরুষতাকে ক্ষমা ও ত্যাগ বলিয়া ব্যাখ্যা করিতে চাই। কিন্তু ভিক্ষুকের ত্যাগ কোন কৃতিত্ব নাই। আগত করিতে সমর্থ কোন মানুষ যদি সহিয়া যায়, তবে তাহাতে কৃতিত্ব আছে; যাহার কিছু আছে, সে যদি ত্যাগ করে, তবে তাহাতে মহত্ব আছে। আমরা তো জানি আমাদেরই জীবনে কতবার আমরা আলস্য ও ভীরুতার জন্য সংগ্রাম ত্যাগ করিয়াছি, আর আমরা সহসী-এই মিথ্যা বিশ্বাসে নিজেদের মনকে সম্মোহিত করিবার চেষ্টা করিযাছি। 'হে ভারত(অর্জুন), ওঠ, হৃদয়ের এই দুর্বলতা ত্যাগ কর, ত্যাগ কর এই নির্বীর্যতা! উঠিয়া দাঁড়াও,সংগ্রাম কর।'১ -এই তাৎপর্যপূর্ণ শ্লোকটি দ্বারাই

  16. 28
    Sankarsha

    Click the link…ISLAM is totally fake..baseless…
    http://eternalreligion.org/vedic_origin_of_islam.html

  17. 27
    শাফিউর রহমান ফারাবী

    বাংলাদেশের অনলাইনের নাস্তিকগুলি হচ্ছে সব ভণ্ড। এই অনলাইনের নাস্তিকগুলিকে কি আপনি কখনই দেখেছেন যে হিন্দু মেয়েরা যে এখনও তাদের বাপ মা স্বামীর সম্পত্তি পায় না, হিন্দু মেয়েদের বিয়েতে যে রেজিস্ট্রেশন হয় না, হিন্দু মেয়েরা যে তাদের স্বামীকে তালাক দিতে পারে না -- এই বিষয়গুলি নিয়ে কোন লেখালেখি করতে। এই অনলাইনের নাস্তিকগুলি সারাদিন খালি মুসলমান মেয়েদেরকে নিয়ে পড়ে থাকে। আসলে এগুলি একটাও নাস্তিক না এগুলি হচ্ছে সব ভণ্ড। এইজন্যই হাজার দোষ ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও এরা কখনই হিন্দু ধর্মের কোন সমালোচনা করে না।

    1. 27.1
      আহমেদ শরীফ

      জেনুইন নাস্তিক খুব কম। এদের মধ্যে বেশিরভাগই বর্ণবাদি হিন্দু। জঘন্য হীনমন্যতা ও কুৎসিত সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষে তাদের অপবিত্র অন্তরগুলো ভরা। সেই ঘৃণার গরলে নিজেরাই জ্বলেপুড়ে খাক হতে থাকে। জ্বালা ভুলতে ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে সাধ্যমত বিষোদগার করে। মানসিকভাবে এরা সুস্থ নয়।

  18. 26
    এস. এম. রায়হান

    কৃষ্ণ ও সম্পূর্ণ গীতার উপর পুরোপুরি অ্যাকাডেমিক ভাষায় যৌক্তিক সমালোচনামূলক প্রবন্ধ গীতার ইতিহাসে আমার আগে কেউ লিখেছেন কি-না জানা নেই। পুরো লেখাটি পড়লে যে কেউ তা অনুধাবন করতে পারবেন। এই লেখায় কৃষ্ণ বা গীতা বা হিন্দু ধর্মকে কটাক্ষ করে একটি শব্দও উচ্চারিত হয়নি। অথচ হিন্দুদের আক্রমণাত্মক মন্তব্যগুলো দেখুন। এমনকি থ্রেট পর্যন্ত দেওয়া হয়েছে। অথচ এরাই আবার নিজেদেরকে 'শান্তিবাদী, সহিষ্ণু' বলে প্রচার চালায়। মনারাও এদের সম্পর্কে একই দাবি করে। পুরাই ভণ্ডামী আরকি।

  19. 25
    Joy Dey

    ahamed sharif vai, apni mone hoy nijer dhormo shomporke ektu beshi knowledge arohon kore felechen….tai onno dhormoke kotukti korte akbar o gaye lage na. Agee nijer dhormo k valo kore janun trpor onnno kichu vabben. Apni je akta nastik seta apnr post ei porichay peyeche…karon, je onner dhormo k respect korte jane na tar to nijer dhormo bole kichui nei.Apnr moto ekjon boddho pagol er post pore nijer time tai ashole nosto holo..valo kichu noy..!

    1. 25.1
      আহমেদ শরীফ

      এসব বকওয়াজ বাদ দিয়ে নিজের ধর্ম উদ্ধারে কোন যুক্তি-তথ্যপ্রমাণ ঘটে থাকলে প্রকাশ করুন হয়তো কিছু লাভ হলেও হতে পারে। অপ্রিয় সত্যের মুখোমুখি হওয়ায় বেদিশা হয়ে খামোখা বিষোদগার করে লাভ নেই। 

  20. 24
    আহমেদ শরীফ

    সনাতন ধর্মানুসারী অনেক প্রগতিশীল (!) মানুষ দেখেছি, যাঁরা বলেন, হিন্দুধর্ম নারীকে যথেষ্ট সম্মান প্রদর্শন করেছে। ইসলামী মৌলবাদ নিয়ে সারা বিশ্বের মানুষ ও গণমাধ্যমগুলো ব্যস্ত থাকার কারণে এইসব তথাকথিত প্রগতিশীল হিন্দু সমালোচনা করে ইসলামিক শরিয়া আইন ও নারীকে পাথর ছুঁড়ে হত্যা করাকে। কিন্তু তারা সমালোচনা করেনা সতীদাহ প্রথার। আবার অনেকে স্বীকারই করে না যে, সতীদাহ প্রথা বলতে কিছু ছিলো হিন্দু ধর্মে।

    হিন্দু ধর্মে যুবতি নারীকে দেবতার উদ্দেশ্যে- দেবতার সন্তুষ্টির জন্যে কিংবা বৃষ্টি অথবা ধন-দৌলত লাভের জন্যে বলিদান (ধারালো অস্ত্রের সাহায্যে মাথা কেটে ফেলা) করা হত। একটি বিশেষ গাছের সামনে এভাবে একটি নারীকে বলি দেয়া ছিল তদানিন্তন ভারতের স্থায়ী রীতি। প্রাচীন ভারতে নারীর অবস্থা অন্যান্য সমাজের তুলনায় অধিক নিকৃষ্ট ছিল। হিন্দুদের মধ্যেও বহু বিয়ে প্রথার ইতিহাস আছে। ইতিহাসে প্রমাণিত রাজা দশরথের তিনজন, মাহারাজা ধ্রুবের পাঁচজন, পাঁন্ডুর দুইজন, অর্জুনের তিনজন স্ত্রী ছিল।

    সনাতন ধর্মের মূল গ্রন্থ বেদ। এই কারণে এই ধর্মের আরেকটি নাম হলো বৈদিক ধর্ম। শুক্লযজু বেদের অন্তর্গত শতপথ ব্রাহ্মণে নারীকে তুলনা করা হয়েছে এভাবে:

    “সে ব্যক্তিই ভাগ্যবান, যার পশুসংখ্যা স্ত্রীর সংখ্যার চেয়ে বেশি।” (২/৩/২/৮)

    শতপথ ব্রাহ্মণের ১৩ নম্বর শ্লোকে আমরা পাচ্ছি: “বজ্র বা লাঠি দিয়ে নারীকে দুর্বল করা উচিৎ, যাতে নিজের দেহ বা সম্পত্তির উপর কোনো অধিকার না থাকতে পারে।” (৪/৪/২/১৩)

    হিন্দু শাস্ত্র মতে স্ত্রীলোক অত্যান্ত ঘৃণ্য জীব। মনু সংহিতার ৯ম অধ্যায় ১৪নং শ্লোকে বলা হয়েছে, "স্ত্রীরা পুরুষের সৌন্দর্য বিচার করেনা, যুবা কি বৃদ্ধ তাও দেখে না । সুরুপ হোক বা কুরুপ হোক পুরুষ পেলই তার সাখে সম্ভোগের জন্য লালায়িত হয়।" আবার স্কন্ধ পুরানের নাগর খন্ডে ৬০ নং শ্লোকে বলা হয়েছে, "নারী জাতির অধরে পিযুষ এবং হৃদয়ে হলাহল পুর্ণ। সুতরাং তাদের অধর আস্বাদন করা এবং হৃদয় পীড়ন করা কর্তব্য।"

    ভবিষ্যপুরাণের এক শ্লোকে আছে, যদি কোনও ব্যক্তি সূর্য দেবের উদ্দেশ্যে কয়েকটি বেশ্যা দান করে তবে সে সূর্যদেবের সাথে অক্ষয়লোকে স্হান পাবে । শ্লোকে স্পষ্ট লিখা আছে বেশ্যা কদম্বকয়। অর্থাৎ কতিপয় বেশ্যা। বলা হয়নি কতিপয় গৃহহীনকে গৃহ দিতে হবে, কতিপয় অনাহারীকে আহার দিতে হবে। (উৎস: সানন্দা ১৮ এপ্রিল ১৯৯১ সংখ্যা)

    আপনি জানেন কার মাধ্যমে ব্রাক্ষণদের কাম লালসার হাত থেকে এই নিম্ন বর্ণের হিন্দু মেয়েরা মুক্তি পেয়েছিল? উমাইয়া খিলাফতের সময়ে মুহাম্মদ বিন কাসিম যখন রাজা দাহিরকে পরাজিত করে পাকিস্তানের সিন্ধু জয় করেন তখন মহান মুসলিম সেনাপতি মুহাম্মদ বিন কাসিম প্রথম ভারতবর্ষে এই সেবাদাসী প্রথা বন্ধ করেন। নিম্ন বর্ণের হিন্দু মেয়েরা তখন কৃতজ্ঞাতায় মুহাম্মদ বিন কাসিমের মূর্তি বানিয়ে পূজা শুরু করে দিয়েছিল। পরে অবশ্য মুহাম্মদ বিন কাসিম উনার সকল মূর্তি ভেঙ্গে ফেলেন। [তথ্যসূত্র: আল-বেরুনীর ভারত তত্ত্ব] এই জন্যই স্বামী বিবেকানন্দ দাস বলেছিলেন- “ইসলাম তো ভারত বর্ষের নিপীড়িত জনগণের জন্য ঈশ্বরের আশীর্বাদ হয়ে এসেছিল।“

    যুদ্ধ ও হত্যার জন্য এত বেশি প্ররোচনা কোরানে পাওয়া যাবে না :  কোরানে সুস্পষ্টভাবে আত্মরক্ষার্থে যুদ্ধ করার কথা বলা আছে এবং সীমা অতিক্রম করতেও নিষেধ করা হয়েছে (কোরান ২:১৯০), যে'রকম উপদেশ বাণী গীতাতে নেই। গীতার প্রথম দুটি চ্যাপ্টার পড়ে দেখা যেতে পারে। কৃষ্ণের চেয়ে অর্জুনকেই বেশি মানবিক মনে হবে। গীতা থেকে কিছু নমুনা তুলে ধরা হলো:

    Sanjaya said: Having said this in the battlefield and casting aside his bow and arrow, Arjuna sat down on the seat of the chariot with his mind overwhelmed with sorrow. (Gita 1:47)

    Lord Krishna said: How has the dejection come to you at this juncture? This is not fit for a person of noble mind and deeds. It is disgraceful, and it does not lead one to heaven , O Arjuna. (Gita 2:2)

    Do not become a coward, O Arjuna, because it does not befit you. Shake off this trivial weakness of your heart and get up for the battle , O Arjuna. (Gita 2:3)

    Arjuna said: How shall I strike mygrandfather, my guru, and all other relatives, who are worthy of my respect, with arrows in battle, O Krishna? It would be better, indeed, to live on alms in this world than to slay these noblepersonalities, because by killing them I would enjoy wealth and pleasures stained with their blood.(Gita 2:4-5)

    Lord Krishna said: You grieve for those who are not worthy of grief, and yet speak words of wisdom. The wise grieves neither for the living nor for the dead . (Gita 2:11) You will go to heaven if killed on the line of duty , or you will enjoythe kingdom on the earth if victorious . Therefore, get up witha determination to fight , O Arjuna. (Gita 2:37)

    Treating pleasure and pain, gain and loss, and victory and defeat alike, engage yourself in your duty. By doing your duty this wayyou will not incur sin. (Gita 2:38)

    ১। বেদ বলছে আকাশের পিলার আছে এবং তা গরুর উপর রয়েছে:

    “The Bull has supported the sky.” (Yajur Ved: 4:30)
    অর্থ: গরু আকাশকে ধারন করে আছে।

    “Upon the back of bull (Aditi) I lay thee the sky's supporter” (Yajur Ved: 14:5 )
    অর্থ: গরু অদিতির পিঠের উপর আমি আকাশকে বসিয়ে দিয়েছি।

    ৩। বাতাস ছাড়া কি প্রদীপ জ্বলতে পারে?

    "A lamp kept in windless place does not shake.” (Bhagvad Gita: 6:19)
    অর্থ: বায়ু বিহীন জায়গায় প্রদীপের আলো কাঁপে না।
    >>বাতাস না থাকলে তো আলোই জ্বলার কথা না, কাঁপা তো দূরের কথা।

  21. 23
    PARTHA

    সালাম মালিকুম এস. এম. রায়হান ভাই,অনুগ্রহ করে আগে ধর্ম কথার অর্থ জানুন -- হিন্দু মুসলিম খ্রিস্তান বোলে কোন ধর্ম নেই. ধর্ম অর্থে বস্তুর সেই অবস্তা যা বস্তু থেকে আলাদা করা যায়না । যেমন জলের ধর্ম তরলতা, আগুনের ধর্ম তাপ  অর্থাৎ তরলতা  কে জল থেকে আলাদা বা তাপ কে আগুন থেকে আলাদা করা যায় না, তেমনি মানুষের ধর্ম  প্রেম বা ভালোবাসা যা সব মানুষের ই ধর্ম ।সব মানুষ ই কাওকে না কাওকে ভালোবাসে। এই ভালোবাসা ই সোনাতন, অর্থে --
    যার আদি ও অন্ত নেই । ভালো থাকুন । খুদা হাপীজ । হরে কৃষ্ণা।

  22. 22
    Ivan

    তর্ক আলোচনা চলুক। আলোচনা থেকেই সত্যটা উঠে আসবে। কিন্তু আস্রাব্য ভাষা, কটুক্তি এবং অশালীনতা অবশ্যই পরিত্যাজ্য।

  23. 21
    আতিক

    আসলে আমি একজন মুসলিম হিসেবে সবাইকে বলব আপনারা ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেন না। আমাদের ইসলামে এ নিয়ে বলা হয়েছে যে যার যার ধর্ম তার তার কাছে। নিজের ধর্মের ঠিক নাই তো অন্য ধর্ম নিয়ে মাতামাতি করে লাভ নেই। কোন কোন মুসলমান ভাই বলতেছে যে ইসলাম বিজ্ঞানসম্মত……….আসলেই কথাটা ঠিক। সবচেয়ে বড় কথা হল যে জিনিস আপনি দেথেন নাই সেইটা বিশ্বাস করার কোন মানে আমি দেখি না। আমাদের ধর্ম হচ্ছে একটা বাস্তব সম্মত ধর্ম। এখানে অন্ধ বিশ্বসের কোনো দাম নেই। আপনি যদি ইসলাম ধর্মের লোক হয়ে কিছুই না দেখেন তাহলে আপনার ধর্ম আর অন্য ধর্মের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। পবিত্র কোরআনে আল্লাহপাক বলেছেন….  ”ওয়া ফি আনফুসিকুম আফেলা তুব ছিরুম” অর্থৎ” আমি তোমার মধ্যে বিদ্যমান কেন তুমি আমাকে দেখনা?”  আল্লাহকে অবশ্যেই দেখা যায় তবে এই চোথ দিয়ে নয় …….অন্তরের চোখ দিয়ে……… । আর সেই অন্তরের চোখ দিয়ে দেখতে হলে আগে অন্তরের চোখ অবশ্যই পরিষ্কার করতে হবে। সুতরাং যিনি পরিষ্কার করার সিষ্টেম জানেন তার কাছে গিয়ে পরিষ্কার করে আনুন। কুরআন শরীফ-এ আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক উনার রহমত মুহসিন বা আল্লাহওয়ালাগণ উনাদের নিকটে।” (সূরা আ’রাফ : আয়াত শরীফ ৫৬)……এবার আপনি ঐ রকম একজন মুহসিন খুজে নিয়ে তার কাছ থেকে রহমত নিয়ে অন্তরের চোখ পরিষ্কার করে আল্লার জাতে পাকের নুর দেখতে পারবেন।….এখানে একটি কথাও মিথ্যা নয়। আমার মোবাইল নাম্বার দিলাম যদি ইচ্ছা হয় তো যোগাযোগ করিয়েন। আমার কথার যদি প্রমাণ না পান তাহলে আমাকে যা ইচ্ছা করিয়েন…………01917490414

  24. 20
    প্রদীপ

    আহমেদ শরীফ ,
    ভাই আপনি কেমন মুসলিম আপনি তো ভাই মুসলিম জাতির কলংক । কেননা  আপনি বলছেন
    বিজ্ঞান দিয়ে প্রমান করতে যে ,একজন মানুষ কিভাবে দুই বার জন্মগ্রহণ করে। বিজ্ঞান দিয়ে এটা  প্রমান করা যাবে না কারণ বিজ্ঞান কখনো ধর্ম বিশ্বাস করে না ।আর  এটা সম্পূর্ণ ধর্মের বেপার
    আর ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে আপনাদের মহানবী নিষেধ করেছেন ।তারপর ও যদি ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করেন তাহলে মনে করব আপনারা মহানবীকেই বিশ্বাস করেন না। আর কিছুই লিখতে চাই না আপনি যেমন গ্রীস এর ভাষা পুরোপরি বলতে পারেন না তেমনি ওই দেশের ইতিহাস সম্পর্কে জানেন না তেমনি ওই দেশের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে হলে আপনাকে অবশ্যই ওই দেশের ইতিহাস ঘাটতে হবে ।আর একটি উদাহরণ দেই ,আপনার মাকে আমি না জেনেই ওনার সম্পর্কে উল্টা  পাল্টা বলতে পারব কিন্তু আমি তখনই ওনাকে  উল্টা পাল্টা বলতে পারব না যতক্ষণ না ওনার সম্পর্কে না জানব ।আশা করি বুজতে পেরেছেন ।
     

  25. 19
    RONY KARMAKER

    পোষ্ট এবং মন্তব্য দেখে অবাক হবার মতো কিছুই পেলাম না কারন আমরা হিন্দুরাই গীতার সঠিক অর্থ বুঝি না। যেমন গীতায় যে যুদ্ধের কথা বলা হয়েছে তা বাহ্যিক যুদ্ধ নয় দৈহিক যুদ্ধ । আমি প্রথম শ্লোকের ব্যাখ্যা দিলাম মনোযোগ সহকার পড়ুন বুঝতে পারবেন গীতার মাহাত্ন্য 
                                   "ধর্মক্ষেত্রে কুরুক্ষেত্রে সমবেতা যুযুত্‍সব
                                     মামকা পান্ডবাশ্চৈব কিমকুর্বত সন্জয়"
    অর্থাত্‍ ধৃতরাষ্ট্র সন্জয়কে জিজ্ঞেস করলেন ধর্মক্ষেত্র কুরুক্ষেত্রে তার পুত্রগন এবং পান্ডবগন কি করলেন?
    তাৎপর্যঃ ধৃতরাষ্ট্র কহিলেন—দেহরূপ রাজ্য যিনি ধারন করিয়া আছেন, তিনিই ধৃতরাষ্ট্র ; মনই দেহরূপ রাজ্যের রাজা অবং ইনিই দেহরূপ রাজ্য যিনি ধারন করিয়া আছেন; এই মন অন্ধ। মন কিছুই দেখিতে পায় না। বুদ্ধির দ্ধারা ভাল মন্দ বিষয় সকল মনের গোচর হইয়া থাকে। অন্ধমনের দৃ্ষ্টিহীনতা হেতু মন যুদ্ধের বিষয় সঞ্জয়কে জিজ্ঞেস করিতেছে। সঞ্জয়(সম্যক প্রকারে জয় হইলে যার প্রকাশ হয়) অথ্যাৎ দিব্যদৃষ্টি, তৎসমীপে মন জিজ্ঞেস করিতেছে যে, হে সঞ্জয়! ধর্মক্ষেত্র কুরুক্ষেত্রে যুদ্ধর্থীগণ কি করিলেন? ধর্মক্ষেত্র অথ্যাৎ এই শরীর; শরীরই ধর্মক্ষেত্র এবং কর্মভূমি; কারন ধর্ম ও কর্ম এই শরীরেই হইয়া থাকে(ইদং শরীরং কৌন্তেয় ক্ষেএমিত্যভিধীয়তে অঃ১৩,শ্লোকঃ২) ধর্ম অথ্যাৎ জীবের প্রতি দয়া, যাহাতে জীবের রক্ষা বা পোশণ হয়, এমত কার্যের নামই দয়া বা ধর্ম; রক্ষা অর্থাৎ স্হিতি, শ্বাস প্রশ্বাসরূপে প্রাণের যে গতি চলিতেছে এই গতি স্বতঃ রহিত(স্হির) অবস্হার নাম স্হতি, অর্থাৎ বিনা অবরোধে আপনা আপনি শ্বাসপ্রশ্বাসের গতি রহিত হইয়া স্হির অবস্হা হওয়ার নামই স্হিতি; এই স্হিতি প্রাণকর্মের দ্বারা হইয়া থাকে এবং সেই কর্ম এই শরীরেই হয়; একারনে শরীরকে ধর্মক্ষেএ এবং প্রাণকর্মের কর্মভূমি বলিয়া কুরুক্ষেত্র বলা হয়। এই শরীররূপ ক্ষেএে যুদ্ধার্ধী মনের পক্ষীয়গণ অর্থাৎ ইন্দ্রিয়গণ, যেহেতু ইন্দ্রিয়গণকেই মন আপনার বলিয়া বোধ করিয়া থাকে। বাক, পাণি, পাদ, পায়ু এবং উপস্হ, এই পঞ্চ স্হানই কর্ম্মেন্দ্রিয়; চক্ষু, কর্ন, নাসিকা, জিহ্বা ও ত্বক এই পাঁচটি জ্ঞানেন্দ্রিয়; সমুদায়ে দশ ইন্দ্রিয় প্রত্যেকেই [পূর্ব পশ্চিমাদি] দশ দিকে ধাবমানশীল, অর্থাৎ প্রত্যেক ইন্দ্রিয়ই দশদিকে গমনাগমন রূপ দশগুনবিশিষ্ট; মনোরূপী ধৃতরাষ্ট্রের এই (দশ দশে শত) একশত পুএ; ইহারাই মনের প্রবৃওিপক্ষীয়। পাণ্ডবগণ অর্থাৎ ক্ষিতি, অপ, তেজঃ, মরূৎ, ব্যোম এই পঞ্চ তত্ত্বই পঞ্চ পান্ডব।মনোরূপী ধৃতরাষ্টের শত পুএরূপ ইন্দ্রিয়গণ((প্রবৃত্তি পক্ষীয়গণ) , ইহারা চাইতেছে মনোরাজ্য দখল করি; দেহরূপ রাজ্য এইরূপ পরস্পর বিরোধি, অতএব যুদ্ধার্থী; দেহরূপ যুদ্ধক্ষেত্রে সাধনরূপ সমরকালে রক্ত মাংসের সহিত তেজঃযুক্ত হইয়া প্রাণায়ামরূপ প্রাণবায়ুর কায্য নাভিচক্রস্হ তেজস্তত্ত্ব[অর্জুন] আরম্ভ হইলে, ঐ ক্রিয়া আরম্ভ হইলে পঞ্চতত্ত্বের গুণসমূহ এবং ইন্দ্রিয়গণ সমবেত হইয়া কি করিলেন , তাহাই দিব্য দৃষ্টির সাহায্যে অন্ধমন জানিতে চাইতেছেন।
    সবশেষে একটি কথা বলতে চাই গীতার অর্থ বুঝে পড়ুন 
     

  26. 18
    হাসান মেহেদী

    সময় করে পড়তে হবে

  27. 17
    PARTHA DAS

     

    মহাশয়

     

    দয়া করে আপনার সামান্য শিক্ষা এর পরিণাম হিসাবে ইতিহাস বিক্রীত করিবেন না উদাহরন হিসাবে আপনাকে কিছু examples দিলাম
    Adi Dharma doctrine (1848/1850)
    By the 1848 Adi Brahma Dharma published doctrine of Debendranath Tagore, it was held that present Hinduism doctrine is corrupted, but that the original Vedas of pre-Aryan times (being relatively pure, though still fallible and not Scripture to be relied on) as reflected by 11 judiciously chosen Upanishads also speak of a single formless God who requires no temple or priest or idol for worship, only a rational and pure conscience of an intelligent mind. That there is no caste -- high or low -- all people are equal, in this World and before God. The doctrine of reincarnation is rejected. The doctrine of God being incarnate is also rejected.
    Ram Mohan Roy -- Wikipedia, the free encyclopedia wikipedia.org/wiki/Adi_Dharm
    Philosophy


    Impact of a drop of water, a common analogy for Brahman and the Ātman
    Two words that are of paramount importance in grasping the Upanishads are Brahman and Atman.[31] The Brahman is the universal spirit and the Atman is the individual Self.[32] Differing opinions exist amongst scholars regarding the etymology of these words. Brahman probably comes from the root brh, which means "The Biggest ~ The Greatest ~ The ALL". Brahman is "the infinite Spirit Source and fabric and core and destiny of all existence, both manifested and unmanifested and the formless infinite substratum and from whom the universe has grown". Brahman is the ultimate, both transcendent and immanent, the absolute infinite existence, the sum total of all that ever is, was, or shall be. The word Atman means the immortal perfect Spirit of any living creature, being, including trees etc. The idea put forth by the Upanishadic seers that Atman and Brahman are One and the same is one of the greatest contributions made to the thought of the world.[33][34][35][36]
    The Brihadaranyaka and the Chandogya are the most important of the mukhya Upanishads. They represent two main schools of thought within the Upanishads. The Brihadaranyaka deals with acosmic or nis-prapancha, whereas the Chandogya deals with the cosmic or sa-prapancha.[1] Between the two, the Brihadaranyaka is considered more original.[37]
    The Upanishads also contain the first and most definitive explications of the divine syllable Aum, the cosmic vibration that underlies all existence. The mantra Aum Shānti Shānti Shānti, translated as "the soundless sound, peace, peace, peace", is often found in the Upanishads. The path of bhakti or "Devotion to God" is foreshadowed in Upanishadic literature, and was later realized by texts such as the Bhagavad Gita.[38]

    Some of the Mahāvākyas (Great Sayings) from the Upanishads

    Sanskrit quote

    English meaning

    Upanishad

    Prajñānam brahma

    "Consciousness is Brahman"

    Aitareya Upanishad[39]

    Aham brahmāsmi

    "I am Brahman"

    Brihadaranyaka[40]

    Tat tvam asi

    "That Thou art"

    Chandogya[41]

    Ayamātmā brahmā

    "This Atman is Brahman"

    Mandukya[42]

     
    Sarvepalli Radhakrishnan notes that the Upanishads are primarily presented as conversations between two persons or animals rather than expository statements of philosophy or ideology. He contends that the frog's metaphorical speech the Mandukya Upanishad (manduka means frog in Sanskrit) is a common source of confusion.[43]
    Upanishads -- Wikipedia, the free encyclopedia
     
     

  28. 16
    PARTHA DAS

    MAHASAYAY, AHAMED SARIF
    ETIHAS GAYAN AMAR JODI BHUL NA HOY TOBE RAMMOHAN ROY KONODIN E HINDU DHARMA TAG KORE NAI ……. TINI EKJAN HINDU DHARMER SANSKARAK CHILEN …… R BRAMYA DHARMA SAMPARKE JANTE HOLE APNAKE ARO 5000 YEARS PICHANE JETE HOBE JAKHAN ARYAN RA PARAM BRAMHAYA ER UPASANA KORTO PARAM BRAMHAYA  MANE BRAMBHANDER ADI SHAKTI JAR THEKE E SAMASTA BRAMHANDER SHISTHI JAKE HINDU RA KONO MURTI RUPE KALPANA KORENI JAKE SUDHU UPALABDHI KORA JAI TAR E 3 TI RUP SRISHTI, STHITHI& BINASH. JATHA KROME BRAMHA , BISHNU & MAHESH. EDER MADHAY BRAMHA HOLO SRISTHI, ENI E CHAND , SURYA & SAMASTHA KICHU SRISTHI KORE CHILEN….. ARYAN RA KONO MURTI PUJA KORTO NA TARA EDER UDYASYA JOGYA KORTO …. ARTHAT PARAM BRAMHAYA E EK MATRA BHAGABAN JARTHEKE SAMASTA KICHU SRISTHI …. TINI E BHAGABAN JE KINA SAMASTA KICHUR MADHAYA BIRAJ KORCHEN……….. R RAMMOHAN ROY TAKEI UPASANA KORTEN……….. ETA KONO NATUN DHARMA NA…TINI KOTHAO HINDU DHARMA TAG KORE CHEN BOLENNI……….. R ETAI HINDU DER GORAR KOTHA……. TARA SAMASTA KICHUR MADHAYAI PARAMBRAMHAR UPALABDHI KORE……..  TA TINI MURTIR MADHAYA O ACHE APNAR MONEO ACHE AMAR MONAO ACHE… JAGATER SAMASTA KICHUR MADHAYA E ACHEN…… TINI ABINASYAR….TAI TAR JANMA O NAI MITU O NAI……….. JOGI RA DHAYAN ER MADHAME TAKEI UPALABDHI KORE TAI DHYAN KORTE KONO MURTIR DARKAR HOY NA…… JE EI PARAMBRAMHAYAER UPALABDHI KORTE PARTO TAKEI BRAMHYAN BOLTO KINTU SETA PAROBARTI KALE BANSHANU KRAMIK  PRATHA HOYA JAI………. TAI RISHI BISYAMITRA PRATHAM JIBANE KHATRIYA CHILEN KINTU PARAMBRAMYA KE UPALABDHI KORER POR TINI BRAMHYAN HOYACHILEN…………. R APNADER SITE E BANGLA FENOTICK NA THAKAI BANGLISH EI LIKHTE HOLO…..

    1. 16.1
      আহমেদ শরীফ

      এই মূহুর্তে আপনার দীর্ঘ বাংলিশ কমেন্টটি পাঠোদ্ধার করার মত সময় ব্যস্ততার কারণে না থাকলেও আপাততঃ একটি নতুন পোস্টের লিংক দিচ্ছি পড়ে দেখুন। কমেন্টও করতে পারেন ইচ্ছে করলে। প্রাসঙ্গিক আলোচনাটির ধারাবাহিকতা এই পোস্টে বিধৃত হয়েছে, 'নিদারুণভাবে'।

      ধন্যবাদ।
       
      চরম অমানবিক ও বর্বর সতীদাহ প্রথা নির্মূলীকরণে মুসলিমদের অবদান
       

    2. 16.2
      এস. এম. রায়হান

      এই ধরণের বাংলিশ লেখা -- তাও আবার পুরোটাই বড় অক্ষরে? -- আমি একেবারেই পড়তে পারি না। আপনি কি আমাদেরকে পাগল পাইছেন নাকি যে আমরা একটি একটি করে শব্দ পড়ে তার অর্থ বুঝে এতবড় বাংলিশ মন্তব্য পড়ব, আবার জবাবও দেব? সত্যি বলতে আমি আপনার বাংলিশ মন্তব্যগুলোর এক লাইনও পড়িনি। এর পর থেকে বাংলায় লিখুন, আর তা সম্ভব না হলে ইংরেজীতেই লিখতে পারেন। অন্যথায় আমার পোস্ট থেকে আপনার বাংলিশ মন্তব্যগুলো মুছে ফেলা হবে।

    3. 16.3
      আহমেদ শরীফ

      @ শ্রীযুক্ত পার্থ দাশ,

      আরেকটি জরুরি বিষয় হল পোস্ট বা কমেন্ট করার আগে কিছু পড়াশোনা করে আসলে ভাল হবে। সত্যমিথ্যের গোঁজামিল দিয়ে ছক্কা-পাঞ্জা দেখিয়ে এই ব্লগে পার পাওয়া কঠিন। কাজেই 'রামকৃষ্ণ মিশন' বা 'শ্রীশ্রীহরিসংকীর্তন সমিতি' জাতীয় প্রতিষ্ঠানের কিছু প্রকাশনা পড়ে ইতিহাসজ্ঞান কপচানো এখানে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। সার্বজনীনভাবে 'অথেনটিক' রেফারেন্স দিতে পারলে সেটা নিয়েই আলোচনা করা যেতে পারে। 

  29. 15
    PARTHA DAS

    ARE DADA APNADER KATHAI TO MONE HOCHE ISLAM KONTHASA HOYA PORE CHE ……. NIJE DER DEYAER KICHU NA THAKLE BHUL BHAL JUKTI DAKHEYE  ANNER PICHANE LAGI …. GITAI JODI ….BISWAS BHAKTI ER  KATHA LEKHA THAKE  TOBE SIENCE DIYA PRAMAN KARUN NA  MANUS KI BHABE 2BAR JANMAI……..AGE NIJER DHARMER TRUTI THIK KARUN TARPOR ANNER TRUTI DHARBEN……..ABASHA TARJANNA APNAR ALLA JODI APNAR MATHAI KICHU BRAIN DITEN DARSAN BA SIENCE KONOTAI JODI PORTEN TAHOLE LEKHA  TAR PRASONGIK BAKHA DITE PARTEN LEKHA TA PORE MONE HOCHE MURKHER PROLAP……….. JE KINA GITAR DARSAN BOJAR KHAMATA NAI ……. ABAR BIGYAN O PORENI SUDHU HATA GUTIA ANNER DHARMER NINDA KORTE LEGEGACHE…. APNAR ALLA KE BALUN AGE TAR CHALADER EKTU LEKHA PORA SEKHATE TAR POR TO DARSAN TARSON MATHAI DHUKBE…………..

    1. 15.1
      আহমেদ শরীফ

      @ পার্থ দাশ,

      আরে দাদা আপনাদের কথায় তো মনে হচ্ছে ইসলাম কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। নিজেদের দেয়ার কিছু না থাকলে ভুলভাল যুক্তি অন্যের পেছনে লাগি। গীতা যদি বিশ্বাস ভক্তির কথা লেখা থাকেতবে সাইন্স দিয়ে প্রমাণ করুন না মানুষ কিভাবে দুইবার জন্মায়। আগে নিজের ধর্মের ত্রুটি ঠিক করুন তারপর অন্যের ত্রুটি ধরবেন। অবশ্য তার জন্য যদি আপনার আল্লাহ আপনার মাথায় কিছু ব্রেন দিতেন দর্শন বা সাইন্স কোনটাই যদি পড়তেন তাহলে লেখাটার প্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যা দিতে পারতেন। লেখাটা পড়ে মনে হচ্ছে মূর্খের প্রলাপ। যে কিনা গীতার দর্শন বোঝার ক্ষমতা নাই আবার বিজ্ঞানও পড়েনি শুধু হাত গুটিয়ে অন্যের ধর্মের সমালোচনা করতে লেগেছে। আপনার আল্লাহকে বলুন আগে তার ছেলেদের একটু লেখাপড়া শেখাতে তারপর দর্শন মাথায় ঢুকবে।

      যদি আমার অনুবাদে(!) খুব ভুলচুক না হয়ে থাকে তাহলে আপনার বক্তব্য মোটামুটি এরকম।

      সদালাপ ও এর লেখকদের সম্পর্কে আপনার ধারণা কতটুকু তা আপনার কমেন্টেই বোঝা যাচ্ছে কাজেই সে প্রসঙ্গে আপনার সাথে বিতর্ক সম্পূর্ণ অবান্তর মনে করছি।

      লেখক তাঁর জ্ঞান ও অনুসন্ধানের ফসল পাঠকদের সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করছেন। অন্যান্যদের গঠনমূলক সংযোজন-বিয়োজন-পরিমার্জনে নিঃসন্দেহে সবারই জ্ঞানের পরিধি বাড়বে, পোস্টটিও পরিপূর্ন হবে।

      আপনার কমেন্টে যতটুকু 'বিজ্ঞান' আর 'দর্শন' সম্পর্কে আপনার দাবি অনুযায়ী দখল কতটুকু বা এসব আপনি আদৌ বোঝেন কি না তার কোন স্বাক্ষর দেখা যায়নি। গীতা সম্পর্কিত খানিকটা ব্যাখ্যা যদি আপনি 'বিজ্ঞান' ও 'দর্শন' এর আলোকে করতেন তাহলে পাঠকদের জ্ঞান বাড়ত, আমরাও চমৎকৃত হতাম। তারপর না হয় এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনায় যাওয়া যেত। আশা করছি আপনি তা করে দেখাতে সমর্থ হবেন।

      আর একজন হিন্দুধর্মের ধর্মপ্রাণ অনুসারী হিসেবে কোনভাবে আহত হয়ে থাকলে আমি ব্যক্তিগতভাবে দুঃখিত, তবে "আগে নিজের ধর্মের ভুল ধরুন তারপর অন্যের ধর্মের ত্রুটি ধরবেন" _ এই জাতীয় হালকা কথা না বলে লেখকের লেখায় যদি ভুল থাকে তা স্পষ্টভাবে দেখিয়ে দিতে পারল দেখান, সেটাই গঠনমূলক হবে।

      1. 15.1.1
        PARTHA DAS

        Ajmer sarif, mahasay apni amar lekhake emon sundar kore bengali te prakash korai amar khub e vhalo legeche lekha tar khub sundar kore anubad korechen. ami gita niya bhakhya apnader kache abasyai rakhbo…….. jeta kina gathan mulak hobe & scientific hobe erjanna abasyai jadi truti thake tao tule dharbo karan manuser janna e dharmya manus prathame dharmer bakha janbe anudhaban korbe tobe ta palon korbe etai hindu dharmer niyam truti thaktai pare. Rammohan Roy,Bidyasagar, Nimai Chaitanya sabai hindu dharmake mukta mone grahan koreche gold er upar jodi haturi o petano hoy gold tobeo gold thake koyla hoyna jato ghasa deben tatoi ujjal hobe jak gathan mulak alochana abasyai er ageo bahu bar hoyache abaro hobe nahoy amie korbo apnader sange .ninduk ra tarpor o ninda korbe r jara bhujben tara bhagini nibedater moto hindu dharmake bhalo basben jatna korben. hindu dharmake jejar moto kore neben keu bhalo basben keu hinsha korben khut dharer chesta korben……tobe ei dharmake bhalo basber janna hindu hote hoyna.abasyai gita je kato sundar ta apnader kache khub taratari tule dharbo & tarjanna amake anek gabesana korte hobe ……. kichu ta net theke janlam kichuta nijermoto kore baney nilam eta thik na….. tobe anek din par officer kajer chap katia gita samparke janer khub ichha hoya chilo seimoto net e search korechilam ……… banglai parbo bole……….jaihok banglai lehka site dehka mon juria gelo …. bangla bhasata ke je eto vhalo lage india e bose bhoja jai.sab e english e….. lekha….
         

        1. 15.1.1.1
          আহমেদ শরীফ

          @ শ্রী পার্থ দাস,

          Rammohan Roy,Bidyasagar, Nimai Chaitanya sabai hindu dharmake mukta mone grahan koreche

           
          যথারীতি বাংলিশে লেখা আপনার মন্তব্য কিছুটা বাড়তি মনোযোগের সাথে পড়তে গিয়ে রীতিমত চমকে উঠলাম।

          যদ্দুর জানি, আর আমার ইতিহাসজ্ঞান যদি প্রতারণা করে না থাকে তবে রাজা রামমোহন রায় 'মুক্তমনে হিন্দুধর্মকে গ্রহণ করা' তো দূরে থাক, স্বতঃস্ফূর্তভাবে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে সম্পূর্ণ নতুন একটি ধর্মের প্রবর্তন করেন যার নাম 'ব্রাহ্ম ধর্ম'। যেটিতে হিন্দুধর্মের ৩৩ কোটি দেবদেবীকে অস্বীকার করে তার পরিবর্তে এক ঈশ্বরের অস্তিত্বের প্রতি বিশ্বাস করার কথা বলা হয়। পরবর্তীতে প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর ও আরও অনেকেই হিন্দুধর্ম ত্যাগ করে স্বেচ্ছায় ব্রাহ্ম ধর্ম গ্রহণ করেন। তস্য পুত্র মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও দ্বারকানাথ দৌহিত্র বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও এই ব্রাহ্ম ধর্মেরই অনুসারী ছিলেন।

          ব্রাহ্মণ পন্ডিতের ছেলে হলেও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর নিজে কোন ধর্মগুরু ছিলেন না। তিনি ছিলেন সেই সময়ের হিসেবে অত্যাধুনিক মনমানসিকতার একজন সমাজ সংষ্কারক, একজন মানবপ্রেমিক। হিন্দুধর্মের বহু কুপ্রথার বিরুদ্ধে তাঁর সফল সংগ্রাম ইতিহাসবিখ্যাত। যেমন সতীদাহ প্রথা বিলোপ, বিধবা বিবাহের প্রচলন ঘটানো ইত্যাদি।

          যাই হোক লিখুন। নেট ঘুরে মালমশলা ঘেঁটে বের করুন।
          তবে পরবর্তীতে বাংলায় লেখার চেষ্টা করলে কৃতজ্ঞ থাকব।
          আর আমার নাম 'আজমীর শরীফ' না। আহমেদ শরীফ।

          আপনার গবেষনাপত্রের সাফল্য কামনা করছি।

        2. 15.1.1.2
          কিংশুক

          বিদ্যাসাগর গংরা ইংরেজি পড়ে রেনেসাঁসের প্রভাবে ধর্ম বিশ্বাস বজায় রাখা অসম্ভব দেখে অমানবিক, রুপকথার হিন্দু ধর্ম বাঁচাতে হিন্দু ধর্মের সংস্কারের নামে সতীদাহ, বিধবা বিবাহ, ব্রাহ্ম ধর্ম ইত্যাদি চালু করে ভারতীয় হিন্দুদেরকে মুসলমান, খ্রিস্টান বা নাস্তিক হবার থেকে রক্ষা করার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে। তারা নিজেরা হিন্দু ধর্মে বিশ্বাস হারালেও যেহেতু ভারতীয় জাতীয়তাবাদী দেশপ্রেমিক ছিল সেহেতু চৌদ্ধ গুষ্টির হিন্দু ধর্মকে মূলে রেখে সংস্কার করে ভারতীয় হিন্দু জাতীয়তাবাদ প্রচার করেছিল।

  30. 14
    এস. এম. রায়হান

    "বাংলা নাস্তিকদের জন্য গীতা পাঠ" শিরোনামে পোস্টটি মুছে দিয়ে সেই পোস্টের মন্তব্যগুলো এখানে কপিপেস্ট করা হলো, যেহেতু সেই ছোট পোস্টটি ছিল এই পোস্টেরই অংশ। উদ্দেশ্য হচ্ছে সবগুলো মন্তব্যকে এক পোস্টে রাখা।
     
    1. এমিনেম says:

    জুন 11, 2012 at 12:32 অপরাহ্ন (UTC 6)

    Set aside all meritorious deeds and religious rituals, and just surrender completely to My will with firm faith and loving devotion. I shall liberate you from all sins. (Gita 18:66)
     
    হিন্দুরা তো বলে মরার আগে একবার কৃষ্ণনাম নিলেই সব পাপ ধুয়ে যাবে।

     
    1.1 ইমরান হাসান says:

    জুন 11, 2012 at 10:32 অপরাহ্ন (UTC 6) 

    @এমিনেম,
    এটা আপনি বলেছেন সেই সময়ের কথা যখন অর্জুন নিজে যুদ্ধ না করতে পেরে হতাশ হয়ে গেছিল এবং নিজের আত্নীয়দের বিপক্ষে অস্ত্র তুলতে পারছিল না তখন কৃষ্ণ তাকে গীতা শেখান এরপরে অর্জুন যখন গীতাশিক্ষা সমাপ্ত করেন তখন তিনি কৃষ্ণ কে বলেন যে এই সমস্ত বিষয় সমূহ যা আপনি আমাকে শিক্ষা দিলেন এর থেকেও উচু মানের কিছু আছে নাকি তখন অর্জুন কে কৃষ্ণ বলেন,
     
    সর্ব ধর্ম্যায়ো পরিতাজ্য মামেকমঃ সর্বলোকতাজ্য অহম পাপেশ্য সর্ব পাপেদেয়োঃ মোক্ষস্বামী মাস্বেসাম
     
    অর্থ: সর্বলোক সর্ব ধর্ম পরিত্যাগ কর এবং আমার কাছে সমর্পণ কর নিজেকে আমি তোমাকে (তোমাদেরকে না) সকল পাপ হতে রক্ষা করব।
     
    গীতা হচ্ছে হিন্দুদের ওয়ারিওর কোড, এর সাথে ব্যাক্তিগত জীবনের সমন্ধ খুব কম। এরপরেও এখানে এটাই লক্ষ্যণীয় যে এখানে সকল ক্ষেত্রে না বরং যুদ্ধ বা ধর্মযুদ্ধ এর ক্ষেত্রে যে কোন কাজের পাপ নাশ এর কথা বলা হয়েছে।

     
    2. সাগর says:

    জুন 11, 2012 at 4:24 অপরাহ্ন (UTC 6)

    মুসলিম রা হিন্দুদের গিতা নিয়ে লেগেছেন তো ……এতাই তো ধর্ম এর আসল রুপ …।।মানুষে মানুষে বিভেদ…।।ধর্ম ছেরে অনেক ভাল আছি……
     
    2.1 ইমরান হাসান says:

    জুন 11, 2012 at 10:35 অপরাহ্ন (UTC 6)

    @সাগর,
    আপনারা কত সত্যিকারের নাস্তিক সেটা আপনাদের গুরুদেরকে দেখলেই বোঝা যায়। এগুলো হচ্ছে কষ্টিপাথর। এরকম পোস্ট আমরা হাজারে একটা দিব শুধু আপনাদের নিজের মানস আর মন মানসিকতা বোঝার জন্য, আর সেটা বোঝাই যাচ্ছে। আর আপনারা হিন্দু নাম নিয়েও যখন আমাদেরকে এত কথা বলেন তার জবাবে একটা পোস্ট দিতেই মাথায় রক্ত উঠে গেল

     
    3. এম_আহমদ says:

    জুন 11, 2012 at 6:45 অপরাহ্ন (UTC 6)

    অনেক বৎসর আগে একজন উচ্চ শিক্ষিত বিজ্ঞ লোকের সাথে দেখা হয় এবং কিছু কথা বার্তা হয়। কলকাতার বাঙালী হিন্দু এবং বাংলাদেশের হিন্দুদের ব্যাপারে তার জ্ঞান ছিল অগাধ এবং হিন্দুদের সাথে তার সম্পর্ক ছিল প্রত্যাহিক। এক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, হিন্দুদের মুসলিম বিদ্বেষ তাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে। আমি সবদিনই সব ধর্মকে উদার দৃষ্টিতে দেখে আসছি, তাই সেই মন্তব্যকে গুরুত্বের সাথে দেখতে পারিনি। পড়াশোনার জীবন থেকে চাকুরী জীবন পর্যন্ত অনেক নাস্তিক দেখেছি এবং এদের সাথে ভাল সম্পর্কই ছিল। কিন্তু ২০০৯ হঠাৎ, অমনি অমনি, ব্লগ জগতে ঢুকে এই দুই শ্রেণীর ইসলাম বিদ্বেষের নমুনা দেখে আশ্চর্যের সীমা ছড়িয়ে যায়। সেই বৃদ্ধের কথা তার মর্মমূলের কত গভীরতা থেকে এসেছিল তা বুঝার চেষ্টা করি। যদিও নিজের মধ্যে কোন পরিবর্তন অনুভব করি না, কিন্তু ওদের ঘৃণা ও বিদ্বেষ প্রচারের কুটিলতা সর্বদাই বিস্মিত করে।
     
    4. শাহবাজ নজরুল says:

    জুন 12, 2012 at 12:37 পূর্বাহ্ন (UTC 6)

    রায়হান ভাই, বাংলা ব্লগ জগতে ধর্মের সমালোচনা মানেই ইসলামের সমালোচনা … অন্যথা একদমই দেখা যায়না বললেই চলে…
     
    আপনার এই সিরিজটা খুবই দরকার, কেননা এতে ব্যালেন্সড চিত্র পাওয়া যাবে। ইসলামের যে বিষয়গুলোকে নিয়ে সবাই এত সমালোচনা করে সেগুলোর প্রতি অন্য ধর্মের দৃষ্টিভঙ্গি কি তা জানা দরকার। অন্যথায় সবাই এই মিস-ইনফরমেশনের ঠ্যালায় ভাববে যে ''সব দোষই ইসলামের।
     
    4.1 শামস says:

    জুন 12, 2012 at 6:41 অপরাহ্ন (UTC 6)

    @শাহবাজ নজরুল,
    কম্পারেটিভ রিলেজিয়ন খুব জনপ্রিয় একটি বিষয়। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে অন্য ধর্ম নিয়ে আলোচনায় সমস্যা দেখি না। তবে সেটা যাতে নিরেট বিদ্বেষ হলে সমস্যা! রায়হান ভাই অনেক আগে থেকেই কম্পারেটিভ রিলেজিয়ন নিয়ে লিখছেন এবং এগুলো প্রশংসার দাবী রাখে। নারীর মর্যাদা, দাসপ্রথা, যৌতুকপ্রথা, নগ্নতা, যৌনতা ইত্যাদির মত বিষয়ের সাথে ইসলামের সাথে অন্যান্য ধর্মের তুলনামূলক পর্যালোচনা অবশ্যই দরকার। অন্য ধর্মের কোন ভাল কিছু কেউ যদি জানে ও তা আলোচনা করে সেটাতেও সমস্যা হবার কথা না।
    আপনার সাথে একমত।

  31. 13
    প্রতীপ

    ভালোই লিখেছেন…..  আমার কেন জানি মনে হচ্ছে, আপনি গীতা শুধু পড়ার জন্যই পড়েছেন…. বোঝার জন্য নয়।
    গীতায় কি বলা হয়েছে সেটা আবার পড়ুন…. (স্রেফ পড়ার জন্য নয়…. এবারে পড়ুন বোঝার জন্য)
    যুক্তি দেখানো ভালো…. কিন্তু সেটা দেখাতে গিয়ে এমন যুক্তি দাঁড় করাবেন না যে, সেটা অনায়াশেই ভাঙা সম্ভব।
    আর হ্যাঁ…. নাস্তিক বা আস্তিক নিয়ে লেখার আগে…. এই দুইটা জিনিস নিয়ে বিস্তারিত স্ট্যাডি করে নিয়েন।
     

    1. 13.1
      এস. এম. রায়হান

      আমার কেন জানি মনে হচ্ছে, আপনি গীতা শুধু পড়ার জন্যই পড়েছেন…. বোঝার জন্য নয়। গীতায় কি বলা হয়েছে সেটা আবার পড়ুন…. (স্রেফ পড়ার জন্য নয়…. এবারে পড়ুন বোঝার জন্য)

      আমি গীতা পড়ার জন্য পড়েছি নাকি বোঝার জন্য পড়েছি -- এই মনের খবর আপনি জানলেন কেমন করে! আপনি তো গীতা বুঝে পড়েছেন, তাই নয় কি? তা গীতা পড়ে কী বুঝেছেন তা তো বললেন না! বলতে পারবেন কি?

      যুক্তি দেখানো ভালো…. কিন্তু সেটা দেখাতে গিয়ে এমন যুক্তি দাঁড় করাবেন না যে, সেটা অনায়াশেই ভাঙা সম্ভব।

      কোন্‌ যুক্তি অনায়াসেই ভেঙ্গেছেন? আপনি তো কোন যুক্তিই ভাঙ্গেননি।

      আর হ্যাঁ…. নাস্তিক বা আস্তিক নিয়ে লেখার আগে…. এই দুইটা জিনিস নিয়ে বিস্তারিত স্ট্যাডি করে নিয়েন।

      আইচ্ছা! ধর্মান্ধদের মতো উপদেশ। তবে তার আগে নাস্তিক-আস্তিক নিয়ে বিস্তারিত স্ট্যাডি করে আপনি কী জেনেছেন তা আমাদেরকে বলেন।

  32. 12
    KOUSICK SAMANTA

    গীতার কিছু স্লোককে কল্পকাহিনীর মতো মনে হয়। কৃষ্ণকে এই পৃথিবীর সবাই আমাদের মতোই একজন মানুষ হিসেবে দেখতে পাচ্ছেন। অথচ গীতাতে তার সম্পর্কে এমন কিছু কাহিনী আছে যেগুলো কোন মানুষের পক্ষে একদমই অসম্ভব – পুরোপুরি অযৌক্তিক এবং অবিশ্বাস্য ঘটনা – যেগুলোকে কল্পকাহিনী ছাড়া অন্য কোনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না। উদাহরণস্বরূপ, কুরুক্ষেত্রের যোদ্ধারা কৃষ্ণের জ্বলন্ত মুখের মধ্যে দ্রুতগতিতে ঢুকে যেয়ে ধ্বংস হচ্ছে! সম্পূর্ণ মহাবিশ্বই কৃষ্ণের মুখের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে! ইত্যাদি। অর্জুনা নাকি এই দৃশ্যগুলো দেখেছেন। একজন মানুষের মুখের ভেতর সম্পূর্ণ মহাবিশ্ব কীভাবে ঢুকে যাওয়া সম্ভব! তাছাড়া সম্পূর্ণ মহাবিশ্বই যদি কৃষ্ণের জ্বলন্ত মুখের মধ্যে ঢুকে যায় তাহলে অর্জুনা আবার সেই দৃশ্য কোথা থেকে এবং কীভাবে দেখলেন!

    ei montoboo korar age niger samne o pichone dekben,, karon KRISHNA IS THE GOD AND HE IS THE PROPRIETER OF THE WORLD ,,

    আমি এখানেই শেষ করবো যদিও ওপরআলা আপনাকে এই তথ্য গুলো বোঝার সামগ্রিক ক্ষমতা দেননি…… তাই আপনার ওপর তাঁর করুণা বর্ষিত হোক…… ধন্যবাদ

  33. 11
    omar

    Lakhak ka prothamy geeta podun , tar por bolon
     

    1. 11.1
      এস. এম. রায়হান

      এই মন্তব্য করার জন্য 'ওমর' নাম নিতে হয় নাকি! আপনি কি মগাচিৎ-এর শিষ্য? বাবা-মা'র দেয়া নামকে আপনারা এত ঘৃণা করেন কেন।

  34. 10
    মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত

    হিন্দু ধর্ম হচ্ছে একটা জগাখিচুড়ি ধর্ম। এর ব্যাখ্যা এর বিভিন্ন বইতে বিভিন্ন রকম, আবার পুরোহিতদের কাছে আরেক রকম ব্যাখ্যা। আর এই ধর্মে নারীসম্ভোগের সম্ভাব্য সব উপায় বাতলে দিয়ে নারীদের পশুর চেয়েও নিচে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। নাগরিকব্লগে দস্তার নামে এক লেখক হিন্দুদের পাশবিল কালচার বেশ ভালোভাবে তুলে ধরেছেন। সেখান থেকেই জানলাম এগুলো।

  35. 9
    সংহারক

    আপনার লেখা অনুযায়ী 
     
    নীচের স্লোকে তিনটি ওয়ার্ল্ড এর কথা বলা হয়েছে: হেভেন, আর্থ, ও লোয়ার রিজিয়ন্স। এখানে ‘লোয়ার রিজিয়ন্স’ বলতে ঠিক কী বুঝানো হয়েছে জানা নেই। যৌক্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে ‘লোয়ার রিজিয়ন্স’ প্রসঙ্গটি তখনই আসার কথা যখন পৃথিবীকে স্থির মনে করা হবে। কেননা পৃথিবীটা যেহেতু একই সাথে নিজ অক্ষের উপর এবং সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘুরছে সেহেতু ‘লোয়ার রিজিয়ন্স’ বা ‘আপার রিজিয়ন্স’ বলে কিছু থাকার প্রশ্ন আসে না। অন্যদিকে ‘হেভেন’ (একবচন) বলতে খালি চোখে মাথার উপর যে আকাশকে দেখা যায় সেটিকে বুঝানো হতে পারে। কারণ গীতার কোথাও বহুবচন অর্থে ‘হেভেন’ ব্যবহৃত হয়নি।
     
    এইখানে তিনটি ওয়ার্ল্ড  এর কথা বলা হয়েছে…… কিন্তু পরবর্তীতে শ্রী কৃষ্ণ এটিও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে তিনটি জগত এক মাত্রায় অবস্থিত নয়…
    তাই আপনি সারা দিন আকাশের দিকে তাকিয়ে বসে থাকলেও স্বর্গ দেখতে পাবেন না।
     
     
    সেকেন্ড পয়েন্ট 
     
     
     গীতাতে গড হিসেবে কৃষ্ণ নিজের মাহাত্ম্য বর্ণনা করে নিজেকে কিছু প্রাকৃতিক বস্তুর সাথে তুলনা করেছেন। সেটা করতে যেয়ে চন্দ্র এবং সূর্যকে অন্যান্য নক্ষত্র বা জ্যোতিষ্কদের তুলনায় সম্ভবত বড় মনে করা হয়েছে। খালি চোখে চন্দ্র এবং সূর্যকে যেমন মনে হয়, কৃষ্ণেরও তেমনই মনে হয়ে থাকতে পারে। কৃষ্ণ বলেছেন, "I am the radiant sun among the luminaries … I am the moon among the stars." বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে কৃষ্ণের বক্তব্যকে এরকম শুনায়, "I am the ant among the elephants!"
     
    কৃষ্ণ এই কথা টি বলেছেন অর্জুন কে নিজের অবস্থান বোঝাতে, অর্জুন এর জানা ছিলো না  Canis Majoris  
    সবথেকে বড় নক্ষত্র ,তিনি নিজেকে জীবনের উৎস রূপে দেখিয়ছেন…… এখন আপনি যে জানেন না যে সূর্য ই আমদের প্রানের উৎস সেটা তো ভাই আপনার অজ্ঞতা…..
     
    থার্ড পয়েন্ট
     
    নিম্নের স্লোক দুটিকে সংঘর্ষিক মনে হয়েছে। প্রথম স্লোকে কৃষ্ণ নিজেকে আজন্মা বলেছেন এবং দ্বিতীয় স্লোকে অনেকবার জন্ম নেয়ার কথা বলা হয়েছে।

    One who knows Me as the unborn, the beginningless, and the Supreme Lord of the universe, is considered wise among the mortals, and becomes liberated from the bondage of Karma. (Gita 10:3)
    Lord Krishna said: Both you and I have taken many births. I remember them all, O Arjuna, but you do not remember. (Gita 4:5)

     
    এখানে unborn মানে আজন্মা না… এমন এক বস্তু যা সর্বদা বিদ্যমান , " যার সৃষ্টি নেই,ধব্বংশ নেই এবং অবিনশ্বর " …… তার এই স্বরূপ যে জানতে পারে সেই মুক্তি লাভ করে……

    পরবর্তীতে (both you and I have taken many births) এর অর্থ "আমি বহু যুগে বহু রূপে বার বার পৃথিবিতে এসেছি… যার সমস্ত স্মৃতি ই আমার মনে আছে…… তুমি বহুবার জন্ম নিলেও তুমি সেই  স্মৃতি মনে রাখতে সক্ষম নও"

    এখানে জন্ম নেয়ার অর্থ পৃথিবীতে আসা ( কৃষ্ণের ক্ষেত্রে ) আর অর্জুন এর ক্ষেত্রে পুনর্জন্ম নেয়া……
     
     
    ফোরথ  পয়েন্ট
    হিন্দুইজমের ত্রিত্ববাদ অনুযায়ী ব্রহ্মা হচ্ছেন স্রষ্টা, বিষ্ণু হচ্ছেন পরিচালক, এবং শিব হচ্ছেন ধ্বংসকারী; যদিও সেটা বাস্তবে কীভাবে সম্ভব কে জানে। তথাপি নীচের স্লোকে কৃষ্ণ নিজেকে একই সাথে স্রষ্টা, পরিচালক, ও ধ্বংসকারী হিসেবে দাবি করেছেন। কেমন জানি গরমিল মনে হয় না?
    আচ্ছা
    মনে করি আপনি একটি আমেরিকান ইউনিভার্সিটি তে Chemistry পড়ান, আপনি ল্যাবে রিসার্চ  ও করেন ,আবার বাড়ি এসে আপনার বাচ্চার সাথে খেলাধুলাও করেন।
    প্রথম কাজটির জন্য ঃ আপনি casual dress পরবেন
    সেকেন্ড কাজটির জন্য ঃ আপনি একটা ল্যাব কোট পরবেন।
    তৃতীয় কাজটির জন্য ঃ আপনি লুঙ্গী বা পাজামা পরবেন 
    কিন্তু মানুষ কিন্তু আপনি একই থাকছেন……
    তাহলে আপনার ভাষায় "কেমন জানি গরমিল মনে হয় না?"
     
    পঞ্চম পয়েন্ট
    নীচের স্লোকে ‘মুন গড’ এবং ‘ওয়াটার গড’ এর কথা বলা হয়েছে।
    হ্যাঁ হয়েছে, তো তাতে আপনার কি সমস্যা ভাই…… এরা কি আপনার পাকা ধানে মই দিয়েছে ???
    মজা করলাম!!!

    এদের ক্ষেত্রে ও পূর্বের যুক্তি টি applicable
     ষষ্ট পয়েন্ট
     
     
    নিম্নের স্লোক দুটির বৈজ্ঞানিক কোন ব্যাখ্যা আছে কিনা কে জানে।

    Those who know that the duration of creation lasts 4.32 billion years and that the duration of destruction also lasts 4.32 billion years, they are the knowers of the cycles of creation and destruction. (Gita 8:17)
    All beings merge into My primary material Nature at the end of a cycle of just over 311 trillion solar years, O Arjuna, and I create them again at the beginning of the next cycle. (Gita 9:7)

    ভাই আপনি কোন দিন sin wave দেখেছেন… ০ থেকে একে জায়,আবার ০ এই ফিরে আসে ……এই দুই ক্ষেত্রেই কিন্তু সময় একই লাগে…… তাই এই পৃথিবী সৃষ্টি হতেও যতটা সময় লেগেছে ধ্বংস হতেও ততটাই লাগবে …… খুবই সাধারন ব্যাপার …… 
    সপ্তম পয়েন্ট 
    গীতার কিছু স্লোককে কল্পকাহিনীর মতো মনে হয়। কৃষ্ণকে এই পৃথিবীর সবাই আমাদের মতোই একজন মানুষ হিসেবে দেখতে পাচ্ছেন। অথচ গীতাতে তার সম্পর্কে এমন কিছু কাহিনী আছে যেগুলো কোন মানুষের পক্ষে একদমই অসম্ভব – পুরোপুরি অযৌক্তিক এবং অবিশ্বাস্য ঘটনা – যেগুলোকে কল্পকাহিনী ছাড়া অন্য কোনভাবে ব্যাখ্যা করা যাবে না। উদাহরণস্বরূপ, কুরুক্ষেত্রের যোদ্ধারা কৃষ্ণের জ্বলন্ত মুখের মধ্যে দ্রুতগতিতে ঢুকে যেয়ে ধ্বংস হচ্ছে! সম্পূর্ণ মহাবিশ্বই কৃষ্ণের মুখের মধ্যে ঢুকে যাচ্ছে! ইত্যাদি। অর্জুনা নাকি এই দৃশ্যগুলো দেখেছেন। একজন মানুষের মুখের ভেতর সম্পূর্ণ মহাবিশ্ব কীভাবে ঢুকে যাওয়া সম্ভব! তাছাড়া সম্পূর্ণ মহাবিশ্বই যদি কৃষ্ণের জ্বলন্ত মুখের মধ্যে ঢুকে যায় তাহলে অর্জুনা আবার সেই দৃশ্য কোথা থেকে এবং কীভাবে দেখলেন!
     
    আচ্ছা আপনি একটু আগেই বলেছেন যে শিব ধবংসের দেবতা……,আমি বলেছি অবশ্যই শিব কৃষ্ণের  ই এক রূপ এবং ধবংশের দেবতা…… তাই কুরুক্ষেত্রের যোদ্ধারা কৃষ্ণের মুখেই ধবংস হচ্ছে এটা তো খুব স্বাভাবিক ব্যাপার 
    আর এগুলো অর্জুন কে কি করে দেখানো হলও ???? ভাই তাহলে আপনার মনে হয় হিপ্নোটিজম সম্পর্কে ধারনা নেই…… ভগবান শ্রী কৃষ্ণ এর পক্ষে এটা খুব একটা কঠিন ছিল না।
    অষ্টম পয়েন্ট
    অন্যদিকে আবার নাস্তিকদের দাবি অনুযায়ী ঈশ্বর নাকি নিজে এসে তার অস্তিত্বের কোন প্রমাণ দেননি। কৃষ্ণ তাহলে কে? কৃষ্ণ যদি সত্যি সত্যি ঈশ্বর তথা এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা হয়ে থাকেন তাহলে নাস্তিকরা তাকে স্বচক্ষে দেখেও ঈশ্বর হিসেবে মেনে নিচ্ছেন না কেন?
     ভাই কোন নাস্তিক নিজের চোখে শ্রী কৃষ্ণ কে দেখেছে??? তার ঠিকানা টা একটু দিয়েন……দেখা করবো……
     
     
     
    নবম পয়েন্ট 
     
    সর্বোপরি পুনর্জন্ম 
     
    চলেন আপনাকে বোঝাই 
    মনে করেন পুরা মহাবিশ্বের ভর M
    Now M=M1+M2+M3+M4………….+Mn
    এখানে M1=mass of earth 
              M2=mass of moon
              M3=mass of sun
             M4=mass of Planet x
    And so on……
    now M1=m1+m2+m3………+m(n)
    এখানে m1=আপনার ভর
              m2=আমার ভর
              m3=নজরুল ভাই এর ভর
    এবার ধরেন আমি আপনি মড়ে গেলাম তাহলে m1+m2=M'
    আচ্ছা এবার পৃথিবীতে কোন ভর সৃষ্টি বা ধবংস সম্ভব নয়……
    কিন্তু পৃথিবীতে দুটি বাচ্চার জন্ম হলও তার মানে তাদের সামগ্রিক ভাবে m1+m2=M' বজায় রাখতে হবে……
    তা এক মাত্র সম্ভব এই বাচ্চা দুটোর আমদের অংশ পেতে হবে……
    তার মানে এই বাচ্চা দুটোর মধ্যে আমি আপনি সামগ্রিক ভাবে থাকবো বা আমদের ভর থাকবে……
    তাঁর মানে কিন্তু ভাই আবার আমদের পুনর্জন্মই হচ্ছে…… 
     
    আমি এখানেই শেষ করবো যদিও ওপরআলা আপনাকে এই তথ্য গুলো বোঝার সামগ্রিক ক্ষমতা দেননি…… তাই আপনার ওপর তাঁর করুণা বর্ষিত হোক…… ধন্যবাদ

  36. 8
    subhas mondal

    S R RAHAMAN U COME TO INDIA AND SEE AJHODHA&DOYARIKA,
    GOD RAAM&KRISHNA BRON IN PLASE,
    SO PROVE, AS GOD COME TO HARE.
     
    VAI MOLLA JIBONE TO HIGNSA CHORANO CHARA KI KICHU PEROCHO,
     
    UAS TE CHIKA GO TE DHORMO SOVHA TE TORA MUSLIMRA PARLINA KENO PROMAN KORTE J HINDUSIM K CHOTO DEKHA TE?
     
    SARA JIBON SUDHU SOMALOCHONA E DE.
     
     
    ATO JUKTI BADI R ADHUNIK TO TUI. TAO CHRISTAN DER R TODER AKI TO PAGOL AR MOTO GOFE NA REKHE DARI RAKHIS KON JUKTI TE?
     
     
     
     
    MORE TO MATI TE MAS MAS DHORE TO POCHIS. MUKTHI JIBONE PABINA JOBI GOD K OPOMAN KORIS. ISWAR 1 JET TORA MANIS BA AMRA MANI. JIL K PANI BOLLE JOL AR RONG BA SAD BODLAY NA RE MURHO.

  37. 7
    এমিনেম

    দুনিয়ার প্রধান চারটা ধর্ম থেকে হিন্দুধর্মই এমন ধর্ম যেটার মধ্যে ভিন্ন মত প্রচার করার অনুমতি আছে। ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস করার পরেও তাকে উপাসনা না করার অধিকার আছে। এমনকি ঈশ্বরে বিশ্বাস করার আগে প্রমাণ চাইবার অধিকার আছে।

    1. 7.1
      এম ইউ আমান

      @এমিনেম

      দুনিয়ার প্রধান চারটা ধর্ম থেকে হিন্দুধর্মই এমন ধর্ম যেটার মধ্যে ভিন্ন মত প্রচার করার অনুমতি আছে।

      কোন্‌ ধর্মে ভিন্নমত পোষণ করা যায়না? সদালাপে যেহেতু ইসলামের আলোচনা বেশী হয়, সেখানে তো নিত্যই দেখছি, ইসলামে থেকেই ধর্মের বিষয়ে বিভিন্নজন ভিন্নমত পোষণ করছেন- হেলদি বিতর্কও হচ্ছে।

      ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস করার পরেও তাকে উপাসনা না করার অধিকার আছে।

      ইসলামেও তো নামাজ না পড়লে কেউ ঘাড়ে ধরে নামাজ পড়াচ্ছে না। বরং ঠিকমত কনভিন্সড না হয়ে লোক দেখানো নামাজ পড়াকে 'রিয়া' নাম দিয়ে তীব্রভাবে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

      এমনকি ঈশ্বরে বিশ্বাস করার আগে প্রমাণ চাইবার অধিকার আছে।

      ঈশ্বরের  অস্তিত্ত্বের প্রমাণ হিন্দু ধর্মাবম্বীরা পেয়েছেন? প্রমাণগুলি জনসমক্ষে আনলে অনেকের অনেক উপকার হত। সদালাপীদের তো হতোই, আমাদের প্রতিবেশী একটি ওয়েবসাইটের কাজ-কর্মও কিছুটা কমে যেত।

      হিন্দু ধর্মের এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যগুলি রেফারেন্স সহ একটু বিস্তারিত ভাবে ব্যাখ্যা করা যায়?

      1. 7.1.1
        এস. এম. রায়হান

        রামকৃষ্ণ মিশনের বিখ্যাত পিএইচডি-মনা বিপ্লব পালের মতো আরেকজন হিন্দু নাস্তিক পাওয়া গেছে!

        1. 7.1.1.1
          এমিনেম

          অাপনি অামাকে প্যানথেয়িস্ট বলতে পারেন। অামি এমন একটা সমাজে বাস করি, যেখানে ধর্মপালনের ব্যাপারে অামাকে কেউ চাপ দেয়না। অামার কোন পুরষ্কার পাওয়ার নেই, ইশ্বরকে অামার প্রয়োজন নেই।

        2. আহমেদ শরীফ

          কিন্তু মুসলিম সমাজে চাপ না দেয়া সত্বেও দুনিয়াজুড়ে মহল্লায় মহল্লায় মসজিদগুলোতে বিভিন্ন বয়েসের ছেলেবুড়োসহ আপামর জনসাধারণ যাচ্ছেন এবং অজু করে প্রতিদিন পাঁচবার নামাজ আদায় করছেন। সর্বস্তরের সাধারণ জনগণের উপাসনালয়ে নিয়মিতভাবে স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি সম্ভবতঃ ইসলাম ধর্মের অনুসারীদের মাঝেই আছে এবং ধর্মীয় বিষয়গুলো যেমন পারলৌকিক পুরষ্কার ইহলৌকিক স্বাচ্ছন্দ্য ইত্যাদির ব্যাপারে বেশ গভীরভাবে কনভিন্সড না হলে এরকম সম্ভব নয়।

      2. 7.1.2
        এমিনেম

        অবশ্যই প্রমান পাননি, অার প্রমান তো চাওয়া হয় বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে, ধর্মে তো প্রমানের কোন ব্যাপার নেই! হয়ত অাপনি বলবেন ৯৫% মানুষই অদৃশ্য ইন্টেলিজ্যন্ট শক্তিতে বিশ্বাস রাখে, কিন্ত এই ৯৫% মানুষের সভ্যতার উন্নতিতে অবদান কতটুকু? 

  38. 6
    করতোয়া

    খেয়াল করে দেখবেন সকল শরিয়ায় সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে মূল শিক্ষা (সৃষ্টিকর্তা একজনই এবং তিনিই সর্ব ক্ষমতার অধিকারী ও মানুষকে একমাত্র তারই উপাশনা করতে হবে) একই ঠিক যেভাবে আদম থেকে শুরু করে মোহাম্মদ বহন করে এনেছিলেন।

  39. 5
    করতোয়া

    সৃষ্টিকর্তা মানুষ সৃষ্টির সাথে সাথে মানুষের চলার জন্য কতগুলো শরিয়া বা জীবন বিধান ম্যানুয়েল মানুষের হাতে ধরে দিয়েছিলেন। সেই সব জীবন বিধানাবলিতে যখন প্রাচীন আমলের সমাজপতিরা লক্ষ্য করলো যে তাতে যা বর্ননা আছে তা পুরাপুরি অনুসরন করতে গেলে সমাজপতিদের নের্তৃত্ব ক্ষতিগ্রস্থ হবার সম্ভাবনা আছে। তাই সে সময় সমাজপতিরা দুটি কাজ করেছে। এক. সাধারন মানুষকে ধর্মীয় শরিয়া থেকে দূরে রেখেছে আর দুই শরিয়া বাস্তবায়নের জন্য নিজেরাই দায়িত্ব নিয়েছিল। যেহেতু সৃষ্টিকর্তা প্রতিটি শরিয়াতে রাজা বাদশা'র একটা প্রভিশন রেখেছেন তাই প্রাচীন সমাজপতিরা সেটার অপব্যবহার করেছে। এর ফলশ্রুতিতে সমাজপতিরা রাতের অন্ধকারে শরিয়ার বিধিবিধানে নিজেদের মত করে পরিবর্তন করে নতুন শরিয়া চালু করে। এরই ফলশ্রুতি আজকের নিউ টেষ্টামেন্ট বা ক্যাথলিক বাইবেল যা রোম সম্রাটের তৈরী করা, ইসরাইলের প্রচলিত ওল্ট টেষ্টামেন্ট যা সে সময়ের সমাজপতি ইহুদীদের তৈরী করা। একই ভাবে গীতাও ব্রাম্মনদের দ্বারা সংশোধিত শরিয়া এবং ত্রিপিটকও বুদার পরবর্তি জেনারেশনের দ্বারা সংশোধিত শরিয়া বিধান। একমাত্র কোরআন যা কোন সমাজপতিদের দ্বারা সংশোধিত বিধান নয়। কিন্তু ইদানিং কোরআন এর অনুবাদে সংশোধনের যে ব্যাপকতা দেখা দিয়েছে তাতে ভবিষ্যতে অনেক নতুন নতুন ইসলামিক শরিয়া বিধান এর আগমন ঘটার সম্ভাবনা আছে। সে কারনেই কোরআনকে আরবী ভাষায় রপ্ত করে তার এক্সপ্রেশনকে বোঝার প্রতি জোড় দেয়া হয়েছে। অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ যেমন শুধুমাত্র সমাজপতিরা তাদের করায়ত্ব করে রেখেছিল সে বিবেচনায় কোরআনে সে সুযোগ নাই কারন মোহাম্মদ (সাঃ) জীবিত অবস্থাতেই কোরআনের প্রতিটি শরিয়াকে সুন্নাহ'র মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত করেছিলে যাতে সবার দৈনিন্দন জীবনে তা কম্প্রিহেন্ড হতে পারে। কাজেই মানুষ কর্তৃক সংশোধিত যে কোন ধর্মগ্রন্থে ভূল ভ্রান্তি থাকাটাই স্বাভাবিক।

    1. 5.1
      mastertripura

      আপনাদের কথা শুনে(দেখে) হাঁসি পাচ্ছে। মাপ করবেন, বাংলাদেশকে আপনাদের মত লোকেরাই ধ্বংসের পথে নিয়েযাচ্ছে। ধর্মীয় মৌলবাদকে ছাড়ুন। এবার হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে বলার আগে জানতে চাই ইসলাম এবং হজরত মোহাম্মদ সাল্লালাহু আসস্‌সালাম সম্পর্কে আপনার কতটুকু ধারনা আছে? জানেন কি প্রত্যেকটা ধর্মই কোন না কোন ভৌগলিক অবস্থানের দ্বারা প্রভাবিত। হিন্দু ধর্ম প্রায় পাঁচ হাজার বছর পুরোনো। স্বাভাবিক কারনেই ধর্মগ্রন্থ বা পন্থার ক্ষেত্রে একেশ্বর বাদের ধারনা পরিলক্ষিত হয়। একমাত্র এই ধর্মেই রয়েছে এতগুলি মত ও পথ। তাই শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের কথা (যত মত, তত পথ) কে কোন মতেই কটূক্তি করা আপনার মুখে সাজেনা। আর শ্রীমদ্‌ ভগবৎ গীতা সম্পর্কে আপনার ধারনা এতই অল্প যে তা নিয়ে আপনার সাথে আলোচনা করা অযৌক্তিক। আপনি জানেন কি? আপনার পুর্বপুরুষ হিন্দু ছিল। বিশ্বাস না হলে বাংলায় ইসলামের আগমন সম্পর্কে ইন্টারনেটে বহু আর্টিকেল আছে, দেখতে পারেন। আর সর্বোপরি যখন আরবের মানুষেরা কাপড়ও পরতে জানতোনা তখন হিন্দু ধর্মের বিকাশ। তাই অন্যকে সমালোচনা করার আগে নিজের দিকে তাকিয়ে দেখুন। তাহলে আল্লাহ্‌ তালার কাছে হয়তো মুখ দেখাতে পারবেন। ভাল থাকবেন। নমস্কার, আল্লাহ হাফেজ, গুডবাই।

  40. 4
    gurudevgi

    অসাধারণ একটি প্রবন্ধ। যথেষ্ঠ যৌক্তিক, প্রমাণভিত্তিক আলোচনা-তবে যারা মানতে চায় না তাদের কথা ভিন্ন; কেননা মেঘের আড়ালে ওঁত পাতা স্রষ্টার অপেক্ষায় যারা থাকেন তাদের সামনা-সামনি দাঁড় করিয়ে দেওয়া বাপ-দাদার মূর্তিগুলোই সদা ঝলসে ওঠে; যদিও এক খণ্ড বাঁশের সাহায্য ছাড়া উহারা আপনা-আপনি দাঁড়াইবার ক্ষমতা রাখেনা, তদুপরি উহাদের সাফাই গাহিবার নিমিত্তে নিত্যনতুন যোগ-বিয়োগের সমাধানে তাল গাছটি তাহাদেরই রহিয়া যায়। মোশিহ আসিয়া একই কথা বলিয়াছিলেন-যেরুপে তাহার পূর্বে আব্রাহাম বলিয়াছিলেন, কিন্তু মিশরের মরুতে মসূহীনশহরে তাহার তোয়াক্কা না করিয়া পনুরায় গোব‍ৎসে ফিরাইয়া গেল; তাহাদের মধ্যে যাহারা বাঁকি রইল তাহারও মোশীকে গ্রহণ করিল না। একইভাবে জনাব মুহাম্মদও একই কথা বলিবার জন্য আর্বিভূত হইলে মোশিহের অনুরাগীরা মুখ ঘুরাইয়া লইল এবং তাহাদের কতক মোশীহকে ঈশ্বরীয়মার্গে তুলিয়া দিয়া তাহার মূর্তি নির্মাণ করিয়া গলদেশে ঝুলাইয়া রাখিল। ইহাদের কথা ভিন্ন- নোয়া বা নূহ বলিয়া যাহাকে নির্দেশ করা হইয়া থাকে তাহাকে মনু বলিয়া জগতের সনাতনমার্গে তুলিয়া দেওয়া হইল এবং তাহার কাল হইতেই এইসব ক্রীয়াদি হইয়া আসিতেছে বলিয়া তাহার চাইতে তাহাদের নিকট অধিক উত্তম আর কিছু হইতে পারে না! বস্তুত পুরাকালের সেইসব  বিধিই পরম বলিয়া চলিয়া আসিতেছে সনাতন শব্দের দোয়াই দিয়া কিন্তু অতিপ্রাচীনকালে উহাদের পূর্বপুরষগণ জঙ্গলেই বসবাস করিত এবং উহায় তাহাদের সভ্যতা ছিল তবে উক্ত রিতীর আদলে সেই বিধিকে কেন বলবৎ রাখা হইল না? এমনকি উহার পিতৃপুষরুগণ বস্ত্রচর্চা করিতেন না বলিয়া কি তাহারা সনাতনের দোহায় দিয়া বস্ত্রবিদ্যাকে তুলিয়া দিবার শ্লোগান দিবে?

  41. 3
    someone

    এখানে আমারো একটা আর্জি আছে আমিও এরকম একটা কোরানের সমালোচনামূলক লেখা লিখব,আমার লেখা প্রকাশিত হবে তো?ভয় নেই আপনাদের মতো মিথ্যা কথা নয়, যুক্তি দিয়েই দেখাবো এক প্রবল আমিত্ববাদী দানবের চোদ্দশ বছরের ধোকাবাজির ইতিহাস।

    1. 3.1
      আহমেদ শরীফ

      সিদ্ধান্ত অনেক পরের ব্যাপার। মানবজাতির বৃহদাংশ আপনার সাথে যে ব্যাপারে দ্বিমত পোষণ করে সে ব্যাপারে অনেক চড়াই-উৎরাই পার হয়ে(যদি আদৌ যোগ্যতা থাকে) আসতে হবে আপনাকে। আগেই সিদ্ধান্তে এসে গেলে তো আপনাকে পক্ষপাতদুষ্টতার অভিযোগে প্রথমেই বাতিল হয়ে পড়তে হতে পারে। কাজেই আগে নিজের ফিটনেস চেক করুন হাজারবার, তারপর ময়দানে নামুন, , যাতে কিছু পরেই ধাক্কা সামলাতে না পেরে 'someone' থেকে  'anyone' হয়ে সেজে চুপিসাড়ে শিফট করতে না হয়।
       

  42. 2
    someone

    আপনার লেখা দেখে খুবই হাসি পেলো।আপনার মতো ছাগলের মাথায় উপনিষদের আধ্যাত্মিকতা ঢুকবে না এটাই স্বাভাবিক।তার চেয়ে বরঞ্চ ভালো করে আরবী আদবকায়দা শিখুন।মরুভূমির প্রভুদের পা চাটতে বরং সুবিধা হবে।পরবর্তীকালে যদি হিন্দুধর্ম নিয়ে কোনো আপত্তিকর মন্তব্য করেন,তা হলে আপনার পরিণতি অত্যন্ত খারাপ হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

    1. 2.1
      শাহবাজ নজরুল

      আপনার লেখা দেখে খুবই হাসি পেলো। আপনার মতো ছাগলের মাথায় উপনিষদের আধ্যাত্মিকতাঢুকবে না এটাই স্বাভাবিক।

       
      আধ্যাত্মিকতা ঢোকানোর মতো করে উপনিষদ থেকে আপনি লিখুন না কেন; আমরাও কিছু শিখি। ব্ল্যাঙ্কেট স্টেট্মেন্ট তো সবাই করতে পারে, এর তো কোনো মানে নেই। Substantiate your statement with proper proofs.

      পরবর্তীকালে যদি হিন্দুধর্ম নিয়ে কোনো আপত্তিকর মন্তব্য করেন,তা হলে আপনার পরিণতি অত্যন্ত খারাপ হবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

      এটা threat করার যায়গা না; সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

      -শাহবাজ

      1. 2.1.1
        tension boy sajib

        u r r8

    2. 2.2
      আহমেদ শরীফ

      প্রশ্ন হচ্ছে যে স্টাইলে আপনি কথা বলছেন সেটাতে আপনার 'আধ্যাত্মিক' ঐশ্বর্য বা দৈন্য কতটুকু প্রকাশ পাচ্ছে সে ব্যাপারে আপনি নিজে সচেতন কি না। দলিলভিত্তিক পোস্টে ডমিনেট করা ইচ্ছে থাকলে দলিল দস্তাবেজ ও যুক্তির শাণিত অস্ত্র নিয়ে আসুন যদি আদৌ থাকে। 'আধ্যাত্মিকতা'র গভীরতা ও সৌন্দর্য 'আপনি আচরি ধর্মের' মাধ্যমে প্রচার করুন।   

  43. 1
    এমিনেম

    “কোরান অনুযায়ী একজন মানুষের সর্বোচ্চ দু’বার মৃত্যু এবং দু’বার জন্ম হতে পারে (কোরান ৪০:১১)।” এই উক্তিটার প্রমাণ কি?

    1. 1.1
      এস. এম. রায়হান

      বলা হয়েছে “কোরান অনুযায়ী”, আর কোরানের আয়াত নাম্বারও দেয়া হয়েছে। আর কী প্রমাণ লাগবে?

      1. 1.1.1
        এমিনেম

         অায়াত নং টা কিভাবে একটা প্রমান হল ? গীতাতেও তো শ্লোক নং দেওয়া অাছে।

        1. 1.1.1.1
          আবদুল্লাহ সাঈদ খান

          @ এমিনেম, 'আয়াত নংটি কিভাবে প্রমাণ হল?'
          আজব প্রশ্ন'ত! আপনি কি বুঝতে পারছেন না যে আয়াতটি আপনার পড়ে নিতে হবে। 

        2. PARTHA DAS

          AJAB TO APNAR KATHA TAKEI MONE HOCHE EKTA NUMBER PRAMAN KORE JE MANUS 2 BAR JANMAI??????? APNI MANA NILEN R SABAI KEI MANE NITE HOBE………. R HAJRAT TO NIJEI JUDDHA KORECHE  MANUS MARECHE …. MUSLIM NABAB RA KORAN PORE ANNER MANDIR BHENGECHE ANNER DHARMAKE ASANMAN KORECHE …. R APNAR KORANER AYATA NUMBER JODI THIK HOTO PRITHIBI TE TO PRANI SUNNA HOYAJETO ULTE  MANUS ER SANKHA BERECHE TATEI PRAMAN HOY KORAN BHUL…. EMON KI ISLAM BHAGABAN KE TAI BOLTE PARENI GITAI SREE KRISHNA JODI BOLE AMAR MODHAY SAMASTA SRISTI & SAMASTA SRISTIR MADHAY AMI TAHALE BHAGABAN SARBATRA BIRAJ KORCHE TAHOLE BHUL JODI HOY  TAHOLE ALLA KE & KOTHAY THAKE????? ALLA KE ANE DAKHAO TOBE BISWAS KORBO……….SREE KRISHNA JODI JUDDHA DHARMER RAKHAR JANNA LARTE BOLE THAKE TOBE HAJRAT MANUS MERE JUDDHA KORLO KANO JORKORE ISLAM PROCHAR KORTE MANUS MARLO KANO??? KRISHNA TO KOTHAO MANUS MARE DHARMA PRACHAR KORTE BOLENI…JISUS O DHARMA KE DHARMER JAIGAI REKHECHE JUDHA KORE PRACHAR KORTE BOLE NI..TAI WORLD E SANMAN PAI HAJRAT PAINA…

    2. 1.2
      করতোয়া

      এমিনেম @
      আপনার এই প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে সুরা বাকারা'র ২৮ নং আয়াত (২:২৮) আগে বুঝতে হবে। সেখানে বলা হয়েছে:

      কেমন করে তোমরা আল্লাহর ব্যাপারে কুফরী অবলম্বন করছ? অথচ তোমরা ছিলে নিষ্প্রাণ। অতঃপর তিনিই তোমাদেরকে প্রাণ দান করেছেন, আবার মৃত্যু দান করবেন। পুনরায় তোমাদেরকে জীবনদান করবেন। অতঃপর তারই প্রতি প্রত্যাবর্তন করবে। (২:২৮)

      অর্থ্যাৎ আল্লাহ সোবহানা তালা প্রথমে প্রানসম্পন্ন একফৌঁটা সিমেন্স বা স্পার্ম এবং ডিম্বানু'র সংমিশ্রন (সুরা আলাখে বর্নিত অনুযায়ী) থেকে মানুষের জন্য একটি নিষ্প্রান  রক্তপিন্ড তৈরী করেন মাতৃগর্ভে। এখানে দুজন দু ধরনের মানুষের দু ধরনের জীবন্ত উপকরনের সংমিশ্রনের কারনে রক্তপিন্ডের মত যে বস্তুটি তৈরী হয় তা আর জীবিত থাকে না যা মানুষের জন্য প্রথম মৃত্যু হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
      তারপর কিছু সময় নিষ্প্রান থাকার পর সেই রক্তপিন্ড যখন মাংসপিন্ডে রুপ নেয় তখন আল্লাহ সোবহানা তালা সেই মাংসপিন্ডে আবার প্রানের সঞ্চালন করেন (সম্ভব হলে History চ্যানেলের In The Womb ডকুমেন্টারী ভিডিও দেখে নিবেন)। এটাকে মানুষের জন্য প্রথমবার জীবিত করা বোঝানো হচ্ছে। সুতরাং আমরা মানুষ মৃত বস্তু তথা রক্তপিন্ড থেকে প্রথমে জীবিত হই যেমন আদমকে মৃত বস্তু তথা মাটি থেকে প্রথম জীবিত করা হয়েছিল।
      আবার পরিনত বয়সে মানুষের মৃত্যু হয় যা মানুষের জন্য দ্বিতীয় মৃত্যু হিসেবে বিবেচিত। এবং কিয়ামতের দিন আবার মৃত মানুষকে বিচারের জন্য জীবিত করা হবে যা মানুষের জন্য দ্বিতীয়বার জীবিত বোঝানো হয়েছে।

      1. 1.2.1
        রানা

        ভাই স্পারম ও ওভাম মিলনের পর অর্থাৎ ফার্টলাইজেশনের পর থেকেই সেটা জিবীত। সেটা রক্তপিন্ড না এর নাম জাইগোট। সব লাল জিনিসিই রক্তপিন্ড না ভাই। এরপর সেটার  বৃদ্ধির সাথে সাথে বিভিন্ন অঙ্গ তৈরি হয়। যখন হার্ট তৈরি হয় তখন আমরা জীবনের প্রথম চিহ্ন বুঝতে পারি। তারপর বাচ্চার নরাচরা শুরু হয় ও আরো অঙ্গ-প্রত্তঙ্গ তৈরি হয়। ফিটাল লাইফের জেকোনো সময় ই সেটা মাড়া জেতে পারে সত্য কিন্তু জাইগোট হয়া থেকে ডেলিভারী পর্যন্ত ই সে জিবীত। এমনকি যেই স্পারমাটোজোয়া ও ওভাম থেকে তা তৈরি সেগুলাও জিবীত নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কিন্তু হ্যাপ্লয়েড কোশ থেকে ফার্টিলাইজেশন না হলে বেশিক্ষণ জিবীত থাকা সম্ভব না।

    3. 1.3

Leave a Reply

Your email address will not be published.