Sep ১১

হিন্দুদের বিবর্তনবাদে বিশ্বাস, আর শুভঙ্করের ফাঁকি!

১. ডারউইন, বিবর্তন, ও হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে স্বামী প্রভুপাদের কিছু বক্তব্য

এ. সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ হচ্ছেন ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা এবং হিন্দুদের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত একজন ধর্মগুরু। এতই সম্মানিত যে, তাকে "Your Divine Grace" হিসেবে সম্বোধন করা হয়। এমনকি বাংলা নাস্তিকরাও এ পর্যন্ত তার বা তার লেখার কোনো রকম সমালোচনা করার মতো সাহস দেখাতে পারেনি। স্বাভাবিকভাবেই তার মিলিয়ন মিলিয়ন অনুসারী আছে।

ডারউইন, বিবর্তন, বিবর্তনবাদী, বিজ্ঞানী, ও হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে সেই স্বামী প্রভুপাদের কিছু বক্তব্য নিচে তুলে ধরা হলো। উল্লেখ্য যে, একই বিষয়ে তার বাংলায় লিখা বেশ জনপ্রিয় একটি বইও আছে। বইটি গীতার উপর ভিত্তি করে লিখা হয়েছে। হিন্দুদের অনেকের বাড়িতে খোঁজ করলে বইটি পাওয়া যাবে।

Darwin is a rascal. What is his theory? We kick on your face. [expose your bogus philosophy] That's all. That is our philosophy. The more we kick on Darwin's face, the more advanced in spiritual consciousness. He has killed the whole civilization, rascal.

Darwin was a number-one nonsense. Yes. Rascal. He has confused the whole world. [সূত্র]

Srila Prabhupada asserts that Darwin's theory of evolution is inconclusive and illogical. But Darwin's is not the only theory of evolution. The Vedas explain that an evolutionary process governs the progress of the soul. "We accept evolution," Srila Prabhupada says, "but not that the forms of the species are changing. The bodies are all already there, but the soul is evolving by changing bodies and by transmigrating from one body to another…. The defect of the evolutionists is that they have no information of the soul."

Devotee: Five hundred million years ago there were no land animals; there were only aquatics.

Srila Prabhupada: That is nonsense. You cannot give a history of five hundred million years! Where is the history of five hundred million years? You are simply imagining. You say "historical evidence," but where is your evidence? You cannot give a history for more than three thousand years, and you are speaking about five hundred million. This is all nonsense. [সূত্র]

…the various types of living entities were created simultaneously at the very beginning of the creation. The nonsensical Darwinian theory of evolution is not applicable here. It is not that intelligent human beings did not exist millions of years ago. On the contrary, it is understood that the most intelligent creature, Lord Brahma, was first created. Then Lord Brahma created other saintly sages like Marichi, Bhrigu, Atreya, Vasishtha, and Lord Shiva. [সূত্র]

Darwin has no clear conception how the evolution is taking place, neither he has any idea about whose evolution. He simply takes account of the body. A body never evolves. It is the soul within the body–he evolves, transmigrates from one body to another… Darwin has no such conception. He has described the idea of evolution from the Vedas in his own way. [সূত্র]

Dr. Singh: Your Divine Grace, are all the species of life created simultaneously?

Srila Prabhupada: Yes. The species already exist, and the living entity simply transfers himself from one womb to the next, just as a man transfers himself from one apartment to another.

Dr. Singh: Do you mean that evolution is actually the soul’s transmigration from the lower species of life up to the higher species?

Srila Prabhupada: Yes. As you get more money you can move to a better apartment. Similarly, as your consciousness develops, you move up to a higher species of life. The species already exist, however. It is not that the lower species become higher species—that is Darwin’s nonsensical theory.

Dr. Singh: And each living entity is made to live in a particular type of body according to his desires?

Srila Prabhupada: Yes. God knows the various desires of all the living entities in the material world. Therefore, to accommodate all the conditioned souls, He creates the 8,400,000 species of life from the very beginning.

Dr. Singh: Srila Prabhupada; what is the difference between the transmigration of souls in animal bodies and the transmigration of human souls?

Srila Prabhupada: Animals transmigrate only in one direction—upward—but human beings can transmigrate to either a higher or a lower form of life. By nature’s law, the lower species are coming up from animal forms to the higher, human forms. But once you come to the human form, if you don’t cultivate Krishna consciousness, you may return to the body of a cat or dog.

Dr. Singh: The scientists have no information that evolution can operate in either direction.

Srila Prabhupada: Therefore, I say they are fools and rascals. They have no knowledge, yet they still claim to be scientists.

Dr. Singh: What you have been saying completely contradicts Darwin’s theory of evolution. Darwin and his supporters say that life started from matter and evolved from unicellular organisms to multicellular organisms. They believe higher species like animals and men didn’t exist at the beginning of creation.

Srila Prabhupada: Darwin and his followers are rascals. If the higher species have evolved from the lower species, then why do the lower species still exist? At the present moment we see both the human species, with its advanced intelligence, and the foolish ass. Why do both these entities exist simultaneously? Why hasn’t the ass form simply evolved into a higher species and thus become extinct? Darwin thought that human beings evolved from the monkeys. But why do we never see a monkey giving birth to a human being?

The Darwinists’ theory that human life began in such-and-such an era is nonsense. The Bhagavad-gita says that on leaving this present body you can directly transmigrate to any species of life, according to your karma. Sometimes I travel to America, sometimes to Australia, and sometimes to Africa. The countries already exist; I am simply traveling through them. It is not that because I have come to America I have created or become America. And there are many countries I have not yet seen. Does that mean they do not exist? Any scientist who supports Darwin is unintelligent. The Bhagavad-gita clearly says that all the species of life exist simultaneously, and that you can go to any of them—that will depend on your consciousness at the time of death. If you become Krishna conscious, you can even go up to the kingdom of God. Lord Krishna explains all this very clearly in the Bhagavad-gita. [সূত্র]

স্বামী প্রভুপাদের উপরোল্লেখিত বক্তব্যগুলো থেকে উল্লেখযোগ্য কিছু অংশ:

  • God creates the 8,400,000 species of life from the very beginning.
  • Bhagavad-gita clearly says that all the species of life exist simultaneously.
  • The species already exist. It is not that the lower species become higher species—that is Darwin’s nonsensical theory.
  • Darwin's theory of evolution is inconclusive and illogical.
  • Darwin is a rascal. He has killed the whole civilization.
  • Darwin was a number-one nonsense. He has confused the whole world.
  • Scientists are fools and rascals. They have no knowledge.
  • Any scientist who supports Darwin is unintelligent.
  • Darwin and his followers are rascals.
  • Darwin has described the idea of evolution from the Vedas in his own way.

বিবর্তন তত্ত্ব ও হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্ব সম্পর্কে উইকিতে লিখা আছে-

Michael Cremo is a member of ISKCON who wrote Human Devolution: A Vedic alternative to Darwin's theory, published by ISKCON's Bhaktivedanta Book Publishing, which holds the view that man has existed on the earth in modern form far longer than that offered by the currently accepted fossil evidence and genetic evidence. Cremo suggests that Darwinian evolution should be replaced with "devolution" from the original unity with Brahman. [Hindu views on evolution]

সংক্ষেপে হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্ব অনুযায়ী একেবারে শুরুতেই সবগুলো প্রজাতিকে (৮,৪০০,০০০) একই সাথে সৃষ্টি করা হয়েছে। এক্ষেত্রে জৈবিক বিবর্তন তথা এক প্রজাতি থেকে নতুন কোনো প্রজাতির বিবর্তনের কোনোই স্থান বা সুযোগ নেই। অন্যদিকে বিবর্তন তত্ত্ব অনুযায়ী একটি ব্যাকটেরিয়া থেকে বিবর্তন শুরু হয়ে কোটি কোটি বছর ধরে ধাপে ধাপে সবগুলো প্রজাতি বিবর্তিত হয়েছে (জৈবিক বিবর্তন), বিবর্তিত হচ্ছে, এবং ভবিষ্যতেও বিবর্তিত হতে থাকবে। আবার হিন্দু ধর্মের মানব সৃষ্টিতত্ত্ব অনুযায়ী ব্রহ্মার মুখ, বাহু, উরু, ও পা থেকে যথাক্রমে ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, ও শূদ্র তথা চার বর্ণের মানুষ সৃষ্টি করা হয়েছে [ঋগ্বেদ ১০.৯০.১২]।

অতএব, স্পষ্টতই দেখা যাচ্ছে যে, বিবর্তন তত্ত্বের সাথে হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্ব পুরোপুরি (১৮০ ডিগ্রী) সাংঘর্ষিক – সমন্বয় করার কোনোই সুযোগ নেই। অর্থাৎ বিবর্তন তত্ত্ব সত্য হলে হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্ব পুরোপুরি (আংশিকও নয়) ভুল প্রমাণিত হবে, এবং বিপরীতটাও সত্য। আর এজন্যই ইসকনের এক বিখ্যাত সদস্য ইভ্যলুশন এর বিপরীতে ডিভ্যলুশন প্রস্তাব করেছেন যা খুব স্বাভাবিকভাবেই বোধগম্য।

বাংলা অন্তর্জালেই ইসকনের অনেক সদস্য আছে। আজ পর্যন্ত কারো লেখাতেই তাদের বিখ্যাত ধর্মগুরুর উপরোল্লেখিত বাণীগুলো যেমন প্রচার করতে দেখা যায়নি তেমনি আবার বিবর্তন তত্ত্বের সত্যতা নিয়েও ন্যূনতম সংশয়-সন্দেহ পর্যন্ত করতে দেখা যায়নি! অন্যদিকে বাংলা বিবর্তনবাদীদের লেখাতেও ভুলেও কখনো হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্ব প্রসঙ্গ আসেনি। বরঞ্চ উভয় গ্রুপই বিবর্তন তত্ত্বকে বিজ্ঞানের নামে "প্রতিষ্ঠিত সত্য" দাবি করে আব্রাহামিক ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্বকে "ভুল-মিথ্যা-অসার-মিথ" হিসেবে বাতিল করে দিয়ে মুসলিমদেরকে বিভিন্নভাবে আক্রমণ আর হেয় করে আসছে। এমনকি আস্তিক-নাস্তিক নির্বিশেষে তারা জাকির নায়েককে বছরের পর বছর ধরে আক্রমণ আর গালিগালাজ করে আসছে, যদিও জাকির নায়েক বিবর্তন বা ডারউইন বা বিবর্তনবাদী বা বিজ্ঞানীদের সম্পর্কে আজেবাজে একটি শব্দও উচ্চারণ করেননি।


২. হিন্দুদের বিবর্তন তত্ত্বে বিশ্বাস

একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী খোদ আমেরিকাতে ইহুদী-খ্রীষ্টানদের চেয়ে হিন্দু বিবর্তনবাদীর শতকরা হার বেশী, মানে হিন্দুরাই বেশী বিজ্ঞানমনস্ক! নিচের চার্টটি দেখুন-


(নোট: চার্টে যে ৪৫% 'মুসলিম' দেখানো হয়েছে তাদের অধিকাংশই আহমেদিয়া, পারভেজী, আগাখানী, ও কোরান-অনলি সম্প্রদায়ের সদস্য হওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক। পশ্চিমা বিশ্বে এদের বেশ ভালো প্রভাব আছে। একই পরিসংখ্যান যদি মুসলিম-অধ্যুষিত কোনো দেশে নেওয়া হয় তাহলে এই হার অনেক কম হবে। বাংলা অন্তর্জালে অনেকেই ব্যাপারটা লক্ষ্য করে থাকবেন- কতিপয় ভণ্ড কোরান-অনলি ছাড়া কোনো ইসলামে বিশ্বাসী বিবর্তনবাদ নামক কল্পকাহিনী-ভিত্তিক পেগ্যান তত্ত্বে বিশ্বাস করে না।)

অন্যদিকে ৭৭% ভারতীয় হিন্দুর বিশ্বাস অনুযায়ী ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্বের পক্ষে যথেষ্ট বৈজ্ঞানিক প্রমাণ আছে!!! আর ৮৮% গডে বিশ্বাসী ভারতীয় বিবর্তন তত্ত্বে বিশ্বাস করে। দেখুন-

In a survey, 77% of respondents in India agreed that enough scientific evidence exists to support Charles Darwin’s Theory of Evolution, and 88% of God-believing people said they accept evolution as well. [Hindu views on evolution]

এদিকে বাংলা অন্তর্জালে আস্তিক-নাস্তিক নির্বিশেষে ১০০% হিন্দু বিবর্তন তত্ত্বে বিশ্বাস করে! শুধু বিশ্বাস করে বললে ভুল হবে, তারা আসলে বিবর্তন তত্ত্বকে "গাছ থেকে ভূমিতে অ্যাপেল পড়া" কিংবা "সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবীর আবর্তনের মতো" চাক্ষুস সত্য হিসেবেই বিশ্বাস করে! ইহুদী, খ্রীষ্টান, ও মুসলিমদের চেয়ে তাদের চোখের ক্ষমতা কত গুন বেশী হতে পারে, ভেবে দেখুন!


৩. শুভঙ্করের ফাঁকি!

৩.১ যেখানে বিবর্তন তত্ত্বের সাথে হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্ব পুরোপুরি (১৮০ ডিগ্রী) সাংঘর্ষিক, যেখানে ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা ধর্মগুরু বিবর্তন তত্ত্বকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছেন, যেখানে একজন হিন্দু স্কলার ইভ্যলুশন এর বিপরীতে ডিভ্যলুশন প্রস্তাব করেছেন, যেখানে ইহুদী-খ্রীষ্টান-নাস্তিক-বিজ্ঞানী-অধ্যুষিত খোদ বৃটেন ও আমেরিকার মোট জনসংখ্যার মাত্র ৪৮-৫০% বিবর্তন তত্ত্বে বিশ্বাস করে (প্রকৃত সংখ্যা আরো কম হবে) – সেখানে আমেরিকা-ভারতে ৮০% এবং বাংলা অন্তর্জালে ১০০% হিন্দুর বিবর্তন তত্ত্বে বিশ্বাসকে শুভঙ্করের ফাঁকি ছাড়া আর কী-ই বা বলা যেতে পারে!

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এই ৮০-১০০% হিন্দু কি সত্যি সত্যি বিবর্তন তত্ত্বে বিশ্বাস করে? মোটেও না! এজন্যই ব্যাপারটাকে শুভঙ্করের ফাঁকি বলা হয়েছে। এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৮-১০ জন হিন্দুকে সরাসরি একটি প্রশ্নটি করা হয়েছে যারা সদালাপে এসে বিবর্তনবাদকে ডিফেন্ড করার নামে ইসলাম ও মুসলিমদেরকে আক্রমণ শুরু করেছিল। অন্যান্য পেজেও তারা একই কাজ করছে। সেই প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে তারা সকলেই জবাব না দিয়ে পালিয়ে গেছে। এর পর জন্মসূত্রে হিন্দুদের মধ্যে যারা বিবর্তন তত্ত্বকে ডিফেন্ড ও প্রচার করছে তাদের সকলের উদ্দেশ্যে একই প্রশ্নকে আরেকটু বিস্তারিত লিখে ফেসবুকের কিছু পেজে পোস্ট দেওয়া হয়েছিল। আজ পর্যন্ত আস্তিক-নাস্তিক নির্বিশেষে কোনো একজন হিন্দুকেও জবাব দিতে দেখা যায়নি। বিস্তারিত আকারে প্রশ্নগুলি ছিল এরকম-

আপনারা কি মনে করেন বিবর্তন তত্ত্ব হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্বকে ভুল প্রমাণ করেছে? যদি ভুল প্রমাণ না করে থাকে তাহলে কি আপনারা উভয় তত্ত্বেই (বিবর্তন তত্ত্ব ও হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্ব) বিশ্বাস করেন নাকি কোনো একটিতে বিশ্বাস করেন? আর যদি ভুল প্রমাণ করে থাকে তাহলে কীভাবে ভুল প্রমাণ করেছে, একটু ব্যাখ্যা দেওয়া যাবে কি? সেক্ষেত্রে আপনারা জীবজগত নিয়ে দুটি সাংঘর্ষিক তত্ত্বের মধ্যে কোন্‌ তত্ত্বে বিশ্বাস করেন, এবং কেন?

হিন্দুদেরকে সরাসরি এই প্রশ্নগুলি করা সত্ত্বেও তারা জবাব না দিয়ে পালিয়ে গেল কেন? আর যারা নিজেকে 'নাস্তিক' দাবি করে বিবর্তনবাদকে ডিফেন্ড করে লেখালেখি করছে তারা অন্তত এই প্রশ্নগুলোর জবাব দিল না কেন? উত্তর খুব সহজ। তারা উপর উপর বিবর্তন তত্ত্বে বিশ্বাসের ভান করলেও মনে মনে হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্বেই বিশ্বাস করে, যেহেতু তত্ত্ব দুটি ১৮০ ডিগ্রী সাংঘর্ষিক। তথাপি বিবর্তনবাদকে ধর্মের মতো করে লাঠি-সোটা-গালি দিয়ে ডিফেন্ড করার উদ্দেশ্য হচ্ছে এই সুযোগে মুসলিমদের গায়ে যতটা সম্ভব মল-মূত্র ছিটানো। এমন সুবর্ণ সুযোগ তাদের ইহজীবনে আর না-ও আসতে পারে!


৩.২ Hindu views on evolution পেজে লিখা আছে-

British geneticist and evolutionary biologist, J B S Haldane, observed that the Dashavataras (ten principal avatars of Lord Vishnu) are a true sequential depiction of the great unfolding of evolution. These avatars of Vishnu show an uncanny similarity to the biological theory of evolution of life on earth.

যেখানে বিবর্তন তত্ত্বের সাথে হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্ব ১৮০ ডিগ্রী সাংঘর্ষিক, যেখানে হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্বে জৈবিক বিবর্তনের কোনোই স্থান নেই, সেখানে তারা বলে কী! হিন্দু ধর্মের দেবতারা 'র‍্যাণ্ডম মিউটেশন ও ন্যাচারাল সিলেকশন'-এর মাধ্যমে ধাপে ধাপে বিবর্তিত হয়েছে?! তা না হয়ে থাকলে তারা বিবর্তন তত্ত্বের সাথে তাদের দেবতাদেরকে সম্পৃক্ত করছে কেন! মানে শুভঙ্করের ফাঁকি!


৩.৩ ইয়াহু পেজে এক হিন্দু বলেছে (এই ধরণের লেখা আরো আছে)-

There is no any religion that believes in Evolution. The only religion is hinduism. The hinduism alone said first and proved. Those who discovered, those who lectures, those who talk about Evolution will be from the Hinduism only. [সূত্র]

দেখলেন তো! হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্বের সাথে ১৮০ ডিগ্রী সাংঘর্ষিক বিবর্তন তত্ত্বকে উল্টোদিকে একমাত্র হিন্দু ধর্মের পক্ষেই প্রচার করা হচ্ছে এই বলে যে, "There is no any religion that believes in Evolution. The only religion is hinduism." মানে মহা প্রতারণা! মহা শুভঙ্করের ফাঁকি! এই ধরণের আত্ম-প্রতারণা আর শুভঙ্করের ফাঁকি শুধুমাত্র হিন্দুত্ববাদীদের পক্ষেই সম্ভব (এখানে শতভাগ হিন্দুকে বুঝানো হচ্ছে না)।

এবার বাংলা বিবর্তনবাদীদের লেখা যদি পরখ করা হয় তাহলে দেখা যাবে তাদের লেখাতে হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্বের সাথে বিবর্তন তত্ত্ব যে ১৮০ ডিগ্রী সাংঘর্ষিক, এবং হিন্দুরা যে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে সেই তত্ত্বকেই নিজেদের ধর্মের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে – এই ধরণের কোনো কথাবার্তা খুঁজে পাওয়া যাবে না। তার পরিবর্তে তাদের লেখাতে বিবর্তনবাদ দিয়ে বারংবার আব্রাহামিক ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্বকে বাতিল করে দেওয়া হয়েছে, বিবর্তন পড়ে নামাজ-রোজা পালনকে নীতিহীনতা ও ভণ্ডামী বলা হয়েছে, হারুন ইয়াহিয়া আর জাকির নায়েককে নিকৃষ্টভাবে আক্রমণ করা হয়েছে, ধূর্তামী ও অসততার আশ্রয় নিয়ে আমাদেরকেও আক্রমণ করা হচ্ছে, এমনকি বিজ্ঞানের আব্দুস সালামদের থেকেও সাবধান থাকতে বলা হয়েছে [বিস্তারিত এখানে]।


উপসংহার: আস্তিক-নাস্তিক নির্বিশেষে হিন্দুদের মধ্যে যারা নিজেদেরকে বিবর্তন তত্ত্বে বিশ্বাসী দাবি করছে – বিশেষ করে যারা বিবর্তন তত্ত্বকে বিভিন্ন অপকৌশল আর অসৎ পন্থার আশ্রয় নিয়ে ডিফেন্ড করার চেষ্টা করছে – তাদের মধ্যে হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্বকে ভুল-মিথ্যা-অসার হিসেবে বাতিল করে দিয়ে শুধুই বিবর্তন তত্ত্বে বিশ্বাসীর সংখ্যা খুঁজতে গেলে লোম বাছতে কম্বল উজার হবে। তাদের দু-এক জনও এই পরীক্ষায় পাশ করতে পারবে কি-না সন্দেহ। এজন্যই হিন্দুদের বিবর্তন তত্ত্বে বিশ্বাসকে শুভঙ্করের ফাঁকি বলা হয়েছে, যার উপর ভিত্তি করে কোনো যৌক্তিক সিদ্ধান্তে পৌছা যাবে না। এমনকি তাদের অধিকাংশের নাস্তিকতাও শুভঙ্করের ফাঁকি প্রমাণিত হয়েছে।

যে'সকল কারণে হিন্দুরা দলে দলে 'বিবর্তনবাদী' হচ্ছে, কিংবা নিদেনপক্ষে বিবর্তন তত্ত্বের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন-সংশয় করে লেখালেখি করছে না, সেগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে:

– এমনিতেই হিন্দুরা পশ্চিমা নাস্তিক ও বিজ্ঞানীদের সাথে কোনো বিষয়ে বাকযুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়ার মতো সৎ-সাহস রাখে না, তার উপর আবার তাদের ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্বে (বিশেষ করে মানব সৃষ্টিতে) অসারতার কারণে বিবর্তনবাদী নাস্তিকদের সাথে সরাসরি বিতর্কে যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। স্বামী প্রভুপাদের মতো কেউ কেউ হয়তো পেছন থেকে কিছুদিন গালিগালাজ করে চুপচাপ থাকবে।

– শোনা যায় বৃটিশ আমলে মুসলিমরা যেখানে ইংরেজী শিক্ষায় অনীহা প্রকাশ করেছিল সেখানে হিন্দুরা ইংরেজী শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে মুসলিমদের চেয়ে এগিয়ে গিয়েছিল। পূর্ব-অভিজ্ঞতা অনুযায়ী বিবর্তনবাদের ক্ষেত্রেও হিন্দুদের মধ্যে এ'রকম একটা চিন্তাভাবনা কাজ করতে পারে এই ভেবে যে, মুসলিমরা যেহেতু বিবর্তনবাদকে প্রত্যাখ্যান করছে সেহেতু আমরা সেটিকে গ্রহণ করলে জ্ঞান-বিজ্ঞানে এগিয়ে যেতে পারব! ইতোমধ্যে এক ভারতীয় হিন্দু এই ইঙ্গিত দিয়েছেনও। নিজেদের পূর্ব-পুরুষকে একটি ব্যাকটেরিয়া, অতঃপর বানর জাতীয় লেজওয়ালা প্রাইমেটস বানিয়ে দিয়ে তারা জ্ঞান-বিজ্ঞানে উন্নতি করতে চায়! 😀

– বিবর্তনবাদকে যেহেতু আব্রাহামিক ধর্মের বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়ে দিয়ে মূলত খ্রীষ্টান ও মুসলিমদেরকে 'বিজ্ঞান-বিরোধী' প্রমাণ করার চেষ্টা চলছে, এই সুযোগে হিন্দুরা নিজেদেরকে 'বিজ্ঞানমনস্ক' প্রমাণ করতে উঠেপড়ে লেগেছে। এইটাকে বলে সুযোগ সন্ধানী মানসিকতা, যার সাথে সত্য-মিথ্যার কোনো বালাই নেই।

– উচ্চ শিক্ষিত হিন্দুদের মধ্যে একটি অতি ধূর্ত অংশ বিজ্ঞানের মোড়কে বিবর্তনবাদকে ডিফেন্ড করার নামে মুসলিমদেরকে বিভিন্নভাবে হেয় করার চেষ্টা করছে। কিন্তু তারা যে বিবর্তন তত্ত্বে বিশ্বাসই করে না, তা ইতোমধ্যে প্রমাণিত। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে এ পর্যন্ত সদালাপে যে'সকল হিন্দু ব্লগার বিবর্তনবাদকে ডিফেন্ড করার নামে ইসলাম ও মুসলিমদেরকে হেয় করতে এসেছে তাদের কারোরই বিবর্তনবাদকে যুক্তি-প্রমাণ দিয়ে ডিফেন্ড করে একটিও লেখা নাই! অন্যান্য পেজেও প্রায় একই অবস্থা। অথচ তারা উল্টোদিকে মুসলিমদেরকেই বিভিন্নভাবে 'অজ্ঞ' প্রমাণ করার চেষ্টা করছে। এমনই নীচু মানসিকতার ধূর্ত ও প্রতিহিংসাপরায়ণ প্রজাতি তারা। আর তাদের সাথে সুর মিলাচ্ছে 'আদিল'-টাইপের কিছু ছাগলের তৃতীয় ছানা।

ইতোমধ্যে দেখানো হয়েছে যে, বিবর্তন তত্ত্বের সাথে হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্ব সরাসরি ও পুরোপুরি সাংঘর্ষিক – সমন্বয় করার কোনোই সুযোগ নেই। এই অবস্থায় বিবর্তন তত্ত্বের বিরুদ্ধে নিজেরা মুখ ফুটে কিছু বলার মতো সৎ-সাহস দেখাতে না পারলেও তাদের উচিত ছিল আমাদেরকে সমর্থন দেওয়া, যদিও তাদের সমর্থন প্রত্যাশা করা হচ্ছে না। আর সরাসরি সমর্থন দিতে না পারলেও অন্তত নীরব ভূমিকা পালন করা। কিন্তু তাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ইসলাম ও মুসলিম বিরোধী সাম্প্রদায়িক ভাইরাস দানা বাঁধার কারণে বাস্তবে তারা কী করছে তা ইতোমধ্যে উন্মোচিত হয়ে গেছে।


Skip to comment form

  1. 16


  2. 15

    The survey you have mentioned in US -- only 45% of Hindus told that religion in very important for them only 24% mentioned that they perform some religious activity at least once a week. So their testimony cannot represent hindu belief.

  3. 14

    Basic mistake  about the survey is that the survey report says "BASE: All respondents aged 18+ who have heard of Charles Darwin and know something about his theory of evolution (Weighted Base)".


    You have not mentioned that base in the comparision. To remember about name of Darwin in India you need to study at least upto standad 8 or 9 in India. Speciallt who dont read bio -- science at all after standard 8th or 10th may not ever remember Darwin. Thats the reason why people in India counted on above survey responded like this.


    Apart from that Hinduism not at all support evolution. Prabhupada is not as such famous in India but abroad as messenger of hinduism. Orthodox hindus doesnt respect ISKON at that level.

  4. 13

    @ S M Raihan, This is a very good article written by you. I just saw the link in FB -- Nastik Tomader Bolci -- and read here.

    It will help me to argue with my Hindu friends and propage atheism among them.

    Please try to put gather a little more info about Hinduism to help me

  5. 12


    "যেখানে স্বামী প্রভুপাদ হচ্ছেন ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা, সেখানে স্বামী বিবেকানন্দ ইসকনের একজন অনুসারী। কার বক্তব্য তাহলে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার কথা?"


    প্রথমে উল্লেখ করি বিবেকানন্দ ইসকনের একজন অনুসারী নন । 13july 1966 ইসকনের  প্রতিষ্ঠা হয় ।তার 64 বছর আগে 04july 1902 বিবেকানন্দের মৃত্যু হয় ।আর স্বামী প্রভুপাদের মত কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ তো চিরকালই  সব ধর্মেই থেকে থাকে যারা মানুষকে ভুল পথে চালিত করে কিছু বুজরুকির সাহায্য নিয়ে ।

    আর আমি শুধু বিবেকানন্দের মতামতের কথা বলিনি বলেছি বিবেকানন্দ দারা উল্লিখিত সাংখ্য তত্ত্ব ও পাতঞ্জলি যোগসূত্রের কথা । আর আপনাকে যে বিজ্ঞান ভিত্তিক বিবর্তনবাদের কথা বলেছিলাম


    পতঞ্জলি সূত্র অনুযায়ী তা এইরকম——

    “নিমিত্তপ্রয়োজকং প্রকৃতিনাং বরণভেদস্তু ততঃ ক্ষেত্রিকবৎ” ।


    প্রকৃতি প্রতিটি উপাদানের মধ্যে এই বৈশিষ্ট্যটি পরিলক্ষিত হয় তা হল পূর্ণতাপ্রাপ্তি বা স্থিতি লাভের চেষ্টা । অর্থাৎ প্রকৃতির সমস্ত বস্তু পূর্ণতা প্রাপ্তির দিকে এগিয়ে চলে যতক্ষণ না পর্যন্ত তার মধ্যে পূর্ণতার প্রকাশ ঘটছে।এবং এই প্রকৃতিই আমাদের পূর্ণতার পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে । যাকে বলা হয়  In -filling nature of universe ।

    এই পূর্ণতা প্রাপ্তির চেষ্টা জীব-জড় দুয়ের মধ্যেই পরিলক্ষিত হয় । প্রতিটি স্বাধীন পরমানু পূর্ণতা প্রাপ্তি অর্থাৎ তার নিকটবর্তি সুস্থিত পরমাণুর ইলেকট্রন বিন্যাস লাভের চেষ্টা করে ( যা আমাদের কাছে অষ্টক পূর্তির নিয়ম নামে পরিচিত)। এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থার উপর ভর করে নতুন একটি যৌগ উৎপন্ন করে । এই ভাবে বিভিন্ন পরমাণু যুক্ত হয়ে জটিল থেকে জটিলতর যৌগের সৃষ্টি হয় ।

    অন্য দিকে জীবের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম কার্যকরী । এককোষী জীব থেকে ঠিক উপরিউক্ত পদ্ধতিতেই বহুকোষী জীবের জন্ম লাভ । এই পূর্ণ হয়ে ওঠার তাগিদই জীবগুলীকে আরও বিবর্তিত করে তোলে। জড় বা যৌগ উৎপাদনের ক্ষেত্রে যেমন পারিপার্শ্বিক অবস্থা( চাপ,তাপ,আলো ইত্যাদি অর্থাৎ যেগুলিকে আমরা অণুঘটক বলি) দায়ী থাকে তেমনই প্রাণীর ক্রমবিকাশে পরিবেশ এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থাগুলোই দায়ী থাকে (বা অনুঘটকের কাজ করে ) ।

    প্রগতি ও শক্তি প্রতিটি জগতের প্রতিটি উপাদানেই জমা হয়ে আছে । একটি জল ধারার  গতিপথে বাঁধগুলি কেটে দিলে জল তার স্বভাব ধর্ম অনুযায়ী যেমন প্রবাহিত হতে থাকে তেমনি প্রকৃতি বিবর্তনের ক্ষেত্রে বাধাভঙ্গকারী হিসাবে কাজ করে। প্রকৃতিতে এই ভাবেই হয় প্রানের বিকাশ যা বহুকালের প্রচষ্টায় তৈরি করে মানুষের মত মহাসম্পদ।

  6. 11

    হিন্দু ধর্মকে কোন একটি ধর্ম গুরু( স্বামী প্রভুপাদ )-র মতামতের উপর ভিত্তি করে  বিচার করা ভুল । হিন্দু ধর্ম বহু বিশিষ্ট ঋষি ও জ্ঞানী মহাপুরুষের উপলব্ধিক্রিত জ্ঞান বিচার,যুক্তি ও সত্ততার উপর প্রতিষ্ঠিত একটি ধর্ম । কতগুলি ভ্রান্ত যুক্তির দারা সমগ্র হিন্দুধর্মকে বিজ্ঞান বিরোধী বলা ভুল।

    এখন সমগ্র বিশ্বকে যিনি হিন্দু ধর্মের পরিচিতি লাভ করিয়েছেন –স্বামী বিবেকানন্দ বিবর্তন তত্ত্ব ও হিন্দু মতবাদ সমন্ধে কি বলেছেন দেখা যাক-

    1.  Rambrahma Babu: What is your opinion of the evolution theory of Darwin and the causes he has put forward for it?

    Swamiji: Taking for granted that Darwin is right, I cannot yet admit that it is the final conclusion about the causes of evolution.

    Rambrahma Babu: Did the ancient scholars of our country discuss this subject?

    Swamiji: The subject has been nicely discussed in the Samkhya Philosophy. I am of opinion that the conclusion of the ancient Indian philosophers is the last word on the causes of evolution. Rambrahma Babu: I shall be glad to hear of it, if it can be explained in a few words.

    Swamiji: You are certainly aware of the laws of struggle for existence, survival of the fittest, natural selection, and so forth, which have been held by the Western scholars to be the causes of elevating a lower species to a higher. But none of these has been advocated as the cause of that in the system of Patanjali. Patanjali holds that the transformation of one species into another is effected by the "in -- filling of nature" [(Sanskrit)]. It is not that this is done by the constant struggle against obstacles. In my opinion, struggle and competition sometimes stand in the way of a being's attaining its perfection. If the evolution of an animal is effected by the destruction of a thousand others, then one must confess that this evolution is doing very little good to the world. Taking it for granted that it conduces to physical well -- being, we cannot help admitting that it is a serious obstacle to spiritual development. According to the philosophers of our country, every being is a perfect Soul, and the diversity of evolution and manifestation of nature is simply due to the difference in the degree of manifestation of this Soul. The moment the obstacles to the evolution and manifestation of nature are completely removed, the Soul manifests Itself perfectly. Whatever may happen in the lower strata of nature's evolutions, in the higher strata at any rate, it is not true that it is only by constantly struggling against obstacles that one has to go beyond them. Rather it is observed that there the obstacles give way and a greater manifestation of the Soul takes place through education and culture, through concentration and meditation, and above all through sacrifice. Therefore, to designate the obstacles not as the effects but as the causes of the Soul -- manifestation, and describe them as aiding this wonderful diversity of nature, is not consonant with reason. The attempt to remove evil from the world by killing a thousand evil -- doers, only adds to the evil in the world. But if the people can be made to desist from evil -- doing by means of spiritual instruction, there is no more evil in the world. Now, see how horrible the Western struggle theory becomes!

    Rambrahma Babu was astonished to hear Swamiji's words and said at length, "India badly needs at the present moment men well versed in the Eastern and Western philosophies like you. Such men alone are able to point out the mistakes of the educated people who see only one side of the shield. I am extremely delighted to hear your original explanation of the evolution theory."


    অর্থাৎ স্বামীজী বলেছেন- ডারউইন বিবর্তনবাদ সম্মন্ধে যে মতবাদ দিয়েছেন তা সঠিক কিন্তু স্বয়ংসম্পূর্ণ নয় , এবং সাংখ্য- তত্ত্ব বা সাংখ্যদর্শন এই মতবাদ কে পূর্ণতা দান করে।

    “Taking for granted that Darwin is right, I cannot yet admit that it is the final conclusion about the causes of evolution.                           

    The subject has been nicely discussed in the Samkhya Philosophy. I am of opinion that the conclusion of the ancient Indian philosophers is the last word on the causes of evolution.”

    তাছাড়া বিবেকানন্দ এই তত্ত্বের পূর্ণতা প্রাপ্তি সম্বন্ধে বলেছেন “বিবর্তনের প্রকিত মূলমন্ত্র নিহিত আছে পূর্ণতার প্রকাশের মধ্যে যা প্রতিটি সত্তার মধ্যে আগে থেকেই আছে। এই পূর্ণতার গতি রুদ্ধ করা আছে এবং এর পিছনের অনন্ত স্রোত ধারা নিজেকে প্রকাশ করার জন্য সংগ্রাম করছে ।”

    উল্লেখ্য এই সাংখ্যতত্ত্ব এবং পাতঞ্জলি যোগসূত্র শুধু হিন্দুধর্মের নয় সমস্ত বিশ্বের এক অমূল্য সম্পদ । এইগুলি দিয়ে আধুনিক PHYSICS, CHEMISTRY-এবং MATH-এর বহু তত্ত্বের ব্যাখ্যা মেলে।

    এখন ডারউইন-এর বিবর্তনবাদ প্রসঙ্গে বেদান্তের দৃষ্টিভঙ্গি কি সেটা দেখা যাক।।--

    2.  "These technological advances were at once used to test Darwin’s hypothesis. The more it was explored the louder was the judgment in favour of Evolution! Here are some important findings. All living creatures use the same set of 20 amino acids to build their proteins. The DNA code for these amino acids is the same in all of them. For example ‘UUU’ codes for the amino acid Phenyl alanine, in bacteria, in fungi, in plants, in crustaceans, in fish, in mammals and be-it-any species! This clearly demonstrates that the blueprint for all living creatures was derived from one or few common ancestors. It doesn’t stop there. Analysis of DNA samples from different species shows direct relationship between the extent of resemblance and the proximity of their relationship in the ladder of evolution. For example human DNA is 96% similar to that of the chimpanzees, 75% similar to that of the dogs and 33% similar to that of the daffodils! This clearly shows that we are more closely related to chimpanzees than dogs or daffodils. Darwin was more than right again!"


    অর্থাৎ প্রানিদের DNA- ‘UUU’ codes বিশ্লেষণ করে মানুষের সাথে শিম্পাঞ্জির ৯৬% মিল কুকুরের সাথে ৭৫% মিল এবং ড্রাফোডিলের সাথে ৩৩% মিল পাওয়া গেছে যা ক্রমবিবর্তনকে নির্দেশন করে ।

    3. এর পরেও আছে একটি সুন্দর উদাহরন –বিষ্ণুর অবতার গ্রহন

    ১। মৎস্য

    ২। কূর্ম

    ৩। বরাহ

    ৪। নরসিংহ

    ৫। বামন

    দেখুন কি ভাবে আধুনিক বিবর্তন অনুসারেই প্রানি থেকে ক্রমবিকাশের মাধ্যমে মানবে উত্তরন হয়েছে।


    এর পরেও কেউ যদি হিন্দু ধর্মকে বিজ্ঞান বিরোধী বলেন তাহলে সেটা অন্যায় ।

    1. 11.1
      এস. এম. রায়হান

      এ. সি. ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ হচ্ছেন ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা এবং হিন্দুদের কাছে অত্যন্ত সম্মানিত একজন ধর্মগুরু। এতই সম্মানিত যে, তাকে "Your Divine Grace" হিসেবে সম্বোধন করা হয়। স্বাভাবিকভাবেই তার মিলিয়ন মিলিয়ন অনুসারী আছে। আমি বিবর্তন নিয়ে এমন একজনের বক্তব্য তুলে ধরেছি। অথচ আপনি বলেছেন-

      হিন্দু ধর্মকে কোন একটি ধর্ম গুরু (স্বামী প্রভুপাদ)-র মতামতের উপর ভিত্তি করে বিচার করা ভুল। হিন্দু ধর্ম বহু বিশিষ্ট ঋষি ও জ্ঞানী মহাপুরুষের উপলব্ধিক্রিত জ্ঞান বিচার, যুক্তি ও সত্ততার উপর প্রতিষ্ঠিত একটি ধর্ম।

      এই কথা বলে আপনি নিজেও মাত্র একজন ধর্মগুরুর বক্তব্য তুলে ধরেছেন! এইটা কেমন ধরণের আত্মপ্রতারণা হলো? যেখানে স্বামী প্রভুপাদ হচ্ছেন ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা, সেখানে স্বামী বিবেকানন্দ ইসকনের একজন অনুসারী। কার বক্তব্য তাহলে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার কথা?

    2. 11.2
      এস. এম. রায়হান

      কতগুলি ভ্রান্ত যুক্তির দারা সমগ্র হিন্দুধর্মকে বিজ্ঞান বিরোধী বলা ভুল।

      এর পরেও কেউ যদি হিন্দু ধর্মকে বিজ্ঞান বিরোধী বলেন তাহলে সেটা অন্যায়।

      আপনি সদালাপে, আমার পোস্টে এসে এই কথা কেন বলছেন? আপনি তো মনে হচ্ছে আর দশজন অতি ধূর্ত হিন্দুর মতোই আচরণ করছেন। আপনি বলতে চাচ্ছেন যে, একজন মুসলিম এখানে হিন্দু ধর্মকে বিজ্ঞান-বিরোধী প্রমাণ করার চেষ্টা করছে, যে (অ)কাজ নাস্তিকরা করে না! আমি আসলে এখানে হিন্দু ধর্মকে বিজ্ঞান-বিরোধী প্রমাণ করার চেষ্টা করছি না। মূল পোস্ট পড়লে আমার উদ্দেশ্য পরিষ্কার হওয়ার কথা। আর এখানে কেউ যদি হিন্দু ধর্মকে বিজ্ঞান-বিরোধী প্রমাণ করে তাহলে সেটা করেছেন স্বামী প্রভুপাদ ও অজয় রাউত। আপনি স্বামী প্রভুপাদ ও অজয় রাউতকে নিয়ে কিছু না বলে কৌশলে আমার উপর দোষ চাপিয়ে দিচ্ছেন। এইটা কি সাম্প্রদায়িক মানসিকতার ধূর্তামী হয়ে গেল না?

  7. 10
    শাহবাজ নজরুল

    রায়হান ভাই রকস। উনি আমার খুব পছন্দের ব্লগারদের একজন। রায়হান ভাইয়ের যুক্তিপূর্ণ লেখাগুলোকে কেউই এ পর্যন্ত ভুল বলে প্রমাণ করতে পারেনি। পরিচ্ছন্ন যুক্তি দিয়ে উনি দেখিয়ে দিয়েছেন বাংলা ব্লগের কতিপয় 'মোনাফেক'দের আসল আচরণ। জানা কথা এর প্রতিকার ওরা কিভাবে করবে -- বলবে 'হয়রান মোল্লার' যুক্তি। কিন্তু এই 'হয়রান মোল্লা' নামক ad hominem ছাড়া ওরা কোনদিন উনার কোনো যুক্তির প্রত্যুত্তর দিতে পারেনি। পারবেও না। বাংলা ব্লগের 'মোনাফেক'দের মুখোশ উন্মোচনের জন্যে প্রাণঢালা অভিনন্দন।

    1. 10.1
      Kumar Mondol

      I do not agree with your contention. He is the most prolific blogger in this website, however, soemtimes he writes without appropriate underpinnigs. When presented with emphirical evidence contracdicting his arguments, he tries to esacpe using questionable maneuvers.

      Read his blog" বর্ণবাদী হিন্দু ও বৌদ্ধদের উপর ভরসা করা যায় না".  He has changed it from the oriiginal title.


      "যদিও আমার লেখাতে ঢালাওভাবে সেরকম কিছু বুঝাতে চাওয়া হয়নি, সেরকম কোনো মনোভাবও আমার নেই, তথাপি বিভ্রান্তি এড়ানোর জন্য শিরোনাম-সহ মূল লেখা সামান্য এডিট করা হলো।"

  8. 9
    এস. এম. রায়হান

    ইহুদী বা খ্রীষ্টান বা মুসলিম বা বৌদ্ধ বা শিখ বা অন্য যে কোনো ধর্মাবলম্বীদের কথাই বলেন না কেনো, আপনারা কখনোই দেখবেন না যে সেই ধর্মের অত্যন্ত সম্মানিত এক বা একাধিক ধর্মগুরু একদিকে কোনো তত্ত্বকে একেবারে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছেন, সেই তত্ত্বের প্রস্তাবক-সহ বিশ্বাসীদেরকে গালিগালাজ করছেন, অন্যদিকে আবার সেই ধর্মের অনুসারীরা তাদের ধর্মগুরু সম্পর্কে নীরব ভূমিকা পালন করে সেই তত্ত্বকেই লাঠি-সোটা-গালি দিয়ে ডিফেন্ড করছে! এই ধরণের অদ্ভুত সিনারিও শুধুমাত্র হিন্দুদের মধ্যেই দেখা যায়।

    1. 9.1
      অজয় রাউত

      প্রশ্নের উত্তরে বুঝি সন্তুষ্ট হন নাই, আমারও কোন দায় পড়ে নাই শুধু  আশা করিয়াছিলাম উত্তর পাইব। কে পলাইতেছে পাঠকবর্গের জানা জরুরী।

      1. 9.1.1
        এস. এম. রায়হান

        প্রশ্নের উত্তরে বুঝি সন্তুষ্ট হন নাই, আমারও কোন দায় পড়ে নাই শুধু  আশা করিয়াছিলাম উত্তর পাইব।

        আপনার মন্তব্যে আমাকে উদ্দেশ্য করে কোনো প্রশ্ন নেই। কাজেই সেই মন্তব্যের জবাব দেওয়া বা না দেওয়াতে কিছু এসে যায় না, ঠিক যেমন আরো ৩টি মন্তব্যেরও আমি কোনো জবাব দেইনি।

        কে পলাইতেছে পাঠকবর্গের জানা জরুরী।

        কথায় বলে সুযোগ সন্ধানীদেরকে নাকি সুযোগ দিতে নাই। তাহলে তারা সুযোগের অসদ্ব্যবহার করে মরিয়া হয়ে উঠতে পারে। আমার লেখাতে যেখানে হিন্দুদের ভণ্ডামী আর শুভঙ্করের ফাঁকি উন্মোচন করা হয়েছে সেখানে আবার আমিই পালিয়ে যাব- এই ধরণের চিন্তাও শুধু হিন্দুদের মাথাতেই আসতে পারে। আপনি যে দীর্ঘদিন পালিয়ে থেকে যখন দেখেছেন আর কোনোই উপায় নাই- জবাব দিতেই হবে- তখন তড়িঘড়ি করে এসে জবাব দিয়েছেন, সেই অপরাধবোধ মাথায় নিয়ে যখন উল্টোদিকে আমাকেই পালানোর জন্য দোষী সাব্যস্ত করছেন তখন আপনার মানসিকতা যে কেমন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আমি কেনো ও কার ভয়ে পালিয়ে যাব- এই ধরণের বেকুবী চিন্তা কোনো ভাবেই আমার মাথায় আসছে না!

  9. 8
    এস. এম. রায়হান

    পাঠক একটা মজার ব্যাপার লক্ষ্য করেছেন কি-না জানি না। বিবর্তন তত্ত্বের সাথে হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্ব পুরোপুরি ও ১৮০ ডিগ্রী সাংঘর্ষিক হওয়া সত্ত্বেও বিবর্তনবাদ-ই হচ্ছে একমাত্র তত্ত্ব যেটি হিন্দু ধর্মের পৌরাণিক বা কাল্পনিক জন্তুগুলোর বাস্তবিক ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম! আর যে তত্ত্ব পৌরাণিক জন্তুগুলোর বাস্তবিক ব্যাখ্যা দিতে পারে সেটিকে যেনো কী বলে? পেগ্যান তত্ত্ব!

    বিস্তারিত নিচের পোস্টে দেখুন-

    ডারউইনের বিবর্তনবাদ ও এর পৌরাণিক দায়বদ্ধতা!

  10. 7

    হিন্দুরা প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞানের সাথে টিকতে পারছেনা। অসত হিন্দুরা এজন্য বিবর্তনবাদকে বৈজ্ঞানিক কোন প্রমাণ ব্যতিরেকেই কেবল গায়ের জোরে প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সত্য হিসাবে প্রচার করে মুসলমানদের ঠেকাতে চায়। কিন্তু ইসলাম কোন কালেই প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞানের সাথে সাংঘর্ষিক হয়নি আর হওয়ার কোন প্রশ্নই আসেনা, কারণ ইসলাম হলো বিশ্বজগতের সৃষ্টিকর্তা এক আল্লাহর মনোনীত ধর্ম। শত ষড়যন্ত্র চললেও ইসলাম স্বগৌরবে সবসময় ছিলো, চিরকাল থাকবে। আল্লাহপাকের মুমিন বান্দাগণদের দিয়ে ইসলামকে চিরকাল অপরাজেয় করে রাখবেন যদিও কাফেরদের তা পছন্দ হবেনা।

    হিন্দু ধর্মের অন্যতম প্রধান গুরুর বিবর্তনবাদ বিষয়ে বক্তব্য তুলে ধরে সবাইকে বাংলা অর্ন্তজালের ভণ্ড হিন্দুদের ভণ্ডামী উম্মোচিত করে দেয়ার জন্য এস এম রায়হান ভাইকে ধন্যবাদ। তবে হিন্দু বা অন্য যেকোন বিধর্মী বিবর্তনবাদ বিষয়ে কী ভাবে তা আমাদের মূখ্য বিষয় নয়, আমাদেরকে বিবর্তনবাদী ভণ্ডদের দ্বারা মুসলমানদের ব্রেইন ওয়াশড হওয়া থেকে রক্ষা করাই প্রধান উদ্দেশ্য, কারণ যার ঈমান না থাকবে সমগ্র পৃথিবীর মালিক হলেও তার মতো হতভাগা আর কেউ হবেনা। তার হতভাগ্য এর এক ট্রিলিয়ন অংশও যদি সে অনুধাবন করতে পারতো তবে কখনো শয়তান ও শয়তানের দলবলের ফাঁদে পড়তোনা।

  11. 6
    অজয় রাউত

    @ এস. এম. রায়হান

    পালিয়ে যাইনি, অফিসের কাজে এমন জায়গায় ছিলাম যেখানে নেট নেই। পরশু আবার যেতে হবে। ১৯৮৯ সালে ঘর ভাড়া করে শিলচর জি সি কলেজে পড়ি আর হাত পুড়িয়ে অকহতব্য খাই, এমন সময় জানলাম যে ইস্কনে বিকেলবেলা কীর্তনের পর ভালো প্রসাদ খাওয়ায়। রোজ যাই আর কীর্তনের সময় মাথা নাড়াই তারপর দারুন প্রসাদ, ফ্রি টিফিন হয়। ভালোই চলছিল, একদিন এক সাদা সাধু (ইউরোপিয়ান, যেগুলো মাথা মুড়িয়ে হলে কেষ্ট হলে কেষ্ট করে) দেখি আমাদের দুবন্ধুকে ডাকছে, গিয়ে বুঝলাম দীক্ষা দেবার মতলব। আমাদের মত জন্ম নাস্তিকদের বুঝানো তো সোজা নয়, আং ফাং সৃষ্টিতত্ত্ব আমদানি করতে হল, ‘এই টেবিলটা কেউ তো বানিয়েছে, কাজেই এই মহাবিশ্বও কেউ বানিয়েছে’। আমাদের প্রশ্ন, ‘টেবিলের স্রষ্টাকে তো মহাবিশ্বের স্রষ্টা বানিয়েছে তাহলে মহাবিশ্বের স্রষ্টাকে কে বানিয়েছে?’ উত্তর হল উনি স্বয়ম্ভূ, জিগ্যেস করলাম টেবিল স্বয়ম্ভূ হতে বাধা কোথায়। বাস রেগে গিয়ে যাচ্ছেতাই অবস্থা, সেটাই আমাদের শেষ ফ্রি টিফিন। কাজেই বলছি এসব প্রভুপাদ ফাদ(প্রভুর পেছন থেকে বেরনো গন্ধযুক্ত শব্দ) ২৫ বছর আগেই দেখা শেষ, এসব ছাগলাদ্য উদাহরণ কোনও কাজ দেবেনা। এখন আপনার প্রশ্নের উত্তর দিই।

    “আপনারা কি মনে করেন বিবর্তন তত্ত্ব হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্বকে ভুল প্রমাণ করেছে? যদি ভুল প্রমাণ না করে থাকে তাহলে কি আপনারা উভয় তত্ত্বেই (বিবর্তন তত্ত্ব ও হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্ব) বিশ্বাস করেন নাকি কোনো একটিতে বিশ্বাস করেন? আর যদি ভুল প্রমাণ করে থাকে তাহলে কীভাবে ভুল প্রমাণ করেছে, একটু ব্যাখ্যা দেওয়া যাবে কি? সেক্ষেত্রে আপনারা জীবজগত নিয়ে দুটি সাংঘর্ষিক তত্ত্বের মধ্যে কোন্‌ তত্ত্বে বিশ্বাস করেন, এবং কেনো?”

    হ্যাঁ ভুল প্রমান করেছে। ব্যাখা যেকোনও ক্লাস সেভেনের বিজ্ঞান বই পড়ে জেনে নিন কারন আমার ফাজিল সময় নেই। এই উত্তরের পর দ্বিতীয় আর চতুর্থ প্রশ্ন সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।

    মজাটা কোথায় জানেন এসব বলার পরও আমি হিন্দু, কারন আমার ধর্মের ঠিকা আমি কোনও প্রভুপাদ (গুগলে একবার ISKON SCANDAL  লিখে সার্চ দিন না) বা আশারাম বাপু  দের কাছে বাঁধা রাখিনি।

    আমি ব্যাকটেরিয়াপুত্র, ঈশ্বরপুত্র নই, কারন ঈশ্বর নেই, ঈশ্বর গর্দভদের কল্পনা আর ধুরন্ধরদের ব্যাবসা। 

  12. 5
    এস. এম. রায়হান

    গুগল সার্চ দিয়ে ভারতীয় হিন্দু (নাস্তিক বা আস্তিক) পরিচালিত ভারত-ভিত্তিক কোনো বিবর্তনের পেজ (বাংলা বা ইংরেজী) চোখে পড়ে না। বাস্তবে আদৌ আছে কি-না, কে জানে। তার পরিবর্তে ভারতীয় হিন্দুত্ববাদীরা বাংলাদেশী পেজগুলোতে এসে বাংলাদেশী নাস্তিকদের সাথে যোগ দিয়ে নাস্তিকতা ও বিবর্তনবাদকে লাঠি-সোটা-গালি দিয়ে ডিফেন্ড করার নামে মুসলিমদেরকে আক্রমণ করছে। খুব খেয়াল কৈরা।

  13. 4

    অনেক বড় লেখা, পরে পড়ে মন্তব্য করবো। এস এম রায়হান ভাই অনেক অনেক পরিশ্রম করেছেন। আল্লাহপাক আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিবেন এই দোয়া সবসময় থাকবে।

    1. 4.1
      এস. এম. রায়হান

      ইংরেজী কোটেশনগুলো বাদ দিলে লেখাটি কিন্তু তেমন বড় না। সময় করে পড়ে আপনার থেকে বিস্তারিত মন্তব্য আশা করছি।

  14. 3


  15. 2

    পড়লাম। ধারালো ও অকাট্য লেখা।

    সত্যিকারের বিজ্ঞান হলে ডারউইনবাদকে ১০০% লোকে বিশ্বাস করতে বাধ্য হোত। কিন্তু পরিসংখ্যান তা' বলছে না। নির্ভেজাল বিজ্ঞান নিয়ে কোনরূপ তর্ক চলে না। তর্ক চলে সামাজিক বিজ্ঞান নিয়ে, ন্যাচারাল সায়েন্স নিয়ে নয়।

    আমি মনে করি ডারউইনবাদ প্রচারের উদ্দেশ্য বা টার্গেট আব্রাহামিক রিলিজিয়ন নয়, টার্গেট শুধুমাত্র ইসলাম ও মুসলিম।

    আরও মনে করি এটি একটি লোকাল/রিজিওনাল নয়, গ্লোবাল কন্সপিরেসি। এর পিছনে রয়েছে New World Order এর কুশীলব World Elite গণ।

    আরও মনে করি কোন আদর্শিক চেতনা নয়, আর্থিক সুবিধে পাবার কারণেই তারা এত নিবেদিত হয়ে বিরামহীনভাবে ডারউইনবাদ প্রচার করে যাচ্ছে।

    দারুণ এই লেখার জন্য আপনার প্রতি দোয়া, শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।


  16. 1
    এস. এম. রায়হান

    আরো দেখুন:

    Darwin vs. Prabhupada


    Theory of Evolution By Śrila Prabhupāda



    Evolution- Darwinian or Divine


Leave a Reply

Your email address will not be published.