«

»

Jan ২২

নারীদের মর্যাদা ও অধিকার সম্পর্কে অন্যান্য ধর্ম কী বলে, ইসলাম কী বলে, আর ভণ্ডমনারা কী বলে?

'মুক্তমনা'রূপী ভণ্ডমনারা দীর্ঘদিন ধরে নিরবিচ্ছিন্নভাবে প্রপাগ্যাণ্ডা চালিয়ে নিজ রাজ্যে প্রতিষ্ঠা করে ফেলেছে যে, ইসলামই সবচেয়ে পুরুষতান্ত্রিক ও নারী-বিদ্বেষী। এতদিনে এই ভাইরাস যখন তাদের মুরিদদের মন-মগজে দৃঢ়ভাবে প্রোথিত হয়ে গেছে এবং তাদের মিথ্যা প্রপাগ্যাণ্ডা সম্পর্কে অনেকেই যখন অবহিত হয়েছে, তখন কেউ কেউ ঝুলি থেকে অন্যান্য দু-একটি ধর্মের কতিপয় নেগেটিভ বিষয় উল্লেখ করে সাথে সাথে সমস্বরে বলে উঠছে-

সকল ধর্মই আসলে পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী; সব ধর্মেই রয়েছে সমসাময়িকতার প্রবল প্রভাব।

তাই নাকি? এই ধরণের চরম প্রতারণামূলক ও অসত্য প্রলাপ বকতে হলে নিশ্চিতভাবেই ভণ্ড হতে হবে। সকল ধর্মই পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী কি-না কিংবা সব ধর্মেই সমসাময়িকতার প্রবল প্রভাব আছে কি-না, তার কিছু নমুনা এই লেখায় তুলে ধরা হচ্ছে।

 

১. বৌদ্ধ ধর্ম বলে: নারীরা অস্পৃশ্য ও সকল প্রকার অনিষ্টের মূল- পুরুষদের নির্বাণ লাভের পথে অন্তরায়। কাজেই নারীসঙ্গ অবশ্যই পরিত্যাজ্য। এর অর্থ হচ্ছে বৌদ্ধ ধর্মে নারীদেরকে মানুষই মনে করা হয়নি।

হিন্দু ধর্ম বলে: নারীদের সাথে কোনো স্থায়ী বন্ধুত্ব হতে পারে না। নারীদের হৃদয় হচ্ছে হায়েনাদের হৃদয়। [ঋগ্বেদ ১০:৯৫:১৫]

খ্রীষ্টান ধর্ম বলে: এই ধর্মও নারীদের সম্পর্কে অনুরূপ ধারণা দেয়। বিস্তারিত এখানে

ইসলাম বলে: বিশ্বাসী পুরুষ ও বিশ্বাসী নারী একে অপরের বন্ধু… [কোরআন ৯:৭১]

তারা তোমাদের পোশাক এবং তোমরা তাদের পোশাক… [কোরআন ২:১৮৭]

"আর তাঁর নিদর্শনাবলীর মধ্যে একটি এই যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের নিজেদের মধ্যে থেকে সঙ্গী সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে শান্তি লাভ কর এবং সৃষ্টি করেছেন তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া।" [কোরআন ৩০:২১]

ভণ্ডমনারা বলে: সকল ধর্মই পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী, তবে ইসলাম এককাঠি উপরে!

 

২. হিন্দু ধর্ম বলে: নারীরা শক্তিহীন বা কর্তৃত্বহীন। তারা পৈত্রিক সম্পত্তির কোনো অংশ পাবে না। [যজুর্বেদ ৬:৫:৮:২]

খ্রীষ্টান ধর্ম বলে: পুত্র সন্তান থাকলে কন্যা সন্তান কোনো সম্পত্তি পাবে না। [নাম্বারস ২৭:৮]

ইসলাম বলে: পিতা-মাতা ও নিকট-আত্মীয়দের সম্পত্তিতে নারী ও পুরুষ উভয়েরই অংশ আছে। [কোরআন ৪:৭]

ভণ্ডমনারা বলে: সকল ধর্মই পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী, তবে ইসলাম এককাঠি উপরে!

 

৩. হিন্দু ধর্ম বলে: বিবাহিত নারীরা তালাক দিতেও পারবে না আবার নিতেও পারবে না। একবার কারো সাথে বিয়ে হয়ে গেলে আমৃত্য পর্যন্ত তার সাথেই থাকতে হবে। [সূত্র নিষ্প্রয়োজন]

খ্রীষ্টান ধর্ম বলে: তালাকপ্রাপ্তা নারীকে বিয়ে করা ব্যভিচারের সামিল। তার মানে তালাকপ্রাপ্তা নারী পুনরায় বিয়ে করতে পারবে না? [ম্যাথু ৫:৩২]

ইসলাম বলে: নারীরা ইচ্ছে করলে তালাক নিতে পারবে এবং তালাকপ্রাপ্তা নারী চাইলে তার পছন্দ অনুযায়ী অন্য কাউকে বিয়েও করতে পারবে। [কোরআন ২:২২৯-২৩২]

ভণ্ডমনারা বলে: সকল ধর্মই পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী, তবে ইসলাম এককাঠি উপরে!

 

৪. হিন্দু ধর্ম বলে: বিধবা নারীরা পুনরায় বিয়ে করতে পারবে না। তাদেরকে বরং নিরামিষভোজী ও অত্যন্ত দ্বীনহীনভাবে বাকি জীবন কাটাতে হবে [মনুসংহিতা ৫]। সতী প্রথার কথা না হয় বাদই থাকলো।

ইসলাম বলে: বিধবা নারীরা ইচ্ছে করলে পুনরায় বিয়ে করতে পারবে। [সূত্র নিষ্প্রয়োজন]

ভণ্ডমনারা বলে: সকল ধর্মই পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী, তবে ইসলাম এককাঠি উপরে!

 

৫. বৌদ্ধ ধর্ম বলে: নারীরা পুরোপুরি আলোকিত (Fully Enlightened or Buddha) হতে পারবে না।

ইসলাম বলে: "যে ব্যক্তি ভালো কাজ করবে, হোক সে পুরুষ কিংবা নারী, এবং সে ঈমানদার হবে, এরূপ লোক জান্নাতে দাখিল হবে, আর তাদের প্রতি বিন্দুমাত্র অবিচার করা হবে না।" [কোরআন ৪:১২৪]

ভণ্ডমনারা বলে: সকল ধর্মই পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী, তবে ইসলাম এককাঠি উপরে!

 

৬. বৌদ্ধ ধর্ম বলে: পুরুষের কাজ হচ্ছে বিরামহীনভাবে জ্ঞানের অন্বেষণ করা, আর নারীদের কাজ হচ্ছে বাড়ি ও স্বামীকে দেখাশুনা করা। [সূত্র]

হিন্দু ধর্ম বলে: নারী ও শূদ্ররা বেদ পড়া বা শোনার উপযুক্ত নয়। [সূত্র]

খ্রীষ্টান ধর্ম বলে: নারীরা চার্চের মধ্যে চুপচাপ থাকবে। চার্চের মধ্যে কথা বলা তাদের জন্য লজ্জাজনক। তারা চুপচাপ তাদের স্বামীদের কাছে থেকে সকল প্রকার বশীভূতকরণের মাধ্যমে শিক্ষা নিবে। নারীরা শিক্ষা দিতে পারবে না, এবং পুরুষদের উপর কর্তৃত্ব করার অধিকারও তাদের নেই। [১ করিনথিয়ান্স ১৪:৩৪-৩৫, ১ টিমোথি ২:১১-১২]

ইসলাম বলে: নারী ও পুরুষ উভয়েই জ্ঞানের অন্বেষণ করতে পারবে। উভয়েই একে-অপর থেকে শিক্ষা লাভ করতে পারবে। [সূত্র নিষ্প্রয়োজন]

ভণ্ডমনারা বলে: সকল ধর্মই পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী, তবে ইসলাম এককাঠি উপরে!

 

৭. হিন্দু ধর্ম বলে: নারীদেরকে অবশ্যই দিন-রাত নিজ পরিবারের পুরুষদের অধীনে থাকতে হবে। তারা যদি কোনো রকম ইন্দ্রিয়াসক্তিতে জড়িয়ে পড়ে তাহলে তাদেরকে অবশ্যই কারো নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। [মনুসংহিতা ৯:২]

ভণ্ডমনারা বলে: সকল ধর্মই পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী।

 

৮. হিন্দু ধর্ম বলে: শৈশবকালে একজন নারী তার পিতার অধীনে থাকবে, যৌবনে তার স্বামীর অধীনে থাকবে, স্বামী (লর্ড) মারা গেলে তার পুত্রদের অধীনে থাকবে। নারীরা কখনোই স্বাধীন হতে পারবে না। এমনকি তারা স্বাধীন হওয়ার যোগ্যই না। [মনুসংহিতা ৫:১৪৮, ৯:৩]

ভণ্ডমনারা বলে: সকল ধর্মই পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী।

 

৯. হিন্দু ধর্ম বলে: একজন স্বামী যতই খারাপ হোক না কেন, তথাপি একজন কর্তব্যনিষ্ঠ স্ত্রী সেই স্বামীকে দেবতা হিসেবে ক্রমাগত পূজা করবে। [মনুসংহিতা ৫:১৫৪]

ভণ্ডমনারা বলে: সকল ধর্মই পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী।

 

১০. হিন্দু ধর্ম বলে: একজন নারীর স্বামী মারা যাওয়ার পর সেই নারী কখনোই অন্য কোনো পুরুষের নাম মুখে নিতে পারবে না[মনুসংহিতা ৫:১৫৭]

ভণ্ডমনারা বলে: সকল ধর্মই পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী।

 

১১. হিন্দু ধর্ম বলে: স্বামীর প্রতি দায়িত্ব লঙ্ঘনের দ্বারা একজন স্ত্রী এই পৃথিবীতে অসম্মানিত হবে, মৃত্যুর পর তার এই পাপের শাস্তিস্বরূপ একটি শৃগালের গর্ভে বিভিন্ন রোগ দ্বারা নির্যাতিত হতে থাকবে। [মনুসংহিতা ৫:১৬৪] স্ত্রীর 'অপরাধ' না হয় বুঝা গেল কিন্তু বেচারী শৃগাল কী অপরাধ করেছে-রে বাবা!

ভণ্ডমনারা বলে: সকল ধর্মই পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী।

 

১২. হিন্দু ধর্ম বলে: নারীরা কোনো নিয়মানুবর্তিতা মেনে চলে না। তাদের বুদ্ধিমত্তা নাই বললেই চলে। [ঋগ্বেদ ৮:৩৩:১৭]

ভণ্ডমনারা বলে: সকল ধর্মই পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী।

 

১৩. হিন্দু ধর্ম বলে: নারীদের মৃত্যুর পর তাদের মৃতদেহ সৎকারের সময় পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে কিছু পাঠ করা যাবে না। [মনুসংহিতা ২:৬৬]

ভণ্ডমনারা বলে: সকল ধর্মই পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী।

 

১৪. হিন্দু ধর্ম বলে: পুরুষের উচিত নয় তার মা, বোন, অথবা কন্যার সাথে একাকী বসা, পাছে কী হতে কী হয়! [মনুসংহিতা ২:২১৫]

ভণ্ডমনারা বলে: সকল ধর্মই পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী।

 

১৫. হিন্দু ধর্ম বলে: নারীরা পুরুষের সৌন্দর্য বা বয়স কোনোটাই বিচার না করে সুদর্শন বা কুৎসিত যা-ই হোক না কেন, পুরুষ হলেই তার প্রতি নিজেকে সঁপে দেয়। [মনুসংহিতা ৯:১৪]

ভণ্ডমনারা বলে: সকল ধর্মই পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী।

 

১৬. হিন্দু ধর্ম বলে: বিয়ের সময় বর পক্ষকে যৌতুক দিতে হবে [সূত্র: বেদ]। এই যৌতুক প্রথার উপর ভিত্তি করে প্রতি বছর হাজার হাজার নারী বিভিন্নভাবে নির্যাতন-নিপীড়ন ও হত্যার শিকার হচ্ছে।

ইসলাম বলে: বিয়ের সময় কনেকে মোহরানা বা উপহার দিতে হবে। [কোরআন ৪:৪]

ভণ্ডমনারা বলে: সকল ধর্মই পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী, তবে ইসলাম এককাঠি উপরে!

 

১৭. হিন্দু ধর্ম বলে: নারীরা দৃষ্টিকে নত করে চলবে, সামনের দিকে তাকাবে না। [ঋগ্বেদ ৮:৩৩:১৯]

ইসলাম বলে: পুরুষ ও নারী উভয়েই তাদের দৃষ্টিকে নত রাখবে। [কোরআন ২৪:৩০-৩১]

ভণ্ডমনারা বলে: সকল ধর্মই পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী, তবে ইসলাম এককাঠি উপরে!

 

১৮. ইসলাম বলে: কন্যা শিশুকে হত্যা করা একটি অত্যন্ত নিকৃষ্ট কাজ। [কোরআন ১৬:৫৮-৫৯, ৮১:৮-৯, ১৭:৩১]

ভণ্ডমনারা বলে: ইসলাম একটি পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী ধর্ম।

 

১৯. ইসলাম বলে: পুরুষ যা অর্জন করে সেটা তার প্রাপ্য অংশ এবং নারী যা অর্জন করে সেটা তার প্রাপ্য অংশ। [কোরআন ৪:৩২]

ভণ্ডমনারা বলে: ইসলাম একটি পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী ধর্ম।

 

২০. ইসলাম বলে: আমি বিনষ্ট করি না তোমাদের কোন পরিশ্রমকারীর কর্ম, তা সে হোক পুরুষ কিংবা নারী। তোমরা একে অন্যের সমান… [কোরআন ৩:১৯৫]

ভণ্ডমনারা বলে: ইসলাম একটি পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী ধর্ম।

 

২১. ইসলাম বলে: হে মানুষ! আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি একজন পুরুষ ও একজন নারী থেকে এবং তোমাদেরকে পরিণত করেছি বিভিন্ন জাতিতে ও বিভিন্ন গোত্রে, যাতে তোমরা পরস্পরকে চিনতে পার… [কোরআন ৪৯:১৩]

ভণ্ডমনারা বলে: ইসলাম একটি পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী ধর্ম।

 

২২. ইসলাম বলে: যে ভালো কাজ করে এবং বিশ্বাসী, হোক সে পুরুষ কিংবা নারী, আমি তাকে অবশ্যই দান করব এক পবিত্র শান্তিময় জীবন এবং তারা যা করত তার জন্য তাদেরকে শ্রেষ্ঠ পুরস্কার দান করব। [কোরআন ১৬:৯৭]

ভণ্ডমনারা বলে: ইসলাম একটি পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী ধর্ম।

 

২৩. ইসলাম বলে: নিশ্চয় মুসলিম পুরুষ ও মুসলিম নারী, ঈমানদার পুরুষ ও ঈমানদার নারী, অনুগত পুরুষ ও অনুগত নারী, সত্যবাদী পুরুষ ও সত্যবাদী নারী, ধৈর্যশীল পুরুষ ও ধৈর্যশীল নারী, বিনয়ী পুরুষ ও বিনয়ী নারী, দানশীল পুরুষ ও দানশীল নারী, রোজাদার পুরুষ ও রোজাদার নারী, স্বীয় লজ্জাস্থান হেফাযতকারী পুরুষ ও স্বীয় লজ্জাস্থান হেফাযতকারী নারী এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণকারী পুরুষ ও অধিক স্মরণকারী নারী–এদের জন্য আল্লাহ প্রস্তুত রেখেছেন ক্ষমা ও বিরাট প্রতিদান। [কোরআন ৩৩:৩৫]

ভণ্ডমনারা বলে: ইসলাম একটি পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী ধর্ম।

 

২৪. ইসলাম বলে: আমি মানুষকে তার মাতা-পিতা সম্বন্ধে নির্দেশ দিয়েছি তাদের সাথে সদাচরণ করতে। তার মাতা কষ্টের পর কষ্ট সহ্য করে তাকে গর্ভে ধারণ করেছে এবং দু’বছরে তার দুধ ছাড়ানো হয়। সুতরাং শোকরগুজারী কর আমার এবং তোমার মাতা-পিতার। [কোরআন ৩১:১৪]

ভণ্ডমনারা বলে: ইসলাম একটি পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী ধর্ম।

 

২৫. ইসলাম বলে: যারা কোন ভালো নারীর প্রতি অপবাদ আরোপ করে, তারপর চারজন সাক্ষী উপস্থিত করে না তাদেরকে আশিটি বেত্রাঘাত করবে এবং কখনও তাদের সাক্ষ্য কবুল করবে না। [কোরআন ২৪:৪]

ভণ্ডমনারা বলে: ইসলাম একটি পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী ধর্ম।

 

২৬. ইসলাম বলে: এ কথা সত্য যে, নারীদের উপর পুরুষদের যেমন কিছু অধিকার আছে তেমনি পুরুষদের উপরও নারীদের কিছু অধিকার আছে। [বিদায় হজ্জ্বের ভাষণে মুহাম্মদ সাঃ]

ভণ্ডমনারা বলে: ইসলাম একটি পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী ধর্ম।

 

২৭. ইসলাম বলে [সংগৃহীত হাদিস; সূত্র যাচাই করা হয়নি]-

*Fear Allah in respect of women.

*The best of you are they who behave best to their wives.

*If anyone has a female child, and does not bury her alive, or slight her, or prefer his male children over her, Allah will bring him into Paradise.

*If anyone cares for three daughters, disciplines them, marries them, and does good by them, he will enter Paradise.

*Whoever maintains two girls till they attain maturity, he and I will come on the Day of Resurrection like this; and he joined his fingers.

*Jahimah came to the Prophet, peace be upon him, and said: “Messenger of Allah! I want to join the fighting (in the path of Allah) and I have come to seek your advice.” He said, “Then remain in your mother’s service, because Paradise is under her feet.”

*The world and all things in the world are precious but the most precious thing in the world is a virtuous woman.

*A Muslim must not hate his wife, and if he be displeased with one bad quality in her, let him be pleased with one that is good.

*The more civil and kind a Muslim man is to his wife, the more perfect in faith he is.

*Narrated Khansa bint Khidam Al-Ansariya that her father gave her in marriage when she was a matron and she disliked that marriage. So she went to Allah’s Apostle and he declared that marriage invalid.

*Give them food what you have for yourself, and clothe them by which you clothe yourself, and do not beat them, and do not revile them.

*None but a noble man treats women in an honorable manner. And none but an ignoble treats women disgracefully.

*One who makes efforts (to help) the widow or a poor person is like a mujahid (warrior) in the path of Allah, or like one who stands up for prayers all of the night and fasts all of the day.

*A man came to the Messenger of Allah, peace be upon him, and asked: “O Messenger of Allah, who is the person who has the greatest right on me with regards to kindness and attention?” He replied, “Your mother.” “Then who?” He replied, “Your mother.” “Then who?” He replied, “Your mother.” “Then who?” He replied, “Your father.”

ভণ্ডমনারা বলে: ইসলাম একটি পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী ধর্ম।

 

২৮. পশ্চিমা নারীরা ইসলাম গ্রহণ করে বলে (এখানে আরো অনেক প্রমাণ পাওয়া যাবে)-

ভণ্ডমনারা বলে: ইসলাম একটি পুরুষতান্ত্রিক ও নারী বিদ্বেষী ধর্ম।

 

বিস্তারিত পড়ুন-

কোরআনের আলোকে নারী: সঠিক অবস্থান ও অভিযোগের জবাব

বাইবেলের আলোকে নারী ও দাস-দাসী

 

নোট: হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মে নারীদের নিয়ে লিখতে গেলে শেষ হবে না। এখানে কতিপয় উদাহরণ তুলে ধরা হয়েছে মাত্র। তবে কোনো ধর্মাবলম্বীরা যদি মনে করেন যে, এই লেখায় তাদের ধর্মে নারীদের পক্ষের শিক্ষাগুলো এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে তাহলে তারা মন্তব্যের ঘরে সূত্র-সহ নিজ নিজ ধর্মে নারীদের পক্ষের শিক্ষাগুলো উল্লেখ করতে পারেন। তারা চাইলে আলাদা লেখাও পোস্ট করতে পারেন।

২১ comments

Skip to comment form

  1. 12
    moitree

    বৌদ্ধ ধর্ম বলে: নারীরা অস্পৃশ্য ও সকল প্রকার অনিষ্টের মূল- পুরুষদের নির্বাণ লাভের পথে অন্তরায়। কাজেই নারীসঙ্গ অবশ্যই পরিত্যাজ্য 

    Vai Doiya kore bolben buddha dhormer kon grohonte(Tripitok) ai kotha bola hoyeche

    1. 12.1
      এস. এম. রায়হান

      আপনার এই মন্তব্যের জবাব দিতে ভুলে গেছিলাম। তবে আমি মোটামুটি নিশ্চিত ছিলাম যে, বৌদ্ধদের মধ্যে কেউ না কেউ এর পক্ষে প্রমাণ চাইবেই। কেননা এই দাবিটা করেছে একজন মুসলিম, আর লেখাটি প্রকাশ করা হয়েছে সদালাপে। যাহোক, আমি বলেছি-

      বৌদ্ধ ধর্ম বলে: নারীরা অস্পৃশ্য ও সকল প্রকার অনিষ্টের মূল- পুরুষদের নির্বাণ লাভের পথে অন্তরায়। কাজেই নারীসঙ্গ অবশ্যই পরিত্যাজ্য।

      লক্ষ্য করলে দেখবেন উপরের বক্তব্যটা আমার নিজের, যেহেতু বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ থেকে কোনো উদ্ধৃতি যেমন দেওয়া হয়নি তেমনি আবার কোনো সূত্রও উল্লেখ করা হয়নি। তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসতে পারে এই ধরণের দাবির পক্ষে আমার কোনো যুক্তি আছে কি-না। এক্ষেত্রে আমার জবাব হচ্ছে:

      -- বৌদ্ধ ধর্মে যদি নারীদেরকে অস্পৃশ্য বা পরিত্যাজ্য বা নির্বাণ লাভের পথে অন্তরায় মনে না করা হতো তাহলে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা ধর্ম পালন করতে যেয়ে বিয়ে না করে চিরকুমার থেকে যায় কেন?

      -- বৌদ্ধ ধর্মে নারীদেরকে মলভাণ্ডের সাথে তুলনা করা হয়েছে। গু তথা মল কি স্পর্শ করার মতো কিছু?

      -- বৌদ্ধ ধর্মে নারীদেরকে বিশ্বাস ঘাতিনী, রাক্ষসী, সর্পিণী, বিষবৃক্ষ, অনিষ্টকারী, বেশ্যার মতো, ইত্যাদি বলা হয়েছে। [সূত্র: কুণাল জাতক] তার মানে কি এই বুঝায় না যে, নারীরা সকল প্রকার অনিষ্টের মূল?

      আমি কি তাহলে বৌদ্ধ ধর্ম সম্পর্কে বানোয়াট কিছু বলেছি? সত্যি বলতে অন্য কোনো ধর্মের সমালোচনা করতে বানোয়াট কিছু বলার প্রয়োজনই পড়ে না, যেহেতু সত্য তথ্য দিয়েই অন্যান্য ধর্মের সমালোচনা করা যায়।

  2. 11
    শাফিউর রহমান ফারাবী

    অসাধারন হয়েছে ভাইয়া। আমি এইখান থেকে অনেক তথ্য পেলাম। 

  3. 10
    মোহাম্মাদ সালমান

    রায়হান ভাই, নতুন সদস্য!

  4. 9

    আপনার কথা শুনে বেশ অবাক হলাম। কোন একটা বই যেটা ইন্টারনেটে ফ্রি তে পাওয়া যাচ্ছে না তাই বলে জিনিসটা ভুল অছে ভাবাটা কি বোকামি নয়?আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে পৃথিবীর কেউ মনে হয় টাকা দিয়ে বই কেনে না সবাই অনলাইনে ফ্রিতে পাবার আশায় বসে থাকে। বিশূদ্ধ অনুবাদ তো মর্কেটে কিনতে পাওয়া যায়। আপনি বললেণ ধরা খাওয়ার ভয়ে অনলাইনে হয়তবা নেই সেটা শুনে মনে হল শূদ্ধতার পরিচয়ের জন্য অনলাইনে ফ্রি থাকা আবশ্যক। যদি বিশূদ্ধ অনুবাদ এও কোন ধরনের ভুল থাকত তাহলে এতদিনে কেউ না কেউ এর বিরুদ্ধেও লেখা শুরু করত সবাই তো আর ফ্রি তে পাবার আশায় বসে থাকে না। অনুবাদ তো মার্কেটে পাওয়া যাচ্ছেই যে কেউ এটা কিনতে পারে তো এখানে এমন অদ্ভুদ কথা বলার কোন কারন তো পাচ্ছি না। ভাই মিশনারীদের অনুবাদে ভুল ছিল কিনা সেটা বোঝার জন্য আপনাকে বেদের অনুবাদ পদ্ধতি পড়তে হবে। বেদ অনুবাদ করা এত সহজ নয়। এটা অনুবাদের কিছু পদ্ধতি আছে। সবথেকে পুরান যে বইটি আছে তার নাম হল “নির্ঘন্টু কোষ” এবং আরেকটি হচ্ছে ”নিরুক্ত” যার লেখক হলেন মহাঋষি ”যাস্ক”। এই দুটি বইতে সংস্কৃত শব্দ এবং গ্রামাটিকাল সহ সমস্ত ব্যুৎপত্তিগত সব কিছুর বিস্তরিত বর্ননা আছে। প্রাচীন ঋষিদের কতৃক ভাষ্য অনুযায়ী বেদের অনুবাদ করতে হয় এ বিষয়ে বিস্তারিত বলতে গেলে বিশাল আকারে ধারন নেবে। যা হোক বেদের অনুবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে হলে “ঋকবেদ ভাষ্য ভূমিকা” বইটি পড়তে হবে। এছড়াও বাকি তিন বেদের ভাষ্য ভূমিকাও রয়েছে যার সবগুলো বই দুটির উপর বেইস করে লেখা। মিশনারী পন্ডিত Max Muller তার লেখা বই স্যকরেট বুক অফ ইস্ট (Sacred Book Of East)বই এর ৬ষ্ট খন্ডে স্বীকার করেছেন যে তার অনুবাদে ভুল ছিল।(Link of that Book https://archive.org/details/sacredbooksofeas08oxfo ) মিশনারীদের অনুবাদে ভুল ছিল কিনা সেটা নিয়ে তো একটা লেখা অগেই দিয়েছিলাম যদিও সেটা গ্রহন করা হয় নি। তাদের অনুবাদ ভুল সেটা তো যুক্তি সহকারেই খন্ডন করা এবং পরবতর্ীতে বেদের বিশুদ্ধ অনুবাদ বের করা হয়েছে প্রাচীন ঋষিদের ভাষ্য অনুযায়ী। আপনি বললেন বেদের মিশনারী অনুবাদ প্রসঙ্গে কোন হিন্দু ওয়েব সাইটে কেন বলছে না ভাই এই প্রসঙ্গে হিন্দু ওয়েবসাইটেই আছে agniveer.com/exposing-western-indologists/ এছাড়াও বেদ এবং বৈদিক অন্যান্য বিষয় নিয়ে যুক্তিপূর্ণ অনেক লেখাই আছে সব থেকে পপুলার ওয়েব সাইট এবেং এর সংস্হা Agniveer.com গায়েত্রি পরিবারের থেকে প্রকাশিত বেদের ইংরেজী অনুবাদে কিছু ভুল থাকায় কয়েকদিন আগেই কেস করে সেটা মার্কেট থেকে বের করে দেবার জন্য এবং এতে সফল হয়। মিশনারী পন্ডিতদের অণূবাদ বহু আগে থেকেই ট্রাস হিসেবে বর্জন করা হয়েছে। উপরের একজন এর কথা বলেছেন সেখানে আপনি কোন বিষয়ের কথা বললেন যার কোন রেফারেন্স না দিয়েই হিন্দু ধর্মকে ডিফেন্ড করা হচ্ছে?সেই বিষয়টা সম্পর্কে বলুন প্রয়োজনে সেই বিষয় সম্পর্কে আমি রেফারেন্স দিচ্ছি। নোট:আপনার আগে অনেকেই বেদ নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করেছে ভুল অনুবাদ নিয়ে কেউ জেনে আবার কেউ না জেনে। আপনি যদি জেনে করে থাকেন তবে অবশ্যই বলব আপনি ভন্ডামী করেছেন আর না জেনে করলে ভন্ডামীর কোন প্রশ্নই আসে না। এক কথা আবারও বলছি আমি যে ইংরেজী অনুবাদ দিয়েছি সেটা ড.তুলসী রাম এর অনুবাদ যার Agniveer Purchase Link অমি অগেই দিয়েছি। অনলাইনে পওয়া যায় না বলে ওতে ভুল আছে এটা ভাবা কি বোকামি নয়?কপিরাইট অইন অনুযায়ী পাবলিসার ছাড়া কেউ নেটে আপলোড করবে না নিশ্চই তবে বাজারেতো ওটা পাওয়া ।

  5. 8

    ধূর্তামি!! হা হা শুনে হাসি পেল আপনার দেয়া প্রতিটি পোষ্টের ভুল অনুবাদের উত্তর আমি দিয়েছি তো এখানে ধূর্তামি করার কোন প্রশ্নই উঠে না। চ্যালেজ্ঞ করে বলতে পারি আপনি যদি আরো ভুল অনুবাদ পোষ্ট করেন তবে তারও সঠিক অনুবাদ দিতে পারব। আমি এখানে অপ্রাসঙ্গিক কিছু বলিনি আপনার দেয়া মিশনারীদের ভন্ডামিপূর্ণ অনুবাদের জবাব দিয়েছি মাত্র। সতীদাহ প্রথা নিয়ে মুসলিম পন্ডিতের ভন্ডামির একটা রেফারেন্স চেয়েছিলেন সেটা কি ভুলে গেলেন?এছাড়াও আপনি WIKI থেকে পুনরায় একটা রেফারেন্স দিলেন। এই জন্যই আমি পুনরায় এই টপিকস তুলে আপনার দেয়া পোষ্টের জবাব দিলাম।  আপনার বলা প্রতিটি দাবী  ভুল অনুবাদ থেকে দেয়া এটা তো পরিষ্কার করে দিলাম হতে পারে হয়ত আপনার হয়ত এ সম্পর্কে জানা ছিল না তাই বিস্তারিত লেখা দেয়ার প্রয়োজন মনে করে বেদের অনুবাদ প্রসং‌গ তুলে ধরি।

     

    1. 8.1
      এস. এম. রায়হান

      ধূর্তামি!! হা হা শুনে হাসি পেল আপনার দেয়া প্রতিটি পোষ্টের ভুল অনুবাদের উত্তর আমি দিয়েছি তো এখানে ধূর্তামি করার কোন প্রশ্নই উঠে না।

      আপনি হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে খ্রীষ্টান মিশনারীদের ষড়যন্ত্র নিয়ে বিশাল একটি কাহিনী বারংবার পোস্ট করছেন। ঐ মন্তব্য আমার পোস্টে গ্রহণ করা হয়নি। এটাকে ধূর্তামী বলা হয়েছে। কারণ আপনারা নিজেদের ব্লগ-সাইটে হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে খ্রীষ্টান মিশনারীদের ষড়যন্ত্র তুলে না ধরে সদালাপে সেগুলো প্রচার করতে এসেছেন। আপনারা উপর উপর দেখানোর চেষ্টা করেন যে একমাত্র মুসলিমরা ছাড়া অন্য কোনো ধর্মাবলম্বীদের সাথে আপনাদের কোনো বিরোধ নাই, আর ভেতরে ভেতরে হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে খ্রীষ্টান মিশনারীদের ষড়যন্ত্র পোষণ করেন। সেগুলো আবার নিজেদের ব্লগ-সাইটে না লিখে সদালাপে প্রচার করতে আসেন। এটা ধূর্তামী ছাড়া আর কী?

      আপনার দেয়া প্রতিটি পোষ্টের ভুল অনুবাদের উত্তর আমি দিয়েছি।

      আমি নিজে হিন্দু ধর্মগ্রন্থের কোনো অনুবাদ করিনি। অনুবাদের অনলাইন লিঙ্ক দিয়েছি। অনুবাদগুলো সরাসরি তুলেও দিয়েছি। নজড়ে পড়েনি? সেই অনুবাদগুলো ভুল না সঠিক সেটা আমার পক্ষে যাচাই করা সম্ভব নয়। কিন্তু আপনি কী করে নিশ্চিত হয়েছেন যে, সেগুলোর সবগুলোই ভুল অনুবাদ কিংবা হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে খ্রীষ্টান মিশনারীদের ষড়যন্ত্র? আপনি কি সংস্কৃতে মহা পণ্ডিত? তাছাড়া আপনার অনুবাদের অনলাইন লিঙ্ক দিচ্ছেন না কেন? সেই 'সঠিক অনুবাদ' অনলাইনে রাখা হয়নি কেন? ধরা খাওয়ার ভয়ে? উপরে একজন অগ্নিভীরের লেখার লিঙ্ক দিয়ে ভালো করেছে। সে কোনো অনুবাদের রেফারেন্স ছাড়াই কীভাবে ডাহা মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে হিন্দু ধর্মগ্রন্থকে ডিফেন্ড করেছে তার কিছু প্রমাণ সময় পেলে তুলে ধরা হবে।

      নোট: মূল পোস্ট থেকে আমার বক্তব্য হুবহু তুলে ধরে আমি কীভাবে মিথ্যাচার ও ভণ্ডামীর আশ্রয় নিয়ে হিন্দু ধর্মের দূর্নাম করেছি, তার পক্ষে আগে প্রমাণ দেন। প্রমাণ দিতে না পারলে স্বীকার করেন যে আপনি অসততার আশ্রয় নিয়ে আমাকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন।

  6. 7

    সতীদাহপ্রথানিয়ে Wiki রযেহাস্যকরযেঅনুবাদদেওয়াআছেতাঅবশ্যইভয়ানকভন্ডামীযাহোকএখানেআমিমন্ত্রগুলোরপ্রকৃতঅনুবাদদিলাম।

    Rig Veda 10.18.7

    Let these women,noble wives living with their husbands,enter and live in their homes,and let the,decked with jewels with beauty aids,creams and unguents,free from sorrow and till health and blest with noble children,move forward high in life.

    Rig Veda 10.18.8

    Rise,Owoman,to a new Phase of life,your husband is now dead and gone,Come take the hand of this man from among living who offers to take your hand and maintain you,and live in consort with this other and new husband of yours for a life time.

    Translated By Dr.Tulshi Ram

     

    বেদে  সতীদাহপ্রথানিয়েঅনেকেইঅনেকদুর্নামপূর্ণঅভিযোগকরেছেযাসম্পূর্ণভিত্তিহীন।জাকিরনায়েকেরকথাইধরিলোকটিবেদেরঅনেকমন্ত্রেরগ্রিফিথকর্তৃকভুলঅনুবাদনিয়েতারলেখাসাজিয়েছেযদিওতারপ্রত্যেকঅপব্যাখ্যাদুরহয়েছে।তিনিচাইলেইআর্যসমাজকতর্ৃকশূদ্ধহিন্দিঅনুবাদব্যবহারকরতেপারতেনকিন্তুতিনিতাকরেনি।কারনটাবিচারআপনারাইকরেন।তারপ্রতিষ্ঠানমো.ইউসুফআলীরকোরানেরইংরেজীঅনুবাদঅনুসরনকরেএবংআরেকটিঅনুবাদআব্দুলক্বারীরটাঅনুসরনকরেখুবসম্ভবতসেটাহিন্দিঅনুবাদ।তারলেকচাওেদেখেছিবলেনযেকোরানেরঅনুবাদকরাকঠিনকিন্তুওইদুটোআনুবাদকেসমর্থনকরেন।একজনকম্পারেটিভরিলিজিয়নেরছাত্রবলেনিজেকেদাবীকরেঅথচবেদেরভুলঅনুবাদকেনপ্রচারকরেসেটাউনিইজানেনএগুলোমিথ্যাচারকিনানিজেরাইবিচারকরুন।যাহোকতারওয়েবসাইটোলেখাগুলোরঅপপ্রচারেরলিং্‌কদেয়াহলআপনারসতীদাহপ্রথাছাড়াওঅন্যান্যমিথ্যাচারওএখানেপাবেন।

     

    http://www.irfi.org/articles/articles_1751_1800/women%20in%20hinduismhtml.htm

     

    1. 7.1
      এস. এম. রায়হান

      এই পোস্টে সতীদাহ প্রথা নিয়ে কোনো দাবি করা হয়নি। অথচ আপনি এই পোস্টটাকে সতীদাহের দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন কেন? সতীদাহ প্রথা নিয়ে কিছু বলার থাকলে এই লিঙ্কে যান।

      নোট: আমার লেখার চেয়ে তিন গুন ঢাউস আকারের মন্তব্য-সহ আপনার কয়েকটি মন্তব্য ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে। হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে খ্রীষ্টান মিশনারীদের ষড়যন্ত্র নিয়ে কিছু বলার থাকলে আপনাদের নিজস্ব ব্লগ-সাইটে বলেন। কিন্তু সদালাপে এসে আমার পোস্টে হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে খ্রীষ্টান মিশনারীদের ষড়যন্ত্র নিয়ে অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য গ্রহণ করা হবে না। মূল লেখার উপর স্টিক থাকতে হবে। আপনাদের ধূর্তামী আমরা বুঝি।

  7. 6

    আমার লেখার শেষে আমি পরিষ্কার ভাবে অনুবাদকের নাম উল্লেখ করেছি। বেদের বিশূদ্ধ ইংরেজী অনুবাদ করেছেন ড. তুলসীরাম এবং বাংলা অনুবাদটা আর্যসমাজের দ্বারা হিন্দী অনুবাদকৃত বেদ এর বাংলা সংকলন। ইংরেজী অনুবাদটা অনলাইনে পাওয়া যাবেনা তবে সেটা কিনতে পাওয়া যায় World's most popular Spritual Hindu Website agniveer.com এ যেমনটা আমরা কিনেছি। আপনি চাইলে আপনার মেইলে Screen Short পাঠিয়ে দিতে পারি। মনুসংহিতাও হিন্দি অনুবাদ পাওয়া যায় একই সাইটে তবে অনলাইনে ফ্রী পাওয়া যাবে না। আর এখানে আমি মোটেও মিথ্যাচার করতে আসি নি আপনার রেফারেন্স অনুযায়ী মিলিয়ে দেখে তারপর উত্তর দিয়েছি। তবে আপনার বেশীরভাগ দাবীগুলোই অনেক পুরোনো যেগুলোর উত্তর আগেই দেয়া হয়েছে তাই উত্তর দিতে বেশী দেরী হয় নি।

    http://agnikart.com/vedas-in-english/four-vedas-rigveda-yajurveda-samaveda-atharvaveda-english-complete-agniveer

    http://agnikart.com/agniveer-recommends/manusmriti-hindi

  8. 5
    Joy Biplob

    pls visit this web site to more and reality of Hindu religion…

    http://www.agniveerinbanla.com

    1. 5.1
      এম_আহমদ

      @ Joy Biplob আপনার দেয়া লিঙ্কে গিয়ে ‘মাওলানা মেহবুব আলীর আত্ম শুদ্ধি ও মানবতার জাগরন’ লেখাটি পড়লাম এবং স্বামী দয়ানন্দ কর্তৃক কোরানের ২:১০৯ আয়াতের মূর্খামী ব্যাখ্যা ও শিশুসুলভ তর্ক দেখে বিস্মিত হলাম। দয়ানন্দ জীবিত থাকলে এবং এখানে আনতে পারলে ঐ আয়াতের মূর্খামী তর্কের জন্য তার কানে ধরে ফিরতে হত, ইনশাল্লাহ।

      1. 5.1.1
        এম_আহমদ

        আরেকটি কথা। দয়ানন্দের ঐ রেফারেন্স ভুল। এটা ২:১০৯ হবে না, বরং ২:১১৫ হবে। তবে এটা হয়ত বেখেয়াল বশত হয়ে থাকবে। এর পূর্ণ বাক্য হচ্ছে, ‘পূর্ব ও পশ্চিম আল্লারই। অতএব, তোমরা যেদিকেই মুখ ফেরাও, সেদিকেই আল্লাহ বিরাজমান। নিশ্চয় আল্লাহ সর্বব্যাপী, সর্বজ্ঞ।’

  9. 4
    সামিউর রহমান পিয়াল

    ভাই, অসাধারণ একটা পোস্ট। আমার জন্য দু'আ করবেন। ফেব্রুয়ারী থেকে আমিও সদালাপে নিয়মিত হবো ইনশা'আল্লাহ্. . .

    ধর্ম প্রচার করা ভাল কিন্তু সেই সাথে অন্য ধর্মের দুর্নাম করা ভন্ডামি। হিন্দু ধর্ম নিয়ে যে মিথ্যাচার করলেন তার প্রত্যেকটি পয়েন্টর উত্তর দেয়া হল।

    নাস্তিকতা প্রচার করা ভাল, তবে ইসলাম ধর্মের বদনাম বড় সওয়াবের কাজ!

  10. 3
    Shuvo

    ধর্ম প্রচার করা ভাল কিন্তু সেই সাথে অন্য ধর্মের দুর্নাম করা ভন্ডামি। হিন্দু ধর্ম নিয়ে যে মিথ্যাচার করলেন তার প্রত্যেকটি পয়েন্টর উত্তর দেয়া হল। উল্লেখ্য আমার কাছে বেদের বিশুদ্ধ English অনুবাদ আছে তাই যে মন্ত্রগুলোর বাংলা অনুবাদ আমার কাছে নাই সেগুলোর ইংরেজী দেয়া হল।

     

    আপনার ১ম (প্রথম) পয়েন্ট: নারীদের সাথে বন্ধুত্ত না হওয়ার ব্যাপার..ঋগ্বেদ ১০.৯৫.১৫

     

    উত্তর: সুক্ত ১০: এ সুক্তটির নাম পুরুরাব-উর্বশী সুক্ত যেখানে একজন ক্ষত্রিয় রাজাকে এই উপদেশ দেয়া হচ্ছে।উক্ত সুক্তে ১৮ টি মন্ত্র রয়েছে| বিস্তারিত জানতে হলে ১ম থেকে পড়ে আসতে হবে এখানে পুরো মন্ত্রটা না দিয়ে অর্ধেক মন্ত্র ব্যবহার করেছে।

     

    এখানে উর্বশী  বলছে

     

    "যে সকল নারী শারীরিক আকর্ষনের দ্বারা তোমার বন্ধুত্ব করতে চায় তারা ধূর্ত শকুন স্বরুপ।তাদেরকে এড়িয়ে চল,ভূলেও রাজ্যের গোপন তথ্য তাদের বলোনা যাতে বিপদ ঘটতে পারে।"

     

    আপনার ২য় (দ্বিতীয়) পয়েন্ট:

     

    নারীরা শক্তিহীন তারা কোন সম্পত্তি পাবে না। রেফারেন্স দিলেন যজুর্বেদ ৬:৫:৮:২। বুঝতে পারলাম আপনি বেদে কখনো পড়েননি হোক সেটা মিশনারীদের ভুল অনুবাদ কিংবা বিশুদ্ধ অনুবাদ যদি পড়তেন তাহলে এমন অদ্ভুদ রেফারেন্স দিতেন না।  যজুর্বেদে মোট ৪০ টা অধ্যায় আছে এবং প্রতি অধ্যায়ে অনক মন্ত্র আছে রেফরেন্স হবে এমন ১.৫ অর্থাত ১ম অধ্যায়ের ৫ নং মন্ত্র। যা হোক ভাবলাম ৬:৫:৮:২ হয়ত ৬:৫ এবং ৮:২ হবে কিন্তু মন্ত্র গুলো চেক করে বুঝলাম আপনার রেফারেন্স ভুল। যা হোক এখানে আমি ৬:৫ মন্ত্রটা তুলে ধরলাম

     

    Men of courage and divine knowledge,the Veda,always have a vision of that highest glory of Vishnu manifested everywhere and blazing like the light of the sun in heaven,which you too should see.

     

    আপনার ৩য় পয়েন্ট:হিন্দু ধর্মে তালাকের নিয়ম নাই কোন রেফারেন্স দিলেন না যা হোক অমি দিচ্ছি বেদে তালাক সম্পর্কে

     

    ঋগ্বেদ ১০.১০.১০ :যদি স্ত্রীর স্বামী  সন্তান জন্মদানে অক্ষম হয় তাহলে সেই নারী  সন্তান লাভের আশায় তাহার স্বামীকে ত্যাগ(Divorce)করে অন্য পুরুষকে নিজের পতিরুপে(Mirrage)গ্রহন করতে পারবে।

     

    এছাড়াও অরো মন্ত্র আছে যেমন স্বমী  জুয়া-নেশাতে অভ্যস্ত হলে তাহার পত্নী  চাইলে তাহাকে ত্যাগ করতে পারবে।

     

    এছাড়াও মনুসংহিতা(বিশুদ্ধ) তে ৫-৬ টা কারন বর্নিত আছে তালাকের।

     

    আপনার ৪র্থ(চতুর্থ) পয়েন্ট:বিধাবা নারীর বিয়ে এবং সতীদাহ প্রথা

     

    আসনি দেখি বেদে বিধাব বিয়ে নিয়ে কি বলা আছে

     

    ঋগ্বেদ ১০.১৮.৭-৮

     

    ইয়ং নারী পতি লোকং বৃণানা নিপদ্যত উপত্ব্য মর্ন্ত্য প্রেতম্।
    ধর্মং পুরাণমনু পালয়ন্তী তস্ম্যৈ প্রজাং দ্রবিণং চেহ ধেহি।।

    মর্ত্য-হে মনুষ্য,ইয়ং নারী-এই স্ত্রী,পতিলোকম- পতিলোককে অর্থাত্‍ বৈবাহিক অবস্থাকে,বৃণনা- কামনা করিয়া,প্রেতম-মৃ ত পতির,অনু-পরে,উপ ত্বা-তোমার নিকট,নিপদ্যতে-আ সিতেছে,পুরাণম-স নাতন,ধর্ম্মম-ধর্মকে,পালয়ন্তী-পালন করিয়া,তস্য-তাহার জন্য,ইহ-এই লোকে,প্রজাম্-সন্তানকে,দ্রবিণং- এবং ধনকে,ধেহি-ধারন করাও

    অর্থাত্‍,হে মনুষ্য!এই স্ত্রী পুনর্বিবাহের আকাঙ্খা করিয়া মৃত পতির পরে তোমার নিকট আসিয়াছে।সে সনাতন ধর্মকে পালন করিয়া যাতে সন্তানাদি এবং সুখভোগ করতে পারে।

    এই বিষয়ে একই ভাবে তৈত্তিরীয় আরন্যক ৬.১.৩ এ বলা হয়েছে-

    ইয়ং নারী পতিলোকং বৃণানা নিপদ্যত উপত্বা মর্ত্য প্রেতম।
    বিশ্বং পুরাণ মনু পালয়ন্তী তস্যৈ প্রজাং দ্রবিণং চেহ ধেহি।।

    অর্থাত্‍,হে মনুষ্য!মৃত পতির এই স্ত্রী তোমার ভার্যা।সে পতিগৃহ সুখের কামনা করিয়া মৃত পতির পরে তোমাকে প্রাপ্ত হইয়াছে।কিরুপ ভাবে?অনাদি কাল হইতে সম্পূর্ন স্ত্রী ধর্মকে পালন করিয়া।সেই পত্নীকে তুমি সন্তানাদি এবং ধনসম্পত্তি সহ সুখ নিশ্চিত কর।

    পরের মন্ত্রটি দেখি,
    অথর্ববেদ ১৮.৩.২(এই মন্ত্রটি ঋগবেদ ১০.১৮.৮ এ ও আছে)

    উদীষর্ব নার্ষ্যভি জীবলোকংগতাসুমেতমুপশেষ এহি।
    হস্তাগ্রাভস্য দিধিষোস্তবেদং পত্যুর্জনিত্বমভি সংবভূব।।

    নারী-হে স্ত্রী!তুমি,এতত্‍ গতাসুম্-এই গতপ্রান পতির ,উপশেষে-শয়ন করিয়া আছ(মায়া ধরে আছ),জীবলোকং অভি উদীর্থ-(মায়া ত্যগ করে)বাস্তবতায় ফিরে এস(জীবলোকে),তব- তোমার,হস্তগ্রাভস্য দিধিষোঃ-পাণিগ্রহনকারী,পত্যুঃ-পতির সঙ্গে,ইদং জনিত্বম-আবার পত্নীত্ব,অভি সংবভুব-সৃষ্টি হল

    অর্থাত্‍,হে নারী!মৃত পতির শোকে অচল হয়ে লাভ কি?বাস্তবজীবনে ফিরে এস।পুনরায় তোমার পাণিগ্রহনকারী পতির সাথে তোমার আবার পত্নীত্ব তৈরী হবে।

    সায়নভাষ্যে এই মন্ত্রের অর্থ দেখা যায় এরকম-
    "হে মৃতপতীর পত্নী!জীবিত পুত্রপৌত্রের লোক অর্থাত্‍গৃ হের কামনা করে শোক ত্যগ কর।মৃত পতির মায়া ত্যগ কর।তোমার পাণিগ্রহনকারী পতির স্ত্রী হইবার ইচ্ছায় তুমি নিশ্চিতরুপে অনুসরন কর।

    প্রায় একইভাবে তৈত্তিরীয় আরন্যক এ বলা হয়েছে ৬.১.১৪ তে,

    "হে নারী!তুমি এই মৃতপতির মায়ায় আবদ্ধ হয়ে আছ।এই মায়াত্যগ কর।পুনরায় পতি কামনা কর এবং পাণিগ্রহনকারী বিবাহের অভিশাষী এই পতিকে জায়াত্বের সহিত প্রাপ্ত হও"

     

    সমস্ত বেদের কোথাও সতীদাহ প্রথার কোন বর্ননা নেই। এই কুপ্রথা কিছু ভন্ড ধর্ম  ব্যবসায়ীদের দ্বারা তৈরী এক জঘন্য প্রথা যা তাদের নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য তৈরী করা হয়েছিল। মজার বিষয় হল উপর দেয়া ২টি মন্ত্রে (ঋগ্বেদ ১০.১৮.৭-৮ এবং অথববেদ ১৮.৩.১-২) কিছু ভন্ড মুসলিম পন্ডিত দাবী করে যে ওগুলোতে নাকী সতীদাহ প্রথার কথা বলা হয়েছে কিন্তু মন্ত্র বিশ্লেষনে দেখা গেল ওগুলো নারীর পুনরায় বিয়ের ব্যাপরে বলছে।

     

    এখন অসি আপনার ৬ নম্বর পয়েন্টে (৫ নং পয়েন্টে হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে কিছু বলা হয় নি)। নারী এবং শুদ্রদের বেদ পড়ার অধিকার নেই যদিও কোন রেফারেন্স দেন নি যা হোক যজুর্বেদ এর ২৬.২ তে বলা হয়েছে বেদ পাঠে সবার সমঅধিকার আছে।অমি এখানে ইঙরেজী অনুবাদটা দিলাম:

     

    Just as this blessed word of the Veda I speak for the people,all without exception,Brhmana,Ksthrya,Shudra,Vaishya,master and servant,one’s own and others,so do you too.

     

    উল্লেখ্য ব্রাম্মন,ক্ষত্রিয়,বৈশ্য,শুদ্র প্রভৃতি মনুষের কর্ম অনুযায়ী  বর্ন। যেমন শিক্ষক হচ্ছে ব্রম্মণ,পুলিশ,সেনাবাহীনি প্রভৃতি হচ্ছে ক্ষত্রিয় ইত্যাদি এ বিষয়ে বিস্তারিত বর্ননা করতে পারি কিন্তু এখানে আমি মূল বিষয়ের উত্তরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলাম। 

     

    পয়েন্ট ৭,৮,৯  এ শেষে আসি কারন এটা হিন্দু ধর্মের সবথেকে সমালোচক গ্রন্হ কারন এটা ধর্ম ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে বিকৃত হয়েছে। যা হোক মনুসংহিতায় নারী এবং প্রকৃত মনুসংহিতা নিয়ে বিস্তারিত বাকি পয়েন্টের উত্তর দেবার পর বলছি।

     

    এথন আসি আপনার ১০ নং পয়েন্টে:এখনে বলেছেন নারীদের কোন বুদ্ধিমত্তা নেই ঋগ্বেদ ৮:৩৩:১৭

     

    আসুন দেখি আসলে এখানে কি বলা হয়েছে:

     

    ইন্দ্রাশ্চিত্‍ ঘা তদব্রভিত
    স্ত্রীয় অসস্যম মনঃ।
    উতো অহ ক্রতুং রঘুম।

    অনুবাদ-"নারীদের অবদমিত করা যায়না,তাদের বুদ্ধিমত্তা অপর্যাপ্ত ও গতিময়।"

    এই মন্ত্রে অসস্যম শব্দের অর্থ 'যাকে দমিয়ে রাখা যায়না' যাকে ভন্ডর এর অর্থ বিকৃত করে বলেছে 'যাকে শেখানো যায়না।'আর অপর্যাপ্ত শব্দের অর্থ অপরিমেয় যা গীতার প্রথম অধ্যায়ের দশম শ্লোকেও দেয়া হয়েছে।

     

    ১১ নং পয়েন্ট:হিন্দু ধর্মে যৌতুক প্রথা। আমার কাছে এই দাবীটি সবথেকে হাস্যকর লেগেছে কারন হিন্দুধর্ম ই একমাত্র ধর্ম যা সরাসরি যৌতুক এর বিরুদ্ধে বলেছে।একমাত্র বৈদিক শাস্ত্র ই নারীদেরকে পুরুষের সমান আসনে অধিষ্ঠিত করেছে।বিবাহের সময় কন্যার পিতা বরপক্ষকে নয় বরং বরপক্ষ ই সম্মানপূর্ব কন্যাকে ধন দ্বারা আদৃত করবেন।

    মনুসংহিতা ৩.৫৪

    যাসাং নাদদতে শুলকং জ্ঞাতয়ো ন স বিক্রয়ঃ।
    অর্হণং তত্‍ কুমারীণামানৃশংস্যঞ্চ কেবলম্।।

    কন্যার পিতা প্রভৃতি আত্মীয়সজন যেখানে কন্যাকে বরপক্ষপ্রদত্ত ধন গ্রহন করে না,সেখানে অপত্ত ত্যগ হয় না।কন্যাকে সম্মানপ্রদানপূর্বক বরপক্ষকে কন্যার পিতার
    নিকট এই ধন প্রদান করতে হয়।

    মনুসংহিতা ৩.৫৫
    পিতৃভির্ভ্রাতৃভিশ্চৈতাঃ পতিভির্দেবরৈস্তথা।
    পূজ্যা ভূষয়িতব্যশ্চ বহুকল্যাণমীপ্সুভিঃ।।

    তবে বিবাহকালে বরই শুধু কন্যাপক্ষকে কন্যার প্রতি সম্মানপূর্বক ধন দেবেন এমন নয়।বিবাহোত্তর কালে কন্যার পিতা,ভ্রাতা ইত্যাদি যদি কন্যার সুখের জন্য কিছু দান করতে অভিলাষী হন,সেক্ষেত্রে বর কনেকে নিমন্ত্রনপূর্বক ভোজনাদি বা কন্যাকে বস্ত্রালঙ্কারাদি দ্বারা ভূষিত করবে।

    অথর্ববেদ ১৪.১.৬ এ বলা হয়েছে,
    " মেয়েকে বিয়ের সময়ে অর্থসম্পত্তির যৌতুক দিওনা, তাকে জ্ঞান সম্পদের যৌতুক দান কর(সুশিক্ষিত করে বিয়ে দাও)।"

     

    পয়েন্ট ১২ :শুধুমাত্র নারীদের দৃষ্টি নত করতে বলা হয়েছে ঋগ্বেদ ৮.৩৩.১৯।

    মন্ত্রটা কি বিষয়ে সেটা বুঝতে হলে ১৭-১৯ পর্যন্ত পড়া উচিত যা হোক আমি লেখা এত দীর্ঘ না কওে শূধূমাত্র ১৯ নং মন্ত্রটাই দিলাম

     

    চলুন দেখি উক্ত মন্ত্রে কি বলছে:

     

    O man and woman:Keep your eyes down on the earth,not up on the sky,Walk on with both the feet together (as the two wheels and the two horses draw the chariot together),Let your feet be not bare and exposed (cover them).Let woman be the high priest of the home yajana.

     

     

     

    মনু সংস্থিতায় নারী

    বৈদ্যিক সনাতন ধর্মে যতগুলি শাস্ত্রীয় গ্রন্থ আছে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বিতর্কিত হলো মনু স্মৃতি। এর কারন বিবিধ তবে সারমর্মে বলা যায় তথাকথিত ধর্ম ব্যাবসায়ী ও যবনদের দ্বারা বিকৃত ও স্বার্থসিদ্ধির জন্য নিজের মত করে অপব্যাখ্যা সৃষ্টি করাই এর প্রধান কারন। সেই সত্য আমি আমার পরবর্তীতে প্রতিটি লেখাতে তুলে ধরার চেষ্টা করবো প্রকৃত মনু স্মৃতির আলোকে। আজ আলোচনা করবো নারী সম্পর্কে মনু স্মৃতির ভাবনা। অনেক অপপ্রচার কথিত আছে যে মনু ছিলেন নারী বিদ্বেষী এবং বিভিন্ন ভাবে নারীদের হেয় করেছেন। তাহলে আমরা দেখে নেই কিভাবে মিথ্যা ভণ্ড প্রচারকরা মনু স্মৃতিকে হেয় করেছে।

    যদি আমরা প্রকৃত অবিকৃত মনু স্মৃতি পর্যালোচনা করি তাহলে যে কেউই গর্বের সাথে বলতে পারবে যে পৃথিবীর অন্য যে কোন ধর্মীয় শাস্ত্রের চাইতে (অবশ্যই বেদের পরে) মনু স্মৃতিতে নারীকে অধিকতর উঁচু মর্যাদা দিয়েছে। এমনকি আধুনিক যুগে নারীবাদীদের গ্রন্থগুলোকে পুনঃ সংকলন করার প্রয়োজন পরে যাবে মনু স্মৃতির সমকক্ষ হওয়ার জন্য।

    মনু স্মৃতিতে দ্বের্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করে যে নারী সমাজের কল্যানের ভিত্তি গড়ে দেয়।

    ৩.৫৬ যে সমাজ নারীকে সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে সে সমাজ মর্যাদা ও সমৃদ্ধি বৃদ্ধি লাভ করবে। এবং যে সমাজ নারীকে এই রূপ উঁচু স্তম্ভমূলে আসন দেয়নি সে সমাজ যতই উদার ও মহান কর্ম করুক না কেন সে সমাজকে দুঃখ, দূর্দশা ও ব্যার্থতার সম্মুখীন হতেই হবে।

    এটা নারীজাতির জন্য তোষামোদি কোন বক্তব্য নয়। এটা চিরন্তন সত্য আর এই সত্য তাদের জন্য কঠোর ও ঝাঁঝালো হবে যারা নারীদের হেয় প্রতিপন্ন করে। কিন্তু যারা মাতৃ শক্তিকে স্তুতি করে, গুন কীর্তিন করে, পূজা করে তাদের জন্য তা সুমিষ্ট অমৃত। প্রকৃতির এই নিয়ম প্রতিটি পরিবার, সমাজ, সম্প্রদায়, দেশ, জাতি অথবা পুরো মানব সমাজের জন্য প্রযোজ্য।

    আমাদের প্রচুর ধন সম্পত্তি, শক্তি, সামর্থ থাকা সত্ত্বেও আমরা দাসে পরিণত হব যদি আমরা মহা ঋষির এই উপদেশকে উপেক্ষা করি। শত্রুদের আক্রমণের পরে শতাব্দীর পর শতাব্দী তাঁর উপদেশ আমরা অমান্য করেছি এবং সেজন্য আমাদের অবস্থা মন্দ থেকে মন্দতর হয়েছিল। উনিশ শতকের শেষে এসে আমরা বৈদিক বার্তাটিকে গভীর ভাবে চিন্তা করতে শুরু করি এবং সেই কারনে আমরা অবস্থার কিছুটা উন্নতি দেখতে পারছি। সেজন্য রাজা রাম মোহন রায়, ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগর, এবং স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর মত সমাজ সংস্কারকদের তাদের প্রচেষ্টার জন্য আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ ও প্রণাম জানাই।

    আজও অনেক রক্ষণশীল ইসলামিক রাষ্ট্রগুলোতে নারীদের অর্ধ বুদ্ধিদীপ্ত সম্পন্ন এবং পুরুষের সম অধিকার পাওয়ার অযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করে। সেজন্য সে রাষ্ট্রগুলো নরকের চাইতেও অধিক দূর্দশাগ্রস্থ। অতীতে ইউরোপেও যুগের পর যুগ নারী সম্পর্কিত হাস্যকর ও ক্ষতিকারক বাইবেলীয় মতবাদ অনুসরণ করেছিল এবং সেজন্যই পৃথিবীর সব চেয়ে কুসংস্কারপূর্ন স্থান গুলোর মধ্যে ইউরোপ ছিল। পরবর্তীতে অবস্থার পরিবর্তন ঘটে এবং কঠোর ভাবে বাইবেলকে থামানো হয় সেজন্য ধন্যবাদ সংস্কার যুগকে। এর ফল স্বরূপ দ্রুত অগ্রসর হতে পেরেছিল তারা। কিন্তু এখন নারী বলতে সেই ধরা বাঁধা ভোগের সামগ্রী ইন্দ্রিয় সুখের উপকরণ হিসেবে দেখা হয় সম্মানপূর্ন মাতৃ শক্তি রূপে দেখা হয় না। এবং সেজন্য বৈষয়িক বিষয়ে তারা অনেক অধিকতর ও ব্যাপক উন্নতি লাভ করার পরেও পশ্চিমা বিশ্ব আজ অনিরাপত্তা এবং মনের শান্তির অভাব দ্বারা আক্রান্ত।

    আসুন মনু স্মৃতির আরও কিছু শ্লোক পর্যালোচনা করি এবং আমাদের সমাজে সেগুলোকে প্রয়োগ করার উদ্যোগ নেইঃ

    সুখী নারীর গুরুত্বঃ

    ৩.৫৫ পিতা, ভ্রাতা, স্বামী অবশ্যই তাদের কন্যা, ভগ্নি, স্ত্রী অথবা পরিবারের অন্যন্যা নারী সদস্যকে সুখে শান্তিতে রাখবে এবং মিষ্ট বাক্য, সম্মানসূচক আচরণ, উপহার ইত্যাদির মাধ্যমে তাদের খুশী করবে। যারা পরিবারের সমৃদ্ধি ও সুখ শান্তি প্রত্যাশী তাদেরকে অবশ্যই পরিবারের নারী সদস্যদের সুখ শান্তি নিশ্চিত করতে হবে এবং তারা যেন কোন দুঃখ দুর্দশাগ্রস্থের মুখোমুখি না হয়।

    ৩.৫৭ যে পরিবারে পুরুষের অপকর্মের জন্য নারীরা অসুখী হয় সেই পরিবার ধ্বংস হয়ে যেতে বাধ্য। এবং যে পরিবারে নারী সদস্যরা সুখী সে পরিবারের সবর্দা সুখ ও সমৃদ্ধি হতে বাধ্য।

    ৩.৫৮ একটি পরিবারে যেখানে নারী সদস্যদের অপমান অথবা অধিকার বঞ্চিত করা হয় এবং তারা পুরুষ সদস্যদের উপর অভিসম্পাত করে সেই পরিবার ধ্বংস হতে বাধ্য ঠিক যেমন করে বিষ মিশ্রিত খাদ্য এর ভক্ষনকারীকে মেরে ফেলে ঠিক সেই ভাবে।

    ৩.৫৯ যে গৌরব কামনা করে তাকে অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যে তার পরিবারে সে সকল নারী সদস্যদের শ্রদ্ধার আসনে রেখেছে এবং গহনা, গুনগত পোষাক, সুখাদ্য দ্বারা তাদের সুখী ও আনন্দে রাখতে পেরেছে। যেকোনো পরিস্থিতিতে নারীদের সর্দা সম্মান প্রদর্শন করতে হবে।

    ৩.৬২ যে ব্যাক্তি তার স্ত্রীকে সুখী রাখতে পারে না সে পুরো পরিবারের জন্য দুঃখ দুর্দশার কারন হয়। এবং যদি স্ত্রী সুখী থাকে তাহলে পুরো পরিবার সুখী পরিবার রূপে আবির্ভূত হয়।

    ৯.২৬ নারী পরবর্তী প্রজন্মকে জন্ম দেয়। তারা ঘরকে আলোকিত করে। তারা সৌভাগ্য ও পরম সুখ বয়ে আনে। সেজন্য নারীকুল সুখ সমৃদ্ধির সমার্থক।

    এই শ্লোকের উপর ভিত্তি করেই বলা হয় যে নারী হচ্ছে ঘরের লক্ষী অর্থাৎ ঘরের সৌভাগ্যের দেবী। তা আজও পর্যন্ত মানা হয়।

    ৯.২৮ নারী হচ্ছে সকল যুগের সকল প্রকার সুখের মূল উৎস- সেটা হতে পারে শিশু জন্মদানের মাধ্যমে অথবা কোন মহৎ উদার কর্মের মাধ্যমে অথবা দাম্পত্য সুখের মধ্যে দিয়ে অথবা বড় বয়োজেষ্ঠ্যদের সেবার মধ্য দিয়ে।

    কথাটা অন্যভাবে বলা যায় যে নারী হচ্ছে সকল সুখের মূল কখন মা হিসেবে, কখনো কন্যা, কখনো স্ত্রী আবার কখনো আধ্যাত্মিক তপস্যার সঙ্গিনী হিসেবে। তার মানে হচ্ছে যে কোন ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক কর্মে নারীদের অংশ গ্রহন অবশ্যিক।

    ৯.৯৬ নারী ও পুরুষের একে অপরের বিনা অসম্পূর্ন। তাই প্রাথমিক ধর্মীয় দ্বায়িত পালনে উভয়কেই অংশ গ্রহন করতে হবে।

    তাই যারা নারীদের বেদ অথবা বৈদিক যজ্ঞ পালনে নারীদের দূরে রাখে তারা সনাতন ও মানবতা বিরোধী।

    ৪.১৮০ যিনি জ্ঞানী ও বিচক্ষণ ব্যাক্তি তিনি কখনই মা, কন্যা এবং স্ত্রী সহ পরিবারের কোন সদস্যদের সাথে লড়াই ও ঝগড়া করবে না।

    ৯.৪ যে পিতা তার কন্যাকে সুপাত্রে পাত্রস্থ করতে ব্যার্থ হবে সে নিন্দার যোগ্য। যে স্বামী তার স্ত্রী নূন্যতম চাহিদা পূরণ করবে না সে নিন্দার যোগ্য। যে পুত্র তার বিধবা মায়ের সেবা করবে না সে নিন্দার যোগ্য।

    বহু বিবাহ হচ্ছে পাপঃ

    ৯.১০১ স্বামী ও স্ত্রীকে মৃত্যু অবধি এক সঙ্গে থাকা উচিত। তারা অন্য সঙ্গীর সান্নিধ্য লাভের আকাঙ্ক্ষা করবে না এবং কোন অসদাচার যৌনাচার করবে না। সার কথা হচ্ছে এটাই মানব জাতির ধর্ম।

    তাই যে সকল সমাজ ও সম্প্রদায় বহু বিবাহ, যৌনদাসী এবং খন্ড কালীন ( temporary marriage) বিবাহকে সমর্থন করে তারা দুঃখ দূর্দশায় জর্জরিত হবেই কারন তারা ধর্মের অন্তঃসার মতবাদকে উপেক্ষা করেছে, অস্বীকার করেছে, অসমর্থন করেছে।

    নারীর স্বায়ত্তশাসনের অধিকারঃ

    ৯.১১ অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায়, স্বাস্থ্যবিধি ব্যবস্থাপনায়, আধ্যাত্মিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন, পুষ্টি এবং গৃহের সকল প্রকার ব্যবস্থাপনায় নারীদের স্বায়ত্তশাসন ও কর্তৃত্ব প্রদান করতে হবে।

    এই শ্লোকের মধ্য দিয়ে একটি বিষয় পরিষ্কার হয়ে গেছে যে যারা মনে করত যে কোন বৈদিক ধর্মকর্ম নারীরা করতে পারবে না তা্রা সম্পূর্ণ ভুল ও মিথ্যা ধারণা পোষণ কারী। উপরন্তু নারী পুরুষ উভয়কেই এই ধর্মীয়নুষ্ঠান পালন করতে হবে। তাই যারা দাবী করে অথবা পরামর্শ দেয় যে নারীদের বেদ অধ্যায়ন ও চর্চা করার অধিকার নেই তারা মনু ও বেদ বিরোধী। এই ধরনের অন্ধ গোঁড়ারা জাতীর দুঃখ দূর্দশার কারন। তাই আমরা এই ধরনের মনোভাবকে কখনোই প্রশয় দেব না যা নারীদের হেয় করে।

    ৯.১২ পুরুষদের দ্বারা ( পিতা, স্বামী, পুত্র) নারীকে গৃহে আবদ্ধ করে রাখা হলেও সে সুরক্ষিত নয়। নারীদের আবদ্ধ করে রাখা হচ্ছে বৃথা নিরর্থক। নারীদের নিরাপত্তা শুধুমাত্র তার নিজের ক্ষমতা এবং মনোভাবের মধ্য দিয়ে আসে।

    এই শ্লোকে ব্যাখ্যা করেছে যে সুরক্ষা ও নিরাপত্তার জন্য নারীদের গৃহে বন্দী করে রাখার প্রচেষ্টা বৃথা, অনর্থক এবং অসমর্থন যোগ্য। বরং তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য তাকে যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদান করতে হবে যাতে সে নিজেকে রক্ষা করতে পারে এবং অসৎ সঙ্গ দ্বারা ভ্রান্ত হওয়াকে (Mislead) উপেক্ষা বা এড়িয়ে যেতে পারে। তাই ছোট্ট গৃহে নারীকুলকে আবদ্ধ করে রাখার প্রচলিত ধারণা হচ্ছে মনু স্মৃতি বিরোধী।

    নারীর নিরাপত্তাঃ

    ৯.৬ এমনকি দূর্বল স্বামীকেও তার স্ত্রীকে রক্ষা করার চেষ্টা করতে হবে।

    ৯.৫ নারী সর্বদা সকল প্রকার অসচ্চরিত্রতা, অনৈতিকতা থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখবে। কারন নারী যখন চরিত্র হারায় তখন পুরো সমাজ ধ্বংস হয়ে যায়।

    ৫.১৪৯ একজন নারীকে সর্বদা নিশ্চিত হতে হবে যে সে নিরাপদে আছে। তাকে সুরক্ষা ও নিরাপত্তা প্রদান করার দ্বায়িত তার পিতা, স্বামী ও পুত্রের উপর বর্তায়।

    লক্ষ্য করে দেখুন এখানে নিরাপত্তা বলতে কিন্তু বন্দী বা চার দেয়ালের মাঝে আবদ্ধ করে রাখার কথা বলা হচ্ছে না। ৯.১২ শ্লোকে বিষয়টি আরও স্পষ্ট করে ইংগিত দিয়েছে। যে সমাজ লম্পট, দুষ্কৃতিকারীদের হাত থাকে তাদের নারীকূলকে রক্ষা পারে না তারা নিজের হাতে তাদের ধ্বংস হয়ে যাবার নির্মম ভাগ্য রচনা করছে।

    এই অনুপ্রেরণার ফলে অনেক অনেক সাহসী যোদ্ধা পশ্চিমা ও আরবের বর্বরদের হাত থেকে তাদের নারীকে রক্ষা করতে গিয়ে নিজের জীবন দিয়েছিল। আলহা উদাল ও বীর যোদ্ধা মহারানা প্রতাপের আত্মত্যাগ আমাদের রক্তে আজও গৌরব ও অহংকারের ফিনকি বয়ে আনে।

    এটা আমাদের জন্য লজ্জার বিষয় যে আমাদের গৌরবের এমন ইতিহাসের ভিত্তি থাকা সত্ত্বেও আমাদের নারীরা চার দেয়ালের মাঝে অত্যাচারিত হয় নয়ত লম্পটের লালসার স্বীকার হয়। আমরা যদি আমাদের মা বোনদের সম্ভ্রম রক্ষার দ্বায়িত নেবার পরিবর্তে আমরাই যদি নারীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ি অথবা আক্রমণ কারীদের প্রতিহত না করি তাহলে আমাদের কে সাহায্য করতে আসবে!

    ৯.৯৮ কোন অযোগ্য ব্যক্তির কাছে জোর পূর্বক বিবাহ না দিয়ে বরং কন্যাকে অবিবাহিত রাখাই শ্রেয়।

    ৯.৯০-৯১ প্রাপ্ত বয়স্ক হবার পরে নারী তার নিজের জীবন সঙ্গী নিজে পছন্দ করে বেছে নিতে পারবে। যদি তার পিতা মাতা তার জন্য যোগ্য পাত্র সন্ধানে ব্যার্থ হয় তাহলে সে নিজেই নিজের পাত্র বেছে নেবে।

    তাই কন্যার জীবন সঙ্গী নির্ধারন করবে তার পিতামাতা এই ধারণা মনু বিরুদ্ধ, একজন প্রাপ্ত বয়স্ক নারীর পূর্ন অধিকার রয়েছে তার জীবন সঙ্গী বেছে নেবার। পিতামাতা বিবাহের সহায়ক ভূমিকা পালন করবে কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্তকারী নয়।

    নারীর সম্পত্তির আধিকারঃ

    ৯.১৩০ একজন কন্যা একজন পুত্রের সমতুল্য। তার বর্তমানে কিভাবে সম্পত্তির উপর তার অধিকার কেউ ছিনিয়ে নিতে পারে।

    ৯.১৩১ মায়ের ব্যক্তিগত সম্পত্তির উপর কেবল শুধুমাত্র কন্যারই অধিকার আছে।

    তাহলে দেখা যাচ্ছে যে মনুর মতে একজন কন্যার পিতার সম্পত্তির উপর তার ভাইয়ের মত সমান অধিকার আছে এবং তার মায়ের সম্পত্তির উপর শুধুমাত্র তারই অধিকার আছে অন্য কারো নয়। নারীর প্রতি এই বিশেষ ব্যাবস্থার কারন হচ্ছে যাতে করে নারী কোন অবস্থায় অন্যের উপর নির্ভর করতে না হয়। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে সুখী আলোকিত নারীকুলই সুখী সমাজের ভিত্তি গড়ে দেয়।

    ৯.২১২-২১৩ যদি কোন ব্যাক্তির স্ত্রী অথবা সন্তান না থাকে তাহলে তার সম্পত্তি তার ভাই-বোনদের মাঝে সমান ভাগে ভাগ করে দেবে। যদি জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা তার ভাই বোনদের মাঝে প্রাপ্য অংশ প্রদান করতে অস্বীকৃত জানায় তাহলে আইন অনুযায়ী সে শাস্তি পাওয়ার যোগ্য।

    নারীর সুরক্ষা বিধান নিশ্চিত করার জন্য মনু আরও কঠোরতর শাস্তি বিধানের পরামর্শ দিয়েছেন তাদের উপর যারা নারীর সম্পত্তি হনন করার চেষ্টা করবে , এমনিকি সে তাহার নিকট আত্নীয় হলেও তাকে শাস্তির আওতায় আনা হবে।

    ৮.২৮-২৯ যদি কোন নারী একা হয় কারন তার কোন সন্তান নেই অথবা তার পরিবারে কোন পুরুষ সদস্য নেই যে তাকে রক্ষা করবে অথবা সে বিধবা অথবা তার স্বামী বিদেশ গমন করেছে অথবা সে অসুস্থ, সেক্ষেত্রে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দ্বায়িত সরকার ও রাষ্ট্রের। যদি তার সম্পত্তি তার আত্মীয় বা বন্ধু হরন করে তাহলে সরকার দোষীদের কঠোর থেকে কঠোরতর শাস্তি প্রদান করবে এবং তার সম্পত্তি পুনুরুদ্ধার করে তাকে ফিরেয়ে দেবে।

    নিষিদ্ধ পণ প্রথাঃ

    ৩.৫২ যে আত্মীয়সকল নারী অথবা তার পরিবারের ধন সম্পত্তি, জায়গা জমি, যান বাহন অথবা পোশাক পরিচ্ছদ ছিনিয়ে নেয় বা দখল করে তারা হচ্ছে অতিশয় বন্য প্রকৃতির মানুষ। ( বন্য প্রাণী বলতে আমরা ইতর শ্রেণীকেই বুঝি)

    এইভাবেই মনুর পরামর্শ অনুযায়ী যেকোনো ধরনের পণের প্রতি তীব্রভাবে না না সূচক বলা হয়েছে। তাই কেউ যেন নারীর ধন সম্পত্তি গ্রাস করার সাহস না করে।
    ঠিক পরে শ্লোকে এই ধারণাটিকে আরও গভীরতর ভাবে প্রকাশ করেছে যে এমনকি শরীরী যে কোন বস্তুর (Tangible items) সামান্যতম বিনিময় ক্রয়/বিক্রয় বলে গণ্য হবে এবং যা আর্দশ বিবাহের নৈতিক বিরুদ্ধ। এখানে মনু পন/যৌতুক নিয়ে বিয়ে করাকে অসুরী বিবাহ বলে উল্লেখ করেছে। (অসুরী বিবাহ হচ্ছে নিকৃষ্টতম বিবাহ)

    নারী ক্ষতিসাধন করা হলে কঠোর শাস্তিঃ

    ৮.৩২৩ যারা নারী অপহরণ করবে তাদেরকে মৃত্যু দণ্ডে দণ্ডিত করতে হবে।

    ৯.২৩২ যারা নারী, শিশু অথবা জ্ঞানী তপস্যিদের হত্যা করবে তাদের কঠিনতম শাস্তি প্রদান করতে হবে।

    ৮.৩৫২ যারা নারী ধর্ষন অথবা উৎপীড়ন করবে অথবা যৌন হয়রানি করবে তাদেরকে কঠোরতম শাস্তি দিতে হবে যা দেখে অন্যদের মাঝে ভয় জন্মাবে এবং এমন অপরাধ করার চিন্তাও করবে না।

    বর্তমানে ভারতের বিচার বিভাগ আশংকা জনক ভাবে বর্ধিত ধর্ষনের হার প্রতিরোধে সব চেয়ে উপযুক্ত শাস্তি হিসেবে খোজাকরনের পরামার্শ দিয়েছে। Refer http://timesofindia.indiatimes.com/india/Castrate-child-rapists-Delhi-judge-suggests/articleshow/8130553.cms

    আমরা এই রকম আইনের সমর্থন করি।

    ৮.২৭৫ যদি কেউ মা, স্ত্রী অথবা কন্যার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনে তাহলে তাকে শাস্তি প্রদান করতে হবে।

    ৮.৩৮৯ যারা কোন যুক্তি সঙ্গত কারন ছাড়াই তাদের মা, বাবা, স্ত্রী ও সন্তানদের পরিত্যাগ করে তাহলে কঠোর শাস্তি প্রদান করতে হবে।

    নারী সর্বাগ্রে ( Ladies First)

    সবার আগে নারী বা Ladies First এই ধারণা মনু স্মৃতি থেকেই এসেছে।

    ২.১৩৮ কোন যানবাহনে এক জন পুরুষ বৃদ্ধ মানুষ, অসুস্থ ব্যাক্তি, বোঝা বহনকারী, বর, রাজা, ছাত্র এবং নারীকে তার জায়গা ছেড়ে দিবে।

    ৩.১১৪ নববধু, কন্যা, এবং অন্তঃসত্ত্বা নারীর খাওয়ার পরে কেউ খাদ্য গ্রহন করবে এমনি মেহমানদের আগেও।

    উপরোক্ত এই আলোচনা থেকে এই কথা সুস্পষ্ট যে মনু স্মৃতিতে নারীকে যে সম্মান ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছে তা পৃথিবীর অন্য যে কোন গ্রন্থে (অবশ্যই বেদ বাদে কারন মনুর এই ধারণার উৎসই হলো বেদ) তা অনুপস্থিত। এমনকি তার কাছাকাছিও নেই। আশা করি মনু স্মৃতিকে নিয়ে যে নারী বিদ্বেষী অপবাদ আছে তা এখন থেকে অনেকের মন থেকে ঘুচে যাবে চিরতরে। পাশাপাশি আমি আশা করবো আমরা আমাদের মা, বোন, স্ত্রী, কন্যা, বান্ধবীদের যথাযথ সম্মান ও শ্রদ্ধা করে মাতৃ শক্তির মহিমা নিশ্চিত করার মধ্য দিয়ে সমাজে মঙ্গল বয়ে আনবো।
    References: Works of Dr Surendra Kumar, Pt Gangaprasad Updhyaya, and Swami Dayanand Saraswati

    (Vedas Translation English By Dr.Tulshi Ram and Bengali From Arya Samaj Hindi Translation.)

     

    1. 3.1
      এস. এম. রায়হান

      জানতাম, সদালাপে হিন্দু ধর্ম নিয়ে কিছু বললে আপনাদের আক্রমণাত্মক মন্তব্য আসবেই। আসার দরকারও ছিল। আপনারা তো আশেপাশেই আছেন, তবে বিভিন্ন মোড়কে। সময়মতো মোড়ক থেকে ঠিকই বের হয়ে আসেন।

      ধর্ম প্রচার করা ভাল কিন্তু সেই সাথে অন্য ধর্মের দুর্নাম করা ভন্ডামি। হিন্দু ধর্ম নিয়ে যে মিথ্যাচার করলেন তার প্রত্যেকটি পয়েন্টর উত্তর দেয়া হল।

      ভণ্ড ও মিথ্যুকরাই কেবল প্রমাণ ছাড়া আগ বাড়িয়ে অন্যকে ভণ্ড ও মিথ্যুক বলতে পারে। আমার সুস্পষ্ট অবস্থান সকলেই জানে। হিন্দু ধর্ম বা অন্য যেকোনো ধর্ম নিয়ে ভণ্ডামী বা মিথ্যাচারের প্রশ্নই আসে না। কেউ যদি আমার লেখা থেকে কোনো ভুল বা তথ্যবিভ্রাট ধরিয়ে দিতে পারে সেক্ষেত্রে আমি জোর করে সেটিকে ডিফেন্ড করতে যাব না। তবে এতবড় মন্তব্যের কোথাও আমাকে ভণ্ড বা মিথ্যুক প্রমাণ করতে পারেননি। তার পরিবর্তে আপনিই যে ভণ্ডামী আর মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে নিজ ধর্মকে ডিফেন্ড করার চেষ্টা করেছেন, সে প্রসঙ্গে পরে সময় করে আসছি।

      নোট: আমি বেদ ও মনুসংহিতার স্লোকগুলোর অনলাইন লিঙ্ক দিয়েছি। অন্যদিকে আপনি কোনো অনলাইন লিঙ্ক দেননি। মাইন্ড ইট। অনলাইন লিঙ্ক ছাড়া আমরা যাচাই করব কীভাবে?

    2. 3.2
      এস. এম. রায়হান

      http://www.sacred-texts.com/index.htm হচ্ছে একটি বিখ্যাত সাইট। এই সাইটে সবগুলো ধর্মের ধর্মগ্রন্থগুলোর ইংরেজী অনুবাদ রাখা আছে। আমি এই সাইট থেকেই বেদ ও মনুসংহিতার ইংরেজী অনুবাদের উপর ভিত্তি করে নিজ ভাষায় লিখে স্লোকের রেফারেন্স দিয়েছি। কিন্তু আপনি বলেছেন-

      বুঝতে পারলাম আপনি বেদে কখনো পড়েননি হোক সেটা মিশনারীদের ভুল অনুবাদ কিংবা বিশুদ্ধ অনুবাদ যদি পড়তেন তাহলে এমন অদ্ভুদ রেফারেন্স দিতেন না।

      উপরের সাইটে মিশনারীদের অনুবাদ রাখা হয়েছে কি-না জানা নেই। কিন্তু আপনি যদি এই অনুবাদকে আগেভাবেই 'মিশনারীদের ষড়যন্ত্র' বলেন তাহলে আমার বেশি কিছু বলার আছে বলে মনে হয় না, যেহেতু আমি এই সাইটের অনুবাদের উপর ভিত্তি করেই বেদ ও মনুসংহিতার স্লোকগুলো সম্পর্কে মন্তব্য করেছি। আপনি কিন্তু এখন পর্যন্তও বেদ ও মনুসংহিতার অনলাইন ইংরেজী অনুবাদের কোনো লিঙ্ক দিতে পারেননি।

    3. 3.3
      এস. এম. রায়হান

      সমস্ত বেদের কোথাও সতীদাহ প্রথার কোন বর্ননা নেই। এই কুপ্রথা কিছু ভন্ড ধর্ম  ব্যবসায়ীদের দ্বারা তৈরী এক জঘন্য প্রথা যা তাদের নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য তৈরী করা হয়েছিল। মজার বিষয় হল উপর দেয়া ২টি মন্ত্রে (ঋগ্বেদ ১০.১৮.৭-৮ এবং অথববেদ ১৮.৩.১-২) কিছু ভন্ড মুসলিম পন্ডিত দাবী করে যে ওগুলোতে নাকী সতীদাহ প্রথার কথা বলা হয়েছে কিন্তু মন্ত্র বিশ্লেষনে দেখা গেল ওগুলো নারীর পুনরায় বিয়ের ব্যাপরে বলছে।

      সেই 'ভণ্ড মুসলিম পণ্ডিত'দের নাম-সহ তাদের দাবির পক্ষে রেফারেন্স দেন। বেদে সতীদাহ প্রথা নিয়ে উইকিপিডিয়া কী বলে দেখা যাক-

      Endorsement or prohibition of sati in the Rig Veda?

      Some commentators claim that the Rig Veda sanctions sati, while others claim that it condemns sati. The argument for condoning is based on verse 10.18.7, part of the verses to be used at funerals. Whether they describe sati or something else entirely, is disputed, The hymn is about funeral by burial, and not by cremation. There are differing translations of the passage. The translation below is one of those said to prescribe it.

      इमा नारीरविधवाः सुपत्नीराञ्जनेन सर्पिषा संविशन्तु |
      अनश्रवो.अनमीवाः सुरत्ना आ रोहन्तु जनयोयोनिमग्रे || (RV 10.18.7)

      Let these women, whose husbands are worthy and are living, enter the house with ghee (applied) as collyrium (to their eyes). Let these wives first step into the house, tearless without any affliction and well adorned.[52]

      The text does not mention widowhood, and other translations differ in their translation of the word here rendered as 'pyre' (yoni, literally "seat, abode"; Griffith has "first let the dames go up to where he lieth"). In addition, the following verse, which is unambiguously about widows, contradicts any suggestion of the woman's death; it explicitly states that the widow should return to her house.

      उदीर्ष्व नार्यभि जीवलोकं गतासुमेतमुप शेष एहि |
      हस्तग्राभस्य दिधिषोस्तवेदं पत्युर्जनित्वमभि सम्बभूथ || (RV 10.18.8)

      Rise, come unto the world of life, O woman — come, he is lifeless by whose side thou liest. Wifehood with this thy husband was thy portion, who took thy hand and wooed thee as a lover.[53]

      A reason given for the discrepancy in translation and interpretation of verse 10.18.7, is that one consonant in a word that meant house, yonim agree "foremost to the yoni", was deliberately changed by those who wished claim scriptural justification, to a word that meant fire, yomiagne.[54]

      এখানে কোথাও মুসলিম পণ্ডিতদের কথা উল্লেখ নাই।

    4. 3.4
      এস. এম. রায়হান

      প্রথমে বেদ ও মনুসংহিতার স্লোকগুলো নিয়ে আমার বক্তব্য ও ইংরেজী অনুবাদ (translated by Ralph Griffith) পাশাপাশি তুলে ধরছি। এর পর সময় করে আপনার মন্তব্যের প্রসঙ্গে আসব।

      ১. আমি বলেছি: নারীদের সাথে কোনো স্থায়ী বন্ধুত্ব হতে পারে না। নারীদের হৃদয় হচ্ছে হায়েনাদের হৃদয়। [ঋগ্বেদ ১০:৯৫:১৫]

      ইংরেজী অনুবাদ: Nay, do not die, Purūravas, nor vanish: let not the evil-omened wolves devour thee. With women there can be no lasting friendship: hearts of hyenas are the hearts of women.

      ২. আমি বলেছি: নারীরা শক্তিহীন বা কর্তৃত্বহীন। তারা পৈত্রিক সম্পত্তির কোনো অংশ পাবে না। [যজুর্বেদ ৬:৫:৮:২]

      ইংরেজী অনুবাদ: …women are powerless, have no inheritance, and speak more humbly than even a bad man.

      ৪. আমি বলেছি: বিধবা নারীরা পুনরায় বিয়ে করতে পারবে না। তাদেরকে বরং নিরামিষভোজী ও অত্যন্ত দ্বীনহীনভাবে বাকি জীবন কাটাতে হবে [মনুসংহিতা ৫]

      ইংরেজী অনুবাদ (বিস্তারিত উপরের লিঙ্কে পাওয়া যাবে):

      160. A virtuous wife who after the death of her husband constantly remains chaste, reaches heaven, though she have no son, just like those chaste men.

      161. But a woman who from a desire to have offspring violates her duty towards her (deceased) husband, brings on herself disgrace in this world, and loses her place with her husband (in heaven).

      162. Offspring begotten by another man is here not (considered lawful), nor (does offspring begotten) on another man's wife (belong to the begetter), nor is a second husband anywhere prescribed for virtuous women.

      ৬. আমি বলেছি: নারী ও শূদ্ররা বেদ পড়া বা শোনার উপযুক্ত নয়। [সূত্র]

      ইংরেজী অনুবাদ (উপরের সূত্র দ্রষ্টব্য): “And as women, Sudras and the inferior members of the twice-borne classes were unfitted for hearing the Veda, and were infatuated in desiring the blessings, arising from the ceremonies, the muni, with a vision to their felicity, in his kindness composed the narrative called the Mahabharata.” — [Bhag.Pur. I.4.25 ] [ Muir III,p.42]

      ৭. আমি বলেছি:  শৈশবকালে একজন নারী তার পিতার অধীনে থাকবে, যৌবনে তার স্বামীর অধীনে থাকবে, স্বামী (লর্ড) মারা গেলে তার পুত্রদের অধীনে থাকবে। নারীরা কখনোই স্বাধীন হতে পারবে না। এমনকি তারা স্বাধীন হওয়ার যোগ্যই না। [মনুসংহিতা ৫:১৪৮, ৯:৩]

      ইংরেজী অনুবাদ: In childhood a female must be subject to her father, in youth to her husband, when her lord is dead to her sons; a woman must never be independent. [5:148]

      Her father protects (her) in childhood, her husband protects (her) in youth, and her sons protect (her) in old age; a woman is never fit for independence. [9:3]

      ৮. আমি বলেছি: স্বামীর প্রতি দায়িত্ব লঙ্ঘনের দ্বারা একজন স্ত্রী এই পৃথিবীতে অসম্মানিত হবে, মৃত্যুর পর তার এই পাপের শাস্তিস্বরূপ একটি শিয়ালের গর্ভে বিভিন্ন রোগ দ্বারা নির্যাতিত হতে থাকবে। [মনুসংহিতা ৫:১৬৪]

      ইংরেজী অনুবাদ: By violating her duty towards her husband, a wife is disgraced in this world, (after death) she enters the womb of a jackal, and is tormented by diseases (the punishment of) her sin.

      ৯. আমি বলেছি: একজন স্বামী যতই খারাপ হোক না কেন, তথাপি একজন কর্তব্যনিষ্ঠ স্ত্রী সেই স্বামীকে দেবতা হিসেবে ক্রমাগত পূজা করবে। [মনুসংহিতা ৫:১৫৪]

      ইংরেজী অনুবাদ: Though destitute of virtue, or seeking pleasure (elsewhere), or devoid of good qualities, (yet) a husband must be constantly worshipped as a god by a faithful wife.

      ১০. আমি বলেছি: নারীরা কোনো নিয়মানুবর্তিতা মেনে চলে না। তাদের বুদ্ধিমত্তা নাই বললেই চলে। [ঋগ্বেদ ৮:৩৩:১৭]

      ইংরেজী অনুবাদ: Indra himself hath said, The mind of woman brooks not discipline,
      Her intellect hath little weight.

      ১২. আমি বলেছি: নারীরা দৃষ্টিকে নত করে চলবে, সামনের দিকে তাকাবে না। [ঋগ্বেদ ৮:৩৩:১৯]

      ইংরেজী অনুবাদ: Cast down thine eyes and look not up. More closely set thy feet. Let none
      See what thy garment veils, for thou, a Brahman, hast become a dame.

       

      ইংরেজী অনুবাদের লিঙ্ক: http://www.sacred-texts.com/hin/index.htm

       

      পাঠক নিশ্চয় দেখতে পাচ্ছেন ইংরেজী অনুবাদ অনুযায়ী আমি বাড়িয়ে বা বানোয়াট কিছু তো বলিই নাই, বরং কিছুটা কমই হয়তো বলেছি। অথচ হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী SHUVOR-এর দাবি অনুযায়ী আমি ভণ্ডামী আর মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে দূর্নাম করেছি! OMG! হিন্দু ধর্মগ্রন্থে যা লিখা আছে সেটিই বলা যদি 'ভণ্ডামী আর মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে দূর্নাম' করা বুঝায় তাহলে আস্তিক-নাস্তিক নির্বিশেষে হিন্দুরা ইসলামের বিরুদ্ধে যা করছে সেটিকে কী বলা যেতে পারে ভেবে দেখুন।

  11. 2
    এস. এম. রায়হান

    Women in Confucianism

    Confucian Ideas about Women

    Confucian thoughts have greatly influenced the minds of China. During the Han dynasty, Confucianism became a part of the official education, which helped spread it across China. In later dynasties, male authority was enforced which brought a woman's status down. In the Confucian society, women were to hold a lower position than men. Women could only obtain power by becoming a mother. They had the task of producing son and it was frowned upon if they birthed girls. Their nature was expected to be passive and to revolve around their husbands and their family. Other Confucian ideas taught many that women were the cause of disorder. It was also taught that women should not rule and that people were not to concern themselves with women's ideas. Many of these ideas still influence the way Chinese women are treated today.

    Confucianism: Gender and Sexuality

    Women were at the bottom of the Confucian hierarchy. Exemplary behavior and uncomplaining obedience was expected of them. By custom, aristocratic men and women lived separately. Men had multiple wives and concubines, but women were not allowed to see men other than their close relatives, husbands, or masters, or the palace eunuchs.

    Women and Confucianism

    According to the Confucian structure of society, women at every level were to occupy a position lower than men. Most Confucians accepted the subservience of women to men as natural and proper. At the same time they accorded women's honor and power as mother and mother-in-law within their family.

    Neo-Confucian Inspired Sayings

    "A woman's duty is not to control or take charge."

    "Woman's greatest duty is to produce a son."

    "A woman ruler is like a hen crowing."

    "A husband can marry twice, but his wife must never remarry."

    "We should not be too familiar with the lower orders or with women."

    "The woman with no talent is the one who has merit."

    "It will be womens neither to do wrong nor to do good. Only about the spirits and the food will they have to think."

    "Disorder is not sent down by Heaven, it is produced by women."

    "Those who cannot be taught, cannot be instructed. These are women and eunuchs."

    "Man is honored for strength; a woman is beautiful on account of her gentleness."

    "There are three unfilial acts: the greatest of these is the failure to produce sons."

    "Women are to be led and to follow others."

    "A woman ruler is like a hen crowing."

    "A husband may marry twice, but his wife must never remarry."

    "We should not be too familiar with the lower orders or with women."

    "Women's nature is passive."

    "A woman should look on her husband as if he were Heaven itself, and never weary of thinking how she may yield to him."

  12. 1
    এস. এম. রায়হান

    Women in Buddhism

    Bhikkhus vs. Bhikkhunis

    1. A bhikkhuni who has been fully ordained even for more than a century must bow down, rise up from her seat, salute with hands palm-to-palm over her heart, and perform the duties of respect to a bhikkhu even if he has been fully ordained only a day. This rule is to be honored, respected, revered, venerated, never to be transgressed as long as she lives.”

    2. A bhikkhuni must not spend the rains in a residence where there is no bhikkhu…

    3. Every half-month a bhikkhuni should request two things from the Bhikkhu Sangha: she should ask for the date of the uposatha day and come for an exhortation…

    4. At the end of the Rains-residence, a bhikkhuni should invite (criticism both from) the Bhikkhu Sangha and the Bhikkhuni Sangha on any of three grounds: what they have seen, what they have heard, what they have suspected…

    5. A bhikkhuni who has broken any of the vows of respect must undergo penance for half a month under both Sanghas…

    6. Only after a probationer has trained in the six precepts for two years should she request ordination from both Sanghas…

    7. A bhikkhu must not in any way be insulted or reviled by a bhikkhuni…

    8. From this day forward, the admonition of a bhikkhu by a bhikkhuni is forbidden, but the admonition of a bhikkhuni by a bhikkhu is not forbidden. This rule, too, is to be honored, respected, revered, venerated, never to be transgressed as long as she lives.

     

    The duties and obligations of a wife towards her husband

    (a) Wife should not harbor evil thoughts against her husband;

    (b) Wife should not be cruel, harsh or domineering;

    (c) Wife should not be a spendthrift but should be economical and live within her means;

    (d) Wife should zealously guard and save her husband’s property and hard-earned earnings;

    (e) Wife should always be virtuous and chaste in mind and action;

    (f) Wife should be faithful and harbor no thought of any adulterous acts;

    (g) Wife should be refined in speech and polite in action;

    (h) Wife should be kind, industrious and hardworking;

    (i) Wife should be thoughtful and compassionate towards her husband and her attitude should equate that of a mother loving and protecting her son;

    (j) Wife should be modest and respectful;

    (k) Wife should be cool, calm and understanding, serving not only as a wife but also as a friend and adviser to her husband when the need arises.

    In Anguttara Nikaya and Samyutta Nikaya, it is clearly mentioned that a man’s duty is his unending quest for knowledge, the improvement and stabilization of his skill and craftsmanship, and dedication to his work and ability to find the wherewithal for the maintenance and sustenance of his family. On the other hand it was stated, as a matter of fact, that it was the woman’s duty to look after the home, and to look after her husband.

    However, as Zen nun Heng-Ching Shih states, women in Buddhism are said to have five obstacles, namely being incapable of becoming a Brahma King, ‘Sakra’, King ‘Mara’, Cakravartin or Buddha. This is based on the statement of Gautama Buddha in the Bahudhātuka-sutta of the Majjhima Nikaya in the Pali Canon that it is impossible that a woman should be “the perfectly rightfully Enlightened One (or Buddha)”, “the Universal Monarch”, “the King of Gods”, “the King of Death” or “Brahmaa’”.

    According to Diana Paul, Buddhism inherited a view of women whereby if they are not represented as mothers then they are portrayed as either lustful temptresses or as evil incarnate. (Source)

Leave a Reply

Your email address will not be published.