«

»

Mar ১৭

মুক্তমনা ভাইরাসে আক্রান্ত রুগী হাবিবুর রহমান ওরফে আকাশ মালিকের কন্যাত্রয়ের প্রতি খোলা চিঠি

'মুক্তমনা' ভাইরাসে আক্রান্ত রুগী হাবিবুর রহমান ওরফে আকাশ মোল্লা ওরফে গোলাপ ওরফে যৌনউন্মাদ লম্পটের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া কন্যাদ্বয় ও শিশু বাচ্চাদ্বয়ের প্রতি:

১. প্রথমে তোমাদের যৌনউন্মাদ ও লম্পট বাপের স্বরূপ এই দুটি লিঙ্ক (লিঙ্ক-১, লিঙ্ক-২) থেকে এক নজর দেখে নাও। এগুলো ছাড়াও আরো আছে। সঙ্গত কারণে লিঙ্ক দুটি ফ্ল্যাশ করে দেখানো গেলনা। তবে অন্য একটি মন্তব্য নিচে ফ্ল্যাশ করা হলো- akammolla3

২. তোমাদের মুখোশধারী ও অর্ধশিক্ষিত মোল্লা বাপের নিচের দুটি লেখা থেকে স্পষ্ট যে, লন্ডনে যেয়ে বেঁচে থাকার তাগিদে তোমরা স্বপরিবারে চার্চ ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছ। তাতে কোনো সমস্যা নাই। কিন্তু তোমাদের ভণ্ড বাপ এই তথ্য গোপন রেখে ছদ্মনামে অভিজিৎ রায়ের পা-চাটা ভৃত্য সেজে ইসলামের নবী, ইসলাম, ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিগত প্রায় এক যুগ ধরে নিরবিচ্ছিন্নভাবে মিথ্যা প্রপাগ্যাণ্ডা আর কুৎসা রটিয়ে বেড়াচ্ছে।

akammolla4

akammolla5

 

৩. নিচের মন্তব্য থেকে দেখা যাচ্ছে তোমাদের মুনাফেক বাপ লন্ডনের কোনো এক মসজিদ কমিটির সাথেও জড়িত আছে। সেই মসজিদের মুসল্লিদের থেকে তিন হাজার পাউন্ড সংগ্রহ করে হেফাজতে ইসলামের কোনো এক নেতার হাতে তুলে দিয়েছে।

akammolla6

 

৪. এক মুক্তমনা নাস্তিকের দাবি অনুযায়ী তোমাদের বাপ একজন ছুপা জামাতী এবং সে অনেক জায়গায় অনেক নামে অনেক পরিচয়ে লেখালেখি ও চলাফেরা করে। তোমাদের বাপ কিন্তু এই মুক্তমনা নাস্তিকের দাবির বিরুদ্ধে কোনো রকম প্রতিবাদ বা চ্যালেঞ্জ করেনি, বরং নীরবে তার দাবিকে মেনে নিয়েছে।

akammolla7

 

৫. তোমাদের ছুপা জামাতী বাপ মুক্তমনা ব্লগে আওয়ামী লীগের নেত্রীদেরকে অশ্লীল ও কুরুচিকর ভাষায় গালি দিয়ে, তাদেরকে থাবড়ানির হুমকি দিয়ে, আওয়ামী লীগকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দিয়ে, আওয়ামী লীগ-পন্থী আমু ব্লগে যেয়ে 'আওয়ামী-প্রেমী' সেজে ইসলামের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে। মুক্তমনা ব্লগে তোমাদের লম্পট বাপের একটি মন্তব্য দেখো-

akammolla8

 

৬. ছুপা নাস্তিক অভিজিৎ রায়ের মূত্রপড়া খেয়ে 'মুক্তমনা' হয়ে তোমাদের ফ্যানাটিক বাপ ইসলামের নবী, তাঁর সাহাবাগণ, কোরআন, ও মুসলিমদের সম্পর্কে কী কী বলেছে তার কিছু নমুনা দেখো-

 

৭. সাধারণত নাস্তিকরা আস্তিকদের কাছে থেকে কিংবা আস্তিকরা নাস্তিকদের কাছে থেকে আক্রমণ ও গালিগালাজের শিকার হয়। কিন্তু তোমাদের বাপ হচ্ছে বাংলা অন্তর্জালে একমাত্র ব্যক্তিত্বহীন বেকুব, যে কিনা আস্তিক-নাস্তিক-সেক্যুলারিস্ট-ডান-বাম নির্বিশেষে সকলের কাছেই লাথি-ঘুষি-জুতাপেটা-ঝাড়ুপেটা-গালিগালাজ খেয়েছে। এই সিনারিওগুলো স্বচক্ষে দেখলে তোমাদের কেমন লাগবে? অন্যদিকে আবার মুক্তমনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বদ্ধ উন্মাদ হওয়া তোমাদের কাপুরুষ বাপ লেঞ্জা লুকিয়ে মুসলিম ব্লগারদেরকে অত্যন্ত নোংরা ও কুৎসিত ভাষায় গালিগালাজ করে, কারো বা আবার জিহ্বা কেটে ফেলারও হুমকি দেয়। তোমরা চাইলে অসংখ্য প্রমাণ দেখানো যাবে।

 

৮. তোমাদের প্রতি প্রশ্ন: তোমরা কি একজন 'মুক্তমনা' ভাইরাসে আক্রান্ত যৌনউন্মাদ, লম্পট, ভণ্ড, মুনাফেক, ছুপা জামাতী, ছুপা আওয়ামী-প্রেমী, ডাহা মিথ্যুক, প্রতারক, ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী জোম্বী, বাম-বিদ্বেষী, কাপুরুষ… বাপকে নিয়ে গর্বিত? তোমরা কি একজন যৌনউন্মাদ, লম্পট, ও মানসিক রুগী থেকে নিজেদেরকে নিরাপদ মনে করো?

akammolla9

২০ comments

Skip to comment form

  1. 10
    এস. এম. রায়হান

    মুক্তমনা ব্লগের অ্যাডমিন ও নিরপেক্ষধর্মী লেখক-পাঠকদের প্রতি কিছু প্রশ্ন

     

    ১. আপনারা কি ছদ্মনামধারী মোল্লা 'আকাশ মালিক'কে মুক্তমনা ব্লগ বা আপনাদের মুখপাত্র বানিয়েছেন? সে কিন্তু মুক্তমনা ব্লগের নামে এখানে-সেখানে আবল-তাবল কথাবার্তা বলছে। মিথ্যাচারও করছে। আপনারা কি তার মিথ্যাচারের ভাগিদার হতে রাজি আছেন? এই ছদ্মবেশী মোল্লা মুক্তমনা ব্লগের নামে এখানে কী বলেছে দেখুন-

    মুক্তমনায় কিছু লেখক আছেন যারা আলীয়া মাদ্রাসা থেকে দাখিল, আলেম, ফাজিল হয়ে কামিল পাশ আর অন্য দিকে কউমী থেকে কিছু আছেন নাহমীর, হেদায়াতুন্নুহ পেরিয়ে টাইটেল পাশ। আরবী, উর্দু ও ফার্সী ভাষায় বা গ্রামারে তাদের কেমন দখল আছে তা অনুমান করা যায়।

    তাকে তার এই দাবির পক্ষে প্রমাণ দিতে বলেন। প্রমাণ দিতে না পারলে সে মুক্তমনা ব্লগের মুখপাত্র সেজে এতবড় মিথ্যাচার কেন করেছে তার জবাবদিহি কিন্তু আপনাদেরকেই করতে হবে। আপনারা জেনেশুনে তার মিথ্যাচারের দায় এড়াতে পারেন না।

    ২. বাংলা অন্তর্জালে যারা দীর্ঘদিন ধরে লেখালেখি করছে তাদের সবারই নিজ নিজ পন্থী ব্লগারদের কারো-না-কারো সাথে ব্যক্তিগতভাবে দেখা-সাক্ষাৎ হয়েছে। আপনাদের কারো সাথে কি এই ছদ্মবেশী মোল্লার কখনো দেখা-সাক্ষাৎ হয়েছে? সে কি আপনাদের কাউকেই বিশ্বাস করতে পারছে না?

    ৩. 'আকাশ মালিক' হচ্ছে অভিজিৎ রায়ের সবচেয়ে বিশ্বস্ত মুরিদ। এজন্য প্রায় ছেলের বয়সী হওয়া সত্ত্বেও অভিজিৎকে সে 'শ্রদ্ধেয় দাদা' করে সম্বোধন করে। অভিজিৎ অবশ্য তাকে ভৃত্যের মতো নাম ধরেই ডাকত। সেই অভিজিতের স্ত্রী বন্যা আহমেদ অনেক আগে থেকে জানিয়ে সুদূর আমেরিকা থেকে লন্ডনে লেকচার দিতে গেলে 'আকাশ মালিক' সেই লেকচারে যোগ দেয়নি কেন? বন্যার সাথে দেখা করা তো দূরে থাক! কিংবা বন্যাই বা 'আকাশ মালিক'র সাথে দেখা করেননি কেন? তার মানে কি এটাই বুঝায় না যে, তাদের কেউই একে-অপরকে বিশ্বাস করতে পারছে না? এইটা কেমন কথা হলো!

    ৪. 'আকাশ মালিক' ও অনন্ত বিজয় দাস উভয়ের বাড়ি একই জেলায় ও কাছাকাছি হওয়া সত্ত্বেও এবং তাদের দু'জনার মধ্যে ই-মেইলে নিয়মিত যোগাযোগ থাকা সত্ত্বেও, 'আকাশ মালিক' দেশে যেয়ে অনন্তের সাথে দেখা করেনি কেন?

    ৫. রাজীব ওরফে থাবা বাবা হত্যাকাণ্ডের আগে কিংবা পরে ৮৪ জন 'নাস্তিক' ব্লগারের বিশাল একটি হিট লিস্ট প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই লিস্টে এমন কিছু ব্লগারের নাম ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছিল যারা কখনো ইসলামের বিরুদ্ধে লেখালেখিই করেনি, এমনকি তারা স্বঘোষিত নাস্তিকও ছিল না। আরো কিছু নাম-না-জানা ব্লগারের নামও সেই লিস্টে ছিল। অথচ সেই বিশাল লিস্টে আস্তিক-নাস্তিক নির্বিশেষে বাংলা অন্তর্জালের সবার কাছে সবচেয়ে কুৎসিত মানসিকতার ইসলামবিদ্বেষী ভণ্ড 'আকাশ মালিক'র নাম ছিল না কেন? এইটা কী করে সম্ভব!!!

    ৬. কিছুদিন আগে লন্ডন থেকে 'আনসারুল্লাহ বাংলা টিম'-এর নামে ২৫ জনের আরেকটি হিট লিস্ট প্রকাশ করা হয়েছে। সেই লিস্টেও আব্দুল গাফফার চৌধুরী ও বন্যা আহমেদের মতো লোকজনের নাম থাকলেও কোনো এক 'অজ্ঞাত' কারণে আবারো 'আকাশ মালিক' নাম বাদ পড়ে গেছে! এই ২৫ জনের লিস্টে যেখানে লন্ডন থেকেই ৮-৯ জনের নাম এসেছে সেখানে 'আকাশ মালিক' নাম কোন্‌ 'গায়েবী' শক্তির জোরে বাদ পড়তে পারে?

    ৭. একের-পর-এক ইসলামবিদ্বেষী ব্লগার হত্যাকাণ্ড দেখে বাকিরা যেখানে গা ঢাকা দিচ্ছে, কেউ কেউ আইডি পরিবর্তন করছে, কেউ কেউ লেখালেখির ভাষাও পরিবর্তন করছে, সেখানে এই ছদ্মবেশী মোল্লা নিজের অবস্থানে অটল থেকে অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দের সাথে চালিয়ে যাচ্ছে কী করে? পত্রিকা-সূত্রে জানা যাচ্ছে 'আনসারুল্লাহ বাংলা টিম' পরিচালনা করা হয় লন্ডন থেকে। ছদ্মবেশী মোল্লা 'আকাশ মালিক'ও থাকে লন্ডনে। 'আনসারুল্লাহ বাংলা টিম'-এর সাথে তার গোপন কোনো আঁতাত না থাকলে এটা কী করে সম্ভব? ৮৪+২৫ = ১০৯ জনের বিশাল হিট লিস্টে তার নাম কোন্‌ 'গায়েবী' শক্তির জোরে বাদ পড়ে যায়?! থিঙ্ক অ্যাবাউট ইট।

    ৮. এই ছদ্মবেশী মোল্লা একের-পর-এক দাবি করে আসছে এই বলে যে, সদালাপ থেকে ইসলামবিদ্বেষীদের লিস্ট সাপ্লাই দেয়া হয়েছে। এর চেয়ে চরম হাস্যকর রকমের মিথ্যাচার আর কী হতে পারে, যেখানে সে নিজেই খুব ভালো করে জানে যে, সদালাপ থেকে এই ধরণের লিস্ট সাপ্লাই দেয়া হলে তার নাম সর্বাগ্রে থাকত। এমনকি মুক্তমনা বা আমুব্লগ থেকেও ইসলামবিদ্বেষীদের লিস্ট সাপ্লাই দেয়া হলে তার নামই যে সর্বপ্রথমে থাকত, সেটাও সে খুব ভালো করেই জানে। তাহলে কোনো প্রমাণ ছাড়াই সে সদালাপের বিরুদ্ধে দিনে-দুপুরে এতবড় মিথ্যাচার করছে ঠিক কী উদ্দেশ্যে? তার 'আনসারুল্লাহ বাংলা টিম'কে আড়াল করার জন্য? তাছাড়া মুক্তমনা ব্লগেই তো তাকে ব্লগার হত্যাকাণ্ডের জন্য দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। তাহলে সে সদালাপের বিরুদ্ধে মাতলামী করছে কেন? এই মিথ্যাবাদী মাতালের কথার উপর ভিত্তি করে আমরা কি ধরে নেব যে, 'মুক্তমনা'রূপীরা সব মিথ্যাবাদী মাতাল? অভিজিৎ কিন্তু এভাবেই ইসলামকে একটি 'ভাইরাস' ও দেড়-দু বিলিয়ন মুসলিমকে 'বিশ্বাসের ভাইরাসে আক্রান্ত রুগী, জঙ্গি, সন্ত্রাসী' বলেছে। 

    ৯. এই ছদ্মবেশী মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে মুক্তমনা ও আমুব্লগে আপনাদের চোখের সামনে কথায় কথায় 'ইনশাআল্লাহ', 'দোয়া করি' বলছে। এমনকি 'আল্লাহর কসম'ও খাচ্ছে। অথচ আপনাদের কাউকেই কোনো রকম প্রতিবাদ করতে দেখা যায়নি। একজন ইসলামবিদ্বেষী কী করে 'ইনশাআল্লাহ' বলে? 'দোয়া করি' বলে? 'আল্লাহর কসম' খায়? তার মানে কি 'মুক্তমনা'রূপীরা সব ভণ্ড/মুনাফেক? এ বিষয়ে আপনাদের বক্তব্য কী? 

    ১০. এই ছদ্মবেশী মোল্লার পরিবারের সদস্যরা আস্তিক না নাস্তিক? তার পরিবারের সদস্যরা তার সম্পর্কে অবগত কি-না?

    ১১. এই ছদ্মবেশী মোল্লার দাবি অনুযায়ী লন্ডনে মুসলিমরা তার 'অধীনে' কাজ করছে! রোজার সময় তার 'অধীনস্ত' মুসলিম কর্মাচারীদেরকে সে ছুটিও দেয়! মাদ্রাসার তিনক্লাস পড়ুয়া এক ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী ছদ্মবেশী মোল্লার অধীনে মুসলিমদের কাজ করা নিতান্তই হাস্যকর শুনায়। তার এই দাবির পক্ষে তাকে প্রমাণ দিতে বলেন। প্রমাণ দিতে না পারলে তার মিথ্যাচার প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাইতে বলেন।

    ১২. অভিজিৎ রায় জোর গলায় বিজ্ঞান দিয়ে ইসলামকে একটি ভাইরাস প্রমাণ করার দাবি করেছে। তার ভাষায় ইসলামে বিশ্বাসীরা সবাই বিশ্বাসের ভাইরাসে আক্রান্ত। এদিকে এই ছদ্মবেশী মোল্লার দাবি অনুযায়ী সে মাদ্রাসাতে পড়েছে। তার মানে তার মধ্যে বিশ্বাসের ভাইরাস আরো প্রবলভাবে থাকার কথা। ধরা যাক, সে লন্ডনের কোথাও আত্মঘাতী বোমা হামলা চালাতে যেয়ে কিংবা শিশু ধর্ষণের মতো কোনো অপকর্ম করতে যেয়ে পুলিশের কাছে ধরা পড়লো। পরদিন দেশ-বিদেশের মিডিয়াতে 'ইসলামিক জঙ্গি' বা 'ইসলামিক ধর্ষক' শিরোমানে ব্রেকিং নিউজ প্রচার করা হলো। অভিজিৎ রায় থাকলে সাথে সাথে 'বিশ্বাসের ভাইরাস' শিরোনামে পোস্ট পড়ত। এই অবস্থায় আপনাদের ভূমিকাটা ঠিক কী হবে?

    ১৩. অভিজিৎ বা অনন্তের জায়গায় যদি এই ছদ্মবেশী মোল্লা হতো সেক্ষেত্রে আপনারা তাকে মুক্তমনা ব্লগে কী কী উপাধি দিয়ে পরিচয় করিয়ে দিতেন?

    ১৪. আপনারা কি ইসলাম ও মুসলিমদেরকে নির্মূল করার জন্য দুধ-কলা দিয়ে কালসাপ পুষতেছেন? এই ছদ্মবেশী কালসাপের দায়িত্ব কি আপনারা নিতে রাজি আছেন?

  2. 9
    এম_আহমদ

    সংখ্যার দিক থেকে ইসলাম ধর্ম হচ্ছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম। এই বিশাল মানবের ধর্ম ও তাদের ধর্মের মহামান্বিত প্রচারক ও তাঁর পরিবারবর্গ নিয়ে এই “লোকটি” যে কত হীন ইতরামি করতে পারে এবং তার মন-মগজ যে কত ঘৃণ্য ও সংকীর্ণ তা এই মন্তব্যগুলোতে স্পষ্টভাবে অঙ্কিত হয়ে এসেছে। মানুষ কী এই পর্যায়ে যেতে পারে –ইতর? এবং চরম! লোকটির ভাষা, তার শব্দ চয়ন, তার অনুমানসিদ্ধ (inference) হীনমন্য মন্দ বিশ্লেষণ ও বিশেষণ আরোপণ; এবং তার ইন্দ্রবিলাসি কল্পনা,  inappropriate মন্তব্য, তাও ঔদ্ধত্যপূর্ণ ভাষায় ব্যক্ত করা -এগুলো একজন ‘মানুষ’ কীভাবে বলতে পারে? একটি মহান পরিবারের উপর তার নিজ যৌনবিকৃতির প্রক্ষেপণ নিষিদ্ধ পল্লীর অসভ্য লোকদেরকেও হয়ত ছড়িয়ে যেতে পারে। নবীর (সা) ব্যাপারে, তাঁর স্ত্রীদের ব্যাপারে,  এমনভাবে কথা বলে যেন সে তাঁদের মনের খবর রাখে, তাঁদের অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য জানে, আর এভাবে তার ধর্মীয় আক্রোশ ইতরের ভাষায় আরোপ করে!

    মানুষ কী এত ইতর হতে পারে? কেউ না হয় খৃষ্টিয়ান হয়ে গিয়েছে এবং নাস্তিকতার কৌশলে এবং আবরণে (অভিজিতের কায়দায়, নাস্তিকতার আড়ালে হিন্দু), ইসলাম ধ্বংসের ইচ্ছা পোষণ করছে। কিন্তু তার মানবতাও কী হারাতে হবে? যে কথাগুলো সে বলেছে সেগুলো তার মনের খবাসত, তার বিদ্বেষ ও আক্রোশ চরমভাবে প্রকাশ করে। কেউ অন্তরজ্বালায় কতটুকু বিদগ্ধ হলে এমন অমানবিক এবং অসভ্য পর্যায়ে নামতে পারে এই মন্তব্যগুলো দেখলে তা অনুমান করা যাবে।  বলুন তো, এসবের মধ্যে নাস্তিকতার কি আছে? কেউ ইসলাম ত্যাগ করে ইউরোপীয় ধর্ম গ্রহণ করতে পারে এবং তার নিজ ধর্ম প্রচারের স্ট্রাটেজি হিসেবে নিজের অবস্থানকে গোপন করতে পারে কিন্তু ইতর হওয়ার তো প্রয়োজন হয় না। ধরুন আয়েশার (রা) বিবাহ, ধরুন হাফসার (রা) বিবাহ, ধরুন নবীর অন্য কোন বিবাহ –এসবে নাস্তিক-ধর্মের কি আছে? এখানে যদি কোন পক্ষের নৈতিকতার সাথে সাংঘর্ষিকতা অনুভব করে, তবে কি তা ইতরের মত, ইতরের ভাষায় বলতে হবে?  যদি এখানে নাস্তিক অথবা খৃষ্ট-নৈতিকতায় আপত্তিকর কিছু থাকে তবে সেই নৈতিকতার দর্শন ও ব্যাখ্যা কি হবে? যদি কিছু থাকে, তবে সেই ‘নৈতিকতার উৎস’ দেখিয়ে ‘মানুষের মত’ কি  আলোচনা করা যায় না? বাক্যে বাক্যে কি opinionated remarks, ব্যঙ্গাত্মক শাব্দিক সংযোজন, তাচ্ছিল্যমূলক অভিব্যক্তি আরোপন করেই কি সেই কাজ করতে হবে? তার মন্তব্যগুলো দেখুন, অপরাপর তার অপরাপর লেখা দেখুন। এই হচ্ছে তার “অবস্থান”!  এসব কি নাস্তিকতা? আমার প্রবল সন্দেহ হয়। এটা ধর্মীয় উগ্র স্বরূপ। তার আক্রোশ, তার ভাষা, তার আক্রমণাত্মক পদ্ধতি এসবে মানবতাবাদী কিছু নেই। নবী পরিবারের চরিত্র হননে কিসের নাস্তিকতা?  ইফকের ঘটনায় আয়েশা (রা) উপর  কাফির-মুনাফিকগণ যে তোহমৎ তুলেছিল তাতেও নাস্তিকের কিছু নেই। মানবতাবাদী একজন লোক কোন নিরপরাধ মেয়ের উপর অযথা দোষ চাপাতে যাবে না। বরং উলটো তার ঐ পক্ষেই থাকবে।

    রায়হান ভাই, আপনার এই লেখাটি যদিও প্রায় দেড় বছর আগের, তবে সেদিন কেবল চোখ বুলিয়ে দৃষ্টি সরিয়ে নিয়েছিলাম। কারণ অনেক কথা পড়তে মনের দিক থেকে ভারী কটু লাগে। আজ আবার বসে বসে পড়লাম। আর ভাবলাম এই লোকটি কি মানুষ?  না মানুষ জাতের কেউ?  এই ধরণের লোকদের কারণেই জগতে অশান্তি আসে। এরাই সমাজে মিলিট্যান্সির উদ্ভব ঘটায়। এরাই চরমপন্থি। অমানুষ। তার সম্পর্কে তাদেরই একজন মুক্তমনাকে এমন মন্তব্য করতে দেখেছি যে এই লোকটি যা বলে যাচ্ছে তা যদি তার নিজ পরিবারের কেউ দেখতে পেত তাহলে তাকে ভাল করে পিটিয়ে দিত। আমি বলি জুতা পেটা দিত। তার কাজ হচ্ছে সন্ত্রাস-উদ্দীপক। তার পরিবার তাকে পেটালে, সে তার ধর্মীয় লোকদের নিয়ে সন্ত্রাসের আওয়াজ তুলত। এই মানসিকতার লোক কি বিশ্ব মানবের শান্তির পক্ষে কাজ করতে পারে? ন্যতান ইয়াহুও প্যালেস্টানীদের জন্য শান্তি চায়! এই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মের মানুষের মন থেকে তাদের বিশ্বাস মুছিয়ে কি খৃষ্টিয়ান অথবা নাস্তিক বানানো সহজ ব্যাপার? তাদেরকে উস্কিয়ে, সন্ত্রাসী আখ্যায়িত করেও কি সম্ভব?

    ভাই, আপনি এই "লোকটির" মন্তব্য সন্নিবেশনের মাধ্যমে তার যে পরিচয় উপস্থাপন করেছেন এজন্য আল্লাহ আপনাকে পুরস্কৃত করুন।

    1. 9.1
      সত্য সন্ধানী

      অনেক আগে ফারসী সাহিত্য নিয়ে একটা বই পড়েছিলাম,যেখানে কবি ফেরদৌসীর একটা কবিতা ছিল বাংলায় অনুবাদ করা। সেটা ছিল সাধু ভাষায়। বইটি আমি খুঁজে পাচ্ছিনা। তাই নেটে সার্চ দিয়ে একই কবিতা আমি পেয়েছি চলিত ভাষায়।

      কবি যখন শাহনেমা লিখে স্বর্নমুদ্রা না পেয়ে সুলতান মাহমুদকে তিরস্কার করতে গিয়ে যে ব্যঙ্গ কবিতাটি লিখেছিলেন সেই কবিতাটাই আসলে মুক্তমনা নামধারী ভন্ডদের বেলায় খুব বেশি করে যেন মিলে যায়।

      সুলতানের সাথে এই কবিতা হয়ত মেলে না; কবি নেহায়েত ক্ষোভের কারনে এটা লিখেছিলেন। সুলতান পরে ভুল বুঝতে পেরে অনুতপ্ত হন এবং পরের কাহিনী আমরা সবাই জানি।

      কবিতাটা হল-

      সদ্বংশে (কবিতায় আছে রাজ বংশে) হত যদি জন্মলাভ

      কখনো হত না কথার বরখেলাপ।

      সদ্বংশজাত নয় যে আদমসন্তান

      করতে পারে না সে যে মানীর সম্মান।

      যে তরুর জন্মলাভ তিক্তবীজ হতে

      যদি তা রোপণ কর বাগিচার পথে-

      যদি বা যতন কর হয়ে একমন

      মধু ও দুধের ধারা মূলেতে সেচন;

      তোমার প্রচেষ্টা জেনো বৃথা হবে সব

      তিক্তফল সর্বদাই সে করবে প্রসব।
      ……

      আসলে এইসব ভন্ডরা হল নিচু পরিবারে জন্ম নিয়ে এবং নিচু মন মানসিকতায় বেড়ে উঠেছে। ভদ্রঘরের সন্তানদের পক্ষে এমন সব কুরুচীপুর্ণ কথাবার্তা লেখা সম্ভব না। যদি পরিবারে সামান্য শিক্ষা ও মননশীলতা থাকত তাহলে এইসব ভাষা তারা ব্যবহার করার আগে ২য় বার চিন্তা করত।

      এরা যেন সেই তিক্তবীজের মত যাদেরকে জান্নাতে রোপন করে, মুলে মধু আর দুধ ঢালা হয় তবু তারা তাদের স্বভাব বদলাতে পারবে না। এইসব ভন্ডদের মনে কোনদিন অনুশোচনা হবে না এটা নিয়ে আমি শতভাগ নিশ্চিত।

      1. 9.1.1
        এস. এম. রায়হান

        @এম_আহমদ, সত্য সন্ধানী

        সে ইসলামের নবী, তাঁর স্ত্রীগণ, ইসলাম, ও মুসলিমদের নিয়ে যা কিছু বলেছে সেগুলোর সবই তার প্রভু অভিজিৎ রায়ের শিক্ষা। অভিজিৎ রায়ের ভৃত্য হওয়ার পর থেকেই সে মাতলামি শুরু করেছে। সে এখন মানসিক বিকারগ্রস্ত একজন রুগী ছাড়া কিছু নয়। লন্ডনের কোনো মানসিক হাসপাতালে তাকে ভর্তি করানো যায় কি-না দেখুন। মানসিক রুগীদেরকে অনেক সময় জোর করেই হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়, তাদের ভালোর জন্যই, প্রয়োজনে বিভিন্ন ধরণের শক থেরাপিও দেয়া হয়। আপনাদের মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

  3. 8
    এস. এম. রায়হান

    এই দ্যাখো, মাদ্রাসার তিন ক্লাশ পড়ুয়া তোমাদের ভণ্ড বাপ তার প্রভু অভিজিৎ রায়ের কাছে থেকে বিগ্যান শিক্ষা নিয়ে 'গোলাপ' নিকে ধর্মকারী সাইটে বিগ্যান নিয়ে বিশাল গোবেষণা করেছে-

    http://www.dhormockery.com/2015/02/blog-post_52.html

    একই নিকে মুক্তমনা ব্লগে ল্যাদাতে যেয়ে সদালাপে মুখোশ উন্মোচিত হওয়ার সাথে সাথে তার প্রভু অভিজিতের কায়দায় চিরতরে গা ঢাকা দিয়েছে।

  4. 7
    এস. এম. রায়হান

    তোমাদের কাপুরুষ ও প্রতারক বাপ সম্পর্কে আরো একটি তথ্য জেনে রাখো। তোমাদের কাপুরুষ বাপ তার আসল নাম গোপন করে একটি ছদ্মনামে দীর্ঘদিন ধরে ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে ধূর্গন্ধযুক্ত লাদি ছড়াতে ছড়াতে যখন সেই নিকটা আস্তিক-নাস্তিক নির্বিশেষে প্রায় সকলের কাছে পচে যায়, তখন 'গোলাপ' নিকে মুক্তমনা ও তার সহোদর ধর্মকারী সাইটে 'সুগন্ধীযুক্ত ল্যাদানি' শুরু করে। কয়েকমাস আগে আমার একটি পোস্টে 'গোলাপ' নিকের মুখোশ উন্মোচন করা হলে সেই দিন থেকেই 'গোলাপ' নিকটা গা ঢাকা দিয়ে আছে। তোমরা চাইলে তোমাদের কাপুরুষ বাপের 'গোলাপ' নিক থেকে বেশ কিছু লাদি দেখানো যাবে। উল্লেখ্য যে, আমার সেই পোস্টে 'গোলাপ' নিকের মুখোশ উন্মোচন করা হলে তোমাদের কাপুরুষ বাপের আরেক কাপুরুষ বডিগার্ড আঃ মাহমুদ আমার দাবি নিয়ে অ্যাজ ইউজুয়াল হাসিঠাট্টা শুরু করে দেয়। অথচ ঠিক সেই দিন থেকে আজ পর্যন্তও যে মুক্তমনা ব্লগে 'গোলাপ' নিকের কোনো খবর নাই- এই দিনের আলোর মতো সত্যকে তোমাদের বডিগার্ড আঙ্কল দেখেও না দেখার ভান করছে, কেননা তোমাদের বডিগার্ড আঙ্কল নিজেও কম-বেশি মুক্তমনা ভাইরাসে আক্রান্ত।

    1. 7.1
      আহমেদ শরীফ

      উল্লেখ্য যে, আমার সেই পোস্টে 'গোলাপ' নিকের মুখোশ উন্মোচন করা হলে তোমাদের কাপুরুষ বাপের আরেক কাপুরুষ বডিগার্ড আঃ মাহমুদ আমার দাবি নিয়ে অ্যাজ ইউজুয়াল হাসিঠাট্টা শুরু করে দেয়। অথচ ঠিক সেই দিন থেকে আজ পর্যন্তও যে মুক্তমনা ব্লগে 'গোলাপ' নিকের কোনো খবর নাই- এই দিনের আলোর মতো সত্যকে তোমাদের বডিগার্ড আঙ্কল দেখেও না দেখার ভান করছে, কেননা তোমাদের বডিগার্ড আঙ্কল নিজেও কম-বেশি মুক্তমনা ভাইরাসে আক্রান্ত।

       

       

      আচ্ছা ! চমকপ্রদ ব্যাপার !

      অবশ্য খুব বেশি চমকপ্রদও না, মাতাল সচরাচর শুঁড়ির সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক প্রত্যাশিত ঘটনা। আগেও আমুতে দেখা গেছে আকাশ মালিককে হোয়াইট ওয়াশ করা হলে বা ব্যপকভাবে সে পাইকারি হারে আক্রান্ত হলে, যেমন সাদাত ভাইয়ের 'সততার কাঠগড়ায়' টাইট দেয়ার পর সৈকত চৌধুরি, নানান ফেক নিকে অভিজিতসহ অপ্রত্যাশিতভাবে আদিল মাহমুদকেও অনেকটা আচমকা একরকম মরিয়া হয়েই আক্কাছ মল্লিকের পক্ষে মুক্তকচ্ছ হয়ে নেমে পড়তে দেখা যায়। এর আগ পর্যন্ত 'নিরাসক্ত ব্লগার' বলে একটা আলগা খ্যাতি থাকলেও সতীর্থ ও দলীয় মুখপাত্রের কঠিন বিপদে শেষ পর্যন্ত নিরাসক্তি ধরে রাখা আর আদিল মাহমুদের পক্ষে সম্ভব হয়নি। 

  5. 6
    এস. এম. রায়হান

    এই দ্যাখো, তোমাদের খ্রীষ্টান মা তোমাদের বাপের চাপে হিজাব পরিধান করে 'মুসলিমা' সেজে কৃত্রিম দাড়ি-টুপি পরিহিত তোমাদের বাপের সাথে শপিং মলে চুরি করতে যেয়ে একাধিকবার ধরা খেয়েছেন। সেই খবর তোমাদের মুক্তমনা খ্রীষ্টান বাপ ছদ্মনামে 'মুসলিম' ভান করে তার 'নিকটাত্বীয় ধার্মিক হিজাবওয়ালী' মহিলার নামে চালিয়ে দিয়ে প্রচার করছে-

    শনিবার, ০৭/০৬/২০১৪ – ২০:৩৩ তারিখে আকাশ মালিক বলেছেন

    @ ফেল্টু স্টুডেন্ট,

    লেখাটা ভাল লেগেছে, উদ্দেশ্য ভাল, সবই ঠিক আছে তবে কিছু জায়গায় আমার কিছুটা দ্বিমতও আছে। অভয় দিলে পরে বলবো, সেনসেটিভ ব্যাপার তো ভাল কথা বললে, ভাল পরামরার্শ দিলে সত্য উদ্ঘাটনের উদ্দেশ্যে আলোচনা করলেও ইসলাম ব্যাশ্যার মুসলিম বিদ্বেষী ট্যাগ মারা হয়।

     শামীম আরেফীনের বাস্তব কাহিনি ঘটেছে ইংল্যান্ডেও। কাকতালীয়ভাবে আমি নিজেই সাক্ষী। সেদিন সেই সময়ে সেই শপে আমিও উপস্থিত ছিলাম। বলতে গেলে নিকটাত্বীয়, আমার গ্রামের পরিচিত ফ্যামিলির ধার্মিক হিজাবওয়ালী মহিলা চুরি করে ধরা খাইলো বুটস শপের ভেতরে। তদন্ত করে দেখা যায় উনি বাঙ্গালী শাড়ির দোকানেও পূর্বে চুরি করেছেন। তার স্বামী দুইটা রেষ্টুরেন্টের মালিক। স্বামীও ধার্মিক দাড়ি আছে লম্বা কোরতাও পরেন মাদ্রাসায় দুইটা ছেলেও দিয়েছেন। তো ঐ মিহিলা চুরি করে কেন?

    এ নিয়ে পরে আলোচনা হবে ইনশাল্লাহ

    সূত্র: https://www.amarblog.com/Tariq-Saleh/posts/179787

    1. 6.1
      আহমেদ শরীফ

      কি সাংঘাতিক, কি ভয়ানক!

      কালে কালে এই ভণ্ডমনা প্রতারক হাবীবুর রহমান আক্কাস মল্লিকের আর কত রূপ দেখতে হবে কে জানে।

  6. 5
    আহমেদ শরীফ

    মানসিকভাবে ভয়ংকর অসুস্থ ও বিকৃতমনা এই আকাশ মালিক নামক মানুষটির পিতৃপ্রদত্ত আসল নাম হাবিবুর রহমান। বক্রগতির চিন্তাধারার চর্চাকারী অসুস্থ সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষী, বাংলাদেশি সমকামী আন্দোলনের প্রধান উদ্যোক্তা, পেশাদারি ভিত্তিতে ইসলামবিদ্বেষ-বাণিজ্যের দুষ্টচক্রের কুখ্যাত বাংলাদেশি পথিকৃৎ কুরুচিপূর্ণ অশ্লীলতার লীলাভূমি 'মুক্তমনা' মালিক শ্রীযুক্ত অভিজিত রায়ের ভাবশিষ্যত্ব গ্রহণ করে কয়েক ক্লাস মাদ্রাসায় পড়া বিদ্যে পেটে নিয়ে অপরিণত একজন অশুদ্ধ তাত্ত্বিক হয়ে ওঠার প্রয়াস পান। তাই হাবিবুর রহমান ওরফে আকাশ মালিক যখন বিলেতে গিয়ে সাময়িক অর্থাভাবে আক্রান্ত হওয়ায় একজন অমেরুদন্ডী ব্যক্তিত্বহীন মানুষের মত খ্রীষ্টধর্ম গ্রহণ করে সহানুভূতি আশ্রয় করেন তখন খুব অবাক হই না। কারণ অগভীর-অর্ধশিক্ষিত সুবিধাবাদি ব্যক্তিত্বহীন মানুষ পদবাচ্য একজন পরজীবি প্রাণীর পক্ষে সেটি খুব অস্বাভাবিক দেখায় না। ২/৩ ক্লাস পর্যন্ত মাদ্রাসায় পড়া অর্ধশিক্ষিত আত্মবিশ্বাসহীন একজন অধঃপতিত গ্রামবাসী দরিদ্র ছাত্র আজ অভিজিত রায়ের কৃপায় একজন গ্ল্যামারাস(!) ‘মুক্তমনা’। পচা গোবরে নতুন ফুল ফোটানোর মত প্রায় অসম্ভবকে সম্ভব করার এই কৃতিত্ব শ্রীযুক্ত অভিজিৎ রায়কে দিতেই হবে।

    আত্মবিশ্বাসহীন পরজীবি হাবিবুর রহমান ওরফে আকাশ মালিক একজন অপরিণত এবং অর্ধশিক্ষিত নতুন লেখক হওয়া সত্ত্বেও নামধারী মুসলিম হওয়ায় অভিজিত রায় স্বীয় হীন বস্তুগত স্বার্থে পেশাদারি দক্ষতার সাথেই আকাশ মালিককে সর্বান্তঃকরণে সহযোগিতা করেন। হঠাৎ গজিয়ে ওঠা প্রায় অখ্যাত-অপরিচিত নব্য লেখক আকাশ মালিককে লঞ্চ করার জন্য মিথ্যাচারিতায় পরিপূর্ণ ভুলে ভরা অশুদ্ধ রচনা 'যে সত্য বলা হয়নি' ই-বুক আকারে মুক্তমনা গোষ্ঠির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকঢোল পিটিয়ে সাড়ম্বরে প্রকাশ ও প্রচার করা হয়। ব্লগার সাদাত কর্তৃক 'সততার কাঠগড়ায় আকাশ মালিক' পোস্টে কয়েক দফায় মিথ্যাচারী প্রতারক আকাশ মালিককে প্রমাণ সহকারে উম্মোচন করার পর আকাশ মালিকের ছদ্ম আত্মবিশ্বাস ভেঙে পড়ে, বাংলাব্লগে সার্বজনীনভাবে আকাশ মালিকের ভাবমূর্তি সম্পূর্ণ বিনষ্ট হয়ে যায় _ কারণ সেই পোস্টগুলির একটিতেও আকাশ মালিক আত্মপক্ষ সমর্থন করতে এগিয়ে আসার সৎসাহস সঞ্চয় করতে পারেনি। তার এই নজিরবিহীন ব্যক্তিত্ববর্জিত কাপুরুষতা ইসলামবিদ্বেষী বর্ণবাদিদের নিদারুণভাবে দীর্ঘকালব্যপী শোচনীয় ব্যর্থতার লজ্জা-অপমানে হতাশাচ্ছন্ন মর্মাহত করে রাখে।

    সর্বসমক্ষে ভ্রান্তি-মিথ্যাচার প্রমাণিত হবার পর ব্লগজগতে আকাশ মালিকের ভাবমূর্তি সার্বজনীনভাবে ক্ষুণ্ন হলেও এখনো অভিজিত গং সেই মিথ্যায় পরিপূর্ণ ই-বুকের প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে একমাত্র সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের বশবর্তী হয়ে। অন্ধ সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের সাথে যুক্ত হয়েছে পেশাগত প্রয়োজনের অনিবার্যতা। যৌক্তিক সমালোচনা করার ক্ষমতা অন্য জিনিস _ সেই ক্ষমতা না থাকায় আকাশ মালিক তথা অভিজিত গং কি পরিমাণ অসুন্দর-কুৎসিত ভঙ্গিতে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষপূর্ণ গরল উদগার করাকে 'মুক্তমনা' বলে চালানোর ব্যর্থ চেষ্টা করছে তা সচেতন নির্মোহ পাঠকের নজর এড়ানোর কারণ নেই। নির্মোহ সত্যসন্ধানী বিশ্লেষণ-আলোচনা থেকে এরা আসলেই লক্ষ যোজন দূরে অবস্থিত একদল অসুস্থ সাম্প্রদায়িক অন্ধ বিদ্বেষী, এরাই তথ্যসন্ত্রাসী ও সবচেয়ে বড় মৌলবাদি।

    1. 5.1
      এস. এম. রায়হান

      ছুপা হিন্দুত্ববাদীরা এই মাঙ্কিটারে যেমন খুশী তেমনভাবে নাচাচ্ছে।

    2. 5.2
      মোঃ তাজুল ইসলাম

      ধন্যবাদ শরীফ ভাই, আপনার মন্তব্ব্যের মাধ্যমে হাবিবুর রহমান সম্পর্কে জানতে পারলাম। 'ভবঘুরে' সম্পর্কে কি আপনি কিছু জানেন? উনার পরিচয় কি? এই বেটা হাবিবুরের চেয়েও কোন অংশে কম নন। বিপ্লব পাল নাস্তিক হলেও একটা মার্জিত ভাব নিয়ে লিখে, অনেকটা আরজ আলী-র ধাঁচের। আকাশ, কাশেম, অভি, জাফর, নৃপেন্দ্র, ভবঘুরে… এত হিংসা, বিদ্বেষ নিয়া বেঁচে থেকে কেমন করে? জাফরের বিদায় হয়েছে। বেটা আবু জাহেলও এতটা বিদ্বেষ এবং হিংসা পোষণ করতেন কিনা সন্দেহ।    

      1. 5.2.1
        এস. এম. রায়হান

        বিপ্লব পাল নাস্তিক হলেও একটা মার্জিত ভাব নিয়ে লিখে, অনেকটা আরজ আলী-র ধাঁচের।

        পুরোপুরি ভুল পর্যবেক্ষণ। প্রথমত, সে নাস্তিক না। আর নাস্তিক হলেও হিন্দুত্ববাদী নাস্তিক। দ্বিতীয়ত, তার ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষ অন্য কারো চেয়ে কম না। প্রমাণ দেখলে টাসকি খেয়ে যাবেন। তবে সে বিভিন্নভাবে গা বাঁচিয়ে চলার চেষ্টা করে।

      2. 5.2.2
        আহমেদ শরীফ

        'ভবঘুরে' আর 'বিপ্লব পাল' উভয়কে উম্মোচন করে রায়হান ভাই আশা করছি তথ্যসমৃদ্ধ পোস্ট দিয়ে যথাসময়ে সবাইকে জানিয়ে দেবেন। সেখানেই সবাই আলাদা করে ফিডব্যাক দিলে ভাল হবে। তাতে বিষয়সমৃদ্ধ তথ্যউপাত্তের স্বাতন্ত্র্যও সংরক্ষিত হবে। আপাততঃ এই পোস্টে নায়ক-খলনায়ক হিসেবে জনাব আক্কাস মালিক ওরফে হাবীবুর রহমানই ভাস্বর হয়ে থাকুক।

        ভাল থাকুন এবং এই পোস্ট শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন।

  7. 4
    লায়লা

    আমি নিশ্চিত আকাশ মালিক নামক লোকটার মেয়েরা বড় হয়ে এই কমেন্টগুলো দেখলে কোনদিন তাদের বাবাকে শ্রদ্ধার চোখে দেখবে না। এইসব চটি লেখক টাইপের লোকরাই নাকি মুক্তমনার মূল লেখক!!!

  8. 3
    রাসেল ইউসুফী

    রায়হান ভাই,

    এসব বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্যগুলো খন্ডন করে একটি পোস্ট আশা করছি।ধন্যবাদ।

    1. 3.1
      এস. এম. রায়হান

      বিদ্বেষপূর্ণ বক্তব্য আসলে খণ্ডন করা যায় না, এই পোস্টের উদ্দেশ্যও তা নয়। তবে তাকে অনেক আগেই যুক্তি দিয়ে উন্মোচন করা লেখাগুলো এখানে, এখানে, ও এখানে-সহ আমু ব্লগে অনেক পোস্টে পাবেন।

  9. 2
    রক্তচক্ষু

    এই আকাশ মালিক কি অভিজিত রায়ের ফেক আইডি ?

    1. 2.1
      এস. এম. রায়হান

      না।

  10. 1
    কিংশুক

    মুত্রমণা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী। পুরাই গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.