«

»

May ০৫

বাংলা নাস্তিকদের জন্য বাইবেল ও গীতা পাঠ

বাইবেলে নাস্তিকদেরকে 'নির্বোধ' বলা হয়েছে। নাস্তিকদের সম্পর্কে আরো বলা হয়েছে যে, তারা দূর্নীতিপরায়ণ, তারা ঘৃণ্য কাজ করে, তাদের কেউই ভালো কিছু করে না। বাইবেল থেকে প্রমাণ-

The fool says in his heart, “There is no God.” They are corrupt, they do abominable deeds, there is none that does good. [Psalm 14:1]

বাইবেল অনুযায়ী অবিশ্বাসীদের সাথে মেলামেশা বা বন্ধুত্ব করা যাবে না। বাইবেলে বিশ্বাসীদেরকে ন্যায়পরায়ণ, আলো, ও ক্রাইস্ট এর সাথে এবং অবিশ্বাসীদেরকে পাপী, অন্ধকার, ও স্যাটানের সাথে তুলনা করে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছে- বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসীদের মধ্যে কী মিল থাকতে পারে? অর্থাৎ বাইবেল অনুযায়ী বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসীদের মধ্যে কোনোই মিল নাই। বাইবেল থেকে প্রমাণ-

Do not be yoked together with unbelievers. For what do righteousness and wickedness have in common? Or what fellowship can light have with darkness? What harmony is there between Christ and Belial? Or what does a believer have in common with an unbeliever? [2 Corinthians 6:14-15]

বাইবেলে অবিশ্বাসী ও মূর্তিপূজকদের জন্য শাস্তির একটি নমুনা-

But the cowardly, the unbelieving, the vile, the murderers, the sexually immoral, those who practice magic arts, the idolaters and all liars—they will be consigned to the fiery lake of burning sulfur. This is the second death. [Revelation 21:8]

গীতাতে নাস্তিকদেরকে 'অজ্ঞ' ও 'অযুক্তিবাদী'-সহ আক্রমণাত্মক অনেক কিছুই বলা হয়েছে। আরো বলা হয়েছে যে, নাস্তিকদের ইহজগত বা পরজগত বলতে কিছুই নাই, নাস্তিকরা কখনো সুখী হতে পারে না। গীতা থেকে প্রমাণ (বিস্তারিত এখানে)-

The evil doers, the ignorant, the lowest persons who are attached to demonic nature, and whose power of discrimination has been taken away by divine illusive power (Maya) do not worship or seek Me. [Gita 7:15]

The irrational, the faithless, and the disbeliever (atheist) perishes. There is neither this world, nor the world beyond, nor happiness for the disbeliever. [Gita 4:40]

গীতা অনুযায়ী বিশ্বাস ছাড়া ইহজগত বা পরজগতে ভালো কাজের কোনোই মূল্য নাই-

Whatever is done without faith – whether it is sacrifice, charity, austerity, or any other act – is useless. It has no value here or hereafter, O Arjuna. [Gita 17:28]

গীতাতে অবিশ্বাসীদের জন্য শাস্তির একটি নমুনা-

I hurl these haters, cruel, sinful, and mean people into the cycles of rebirth in the womb of demons again and again. O Arjuna, entering the wombs of demons birth after birth, the deluded ones sink to the lowest hell without ever attaining Me. [Gita 16:19-20]

এখানে বাইবেল ও গীতা থেকে নাস্তিকদের উপর দু-একটি করে নমুনা তুলে ধরা হয়েছে মাত্র। বাংলা নাস্তিকদের গুরুজী অভিজিৎ রায়-সহ সম্পূর্ণ বাংলা অন্তর্জাল খুঁজে কোনো নাস্তিকের লেখায় বাইবেল বা গীতার উপরোল্লেখিত ভার্সগুলোর একটিও পাওয়া যাবে না। তার পরিবর্তে কোরআনকে নাস্তিক-বিদ্বেষী, ইহুদী-বিদ্বেষী, খ্রীষ্টান-বিদ্বেষী, হিন্দু-বিদ্বেষী, অমুসলিম-বিদ্বেষী, বিদ্বেষী, ভয়ঙ্কর, ইত্যাদি প্রমাণ করে অসংখ্য পোস্ট আর মন্তব্য আছে।

৪ comments

Skip to comment form

  1. 3
    এস. এম. রায়হান

    মিশন্যারীদের মূর্তিপূজক বাংলা দাসদের সম্পর্কে বাইবেল কী বলে?

    81 Bible Verses about Idol Worship

    100 Bible Verses about Idolatry

    http://www.acts17-11.com/idolatry.html

  2. 2
    এস. এম. রায়হান

    বর্ণবাদীরা লেঞ্জা লুকিয়ে নিজেকে 'খৎনা করা' দাবি করে যে কারণে 'প্রচলিত ঈশ্বর'-এ অবিশ্বাসী হচ্ছে-

     

    কেন আমি প্রচলিত ঈশ্বরে বিশ্বাস করি না

    জ্ঞান হওয়ার আগেই জানান হলো কোন এক আল্লাহ দ্বীন দুনিয়া সৃষ্টি করে এক নবী পাঠিয়েছে মানুষকে হেদায়েত করতে সুদুর আরব দেশে। আরও বড় হওয়ার পর দেখলাম ভারতে অবতার ও দেব দেবীর অভাব নেই। আর তাদের সাথে আরবের ইসলাম বা নবীর কোন সম্পর্ক নাই। আরও জানলাম সেই আরবে নাকি লক্ষ লক্ষ নবী আগমন করেছিল। সুতরাং বুঝতে পারছিলাম কোথাও ঘাপলা আছে।

    প্রথমেই যে প্রশ্নটা মাথায় আসল -- আরবের মরুভূমিতে অল্প কিছু লোক দুম্বা চরাত , তাদের কাছে নবী আসলে ভারত বর্ষে সেই যখন লক্ষ লক্ষ সম্ভবত: কোটি কোটি লোক বাস করত , সেখানে হেদায়েদ করতে আল্লাহ কাউকে পাঠাল না কেন ? পরে জানলাম কোরান বলেছে প্রতিটি জাতির মধ্যে নাকি নবী আগমন করেছে, তখন জানার চেষ্টা করলাম ভারতে আগমনকারী কোন নবীর নাম কোরান হাদিসে আছে কি না। দেখলাম নাই। সুতরাং বুঝতে পারলাম গোটা কাহিনীতে বিশাল ঘাপলা। কোরান বলেছে তাতে সব কিছু আছে বিস্তারিত অথচ দুনিয়ার প্রধান প্রধান জাতির কাছে কোন নবীকে পাঠিয়েছিল সেটা সেখানে লিপিবদ্ধ নাই। তাহলে কিভাবে সেইসব জাতি নিশ্চিত হবে যে সেখানে সত্যিকারেই নবী এসেছিল। ইসলামী পন্ডিতরা বিষয়টার গুরুত্ব বুঝতে পেরে , দাবী করে ভারতের যারা অবতার বলে পরিচিত , তাদের কেউ কেউ নবী হতে পারে। এটা কিন্তু তাদের দাবী মাত্র , প্রমান নয়। তাই তা গ্রাহ্য নয়। এসব দৃষ্টে মনে হয় আরবের আল্লাহ ও ভারতের ঈশ্বর বা ভগবান এক ব্যক্তি না। এমন কি খোদ আরবের ইসলামের আল্লাহ ও খৃষ্টানদের ঈশ্বর এক রকম মনে হয় না যদি তাদের চরিত্র ও কাজ কর্ম বিশ্লেষণ করা হয়। যেমন -- খৃষ্টানদের ইঞ্জিলের ঈশ্বর যেখানে বার বার বলছে আমাকে ত্রান কর্তা হিসাবে গ্রহন কর , তাহলে আমি তোমাকে ক্ষমা করব , কোথাও ভয় দেখাচ্ছে না যে -- তাকে গ্রহন না করলে দোজখের আগুনে পোড়াবে। কিন্তু কোরানের আল্লাহ যদিও মাঝে মাঝে বলছে সে ক্ষমাশীল , তথাপি বার বার দোজখে পোড়ানোর ভয় দেখায়। শুধু তাই নয় দুনিয়াতেই যারা তাকে বিশ্বাস করবে না তাদেরকে কতল করতে বলে। নিজেই যেখানে সে নাস্তিকদেরকে কতল করতে পারে , সেখানে সে অন্য মানুষকে কতল করতে বলে কেন ? তাহলে কি বোঝা যায় না , যে এ আল্লাহ আসলে অক্ষম একজন কেউ যে কায়দা করে মানুষকে দিয়ে তার ফন্দি ফিকির বাস্তবায়ন করতে চায় ?

    দ্বিতীয় যে প্রশ্ন : আপাত: দৃষ্টিতে দেখা যায় বাংলাদেশের মানুষ বেশ ধার্মিক। তারা যথাসাধ্য রোজা নামাজ পড়ে আল্লাহরে ডাকে। কিন্তু সেই বাংলাদেশের ওপর আল্লাহ সময় সময় বিনা কারনে গজব নাজিল করে , বন্যা ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি ঘটায় যাতে লক্ষ লক্ষ লোক মারা যায়, সীমাহীন সম্পদের ক্ষতি হয়, দীর্ঘকাল ধরে মানুষের জীবন দুর্বিসহ হয়ে পড়ে এবং এছাড়াও গড়ে বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক মানুষ কঠিন দারিদ্রের মধ্যে দিনাতিপাত করে। আল্লাকে ডাকা ডাকি করলে যদি এত কষ্টে জীবন যাপন করতে হয় , তাহলে তাকে ডাকাডাকির মানে কি ? অথচ যে সব দেশের লোক আল্লাহকে ডাকা ডাকি করে না , তারা দিব্বি মহা আনন্দে আছে -- ইউরোপ , আমেরিকা , অস্ট্রেলিয়া, জাপান , কোরিয়া আরও কত দেশ। ধান্ধাবাজ মোল্লারা উত্তর দেয় , এটা নাকি আল্লাহর পরীক্ষা। বাজে যুক্তি। কারন যারা ডাকা ডাকি বেশী করে তারা তো সঠিক পাঠ শেষে পরীক্ষায় পাশ করে আল্লাহর করুনায় দুনিয়াতে আনন্দে থাকার কথা, আর যারা তাকে ডাকে না তারাই ফেল করে বরং কঠিন কষ্টে দিন অতিবাহিত করবে সেটাই যুক্তিসিদ্ধ।

    তৃতীয় প্রশ্ন: বলা হয় আমাদের নবী মোহাম্মদ দ্বীন দুনিয়ার সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট মানুষ যার আদর্শ অনুসরন করা সকলের জন্য ফরজ। তিনি তার জীবনে ১৩টা বিয়ে করেছিলেন , প্রৌড়কালে একটা শিশু বিয়ে করেছিলেন , পালিত পূত্রের বধুকে বিয়ে করেছিলেন , দেখা যায় তাকে সমালোচনাকারীদেরকে হত্যা করেছিলেন, তিনি আতর্কিকে বানিজ্য কাফেলায় আক্রমন করে মালামাল লুটপাট করে গণিমতের মাল হিসাবে ভাগ করে নিতেন যখন মদিনায় হিজরত করেন -- এর প্রতিটা কাজই আজকের যুগে মারাত্মক অপরাধ হিসাবে গণ্য। এমন কি আমাদের মহানবী আজকের কোন মুসলিম দেশে জন্ম গ্রহন করলেও তাকে এর প্রতিটা কাজের জন্য শাস্তি পেতে হতো। সর্ব যুগের একজন আদর্শ মানুষের প্রতিটা কাজ সর্ব যুগেই গ্রহনযোগ্য হতে হবে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে দেখা যায় , মোহাম্মদের প্রতিটা কাজ শুধুমাত্র সেই ৭ম শতাব্দির আরব দেশের মানুষের জন্যই প্রযোজ্য ছিল। তাহলে সেই ব্যাক্তি কিভাবে সর্ব যুগের সর্ব শ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ হন সেটা আমি মোটেই বুঝতে পারি নি।

    চতুর্থত: ইসলামে এমন কিছু বিধি আছে যা অনুসরন করে আজকের দিনে চলা অসম্ভব। অর্থাৎ বর্তমান যুগে একজন প্রকৃত মুসলমান হওয়া অসম্ভব। যেমন -- ছবি আঁকা বা দেখা , বাদ্য যন্ত্র সহকারে গান শোনা , ধর্ম নিরপেক্ষ জ্ঞান বিদ্যা অর্জন, অমুসলিমদের সাথে বন্ধুত্ব করা ইত্যাদি ইসলামে কঠিনভাবেই হারাম। অথচ এর কোনটাই সঠিকভাবে পালন করে এই যুগে চলা সম্ভব না। ইসলাম যদি সত্য ধর্ম হয় তাহলে এরকম এক অসম্ভব বিধি বিধান কেন জারী করল যা অনুসরন করে প্রকৃত মুসলমান হওয়া যায় না ? আর সেকারনেই বর্তমানে প্রকৃত মুসলমান খুজে পাওয়া যাবে না , যারা মুসলমান নাম ধারী , তারা আসলে ইসলামি বিধান অনুযায়ী মুসলমানই না , তাদেরকে বলা যেতে পারে মুনাফেক বা মুরতাদ বা কাফির। তাহলে আল্লাহ কি চায় যে আমরা উল্টা পাল্টা আচরন করে দোজখে গিয়ে শাস্তি ভোগ করি ? আল্লাহ বলেছে সে হলো ক্ষমাশীল , কিন্তু আমি খামাখা ক্ষমা চাইতে যাব কেন যদি আমি প্রকৃত বিধি বিধান পালন করতে পারি কোন ঝামেলা ছাড়াই ?

    পঞ্চমত :দেখা যায় ইসলামের আল্লাহ বড়ই তোষামোদ প্রিয়। অর্থাৎ সে চায় তার বান্দারা দিনে রাতে পালা করে তাকে তোষামোদ করুক। তাকে তোষামোদ না করলে দোজখের আগুনে পোড়ানোর ভয় দেখায়। তার মানে আল্লাহ তোষামোদীর অভাব বোধ করে। অথচ আল্লার সংজ্ঞা অনুযায়ী তার কোন অভাব থাকতে পারে না। এ ছাড়াও তাকে মনে হয় অত্যন্ত নিষ্ঠুর নির্মম একজন স্বৈরশাসক। তাকে তোষামোদ না করলে সে আমাদেরকে আগুনে পোড়াবে। তাহলে সে আবার পরম করুনাময় হলো কেমনে ?

    ষষ্ঠত: হিন্দুরা তাদের কৃষ্ণকে ঈশ্বরের অবতার বলে বিশ্বাস করে। কিন্তু সেই কৃষ্ণ কোনকালে দুনিয়াতে ছিল তার কোন প্রমান নেই , কিছু উদ্ভট ও আজগুবি কাহিনী ছাড়া। সেই কৃষ্ণের আবার ১৬০০০ স্ত্রী। বাপরে , ঈশ্বরের এত স্ত্রীর কি দরকার ? এত স্ত্রী থাকার পরে সেই কৃষ্ণ আবার গোপীদের সাথে রাতের বেলা লীলা করে বেড়ায়। পরস্ত্রীর সাথে করে পরকীয়া। আহা এমন ঈশ্বরের নিকুচি করি আমি।

    সপ্তমত : হিন্দু ধর্মের বিধি বিধান বড়ই অদ্ভুত। তারা জন্মান্তরে বিশ্বাস করে , বলে পাপ করলে আবার জন্ম নিতে হবে। তাই যদি হয় তাহলে স্বর্গ নরক কি জিনিস ? পাপ করলে শাস্তি স্বরূপ যদি নরকে পুড়তে হয় জন্মান্তরের তো তখন কোন প্রশ্নই ওঠে না।

    অষ্টমত: ইসলামী বেহেস্ত ও হিন্দুদের স্বর্গের মধ্যে আবার অপুর্ব মিল। বেহেস্তে আছে উন্নত স্তন বিশিষ্ট চির যৌবনা হুর , আর স্বর্গে আছে সেই রকম অপ্সরী। তার মানে উভয় ধর্মই আমাদেরকে যৌন কাজ করার লোভ দেখিয়ে ধর্ম পালন করতে বলে। আমি বুঝতেই পারি না, ঈশ্বর বলে যদি কেউ থাকে সে কেন শুধুমাত্র যৌনকামনার জন্যে আমাদেরকে ধর্ম পালন করতে বলবে । শুধুমাত্র পুরুষাঙ্গ ঠান্ডা করা নিয়েই তো আমরা দুনিয়াতে সারাক্ষন ব্যস্ত থাকি না। আর এটা আমাদের একমাত্র আনন্দের কাজও না। মজার বিষয় হলো -- বেহেস্ত বা স্বর্গ শুধুই পুরুষদের জন্য কারন সেখানে যৌনবতী নারীদেরই ভীড় তথা বিশাল বেশ্যালয় ছাড়া আর কিছুই না , দুনিয়ার নারীদের আনন্দ করার জন্য সুষ্পষ্ট কোন নিদর্শন কোন কিতাবে দেখা যায় না। এর দ্বারা মনে হয় সকল ধর্মই পুরুষদের দ্বারা তৈরী যারা শুধুমাত্র পুরুষদের মনোরঞ্জনের কথাই ভেবেছে। সমদর্শী আল্লাহ বা ঈশ্বর এসব ধর্ম চালু করলে এ ধরনের চুড়ান্ত পক্ষপাতীত্ব দেখা যেত না।

    এরকম হাজারটা পয়েন্ট উত্থাপন করা যেতে পারে। আর সেসব কারনেই আমি এখন ঈশ্বরের অস্তিত্ব সম্পর্কে সন্দিহান। যদি কোন সৃষ্টি কর্তা থেকেই থাকে , তাহলে তার প্রকৃতি অবশ্যই আমাদের জানা প্রকৃতি থেকে ভিন্ন হবে যা আমরা আজও জানি না।

  3. 1
    মাসুদ

    গীতা কি বাংলায় পাওয়া যায়? পিডিএফ অথবা একদম বই আকারে যা কিনে পড়তে পারি।

    1. 1.1
      মোঃ শ্যামারুণ

      জ্বী পাওয়া যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.