«

»

Sep ১০

অভিজিৎ রায়ের মৌলিক গোবেষণা ও প্যাটেন্টসমগ্র

'মুক্তমনা' অভিজিৎ রায়ের এতো এতো মৌলিক গোবেষণা থাকতে তার পূজারীরা কোনো এক ভারতীয় অভিজিৎ রায়ের দুটি আমেরিকান প্যাটেন্টকে তাদের গুরুজীর নামে চালিয়ে দিতে যেয়ে শুধু শুধু ধরা খেলেন! শুধু কি তাই! একই সাথে তাদের গুরুজীকে বুয়েট ও আমেরিকার কোনো এক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বানিয়ে দিতে যেয়েও তারা হাতেনাতে ধরা খেলেন! তাদের বিজ্ঞানমনস্ক গুরুজীর ডজন ডজন মৌলিক গোবেষণা থাকতে তাকে বিজ্ঞানী বানানোর জন্য মিথ্যাচার করতে যেয়ে ধরা খাওয়ার কী দরকার ছিল বাপু! গুরুজীর সহি শিক্ষা বলে কথা।

যাহোক- অভিজিৎ রায়ের ধর্ম অনুযায়ী সারা বিশ্বের হাজার হাজার আলেম ও স্কলারদের কেউই সহি ইসলামের অনুসারী সহি মুসলিম নহে, এবং তাদের কেউই ইসলাম বোঝে নাহ্‌। সারা বিশ্বের শিক্ষিত মুসলিমদের মধ্যে যারা ইসলামকে ডিফেন্ড করে লেখালেখি করছে তাদেরও কেউ সহি ইসলামের অনুসারী সহি মুসলিম নহে, এবং তাদেরও কেউ ইসলাম বোঝে নাহ্‌। এমনকি সারা বিশ্বের কোটি কোটি সাধারণ মানুষ যারা ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো নিয়মিতভাবে পালন করার চেষ্টা করে তাদেরও কেউ সহি ইসলামের অনুসারী সহি মুসলিম নহে। অভিজিতের ভাষায় তাদের সকলেই 'মোডারেট' বা 'সুবিধাবাদী' বা 'ভণ্ড' মুসলিম। কেন? কারণ, তারা বুকে বোমা বেঁধে কিংবা অকস্মাৎ কোথাও সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে নিরীহ মানুষ হত্যা করছে না।

তাহলে 'সহি ইসলাম' কী ও 'সহি মুসলিম' কারা? ওয়েল, অভিজিতের ধর্ম অনুযায়ী 'সহি ইসলাম'-এর অনুসারী 'সহি মুসলিম' শুধুমাত্র তারাই যারা ৯/১১ হামলা, মুম্বাই হামলা, পেশোয়ার হামলা, শার্লি হেবদো হামলা, ইত্যাদি-সহ এই ধরণের হামলা কিংবা চোরাগুপ্তা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত। অর্থাৎ 'সহি ইসলাম'-এর অনুসারী 'সহি মুসলিম' হতে হলে কোনো-না-কোনোভাবে জঙ্গি-সন্ত্রাসী হামলা কিংবা চোরাগুপ্তা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত হতে-ই হবে। অন্যথায় 'মোডারেট' বা 'সুবিধাবাদী' বা 'ভণ্ড' মুসলিম হিসেবে বিবেচিত হবেন। আর অভিজিতের ধর্ম অনুযায়ী ইসলাম সবচেয়ে ভালো বোঝে কারা? অভিজিৎ নিজে, তার মস্তকধোলাই পূজারী গং, ও জঙ্গি-সন্ত্রাসী-বাংলাভাই গং।

এই 'সহি মুসলিম' ও 'সহি ইসলাম'-এর সংজ্ঞা আবিষ্কারের জন্য তাকে লুঙ্গি-ধূতি খুলে 'নাস্তিকবাবু' সেজে ঢাল হিসেবে বাম হাতে বিজ্ঞানের সকল শাখা, ডান হাতে সকল বিজ্ঞানী, বাম বগলে ইহুদী-নাসারা (তার ভাষায়), ও ডান বগলে পশ্চিমা বিশ্বকে সর্বক্ষণ জাপটে ধরে রাখতে হয়েছে। সব্বনাশ!

যাহোক- অভিজিৎ রায় দীর্ঘ ১৪-১৫ বছর ধরে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ব্লগ-ফোরামে রাতদিন হাড়ভাঙ্গা গোবেষণা করে যে'সকল মৌলিক আবিষ্কার (প্যাটেন্টস) করেছে সেগুলোর তালিকা তার নিজের ভাষাতেই নিচে তুলে ধরা হলো-

sahi-islam-list

তবে অভিজিতের সবচেয়ে বড় ও বিখ্যাত আবিষ্কার হচ্ছে 'বিশ্বাসের ভাইরাস' ওরফে 'ইসলামিক ভাইরাস' নামে একটি 'ভয়ঙ্কর ভাইরাস', যে ভাইরাসের বলী সে নিজেই! অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হচ্ছে তার আবিষ্কৃত বিশ্বাসের ভাইরাসে আক্রান্ত সহি ইসলামের অনুসারী সহি ইসলামিক জঙ্গিরা তার গোবেষণা শেষ করে যেতে দিল না! অন্যথায় বিগত কয়েক মাসেই 'মানবতার কল্যানে' আরো বেশ কিছু মৌলিক আবিষ্কার দেখা যেত।

৭ comments

Skip to comment form

  1. 6
    সত্য সন্ধানী

    ****অভিজিত রায়ের ধর্ম অনুযায়ী সারা বিশ্বের হাজার হাজার আলেম ও স্কলারদের কেউই সহি ইসলামের অনুসারী সহি মুসলিম নহে এবং তাদের কেউই ইসলাম বোঝে নাহ্‌। সারা বিশ্বের শিক্ষিত মুসলিমদের মধ্যে যারা ইসলামকে ডিফেন্ড করে লেখালেখি করছে তাদেরও কেউ সহি ইসলামের অনুসারী সহি মুসলিম নহে এবং তাদেরও কেউ ইসলাম বোঝে নাহ্‌। এমনকি সারা বিশ্বের কোটি কোটি সাধারণ মানুষ যারা ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো নিয়মিতভাবে পালন করার চেষ্টা করে তাদেরও কেউ সহি ইসলামের অনুসারী সহি মুসলিম নহে। অভিজিতের ভাষায় তাদের সকলেই ‘মোডারেট’ বা ‘সুবিধাবাদী’ বা ‘ভণ্ড’ মুসলিম। কেন? কারণ, তারা বুকে বোমা বেঁধে কিংবা অকস্মাৎ কোথাও সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে নিরীহ মানুষ হত্যা করছে না।

    তাহলে ‘সহি ইসলাম’ কী ও ‘সহি মুসলিম’ কারা? ওয়েল, অভিজিতের ধর্ম অনুযায়ী ‘সহি ইসলাম’-এর অনুসারী ‘সহি মুসলিম’ শুধুমাত্র তারাই যারা ৯/১১ হামলা, মুম্বাই হামলা, পেশোয়ার হামলা, শার্লি হেবদো হামলা, ইত্যাদি-সহ এই ধরণের হামলা কিংবা চোরাগুপ্তা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত। অর্থাৎ ‘সহি ইসলাম’-এর অনুসারী ‘সহি মুসলিম’ হতে হলে কোনো-না-কোনোভাবে জঙ্গি-সন্ত্রাসী হামলা কিংবা চোরাগুপ্তা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত হতে-ই হবে। অন্যথায় ‘মোডারেট’ বা ‘সুবিধাবাদী’ বা ‘ভণ্ড’ মুসলিম হিসেবে বিবেচিত হবেন। আর অভিজিতের ধর্ম অনুযায়ী ইসলাম সবচেয়ে ভালো বোঝে কারা? অভিজিৎ নিজে, তার মস্তকধোলাই পূজারী গং, ও জঙ্গি-সন্ত্রাসী-বাংলাভাই গং*****

    হাহাহা ভালই বলেছেন। তবে এই সংগানুসারে সহি খৃষ্টান হতে গেলেও যে একাধারে নিরীহ নারী হত্যা শিশু হত্যা, ধর্ষন (হ্যা ঠিকই পড়েছেন!) করাটা ফরজ হয়ে যায় (জোর করে বিয়ে করাটা কি আসলে??)। এইটা অভিজিত আর তার গং বুঝলো না কেন সেইটা এক বিরাট রহস্য।
    এইসব নির্দেষ তো বাইবেলের বিচারক চরিতে ঠিক ভাবেই ইশ্বর রীতিমত আদেশ দিয়েই খান্ত হননি বরং পদ্ধতি বলে দিয়েছেন।
    নিচে দেখেন..
    বিচারক চরিত ২১:

    ১ মিস্পায ইস্রায়েলীয়রা প্রতিজ্ঞা করল: “বিন্যামীন পরিবারগোষ্ঠীর ঘরে আমরা কেউ আমাদের মেয়েদের বিবাহ দেব না।”
    ২ ইস্রায়েলীয়রা বৈথেল শহরে গেল। সেখানে সন্ধ্যা পর্য়ন্ত তারা ঈশ্বরের কাছে বসে রইল। আকুল হয়ে কেঁদে কেঁদে তারা বলল, “হে প্রভু, ইস্রায়েলবাসীদের তুমিই ঈশ্বর।
    ৩ তাহলে এমন বিপদ হল কেন? কেন ইস্রায়েলীয়দের একটা পরিবারগোষ্ঠীকে পাওয়া যাচ্ছে না?”
    ৪ পরদিন ভোরে ইস্রায়েলীয়রা একটা বেদী তৈরী করল। সেই বেদীতে তারা ঈশ্বরের কাছে হোমবলি ও মঙ্গল নৈবেদ্য উত্সর্গ করল।
    ৫ তারপর ইস্রায়েলীয় লোকরা বলল, “ইস্রায়েলীয়দের মধ্যে এমন কোন পরিবার কি আছে যারা প্রভুর সামনে আমাদের এই প্রার্থনায আসে নি?” এরকম জিজ্ঞাসার কারণ হচ্ছে তারা বেশ সাংঘাতিক ধরণের একটা প্রতিজ্ঞা করেছিল। তাদের প্রতিজ্ঞা ছিল অন্যান্য পরিবারগোষ্ঠীর সঙ্গে যদি কেউ মিস্পা শহরে য়োগ না দেয তবে তাকে হত্যা করা হবে।
    ৬ ইস্রায়েলীয়রা তাদের আত্মীয বিন্যামীনদের জন্য দুঃখ বোধ করল। তারা বলল, “আজ ইস্রায়েল থেকে একটি পরিবারগোষ্ঠী পৃথক করা হয়েছে।
    ৭ আমরা প্রভুর কাছে একটি শপথ করেছি, কোন বিন্যামীন পুরুষের সঙ্গে আমরা আমাদের মেয়েদের বিবাহ দেব না। কি করে আমরা নিশ্চিত জানব যে বিন্যামীনদের বিয়ে হচ্ছে?”
    ৮ ইস্রায়েলীয়রা জানতে চাইল, “ইস্রায়েলীয়দের কোন পরিবারগোষ্ঠী এখানে এই মিস্পায আসে নি? আমরা এখানে প্রভুর সামনে সমবেত হয়েছি। নিশ্চয়ই একটা পরিবার এখানে আসে নি।” তারা দেখল, যাবেশ-গিলিয়দ থেকে কেউই সেখানে আসে নি।
    ৯ ইস্রায়েলীয়রা গুনে দেখল কে কে এসেছে আর কে কে আসে নি। দেখল যাবেশ গিলিয়দ থেকে কেউই সেখানে আসে নি।
    ১০ তারা যাবেশ গিলিয়দে ১২,000 সৈন্য পাঠাল। সৈন্যদের তারা বলে দিল, “যাবেশ গিলিয়দে গিয়ে সেখানকার প্রতিটি লোককে তরবারি দিয়ে হত্যা করবে। মেয়েদের আর বাচ্চাদের তোমরা ছেড়ে দেবে না।
    ১১ এ কাজ তোমাদের করতেই হবে। যাবেশ গিলিয়দের প্রত্যেককে তোমরা হত্যা করবে, তাছাড়া যে সব মেয়েদের কারো না কারো সাথে য়ৌন সম্পর্ক আছে তাদেরও হত্যা করবে। তবে যে সব মেয়ের কোন পুরুষের সঙ্গে এমন সম্পর্ক হয় নি তাদের হত্যা করবে না।” সৈন্যরা তাই করল।
    ১২ ঐ ১২,000 সৈন্য যাবেশ গিলিয়দে ৪০0 জন এমন মেয়ের দেখা পেল যারা কোন পুরুষের সঙ্গে এরকম সম্পর্ক স্থাপন করে নি। সৈন্যরা তাদের শীলোর শিবিরে নিয়ে এলো। শীলো কনানদের দেশে অবস্থিত।
    ১৩ তারপর ইস্রায়েলীয়রা বিন্যামীন লোকদের কাছে খবর পাঠাল। তারা বিন্যামীনের লোকদের সঙ্গে শান্তি চুক্তি করতে চাইল। বিন্যামীনের লোকরা ছিল রিম্মোণ শিলায।
    ১৪ বিন্যামীনরা তাই শুনে ইস্রায়েলে ফিলে এল। ইস্রায়েলীয়রা তাদের কাছে যাবেশ গিলিয়দের সেই সব মেয়ে দিল যাদের তারা মারে নি। কিন্তু বিন্যামীনদের সংখ্যার তুলনায় মেয়েদের সংখ্যা বেশ কম ছিল।
    ১৫ ইস্রায়েলীয়রা বিন্যামীনদের জন্য দুঃখ করল। তাদের দুঃখের কারণ ঈশ্বর বিন্যামীনদের অন্যান্য ইস্রায়েল পরিবারগোষ্ঠী থেকে আলাদা করে দিয়েছেন।
    ১৬ ইস্রায়েলীয়দের প্রবীণরা বলল, “বিন্যামীন পরিবারগোষ্ঠীর মেয়েদের সব হত্যা করা হয়েছে। সুতরাং যে সব বিন্যামীন সন্তান বেঁচে আছে তাদের জন্য কিভাবে পত্নীর ব্যবস্থা করা যায়?
    ১৭ যেসব বিন্যামীন সন্তান এখনও বেঁচে রযেছে তাদের বংশ রক্ষা করার জন্য সন্তানসন্ততির অবশ্য প্রযোজন। এটা করতেই হবে, নইলে ইস্রায়েলীয়দের একটা পরিবারগোষ্ঠী তো একেবারে লোপ পেয়ে যাবে।
    ১৮ কিন্তু আমাদের মেয়েদের সঙ্গে তো বিন্যামীন সন্তানদের বিয়ে হতে পারে না। আমরা এই নিয়ে প্রতিশ্রুতি নিয়েছি। আমরা প্রতিশ্রুতি নিয়েছি যে, ‘বিন্যামীনদের ঘরে যে মেয়ে দেবে সে শাপগ্রস্ত হবে।’
    ১৯ তাই আমরা একটা পরিকল্পনা করেছি। শীলো শহরে প্রভুর জন্য এই সময় একটা উত্সব হয়। প্রতি বছরই সেখানে উত্সব পালিত হয়। (শীলো হচ্ছে বৈথেলের উত্তরে, আর বৈথেল থেকে শিখিমের দিকে যে রাস্তা চলে গেছে তার পূর্বদিকে। তাছাড়া লবোনা শহরের দক্ষিণেও শীলো শহরটা পড়বে।)
    ২০ প্রবীণরা তাদের পরিকল্পনাটি বিন্যামীন সন্তানদের বলল। তারা বলল, “যাও, দ্রাক্ষাক্ষেতে গিয়ে লুকিয়ে পড়।
    ২১ উত্সবের সময় শীলোর যুবতীরা কখন নাচতে আসবে সেদিকে খেযাল করবে। তারপর যখনই তারা আসবে তখন দ্রাক্ষা ক্ষেতের লুকানো জায়গা থেকে তোমরা বেরিয়ে আসবে। প্রত্যেকেই একটি করে যুবতী ধরে নেবে। তারপর ওদের নিয়ে বিন্যামীনদের দেশে গিয়ে বিয়ে করবে।
    ২২ এবং যদি মেয়েদের পিতা কিংবা ভাইরা আমাদের কাছে নালিশ জানায়, তখন আমরা বলব, ‘বিন্যামীনদের ওপর তোমরা সদয হও। তারা ঐ মেয়েদের বিয়ে করুক। তারা তোমাদের মেয়েদের নিয়েছে, তোমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করে নি। তারা মেয়েদের গ্রহণ করেছে। সুতরাং ঈশ্বরের কাছে তোমরা যে প্রতিশ্রুতি করেছিলে তা ভঙ্গ করো নি। তোমরা প্রতিশ্রুতি করেছিলে যে ঐ মেয়েদের সঙ্গে ছেলেদের বিয়ে দেবে না। বিন্যামীনদের তোমরা মেয়ে দাও নি। বরং তারাই তোমাদের কাছ থেকে মেয়েদের নিয়ে গেছে। সুতরাং তোমরা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ কর নি।”‘
    ২৩ এই ভাবেই বিন্যামীন পরিবারগোষ্ঠীরা কাজ করল। যুবতীরা যখন নাচছিল, প্রত্যেক পুরুষ তাদের একজন করে নিয়ে নিল। তাদের তুলে নিয়ে তারা বিয়ে করল। নিজেদের দেশে তারা ফিরে গেল। বিন্যামীনরা আবার সেই দেশে শহরগুলি গড়ল এবং সেই শহরগুলিতে বসবাস করতে লাগল।
    ২৪ তারপর ইস্রায়েলীয়রা ঘরে ফিরে গেল। তারা প্রত্যেকে নিজের নিজের দেশে ও পরিবারগোষ্ঠীর কাছে ফিরে গেল।
    ২৫ সেই সময় ইস্রায়েলীয়দের কোন রাজ্য ছিল না। তাই যে যা ঠিক মনে করত তাই করত।

  2. 5
    কিংশুক

    আনসারুল্লাহ বাংলা মতবাদের দল/ জসিমউদ্দিন রাহমানির দলেরা সরাসরি আল কায়েদা/আই এস আদর্শের জংগি। নব্ব সালাফি অতি বিশুদ্ধতাবাদি এক গ্র্রপ (প্রকৃতপক্ষে সেমি থেকে ফুল খারেজি)। তারা গণতন্ত্র, বিধর্মীদের সাথে সম্পর্ক সব হারাম, দেশ শরিয়া মোতাবেক না চল্লে ঐ সরকারের সবাইকে মুরতাদ মুনাফিক বলে মারা জায়েজতো অবশ্যই এমনকি তাতে নিরীহ নারী শিশু মরলেও সঠিক হবে ফতোয়া দেয়। আত্মঘাতী আক্রমণ সবই বৈধ মনে করে। মোট কথা তাদের দৃষ্টিতে তাগুত হটাবার জন্য, তাগুতের অন্তরে ভয় ধরা বার জন্য সকল কাজ বৈধ মনে করে। তাদের কোরআন হাদিসের ব্যাখ্যা তাদের উপযোগী কাস্টমাইজড। ভুল ধরাতে গেলেই আলেমরা সব দুনিয়াবী দরবারী কুফরকে খুশী কারী (যত বড় আলেমই হননা কেন আর সে যত বড় জাহেলই হোকনা কেন) বলে বোমা মেরে দিবে(তাগুতের সহযোগী তাগুত বানিয়ে দিবে)। আর ভিন্ন ফিরকার হলে তো কাফের মুর্তাদ হিসাবে ডাইরেক্ট একশন এমনকি গণতান্ত্রিক হলেও! মুসলমানদের আত্মশুদ্ধি, দাওয়াত ও তাব লিগের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার উপযুক্ত বানাতে পারলে আল্লাহর সাহায্যে বিজয় আসবে, ইসলামিক গণতান্ত্রিক দলগুলো অহিংস পথে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে জনসমর্থন নিয়ে চেষ্টা করলেও তাদের খালি তাড়াহুড়া । বোমা মেরে বিপ্লব ঘটাবে কমুনিষ্টদের মতো। কমুনিষ্টদের মতোই চরমপন্থী । যাদের কাছে ম মুসলমানরাই নিরাপদ না তারা তো আল্লাহ্ ও তার রাসুল সাঃ এর বিরুদ্ধে জোটবদ্ধ মিথ্যার যুদ্ধ চালানো ব্যক্তিদের কতল করতে চাইবেই। অভিজিত গং নিজেরাই খাল কেটে কুমিরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে । কারন সেমি টু ফুল খারেজিরা ডাইরেক্ট একশনে বিশ্বাসী। সহিহ !!! মুমিনের সন্ধান নেওয়া খুবই ভয়ংকর কাজ।

    1. 5.1
      এস. এম. রায়হান

      সারা বিশ্বে শুধুমাত্র অভিজিৎ গং আর আনসারুল্লা গং সহী ইসলাম বুঝলো। বাকিরা সব তৃতীয় ছানা। এটা অভিজিৎ রায়েরই দাবি। অভিজিতের এই দাবি থেকে নিম্নের সমীকরণ দাঁড় করানো যায়-

      অভিজিৎ গং = আনসারুল্লা গং

  3. 4
    এস. এম. রায়হান

    অভিজিতের পূজারীদের যুক্তি:  

    আমরা আমগো বিজ্ঞানমনস্ক ঈশ্বরকে স্বচক্ষে দেখেছি। আমাদের সাথে আমগো ঈশ্বরের সরাসরি বা ফোনে কথাও হয়েছে। এমনকি আমাদের সবার ঘরে ঘরে আমগো ঈশ্বরের ছবি-মূর্তিও আছে। মুমিন্সরা চাইলে আমরা যেকোনো সময় আমগো ঈশ্বরের ছবি-মূর্তি দেখিয়ে অকাট্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ দিতে পারি। শুধু তা-ই নয়, আমগো বিজ্ঞানমনস্ক ঈশ্বরের লিখা একাধিক বৈজ্ঞানিক ধর্মগ্রন্থ ও ব্লগও আছে কইলাম! এতোগুলো বৈজ্ঞানিক প্রমাণ দেয়ার পরও মুমিন্সরা আমগো ঈশ্বরের অস্তিত্ব অস্বীকার করবে কোন্‌ যুক্তিতে? নো ওয়ে!  

    অন্যদিকে, মুমিন্সরা কি তাদের অ্যাল্যাকে (অভি-পূজারীদের ভাষায়) স্বচক্ষে দেখেছে? দেখেনি! মুমিন্সদের সাথে কি তাদের অ্যাল্যার সরাসরি বা ফোনে কথা হয়েছে? হয়নিা! এমনকি মুমিন্সদের সাথে তাদের অ্যাল্যার ই-মেইলেও যোগাযোগ হয়নি! কী লজ্জা! কী লজ্জা! মুমিন্সদের ঘরে ঘরে কি তাদের অ্যাল্যার দু-একটা ছবি-মূর্তি আছে? তাও নাই! তাছাড়া এই আধুনিক বিজ্ঞানের যুগে মুমিন্সদের অ্যাল্যার কি কোনো ব্লগ আছে? মুমিন্সদের অ্যাল্যা কি বিজ্ঞানমনস্ক? লোলজ! 😀  

    অধিকন্তু, আমগো ঈশ্বরের বাণীর মধ্যে আমরা কোনো রকম ভুল বা মিথ্যা বা অযৌক্তিক বা অবৈজ্ঞানিক বা অমানবিক বা বিদ্বেষী বা সাংঘর্ষিক বা হাস্যকর কথাবার্তা খুঁজে পাইনি। অন্যদিকে মুমিন্সদের কাল্পনিক অ্যাল্যার বাণীর মধ্যে আমগো বিজ্ঞানমনস্ক ঈশ্বর পদে পদে ভুল, অযৌক্তিক, অবৈজ্ঞানিক, অমানবিক, বিদ্বেষী, ভায়োলেন্ট, সাংঘর্ষিক, ও হাস্যকর কথাবার্তা-সহ বিশ্বাসের ভাইরাস পর্যন্ত আবিষ্কার করেছেন।  

    অতেব, আমরা হইলাম গিয়া আলোকিত ও বিজ্ঞানমনস্ক ধার্মিক। অন্যদিকে মুমিন্সরা সব বিজ্ঞান-বিরোধী ও বিশ্বাসের ভাইরাসে আক্রান্ত ধর্মান্ধ। আমগো বিজ্ঞানমনস্ক ঈশ্বরই মুমিন্সদের সম্পর্কে এই বাণী দিয়েছেন। বিজ্ঞানমনস্ক ঈশ্বরের বাণীর উপর কোনো কথা থাকতে পারে কি? তয় বাই দ্য ওয়ে, আমগো বিজ্ঞানমনস্ক ঈশ্বরেরও কিন্তু অনেক সাদা চামড়ার ঈশ্বর ছিল! হেঁহেঁহেঁ! 😀

  4. 3
    abu bakkar

    Welcome back Raihan vai. You are missing from long time.

  5. 2
    কিংশুক

    সারা জীবনের চামুচ আদিল মাহমুদ মুক্তমণায় ছাগুজিৎকে মহাত্মা গান্ধীর চাইতেও বড় মহাত্মা, বিদ্যাসাগর সাজিয়ে স্মরণমূলক লেখা লিখছে। মুক্তছাগুদের নিকট জীবিত ছাগুজিৎ দেবতা ছিলো, মরার পর হয়েছে ঈশ্বর। হায় মুক্ত ছাগুর দল, তোদের কাউন্সেলিং প্রয়োজন।

  6. 1
    কিংশুক

    অভিজিৎ রায় নিজে ও মুক্তমনা সাইটে ব্রেইনওয়াশ করে অনেক মুক্তছাগু বানিয়েছিলো যাদের মুক্ত ছাগলামির ফলে জংগিদের চাপাতিও মুক্ত ভাবে কাজ করেছে। দেশের রাজনীতি, সমাজনীতি সব জায়গা মুক্ত ছাগুরা কলুষিত করে ফেললো। মৌলবাদ উস্কে দিলো। জাতীয় ঐক্য ও জনসংহতি ধ্বংস করে দেওয়ায় রাষ্ট্র-বিরোধী হিসাবে মুক্ত ছাগুদের বিচার করা উচিত। অভিজিৎ যে ভণ্ড, প্রতারক, মানসম্মানহীন বদমাইশ ছিলো তার প্রমাণ সে আজীবন দিয়ে গেছে। তারা যা শুরু করেছে এর প্রভাব আরো দীর্ঘ দিন বাংলাদেশকে বহন করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.