«

»

Feb ২৪

নিম্ন বর্ণের নারী নাঙ্গেলীর নির্মম ঘটনা চেপে যেয়ে অভিজিৎ রায়ের “হাইপেশিয়া-প্রীতি”র নেপথ্যে

১. ব্রাহ্মণবাদীদের অমানবিক স্তন করের নির্মম শিকার নিম্ন বর্ণের হিন্দু নারী নাঙ্গেলী

আজ থেকে প্রায় দুশ’ বছর আগে ভারতের কিছু অঙ্গরাজ্যে হিন্দুদের মধ্যে এক প্রকার ট্যাক্স বা কর প্রচলিত ছিলো। করটির নাম ‘স্তন কর' বা 'Breast Tax’. এর আরেকটি নাম মুলাক্কারাম (Mulakkaram)।

তখন নিয়ম ছিলো ব্রাহ্মণ ব্যতিত অন্য কোনো হিন্দু নারী তার স্তনকে ঢেকে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র ব্রাহ্মণ শ্রেণীর হিন্দু নারীরা তাদের স্তনকে এক টুকরো সাদা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে পারতো, বাকি হিন্দু শ্রেণীর নারীদেরকে প্রকাশ্যে স্তন উন্মুক্ত করে রাখতে হতো। তবে যদি কোনো নারী তার স্তনকে কাপড় দ্বারা আবৃত করতে চাইতো, তবে তাকে স্তনের সাইজের উপর নির্ভর করে ট্যাক্স বা কর দিতে হতো। এই নির্মম করকেই বলা হয় স্তন কর বা ব্রেস্ট ট্যাক্স।

১৮০৩ সালে নাঙ্গেলী (Nangeli) নামক এক নিম্ন বর্ণের ভারতীয় হিন্দু নারী তার স্তনকে আবৃত করে রাখে। যখন গ্রামের ট্যাক্স কালেক্টর তার থেকে স্তন কর চাইতে আসে, তখন নালেঙ্গী তা দিতে অস্বীকার করে এবং নিজের দুটি স্তনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে কলাপাতা দিয়ে মুড়ে ট্যাক্স কালেক্টরকে দিয়ে দেয়। তখন কাটা স্তন দেখে ট্যাক্স কালেক্টর অবাক হয়ে যায়। স্তন কেটে ফেলার কিছুক্ষণ পরেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের জন্য নাঙ্গেলীর মৃত্যু হয়। স্ত্রীর মৃত্যু শোকে নালেঙ্গীর স্বামীও সাথে সাথে আত্মহত্যা করে। এই ঘটনার পর থেকেই স্তন কর রোহিত হয়।

Nangeli

(নাঙ্গেলীর প্রতীকী ছবি)

তবে স্তন কর রোহিত হলেও দক্ষিণ ভারতে নারীদের স্তন আবৃত করার জন্য বহু সংগ্রাম করতে হয়েছে। এমনকি বিষয়টি নিয়ে রক্তক্ষয়ী দাঙ্গা পর্যন্ত করতে হয়েছে তাদের। ১৯ শতাব্দীর মাঝে এসে যখন কিছু হিন্দু নারী তাদের শরীরের উপরের অংশ আবৃত করার অধিকার দাবি করে, তখন হিন্দু পুরোহিতরা স্পষ্ট করে বলে দেয়- নীচু বর্ণের নারীদের শরীরের উপরের অংশ আবৃত করা ধর্ম-বিরোধী। বিষয়টি নিয়ে ১৮৫৯ সালে দক্ষিণ ভারতে একটি দাঙ্গা সংগঠিত হয়। এই দাঙ্গার উদ্দেশ্য ছিলো হিন্দু নারীদের শরীরের উপরের অংশ আবৃত করার অধিকার আদায় করা। এই দাঙ্গা ‘কাপড়ের’ দাঙ্গা হিসেবে পরিচিত।

সূত্র:

১. http://www.nandikor.com/indian-breast-tax/

২. https://en.wikipedia.org/wiki/Nangeli

৩. http://gnomemag.com/breast-tax-in-ancient-india/

৪. http://www.rejectedprincesses.com/blog/modern-worthies/nangeli

৫. http://ajaysekher.net/2012/08/28/nangeli-mulachiparambu-breasttax-travancore/

৬. http://www.contentwriter.in/articles/musings/nangeli-kerala.htm

৭. http://asianhistory.about.com/od/governmentandlaw/tp/worsttaxes.htm

৮. http://www.vagabomb.com/How-One-Womans-Rebellion-Abolished-Keralas-Breast-Tax/

৯. http://homegrown.co.in/unsung-heroes-why-nangeli-a-19th-century-dalit-womans-sacrifice-is-important-even-today/

১০. http://www.thehindu.com/news/cities/Kochi/200-years-on-nangelis-sacrifice-only-a-fading-memory/article5255026.ece

নোট: সূত্রগুলো যাচাই করে প্রথম সূত্র থেকে এই লেখাটি প্রায় হুবহু কপিপেস্ট করা হয়েছে। আর নাঙ্গেলীর প্রতীকী ছবিটা নেওয়া হয়েছে ৯ নং সূত্র থেকে। 

 

২. ধর্মোন্মাদ খ্রীষ্টানদের নির্মম শিকার একজন দার্শনিক ও গণিতজ্ঞ নারী হাইপেশিয়া

এ সম্পর্কে উইকিপিডিয়া থেকে তুলে দেওয়া হলো-

হাইপেশিয়া (৩৭০ – মার্চ, ৪১৫) বিখ্যাত মিশরীয় নব্য প্লেটোবাদী দার্শনিক এবং গণিতজ্ঞ। মহিলাদের মধ্যে তিনিই প্রথম উল্লেখযোগ্য গণিতজ্ঞ। তিনি সবচেয়ে প্রসিদ্ধ আলেক্সান্দ্রিয়ান প্যাগানও ছিলেন। শিক্ষক হিসেবে তার সাফল্য উল্লেখ করার মত।

জীবনকাল

হাইপেশিয়ার পিতার নাম থিওন। তিনিও একজন খ্যাতিমান গণিতজ্ঞ এবং দার্শনিক ছিলেন এবং হাইপেশিয়াকে মৌলিক শিক্ষায় শিক্ষিতকরণে তার ভূমিকাই ছিল সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ। যাহোক ৪০০ সালের দিকে হাইপেশিয়া আলেক্সান্দ্রিয়ার নব্য প্লেটোবাদী দর্শনধারার মূল ব্যক্তিত্বে পরিণত হন এবং খ্যাতির চরম শিখরে আরোহণ করেন। তার মধ্যে অসাধারণ বাগ্মীতা, বিনয় এবং সৌন্দর্য্যের সার্থক সম্মিলন ঘটেছিল। এজন্য তিনি অসংখ্য শিক্ষার্থীর আকর্ষণ লাভ করতে সমর্থ হন। তাদের মধ্যে একজন হলেন সিরিনের সাইনেসিয়াস (Synesius) যিনি পরবর্তীতে (৪১০ খৃস্টাব্দে) টলেমাইস নামক অঞ্চলের বিশপ হন। হাইপেশিয়ার কাছে সাইনেসিয়াসের লেখা কিছু চিঠি এখনও বর্তমান রয়েছে। তার কোন ছবি পাওয়া যায়নি, তবে উনবিংশ শতাব্দীর লেখক ও সাহিত্যিকেরা তাকে সৌন্দর্য্যে দেবী এথেনের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

মৃত্যু

তার মৃত্যুর সঠিক তাৎপর্য উপলব্ধি করতে হলে ইতিহাসের বেশকিছু ঘটনার ব্যাখ্যা প্রয়োজন। সম্রাট থিওডোসিয়াস-১ ৩৮০ সালে প্যাগানবাদ এবং অরিয়ানবাদের বিরুদ্ধে একটি অসহিষ্ণুতা নীতির সূচনা ঘটান। তিনি ৩৭৯ থেকে ৩৯২ সাল পর্যন্ত পূর্বাঞ্চলীয় রোমান সাম্রাজ্যের রাজা ছিলেন এবং এরপর থেকে ৩৯৫ সাল পর্যন্ত রোমান সাম্রাজ্যের পূর্ব এবং পশ্চিম উভয় অঞ্চলের অধিপতি ছিলেন। ৩৯১ সালে তিনি আলেক্সান্দ্রিয়ার বিশপ থিওফিলাসের পত্রের জবাবে মিশরের ধর্মীয় সংস্থানসমূহকে ধ্বংস করে দেয়ার অনুমতি প্রদান করেন। এর পরপরই খৃস্টান জনতা সম্মিলিত আক্রমণের মাধ্যমে আলেক্সান্দ্রিয়া গ্রন্থাগার এবং সারাপিস মন্দির সহ অন্যান্য প্যাগান সৌধগুলো ধ্বংস করে দেয়।

৩৯৩ সালে আইনসভার আইনের মাধ্যমে এ ধরণের স্থাপনা বিশেষ করে ইহুদী মন্দির ধ্বংসে আক্রমণাত্মক কার্যাবলির উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। কিন্তু ৪১২ সালে আলেক্সান্দ্রিয়ার উর্ধ্বতন যাজক হিসেবে সিরিলের ক্ষমতায় আসার পর আবার সেই ধ্বংসাত্মক কাজগুলো শুরু হয়। ৪১৪ সালে আলেক্সান্দ্রিয়ায় ইহুদী বিতারণের সূচনার মাধ্যমে বিপর্যয়ের ঘনঘটা দেখা দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় ৪১৫ সালে একদল ধর্মোন্মাদ খৃস্টান জনতার হাতে হাইপেশিয়া নিহত হন। বর্ণনামতে রথে করে ফেরার পথে উন্মত্ত জনতা তার উপর হামলা করে এবং হত্যার পর তার লাশ কেটে টুকরো টুকরো করে রাস্তায় ছড়িয়ে দেয়া হয়। অনেক বিশেষজ্ঞই তার মৃত্যুকে প্রাচীন আন্তর্জাতিক শিক্ষাকেন্দ্র আলেক্সান্দ্রিয়ার পতনের সূচনাকাল হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

লক্ষণীয়- আলেক্সান্দ্রিয়া গ্রন্থাগার ধ্বংস এবং হাইপেশিয়াকে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা দুটি ঘটেছে মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর জন্মেরও অনেক আগে।

 

৩. আধুনিক যুগের বিগ্যানমনস্ক মিশন্যারী অভিজিৎ রায়ের ধূর্তামী

উপরে ব্রাহ্মণবাদী ও ধর্মোন্মাদ খ্রীষ্টানদের নির্মম শিকার যথাক্রমে নাঙ্গেলী ও হাইপেশিয়ার ঘটনা ইতোমধ্যে সবাই জেনে গেছেন নিশ্চয়। অভিজিৎ রায়ের দীর্ঘদিনের লেখালেখির ইতিহাসে নিকট-অতীত ও অতি-কাছের ভারতীয় নাঙ্গেলীর নির্মম ঘটনা পুরোপুরি চেপে যেয়ে প্রায় সতেরশ' বছর আগের সুদূর মিশরের বাসিন্দা হাইপেশিয়ার জন্য 'মানবতাবাদী মায়াকান্না' করে নিজেকে 'নারীবাদী' ও 'বিজ্ঞানমনস্ক' হিসেবে দেখিয়ে বিশাল একটি প্রবন্ধ রচনা করা হয়েছে। কেন? কারণ, বাংলা অন্তর্জালে প্রায় অজানা নাঙ্গেলীর নির্মম ঘটনা নিয়ে লিখলে অভিজিৎ রায়ের স্বজাতি ব্রাহ্মণবাদীদের ঘাড়ে দোষ চাপবে। তাছাড়া স্তন করের মতো নিম্ন বর্ণের নারী-বিদ্বেষী একটি করের কথাও অনেকেই জেনে যাবে। উল্লেখ্য যে, অভিজিৎ রায়ের লেখালেখির ইতিহাসে নিম্ন বর্ণের হিন্দু বা হিন্দু নারীদের অধিকার নিয়ে একটিও লেখা নাই – পুরাই মনুসংহিতার মনু! তবে নাঙ্গেলীর নির্মম ঘটনার সাথে যদি মুসলিমদের জড়িত থাকার পক্ষে কোনো প্রমাণ থাকতো সেক্ষেত্রে মনুজিৎ রায় 'নারীবাদী' সেজে নাঙ্গেলীর জন্য 'মানবতাবাদী মায়াকান্না' করার সুযোগ কখনোই হাতছাড়া করতো না। অন্যদিকে দার্শনিক ও গণিতজ্ঞ হাইপেশিয়ার জন্য মায়াকান্না করলে একদিকে যেমন নিজেকে 'বিজ্ঞানমনস্ক' হিসেবে দেখিয়ে তার খৎনাধারী দাসদেরকে ঘোল খাওয়ানো যাবে, অন্যদিকে আবার সেই হত্যাকাণ্ডের দায়ভার স্বাভাবিকভাবেই খ্রীষ্টানদের উপর থাকবে। সে কতটা হিসাব-নিকাশ করে লেখালেখি করেছে, চিন্তা করে দেখুন!

কিন্তু তার হিসাব-নিকাশ ও ধূর্তামীর এখানেই শেষ হয়নি। খুঁজে খুঁজে প্রায় সতেরশ' বছর আগের সুদূর মিশরের বাসিন্দা হাইপেশিয়াকে নিয়ে মায়াকান্না করার পেছনে মূল কারণ হচ্ছে ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষ। হাইপেশিয়াকে নিয়ে উইকিপিডিয়ার লেখা থেকে সবাই জেনে গেছেন যে, আলেক্সান্দ্রিয়া গ্রন্থাগার ধ্বংস এবং হাইপেশিয়াকে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা দুটি ঘটেছে মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর জন্মেরও অনেক আগে। অথচ অভিজিৎ রায় ময়লা-আবর্জনা খুঁজে আলেক্সান্দ্রিয়া গ্রন্থাগার দ্বিতীয়বার (?) ধ্বংসের সাথে 'ইসলামী' মৌলবাদের যোগসূত্র আবিষ্কার করেছে! এতবড় সুবর্ণ সুযোগ কি আর হাতছাড়া করা যায়! পাগোল নাকি! এজন্য হাইপেশিয়াকে নিয়ে লেখায় অপ্রাসঙ্গিকভাবে তার আবিষ্কৃত 'ইসলামী' মৌলবাদের যোগসূত্র তুলে ধরা হয়েছে। তার সেই লেখা থেকে একটি অংশ নিচে দেওয়া হলো-

৬৪০ খ্রীষ্টাব্দে আলেকজান্দ্রিয়া আরবদের অধীনস্ত হয় আর সমস্ত গ্রন্থাগারটি পুনর্বার (জুলিয়াস সিজারের আগ্রাসনের পর) ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় – এবারে অবশ্য বর্বর খ্রীষ্টিয় মৌলবাদীদের আরেক সহোদর ইসলামী মৌলবাদীদের হাতে ৫। কথিত আছে আলেকজান্দ্রিয়া গ্রন্থাগারের বই-পত্তর ধ্বংস করতে গিয়ে খলিফা ওমর নাকি বলেছিলেন-

বইপত্রগুলো যদি কোরানের শিক্ষার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ না হয় তবে সেগুলো আমাদের দৃষ্টিতে নিতান্তই অপ্রয়োজনীয়। কাজেই ওগুলোর ধ্বংস অনিবার্য; আর বই-পত্তরগুলোতে যদি কোরানের শিক্ষার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ কোন কথাবার্তা আদৌ থেকেও থাকে তবে সেগুলো হবে প্রয়োজনের অতিরিক্ত। কাজেই সে দিক দিয়েও ওগুলো ধ্বংস করা জায়েজ’।

অবশ্য অনেক গবেষক আলেকজান্দ্রিয়া গ্রন্থাগারের উপর ইসলামের আগ্রাসনকে কেবল ‘মিথ’ বলেই মনে করেন ১৭।

লক্ষণীয়- কোনো সূত্র ছাড়াই 'কথিত আছে', 'নাকি' দিয়ে খলিফা ওমরের একটি 'বাণী' তুলে ধরা হয়েছে। খলিফা ওমর এতবড় একটি কথা বলেছেন অথচ সেটি ইসলামের ইতিহাসের কোথাও লিখা নেই! তারপর Edward Gibbon নামে একজন লেখকের একটি বইয়ের রেফারেন্সে বলা হয়েছে,

"অবশ্য অনেক গবেষক আলেকজান্দ্রিয়া গ্রন্থাগারের উপর ইসলামের আগ্রাসনকে কেবল ‘মিথ’ বলেই মনে করেন।" 

অনেক গবেষক এটাকে মিথ মনে করা সত্ত্বেও ইসলাম-বিদ্বেষী মানসিকতা থেকে ধূর্ত মিশন্যারী মনুজিৎ রায় সেটিকে তুলে ধরার সুযোগ হাতছাড়া করেনি- হয়তো এই ভেবে যে, এর দ্বারা ইসলামের প্রতি বিরূপ ধারণা পোষণ করে কিছু খৎনাধারী যদি ব্রাহ্মণবাদীদের দাসে পরিণত হয় তাহলে মন্দ কী! 😛

১৬ comments

Skip to comment form

  1. 10
    এস. এম. রায়হান

    Memorial demand for Nangeli, who killed self to protest `breast tax' 

    The Times of India

    MUMBAI: A small yet significant group of Kerala based writers, historians, artists and academicians recently came together to formally demand a fitting memorial for the brave woman from Cherthala, Nangeli, who had sacrificed her life to protest against the brutal and inhuman `breast tax' which was being taken by the erstwhile kingdom of Travancore about a century ago.

    Dr Devi K Varma, who teaches Malayalam at a local college, told TOI: "We will soon officially register our `Nangeli Samskarika Kootayma' (Nangeli Cultural Forum) in order to ensure that the strong verbal history of Nangeli is now documented and a memorial is also made for her in Mulachiparambu area, where Nangeli had ended her life to protest against the breast tax.''

    Mulachiparambu literally means `land of women's breasts', and is now known as Manorama Kavala in Cherthala (`kavala' means junction in Malayalam). Varma added that on International Women's Day, their forum had held a meeting in Cherthala to pay tributes to Nangeli. Historian and writer, J Reghu, who delivered the keynote address, stated that Nangeli's sacrifice has a highly political and sociological background and must enter in the contemporary notion of our society.

    Malayalam novelist, Rethy Devi, who was also present at the meet, said: ''Nangeli's sacrifice is the great unknown history, which must be known to all for the record.'' Last year during Women's Day, TOI had reported about the story of Nangeli and also interviewed the Kannur based artist, T Murali, who has made a series of paintings on the sacrifice of Nangeli. In a telephonic interview, Murali told TOI: “I was much intrigued by the verbal history of Nangeli, which has been passed down in the last four generations by the word of mouth. I had also visited Cherthala a few years ago and traced some of the descendants of Nangeli, especially her great grand niece Leela Amma (69) who still lives nearby. They also confirmed how Nangeli had chopped off her breasts and refused to pay the breast tax or `Mulakkaram' to the Tranvancore king.''

    Murali added that he was moved by the strong activism displayed by her in the first decade of 20th century, when women's liberation movements were unheard of. “The lower cast women had to pay the breast tax if they wished to cover their chest with cloth. This was the unfair manner in which the poor women could be identified in those days, by the manner of their dressing. That is why her act of protest by killing self made me paint it on canvas,'' he said. Kerala citizens Pradeep Kulangara, Prof Vayalar Narayanan, Prof Chandrasekharan, Sreelekha Nair, Sudarshanabai, Geetha Devi, artist PG Gopakumar also participated at the event. Many speakers encouraged the forum members to build a statue or a research centre as a memorial for Nangeli.

    Some of the old timers from Manorama Kavala had earlier told TOI that immediately after Nangeli's fatal protest, her grief stricken husband also died. This shocking incident had immediate effect and led to the abolishment of the cruel breast tax at the time.

  2. 9
    অনিন্দ্য রায়

    এর সঙ্গে হিন্দু সমাজ এর যোগ কথায় তা পরমান করতে পারলে ভালো হয় .অযথা বকুনি না মেরে .আপনার হয়ত জানা নেই …এর উপর সিনেমা হয়ে গেছে …আর সেটা হিন্দুরাই করেছে…এটা হিন্দুধর্মের  সাথে কোনো দিন যুক্ত ছিল না 

                                             বুজতে পারলাম না ইটা যে বাংলাদেশে কি ভারতের ইতিহাস পড়ানো হয় না ??.বাঙ্গলাদেশ তো মাত্র ৪০-৫০ বছর ….তার আগে তো  …ওটা ইন্ডিয়া .

        জিজিয়া ট্যাক্স ভারত বর্ষে  প্রবর্তিত হয় ১২০০শতকে ….প্রবর্তক …আল্লাউদ্দিন খিলজি // জিয়াউদ্দিন বুরানি তাঁর  তারিখ -ই -ফিরোজ -শাহী নামক বই এ  লিখেছেন …Mughisuddin of Bayanah advised Alā’ al-Dīn that Islam requires imposition of jizya on Hindus, to show contempt and to humiliate the Hindus, and imposing jizya is a religious duty of the Sultan..

    {{p. 184. Quote -- The Sultan then asked, "How are Hindus designated in the law, as payers of tributes or givers of tribute? The Kazi replied, "They are called payers of tribute, and when the revenue officer demands silver from them, they should tender gold. If the officer throws dirt into their mouths, they must without reluctance open their mouths to receive it. The due subordination of the zimmi is exhibited in this humble payment and by this throwing of dirt in their mouths. The glorification of Islam is a duty. God holds them in contempt, for he says, "keep them under in subjection". To keep the Hindus in abasement is especially a religious duty, because they are the most inveterate enemies of the Prophet, and because the Prophet has commanded us to slay them, plunder them,  enslave them and spoil their wealth and property. No doctor but the great doctor (to whose school we belong, has assented to the imposition of thejizya (poll tax) on Hindus. Doctors of allow no other alternative but Death or Islam."  }   

    যাহারা এই ট্যাক্স দেবার ক্ষমতা রাখত না ………তাদের পরিবার কে দাস হিসাবে বিক্রি করে দেওয়া হত বা তারা মুসলিম ধর্মে  convert করা হত  ১৪০০ শতক এ ফিরোজ শাহ তুঘলক এই ট্যাক্স সমগ্র হিন্দুদের জন্য চালু করেন ( আগে শুধু ব্রাম্ভন দের কাছ থেকে নেওয়া হাত)

    পরবর্তী কালে  akbar এই ট্যাক্স উঠিয়ে নিলেও ঔরেন্গ্জেব আবার এই ট্যাক্স পুন : প্রাঠিস্তিত  করেন .এ সময়কার ইতিহাস একটু খোজ করুন পেয়ে যাবেন ..কি ধরনের অত্যাচার  হয়েছিল . এই সময়েই ভারত এ সবচেয়ে বেশি ধর্মান্তকরণ হয়েছিল 

                           আপনাদিগের  মন ধর্মীয় বিদ্বেষ এ পূর্ণ .তাই আপনার মানে হয়ছে ঠেস দেওয়া তাই এই অদ্ভুত ইতিহাস  এর  প্রস্তাবনা  .. এটা কোনো ধর্ম সমলোচনা নয় . আমি বড় এটা প্রমান করার জন্য অন্যকে ছোট করার প্রয়োজন  হয় না …এ গুলো রাজ কাহিনী …..ধর্মের সাথে সম্পর্ক নাম মাত্র …..আর তা ছাড়া আমি হিন্দু আমাকে কোনদিন প্রমান করতে হয় না আমদের ধর্ম প্রাচীন কাল থেকে ই বিশুদ্ধ ঘি …আমরা ৬০০০ সালের থেকেও প্রাচীন ধর্মের অধিকারী……আমরা ক্রমাগত RE-FORM এর মধ্যে দিয়ে আজ এখানে  পৌঁছেছি .আমরা ধর্মান্তকরণ এ বিশ্বাস করি না …আমদের  শ্রেষ্ঠ প্রমান করতে হয় না 

    যদি তুলনা করতে হয় খির্স্টান দের সাথে করুন আপনারা আব্রাহাম . আমরা সনাতনধর্মী আমদের ভিতরকার ব্যাপার  আপনাদের বোধ এর বাইরে. 

      

    1. 9.1
      মাহফুজ

      মি. আনিন্দ্য রায়,

      শুধুমাত্র সমাজে প্রচলিত রীতি-নীতি বা প্রথা এবং ঐতিহাসীক ঘটনার উপর নির্ভর করে কোন ধর্মের মৌল বিধানের সত্যতা যাঁচাই করা মোটেও ঠিক নয়। স্বাথবাদীরা অনেক সময় ধর্মীয় বিধানের নামে সমাজের মাঝে বাড়াবাড়ি ও স্বার্থ হাসিলের অপচেষ্টা করে থাকে। কিন্তু তাই বলে তাদের সেই অসৎ উদ্দেশ্যকে কখনই ধর্মের সাথে গুলিয়ে ফেলা যুক্তিসঙ্গত নয়। কোন ধর্মের বিধান সম্পর্কে জানতে হলে সেই ধর্মের মৌল গ্রন্থে সে বিষয়ে কিরূপ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে তা অবশ্যই জেনে নিতে হবে।  
      ‘স্তন কর' বা 'Breast Tax’- হিন্দু ধর্ম গ্রন্থের বিধান নয়। এটি মনুষ্য উদ্ভাবিত একটি বর্ণবাদী জুলুম প্রথা। ইতিহাসে এর প্রমাণ থাকলেও হিন্দু ধর্মের সাথে সরাসরি এটিকে সম্পৃক্ত করা মোটেও যুক্তিসঙ্গত ও সঠিক নয়। বরং এর সাথে হিন্দু ধর্মকে জড়িয়ে বক্তব্য প্রদান করা হলে তাতে সত্যের অপলাপই হবে।
      তেমনি 'জিজিয়া'- ইসলাম ধর্মের মৌল গ্রন্থ আল-কোরআন নির্দেশিত একটি বাস্তবসম্মত বিধান। আর ইতিহসের পাতা ঘাটলে এটির অপব্যবহার সম্পর্কেও হয়ত একপেশে কিছু তথ্য মিলতেই পারে। কিন্তু তার উপর ভর করে জিজিয়া' সম্পর্কে বিভ্রান্তিতে থাকা ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দেয়া মোটেও ঠিক নয়।
      জিজিয়া সম্পর্কে জানতে হলে এখানে আমন্ত্রণ- 'কিতাল বা যুদ্ধ', 'সন্ধি' এবং 'জিজিয়া'

      1. 9.1.1
        অনিন্দ্য রায়

        i m not interested about any HOLY BOOK.i talking about only HISTORY.and i forwareded my letter to S M RAIHAN . 

        যিনি ইতিহাস কে বিকৃত করে মৌলবাদী ধারনার প্রসার করছেন.অভিজিত রায় আমাদের দেশের নাগরিক নন এবং আমাদের জন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ বাক্তি নন .কার প্রতি কোনো বাক্তি গত আক্রোশ থাকলে সেটা বাক্তিগত রাখলে ভালো হয় . অন্য ধর্মের অবমাননা না করলেই ভালো . আর আমি তো আপনের ধর্মের কোনো সমলোচনা করি নি . আমার প্রয়োজন হয় না .শুধু মাত্র মিথ্যা তথ্য দেবেন না 

    2. 9.2
      এম_আহমদ

      আবারও অপ্রসঙ্গ, আবারও অভিজিতের ইসলাম বিদ্বেষ ও ধূর্তামি বাদ দিয়ে জিজিয়া।

      আপনি স্পষ্টত অভিজিতের বৈশিষ্ট্য বহন করছেন। অভিজিত নিজেরটা বাদ দিয়ে তাকাচ্ছিল হাইপেশিয়ার দিকে আর আপনি তাকাচ্ছেন জিজিয়ার দিকে! 

      জিজিয়া ছিল রাষ্ট্র-ব্যবস্থা পরিচালনায় ন্যায্য কর ব্যবস্থা। রাষ্ট্রীয় কর না দিলে রাষ্ট্রের আইন আজও শাস্তির ব্যবস্থা করে। ঘরবাড়ি নিলাম করে। তবে কারও মুখে কাদা নিক্ষেপের কোন আইন প্রণীত হয়ে থাকলে, সেটা মন্দ। তবে কাদা নিক্ষেপ সরকারী ফরমান হলে সেদিনের আইনের উল্লেখ দেখিয়েই করতে হবে। কোথাও কোন অন্যায় আচরণ (malpractice) হয়ে থাকলে তা নিয়ম ছিল বলা যায় না। মুসলিম আমলের প্রশাসনিক, দেওয়ানী ও ফৌজদারি আইনের নথিপত্র এখনো ভারতবর্ষে বিদ্যমান এবং আইনের অঙ্গনে এগুলোর আলোচনায় এখনো আসে। তাছাড়া ভারতের বাদশাহগণ ইসলামের খলিফার মতো ছিলেন না, বাদশাহ ছিলেন, স্থানভেদে তাদের হাতে শরিয়ার অনেক বিচ্যুতি হয়েছে। অধিকন্তু সংখ্যা গরিষ্ঠ হিন্দু প্রজা, হিন্দু রাজা ও রাজ্য, এবং হিন্দু সেনাপতিদের সমন্বয়ে সজ্জিত রাষ্ট্র-ব্যবস্থায় পূর্ণ শরিয়া প্রবর্তনের উপায় ছিল না। হিন্দু রাজারা আবহমান কাল থেকেই ছিল প্রজা নির্যাতক। বিদ্বেষী হিন্দুরা মুসলিম-শাসন আমলের হিন্দু রাজাদের অত্যাচার নির্যাতনকে মুসলিম শাসকদের উপর চাপিয়ে মিথ্যাচার করেছে এবং এখনো করছে। আপনি বলেছেন, “আমরা সনাতনধর্মী, আমাদের ভিতরকার ব্যাপার  আপনাদের বোধ এর বাইরে।” সত্য বলেছেন। ব্যাপারটা এখানেই, আপনারা এক বিস্ময়কর species.     

      নিয়ম মোতাবেক জিজিয়া কারো সামর্থ্যের ঊর্ধ্বে নির্ধারিত হয় না, তাছাড়া নারী, শিশু, প্রৌড়, বৃদ্ধ, বিকলাঙ্গদের উপর জিজিয়া নেই।  আজ এখানে বসে সেকালের কোন কোন পরিবার বা গোত্রের উপর কোন কোন সামর্থ্যের ভিত্তিতে কোন ধরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল, (যদি হয়েই থাকে), তবে সেই বিষয়ের ন্যায্যতা/অন্যায্যতা আলোচনা করতে হলে সেই নাগরিকদের সামর্থ্য ও তৎসংশ্লিষ্ট পূর্ণ তথ্যাদি সামনে আনার প্রয়োজন হবে। আজকের সরকার যেমন, কালদের বাদশাহও তেমনি অন্যায্য কর আরোপণে বিদ্রোহের ভয় থাকত। অধিকন্তু প্রজা-সম্প্রদায় সংখ্যাগরিষ্ঠ হলে সেই ভয় থাকত আরও বেশি। কেউই প্রজা বিদ্রোহ চায় না। তাছাড়া অভিজিত সম্পর্কিত এই ব্লগটি জিজিয়ার গাল-গল্প ও হিন্দুদের বানোয়াট অভিযোগ আলোচনার স্থান নয়। ধান ভানতে শিবের গীত কেবল শিবের পূজারীরাই গাইতে পারে।  কোথায় স্তনাবরণ-কর আর কোথায় জিজিয়া!

      জিজিয়াতে অসভ্য স্তনাবরণ-করের মত কিছু নেই। যদি থেকে থাকত তবুও জিজিয়া উল্লেখে স্তনাবরণ করের ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠিত হয় না। কারও মন্দ কাজ অপরের মন্দের জাস্টিফিকেশন নয়। জিজিয়ার ব্যাপারে আপনার অভিযোগ থাকলে তা অভিযোগই, আমরা সেই অভিযোগ প্রতিপাদন করব, আমাদের এই প্রাচীন প্রথার সমর্থনে দলিল ও যুক্তি উত্থাপন করব। এটা কখনো স্তনাবরণের সমতুল্য নয়। আপনি কি স্তনাবরণ-করের সমর্থক হবেন? এর পক্ষে দলিল ও যুক্তি উপস্থাপন করবেন? যদি না হয়, তবে এখানে তুলনার কিছু নেই। যা অসভ্য তা মেনে নিন। এটা হিন্দু সমাজ ও ধর্মের সাথে সংশ্লিষ্ট কী না সেটা পরে দেখা যাবে।

      কোনো অসভ্য অতীতের কথা শুনে আপনার মুখ যদি লজ্জায় রক্তিম হয়ে উঠে তবে আমি বলব এটা এভাবে হওয়ার দরকার নেই। অতীত তো অতীতই। আপনাদের অতীতে সতীদাহ প্রথাও ছিল। সম্পদে নারীর অধিকার ছিল না। যেসব আচরণ অসভ্য ছিল তা ধীরে ধীরে বর্জন করে সভ্যতায় পদার্পণের চেষ্টা করছেন, এটা ভাল লক্ষণ, যদিও মুসলিমরা আপনাদের দেশে এখনো নিপীড়িত। বাবরি মসজিদের কথা বাদ দিলেও, গরু কোরবানির কারণে মুসলিম হত্যা, নির্যাতন, নিগ্রহ হয়, (যদিও গোটা বিশ্বজোড়ে গো-দেবতা রোস্ট হয়ে মানুষের পেট ভর্তি হচ্ছে কিন্তু অন্য কোথাও আপনাদের রা করার সাহস নেই), এবং কর্ম সংস্থানে বৈষম্য ইত্যাদি দূর করে আরও সভ্য হলে নিশ্চয় তা প্রশংসার বিষয় হবে। সভ্যতা ৩/৪ হাজার বছর পরে আসলেও মন্দ কীসের? তবে সমাজের যেসব অবস্থা ও বাস্তবতা নিত্যনৈমিকভাবে সংবাদ পত্রে ও সামাজিক মিডিয়ায় প্রকাশ পায় সেগুলো কাকের মত চোখ বুজে নিলেই গোপন হয়ে যায় না।

      এবারে ধর্ম ও সমাজের সংশ্লিষ্টতা দেখা যাক। আমাদের ধর্মের আলেম ও আপনাদের ধর্মের ব্রাহ্মণ-পুরোহিত এবং খৃষ্টিয়ান ধর্মের পোপের অবস্থান এক নয়। আমাদের আলেম ধর্মীয় সংস্কার আনতে পারে না –যা কোরান ও সুন্নাতে আছে সেটাই অপরিবর্তনীয়। যতটুকু দেখা যায় তাতে পোপ ও ব্রাহ্মণ ধর্মীয় সংস্কার করতে পারে। ব্রাহ্মণ ধর্মীয় প্রথায় অবিচ্ছেদ্য অংশ। ব্রাহ্মণের এই অবিচ্ছেদ্য ভূমিকা, ক্ষমতা ও অবস্থান ঘিরে প্রতিষ্ঠিত ছিল স্তনাবরণ-করের সমাজ ও ধর্মীয় সংশ্লিষ্টতা। এটা ছিল ধর্মীয় বর্ণবাদের প্রসারিত অংশ। এখানে অজয় শেখরের  (a teacher of English at the Tirur centre of Sree Sankaracharya University of Sanskrit) বাক্যটি দেখুন, (লিঙ্কগুলো তো মনে হয় দেখেন নি) যেখানে তিনি এই বর্বর করের ব্যাপারে বলছেন, “Avarnas were casted away and humiliating untouchability practices were imposed on them because of their Buddhist genealogy and resistance to Brahmanic Hinduism. লিঙ্ক। এখানে ধর্ম ও সমাজ আসল না কিভাবে? আপনি বরং অজয় শেখরদেরকে ভারতের ইতিহাস আপনাদের কাছ থেকে পুনরায় পাঠ করার আহবান করুন। আর সামাজিকভাবে দেখলে, এই বর্বর প্রথাটি মুসলিম, খৃষ্টিয়ান বা ইয়াহুদী সমাজের সাথে সংশ্লিষ্ট হয় না, হিন্দু সমাজেই হয়। সুতরাং এখানে ধর্ম, বর্ণবাদ ও সামাজিক সম্পর্ক অস্বীকার করার উপায় নেই। বাংলাদেশে কী ইতিহাস পড়ানো হয় তা বাদ দিয়ে ভারতে কী পড়ানো হয় তা নিয়েই চিন্তা করুন। আপনি ভারতের ইতিহাস পাঠ করেই বলেছেন, “বাঙ্গলাদেশ তো মাত্র ৪০-৫০ বছর ….তার আগে তো  …ওটা ইন্ডিয়া”। এমন ইতিহাস বাংলাদেশে না পড়ালেই ভাল। আর সিনেমা কম দেখে ইতিহাসের প্রামাণ্য পুস্তকাদি পাঠই ভাল মনে হয়।

      অবশেষে, এই ভারতবর্ষে হিন্দু ধর্ম কোন সভ্যতার নজির স্থাপন করেছে তার অতীত ও বর্তমান বাস্তবতা পাঠক মহলের জানা। আপনি সাফাই গাওয়ার কিছু নেই এবং আমরাও কোন অন্যায় কথা বললে এমনিতেই আপনার ধর্মের বাস্তবতা ভিন্ন হয়ে উঠে না। সুতরাং এই বিশেষ ব্লগের প্রসঙ্গ সামনে রেখেই সকল আলোচনা নিবদ্ধ রাখুন। অভিজিতকে বাদ দিয়ে এখানে কোন আলোচনাই নেই। এরপর অপ্রাসঙ্গিক কথা বাড়ালে আমি লেখককেই তা handle করতে অনুরোধ করব।

      ধন্যবাদ।

      1. 9.2.1
        অনিন্দ্য রায়

        m, ahamed,

        …i have nothng to do with u statement …i just dont care u . i have nothing wht u believe  & wht u not .just dont do propaganda.

                                                                                                          my best wishes with u 

  3. 8
    অনিন্দ্য রায়

    আপনি যেটা বলছেন সেটা হিন্দুধর্মের সাথে কোনো যোগ নেই …এটি ঘটেছিল  TRANCORE নামক একটি রাজ্যএ …ভারতবর্ষের অন্য কোনো রাজ্যে এ ধরনের কোনো ট্যাক্স ছিল না 

    .জিজিয়া ট্যাক্স সমন্ধে  আলোচনা করলে ভালো হয় 

    1. 8.1
      এম_আহমদ

      জিজিয়া ট্যাক্স সমন্ধে  আলোচনা করলে ভালো হয়

      আশ্চর্য তো! এখানে স্তন অনাবৃত রাখা এবং স্তনাবরণের কর নিয়ে নারী-অবমাননা, ও হিন্দু সমাজের একটি শ্রেণীর উপর চালিত অমানবিকতার যে চিত্রটি এসেছে তা ওপর একটি বিশেষ প্রসঙ্গে এসেছে, নিছক হিন্দু ধর্ম আলোচনা নিয়ে নয়। সহজেই লক্ষণীয় যে হিন্দু সমাজের এই নির্মম অতীতটি অভিজিৎ রায় প্রসঙ্গে উদাহরণ হিসেবে এসেছে। নিজ সমাজ-সম্প্রদায়ে ভূলুণ্ঠিত মানবতার স্তূপীকৃত কাহিনীতে উদাসীন থেকে হাইপেশিয়ার কাহিনী অতিরঞ্জন করে মানব-প্রেমের হাস্যকর 'মায়াকান্নায়', তার যে ইসলাম বিদ্বেষ ও ধূর্তামি প্রকাশ পেয়েছে, এখানে সেই মুখোশটি উন্মোচিত হয়েছে।  লেখাটি পড়ে আপনি হয়ত আপনার সমাজ ও ধর্মের ব্যাপারের বিব্রত অথবা আহত অনুভব করেছেন, না হলে, এখানে জিজিয়া টানেন কিভাবে? জিজিয়া উল্লেখ করলেই কি এই নোংরা প্রথা হাল্কা হয়ে যায়?

      রাষ্ট্র ব্যবস্থায় সবদিন নাগরিকগণ কর দিত। মুসলমানরা ধর্মীয় প্রথায় জাকাত দিত (এবং এখনো দেয়) এবং অমুসলমানরা, অনেক অঞ্চলে, জিজিয়া দিত। আবার অমুসলমানরা রাষ্ট্রের আর্ম-ফোর্সের সাথে এবং এডমিনিস্ট্রেশনে শরীক হলে জিজিয়া মওকুফের বিধানও ছিল। আধুনিক রাষ্ট্রের প্রকৃতি ভিন্ন হওয়ায় মুসলিম রাষ্ট্রেও জিজিয়ার ব্যবহার নেই, কেননা সবাই আয়কর দেয়, এটা জাকাত ও জিজিয়া থেকে ভিন্ন। 

      জিজিয়ার সাথে স্তনাবরণ-করের দূরতম কোনো সম্পর্ক নেই। এমন কিছু কেউ এই দুনিয়ায় শুনেও নি। স্তনাবরণ-কর ছিল একটি চরম অসভ্য এবং অমানবিক বিষয়। এখানে তুলনার কিছু নেই। সুতরাং এখানে "জিজিয়া ট্যাক্স সমন্ধে  আলোচনা করলে ভালো হয়" –আপনার এমন উক্তি উদ্ভট থেকে যায় কিন্তু এর ঠেসা ও কারণ স্পষ্ট।

  4. 7
    মুনিম সিদ্দিকী

    এককালে নিম্ন শ্রেনীর নারীদের স্তন খোলা থাকা স্বভাবিক ছিলো। বরং এর দ্বারা অভিজাত নারীদেরকে আলাদা ভাবে পরিচিত করত। তখনকার সমাজ ব্যবস্থায় তা স্বাভাবিক ছিলো। তবে ভারত ছাড়া অন্য কোথাও স্তন ট্যাক্স ছিলো কিনা তা জানা যায়না।

    1. 7.1
      মাহফুজ

      যারা লজ্জাহীন তারাই স্তন/ লজ্জাস্থান ঢাকতে চান না। তারা আগেও যেমন ঢাকতেন না, তেমনি এখনও ঢাকেন না। আর যারা লজ্জাশীলতা রক্ষার জন্য ঢাকতে চাইতেন, তারা সব সময়েই যে কোন উপায়েই হোক না কেন, ঢাকার চেষ্টাই করতেন।

      আদি কালে কি আমাদের পূর্ব সূরীরা লজ্জাস্থান ঢাকার জন্য পাতা ও পশুর চামড়া ব্যবহার করতেন?

  5. 6
    শিবলিঙ্গ

    যারা লিঙ্গ পূজা গরু পূজা করে এই একবিংশ শতাব্দীতে এসেও, তারা  যে  এমন কাজ করতে পারে তার জন্য আর প্রমানের দরকার কি ?

  6. 5
    কিংশুক

    ওরা খুব চালাক। মুক্তমণা ব্লগেই সুজিত দাসরা মনের মাধুরী মিশিয়ে চাতুর্যতার সাথে ইসলাম বিদ্বেষ প্রচার করার সাথে সাথে  হিন্দুদের দেব দেবী দের উপন্যাস,  কাব্য, নাচ গান, সিনেমা, কার্টুনের মনোহর উদাহরণ টেনে হিন্দু কাল্পনিক, উদ্ভট, হাস্যকর, বাস্তবতা ঐতিহাসিকতা, বিজ্ঞান তো অবশ্যই সাধারণ জ্ঞান বিরোধী গাঁজা ধর্ম, গাঁজা  কৃষ্ণ ইশ্বরকে শ্রেষ্ঠ ধর্ম, শ্রেষ্ঠ দর্শণ হিসাবে প্রচার করতো। ভন্ডজিৎ রায়রা এরপরও  তাদের প্রতারনার কৌশলে হাজার হাজার খৎনাধারী মফিজদেরকে 'বাকরা' বানিয়ে হিন্দু প্রেমী ইসলাম বিদ্বেষী বানাতে পেরেছে।

  7. 4
    সত্য সন্ধানী

    হাইপেশিয়ার কাহিনী জানতাম, কিন্তু নাঙ্গেলীর কাহীনি আজ প্রথম জানলাম আপনার লেখা পড়ে রায়হান ভাই। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। চক্রবর্তী মশাইরা সদালাপ ব্লগ পড়ে কিনা জানা নাই। পড়ার পর এদের প্রতিক্রিয়া কি হয় জানার খুব ইচ্ছা হচ্ছে 🙂  এমন লেখা আরো লিখুন,সবাই জানুক ব্রাহ্মণদের বর্বরতা সম্পর্কে। আল্লাহ আপনার সহায় থাকুন, আমীন।

  8. 3
    shahriar

    Jajak-allah, for share the said info.

  9. 2
    সানজিদ সরকার

    লেখাটা পড়ে খুব ভালো লাগল। অনেক গবেষণা করেছেন। বাংলার কিছু ভণ্ড ইসলামবিদ্বেষী 'নাস্তিক', 'বিজ্ঞানমনস্ক' বেশ ধরে কি কৌশলেই না ভণ্ডামী করে যাচ্ছে। 'কথিত' কথা দিয়ে মুহাম্মদ(সঃ)-এঁর জন্মের পূর্বে এক হত্যাকান্ডকে কি সুন্দরভাবেই না 'ইসলামিক মৌলবাদী' বলে প্রচার করা হলো। অন্যদিকে ব্রাহ্মণদের এসব অমানবিক প্রথাকে এড়িয়ে গিয়ে নিজের দ্বি-মুখী নীতি এবং মুখোশ উন্মোচন নিজেই প্রকাশ করে গেলেন অভিজিৎ রায়।

  10. 1
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    জীবন্ত পুড়িয়ে মারা থেকে জলে বিসর্জন দেওয়ার মতো নানান ধরণের অমানবিক কাজ করেছে ব্রাহ্মণরা। অভিজিৎ এই জন্যে কোথাও কোন টু শব্দও করতো না। ভারতে ব্রাহ্মণদের প্রভাব নষ্ট করেছে ইসলাম -- অভিজিৎদের রাগের কারণ সেইটাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published.