«

»

Apr ১৩

স্বর্গীয় আইন-কানুন ও আদেশের দেবী থেমিসের প্রতি মুক্তমনা-বিগ্যানমনস্ক ছাগুলারদের অন্ধ সমর্থন!

গ্রিক পুরাণে থেমিস ছিলেন বারোজন টাইটানদের একজন। তিনি ছিলেন স্বর্গীয় আইন-কানুন ও আদেশের টাইটান দেবী। থেমিসের সাথে দেবরাজ জিউসের মিলনে তিনজন নিয়তিদেবী ও তিনজন ঋতু ও সময়ের দেবীর জন্ম হয়। [উইকিপিডিয়া]

ভারত-বাংলায় এতো দেবী থাকতে গ্রীক পুরাণের 'স্বর্গীয় আইন-কানুন ও আদেশের দেবী' থেমিসকে কৌশলে 'ভাস্কর্য' আখ্যা দিয়ে 'ন্যায়ের প্রতীক' হিসেবে সুপ্রীম কোর্টের সামনে বসানোর জন্য একটি মহল উঠেপড়ে লেগেছে। তাদের কথাবার্তা শুনলে মনে হবে যেন এইটা তাদের নিজ ধর্মের দেবী! সেই দেবী তাদেরকে স্বর্গে নিয়ে যাবে! কাজেই সেই দেবীকে নিয়ে কেউ কিছু বললে তার কল্লা ফালানোও হতে পারে। তাদের শক্তি-সামর্থ থাকলে ঠিকই কল্লা ফালাতো। কিন্তু মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন হচ্ছে:

১মত – ভারত-বাংলায় অসংখ্য দেবী থাকতে গ্রীক দেবীকে 'ন্যায়ের প্রতীক' হিসেবে আমদানি করা হচ্ছে কেন? দেশী কোনো দেবীকে 'ভাস্কর্য' ও 'ন্যায়ের প্রতীক' আখ্যা দিতে সমস্যা কী ছিল? তার মানে কি এটাই প্রমাণ হচ্ছে না যে, ভারত-বাংলার দেবীরা সব অন্যায়ের প্রতীক? কিন্তু সেটা তারা ভুলেও কখনো স্বীকার করবে না! এইটা হচ্ছে তাদের চালাকি। তারা যদি লিখিতভাবে এই ঘোষণা দিতে পারে সেক্ষেত্রে দেবী থেমিসকে নিয়ে আমার কোনো আপত্তি নেই।

২য়ত – গ্রীক দেবীকে নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই পৌত্তলিকদের কোনো সমস্যা থাকবে না। প্রয়োজনে তারা গ্রীক দেবীকেও নিজ ধর্মের দেবী বানিয়ে নিতে পারে। কিন্তু 'স্বর্গীয় আইন-কানুন ও আদেশের দেবী'কে নিয়ে 'নাস্তিক-মুক্তমনা-বিগ্যানমনস্ক' দাবিদার ছাগুলারদের এতো লাফালাফি করার পেছনে কী কারণ থাকতে পারে, ফ্র্যান্স? সম্প্রতি শেখ হাসিনা গ্রীক দেবীকে অপসারণের কথা বলাতে ছাগুলারদের লেঞ্জায় আগুন লেগে গেছে! তারা শেখ হাসিনাকে আচ্ছামতো গালিগালাজ করছে! গ্রীক দেবীকে নিয়ে ছাগুলার ধার্মিকদের এই ধরণের চরম প্রতিক্রিয়াশীল মাতামাতি আর লাফালাফিই প্রমাণ করছে যে, তারা আসলে 'নাস্তিক-মুক্তমনা-বিগ্যানমনস্ক'রূপী পেগ্যান। পৌত্তলিকদের সাথে তাদের কোনো পার্থক্য বা মতবিরোধ নেই। লক্ষ্য করলে দেখা যাবে, যা কিছু ইসলাম-বিরোধী কিংবা মুসলিমরা যা কিছুর বিরোধীতা করে – পৌত্তলিক ও ছাগুলাররা (স্যেকুলার না) একজোট হয়ে সেগুলোর পক্ষে অবস্থান নেয়। প্রতিটা ক্ষেত্রে একই অবস্থা। বাংলা বর্ণমালা শেখার জন্য শিশুরা "ও-তে ওড়না চাই" বললে পৌত্তলিকদের সাথে ছাগুলারদেরও জাত যায়! অথচ একই শিশুদের দিয়ে রথ টেনে নিতে ছাগুলারদের কোনো সমস্যা নেই! তাহলে 'নাস্তিক-মুক্তমনা-বিগ্যানমনস্ক' সেজে এতো লুকোচুরি খেলার কী আছে বাবা! সততার সাথে নিজেদেরকে একই ধর্মের ঘোষণা দিলেই তো ল্যাটা চুকে যায় – তাতে বরং শক্তি-সামর্থ আরো বৃদ্ধি পাবে। কিন্তু সেটাও তারা করবে না। আজীব এক প্রজাতি বটে!

৩য়ত – তারা নিজেরা ছাড়া বাকি সকলকে 'অগা-মগা' ভেবে 'যুক্তি' দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করছে এই বলে যে, ভাস্কর্য আর মূর্তি এক নয়। আরে বাপু! কেউ তো কোথাও বলে নাই যে, ভাস্কর্য আর মূর্তি এক জিনিস! কিন্তু দেবী থেমিস কি ভাস্কর্য না মূর্তি? দেবী থেমিস যদি ভাস্কর্য হয় তাহলে দেবী দূর্গা ও দেবী সরস্বতী ভাস্কর্য হবে না কোন্‌ যুক্তিতে? এর ব্যাখ্যা কি তারা দিতে পারবে?

যাইহোক, ভাস্কর্য আর মূর্তির মধ্যে পার্থক্য দেখিয়ে তারা নিজেরাই কিন্তু ইসলাম ও মুসলিমদের মূর্তি-বিরোধী অবস্থানকে সমর্থন করছে! এই কথা যেন মনে থাকে! তবে গ্রীক দেবীকে কৌশলে 'ভাস্কর্য' আখ্যা দিয়ে আমদানির পেছনে কারণগুলো নিম্নরূপ হতে পারে:

– গ্রীক দেবীকে আমদানির নেপথ্যে যারা আছে তারা খুব ভালো করেই জানে যে, এর কারণে বাংলাদেশে মিছিল-টিছিল থেকে শুরু করে অপ্রীতিকর কোনো ঘটনাও ঘটে যেতে পারে। এই সুযোগে আলুপোড়া খাওয়া যাবে।

– ভারত-বাংলার কোনো দেবীকে 'ভাস্কর্য' আখ্যা দিয়েও সুপ্রীম কোর্টের সামনে বসানোর কৌশলগত সমস্যা আছে। এজন্য অত্যন্ত সুকৌশলে গ্রীক দেবীকে আমদানি করা হচ্ছে। এর নেপথ্যে আছে ডঃ অজয় রায়ের মতো কিছু বুদ্ধিজীবী।

"ভাস্কর্য আর মূর্তি এক নয়… ইসলাম ধর্ম শান্তির ধর্ম, মানবতার ধর্ম।" – অজয় রায়

আর তাদের সমর্থনে আছে ইসলাম-বিরোধী ছাগুলার সম্প্রদায়। দেবী থেমিসের ডিফেন্সে বঙ্গাল ইসলাম-বিদ্বেষীদের স্প্রিচুয়াল গুরুজী ডঃ অজয় রায়ের মুখে আজ এ কী কথা শোনা যায়! ইসলাম-বিদ্বেষীদের কাছে ডঃ অজয় রায়ের এই দাবি "ইসলাম ধর্ম শান্তির ধর্ম, মানবতার ধর্ম" তো ডাহা মিথ্যাচার হওয়ার কথা! তারা ডঃ অজয় রায়ের উপর এতক্ষণেও হামলে পড়েনি কেন, তা বেশ সন্দেহজনকই বটে! আপাতত এইটা ইসলাম-বিদ্বেষীদের জন্য একটি লিট্মাস টেস্ট হয়েই না-হয় থাক!

– মোটের উপর ছাগুলারদেরও তো দু-একটি দেব-দেবী দরকার! কিন্তু ভারত-বাংলার দেব-দেবীতে 'নাস্তিক-মুক্তমনা-বিগ্যানমনস্ক' দাবিদারদের ইট্টু সমস্যা আছে আরকি!

– গ্রীক দেবীকে 'ভাস্কর্য' আখ্যা দিয়ে সমর্থন করে একদিকে নিজেদেরকে পোরগতিশীল হিসেবে দেখানো যাবে, অন্যদিকে আবার যারা তার বিরোধীতা করবে তাদেরকে আরো একবার 'মৌলবাদী, প্রতিক্রিয়াশীল' ইত্যাদি বলা যাবে। কী মজা! কী মজা!

– এতে তাদের বাঙ্গালিত্বের অনুভূতিতেও কোনো আঘাত হানবে না, যেহেতু তারা গ্রীক সভ্যতাকে আমদানি করছে!

– সেই 'ভাস্কর্য'রূপী গ্রীক দেবীর গায়ে শাড়ি পরিয়ে দিয়ে বাঙালি দেবীর একটা অবয়ব দেওয়া হয়েছে। ফলে মুখে থাকবে 'ভাস্কর্য', আর অন্তরে হয়তো থাকবে কোনো বাঙালি দেবী! দুধের সাধ ঘোলে কিংবা ঘোলের সাধ দুধে মিটানো আরকি!

৭ comments

Skip to comment form

  1. 7
    Faisal

    গ্রীক দেবীকে নিয়ে
    স্বাভাবিকভাবেই পৌত্তলিকদের
    কোনো সমস্যা থাকবে না। প্রয়োজনে
    তারা গ্রীক দেবীকেও নিজ ধর্মের
    দেবী বানিয়ে নিতে পারে। কিন্তু
    ‘স্বর্গীয় আইন-কানুন ও আদেশের
    দেবী’ কে নিয়ে ‘নাস্তিক-মুক্তমনা-
    বিগ্যানমনস্ক’ দাবিদার ছাগুলারদের
    এতো লাফালাফি করার পেছনে কী
    কারণ থাকতে পারে, ফ্র্যান্স? সম্প্রতি
    শেখ হাসিনা গ্রীক দেবীকে
    অপসারণের কথা বলাতে ছাগুলারদের
    লেঞ্জায় আগুন লেগে গেছে! তারা
    শেখ হাসিনাকে আচ্ছামতো
    গালিগালাজ করছে! গ্রীক দেবীকে
    নিয়ে ছাগুলার ধার্মিকদের এই ধরণের
    চরম প্রতিক্রিয়াশীল মাতামাতি আর
    লাফালাফিই প্রমাণ করছে যে, তারা
    আসলে ‘নাস্তিক-মুক্তমনা-
    বিগ্যানমনস্ক’রূপী পেগ্যান।
    পৌত্তলিকদের সাথে তাদের কোনো
    পার্থক্য বা মতবিরোধ নেই।

  2. 6
    সজল আহমেদ

    কালকে একটা ঘটনা ঘটলো।উচ্চস্বরে হেসে উঠলাম!আম্মা বল্লেন কি-রে পাগল হইলি? আব্বা ও আম্মার সাথে সুর মিলালেন।আমি আব্বার সামনে ফোনটা এগিয়ে লাইনটা পড়তে বল্লাম।

    বর্ণমালা শেখার জন্য শিশুরা “ও-তে ওড়না চাই” বললে পৌত্তলিকদের সাথে ছাগুলারদেরও জাত যায়! অথচ একই শিশুদের দিয়ে রথ টেনে নিতে ছাগুলারদের কোনো সমস্যা নেই! তাহলে ‘নাস্তিক-মুক্তমনা-বিগ্যানমনস্ক’ সেজে এতো লুকোচুরি খেলার কী আছে বাবা!

    আমি তাঁকে আরো কিছু পয়েন্টে পড়তে বল্লাম।বল্লাম আব্বা ফোনটা টাচ দিয়া নিচের দিকে টান মারেন।উনি পয়েন্ট বাই পয়েন্ট পড়তে লাগলেন।

    – গ্রীক দেবীকে ‘ভাস্কর্য’ আখ্যা দিয়ে সমর্থন করে একদিকে নিজেদেরকে পোরগতিশীল হিসেবে দেখানো যাবে, অন্যদিকে আবার যারা তার বিরোধীতা করবে তাদেরকে আরো একবার ‘মৌলবাদী, প্রতিক্রিয়াশীল’ ইত্যাদি বলা যাবে। কী মজা! কী মজা!

    আব্বা হাঃ হাঃ করে হেসে উঠলেন।তারপর দুই বাপ বেটার হাসিতে আম্মা আশ্চর্য হলেন।তিনি আমারে হেতু জিজ্ঞেস করলে আমি আব্বার হাত থেকে ফোনটা নিয়ে পুরো লেখাটা গড়গড় করে পড়ে যাচ্ছিলাম।আম্মা যদিও বুঝছেন কিনা জানিনা(কারণ তিনি লেখকের কিছু শব্দের প্রয়োগে হাসছিলেন যেমন কিমজা!কিমজা! ছাগুলার ইত্যাদি) কিন্তু আব্বা আমারে মাঝেমধ্যেই কয়েক জায়গায় থামিয়ে দিয়ে হাসছিলেন আমিও(হাসি সংক্রমক কিনা!)।শেষে অাব্বা আমাকে বল্লেন এটা কি? আমি বল্লাম ব্লগ।আব্বা বল্লেন “এই পঁচানিগুলা কাদের দিছেরে? অজয়রে তো চিনি,মাঝে মধ্যেই টিভি তে দেখি।তাঁরে দিছে?”
    আমি বল্লাম, আব্বা এই পঁচানিগুলা যাদের দিছে তাগো গায়ের চামড়া এতো পুষ্ট যে সে চামড়া মানুষের না,গন্ডারের হইতে পারে!আব্বা আবার হো হো করে হেসে উঠলেন।

  3. 5
    শামস

    এদেশে ইসলামবিদ্বেষীদের পালের গোদা’র বাবা অজয় রায় যা বলছে তাতে প্রথমে টাস্কি খাবার জোগাড় হয়েছিল। সেও একজন মুক্তমনা, যারা ইসলামরে শান্তির ধর্ম বলে ব্যঙ্গ করে। অবশ্য মূর্তির পক্ষ নিয়ে সুগারপিল খাওয়ানোর কৌশল এটা তাই এতসব বলা, ভাবছে বেকুব মুসলিমরা এসব কেমনে বুঝে? হাসিনা থেকে শুরু করে সব বেকুব, তাদের ভাস্কর্য আর মূর্তির মধ্যে পার্থক্য নিয়ে শিক্ষা দেবার সময় হয়েছে। কিন্তু যাই বলেছেন, তার কথা কোটি করে রাখার মতো:

    “বর্ষীয়ান এই শিক্ষক বলেন, ইসলাম ধর্ম শান্তির ধর্ম, মানবতার ধর্ম। “

  4. 4
    সত্য সন্ধানী

    @এম ইউ আমান:
    ভাই

    ///তারা ডঃ অজয় রায়ের উপর এতক্ষণেও হামলে পড়েনি কেন, তা বেশ সন্দেহজনকই বটে!///
    প্রভুর পিতা যে, হামলা করার কোন কারন নেই। অন্যে কেউ হলে দেখতেন।

  5. 3
    সত্য সন্ধানী

    আসসালামু আলাইকুম রায়হান ভাই,
    সময়োপযোগী লেখাটির জন্য ধন্যবাদ।

    ///এজন্য অত্যন্ত সুকৌশলে গ্রীক দেবীকে আমদানি করা হচ্ছে। এর নেপথ্যে আছে ডঃ অজয় রায়ের মতো কিছু বুদ্ধিজীবী।///
    তাহলে ভুত আজকাল রাম নাম শুরু করেছে? যদি ইসলান এর কাছে শান্তির ধর্মই হয় তাহলে আজ এই কাল সাপ কে স্বীকার করা লাগবে যে এই শান্তির ধর্মের শত্রু তার নিজের ছেলে মুত্রমনা দের অভি প্রভু উচিত শিক্ষা পেয়েছে। সেটা কি সে করবে?

    ///আর তাদের সমর্থনে আছে ইসলাম-বিরোধী ছাগুলার সম্প্রদায়। দেবী থেমিসের ডিফেন্সে বঙ্গাল ইসলাম-বিদ্বেষীদের স্প্রিচুয়াল গুরুজী ডঃ অজয় রায়ের মুখে আজ এ কী কথা শোনা যায়!///

    দেশে শান্তি থাকলে তো এই সব জাত সাপ দের ভাল লাগার কথা না, তো এরা তো এখন নিজেরাই ইসলাম কে ব্যবহার করার চেষ্টা করেছে।
    বুশ যখন আফগানিস্তান আক্রমন করে তখন কিন্তু মুসলিম দেশ গুলি তাকে সমর্থন দিয়েছিল স্বাভাবিক ভাবেই।
    এক পর্যায়ে সম্ভবত বুশ বলে বসে যে আমেরিকা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ক্রুসেড ঘোষনা করেছে।
    এর পর মুসলিম দেশ গুলতে কিছু প্রতিক্রিয়া হয়, তাই সে বার বার ইসলাম শান্তির ধর্ন বলে মুখে ফেনা তোলা শুরু করে। এটা শুধু আমার স্মৃতি থেকে বলা কথা। যতদুর মনে হয় খবরেই শুনেছিলান বা খবরের কাগজে দেখেছিলাম। আমি তখন অনেক অল্প বয়সী, ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ করি।

    যা হোক অজয় রায় দের অবস্থা হয়েছে এমন। ফিৎনা ছড়ানোর মাল মশলা ডিফেন্ড করতেই ইসলামের সাফাই গাচ্ছে। আর এর মুত্রপান কারী কুকুর গুলো দেখেন নামে বেনামে ফেসবুকে মুসলিম দের শ্রাদ্ধ করে চলেছে।

    অভিজিৎ বেচে থাকলেও কি এইভাবে উদ্যশ্য মুলক ভাবে হলেও ইসলাম কে শান্তির ধর্ম বলত?
    বললে তার আদম ব্যবসার কি পরিনত হত?
    খবরে দেখলাম যে সে দাবী করেছে যে আমরা নাকি নারীদের রান্না ঘরের জীব বানিয়েছি। অথচ অসংখ্য মুসলিম মহিলা চাকুরী সংসার সামলানো সব এক সাথেই করে চলেছেন।

    এই অজয় রায় যে সেইসব মহিলাদের কে চাকরী করার পর রান্না না করে নাইট ক্লাবে যাবার পরামর্শ দেয়?

    নিজের বউ কেও কি সে ধরনের পরামর্শ দিয়েছে কিনা, বা তার মা নাইট ক্লাবের নাচনেওয়ালী কিনা সেটা জানা জরুরী! সে বলুক সামনা সামনি।

  6. 2
    এম ইউ আমান

    “ইসলাম-বিদ্বেষীদের কাছে ডঃ অজয় রায়ের এই দাবি “ইসলাম ধর্ম শান্তির ধর্ম, মানবতার ধর্ম” তো ডাহা মিথ্যাচার হওয়ার কথা! তারা ডঃ অজয় রায়ের উপর এতক্ষণেও হামলে পড়েনি কেন, তা বেশ সন্দেহজনকই বটে! আপাতত এইটা ইসলাম-বিদ্বেষীদের জন্য একটি লিট্মাস টেস্ট হয়েই না-হয় থাক!”

    দেখা যাক, ডঃ অজয় রায় ইসলাম শান্তির ধর্ম বলার পরে তারা একটু স্থির হয় কিনা। তাদের মনে কিছু শান্তি আসে কিনা।

  7. 1
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    টু দ্যা পয়েন্টে টার্গেট করছেন।

    আমার প্রশ্নও এই রকমের -- একটা বাচ্চা মেয়ে ওড়না চাইলে কাদের সমস্যা হয় -- এরা চায়না মেয়েরা ওড়না পড়ুক -- এইতো। নারী স্বাধীনতা মানে মেয়েদের ভোগের সামগ্রী বানানো। এইটাতেও নিশ্চয় “বিজ্ঞান” আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.