«

»

May ০৪

যে কারণে “মুক্তমনা” কাল্ট বিলুপ্ত হয়ে যাবে

'মুক্তমনা' কাল্ট-এর সদস্যদের মধ্যে মোটা দাগে দুইটা ছুপা গ্রুপ আছে। এরা আসল পরিচয় গোপন করে 'মুক্তমনা/নাস্তিক' পরিচয়ে লিখে। গ্রুপ দুটি হচ্ছে-

ছুপা বর্ণবাদী গ্রুপ: এরাই খাঁটি মুক্তমনা। এদের মধ্যে কিছু মোদিস্তানীয়ও আছে। এদের ধর্মের যেহেতু কোনো ভিত্তি নেই এবং নাস্তিকতাকেও যেহেতু ধর্মের অংশ বানিয়ে ফেলা হয়েছে সেহেতু এদের 'নাস্তিক' দাবি করতে এক মুহূর্তও সময় লাগে না! এই সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে 'নাস্তিকতা'র আড়ালে বাংলা অন্তর্জালে ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষের নেতৃত্বে আছে এরাই। বাংলাভাষী যতগুলো ইসলাম ও মুসলিম-বিদ্বেষী ব্লগ-সাইট-পেজ-গ্রুপ আছে সেগুলোর প্রায় সবগুলোর প্রতিষ্ঠাতাও এরাই। বাই এনি চ্যান্স, কোনোটার প্রতিষ্ঠাতা যদি এরা নাও হয় তথাপি সেখানে ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী আইডিগুলোর অধিকাংশই এদের। যেকোনো ইসলাম-বিদ্বেষী পোস্টে এদের লাইক-উপস্থিতিও সবচেয়ে বেশী থাকে, যদিও বাংলাদেশে এদের সংখ্যা মাত্র ৮-১০%। শুধুমাত্র এদের কারণেই খৎনাধারী ইসলাম বিদ্বেষীদের আইডিগুলো বছরের পর বছর ধরে টিকে আছে। এরা ছাড়া বাংলা অন্তর্জালে ইসলাম বিদ্বেষের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না। তবে তসলিমার সময়ে তসলিমা যেমন প্রায় একা ছিল – মাঝে মাঝে ইসলাম নিয়ে টুক-টাক কটূক্তি করতো – সে'রকম বিচ্ছিন্ন দু-চার জন থাকতে পারে। কিন্তু অভিজিৎ রায় যেভাবে মিশন্যারী স্ট্যাইলে বাংলাদেশে ইসলাম-বিদ্বেষের সূচনা করেছে, তেমন কিছু থাকবে না। এইটা একেবারে চ্যালেঞ্জ করা কথা।

খৎনাধারী বাম-কম্যুনিস্ট গ্রুপ: এদের মুক্তমনাত্ব নির্ভর করে – এরা ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে কতটা পারফর্ম করছে এবং সেই সাথে মোদিস্তান বা হিন্দুত্ববাদ বা রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে কিছু বলছে কি-না – তার উপর ভিত্তি করে প্রথম গ্রুপের দেওয়া সার্টিফিকেটের উপর! কারো লেখায় সামান্য পান থেকে চুন খসলেই তার খবর হয়ে যায় কিংবা তাকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়! এদের মধ্যে আবার মোটা দাগে দুইটা ভাগ আছে। ১. আদর্শবাদী (নামে হোক বা কামে হোক) বাম-কম্যুনিস্ট – এরা নাস্তিক হলেও ধর্মের বিরুদ্ধে সাধারণত ঘৃণা-বিদ্বেষ ছড়ায় না। কেউ কেউ বরং ঘৃণা-বিদ্বেষের বিরুদ্ধেই বলে। সেজন্য অভিজিৎ গং তথা খাঁটি মুক্তমনারা এদেরকে দুই চোখে দেখতে পারে না। খৎনাধারী হওয়ার কারণে সুযোগ পেলেই এদেরকে 'বামাতি', 'ভাম', 'বামছাগল', 'ছুপা মুসলিম নাস্তিক', 'আইএস', ইত্যাদি ট্যাগ দিয়ে গ্যাং আক্রমণ করা হয়। বাংলা অন্তর্জালে এই দৃশ্য অনেকেই দেখে থাকবেন। ২. উচ্ছিষ্টভোগী বাম-কম্যুনিস্ট – অভিজিৎ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার কারণে এরাও প্রচণ্ড রকমের ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী হয়। বর্ণবাদীদের সাথে তাল মিলিয়ে এরাও কথায় কথায় ইহুদী-খ্রিস্টানদের জুতার তলা চেটে মুসলিমদের দিকে থুথু ছিটায়। এদের একাংশ অ্যাসাইলাম ভিসা নিয়ে ইউরোপের কয়েকটি দেশে বসে স্বনামে ও নিজ ছবি-সহই ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে নিয়মিত ঘৃণা-বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে। এদের লেখা পড়ে অনেকেই এদেরকে ভুল করে 'আরএসএস-শিবসেনা' মনে করতে পারে!

এই দুটি গ্রুপ মিলে বাংলা অন্তর্জালে ইসলাম-বিদ্বেষীদের সংখ্যা প্রায় ৯৮-৯৯% হবে। এরা ছাড়া বাকি যে ১-২% আউটলায়ার আছে তারা ছাগলের তৃতীয় ছানার মতো প্রথম দুটি গ্রুপের পেছনে ভেঁউ ভেঁউ করে লাদি-বাবা স্ট্যাইলে লাদি ছড়ায়।

এটা সকলেরই জানার কথা যে, প্রথম দুটি গ্রুপের মধ্যে আদর্শগত বা নীতিগত কোনো মিল নেই। তাদের মধ্যে সম্পর্কটা বরং সাপে-নেউলে বা তেল-জলের মতো হওয়ার কথা। কাজেই তারা একজোট হয়ে কখনোই বেশীদিন টিকে থাকতে পারবে না, তাত্ত্বিকভাবে সেটা সম্ভব না। তাহলে তারা এতোদিন ধরে একজোট হয়ে থেকেছে বা থাকছে কী করে? এর পেছনে মূলত দুইটা কারণ আছে: ১. অভিজিৎ রায় এদের সকলকে 'মুক্তমনা' মোড়কে একজোট করে এক ঘাটে 'ইসলাম-বিদ্বেষী মূত্র' পান করিয়েছে, ২. বর্তমানে বাম-কম্যুনিস্ট হওয়ার প্রথম ধাপ যেহেতু ধর্মে অবিশ্বাসী বা নাস্তিক হওয়া সেহেতু বাম-কম্যুনিস্টরা নিজেদের স্বার্থেই অভিজিতের ইসলামের বিরুদ্ধে নাস্তিকতা প্রচারের মিশনকে সমর্থন দিয়েছে। এজন্য অভিজিৎ নিজে প্রচণ্ড রকমের অ্যান্টি-বাম ও মার্ক্সবাদের সমালোচক হওয়া সত্ত্বেও বাম-কম্যুনিস্ট-মার্ক্সবাদীরা তাকে বিজ্ঞানী ও গুরুদেবের আসনে বসিয়ে দিয়ে প্রমোট করেছে। কিন্তু অভিজিতের বিলুপ্তিতে মূত্র পানে অনেকটাই ভাটা পড়েছে। অভিজিতের অনুপস্থিতিতে এই ভাটাকে সুনামিতে রূপান্তরিত করার সাধ্য আর কারো নেই। কাজেই 'মুক্তমনা' কাল্ট বিবর্তনের ধারায় ধীরে ধীরে একদিন বিলুপ্ত হয়ে যাবে।

সত্যি বলতে, চরমপন্থা কখনোই খুব বেশী দিন মাথা উঁচু করে টিকে থাকতে পারেনি। বরঞ্চ বিবর্তনের ধারায় দু'দিন আগে-পরে বিলুপ্ত বা নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে। ইতিহাসই তার সাক্ষী। হিটলারের চরমপন্থা, স্ট্যালিনের চরমপন্থা, মাও-সে-তুং-এর চরমপন্থা, পল পটের চরমপন্থা, ইত্যাদি চরমপন্থা ইতোমধ্যে বিলুপ্ত বা নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে। ব্রাহ্মণবাদীরা এক সময় 'নিম্ন' বর্ণের মানুষের উপর যে অমানবিক অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়েছে (এখনো ভারতে বিভিন্নভাবে চালিয়ে যাচ্ছে) – যার কারণে তারা আজ সভ্য সমাজে মাথা উঁচু করে কথা বলতে পারে না – মাথা উঁচু করে কথা বলার জন্য তাদেরকে 'নাস্তিক/মুক্তমনা/বিজ্ঞানমনস্ক/সেক্যুলার/ইত্যাদি' সাজতে হয়! সেই সাথে কঠোর আইনের কারণে সতীদাহ প্রথার মতো চরম অমানবিক প্রথার বিলুপ্তি ঘটেছে। উইচ-হান্টিং তথা ডাইনী পোড়ানোর মতো চরম অমানবিক প্রথারও প্রায় বিলুপ্তি ঘটেছে। আল-কায়েদা/আইসিস-কে যারাই সৃষ্টি করুক না কেন – এরাও একদিন বিলুপ্ত বা নিষ্ক্রিয় হতে বাধ্য। আইসিস-এর উত্থানে ইতোমধ্যে আল-কায়েদা মনে হয় বিলুপ্ত হয়েই গেছে! এদিকে বাংলাদেশে গলাকাটা চরমপন্থী কম্যুনিস্ট বাহিনীর গলাকাটার খবর আর তেমন একটা শোনা যায় না। গাছে ঝুলিয়ে পেটানো চরমপন্থী বাংলা ভাই বাহিনীও পার্থিব হস্তক্ষেপে অনেক আগেই নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। 'বাংলা ভাই' মুদ্রার অপর পিঠ অভিজিৎ রায়ও ইতোমধ্যে বিবর্তনের ধারায় বিলুপ্ত হয়ে গেছে। আর বোকা ফারাবী দীর্ঘদিন ধরে লিখতে লিখতে শেষের দিকে এসে চরমপন্থার আশ্রয় (যাকে তাকে হত্যার হুমকি) নেওয়ার কারণে আজ জেলে পচে মরছে। বাকি চরমপন্থীরাও বিবর্তনের ধারায় ধাপে ধাপে কিংবা পার্থিব হস্তক্ষেপে বিলুপ্ত বা নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে।

 

আইএস মোসাদের সৃষ্টি – যুগান্তর

ইসরাইলে হামলার পর আইএসের ক্ষমা প্রার্থনা! – যুগান্তর

ইসলামিক ষ্টেটের নামে ওয়েবসাইট চালাচ্ছে ভারতের তেলেঙ্গানার পুলিশ

Telangana police egging Muslim youth to join ISIS – টাইমস-অব-ইন্ডিয়া

FBI arrests Jewish American for posing as Australian online jihadist

২ comments

  1. 2
    ফাতমী

    মুক্তমনা নামের সাইটে লেখকদের সংখ্যা কম হলেও বাংলাদেশে বিভিন্ন স্থানে ইসলাম বিদ্দেষীদের সংখ্যা কম নয়। তারা লেখার মত যোগ্য না, কিন্তু ক্ষমতা আছে, না-হলে মংগল শোভাযাত্রার মত কান্ড কারখানা দেশে ঘটে কিভাবে। ছুপা উগ্রবাদীরাতো আছেই। আপনি হয়ত ভারতীয় পত্রিকা গুলিতে দেখে থাকবেন, কিভাবে ঐ গ্রুপ মুসলিম ও ইসলাম বিদ্দেষী বিষাক্ত বাক্য বিনিময় করে। তাই, যতদিন তারা থাকবে ততদিন তাদের স্যাটেলাইট স্টেইটের মত হয়ে থাকা মুক্তমনাও থাকবে। 

  2. 1
    শামস

    'মুক্তমনা' নামের এই প্রজাতিটি হল প্যারাসাইট। এদের সংখ্যা নিতান্তই কম। এদের সক্ষমতাও নগণ্য। এরা এক একজন বিরাট পণ্ডিত (নিজেরা নিজেদের মনে করে, আর পিঠ চাপড়ায়), ফলে এদের পক্ষে একসাথে বেশীদিন থাকা প্রায় অসম্ভব। অভিজিত জীবিতকালীন সময়েও এরা নিজেদের মধ্যে কলহে অনেকবারই জড়িয়েছে। অভিজিত ইসলামবিদ্বেষী খতনাধারী সবগুলো গ্রুপকে একসাথে নিয়ে একটা প্ল্যাটফর্ম দিয়েছিল এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারতো। ভেড়া পালন খুব কঠিন কাজ, এর জন্য প্রয়োজন অনেক সময় এবং ধৈর্য। এই নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতাটাই ছিল অভিজিতের প্রধান গুণ। অভিজিতের অবর্তমানে এগুলা ভাগাড়ে যাবে, সেটাই হবার কথা।

    কিন্তু ইসলামবিদ্বেষী মুক্তমনাদের প্রাণ হল মূলত 'শিবসেনা, রামসেনা, বজরং' মাইন্ডসেটের লোকগুলো। ফলে স্বাভাবিকভাবেই সে তাদের ধর্ম নিয়ে বলতে গেলে কিছুই লিখতো না এবং এদের নিয়ে না লিখাটাকে নানাভাবে জাস্টিফাই এর চেষ্টা করতে দেখা যেতো। এর মধ্যে একটা ছিল অন্যান্য ধর্ম তাদের প্রাক্টিস থেকে খারাপ দিকগুলো ঝেড়ে ফেলেছে, এখন সেগুলো প্র্যাক্টিস করে না। বিজেপি'র মতো দল ক্ষমতায় আসতে পারে এবং সেগুলো যে চালু করতে পারে সেটা বুঝার মতো জ্ঞান মনে হয় তার ছিল না! (যদিও মানুষ বলী, সতীদাহের মতো বেশ কিছু ঘটনা সাম্প্রতিক সময়ে ঘটনার পরও তার বর্তমান মুরিদদের এ নিয়ে খুব একটা উচ্চবাচ্য করতে এখন দেখা যায় না।) অবশ্য তার ব্লগে এই শিবসেনা, রামসেনা সমর্থকদের আধিক্য দেখে দেশে মুক্তমনায় ভড়ে যাবার বাসনায় তারা এক ধরণের কাল্পনিক আমোদ লাভ করতো, যা তাদের কথাবার্তা দেখলেই মনে হতো।

    এই মুক্তমনাদের বিরুদ্ধে আমাদের কলম ধরার প্রধান কারণ তাদের অসততা এবং মিথ্যাচারের মুখোশ খুলে দেয়া। বাকস্বাধীনতার কথা বলে নিজেদের মুক্তমনা ব্লগে তাদের প্রতিপক্ষের বাকস্বাধীনতা যথেচ্ছা কেড়ে নেয়া হতো। যারাই তার ব্লগ সাইটে প্রতিবাদ করতো তাদের কণ্ঠরোধ করতো, সেটা অনেক লেখকই অনেকবার বলেছে, এমনকি সদালাপের কয়েকজন ব্লগারও। অভিজিত নাই, তাদের মিথ্যাচারও অনেক কমে গেছে! তবে নানান দিক থেকে দোড়ের উপর থাকাটাও একটা কারণ।

    কিন্তু বাংলা ব্লগ জগতে এই অতিক্ষুদ্র ইসলামবিদ্বেষী গ্রুপটার আস্ফালনের প্রধান কারণটা অনেকেই বলতে চায় না, বা পাশ কাটাতে চায়। হয়তো তাদের বিভিন্ন ধরণের কারণ আছে। এক আমারব্লগের উদাহরণ দিলেই সেটা পরিস্কার হবার কথা। এই ইসলামবিদ্বেষীদের প্রধান ব্যাকার রাজনৈতিকভাবে 'বাম'রা। এই বামদের অনেকেই ইসলামবিদ্বেষী। তারা জানে ধার্মিকদের নিয়ে বামদের কোন লাভ নেই, অধার্মিক হলে কিছুটা হাল পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। হাজী ইনু-মেনন ধর্মের সার্টিফিকেট নিয়েও জামানত বাজেয়াপ্ত হতে পারে। ধর্মবিদ্বেষ যে বামদের সহজাত, হজ্ব করার পরও মেননের 'হিজাব' নিয়ে চুলকানি তার প্রমাণ।

    বামদের বাইরে ইসলামবিদ্বেষীদের পরবর্তী প্রধান রক্ষক গ্রুপটা হল আওয়ামী লীগের সেক্যুলার অংশটা। এরা লীগের বুদ্ধিবৃত্তিক সবচেয়ে বড়ো অংশটাও। সত্যতা যাচাইয়ের জন্য আমারব্লগের উদাহরণ প্রথমেই দিয়েছিলাম। এই সেক্যুলার অংশের সবাই হয়তো গোঁড়া লীগ না, কিন্তু সবাই লীগের দিকেই হেলানো, কিছুটা বামের দিকেও। ইসলামবিদ্বেষী মুক্তমনাদের বাইরে, হেফাজতের সাথে সরকারের ঘনিষ্ঠতার প্রতিবাদটাও সেই সেক্যুলার অংশটার দিক থেকেই মূলত আসছে! মহানবী (সাঃ), কুরান ইত্যাদি নিয়ে কুৎসায় এই সেক্যুলারদের কিছু চুপ থাকে বাকিরা নামে-বেনামে যোগ দেয়। ইসলাম প্রসঙ্গটাই তাদের অস্বস্তিতে ফেলে দেয়।

    যাক, শিবসেনা, রামসেনাদের সমর্থন নিয়ে মোদীর দল ক্ষমতায় আসায় শিবসেনা, রামসেনাদের চেনা অনেক সহজ। তাছাড়া মোদীর কারণে ভারতবান্ধব সেক্যুলাররাও কিছুটা অস্বস্তিতে। আর ভোটের বাজারে সেক্যুলারদের অবস্থা বামদের থেকে খুব একটা ভালো না। তাছাড়া অভিজিত এর মতো পালের গোদা তাদের মধ্যে আপাতত দেখা যাচ্ছে না। ফলে তাদের ভবিষ্যৎ খুব একটা ভালো না সেটা নির্দ্বিধায় বলা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.