«

»

Sep ১৪

ধর্মগুরু অভিজিৎ রায়ের অনুপস্থিতিতে তার মুরিদরা ধীরে ধীরে সভ্য হচ্ছে

সাধারণত মুরিদরা যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের ধর্মগুরুর সান্নিধ্যে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত তারা সভ্য-ভদ্র-সৎ থাকার চেষ্টা করে। ধর্মগুরুর অনুপস্থিতিতে কিংবা ধর্মগুরু থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর তারা হয়তো অসভ্য-অভদ্র-অসৎ হয়ে যায়। 

কিন্তু ধর্মগুরু অভিজিৎ রায় আর তার মুরিদদের ক্ষেত্রে ঘটেছে ঠিক উল্টোটা! অভিজিৎ রায়ের মুরিদরা যতদিন পর্যন্ত তাদের গুরুর সান্নিধ্য ও প্রোটেকশনে ছিল ততদিন পর্যন্ত তারা ইসলামের নবী, ইসলাম, ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে চরম ঘৃণা-বিদ্বেষ ও মিথ্যা প্রপাগ্যাণ্ডা চালিয়ে গেছে। আর অভিজিৎ রায় সেগুলোকে 'মুক্তবুদ্ধির চর্চা', 'মুক্তচিন্তার চর্চা', 'ধর্মীয় কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লেখা', ইত্যাদি হিসেবে চালিয়ে দিয়ে নিজেকে ও তার মুরিদদেরকে ডিফেন্ড করেছে।

 

 

অভিজিৎ রায়ের উপস্থিতিতে ও তারই প্ররোচনায় মুক্তমনা ব্লগে 'মুক্তবুদ্ধির চর্চা', 'মুক্তচিন্তার চর্চা', 'বিজ্ঞানমনস্কতার চর্চা', ও 'ধর্মীয় কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লেখা'র নামে ইসলামের নবী, ইসলাম, ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে চরম ঘৃণা-বিদ্বেষ ও মিথ্যা প্রপাগ্যাণ্ডামূলক কিছু লেখার নমুনা এখানে পাওয়া যাবে। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে অভিজিৎ রায়ের বিলুপ্তির পর থেকে মুক্তমনা ব্লগে এই ধরণের চরম অসভ্যতা ও ঘৃণা-বিদ্বেষমূলক প্রপাগ্যাণ্ডা তেমন একটা দেখা যায়নি বললেই চলে। দু-এক জন ছুপা বর্ণবাদীর দু-একটি বিচ্ছিন্ন মন্তব্য এখানে গননায় ধরা হচ্ছে না।

কাজেই শতভাগ নিশ্চয়তার সাথে বলা যায় যে, অভিজিৎ রায়ের অনুপস্থিতিতে তার মুরিদরা ধীরে ধীরে সভ্য হচ্ছে। এইটা নিঃসন্দেহে একটি ভালো খবর।

১১ comments

Skip to comment form

  1. 4
    Mahir Adnan

    সদালাপে লেখে কিভাবে?? আমি রেজিস্টার করেছি।একটা লেখা মাসখানেক আগে মেইল করেছিলাম। কিন্তু কিছু বুঝলাম না 

    1. 4.1
      Mohammad Asghar

      Avijit Roy was an Atheist. By categorizing him as a "Religious Guru, Atheism has been accepted as a"Relgion." 

      Is not a weird thing for a staunch believer to do? 

       

      Mohammad Asghar

      1. 4.1.1
        এস. এম. রায়হান

        Atheism has indeed been accepted in Hindu religion. It's a well-known fact. See here as an evidence. As far as Avijit Roy is concerned, he has spent most of his time in writing about religion. He was more like a missionary than an atheist.

  2. 3
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    অভিজিৎ রায় বিলুপ্ত হয়েছে -- বটে! পারেনও আপনি। 

    1. 3.1
      এস. এম. রায়হান

      নাস্তিক্য বিবর্তনবাদীদের ভাষায় এটাই সঠিক কথা। কিন্তু তারা বিবর্তনবাদের ভাষায় কথা না বলে ধর্মের ভাষায় কথা বলে! এতে তাদের ভণ্ডামিই প্রকাশ পায়।

  3. 2
    এম_আহমদ

    আমি কিছু কথা বলতে যাচ্ছি, তবে এই মুহূর্তে আমার হাতে সময় কম এবং শরীরটাও তেমন ভাল নয়, তাই কোথায় যদি শব্দ চয়নের যথার্থতায় কমতি হয়, তবে পাঠকগণকে তা পুষিয়ে নিতে অনুরুধ করব।

    প্রথমত, রায়হান ভাই যে কাজটি করে যাচ্ছেন ‘এখনই’ তা ঐতিহাসিক দিক দিয়ে এক অপরিসীম গুরুত্বের বিষয়। ৯/১১ এর পর ট্রাটিজিক্যালি ইসলামের ‘দেহ’ ও ‘অন্তর’ ভাঙ্গার যুদ্ধ আসে, মিলিট্যান্ট নাস্তিকতার মাধ্যমে। “দেহ” বলতে ইসলামী ভূখণ্ড এবং “অন্তর” বলতে ইসলাম ধর্মের কোরান ও সুন্নাহ প্রতি আস্থা। 'দেহ' আক্রমণ কীভাবে হচ্ছে সেটা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই, তবে “অন্তর” আক্রমণের স্ট্রাটেজি হচ্ছে আইন ও কৌশলী কায়দায় যেমন “কথা বলার অধিকার”, “পরমতসহিষ্ণুতার আন্তর্জাতিক ঘোষণা” তৈরি এবং এর সংজ্ঞার অংশ হিসেবে “ইসলামমুক্ত নাস্তিকদের অধিকার সমূহ”ইত্যাদি প্রকল্পের আওতায় তাদেরকে ‘মানবতার মুক্তির জন্য’ ‘অহিতকর বিশ্বাস ও কর্মের’ বিপক্ষে কথা বলার স্বাধিকার, “মন্দ” বিশ্বাসকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করার অধিকার: এসবই হচ্ছে “অন্তর” আক্রমণের অন্তর্ভুক্ত বিষয়। মিলিট্যান্ট নাস্তিকতাকে অফেন্সিভ (offensive) পর্যায়ে আনা হয়েছে।

     

    ইউরোপীয় আর্থিক ও মিডিয়া সহযোগিতায় ২০০৭ সালের ১১ সেপ্টেম্বর হল্যান্ডের হেইগ শহরে ৯/১১ (২০০১) ঘটনার স্মারক হিসেবে এবং ইউরোপীয় “পরমতসহিষ্ণুতা ঘোষণা” প্রকল্পের সংজ্ঞার অংশ হিসেবে এবং “ইসলামমুক্ত নাস্তিকদের অধিকার সমূহ”-এর আন্তর্জাতিক ঘোষণার সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যা বিষয়ক যে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় সেখানে জার্মানি, ব্রিটেন, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, ডেনমার্ক ও ফিনল্যান্ড থেকে আসা ইসলামমুক্ত নাস্তিক (মুরতাদ) সংগঠনগুলো, যেগুলো ইতিপূর্বে গঠিত হয়েছিল, অংশগ্রহণ করে। এর আগে কেবল David Littman এর ২০০১/৬ সাল কেন্দ্রিক কার্যগুলো লক্ষ্য করুন।  যাদের সময়ের অভাব তারা এই অংশটি পড়লেই আন্দাজ পেয়ে যাবেন: NGO PARALLEL HRC CONFERENCES: 2001 / 2004 / 2005

    ইউরোপীয় দেশগুলোতে Ex-Muslim Council নামক সংগঠন তৈরি হয়েছে এবং সবগুলো সমন্বিত। এদের মেনিফেস্টো দেখুন MANIFESTO. মুসলিম দেশগুলোতে আল্লাহ-রাসূল নিয়ে কদর্য ও হীন-ভাষায় গালা-গালিমূলক প্রোপাগান্ডা চালিয়ে ও “উত্তেজনা” সৃষ্টি করে, আইনি কায়দায় “অধিকার ও স্বাধীনতা” আন্দোলন চলছে।  মুসলিমরা যেখানে উত্তেজনা দেখাচ্ছে সেগুলোকে অতি কৌশলে রেকর্ড করা হচ্ছে, এবং মিডিয়া দিয়ে প্রচারণা চালানো হচ্ছে, কিন্তু মিলিটেন্টরা যে বিদ্রূপ, তাচ্ছিল্য, আক্রমণাত্মক ভাষা, কদর্য-চিত্র-আঁকা, প্রচার ইত্যাদি করছে, সেগুলো সামনে আসছে না। রায়হান ভাই এখন যে কাজগুলো করছেন সেগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম! এক্ষেত্রে সাদাত ভায়ের দুটি ব্লগও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সদালাপই এসব তথ্যের এক সমৃদ্ধ খনি হচ্ছে। আমি প্রত্যেককে বলব আপনাদের লেখাগুলো নিজেরা সংরক্ষণ করবেন এবং সদালাপ যেন গোটা সাইটের এই কাজগুলো সংরক্ষণ করেন।

    বাংলায় ইসলাম বিদ্বেষী যেসব ব্লগ সাইট তৈরি হয়েছে –এগুলোর সবই এই নব্য-যুদ্ধের অংশ হিসেবে। আমরা ‘নিউ ওয়ার্ল্ড ওয়াডারে’ আছি। আমার প্রবল ধারণা মুসলিমদের একটি বড় অংশকে নাস্তিকতায় উদ্বুদ্ধ করার পর এই যুদ্ধকে স্তিমিত করা হবে, এবং দ্বিতীয় পর্যায়ে খৃষ্টিয়ানীটি আসবে, এবং এসব অতি দীর্ঘ মেয়াদী বিষয়। মুসলিমরা আল্লাহ-রাসূলে যেভাবে বিশ্বাস করে, এই বিশ্বাসের মোকাবেলায় তাদেরকে অন্য কোন ধর্ম গিলানো সম্ভব নয়। তাই এই বিশ্বাসের প্রাসাদ মাটিতে গুড়িয়ে দিয়ে, অন্য কাজ করা হবে। এক সময় কলোনাইজেশনের পূর্ব-পদক্ষেপ হিসেবে ‘মিশনারীরা” কাজ করত, আজকের ওয়ার্ল্ড অর্ডারের (আধিপত্যবাদের) পূর্ব-পদক্ষেপ হচ্ছে “মিশনারী নাস্তিকদের” কর্মকাণ্ড দিয়ে!!!

    এবারে রিচার্ড ডকিন্সের একটি কথার দিকে বিবেচনা আরোপ করুন, "Christianity may actually be our best defence against aberrant forms of religion that threaten the world" (New Atheism). এখানে ডকিন্সের অবস্থানটা কীভাবে দেখায়? এবারে, এটাও দেখা যেতে পারে, ‘New Atheists’ Emerge From 9/11, নোয়াম চমস্কির এই ভিডিওটাও দেখা যেতে পারে যেখানে তিনি এই মিলিট্যান্ট নাস্তিক্যবাদকে জঙ্গি-মৌলবাদের চাইতে ভয়ানক মনে করেছেন!

    1. 2.1
      এম_আহমদ

      [১] আমার আগের কমেন্টে একটি অস্পষ্ট কথা রয়েছে। তা স্পষ্ট হবে এভাবে: "দেহ" ভাঙ্গার কাজ রাজনীতি ও মিলিটারি শক্তির মাধ্যমে হচ্ছে, এবং "অন্তর" ভাঙ্গার কাজ একই সাথে রাজনৈতিক, মিলিট্যান্ট-নাস্তিকতা ও আন্তর্জাতিকতা, মানবতা ও আইনি আবরণে হচ্ছে। ইরাক আফগানিস্তান ভাঙার কারণ ছিল নিরাপত্তা, wapons of mass destruction ইত্যাদি। রাজনৈতিক অনেক কাজ ভাষার আড়ালে উল্টোটাই হয়ে থাকে।
      [২] আরেকটি কথা সংযোগ করি। সকল আন্দোলনের কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে। কখনো দেখা যায় কিছু কর্মী আপাতত নিস্তেজ, কিন্তু তারা অন্য অঙ্গনের কাজে মিলিত হয়। কিছু নতুন পাগল রিক্রুট হয় এবং এভাবে কাজ বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রম করে। ইদানীং কিছু পাগল সেই কাজকে আগের কায়দায় আরও ফিউরিয়াসরি চালাচ্ছে। এদের তথ্য-সম্ভার সেই আগেরই: ভিমটিম সেজে আক্রমণ, মানবতাবাদী স্বর, আমরা মুসলিমদের বিপক্ষে নই (কিন্তু এরা ইসলামের কারণে অমানুষ, অন্ধ, সন্ত্রাসী), আমরা বিশ্বে শান্তি আনতে চাই, আমরা মানবতার পক্ষে (মুসলিমরা অশান্তির মূল), আমরা বাক-স্বাধীনতার পক্ষে, আমাদের অধিকার চাই (আমরা গালাগালি করতে চাই, ইসলাম নিয়ে অশ্লীলভাবে ব্যঙ্গবিদ্রূপ করতে চাই, কেউ যাতে কিছু বলতে না পারে, আমরা রেডিও, টিভি চ্যানেল করার অধিকার চাই) ইত্যাদি ইত্যাদি।   
      [৩] যারা ইসলামের পক্ষের লোক, তাদের কর্ম পদ্ধতি কি হওয়া উচিৎ? প্রলয়ের সময় মাথা বালিতে ঢুকিয়ে দিলে, বা চোখ বদ্ধ রাখলেই কি প্রলয় নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে? থাবা-বাবারা যদি জামাতি-যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাওয়ার কারণে জান্নাতে যাওয়ার সম্ভাবনাময়ী হয়ে উঠে, তবে বাকি নাস্তিকগণও মানবতার নামে অনেক কাজ করছে এবং বলছে যার কারণে তারাও সেই সম্ভাবনার অধিকারী। এখন অবস্থান স্পষ্ট না হলে, কার কোন পদ্ধতি সেটা অন্যরা বুঝতে ব্যর্থ হবে। তারপর সার্বিকভাবে মুসলমানরা বুঝতে হয়ত ব্যর্থ হচ্ছে যে ইসরাইল ও লেবানন থেকে যে কায়দায় আরব বিশ্বে এয়ার-চ্যানেল সম্প্রচার হয়, তা যদি বৃহত্তর ভারত উপমহাদেশে শুরু হয়, এবং আমার বিশ্বাস তারা সেই প্রস্তুতিতে, এবং মুসলমানদের অপ্রস্তুত অবস্থায় চতুর্দিক থেকে তা প্রলয়ের মত আসে, কিন্তু যার মোকাবেলা করার মত যোগ্য লোক তৈরি থাকবে না, কেননা এতে দর্শনগত, যুক্তিগত, ভাষাগত, জ্ঞানগত এবং উপস্থাপনগত অনেক প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়, তখন কি করা হবে? আমাদের মাদ্রাসা শিক্ষায় এই পরিস্থিতির মোকাবেলায় মানুষ তৈরির কোন সিলেবাস নেই, শিক্ষণীয় কার্যক্রম নেই। এটা কি চিন্তার বিষয় নয়?

      1. 2.1.1
        এম_আহমদ

        উপরের দুটো মন্তব্যের আলোকে আরেকটি কথা সংযোগ করা যাক। ৯/১১ এর ঘটনা এতই সুদূর প্রসারী পরিকল্পনা যে এর দিকে যতই তাকাবেন ততই নতুন নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। মুসলিম বিশ্বের নাস্তিক "আন্দোলন" এর সাথে যায়োনবাদের সাথে খৃষ্টিয়ানী কীভাবে জড়িত তার বিচার করতে এই দুটো লিঙ্ক পড়ে দেখুন: https://en.wikipedia.org/wiki/Al_Hayat_TV

        তারপর এটা দেখুন: https://en.wikipedia.org/wiki/Brother_Rachid

        তারপর দেখুন যেসব বক্তব্য মিশনারিদের সেই বক্তব্যই নাস্তিকদের, ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আমার ধারণা মুসলিম বিশ্বের অনেক নাস্তিক আসলে নাস্তিক নয়, এরা নাস্তিকতার মুখোশে মিশনারি খৃষ্টিয়ান, আর অনেকে না বুঝে এই আন্দোলনে জড়িয়ে পড়া নাস্তিক।  আজকের এই ক্রুসেড যুদ্ধের পরিণতি কী সেটাই -সেটা চিন্তার বিষয়।

         

        1. 2.1.1.1
          এম_আহমদ

          এই গুরুত্ব পূর্ণ লিঙ্কটি অবশ্য দেখতে হবে যেখানে ওয়াফা সুলতান, একজন ইসলাম ত্যাগী সিরিয়ান এখন আমেরিকা নিবাসী, তার লেখায় বলেন :  In her book A God Who Hates, Sultan writes that "No one can be a true Muslim and a true American simultaneously". Sultan argues that initially, US must help its Muslim citizens give up Islam and embrace Christianity "[W]e first have to help them see their ogre clearly and show them how to exchange their God who hates for one who loves".[16]  

  4. 1
    সদালাপ কর্তৃপক্ষ

    এস এম রায়হান যে স্ক্রীনশটগুলি দিয়েছেন সেগুলি পোষ্টের বিষয়বস্তুর সাথে প্রাসঙ্গিক। প্রতিবেশী ব্লগটি ইসলাম ও আমাদের প্রফেটকে ডিনাইগ্রেট ও মক করতো। এ পোষ্টটি থেকে জানা গেল, সেরূপ অকাজ-কুকাজে তারা এখন অনেক কম সময় দিচ্ছেন। এটি প্রশংসার্হ।  

    বিষয় হচ্ছে- প্রফেটকে বিলিটল করা কথাবার্তা বা তাঁকে মক করা কার্টুন এভিডেন্স হিসাবে সদালাপে আমরা রিপ্রডিউস করবো কিনা?

    সৃষ্টিকর্তা বিষয়ে আমাদের পলিসি ক্লিয়ার- ডিজরেস্পেক্টফুল কিছু লেখা যাবে না,- অন্য কেউ লিখলে সেটি উল্লেখ করা যাবে যে অমুক ব্যক্তি বা অমুক ব্লগ স্রষ্টার প্রতি ডিজরেস্পেক্টফুল কথা লিখছে। কিন্তু সেই ডিজরেস্পেক্টফুল কথাগুলি রিপ্রডিউস করা যাবে না। একজন পাঠক যখন লেখাটি পড়ছেন, তিনি যেন সৃষ্টিকর্তা সম্পর্কে ডিজরেস্পেক্টফুল কিছু পড়ে হার্ট না হন যার লং টার্ম এফেক্ট থাকতে পারে।

    সৃষ্টিকর্তা ভিন্ন অন্যান্য বিষয়াদি নিয়ে  ডিসরেস্পেক্টফুল এভিডেন্স রিপ্রডিউস করার পক্ষে-বিপক্ষে অনেক যুক্তি আসবে। ইন্টেরিম কনকলুসান/পলিসি এভাবে হয়তো করা যায় যেঃ  পোষ্টের কন্টেন্ট সম্পর্কে পাঠকদের উদ্দেশ্যে একটি সতর্কবার্তা দিয়ে এভিডেন্সগুলি লিঙ্ক হিসেবে দেয়া।

    উপর্যুক্ত আলোচনার আলোকে এই পোষ্টটির বিষয়ে লেখককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বিনীত অনুরোধ করছি।

    ধন্যবাদ। -- সম্পাদক, সদালাপ।  

    1. 1.1
      সাদাত

      কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হলে সদালাপের লেখকদের সাথে পরামর্শের ভিত্তিতে নেওয়া উচিত বলে আমি মনে করি। কারণ লেখকরাই সদালাপের প্রাণ। সদালাপ যদি ইভিডেন্স সংরক্ষণে বিধিনিষেধ আরোপ করে তাহলে সদালাপের অনেক গুরুত্বপূর্ণ লেখাই অর্থহীন হয়ে যাবে। ইভিডেন্স লিংক হিসেবে দেওয়া যথেষ্ট নয়, কারণ অনেক ক্ষেত্রেই লিংকের কন্টেন্ট এডিট করা হয়,সাইট বা পেজ রিমুভ করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.