«

»

Sep ২৮

লেখার মানোন্নয়নের জন্য কিছু পরামর্শ

লেখার উপস্থাপনার উপর অনেক কিছুই নির্ভর করে। একটি লেখার গুণগত মান ভালো হওয়া সত্ত্বেও শুধুমাত্র বাজে উপস্থাপনার কারণে পাঠকদের জন্য বিরক্তিকর হতে পারে। এই লেখাতে কিছু পরামর্শ দেওয়া হবে, যেগুলো অনুসরণ করলে নিজের লেখার মানোন্নয়নের পাশাপাশি ব্লগের মান এবং সেই সাথে পাঠকদের জন্যও সুবিধা হবে বলে বিশ্বাস।

(ক) কিছু সাধারণ পরামর্শ

– লেখার বিষয়বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যতা বজায় রেখে সুন্দর ও আকর্ষণীয় একটি শিরোনাম নির্বাচন করুন। শিরোনাম যেন এক লাইনের বেশী না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। উল্লেখ্য যে, শিরোনামের শেষে কখনো দাঁড়ি হয় না। তবে প্রশ্নবোধক বা বিস্ময়সূচক চিহ্ন হতে পারে।

– লেখার আকার-আয়তন অনুযায়ী লেখাকে একাধিক অনুচ্ছেদে ভাগ করুন। কোনো অনুচ্ছেদ যেন বিশাল বড় না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। অনুচ্ছেদগুলোর মধ্যে অবশ্যই স্পেস রাখুন। অনুচ্ছেদের মাঝখানে কোথাও লাইন ভেঙ্গে গেছে কি-না সেদিকে লক্ষ্য করুন।

– বাংলা লেখাতে যথাসম্ভব ইংরেজী শব্দ পরিহার করার চেষ্টা করুন। হাতের কাছে একটি অভিধান রাখলে ভালো হয়। তবে স্বাভাবিকভাবেই বহুল প্রচলিত ইংরেজী শব্দগুলো এড়ানো সম্ভব হয় না।

– লেখা প্রকাশ করার আগে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত নিজে একবার পড়ুন, এমনকি কপিপেস্ট হলেও। সম্ভব হলে প্রিভিউ দেখুন। ফরম্যাট বা বানান ভুল থাকলে সংশোধন করুন। লেখা প্রকাশ হওয়ার পর আবার এক নজর দেখুন – সব কিছু ঠিকঠাক আছে কি-না।

(খ) কিছু সাধারণ ভুল-ভ্রান্তি

১.১ বাক্যের শেষে যে দাঁড়ি বা প্রশ্নবোধক বা বিস্ময়সূচক চিহ্ন দেওয়া হয় সেগুলোর আগে কোনো স্পেস হয় না, তবে পরে অবশ্যই স্পেস রেখে পরের বাক্য শুরু করতে হবে। নিচের বাক্য দুটি লক্ষ্য করুন:

ভুল নিয়ম: লেখার মানোন্নয়নের জন্য কিছু টিপস ।
সঠিক নিয়ম: লেখার মানোন্নয়নের জন্য কিছু টিপস।

প্রথম বাক্যের শেষে দাঁড়ির আগে স্পেস লক্ষ্যণীয়। ঐ স্পেস হবে না।

১.২ দুটি বাক্যের মাঝে যে দাঁড়ি থাকে সেই দাঁড়ির পরে স্পেস হবে। যেমন:

ভুল নিয়ম: আমি বিদেশে থাকি।আগামী বছর দেশে যেতে পারি।
সঠিক নিয়ম: আমি বিদেশে থাকি। আগামী বছর দেশে যেতে পারি।

প্রথম বাক্যের ভুল লক্ষ্য করুন। ‘আগামী’-র আগে একটি স্পেস হবে।

২.১ যৌগিক কোনো বাক্যের মাঝে বিরামচিহ্ন দিলে সেই বিরামচিহ্নের আগে কোনো স্পেস হবে না। যেমন:

ভুল নিয়ম: প্রথমে তার কাছেই যাই , দেখি এ বিষয়ে সে কী বলে।
সঠিক নিয়ম: প্রথমে তার কাছেই যাই, দেখি এ বিষয়ে সে কী বলে।

লক্ষ্যণীয়: 'যাই'-র পরের স্পেসটি হবে না।

২.২ যৌগিক কোনো বাক্যের মাঝে বিরামচিহ্ন দিলে সেই বিরামচিহ্নের পরে একটি স্পেস হবে। যেমন:

ভুল নিয়ম: প্রথমে তার কাছেই যাই,দেখি এ বিষয়ে সে কী বলে।
সঠিক নিয়ম: প্রথমে তার কাছেই যাই, দেখি এ বিষয়ে সে কী বলে।

লক্ষ্যণীয়: 'দেখি'-র আগে একটি স্পেস হবে।

৩. বন্ধনীর ভেতরে কোনো পাশেই স্পেস হবে না, তবে বন্ধনীর বাইরে উভয় পাশেই স্পেস হবে। যেমন:

ভুল নিয়ম: তার বাড়ি বাংলাদেশে ( রংপুর জেলায়)।
ভুল নিয়ম: তার বাড়ি বাংলাদেশে (রংপুর জেলায় )।
ভুল নিয়ম: তার বাড়ি বাংলাদেশে ( রংপুর জেলায় )।
সঠিক নিয়ম: তার বাড়ি বাংলাদেশে (রংপুর জেলায়)।

লক্ষ্যণীয়: বন্ধনীর ভেতরে 'রংপুর জেলায়'-র আগে-পরে কোনো স্পেস হবে না।

৪.১ লেখার মধ্যে অন্যের বক্তব্যের উদ্ধৃতি দেওয়ার সঠিক নিয়ম:

মিঃ এক্স বলেছেন, “লেখার মধ্যে অন্যের বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিতে হলে তার বক্তব্যকে কোন পরিবর্তন ছাড়াই ডাবল ইনভার্টেড কমার মধ্যে দিতে হবে। ডাবল ইনভার্টেড কমার ভেতরে কোন পাশেই ফাঁক থাকা চলবে না। শেষের দাঁড়ি চিহ্নটি ইনভার্টেড কমার ভেতরে হবে, বাহিরে নয়।”

৪.২ লেখার মধ্যে অন্য কারো বক্তব্যের উদ্ধৃতি দেওয়ার সময় ডাবল ইনভার্টেড কমার ভেতরে কোনো পাশেই স্পেস থাকা চলবে না। যেমন:

ভুল নিয়ম: মিঃ এক্স বলেছেন, “ ডাবল ইনভার্টেড কমার ভেতরে কোন পাশেই ফাঁক থাকা চলবে না।”

ভুল নিয়ম: মিঃ এক্স বলেছেন, “ডাবল ইনভার্টেড কমার ভেতরে কোন পাশেই ফাঁক থাকা চলবে না। ”

ভুল নিয়ম: মিঃ এক্স বলেছেন, “ ডাবল ইনভার্টেড কমার ভেতরে কোন পাশেই ফাঁক থাকা চলবে না। ”

সঠিক নিয়ম: মিঃ এক্স বলেছেন, “ডাবল ইনভার্টেড কমার ভেতরে কোন পাশেই ফাঁক থাকা চলবে না।”

৪.৩ লেখার মধ্যে অন্য কারো বক্তব্যের উদ্ধৃতি দেওয়ার সময় শেষের দাঁড়ি চিহ্নটি ইনভার্টেড কমার ভেতরে হবে, বাইরে নয়। যেমন:

ভুল নিয়ম: মিঃ এক্স বলেছেন, “শেষের দাঁড়ি চিহ্নটি ইনভার্টেড কমার ভেতরে হবে, বাহিরে নয়”।

সঠিক নিয়ম: মিঃ এক্স বলেছেন, “শেষের দাঁড়ি চিহ্নটি ইনভার্টেড কমার ভেতরে হবে, বাহিরে নয়।”

একেবারে শেষের দাঁড়ি চিহ্নটির অবস্থান লক্ষ্যণীয়।

(গ) কিছু সাধারণ ভুল আর শুদ্ধ বানান এর তালিকা

ভূল – ভুল
সাধারন – সাধারণ
গবেষনা – গবেষণা
দারুন – দারুণ
কারন – কারণ
ধারনা – ধারণা
গুরুত্বপুর্ন – গুরুত্বপূর্ণ
অনুসরন – অনুসরণ
সম্পুর্ন – সম্পূর্ণ
সম্বন্দে – সম্বন্ধে
ভুমিকা – ভূমিকা
ভন্ড – ভণ্ড
প্রচন্ড – প্রচণ্ড
মুল – মূল

৪৩ comments

Skip to comment form

  1. 14
    হাসিব

    ব্লগ অ্যাকাউন্ট খুলব কি করে? আর ব্লগ লিখলে লাভ কি? যদি একটা লিঙ্ক দিতেন তাহলে কৃতজ্ঞ হব।

  2. 13
    md faruque hossen.

    ভবিষ্যতে আরো বেশী সমৃদ্ধ শালী হবে আপনাদের এ আয়োজন এ কামনায়। শ্যামনগর, সাতক্ষীরা।

  3. 12
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    বেশ কয়েকবার পড়লাম -- দেখি কতটা শোধরাতে পারি 🙂

  4. 11
    শামস

    ভালো। অনেক সময় কিবোর্ডে শত চেষ্টা করেও যখন শুদ্ধতা খুঁজে পাই না তখন ভুলটাই দিতে বাধ্য হই। 🙂

  5. 10
    আব্দুস সামাদ

    তুচ্ছ তবু তুচ্ছ নয়। বেশ জরুরী বিষয়ে বেশ কিছু আলোচনা হয়ে গেল। শেষে এসে সকলকে ধন্যবাদ জানাই আর অন্য আর একটা ভুল আমার কাছে বড়ই দৃষ্টিকটূ লাগে, যেমন বড়ুই>বরুই, ঘোরা>ঘোড়া, মূছা>মূসা, ইদরিচ>ইদ্রিস, হাচান>হাসান। এই ধরণের বানানগুলো। এ ব্যাপারে কিছু আলাপ হলে ভাল হয়। ধন্যবাদ।

    1. 10.1
      শামস

      @আব্দুস সামাদ:

      মূছা>মূসা, ইদরিচ>ইদ্রিস, হাচান>হাসান

      আমার মনে হয় নামের ক্ষেত্রে বানানের ভুল-শুদ্ধ তেমন গুরুত্বপূর্ণ না। ভাষার ভিন্নতার কারণে মূল আরবী থেকে যখন অন্য ভাষায় অনুবাদ করা হয় তখন তাতে ভাষার উচ্চারণের একটা প্রভাব থাকে। আপনি মালয়শিয়া, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্কের মুসলিম নামগুলোকে বিকৃতভাবে (!) পেতে পারেন। এগুলা ইচ্ছে করে বিকৃত না, ভাষার কারণে তারা সেভাবে উচ্চারণ করে।
      তবে আমাদের দেশে উল্লেখিত নামগুলোর বেশী ব্যবহার যথাক্রমেঃ মূসা (অথবা মুসা), ইদ্রিস, হাসান।

  6. 9
    বুড়ো শালিক

    সকলের উদ্দেশ্যে:
    যদ্দূর মনে হয়, দেশি, বিদেশি বানানে ই-কার হবে, যেমনটা আমি লিখেছি।
    ঈ-কার দিলে (দেশী, বিদেশী) ভুল হবে। আমাদের সদালাপের স্লোগানে তাই বানান ভুল আছে বলে আমার ধারণা।
    আর ‘বাংলাদেশী’ বানানটা অবশ্যই ভুল, এটার সঠিক বানান ‘বাংলাদেশি’।
    অ্যাডমিন এ বিষয়ে দৃষ্টি দেবেন আশা করি।

    1. 9.1
      এস. এম. রায়হান

      @বুড়ো শালিক: দেশী, বিদেশী, বাংলাদেশী বানানগুলো কীসের উপর ভিত্তি করে ভুল বললেন। ঈ-কার যুক্ত এই শব্দগুলো তো মনে হয় অভিধানেই আছে, নাকি নাই?

      1. 9.1.1
        বুড়ো শালিক

        @এস. এম. রায়হান: ক্লাস নাইন-টেনের বাংলা ব্যাকরণ বইয়ে পড়েছিলাম। কোন জাতি বা ভাষার নামে কখনো ঈ-কার হবে না। সবসময়ই ই-কার হবে। আর দেশি, বিদেশি সম্পর্কেও কোথায় যেনো পড়েছি। তবে দেশি, বিদেশির ব্যাপারটা পুরোপুরি নিশ্চিত না। জাতির ব্যাপারটা নিশ্চিত।

  7. 8
    সরোয়ার

    লেখার বিষয়বস্তুর সাথে সামঞ্জস্যতা বজায় রেখে সুন্দর ও আকর্ষণীয় একটি শিরোনাম নির্বাচন করুন।

    -- আচ্ছা, শিরোণাম হলো না কেন?

    1. 8.1
      সাদাত

      @সরোয়ার:
      ভালো কথা বলেছেন।
      শিরোনামের মধ্যে আসলে দুইটি আলাদা শব্দ আছে:
      ১. শির
      ২. নাম

    2. 8.2
      সাদাত

      @সরোয়ার:
      আপনার জন্য কুইজ।
      বলেন তো নিচের বাক্য দুটিতে কী কী ভুল আছে?

      ১. আমি কোনদিন ভোট দেয়নি ।
      ২. তাই রাজনৈতিক আলোচনা আমি নেই।

      1. 8.2.1
        সরোয়ার

        @সাদাত:

        আমার মতে ভুলগুলো হচ্ছে-

        ১। আমি কোনদিন ভোট দেইনি।
        ২। তাই রাজনৈতিক আলোচনাতে বা আলোচনায় আমি নেই।

        1. 8.2.1.1
          সাদাত

          @সরোয়ার:
          বাহ! আপনি তো ঠিক ধরতে পেরেছেন। কিন্তু দু:খের বিষয় এই ভুল দুটো আপনিই করেছিলেন।

  8. 7
    মোঃ মোস্তফা কামাল

    লেখার মান উন্নয়নে মূল্যবান পরামর্শের জন্য রায়হান ভাইকে ধন্যবাদ।

  9. 6
    এস. এম. রায়হান

    @ফুয়াদ স্পেশাল 🙂

    সংদ্ধেহ -- সন্দেহ

    বন্দু -- বন্ধু

    নুতুন -- নতুন

    ফেইচবুক -- ফেসবুক

    1. 6.1
      ফুয়াদ দীনহীন

      @এস. এম. রায়হান:

      🙂 🙂

      1. 6.1.1
        সাদাত

        @ফুয়াদ দীনহীন:
        হাসলে হবে না। এই ভুলগুলো আবার করলে জরিমানা করা হবে।

        1. 6.1.1.1
          এস. এম. রায়হান

          @সাদাত: এখন থেকে উপরের প্রত্যেক ভুলের জন্য ফুয়াদ থেকে ১০০ ডলার জরিমানা করা হবে!

  10. 5
    সাদাত

    আমি বেশ কয়েকজনকে এভাবে লিখতে দেখি:
    ১. আমি রাতে ঘুমায়নি।
    ২. আমি বিষয়টি খেয়াল করেনি।
    আপনি দেখেছেন?
    এটা কি আঞ্চলিকার দোষ, নাকি নেহায়েত অসচেতনতা?

    1. 5.1
      এস. এম. রায়হান

      @সাদাত: অবশ্যই নজরে পড়েছে। এগুলোকে আঞ্চলিকতার দোষ বলে মনে হয় না, ব্যাকরণগত সমস্যা বলা যেতে পারে।

  11. 4
    সাদাত

    আমি কিছু ভুল/শুদ্ধ বানান যোগ করছি:
    বান্গালি (ন+গ) নয়, বাঙ্গালি (ঙ+গ) বা বাঙালি
    বন্চিত (ন+চ) নয়, বঞ্চিত (ঞ+চ)
    লান্ছিত (ন+চ) নয়, লাঞ্ছিত (ঞ+ছ)
    সংগা নয়, সংজ্ঞা (জ+ঞ)
    দন্দ নয়, দ্বন্দ্ব

  12. 3
    সাদাত

    আপনি কয়েকটা বানান দিয়েছেন:
    সাধারন – সাধারণ
    দারুন – দারুণ
    কারন – কারণ
    ধারনা – ধারণা
    গুরুত্বপুর্ন – গুরুত্বপূর্ণ
    অনুসরন – অনুসরণ
    সম্পুর্ন – সম্পূর্ণ

    দেখে মনে হচ্ছে ফর্মুলাটা এমন:
    ‘র’ বা ‘রেফ’ এর পরে ‘ণ’ হয়, ‘ন’ নয়। আসলেই কি তাই? এটা হলে কিন্তু মনে রাখা খুব সোজা হয়ে যায়।

    1. 3.1
      এস. এম. রায়হান

      @সাদাত:

      দেখে মনে হচ্ছে ফর্মুলাটা এমন:
      ‘র’ বা ‘রেফ’ এর পরে ‘ণ’ হয়, ‘ন’ নয়। আসলেই কি তাই? এটা হলে কিন্তু মনে রাখা খুব সোজা হয়ে যায়।

      ব্যতিক্রম আছে কিনা জানি না, তবে আসলেই তাই। তথাপি অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এই সহজ নিয়ম জানার পরও অনেকে ‘ন’-ই লিখে!

      1. 3.1.1
        সাদাত

        @এস. এম. রায়হান:
        ভুল করতে ভুলেও অনেকে ভুল করে না!

      2. 3.1.2
        সরোয়ার

        @এস. এম. রায়হান:

        তথাপি অত্যন্ত দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এই সহজ নিয়ম জানার পরও অনেকে ‘ন’-ই লিখে!

        এর প্রধান কারণ হচ্ছে অলসতা। তাছাড়া ছোট বেলায় যারা বা যাদের বাবা-মা এসব বিষয়ে সচেতন ছিলেন, তাদের এ জাতীয় ভুল কম হয়। আমরা যারা ঢাকার বাইরে পড়াশুনা করেছি, তাদের মধ্যে এজাতীয় ভুলের প্রবনতা বেশী দেখা যায়, কেননা গ্রাম বা জেলা শহরের স্কুলগুলোতে এ বিষয়ে তেমন গুরুত্ব দেয়া হয় না। লেখা-লেখির কারণে মনে হচ্ছে বাংলা আবার শিখতে হবে! আপনাদের উদ্যেগকে স্বাগত জানাই।

        1. 3.1.2.1
          ফুয়াদ দীনহীন

          @সরোয়ার:

          “আমরা যারা ঢাকার বাইরে পড়াশুনা করেছি, তাদের মধ্যে এজাতীয় ভুলের প্রবনতা বেশী দেখা যায়, কেননা গ্রাম বা জেলা শহরের স্কুলগুলোতে এ বিষয়ে তেমন গুরুত্ব দেয়া হয় না”-সরোয়ার

          কলিকাতার ভাষাকে আমাদের মাতৃভাষার উপরে কি স্থান দেওয়া হয়েছে? আমি কলিকাতার ভাষা পারিনা, কিন্তু আমার দেখা মানুষ গুলি যে ভাষায় কথা বলে, তা কিন্তু আমি পারি।

        2. 3.1.2.2
          সাদাত

          @সরোয়ার:
          প্রবনতা -> প্রবণতা
          এই বানানটা চিরদিনের জন্য ঠিক করে নেন।

        3. সরোয়ার

          @সাদাত:

          আমি এটা জানতাম না। আশা করি ঐ ভুলের প্রবণতা আর দেখাবো না! ধন্যবাদ।

        4. 3.1.2.3
          এস. এম. রায়হান

          @সরোয়ার: ‘ন’ আর ‘ণ’ লিখার ক্ষেত্রে অলসতা যে একটা কারণ তা আমি বুঝতে পারি। কিন্তু তাই বলে আমরা জেনেশুনে ভুল বানান তো লিখতে পারি না!

          আপনাদের উদ্যেগকে স্বাগত জানাই।

          উদ্যোগ হবে। ধন্যবাদ।

        5. সাদাত

          @এস. এম. রায়হান:
          ঐটাকে ভুল বলা যায় না, টাইপো।

        6. সরোয়ার

          @এস. এম. রায়হান:

          এটাও ভুল ছিল। আমি অভ্রতে ‘উদ্যোগ’ টাইপ করতে পারছি না। প্লিজ বলে দেন। ধন্যবাদ।

        7. 3.1.2.4
          এস. এম. রায়হান

          @সরোয়ার: অভ্রতে ‘উদ্যোগ’ লিখতে হলে udyOg টাইপ করতে হবে।

        8. সরোয়ার

          @এস. এম. রায়হান:

          আপনার উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ!

  13. 2
    বুড়ো শালিক

    বন্ধনীর ভেতরে ‘রংপুর জেলায়’ এর আগে-পরে কোন স্পেস হবে না।

    ঠিক। আবার ব্র্যাকেটের ঠিক আগে একটা স্পেস থাকা দরকার। অনেকে ব্র্যাকেটকে তার আগের শব্দের সাথে মিলিয়ে দিয়ে দেন। এটা ঠিক না এবং দৃষ্টিকটুও বটে।
    যেমন, অনেকে লেখেন(এরকম), কিন্তু সঠিক হলো (এরকম)।

    বানানের যে আলোচনা করেছেন, তা মূলত ন আর ণ এর ঝামেলাই মনে হলো। এ ব্যাপারে নিয়ম হলো, ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে যদি ণ যুক্ত থাকে, তাহলে তা ণ হবে, ন না। যেমন ঘন্টা না, ঘণ্টা। ভন্ড না, ভণ্ড। কান্ড না, কাণ্ড। লুন্ঠন না, লুণ্ঠন। তবে এই নিয়ম বিদেশি শব্দের জন্য প্রযোজ্য না। বিদেশি শব্দে কখনোই ণ ব্যবহৃত হবে না। সবসময় ন ব্যবহৃত হবে। যেমন অ্যাণ্ড না, অ্যান্ড। ব্র্যাণ্ড না, ব্র্যান্ড।

    একই টাইপের কথা ষ ও র এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। ষ আর র এর পরে (বাংলা শব্দে) সাধারণত ণ হয়।

    যাই হোক, বাংলা ব্লগ জগতের বিপুল প্রচার ও প্রসারের যুগে আপনার লেখাটা সত্যিই সময়োপযোগী। এজন্য ধন্যবাদ অবশ্যই আপনার প্রাপ্য। লেখাটা ফেইসবুকে শেয়ার করলাম।

    1. 2.1
      এস. এম. রায়হান

      @বুড়ো শালিক: কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস যোগ করার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।

    2. 2.2
      সাদাত

      @বুড়ো শালিক:
      ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে যদি ণ যুক্ত থাকে, তাহলে তা ণ হবে, ন না।
      তার মানে ট,ঠ,ড,ঢ এর আগে ‘ণ’ হবে, ‘ন’ নয়।
      ঘন্টা নয় ঘণ্টা
      কুন্ঠা নয় কুণ্ঠা
      দন্ড নয় দণ্ড

      1. 2.2.1
        সরোয়ার

        @সাদাত:

        ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে যদি ণ যুক্ত থাকে, তাহলে তা ণ হবে, ন না।

        একটা দারুণ বিষয় সহজে আয়ত্ব করলাম।! এই জায়গাতে একটু প্যাঁচ লেগে যেত।

    3. 2.3
      এস. এম. রায়হান

      @বুড়ো শালিক:

      ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে যদি ণ যুক্ত থাকে, তাহলে তা ণ হবে, ন না।

      ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে ‘ণ’ যুক্ত থাকলে তা ‘ণ’ হবে -- ব্যাপারটা কেন জানি ধাঁধার মতো লাগছে! একটু ব্যাখ্যা প্রয়োজন।

      1. 2.3.1
        সাদাত

        @এস. এম. রায়হান:
        ধাঁধাঁ কেন হবে? আমি তো দেখছি পরিষ্কার ফর্মুলা!

      2. 2.3.2
        বুড়ো শালিক

        @এস. এম. রায়হান: মানে ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে দন্ত্য-ন যুক্ত না হয়ে মূর্ধন্য-ণ যুক্ত হবে। 🙂

        1. 2.3.2.1
          এস. এম. রায়হান

          @বুড়ো শালিক: এবার ঠিক আছে! কিন্তু আপনার আগের বাক্যটা ধাঁধার মতো ছিল:

          ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে যদি ণ যুক্ত থাকে, তাহলে তা ণ হবে, ন না।

          আমরা যদি বুঝতেই পারি ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে ‘ণ’ যুক্ত আছে তাহলে তো ‘ণ’-ই হবে!

  14. 1
    এস. এম. রায়হান

    আমার আয়ত্বের মধ্যে কিছু টিপস দেওয়া হয়েছে। আপনাদেরও কোনো টিপস থাকলে শেয়ার করতে পারেন। কোনো প্রশ্ন থাকলেও করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.