«

»

Sep ২৩

ব্রেকিং নিউজ : ফাস্টার দ্যান লাইট!

লার্জ হেড্রন কলাইডারে মিউয়ন-নিউট্রিনোর [১] গতি সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণ সংশ্লিষ্ট বৈজ্ঞানিকদের হতবিহ্বল করেছে [২]। তাদের পরীক্ষা বলছে সার্ন থেকে ৭৩২ কি.মি. দূরের গ্রান স্যাসো ল্যাবের উদ্দেশ্যে পাঠানো মিউয়ন-নিউট্রিনোটি প্রত্যাশিত সময়ের চেয়ে বিলিয়ন ভাগের একভাগ আগে পৌঁছে গেছে। আর প্রত্যাশিত সময়টা বের করা হয়েছে মহাবিশ্বের মধ্যে পর্যবেক্ষিত সর্বোচ্চ বেগ, যার সীমা দিয়ে গেছেন আইনষ্টাইন প্রায় ১০০ বছর আগে, তার প্রক্ষিতে। এ পর্যন্ত করা অসংখ্য পরীক্ষাতে বারংবার এটা প্রমাণিত হয়ে গেছে যে, আলোর বেগই মহাবিশ্বের স্থানের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করার সর্বোচ্চ বেগ। সার্নের পর্যবেক্ষণের আরো ব্যাখ্যার আগে দেখা যাক আলোর এই বেগ যাকে মহাবিশ্বের সর্বোচ্চ সম্ভাব্য গতিবেগ বলা হয় তা বলতে আসলে কী বোঝায়। আর কী কী ক্ষেত্রে এই সর্বোচ্চ গতিবেগের সীমা লঙ্ঘিত হতে পারে।

আলোর বেগের সংজ্ঞাতে বলা হচ্ছে, কিছু কিছু প্রসেস আলোর চেয়ে বেশী বেগে সঞ্চারিত হতে পারে, কিন্তু তারা কোনো তথ্য বিতরণ করতে পারেনা। আমার আগের লেখা পদার্থবিদ্যার অমীমাংসিত সমস্যার দ্বিতীয়তৃতীয় পর্বে কোয়ান্টাম প্রবাবিলিটি ওয়েভ ফাংশন ও কোয়ান্টাম এন্টেঙ্গেলমেন্ট সম্পর্কে বলেছিলাম। কোয়ান্টাম ওয়েভ ফাংশনটা হচ্ছে স্রোডিংগারের সমীকরণের অধীন চলক, (dependent function) যেটা স্থান-কালের কোনো নির্দিষ্ট অংশে ইলেকট্রনকে পাবার সম্ভবনার পরিমাপ বলে দেয়। যখন ইলেকট্রনের অবস্থান বের করার জন্যে আমরা কণাটির উপর একটা মেজারমেন্ট নিই, কণাটি তৎক্ষণাত স্থান-কালের একটি নির্দিষ্ট অংশে তার অবস্থান সুনির্দিষ্ট করে ফেলে, আর সারা মহাবিশ্ব জুড়ে ব্যপ্ত থাকা কোয়ান্টাম প্রবাবিলিটি ওয়েভ ফাংশনটি তৎক্ষণাত ভেঙ্গে পড়ে। এই ঘটনাকেই ওয়াভ ফাংশন কোলাপ্স বলে। আর এই ভেঙ্গে পড়া কিন্তু তাৎক্ষণিক, অর্থাৎ আলোর বেগের চাইতে অনেক অনেক বেশী বেগে তা ঘটে থাকে। তৃতীয় পর্বে লিখা কোয়ান্টাম এন্টেঙ্গেলমেন্টেও দেখিয়েছি, এন্টেঙ্গেল্ড যুগল কণাদের একটির উপর কোনো গুণ/ধর্মের পরিমাপ নিলে যুগলের অন্য কণাটি কোনো বিলম্ব ছাড়াই তৎক্ষণাত অনুরূপ গুণ/ধর্ম ঠিক করে ফেলে ১০০% নিশ্চয়তার সাথেই। এক্ষেত্রেও আলোর বেগ কোনো বাঁধা নয়। কোয়ান্টাম নন-লোকাল কানেকশনে থাকা এন্টেঙ্গেল্ড যুগলের কণা দুটির মধ্যে আপাত তথ্য প্রদানের হারের নিম্নসীমা পরীক্ষাগারে বের হয়েছে আলোর বেগের চাইতে নিদেনপক্ষে ১০ হাজার গুন বেশী বলে [৩]।

ওয়েভ ফাংশন কোলাপ্স কিংবা কোয়ান্টাম এন্টেঙ্গেলমেন্টের ক্ষেত্রে তৎক্ষণাত ইন্টার‌্যাকশনকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা বলেছেন যে আপাত দৃষ্টিতে আলোর বেগের চাইতে বেশী বেগে তথ্য বা প্রভাব বিনিময় হচ্ছে বলে মনে হলেও বাস্তবে কিন্তু তা ঘটেনা। যেমন এন্টেঙ্গেল্ড যুগলের ক্ষেত্রে বলা হচ্ছে যে কণিকার গুণ পরিমাপ করার আগে কিন্তু অব্জার্ভার জানে না কোন্‌ কোয়ান্টাম স্টেটে কণাটিকে পাওয়া যাবে। এখন মেজারমেন্ট নেবার পরে কণাটির পরিমিত গুণটি জানা গেলে তা অন্য ল্যাবে থাকা দ্বিতীয় পর্যবেক্ষকের কাছে কিন্তু ক্লাসিক্যাল উপায়েই একমাত্র জানানো সম্ভব (যেমন ফোন কিংবা আলোক-বার্তার মাধ্যমে); আর সেটার উপর আলোর বেগের সীমা আরোপিত থাকছে। বিজ্ঞানীদের এই ব্যাখ্যাটা অবশ্য আমার কাছে মনঃপুত হয়নি। আমার নিজের মনে যে প্রশ্ন জাগে তা হলো, তথ্য বিনিময় হোক আর নাই হোক, একটি কণার উপর মেজারমেন্ট নেবার সাথে সাথেই তো পর্যবেক্ষক জেনে যাচ্ছে যে অন্য ল্যাবে থাকা কণাটির অনুরূপ গুণ। আর সেটি তো ক্লাসিক্যাল উপায়ে তথ্য বিনিময়ের উপর নির্ভরও করছেনা। যাইহোক, কোন পদার্থবিদের কাছ থেকে বিষয়টা কোনো সময় পরিষ্কার করে নেবার ইচ্ছে আছে আমার।

উপরে বর্ণিত কোয়ান্টাম জগতের ঘটনা দুটি ছাড়াও ম্যাক্রো স্কেলে এমন আরো কিছু প্রসেস দেখা যায় যেক্ষেত্রে আপাত ভাবে আলোর বেগের চাইতে বেশী বেগ পরিলক্ষিত হয়।

রাতের আকাশের তারাগুলো এক-দিনে পৃথিবীর চারিদিকে ঘুরে আসে। সে হিসেবে সৌরজগতের সবচেয়ে নিকটবর্তী তারা প্রক্সিমা সেঞ্চুরাই (৪ আলোকবর্ষ দূরে) এর আপাত গতি আলোর গতির কয়েকগুন। কিন্তু এখানে মূল ভুলটা হচ্ছে পৃথিবীকে স্থির ধরে হিসেবটা করা হচ্ছে।

ঐদিকে মহাবিশ্বের সম্প্রসারণের কথা প্রথম পর্বে বলেছিলাম, যা এডউইন হাবল ১৯২৯ সালে আবিষ্কার করেছিলেন। আর অতি সম্প্রতি দেখা গেছে যে মহাবিশ্ব আসলে ত্বরণসহ সম্প্রসারিত হচ্ছে। প্রথম পর্বে লেখা অদীপ্ত শক্তি বা ডার্ক এনার্জি নামক কল্পিত শক্তিকে মহাবিশ্বের পদার্থ-শক্তির সমীকরণে আনতে হয়েছে বিজ্ঞানীদের এই ত্বরণসহ সম্প্রসারমান মাহাবিশ্বের ব্যাখ্যাকল্পে। হাবলের আবিষ্কার বলছে, যে গ্যালাক্সি যত দূরে তা তত বেশী হারে পরস্পরের কাছ থেকে অপসরিত হচ্ছে। এই হিসেবে এগুলে দেখা যায় যে পৃথিবী থেকে ১৪ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরের গ্যালাক্সির অপসারণ হার আলোর গতির চেয়েও বেশী। এর একটা স্বাভাবিক ইমপ্লিকেশন হচ্ছে, ১৪ বিলিয়ন আলোকবর্ষ দূরের গ্যালাক্সিরও বাইরের গ্যালাক্সির খোঁজ আমরা আমাদের আজকের বিজ্ঞানের সাহায্যে জানতে পারবোনা; কেননা, দূরের সেই সব গ্যালাক্সি থেকে বের হয়ে আসা আলোর চাইতেও বেশী বেগে খোদ গ্যালাক্সিই আমাদের থেকে অপসরিত হয়ে যাচ্ছে। ত্বরণসহ সম্প্রসারণশীল এই মহাবিশ্বে ভবিষ্যতে এমন এক সময় আসবে যখন মহাবিশ্বের সবগুলো গ্যালাক্সি পরষ্পরের থেকে আলোর বেগের চাইতেও বেশী বেগে অপসরিত হতে থাকবে। সেসময়ে সব গ্যালাক্সিগুলোই একেকটা দ্বীপ মহাবিশ্বে পরিণত হবে।

যাইহোক, উপরে উল্লেখিত আমাদের এই মহাবিশ্বের গ্যালাক্সিগুলির পরষ্পরের সাপেক্ষে আলোর বেগের চাইতেও বেশী বেগে অপসরণের ঘটনা কি আইনষ্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতার তত্ত্বকে লঙ্ঘন করে? উত্তর হচ্ছে না। কেননা, আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্বে বলা হচ্ছে, স্থানের মধ্যে দিয়ে কোনো পদার্থ বা শক্তি আলোর বেগের চাইতে বেশী বেগে প্রবাহিত হতে পারেনা। কিন্তু স্থানের নিজের সম্প্রসারণ এই রীতির লঙ্ঘন করেনা। আজকের মহাবিশ্বে পর্যবেক্ষিত স্থানের এই সম্প্রসারণ শুরু হয়েছিল বিগ ব্যাংয়ের অব্যবহিত পরের ইনফ্লেশনের সময় থেকে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, ইনফ্লেশন ফেজে মহাবিশ্ব একটা পয়সার আকার থেকে খুব অল্প সময়ে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির চেয়েও কয়েক গুন বড় হয়ে গিয়েছিল। বিগ ব্যাং থিওরির মতো ইনফ্লেশন বা স্ফীতি তত্ত্বও আজকাল বৈজ্ঞানিক মহলে বেশ সমাদৃত, কেননা এটি মহাবিশ্বের সমতলতা (flatness problem) ও দিগন্ত (horizon problem) সমস্যার ব্যাখ্যা দিতে পারে ভালোভাবে। যাইহোক, মোদ্দা কথা স্ফীতিকালে মহাবিশ্ব অস্বাভাবিক হারে স্ফিত হয়ে যাওয়া ঘটেছিল আলোর বেগের চাইতে বিলিয়ন বিলিয়ন গুন বেশী হারে। কিন্তু আগের মতোই একইভাবে এটা স্থানের স্ফীতি; আর এই স্থানের স্ফীতির সাথে স্থানের মধ্য দিয়ে আরোপিত বেগের সীমার কোনো সম্পর্ক নেই। আর তাই কসমিক ইনফ্লেশন আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব লঙ্ঘন করেনা।

সাধারণ আপেক্ষিকতাবাদের দিকে তাকালে আমরা দেখি যে লোকাল মেজারমেন্টের ক্ষেত্রে আলোর বেগের চাইতে কিছুটা বেশী বা কম বেগ পাওয়া কিছু ক্ষেত্রে সম্ভব হলেও (বিশেষত যেসব স্থান-কালে লোকাল বক্রতা আছে) সার্বিকভাবে আলোর বেগের সীমা লঙ্ঘিত হয়না। আর আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্বে, যেখানে ইনারশিয়াল ফ্রেম অফ রেফারেন্স পরষ্পরের সাপেক্ষে সমবেগে ভ্রাম্যমান ধরা হয় সেখানে আলোর বেগের সীমা লঙ্ঘনের কোনো বিধান একেবারেই নেই।

খুবই অল্প সময়ের জন্যে আলোর বেগের চেয়ে বেশী বেগে প্রভাব বিনিময়ের প্রমাণ আগে পাওয়া গেছে কাসিমির এফেক্টের ক্ষেত্রে। কিন্তু সেক্ষেত্রে সময় ও অতিক্রান্ত দূরত্ব বেশ অল্প (যেমন মাইক্রোমিটার বা তারো কম দূরত্বের ক্ষেত্রে)। আর ভরবাহী কণার ক্ষেত্রে আলোর বেগের সীমা লঙ্ঘনের সুযোগ মোটেই নেই বলা যায়, কেননা ভারী কণিকাকে আলোর বেগের কাছাকাছি নিতে হলে হয় অসীম পরিমাণ সময় লাগে কিংবা অসীম পরিমাণ শক্তি লাগে।

সার্নের পরীক্ষাগারে পাওয়া ফলাফল চমকপ্রদ অন্তত দু-ভাবে। প্রথমত, মিউয়ন নিউট্রিনো ভরবাহী কণা (যদিও অন্যান্য মৌলিক কণার চেয়ে এর ভর অনেক কম), ও পাড়ি দেয়া দূরত্ব অনেক বেশী (৭৩২ কি.মি.)। যাইহোক, সার্নের সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা ঘটনার সঠিক ব্যাখ্যা ও বিধৃতি খুঁজে বেড়াচ্ছেন। তারা তাদের পাওয়া ফলাফল পৃথিবীর অন্যান্য বিজ্ঞানীদের অ্যানালাইসিসের জন্যে পাঠাবেন; উদ্দেশ্য এই যে তারা কোথাও কোনো ভুল করছেন কিনা তা বের করা। তারা নিজেরা কিন্তু ১৫০০০ বারের চেয়েও বেশী বার পরীক্ষা করে একই রকমের ফলাফল পেয়েছেন।

তবে আসলেই যদি প্রমাণিত হয় যে ভরবাহী কণা আলোর বেগের চাইতেও বেশী বেগে অনেকখানি দূরত্ব পাড়ি দিতে পারে, তাহলে তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যায় আমূল পরিবর্তন আসবে। আর আমাদের প্রয়োজন পড়বে একশ বছরের অলঙ্ঘনীয় আপেক্ষিকতার তত্ত্বের ব্যাপক পূনর্মূল্যায়ন ও পরিশীলন।

সূত্রঃ

[১] http://en.wikipedia.org/wiki/Muon_neutrino

[২] http://www.bbc.co.uk/news/science-environment-15017484

[৩] http://en.wikipedia.org/wiki/Faster-than-light

[৪] http://en.wikipedia.org/wiki/Standard_model

৬৪ comments

Skip to comment form

  1. 26
    অভিষেক

    টপিকটা মুছে ফেলার সময় এসেছো, কারণ ব্যাপারটা ঘটেছিল একটা খারাপ অপটিক ক্যাবলের জন্য!
    http://www.guardian.co.uk/science/2012/feb/23/faster-light-neutrinos-faulty-connection

    Faster-than-light neutrinos: was a faulty connection to blame?
    A dodgy optical fibre connection may have skewed results that appeared to show neutrinos travelling faster than light

     

    1. 26.1
      সাদাত

       নতুন তথ্য পাওয়া গেলে নতুন লেখা আসতে পারে, পুরনো টপিক মুছতে হবে কেন?

  2. 25
    2pac

    Shahbaz vhai,
    Apnar lekhata khub valo lagche.Onek kisu jante parlam.Dunia kapano bishoi eigula.tobe jai hok,
    Ei bishoe ajke BBC ekta notun lekha dise.Ei lekhata poira apnar dharona ba motamot janaia pore ekta post dien.Ei sob bishoer lekhar proti sobari akorshon thake,ei sob bishoe apnar theke aro beshi beshi lekha shodalap e dekhte chai. ami niche BBC er link ta dilam:

    http://www.bbc.co.uk/news/science-environment-15471118

    1. 25.1
      শাহবাজ নজরুল

      @2pac:

      Thanks for the link. I’m also keeping track on the event. You know as the scientists of the Opera project were stunned by the unexpected results, they invited all physicists in the world to take a look at their experimantal setup, just to make sure if everything is OK. I think, as the BBC link says, this is an experiment with different setup, just to verify if the original setup of the experiments were okay or wrong. I’ll inshAllah keep posting about the progress if substantial change/info is avaialable. Thanks for the input.

      --Shahbaz

  3. 24
    ashrafmahmud

    @রায়হান ভাই,

    সালাম ও শুভেচ্ছে।
    আপনি কি সামু ছেড়ে দিয়েছেন? তেমন ভিজিট করেন না মনে হোল। না-কি এ-সাইটে ব্যস্ততার কারণে সময় দিতে পারছেন না? আমিও কিছুদিন দৌড়াদৌড়িতে ছিলাম।
    মিস্ ইয়্যু অয়ল্।

    1. 24.1
      এস. এম. রায়হান

      @ashrafmahmud: সামু ছেড়ে দেইনি। প্রথমত নতুন কোন লেখা না থাকা, দ্বিতীয়ত অনেক দিন ধরে বেশ ব্যস্ততার কারণে সামু’র দিকে একটু কম যাওয়া হয়। আর গেলেও বেশীরভাগ সময় অফ-লাইনেই থাকি।

  4. 23
    আশরাফ মাহমুদ মুন্না

    শাহবাজ ভাই,

    সালাম ও শুভেচ্ছা।
    গ্রেট পোষ্ট। চমৎকার! চমৎকার!

    অসংখ্য ধন্যবাদ।

    1. 23.1
      এস. এম. রায়হান

      @আশরাফ মাহমুদ মুন্না: আপনি এখানে রেজিস্ট্রেশন করে ফেলুন। রেজিস্ট্রেশন করে মন্তব্য করলে মন্তব্য সরাসরি প্রকাশ হবে। আর সম্ভব হলে লেখালেখিও শুরু করে দিতে পারেন।

      1. 23.1.1
        আশরাফ মাহমুদ মুন্না

        @এস. এম. রায়হান:
        রায়হান ভাই,
        তথাস্তু।
        ধন্যবাদ।

    2. 23.2
      শাহবাজ নজরুল

      @আশরাফ মাহমুদ মুন্না:

      আশরাফ ভাই, সালাম। পড়ার ও উত্সাহ দেয়ার জন্যে ধন্যবাদ। ভালো থাকুন, পারলে সদালাপেও লিখুন।

  5. 22
    সাদাত

    “রাতের আকাশের তারাগুলো এক-দিনে পৃথিবীর চারিদিকে ঘুরে আসে।”

    -কথাটার অর্থ কী?

    1. 22.1
      শাহবাজ নজরুল

      @সাদাত:

      একই প্যারাতে উত্তর দেয়া আছে। “কিন্তু এখানে মূল ভুলটা হচ্ছে পৃথিবীকে স্থির ধরে হিসেবটা করা হচ্ছে।” জিও জিওস্টেশনারি মডেল ধরলে মনে হয় সারা মহবিশ্ব পৃথিবীর চারদিকে ঘুরছে।

  6. 21
    সাদাত

    এমন সময় বসার সময় পেলাম, যখন মাগরিবের আযান পড়ে গেল!!!
    পরে আসছি ইনশাআল্লাহ..

    1. 21.1
      ফুয়াদ দীনহীন

      @সাদাত:

      নামাজ পড়ে চলে আসুন। সাদাত ভাই, আপনার প্রয়োজনীয় লেখা গুলি সদালাপ অআরজিতে আপ-লোড করেন। সবাই পড়তে পারবে।

  7. 20
    সরোয়ার

    নীচের PowerPoint (Webcast) প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে সার্নের বিজ্ঞানীরা তাদের অবজার্ভেশনকে সায়েন্টিফিক ফোরামে তুলে ধরেন।

    OPERA neutrino experiment on breaking speed of light — webcast

    This is the live Webcast from CERN on Friday September 23, 2011. Given the potential far-reaching consequences of the OPERA experiment — which observes a neutrino beam from CERN 730 km away at Italy’s INFN Gran Sasso Laboratory, indicating that the neutrinos travel at a velocity 20 parts per million above the speed of light — independent measurements are needed before the effect can either be refuted or firmly established, according to a CERN statement just issued. The OPERA collaboration has therefore decided to open the result to broader scrutiny.

  8. 19
    সরোয়ার

    Scientists react with disbelief!

    Professor Brian Cox has said that if the Italian discovery is proved correct, it would require ‘a complete rewriting of our understanding of the universe‘.

    http://www.guardian.co.uk/science/2011/sep/23/physicists-speed-light-violated

  9. 18
    সরোয়ার

    এই পোষ্টের রিভিউ পড়তে-

    পদার্থ বিজ্ঞান কি নেগেটিভ এনার্জি, বিপরীত ভর কিংবা এন্টি পার্টিক্যালের যুগে এসে গেল?
    http://www.shodalap.org/?p=4581

  10. 17
    ফুয়াদ দীনহীন

    আমি সময়ের উলটা যাবার কথা চিন্তা করতেছি, আপনিও কি তাই করতেছেন?

    1. 17.1
      শাহবাজ নজরুল

      @ফুয়াদ দীনহীন:

      যান, ইকুয়েশনকে নিয়ে সব-ভাবে না ভাবলে চিন্তাধারা বাঁধানো ফ্রেমে আঁটকে যাবে। বিজ্ঞানে বাঁধাহীন ভাবে ভাবতে হয়। না হলে সামনে আগানো যায়না।

      --শাহবাজ

  11. 16
    ফুয়াদ দীনহীন

    সুন্দর একটি লেখার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। কিছু বিজ্ঞানী খুব সম্ভবত ১৯৮৪ এর দিকে এ নিয়ে কিছু কল্পনা করেছিলেন। তারা জার্নালও প্রকাশ করেছিলেন: The neutrino as a tachyon এই নামে।

  12. 15
    এস. এম. রায়হান

    আলোর বেগের সংজ্ঞাতে বলা হচ্ছে, কিছু কিছু প্রসেস আলোর চেয়ে বেশী বেগে সঞ্চারিত হতে পারে, কিন্তু তারা কোনো তথ্য বিতরণ করতে পারেনা।

    কোন প্রসেস আলোর চেয়ে বেশী বেগে সঞ্চারিত হলে তথ্য বিতরণ করতে পারেনা কেন, এর পক্ষে কোন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে কিনা।

    1. 15.1
      শাহবাজ নজরুল

      @এস. এম. রায়হান:

      কোন প্রসেস আলোর চেয়ে বেশী বেগে সঞ্চারিত হলে তথ্য বিতরণ করতে পারেনা কেন, এর পক্ষে কোন বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে কিনা।

      বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার একটা সিনারীও লেখাতেই আছে। এখানে আবার দিলাম,

      ওয়েভ ফাংশন কলাপ্স কিংবা কোয়ান্টাম এন্টেঙ্গেলমেন্টের ক্ষেত্রে তৎক্ষণাত ইন্টারেকশনকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা বলেছেন যে আপাত দৃষ্টিতে আলোর বেগের চাইতে বেশী বেগে তথ্য বা প্রভাব বিনিময় হচ্ছে বলে মনে হলেও বাস্তবে কিন্তু তা ঘটেনা। যেমন এন্টেঙ্গেল্ড যুগলের ক্ষেত্রে বলা হচ্ছে যে কণিকার গুণ পরিমাপ করার আগে কিন্তু অব্জার্ভার জানেন না কোন্‌ কোয়ান্টাম স্টেটে কণাটিকে পাওয়া যাবে। এখন মেজারমেন্ট নেবার পরে কণাটির পরিমিত গুণটি জানা গেলে তা অন্য ল্যাবে থাকা দ্বিতীয় পর্যবেক্ষকের কাছে কিন্তু ক্লাসিক্যাল উপায়েই একমাত্র জানানো সম্ভব (যেমন ফোন কিংবা আলোক-বার্তার মাধ্যমে); আর সেটার উপর আলোর বেগের সীমা আরোপিত থাকছে।

  13. 14
    এস. এম. রায়হান

    আমার মতো পদার্থবিদ্যায় অনভিজ্ঞ কিংবা চর্চাহীন পাঠকদের জন্য নিম্নের বিষয়গুলো সম্পর্কে সহজ-সরল ভাষায় ও সংক্ষেপে কিছু ধারণা দিতে পারেনঃ

    ১। ইনফ্লেশন তত্ত্ব
    ২। ফ্ল্যাটনেস প্রব্লেম
    ৩। হরাইজন প্রব্লেম
    ৪। ক্যাসিমির এফেক্ট

    1. 14.1
      শাহবাজ নজরুল

      @এস. এম. রায়হান:

      আমার মতো পদার্থবিদ্যায় অনভিজ্ঞ কিংবা চর্চাহীন পাঠকদের জন্য নিম্নের বিষয়গুলো সম্পর্কে সহজ-সরল ভাষায় ও সংক্ষেপে কিছু ধারণা দিতে পারেনঃ

      ১। ইনফ্লেশন তত্ত্ব
      ২। ফ্ল্যাটনেস প্রব্লেম
      ৩। হরাইজন প্রব্লেম
      ৪। ক্যাসিমির এফেক্ট

      ইনফ্লেশন বা স্ফীতি তত্ত্ব হচ্ছে বিগ ব্যাংয়ের মতোই মহাবিশ্বের ইভোলুয়েশনের ব্যখ্যার একটা তত্ত্ব, বিজ্ঞানীরা বলছেন স্ফীতি তত্ত্ব অনুসারে বিগ ব্যাংয়ের পরে মহাবিশ্বে ব্যপক স্ফীতি ঘটেছিল খুবই অল্প সময়ের মধ্যে। লেখাতে আছে কিছুটা। আর এই তত্ত্ব ফ্ল্যাটনেস ও হরাইজন প্রবলেমের ভালো ব্যাখ্যা দেয়।

      ফ্ল্যাটনেস প্রব্লেম হচ্ছে "মহাবিশ্বে ভর এতো হোমোজিনিয়াস ভাবে ডিস্ট্রিবিউটেড কেন?" মহাবিশ্বের কোনো একটা অংশে অন্য অংশের চাইতে অনেক অনেক বেশী ভর স্কীউড হয়ে নাই কেন? যদি ভর এক অংশে অনেক বেশী থাকতো তাহলে মহাবিশ্বের সেই অংশটা ফ্ল্যাট না হয়ে বক্র হতো।

      হরাইজন সমস্যার কিছু ইঙ্গিত লেখাতেই আছে। আমাদের মহাবিশ্বের ঘটনা দিগন্ত বা ইভেন্ট হরাইজন হচ্ছে ১৪ বিলিয়ন লাইট ইয়ার। এর বাইরের অংশ আলোর বেগের চাইতে বেশী বেগে আমাদের কাছ থেকে সরে যাচ্ছে। আর এই অপসরনের কোনো সার্বিক কেন্দ্র নাই। এমন ঘটনা কেন ঘটছে তাই হচ্ছে হরাইজন প্রব্লেম।

      কাসিমির এফেক্ট হচ্ছে হাইসেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতির প্রতিফল। শূণ্য বা ভ্যাকুয়াম অনিশ্চয়তা নীতি অনুসারে কিন্তু পুরপুরি শূন্য নয়। এর মধ্যে প্রতিমুহুর্তে পার্টিক্যাল আর এন্টি-পার্টিক্যাল তৈরী আর বিনাশ হচ্ছে। ফলে ভ্যাকুয়ামের মধ্যেও এনার্জি লুকিয়ে আছে বলা যায়। ভ্যাকুয়ামে অনিশ্চয়তার নীতি প্রামাণকল্পে আসে কাসিমির এফেক্ট। এটা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। অল্প দূরত্বে কাসিমির ফিল্ড এর ইন্টার‍্যাকশন আলোর গতির বেশী বেগে ঘটে প্রমাণ হয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে দূরত্ব খুবই কম।

      সবকিছুর ব্যাখ্যার জন্যে আলাদা করে পোস্ট দরকার। দেখি সামনে দেয়া যায় কিনা।

      --শাহবাজ

  14. 13
    এস. এম. রায়হান

    কিছু প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন রাখলামঃ

    ১। আলোর বেগই যে মহাবিশ্বের স্থানের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করার সর্বোচ্চ বেগ -- আইনস্টাইন সেই সময় এই চূড়ান্ত উপসংহারে কীভাবে পৌঁছেছিলেন। কী ধরণের পরীক্ষা তখন করা হয়েছিল।

    ২। আইনস্টাইন এর সময় মিউয়ন-নিউট্রিনো নামক সাব-অ্যাটমিক পার্টিকলটি কি বিজ্ঞানীদের কাছে অজানা ছিল?

    ৩। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা জেনেভার সার্ন থেকে ইঠালির গ্রান স্যাসোতে যে পরীক্ষা চালিয়েছেন তার দূরত্ব মাত্র ৭৩২ কিমি। এত কম দূরত্বে পরীক্ষা চালিয়ে সঠিক কোন সিদ্ধান্তে পৌঁছা সম্ভব কিনা।

    1. 13.1
      বুড়ো শালিক

      @এস. এম. রায়হান: আপনার ফার্স্ট কোয়েশ্চেনের এনসার দেয়ার ট্রাই নিতে পারি। নিচে স্পেশ্যাল থিওরি অফ রিলেটিভিটির সূত্র তিনটা দিলাম। এখানে v এর মান কখনোই c এর চেয়ে বেশি হতে পারে না। আর c এর সমান হলে অসীম সময়, অসীম ভর, শুন্য দৈর্ঘ্য ইত্যাদি অতিপ্রাকৃতিক ফলাফল আসবে।

      t= t_0/√(1-v^2/c^2)
      m= m_0/√(1-v^2/c^2)
      l= l_(0)√(1-v^2/c^2)

      1. 13.1.1
        এস. এম. রায়হান

        @বুড়ো শালিক: আপনার সূত্রগুলো দেখা যাচ্ছে না। তবে সূত্রগুলো মনে হয় আগে দেখেছি। প্রশ্ন হচ্ছে সেই সূত্র-ই বা কীভাবে ডিরাইভ করা হয়েছিল। আইনস্টাইন তাঁর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কি স্রেফ সূত্রের উপর ভিত্তি করে দিয়েছিলেন নাকি তাঁর প্রস্তাবিত সূত্রকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে যাচাই করেই তবে উপসংহারে পৌঁছেছিলেন।

        1. 13.1.1.1
          বুড়ো শালিক

          @এস. এম. রায়হান: দিলেন তো ঝামেলায় ফালাইয়া! সূত্র ঠিক মতোই প্রমাণ করা হইছিলো। অবশ্য ল্যাব-টেস্ট করা হইছিল কিনা আমার জানা নাই।

          আমি যদ্দূর জানি, এই ডিসিশনটা নিতে হইছিলো, কারণ এইটা না ধরলে অনেক পরীক্ষালব্ধ ঘটনার ব্যাখ্যা করা যাইতেছিলো না। কাজেই, এইটা ছিল অন্য বিভিন্ন টেস্ট-কেইস ব্যাখ্যা করার জন্য ধরে নেয়া স্বতঃসিদ্ধ। আমার ধারণা ভুলও হইতে পারে। এ ব্যাপারে মনে হয় লেখক ভালো বলতে পারবেন।

      2. 13.1.2
        এন্টাইভণ্ড

        @বুড়ো শালিক:

        @এস. এম. রায়হান: আপনার ফার্স্ট কোয়েশ্চেনের এনসার দেয়ার ট্রাই নিতে পারি। নিচে স্পেশ্যাল থিওরি অফ রিলেটিভিটির সূত্র তিনটা দিলাম। এখানে v এর মান কখনোই c এর চেয়ে বেশি হতে পারে না। আর c এর সমান হলে অসীম সময়, অসীম ভর, শুন্য দৈর্ঘ্য ইত্যাদি অতিপ্রাকৃতিক ফলাফল আসবে।

        t= t(0)/√(1-v^2/c^2)
        m= m(0)/√(1-v^2/c^2)
        l= l(0)√(1-v^2/c^2)

        উল্টাভাবে চিন্তা করা যাক। এখন যেহেতু আমরা দেখছি যে v এর মান c এর চেয়ে বেশি হতে পারছে, তাহলে আমরা নিশ্চিতভাবেই বলতে পারি যে এই সূত্রগুলোতে ভুল আছে।

        1. 13.1.2.1
          ফুয়াদ দীনহীন

          @এন্টাইভণ্ড:

          কাহিনী বড় জটিল হবে। যেখানে শেষ ভাবা হয়েছিল, সেখানেই শেষ নয়।

        2. বুড়ো শালিক

          @ফুয়াদ দীনহীন: অবশ্যই! আমি আরেকজন ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক বা আইনস্টাইনের আবির্ভাব আশা করছি। 🙂

        3. 13.1.2.2
          বুড়ো শালিক

          @এন্টাইভণ্ড: নিশ্চিতভাবে কোনো কিছুই বলা যায় না। যেমন ধরেন, নিউটনের দ্বিতীয় সূত্রের গাণিতিক রূপ F = ma প্রমাণের জন্য ধরে নেয়া হয়েছিলো যে বস্তুর ভর ধ্রুবক। কিন্তু আইনস্টাইন প্রমাণ করেছেন যে বস্তুর ভর ধ্রুবক না। এখন কি আপনি নিউটনের ঐ আবিষ্কারকে ভুল বলবেন? কখনোই না! কারণ নিউটনের আবিষ্কার কম বেগ সম্পন্ন বস্তুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, আর তাঁর উত্তরসূরিরটা বেশি বেগ সম্পন্ন কণার ক্ষেত্রে। হ্যাঁ, হতে পারে আইনস্টাইনের তত্ত্ব আমাদের আলোচ্য পার্টিকেলের ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য যথেষ্ট না, কিন্তু তাই বলে ঐ সূত্রগুলোকে ‘ভুল’ বলে চালিয়ে দেয়াও ঠিক হবে না।

  15. 12
    shetu

    আশায় রইলাম এটা সঠিক হউক। পদার্থ বিজ্ঞানের ইতিহাসে সেরা অর্জন হবে এটি। আর গ্যালাক্সি ভ্রমণে কাজে লাগবে। …অনেক দিন পর একটি ভালো লেখা পড়লাম।

  16. 11
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    অনেক অনেক ধন্যবাদ -- চমৎকার একটা বিষয়ে লেখার জন্যে। মানুষের জন্যে খুলে যাচ্ছে নতুন জ্ঞানের দিগন্ত।

  17. 10
    জব্বার খান

    আলোর চাইতে বেশী গতি! পরীক্ষণের ফল সঠিক হলে আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানে বিশাল প্রভাব পড়বে। দেখা যাক, সমস্যার সমাধানে ভবিষ্যতে বিজ্ঞান কোন দিকে যায়।

  18. 9
    জাদু ভাই

    তাহলে ইনার কি হবেঃ

    সাইফুল ইসলাম
    মে ২৪, ২০১১ at ১:১৮ পূর্বাহ্ণ লিঙ্ক

    যখন কেউ বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা দেবে তখন কিন্তু আমরা ধরে নেব যে সে বিজ্ঞানের নিয়ম নীতি মেনেই ব্যাখ্যা দেবে, তাই না? যখন মুসলমানরা বলবে যে মেরাজের ঘটনা আপেক্ষিকতার সাহায্যে ব্যাখ্যা করা যায় তখন আমাদের ধরে নিতে হবে যে সে আপেক্ষিকতার নীতি মেনেই ঐ কথা বলছে। আপেক্ষিকতা কিন্তু অন্য কথা বলে।আপেক্ষিকতা বলছে কোন বস্তুর পক্ষেই আলোর গতি অর্জন করা সম্ভব নয়। আরেকটু পরিষ্কার করে বললে কোন ভরশীল বস্তুর পক্ষে (ফোটন যেমন ভরহীন, ফোটনের পক্ষে এই গতি অর্জন সম্ভব।) আলোর গতি পেতে যে শক্তির দরকার তা হল অসীম, কিন্তু সসীম শক্তির এই মহাবিশ্বে তা অর্জন করা সম্ভব নয়। সো, হুদাই মজা লুটে হেরা। কী কন?

    1. 9.1
      এস. এম. রায়হান

      @জাদু ভাই: সে হয়ত এখন ইয়া নফসি ইয়া নফসি যঁপছে!

  19. 8
    সরোয়ার

    সার্ন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে গড পার্টিকল বা Higgs Boson আবিষ্কারের লক্ষ্য নিয়ে। গড পার্টিকল আসলে কি তা নীচের ভিডিওতে সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

    ‘The God Particle’: The Higgs Boson

    সাধারণ মানুষের জন্য আরো সহজে বুঝানো হয়েছে নীচের ভিডিওতে-

    1. 8.1
      শাহবাজ নজরুল

      @সরোয়ার:

      সার্ন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে গড পার্টিকল বা Higgs Boson আবিষ্কারের লক্ষ্য নিয়ে। গড পার্টিকল আসলে কি তা নীচের ভিডিওতে সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

      হিগস বোসন আর হিগস ওশেন নিয়ে সহসা লেখার ইচ্ছে আছে।

      --শাহবাজ

      1. 8.1.1
        সরোয়ার

        @শাহবাজ নজরুল:

        অপেক্ষায় থাকলাম।

    2. 8.2
      সাদাত

      @সরোয়ার:

      এই পোস্টে আপনার কমেন্টগুলোকে একসাথে করলেই তো মনে হয় আরেকটা পোস্ট হয়ে যাবে। তবে আগেও বলেছি আবার বলছি:

      কোন ভিডিও দেখে আপনি যা বুঝলেন সেটা সংক্ষেপে একটু ভাষাতেও ব্যক্ত করলে ভালো হয়- বাংলাদেশীদের গড় নেটস্পিড এবং বাংলাভাষীদের বোধগম্যতার কথা বিবেচনা করে।

      1. 8.2.1
        বুড়ো শালিক

        @সাদাত: ভিডিওর ব্যাপারে সহমত।

  20. 7
    ফারুক

    আজকে জুমার নামাজে যাওয়ার পথে বিবিসি রেডিওতে খবরটা শোনার সময়ে ভাবছিলাম- কত অপূর্ণ জ্ঞান নিয়া আমাদের বিজ্ঞান মনস্ক নাস্তিক ভাইয়েরা কেমন দৃঢ় বিশ্বাসের সাথেই না সবজান্তা হয়ে গেছে!!

    পোস্ট ভাল লাগল। ধন্যবাদ।

    1. 7.1
      শাহবাজ নজরুল

      @ফারুক:

      সালাম। অনেকদিন পরে কথা হচ্ছে। আপনার সাথে আগে আড্ডা ভালই জমতো। সদালাপে এসে আলাপ জমানোর জন্যে ধন্যবাদ।

      জ্ঞান ও জ্ঞানের অন্বেষণ কখনো সম্পূর্ণ হতে পারেনা। এটা বহতা নদীর মত। নিত্যনতুন জ্ঞান/বিজ্ঞান আসতেই থাকবে। আর আপনি ঠিকই বলেছেন, এই স্বল্প জ্ঞান নিয়েই আমাদের নাস্তিক ভাইয়েরা শেষকথা অলরেডি বলে ফেলেছেন। নামে ‘মুক্তমনা’ হলেও ‘বিজ্ঞানের মধ্যে নাস্তিকতার সিলমোহর খোঁজা’ আমাদের এই নাস্তিক ভাইগণ আসলে ‘বদ্ধমনা’

      এখানে আসুন নিয়মিত। আগের মত করে আড্ডা জমানো যাবে ইনশাল্লাহ।

    2. 7.2
      বুড়ো শালিক

      @ফারুক: ফারুক ভাই কি আমুর ফারুক ভাই?

      1. 7.2.1
        ফারুক

        @বুড়ো শালিক: হ্যা।

  21. 6
    শাহবাজ নজরুল

    @সরোয়ার,

    তবে আসলেই যদি প্রমাণিত হয় যে ভরবাহী কণা আলোর বেগের চাইতেও বেশী বেগে অনেকখানি দূরত্ব পাড়ি দিতে পারে, তাহলে তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যায় আমূল পরিবর্তন আসবে।

    উত্তরের বিশাল অংশ বুড়ো শালিক উপরে দিয়ে দিয়েছেন। আমি অল্প অংশ যোগ করছি ভেবে দেখেন।

    কোনো বস্তুর ভর তার বেগের সাথে সাথে বাড়ে। আলোর বেগের কাছাকাছি এলে এর ভর অসীমের মতো হয়ে দাঁড়ায়। তো এই প্রায় অসীম ভরের বস্তুকে আলোর বেগেই চালাতে হলে অসীম শক্তির দরকার। যেটা অসম্ভব। তাই বলা হচ্ছে ভরবাহী পদার্থের বেগ আলর বেগ দ্বারা সীমিত। দেখুন আলোর বেগে কে চলে? সেটা হচ্ছে আলো নিজেই। সেজন্যে আলোর মেসেঞ্জার পার্টিক্যালের (অর্থাৎ ফোটনে) কোনো ভর নাই। ফোটনের ভর থাকলে এটা আলোর বেগে চলতে পারতোনা, কেননা আইনষ্টাইনের নীতি অনুসারে ঐ বেগে ভর হবে অসীম। সেজন্যে আলো কিংবা কল্পিত গ্র্যাভিটন, যা গ্রাভিটি বা মহাকর্ষের বল্বাহী কণা তারা ভরশূন্য।

    আলোচ্য মিউয়ন নিউট্রিনো কিন্তু তা নয়। এর ভর খুবই নগন্য হলেও অশূন্য নয়। তাই আলোর বেগে চললে এর ভর কিন্তু অসীম হতো। কিন্তু সার্নের পরীক্ষাতে তা দেখাচ্ছে না। পড়ে যা বুঝলাম তা হলো, নিউট্রিনোটি বরং আলো চেয়ে কিছুটা বেশী বেগেই পথ পাড়ি দিল। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, কীভাবে ভর বাড়া ছাড়াই এটা আলোর বেগে কিংবা তার চেয়ে বেশী বেগে চললো? অপেক্ষা করতে হবে বিজ্ঞানীদের ব্যাখ্যার জন্যে।

    --শাহবাজ

    1. 6.1
      এন্টাইভণ্ড

      তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, কীভাবে ভর বাড়া ছাড়াই এটা আলোর বেগে কিংবা তার চেয়ে বেশী বেগে চললো? অপেক্ষা করতে হবে বিজ্ঞানীদের ব্যাখ্যার জন্যে।

      সব সূত্র কি ক্ষুদ্র এবং বৃহৎ সব পদার্থের ক্ষেত্রে খাটে?

      হাইজেনবার্গের আনসার্টেইন্টি প্রিন্সিপলও তো অতি ক্ষুদ্র কণার জন্য প্রযোজ্য।

      অনেক আগের পদার্থবিদ্যার জ্ঞান থেকে বললাম। জানি না তা আরো অপদার্থ হলো কি না।

      1. 6.1.1
        বুড়ো শালিক

        @এন্টাইভণ্ড: এ প্রসঙ্গে একটা বিখ্যাত কথা প্রচলিত আছে। সেটা হল, আপনি আপেক্ষিকতা তত্ত্ব (যার মেইন থিম হল পরম স্থিতি বা পরম গতি বলে কিছু নাই) তখনই ভিজুয়ালাইজ করতে পারবেন, যখন আপনি ইলেকট্রনের ন্যায় ছোট হয়ে যাবেন (তাহলে আপনার চারপাশে সব ছোট ছোট কণা বনবন করে ঘুরতে থাকবে, স্পিনসহ, আবার কক্ষপথেও) অথবা যখন গ্রহ-নক্ষত্রের ন্যায় বড় হয়ে যাবেন (তাহলে আপনার চারপাশে সব বিশাল বিশাল গ্রহ-উপগ্রহ-নক্ষত্র বাঁই বাঁই করে ঘুরতে থাকবে, এখানেও স্পিনসহ, আবার কক্ষপথেও)! তখন বুঝবেন ঠেলা কারে বলে! ভাগ্যিস, আমরা (মানুষ প্রজাতি) স্ট্যান্ডার্ড সাইজের হইছিলাম!

      2. 6.1.2
        শাহবাজ নজরুল

        @এন্টাইভণ্ড:

        সব সূত্র কি ক্ষুদ্র এবং বৃহৎ সব পদার্থের ক্ষেত্রে খাটে? হাইজেনবার্গের আনসার্টেইন্টি প্রিন্সিপলও তো অতি ক্ষুদ্র কণার জন্য প্রযোজ্য।

        কোয়ান্টাম জগত ও আমাদের বৃহত ম্যাক্রস্কপিক জগত একটা পর্যায়ে এসে সংঘাতময় রূপ নেয়, যেটার সমাধান এখনো হয়নি। আপনি হয়ত তা বলতে চাচ্ছেন। কিন্তু মাস, এনার্জির আইনস্টাইনের সমীকরণ (e =mc^2) দিয়ে সব স্কেলেই ভর আর শক্তির ইকুইভালেনস বের করা হয়। অতএব মিউওন নিউট্রিনোর ভর কে e =mc^2 সমীকরণে ফেললে আপনি ইকুইভলেন্ট এনার্জি পাবেন। এর মাস m, এখানে রিলেটিভিস্টিক মাস। সুতরাং v =c তে m এর অসীম হবার কথা।

    2. 6.2
      সরোয়ার

      @শাহবাজ নজরুল:
      আপনার মন্তব্য থেকে বিষয়টা অনেকটা স্বচ্ছ হলো। এজন্য স্যালুট!

  22. 5
    এন্টাইভণ্ড

    বহু আগে আমার এক বন্ধু আমাকে একটা কথা বলেছিলো। সে বলেছিলো, একটা ট্রেন ধরা যাক আলোর বেগ থেকে এক কিমি/ঘ. কম বেগ (c-1 কিমি/ঘ.) নিয়ে চলছে। সেই ট্রেনের ভেতরে কেউ যদি ট্রেন যেইদিকে যাচ্ছে, সেইদিকে ২ কিমি/ঘ. বেগে চলতে পারে, তাহলে তার বেগ হবার কথা c-1+2=c+1 কিমি/ঘ.

    আমি খুব ভালো বুঝি না বলে কিছু বলতে পারি নি। কিন্তু সে খুব বিজয়ীর চেহারা নিয়ে যেতে যেতে বলেছিলো, থিউরেটিকালি আলোর চেয়ে বেশি বেগ হওয়া সম্ভব…

    সে তার যুক্তিতে ভুল ছিলো কিনা জানি না, কিন্তু আজকে তার কথা খুব মনে পড়ছে।

    1. 5.1
      বুড়ো শালিক

      @এন্টাইভণ্ড: এখানেই হচ্ছে মজার ব্যাপার। আইনস্টাইনের স্বতঃসিদ্ধ অনুযায়ী আলোর বেগ সর্বাবস্থায়ই ধ্রুব। কোন ট্রেন/বাস/কার যাই হোক, তা যত জোরেই যাক না কেন, আলোর বেগ তার কাছে c ই থাকবে।

    2. 5.2
      শাহবাজ নজরুল

      @এন্টাইভণ্ড:

      সেই ট্রেনের ভেতরে কেউ যদি ট্রেন যেইদিকে যাচ্ছে, সেইদিকে ২ কিমি/ঘ. বেগে চলতে পারে, তাহলে তার বেগ হবার কথা c-1+2=c+1 কিমি/ঘ.

      আপনার প্রশ্ন বুঝলাম। যে আপনাকে ব্যাখ্যা করেছে তার সিনারিও ফর্মুলেসনে কিছুটা ভুল আছে। যখন ট্রেনে থাকা লোকটি ট্রেনের সাপেক্ষে ২ কি.মি. বেশি বেগে চলার চেষ্টা করবে তখন তার নিজের ফ্রেম অফ রেফারেন্স বদলে যাবে। সে নিজেই আলাদা ইনার্শিয়াল ফ্রেম অব রেফারেন্স হয়ে যাবে তাই ট্রেনে থাকা ঘড়ি আর তার নিজের ঘড়ির সময় আলাদা হয়ে যাবে। সেজন্যে সমীকরণে চলে আসবে আপেক্ষিক গতি। এখানে (http://en.wikipedia.org/wiki/Faster_than_light) closing speed অংশটুকু পড়ে দেখেন। আপেক্ষিক গতিতে যখনই ওই অতিরিক্ত ২ কি.মি. বেশি গতির কাছাকাছি যেতে চাইবেন, আপনার সাথে থাকা ঘড়ি ততই ধীরে চলতে থাকবে। তাই আলোর বেগ অতিক্রম করা সম্ভব হবেনা। আর অসীম ভরেগের কথা তো থাকছেই। ওই বেগে পৌছুলেই ভর হয়ে যাবে অসীম, যেটা ভয়াবহ ব্যপার। এটা হচ্ছে আপেক্ষিকতার আলোকে ব্যাখ্যা। সার্নের পরীক্ষাতে কিন্তু এই ভয়াবহ ব্যপারটাই ঘটেছে।

      --শাহবাজ

  23. 4
    সরোয়ার

    Large Hadron Collider এর মাধ্যমে পরীক্ষাটি করা হয়েছে। এ সম্পর্কে ধারণা পেতে ছোট একটা ভিডিও দেখতে পারেন-

    1. 4.1
      সরোয়ার

      @শাহবাজ নজরুল:

      “তবে আসলেই যদি প্রমাণিত হয় যে ভরবাহী কণা আলোর বেগের চাইতেও বেশী বেগে অনেকখানি দূরত্ব পাড়ি দিতে পারে, তাহলে তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যায় আমূল পরিবর্তন আসবে।”

      -- আমাদের মত লেম্যানদেরকে একটু বুঝিয়ে বলবেন কী ধরণের আমূল পরিবর্তন হবে? এর ব্যবহারিক দিক বা ইমপ্লিকেশন কী হতে পারে?

      1. 4.1.1
        বুড়ো শালিক

        @সরোয়ার: স্পেশ্যাল থিওরি অফ রিলেটিভিটির (বিশেষ আপেক্ষিক তত্ত্ব) একটা মূল ভিত্তি (পোস্ট্যুলেট বা স্বতঃসিদ্ধ) হলো “আলোর বেগ কনস্ট্যান্ট”। আর এক্ষেত্রে আলোর বেগকেই সর্বোচ্চ বেগ ধরা হয়। স্পেশ্যাল থিওরি অফ রিলেটিভিটির কাল দীর্ঘায়ন, দৈর্ঘ্য সংকোচন ও ভর বৃদ্ধিকরণ সূত্রগুলোতেও কোনো বস্তু বা ভর বিশিষ্ট কণার বেগ আলোর বেগের চেয়ে বেশি হওয়ার সুযোগ নাই। যতটুকু মনে হচ্ছে, এই পরীক্ষার রেজাল্ট এই মূল ভিত্তিকেই নাড়িয়ে দিতে পারে!

        তবে আসলেই রিয়েল লাইফে কী প্রভাব পড়তে পারে, তা জানার জন্য হয়তো আরো অনেক দিন অপেক্ষা করতে হবে।

        1. 4.1.1.1
          সরোয়ার

          @বুড়ো শালিক:

          “যতটুকু মনে হচ্ছে, এই পরীক্ষার রেজাল্ট এই মূল ভিত্তিকেই নাড়িয়ে দিতে পারে!”

          -- হুম! তার মানে কি দাঁড়াচ্ছে আমরা এতদিন যা জেনেছি তা ছিল অসম্পূর্ণ বা ভুল (যদি এক্সপেরিমেন্ট সঠিক হয়ে থাকে)?

          আপনাকে ধন্যবাদ।

        2. বুড়ো শালিক

          @সরোয়ার: ইয়ে… মানে… একেবারে বা আংশিক ভুল বলা যাবে কিনা, তার জন্য আরো অনেক গবেষণা দরকার হতে পারে। আর আমি এখানে একটা দিক থেকে বললাম। জেনারেল থিওরি অব রিলেটিভিটি সম্পর্কে আমার তেমন একটা জ্ঞান নাই। কাজেই ঐ অংশটায় কী হবে বলতে পারছি না। তবে যত যাই বলেন, আইনস্টাইন যেটাকে স্বতঃসিদ্ধ বলে গেছেন (অর্থাৎ বিনা শর্তে মেনে নিতে হবে), সেটাকে ভুল প্রমাণের জন্য বুকের পাটা দরকার! 😉

          ধরেন, এক সময় আলোকে ভর কণা মনে করা হতো। কিন্তু যখন হাইগেন তাঁর তরঙ্গ তত্ত্ব দিলেন, সবাই সেটাকে মেনে নিলেও, আগেরটাকে কিন্তু ‘ভুল’ বলতে পারেন নাই। একই কথা তড়িৎ চৌম্বক তত্ত্ব বা কোয়ান্টাম তত্ত্বের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। কাজেই, কোন কনক্লুশনে হয়তো এখনই না যাওয়াটাই বেটার। দেখা যাক, কোথাকার পানি কোথায় গড়ায়! আই মিন, কোথাকার আলো কোথায় যায়!!!

  24. 3
    এস. এম. রায়হান

    মনে হচ্ছে লেখাটি খুব অল্প সময়ে তৈরী করেছেন, বিবিসি’র একটি ব্রেকিং নিউজ শুনে। তথাপি এক কথায় এক্সিলেন্ট হয়েছে। পরে কিছু মন্তব্য করা যায় কিনা দেখি।

  25. 2
    সরোয়ার

    আজ সকালে ল্যাবে আসার পথে এটা বিবিসি’র ব্রেকিং নিউজ হিসেবে শুনেছি। এখন দেখছি এটা নিয়ে সদালাপে পোষ্টও হয়ে গেছে! শাহবাজ ভাইকে এই দূর্বোধ্য বিষয়টাকে সহজভাবে তুলে ধরার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ। পরে আসছি কিছু প্রশ্ন নিয়ে।

    1. 2.1
      শাহবাজ নজরুল

      @সরোয়ার:

      সদালাপ চাঙ্গা হবার পরে ভাবলাম, একে চাঙ্গা স্টেটে রাখার জন্যে গরম গরম খবর সরবরাহ করতে হবে। তাই দ্রুত লেখাটা দিলাম। পড়ার জন্যে ধন্যবাদ।

      --শাহবাজ

  26. 1
    বুড়ো শালিক

    এটা তো বিজ্ঞান জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করে ফেলবে মনে হচ্ছে! বিষয়টা শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

    1. 1.1
      শাহবাজ নজরুল

      @বুড়ো শালিক:

      কাল রাতে খবরটা বিবিসিতে দেখে পোস্ট লেখার কথা ভাবি। তাড়াতাড়ি লেখা শেষ করে ঘুমিয়ে পড়ি। সকালে উঠে দেখছি, আপনি আমার পক্ষ থেকে ভালই প্রক্সি দিচ্ছেন। যাইহোক, পড়া আর আলোচনা চালিয়ে নেবার জন্যে ধন্যবাদ।

      --শাহবাজ

Leave a Reply

Your email address will not be published.