«

»

Oct ১৭

প্লাস্টিক বর্জ্য পৃথিবীর অস্তিত্বের জন্য হুমকি স্বরূপ

প্লাস্টিক বোতল বা পলিথিন ব্যাগ অবহেলায় নিক্ষেপের সময় আমাদের মনে কি প্রশ্ন জাগে আমরা পরিবেশ  দূষণের অপরাধ করছি? ব্যক্তিগত বিবেচনায় মনে হতে পারে একটি বোতল ফেলে কী আর অপরাধ করলাম! কিন্তু চিন্তা করুন, পৃথিবীর প্রায় সাত বিলিয়ন মানুষ যদি আমার মত চিন্তা করে তাহলে এর পরিণতি কী দাঁড়াতে পারে? আমরা যা কিছুই নিক্ষেপ করি না কেন, এ সমস্ত প্লাস্টিক সামগ্রীর শেষ আশ্রয়স্থল হচ্ছে সমুদ্র। প্লাস্টিক আবর্জনার কারণে সামুদ্রিক পরিবেশ মারাত্নকভাবে বিপন্ন হচ্ছে; সেখানের অসহায় প্রানীগুলো মৃত্যুবরণ করছে করুণভাবে। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে সমুদ্রে বিচরণকারী কোন কোন পাখির পাকস্থলির ৮০% জায়গা প্লাস্টিক বর্জ্যে দখল করতে পারে বা করে থাকে! এগুলো হজম হয় না, যার ফলে আস্তে আস্তে পাখীগুলো না খেতে পেরে করুণভাবে মৃত্যুর মুখে পতিত হয়। ছবিতে দেখুন একটি নিরপরাধ এলব্রেট্রস (Albatross) পাখীর মৃতদেহ যার পাকস্থলি প্লাস্টিক বর্জ্যে পরিপূর্ণ।    

প্লাস্টিক পঁচতে ১৫ থেকে ১০০০ বছর লাগতে পারে। সূর্যের আলোর মাধ্যমে সাধারণত প্লাস্টিক ব্যাগ বা সামগ্রী ভেঙ্গে ছোট ছোট টুকরায় পরিণত হতে পারে। এ ক্ষুদ্র প্লাস্টিকের কণাগুলো সমুদ্রে ভাসমান বিষাক্ত পদার্থ শোষণ করে এক একটা বিষাক্ত পিলে পরিণত হতে পারে। কোন কোন ক্ষেত্রে সমুদ্রের এই ক্ষুদ্র ভাসমান প্লাস্টিক কণাগুলো পরিবেশের তুলনায় ১০০০ গুনের বেশী বিষাক্ত বর্জ্য পদার্থ শোষণ করে থাকে। গবেষণা অনুযায়ী দেখা যায়, সমুদ্রে এক পাউন্ড প্লাঙ্কটনের (যেগুলো মাছসহ অন্যান্য সামুদ্রিক প্রাণীর খাদ্য) বিপরীতে ছয় পাউন্ড প্লাস্টিক বর্জ্য বিদ্যমান!

প্লাস্টিকে থ্যালেট (Phthalate যা Plasticizer হিসেবে পরিচিত) নামক কেমিক্যাল পদার্থ থাকে যা প্লাস্টিকের নমনীয়তায় সাহায্য করে। এই থ্যালেটগুলো প্লাস্টিক সামগ্রী থেকে খাদ্যে বা পানিতে মিশে (leaching) যায়। থ্যালেট সিন্থেটিক ইস্ট্রোজেন (মেয়েলী স্বভাবের জন্য দায়ী) হিসেবেও কাজ করে। থ্যালেটের কারণে প্রাণীর শরীরে হরমোনের ভারসম্য নষ্ট হয়ে প্রজননশীলতা হ্রাস বা লোপ পায়। সিন্থেটিক ইস্ট্রোজেন পুরুষ মাছ বা প্রাণীকে স্ত্রী মাছে বা প্রাণীতে রূপান্তরিত করতে পারে। এর ফলে  কোন প্রজাতির সেক্সের অনুপাত (Sex ratio) বিনষ্ট হয়ে ঐ প্রজাতির মাছ বা সামুদ্রিক প্রাণীর বিলুপ্তি ঘটতে পারে। অত্যন্ত  আশংকার বিষয় হচ্ছে যে এই ক্ষতিকর থ্যালেটের ব্যবহার অত্যন্ত ব্যাপক। প্যাকেজিং সামগ্রী থেকে শুরু করে ফার্মাসিউটিক্যাল, খেলনা, গাড়ির পার্টস, কসমেটিক্স, ডিটারজেন্ট, পেইন্ট, ইলেক্ট্রিক্যাল সামগ্রীসহ যত্রতত্রভাবে থ্যালেট ব্যবহার করা হচ্ছে। প্ল্যাস্টিক সামগ্রীতে বিসফেনল-এ (Bis-phenol-A) নামক অত্যন্ত ক্ষতিকর প্লাস্টিসাইজারও থাকে যা  সিন্থেটিক ইস্ট্রোজেন হিসেবে কাজ করে। এটি ক্যান্সার-এর কারণ হতে পারে এবং প্রজনন  ক্ষমতাও নষ্ট করে দিতে পারে বলে বিজ্ঞানীদের গবেষণা অনুযায়ী জানা গেছে। সম্প্রতি কানাডার সরকার বিস-ফেনলের ব্যবহার ব্যান করেছে।    

শুধুমাত্র প্লাস্টিক বর্জ্যের কারণে প্রতি বছর প্রায় ১০০ মিলিয়ন সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণী মারা যাচ্ছে। পৃথিবীর অস্তিত্ব টিকে আছে সামুদ্রিক সিস্টেমের কারণে। খাদ্য ও অক্সিজেন সরবরাহের মাধ্যমে সমুদ্রগুলো পৃথিবীর প্রাণীকুলের অস্তিত্ব রক্ষা করে। আমাদের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে সামুদ্রিক পরিবেশ বিপন্ন হতে চলেছে। পরিবেশ দূষণের এই দায়ভার আমাদেরকেই বহন করতে হবে। ভবিষ্যত প্রজন্মকে সামনে রেখে যারা প্রতিটি পদক্ষেপ নেন, তারাই প্রকৃত দেশপ্রেমিক।

১৫ comments

Skip to comment form

  1. 9
    শামস

    আমার লেখা প্রাসঙ্গিক একটি লেখার কথা এখানে উল্লেখ করা যায়ঃ
    গ্লোবাল ওয়ার্মিং 

  2. 8
    শামস

    প্লাস্টিকের ভাল দিক হলো এটার বহুমূখী ব্যবহার ও ব্যবহারের সুবিধা। কিন্তু পরিবেশের কথা চিন্তা করলে এটা খুব বাজে একটা দ্রব্য। প্লাস্টিক সামগ্রীর রিসাইকেল করা যায়, আমাদের দেশে এই রিসাইকেল এর পরিধি কতটুকু জানি না। কিন্তু যেকোন রিসাইকেল এর প্রধান সমস্যা একে অন্যান্য দ্রব্য থেকে আলাদা করা। উন্নত দেশগুলোতে প্লাস্টিক ব্যবহারের পর একে সংগ্রহ করা হয় আলাদা ময়লার 'বিন' এ। ক্যান এর জন্য একধরণের 'বিন' প্লাস্টিকের জন্য একধরণের 'বিন'. এসবও পর্যাপ্ত না।
    সমুদ্রে কেবল প্লাস্টিক না, এতে নিউক্লিয়ার বর্জ্যও ব্যাপকভাবে ফেলা হয়, আর এই বর্জ্য ফেলার দিক থেকে প্রথমেই আসে উন্নত দেশগুলোর নাম, যাদের কাছ থেকে আমরা মানবিকতা, সভ্যতার সবক নিতে হয়!
     
     

    1. 8.1
      সরোয়ার

      সুচিন্ত মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

  3. 7
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    মারাত্বক একটা বিষয়ের লেখা -- পড়তে গিয়ে গা কেঁপে উঠে। খুবই কষ্ট হয় নিজেদের ভোগের জন্যে আমরা কিভাবে পরিবেশকে বিপর্যস্থ করে ফেলছি। 
     
    যাই হোক কোরাআনের কয়েকটা আয়াত মনে পড়ে গেলো -- সেগুলো পরিবেশের বিষয়ে আমাদের সচেতনতা তৈরীর জন্যেই আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা —
     
     
    (30:41)
    স্থলে ও জলে মানুষের কৃতকর্মের দরুন বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে। আল্লাহ তাদেরকে তাদের কর্মের শাস্তি আস্বাদন করাতে চান, যাতে তারা ফিরে আসে।
     
    Sahih International: Corruption has appeared throughout the land and sea by [reason of] what the hands of people have earned so He may let them taste part of [the consequence of] what they have done that perhaps they will return [to righteousness].
     
     
     
    এই আয়াত কয়টি পরিবেশ বিপর্যস্থ না করার যে উদাহরন দেওয়া হয়েছে তা এক কথায় অপূর্ব -- প্রবল ক্ষমতার অধিকারী সোলায়মান (আঃ) কিভাবে আল্লাহ কাছে বিনয়ী ভঙ্গীতে প্রার্থনা করছেন যাতে অতি ক্ষুদ্র পিপিলিকার ক্ষতি না হয় -- 
     
     
    (27:17)
    সুলায়মানের সামনে তার সেনাবাহিনীকে সমবেত করা হল। জ্বিন-মানুষ ও পক্ষীকুলকে, অতঃপর তাদেরকে বিভিন্ন ব্যূহে বিভক্ত করা হল।
     
    (27:18)
    যখন তারা পিপীলিকা অধ্যূষিত উপত্যকায় পৌঁছাল, তখন এক পিপীলিকা বলল, হে পিপীলিকার দল, তোমরা তোমাদের গৃহে প্রবেশ কর। অন্যথায় সুলায়মান ও তার বাহিনী অজ্ঞাতসারে তোমাদেরকে পিষ্ট করে ফেলবে।
     
    (27:19)
    তার কথা শুনে সুলায়মান মুচকি হাসলেন এবং বললেন, হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমাকে সামর্থ্য¸ দাও যাতে আমি তোমার সেই নিয়ামতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারি, যা তুমি আমাকে ও আমার পিতা-মাতাকে দান করেছ এবং যাতে আমি তোমার পছন্দনীয় সৎকর্ম করতে পারি এবং আমাকে নিজ অনুগ্রহে তোমার সৎকর্মপরায়ন বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত কর।
     
     
    ধন্যবাদ চমৎকার লেখার জন্যে। 

    1. 7.1
      সরোয়ার

      খুবই কষ্ট হয় নিজেদের ভোগের জন্যে আমরা কিভাবে পরিবেশকে বিপর্যস্থ করে ফেলছি।

      হ্যাঁ তাই। কিন্তু আমরা এ বিষয়ে নির্বিকার। এ লেখাই তার প্রমান! বিতর্কিত বা ইসলাম বিদ্বেষী লেখার পাঠক অনেক। সচেতনমূলক বিষয়ে আমাদের আগ্রহ নেই। এজন্য পরিবেশের এ অবস্থা। ধন্যবাদ। 

  4. 6
    সাদাত

    ভিন্ন স্বাদের একটি লেখা উপহার দেবার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। তবে এই ব্যাপারে দেশপ্রেমিকরা কী কী পদক্ষেপ নিতে পারে সে নিয়ে একটু আলোচনা হলে ভালো হতো।

  5. 5
    শাহবাজ নজরুল

    পলিথিন ব্যাগ উত্পাদন তো একবার নিষিদ্ধ হয়েছিল, ঐ আজ্ঞা কি এখনো বলবত আছে? পশ্চিমে তো পলিথিন ও প্লাস্টিক রিসাইকেল করে, দেশে এ ব্যপারে কি কিছু হয়েছে?

    1. 5.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      বিএন পির আমলে তা করেছিল কিন্তু আওয়ামী আমলে তা পুরা চালু। রি সাইকেল হয় তবে এত হয় না। ধন্যবাদ।

  6. 4
    এস. এম. রায়হান

    অল্প কথায় অত্যন্ত সুলিখিত ও গণসচেতনতামূলক একটি লেখার জন্য ধন্যবাদ।

    এক সমীক্ষায় দেখা গেছে সমুদ্রে বিচরণকারী কোন কোন পাখির পাকস্থলির ৮০% জায়গা প্লাস্টিক বর্জ্যে দখল করতে পারে বা করে থাকে! এগুলো হজম হয় না, যার ফলে আস্তে আস্তে পাখীগুলো না খেতে পেরে করুণভাবে মৃত্যুর মুখে পতিত হয়।

     

    থ্যালেটের কারণে প্রাণীর শরীরে হরমোনের ভারসম্য নষ্ট হয়ে প্রজননশীলতা হ্রাস বা লোপ পায়। সিন্থেটিক ইস্ট্রোজেন পুরুষ মাছ বা প্রাণীকে স্ত্রী মাছে বা প্রাণীতে রূপান্তরিত করতে পারে। এর ফলে কোন প্রজাতির সেক্সের অনুপাত (Sex ratio) বিনষ্ট হয়ে ঐ প্রজাতির মাছ বা সামুদ্রিক প্রাণীর বিলুপ্তি ঘটতে পারে।

     
    শুধুমাত্র প্লাস্টিক বর্জ্যের কারণে প্রতি বছর প্রায় ১০০ মিলিয়ন সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণী মারা যাচ্ছে।

    সত্যিই এক অশনিসংকেত। এ ব্যাপারে সবার সজাগ হওয়া উচিত।

    1. 4.1
      সরোয়ার

      পরিবেশ দূষণ আসলেই আমাদেরকে ধবংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এটা জানা সত্ত্বেও আমরা নির্বিকার। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

  7. 3
    মুনিম সিদ্দিকী

    আমাদের দেশে যত্র তত্র যে ভাবে পলিথিন ব্যাগ বা প্ল্যাস্টিকের বোতল কিংবা অন্যান্য ফেলে দেওয়া হচ্ছে তাতে আমাদের পরিবেশ মারাত্বক ভাবে ক্ষতি গ্রস্ত হচ্ছে। এইদিকে কোন সুশীল বা রাজনীতিবিদদের কোন দৃষ্টি আকর্ষন নাই। বেশী কিছু নয় যদি রেডিও টিভি পত্র পত্রিকায় প্রতিদিন এই সবের বিরূপ প্রতক্রিয়া নিয়ে প্রচারণা চালান যেত তাহলে জনগণ এর ব্যপকতা বুঝতে সক্ষম হত।
    অথচ নরনারীর মধ্যে অবৈধ যৌন কর্ম চালাতে উৎসাহিত করার জন্য পথে প্রান্তে হাটে মাঠে কন্ডম ব্যবহারের প্রচারণা ঠিকই জো্রে চলছে।
     
    ভাল কথা এই যে পলিথিন আমরা ব্যবহার করছি এই পলিথিন কোথা থেকে সৃষ্টি হয় তা এই পোস্টে উল্লেখ করলে ভাল হত। আমি শুনেছি যে, ইউরিয়া সার কারখানার বাইপ্রডাক্ট হচ্ছে পলিথিন নামক পদার্থ। এই গুলো নাকি শূন্য থেকে সৃষ্টি হয় এর জন্য কোন কাঁচামালের দরকার হয় না!  অক্সিজেন এবং প্রাকৃতিক গ্যাস মিলেই নাকি ইউরিয়া সার হয়।
     
    লেখার জন্য ধন্যবাদ।

    1. 3.1
      সরোয়ার

      ভাল কথা এই যে পলিথিন আমরা ব্যবহার করছি এই পলিথিন কোথা থেকে সৃষ্টি হয় তা এই পোস্টে উল্লেখ করলে ভাল হত।

      প্লাস্টিক/পলিথিন মূলত পেট্রোলিয়াম বা তেল থকে  থেকে তৈরী করা হয়। ধন্যবাদ। বিস্তারিত জানতে-
      How are plastics made?
       

  8. 2
    এম_আহমদ

     
    এটাই হচ্ছে প্রকৃতির প্রতি ওহী-নির্দেশিত মূল্যবোধ-বর্জিত, বস্তুবাদী, ক্যাপিটালিষ্ট সভ্যতার ‘নগদ যাহা পাও হাত পেতে নাও বাকির শূন্য বসাও’ আচরণের এক হৃদয় বিদারক দৃশ্য। বস্তুবাদী, ভোগবাদী ক্যাপিটালিস্টরা প্রকৃতি নিয়ে কত নারিং-বিরিং কথা বলবে কিন্তু সব কথাই হবে profit oriented, স্বার্থ ব্যতীত কোন পদক্ষেপ নেবে না। পরিবেশ দূষণ-মুক্ত রাখতে এবং গ্রিন-হাউস গ্যাস ইমিশন নিয়ন্ত্রণ করার চুক্তিতে আমেরিকা আজও সাক্ষর করেনি। এটা যদি ছোট কোন দেশ হত তাহলে তারা পিটিয়ে সাক্ষর করাত। 
     
    প্লাস্টিক ব্যাগের ব্যাপারটা তৃতীয় বিশ্বে বেশি ভয়াবহ। সেখানে প্লাস্টিক ও পরিবেশ সম্পর্কে সাধারণ মানুষের অবগতিটা অনেক কম। ইউরোপে আধুনিকতার সাথে সাথে সিস্টেম ডেভেলপ হয়েছে, বিশেষ করে বর্জ্য কালেকশন ও ডিসপোজেল সিস্টেম। কিন্তু তৃতীয় বিশ্বে বস্তুর ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে, কিন্তু উচ্ছিষ্ট ও বর্জিত বস্তুর এফেক্টিভ কালেশন সিস্টেম গড়ে ওঠে নি। তাই এর কেসারত দিচ্ছে প্রকৃতি ও প্রাণীজগত।
     
    লেখাটির ব্যাপক প্রচারের দরকার। 

    1. 2.1
      সরোয়ার

      ইউরোপে আধুনিকতার সাথে সাথে সিস্টেম ডেভেলপ হয়েছে, বিশেষ করে বর্জ্য কালেকশন ও ডিসপোজেল সিস্টেম।

      প্লাস্টিক আবর্জনা রি-সাইকল করা অনেক ব্যয়বহুল। এতে হয়ত সাময়িকভাবে দূষণ কিছুটা লাগব হয়, কিন্তু এটা  সলিউশন হতে পারে না। আমরা অনেকে পরিবেশের চিন্তা মাথা রেখে দূষণ সৃষ্টিকারী বিলাসী সামগ্রীর বিকল্প খুঁজি, কিন্তু সেসব আসলেই জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় কিনা তা ভাববার ফুসরত পাই না। সুচিন্ত মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

  9. 1
    এস. এম. রায়হান

    কাজে যাওয়ার সময় হয়েছে। লেখা এখনও পড়িনি। আপাতত

Leave a Reply

Your email address will not be published.