«

»

Nov ২০

হে ঈমানদারগন তোমরা ইহুদী ও খৃীষ্টানদেরকে নিজেদের বন্ধু হিসেবে গ্রহন করো না (পর্ব-১)

পর্ব-১/৪:ভূমিকা

কোরআনে সুরা মাইদা’র ৫১ নং আয়াতে আল্লাহ সোবহানা তালা এই পরামর্শ মুসলিমদের দিয়েছেন। অবশ্য একই পরামর্শ সুরা ইমরানের ২৮ নং আয়াতে এবং সুরা মুমতাহানা’র (সুরা ৬০) ১ নং আয়াতেও পাওয়া যায়। আয়াত নাজিলের ঘটনার প্রকৃতি ও উদ্দেশ্য একই। প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক যে কেন আল্লাহ সোবহানা তালা এ ধরনের পরামর্শ মুসলিমদের দিয়েছেন? কেন আল্লাহ সোবহানা তালা তাহলে মানুষের মধ্যে ভেদা ভেদ সৃষ্টিতে মুসলিমদের অনুপ্রেরনা করেছেন? আমাদের স্বল্প জ্ঞানে আপাতদৃষ্টিতে এই আয়াতে আল্লাহ সোবহানা তালার পক্ষপাতিত্বের আলামত লক্ষ্য করা গেলেও এখানে আল্লাহ সোবহানা তালার যে গভীর জ্ঞানের সন্নিবেশ ঘটেছে যা আমাদের মত সাধারন জ্ঞান সম্পন্ন মানুষের পক্ষে বোঝা অতটা সহজ নয়। যেমন ধরা যাক এই আয়াতের ভাষ্য অনুযায়ী যদি অ-মুসলিমদের সাথে আমাদের বন্ধুত্ব নাই-ই করা যায় তাহলে কিভাবে অমুসলিমদের কাছে দ্বীনের দাওয়াত পৌছানো সম্ভব হবে? অথচ দ্বীনের দাওয়াত সকলের কাছে পৌছানো প্রতিটি মুসলিমের জন্য ফরজ দায়িত্ব। এই যুক্তির প্রেক্ষাপটে মন্দ লোকেরা তখন হয়তো বলবে তরবারীর মাধ্যমে দাওয়াত পৌছানো হবে যা অনেকে এখন করছে। সুতরাং এই সকল আয়াত সম্পর্কে আমাদের স্বল্প জ্ঞানের বুঝ আর আল্লাহ সোবহানা তালার অসীম জ্ঞানের বুঝের মধ্যে যে অনেক তফাৎ আছে যা বুঝতে হলে আয়াতগুলোর দার্শনিক ও প্রায়োগিক ত্বত্তকে বাস্তবতার আলোকে বিশ্লেষন করা সমীচীন হবে। আমার এই আলোচনার মূল লক্ষ্য হচ্ছে বাস্তবতার আলোকে এই আয়াত থেকে সত্যকে প্রস্ফুটিত করা।

আমাদের সমাজে একটা প্রচলিত কথা আছে যে, “নিজের বুদ্ধিতে ফকির হওয়া ভাল”। এই প্রবাদের অর্থ হচ্ছে নিজের একান্ত ব্যাক্তিগত বা পারিবারিক বিষয়গুলোর উপর ভাল মন্দ বিচার বিশ্লেষন ও সিদ্ধান্ত নেবার সময় আমরা যাতে পারিবারিক সীমানার বাহিরের কাউকে বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রফেশনাল পরামর্শক ছাড়া অন্য কারোর সাথে আলোচনা না করি। তাতে যেমন নিজের ব্যাক্তিত্বের ক্ষতি হয় তেমনি পারিবারিক শান্তি বিনষ্ট হয়। যেমন ধরা যাক স্বামী স্ত্রীর সম্পর্কের মধ্যে যখন কোন সমস্যা দেখা দেয় তখন যদি স্বামী স্ত্রী উভয়ই বিষয়টি নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে অথবা উভয় পরিবারের দায়িত্ববান অভিভাবক বা পারিবারিক আইনে প্রফেশনাল আইনজিবী অথবা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পারদর্শী চিকিৎসক বা কাউন্সিলর ছাড়া নিজেদের বন্ধু বা কর্মক্ষেত্রের সহকর্মী বা অপরাপর কারোর শ্মরনাপন্ন হয় তখন সমস্যা সমাধানের পরিবর্তে সমস্যা আরো জটিল হয়ে পড়ে যখন আর সমাধানের কোন পথই খোলা থাকে না। এই বাস্তবতা আমরা হরহামেশাই দেখে আসছি। আবার ধরা যাক কোন পরিবারের পিতা/মাতা’র মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সম্পত্তি বন্টন নিয়ে অনেক সময় দেখা যায় উত্তরসুরীরা নিজেদের মধ্যে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সুনিদৃষ্ট প্রতিষ্ঠিত নীতিমালার আলোকে পরস্পরের রেজাবন্দীর মাধ্যমে ফয়সালা না করে পরিবারের বাহিরের মানুষের সাথে সলাপরামর্শ করে, ফলে নিজেদের মধ্যে চিরতরে শত্রুতার সৃষ্টি হয়। এটা আর কিছুই নয় শয়তানের অন্যতম কাজ। আমরা যদি আমাদের প্রচলিত এই সব ঘটনাগুলোকে কোরআনের উপরোক্ত আলোচ্য আয়াতগুলোর জন্য অতি ক্ষুদ্র কিছু উদাহরন হিসেবে চিন্তা করি তাহলে ঐ আয়তগুলোর বিশালতা ও ব্যাপকতা আমাদের নিজস্ব গোন্ডি ছড়িয়ে বিশ্বজুরে মুসলিম উম্মার বেলাও সত্য বলে প্রমানিত হবে। আমাদের অ-মুসলিম এবং আধা মুসলিম বন্ধুরা এমন কি সাধারন মুসলিমরাও এই সব উদাহরনের সাথে পরিচিত থাকলেও ঐ আয়াতগুলোর আলোকে বিষয়গুলোর সত্যতা সম্পর্কে সম্ভবত অতটা বেশী পরিচিত নয় বলেই আমাদের পারস্পারিক বন্ধুত্বের মধ্যে এক ধরনের নিপুন জড়তা ও সুক্ষ অবিশ্বাস অনেক সময় কাজ করে।

সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক যুদ্ধাবস্থা আর মুসলিম বিশ্বের বর্তমান অবস্থাকে কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে যখন বুঝতে চেষ্টা করি তখনই মনে হলো মুসলিম বিশ্বের ক্রমবর্ধমান পরিবর্তনের কারন হিসেবে ঐতিহাসিক পটভূমি সম্পর্কে কিছু জ্ঞান অর্জন না করতে পারলে কোরআনে বর্নিত সামাজিক প্রতিক্রিয়াগুলোতে যে সব দার্শনিক ত্বত্তের আলোকপাত করা হয়েছে তার উপর বাস্তব কোন ধারনা অর্জন করা সম্ভব নয়। আর সেটি সম্ভব না হলে যেমন কোরআনে বর্নিত মানুষের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটের দিক নির্দেশনা জ্ঞানের অন্তরালে থেকে যাবে, তেমনি আধা-মুসলিম বা অ-মুসলিমদের ঐসব প্রশ্নের লজিকাল উত্তর দেয়াও সম্ভব নয়। আর কোরআনের বিষয় জ্ঞানের অন্তরালে রেখে অন্ধের মত কখনও কোরআন অনুসরন করাটা যেমন সম্ভব নয় তেমনি মানব স্রোষ্টা সেই মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের উপাশনায়ও কোন যৌক্তিকতা বা প্রশান্তি আসবে না। তাই যথারিতি বিশ্ব রাজনীতির ঐতিহাসিক পটভূমির আলোকে কোরআনের উক্ত আয়াতগুলোকে অনুধাবনের চেষ্টা থেকেই এই লেখার বিষয়বস্তু। এই লেখায় আমি মূলত বিগত শতক ও বর্তমানে ইউরোপ, আমেরিকা সহ মধ্যপ্রাচ্যের ইসলামীবাদী ও ইহুদীবাদী রাজনীতির আলোকে শিরোনামে বর্নিত কোরআনের ঐ বিশেষ আয়াতগুরোর উপর একটি বিশ্লেষনাত্নক আলোচনা করবো, যাতে সাধারন মুসলিম আর অ-মুসলিমদের মধ্যে বন্ধুত্বের যে নিপুন জড়তা আছে তার পরিবর্তন ঘটে এবং তাদের মধ্য সত্যিকারের বন্ধুত্বের বন্ধন সৃষ্টি হতে পারে।

ইউরোপিয়ান সম্রাজ্যের বিভক্ত
বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই ১০০ বছর আগের অনেক ঘটনা সম্পর্কে যথেষ্ট জ্ঞাত নয়। অবশ্য যারা নিয়মিত ইতিহাস চর্চা করেন তারা ছাড়া। ১৯১৪ সালে বিশ্বজুড়ে এমন কিছু ঘটনা ঘটেছিল যা মূলত ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিমন্ডলে সম্পূর্নভাবে পরিবর্তন এনেছিল। ১৯১৪ এর পূর্বে বিশ্বের প্রায় এক চতুর্থাংশ ভৌগলিক সীমানায় ছিল ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিস্তৃতি। সে সময় বিশ্ব রাজনীতিতে আমেরিকা ততটা ক্ষমতাধর ছিল না বরং ব্রিটিশের অনুগামী হিসেবে বিশ্ব রাজনীতিতে ভূমিকা রাখতো যা এখন উল্টো। ১৯১৪ সালের পূর্বে মুসলিম উম্মা রাজনৈতিক বা প্রযুক্তিগতভাবে তেমনটা শক্তিশালী না থাকলেও একটি ঐক্যবদ্ধ খেলাফতের অস্তিত্ব ছিল যদিও নানা ধরনের সামাজিক বিশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে তা যাচ্ছিল। ফ্রান্স, ব্রিটিশ, জার্মানদের কোলনিয়াল আগ্রাসনের মুখে তখনও কমপক্ষে ঐক্যবদ্ধ খেলাফতের অধীনে বিশ্বব্যাপি সকল মুসলিমদের গ্লোবাল মুসলিম উম্মা হিসেবে একটা পরিচিতি ছিল। ঐক্যবদ্ধ মুসলিম উম্মার এই পরিচিতি প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে উম্মার নের্তৃত্বের দুর্বলতার প্রেক্ষাপটে পরিবর্তিত হয়ে যায়। আমি মনে করি এখানেই পবিত্র কোরআনের উপরোক্ত আয়াতগুলোর অর্থ সুস্পষ্টভাবে প্রণিধানযোগ্য যেখানে আল্লাহ সোবহানা তালা জোড় দিয়ে মুসলিমদের উদ্দেশ্যে শতর্কবার্তা দিয়েছেন যে, মুসলিমদের উচিৎ নয় অপর কোন মুশরিক বা কাফিরকে তার আউলিয়া (ভূল অর্থে বন্ধু সঠিক অর্থে উম্মার নেতা বা পরামর্শক) হিসেবে স্থান দেয়া, তাহলে সে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। বিষয়টি আরো বিস্তারিত ব্যাখ্যা করলে পাঠকের জন্য বুঝতে সুবিধা হবে বৈকি।

প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের পূর্বে পৃথিবীতে বেশ কয়েকটি বৃহৎ সম্রাজ্য ছিল। তার মধ্যে নাসারা বা খৃীষ্টান অধ্যুষিত আস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান, জার্মান, রাশান, ফরাসী, ব্রিটিশ এবং মুসলিমদের অটোমান সম্রাজ্য ছিল অন্যতম। অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সম্রাজ্যের রয়েল প্রিন্স আর্চ ডিউক ফ্রান্স ফার্ডিনান্ড ১৯১৪ সালে যখন কিছু সংখ্যাক সারবিয়ান আততায়ীর হাতে নিহত হন তখন থেকেই ইউরোপের বিভিন্ন জাতীদের মধ্যে বিক্ষুব্ধ যুদ্ধের সূচনা হয়। অনেক ইতিহাসবিদরা এই ঘটনাটিকে প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের সুচনা পর্ব হিসেবে ধারনা করেন। এই শতাব্দীতে সংঘঠিত প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষে তৎকালিন বিশ্ব রাজনৈতিক পরিমন্ডলের অন্যতম বৃহৎ চারটি সম্রাজ্য যথাক্রমে রাশান সম্রাজ্য, জার্মান সম্রাজ্য, অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সম্রাজ্য এবং অটোমান সম্রাজ্যের সম্পুর্নভাবে পতন ঘটে এবং অন্যতম সর্ব বৃহৎ ব্রিটিশ সম্রাজ্যের প্রায় অর্ধেকের পতন ঘটে। এই সব সম্রাজ্যের পতনের মধ্য দিয়ে ইউরোপে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সম্রাজ্য ছিল জার্মান সম্রাজ্যের এ্যালাই শক্তি। অন্যদিকে ফ্রান্স, রাশান, এবং ব্রিটিশ সম্রাজ্য ছিল পরস্পরের এ্যালাই শক্তি। সারবিয়া ছিল রাশান সম্রাজ্যের এ্যালাই। সুতরাং অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সম্রাজ্যের প্রিন্স আর্চ ডিউক যখন সারবিয়ান আততায়ীর হাতে নিহত হন তখন স্বভাবতই অস্ট্রো-হঙ্গেরিয়ানরা প্রতিশোধ মূলক ব্যবস্থা হিসেবে সারবিয়াতে আগ্রাসনের সিদ্ধান্ত নেয়। আবার যেহেতু সারবিয়া রাশান সম্রাজ্যের এ্যালাই শক্তি সেহেতু সারবিয়াকে রক্ষা করা রাশান সম্রাজ্যের রাজনৈতিক কর্তব্য হয়ে দাঁড়ায়। ফলে সারবিয়ার কারনে রাশান সম্রাজ্য ও অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সম্রাজ্য পরস্পরে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। আবার যেহেতু জার্মান সম্রাজ্য অস্ট্রো-হঙ্গেরিয়ান সম্রাজ্যের এ্যালাই শক্তি সেহেতু জার্মানীরাও অস্ট্রো-হাঙ্গেরিয়ান সম্রাজ্যকে সরাসরি সহয়াতা দিতে প্রস্তুত হয়ে পড়ে। জার্মানীরা এই সুযোগকে ব্যবহার করে অন্য ফ্রন্টে ফ্রান্স, সুইজারল্যান্ড, নেদারল্যান্ড সহ ব্রিটিশ সম্রাজ্যের অন্যান্য দেশকে দখলের কাজে। ফলে ইউরোপের প্রায় সকল বৃহৎ শক্তিই যুদ্ধের মধ্যে নিপতিত হয় এবং সকল বৃহৎ শক্তির সমন্বয়ে প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ বেঁধে যায়। অবশ্য যুদ্ধের একেবারে শেষ বছরে আমেরিকাকেও ব্রিটিশ সম্রাজ্যের সমর্থনে জার্মান-অস্ট্রোহাঙ্গেরিয়ান এ্যালাই এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিতে বাধ্য করা হয়। যাই হোক প্রশ্ন হচ্ছে প্রথম বিশ্ব যুদ্ধে মুসলিম উম্মা’র একমাত্র ঐক্যবদ্ধ খেলাফত হিসেবে পরিচিত তৎকালিন অটোমান সম্রাজ্যের ভূমিকা কি ছিল যে যুদ্ধের শেষে অটোমান সম্রাজ্যেরও পতন ঘটে এবং যার সাথে আমি কোরআনের উক্ত আয়াতগুলোকে সম্পুরক হিসেবে দাঁড় করাবার চেষ্টা করছি? (অসমাপ্ত)
 

৩ comments

  1. 3
    করতোয়া

    @মাহফুজ ভাই,

    ধন্যবাদ ভূলটা ধরার জন্য। আসলে এটি সুরা ইমরানের ২৮ নং আয়াত ২৬ নং নয়। অসাবধানতা বশতঃ ভূলটা চোখে পড়েনি। আমি  এজন্য ক্ষমা প্রার্থী।

    আর ৬০:১ আয়াতটির মূল উদ্দেশ্যকে এখানে প্রাধান্য দেবার চেষ্টা করেছি যার বাকীটা আমার ৪র্থ পর্বে আসবে ইনশা আল্লাহ তখন হয়তো পরিস্কার হবে। ধন্যবাদ আপনাকে।

  2. 2
    মাহফুজ

    @ করতোয়া
    ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় আল-কোরআনের যে আয়াতগুলো নিয়ে আপনি বিস্তর আলোচনা করার চেষ্টা করেছেন, শুরুতে অন্তত সেগুলোর অনুবাদ দিয়ে দিলে ভাল হত। আর সূরা ইমরানের ২৬ নং আয়াতটি আপনি দেখেছেন কি? এখানে তো কাউকে বন্ধু কিংবা শত্রু হিসেবে গ্রহণ বা বর্জনের কোন পরামর্শ দেয়া হয় নাই। আশাকরি ভুল তথ্যটি ঠিক করে নেবেন। আপনার প্রচেষ্টার জন্য ধন্যবাদ।

    সূরা মায়িদা-
    (০৫:৫১) অর্থ- হে মুমিণগণ! তোমরা ইহুদী ও খ্রীষ্টানদেরকে রক্ষক/ অভিভাবক হিসাবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের রক্ষক/ অভিভাবক। তোমাদের মধ্যে যে তাদেরকে রক্ষক/ অভিভাবক মেনে নেবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ জালিমদেরকে পথ প্রদর্শন করেন না।
    সূরা মুমতাহিনা-
    (৬০:০১) অর্থ- মুমিনগণ, তোমরা আমার ও তোমাদের শত্রুদেরকে রক্ষক/ অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করো না। তোমরা কি তাদের প্রতি প্রেম নিবেদন করছ, অথচ যে সত্য তোমাদের কাছে আগমন করেছে, তারা তা অস্বীকার করছে। তারা রসূলকে ও তোমাদেরকে বহিষ্কার করে এই অপরাধে যে, তোমরা তোমাদের পালনকর্তার প্রতি বিশ্বাস রাখ। যদি তোমরা আমার সন্তুষ্টি লাভের জন্যে এবং আমার পথে জেহাদ করার জন্যে বের হয়ে থাক, তবে কেন তাদের প্রতি নির্ভর/ আস্থা স্থাপন করে প্রেমের পয়গাম প্রেরণ করছ? তোমরা যা গোপন কর এবং যা প্রকাশ কর, ত আমি খুব জানি। তোমাদের মধ্যে যে এটা করে, সে সরলপথ থেকে বিচ্যুত হয়ে যায়।          

  3. 1
    রাসেল ইউসুফী

    বাকীটা কবে পাচ্ছি ইনশাল্লাহ?

Leave a Reply

Your email address will not be published.