«

»

Nov ২২

হে ঈমানদারগন তোমরা ইহুদী ও খৃীষ্টানদেরকে নিজেদের বন্ধু হিসেবে গ্রহন করো না (পর্ব-৩)

পর্ব-৩/৪: আরব মুসলিম উম্মার রাজনৈতিক পতনঃ

পর্ব-২ এ আমরা মোটামুটি উপলব্ধি করলাম যে কিভাবে অটোমান সম্রাজ্যের কতিপয় মডারেট সেকুলার মুসলিম নের্তৃত্বের হটকারিতা এবং কোরআনের আয়াত নির্দেশিত আল্লাহ’র পরামর্শ পরিপন্থী অবস্থানের কারনে মুসলিম খেলাফতের পতন ঘটেছে। আমরা এখন দেখার চেষ্টা করবো কিভাবে একই আয়াতের পরিপন্থী অবস্থানের কারনে মুসলিম উম্মার অপর প্রান্ত তথা মধ্যপ্রাচ্যর রাজনৈতিক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। আরব মুসলিম নের্তৃত্তও অটোমানের ন্যায় একই ভাবে ব্রিটিশ নাসারাদের রাজনৈতিক বন্ধু হিসেবে গ্রহন করার কারনে তাদের পতন হয়েছে। আরব মুসলিম উম্মার পতনের পিছনে ব্রিটিশ নাসারা সরকার আরব মুসলিমদের সাথে যে কতগুলো অন্তঃসারশূন্য প্রতিজ্ঞার কুটচাল ব্যবহার করেছিল তা কেবল মোনাফেকের পক্ষেই সম্ভব। আর যেহেতু মোনাফিকি বা মিথ্যাচার করা পথভ্রষ্ট জাইওনিষ্টবাদী ইহুদী ও নাসারাদের তাগুতি বৈশিষ্ঠ্য এবং কোন ধরনের ধর্মীয় এটিকেটের মধ্যে পড়ে না সেহেতু তারা এ ধরনের কুটচাল যে মুসলিমদের বিপক্ষে ব্যবহার করবে তা আল্লাহ সোবহানা আগে থেকেই অবগত ছিলেন (কারন তিনি বান্দার সবকিছুই অবগত থাকেন) বিধায় কোরআনের অনেক আয়াতের মাধ্যমে তিনি মোমিন মুসলিমদের সাবধান করে দিয়েছিলেন। মুসলিম খেলাফতের পতন এবং আধুনিক মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক ভৌগলিক সীমানা নির্ধারনের প্রেক্ষাপটে ব্রিটিশ সরকার তিনটি পৃথক পক্ষের সাথে একই সময় তিনটি পৃথক চুক্তিতে লিপ্ত হয়, যা ব্রিটিশের রাজনৈতিক চাতুরতা চরিত্রেরই বহিঃপ্রকাশ।

প্রথম চাতুরতাঃ

ব্রিটিশ কর্তৃক মক্কার মুসলিম নের্তৃত্বকে সমগ্র আরব যাহানের স্বাধীনতা সহ নের্তৃত্ব প্রদানের মিথ্যা অঙ্গিকার করা। ১৯১৫ এর জুলাই মাসে মিশরে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার স্যার হেনরি মেকমাহান মক্কার গর্ভনর শরীফ হুসেইন ইবন আলী’কে সমগ্র আরব ভূখন্ডের স্বাধীনতা সহ মুসলিম খেলাফতের শাসক বানাবার কুটনৈতিক মিথ্যা অঙ্গিকার করেছিল। পাঠক! আমাদের স্মরনে রাখা দরকার যে আল্লাহ সোবহানা তালা কোরআনে নবী ইউসুফ (আঃ), দাউদ (আঃ) ও সোলাইমান (আঃ) এর ইতিহাস বর্ননা করতে গিয়ে একটা বিষয়কেই বেশী প্রতিফলিত করেছেন যে “মূলক বা রাজত্বের মালিক তিনি আল্লাহ সয়ং এবং তিনি যাকে খুশি তাকেই তা দান করেন”। পরবর্তি বাকী আলোচনায় এই বিষয়টি মাথায় রেখেই বিষয়টি বোঝার অনুরোধ করছি। যাই হোক, শরীফ হুসেইন হচ্ছেন রসুল(সাঃ) এর হাশেমী বংশের প্রত্যক্ষ বংশধরের ৪০ তম বংশধরদের একজন। এই শরীফ হুসেইন পরিবার মক্কা শাসন করেছেন ৭০০ বছরের উপর। ইসলামের ৩য় খলিফা আব্বাস (রাঃ) থেকে শুরু করে শেষ খেলাফত অটোমান পর্যন্ত সকলেই এই পরিবারের সদস্যদেরকে মক্কার শাসক হিসেবে নিযুক্ত রেখেছিলেন রসুল(সাঃ) এর সম্মানার্থে। শরীফ হুসেইন যেহেতু রসুল(সাঃ) এর প্রত্যক্ষ গোত্রীয় ব্যাক্তি কাজেই তাঁর পক্ষে অটোমান খেলাফতের বিপরিতে সমগ্র মুসলিমদের নিয়ে অপর আর একটি খেলাফত সংগঠন করা যতটা সহজ ততটা আর কারোর পক্ষে সম্ভব নয়। এই বিবেচনায় ব্রিটিশরা শরীফ হুসাইনকে তৎকালিন মুসলিম খেলাফত অটোমানের বিরুদ্ধে সংঘঠিত করাতে উঠেপড়ে লাগে। এ কাজের জন্য ব্রিটিশ হাইকমিশনার স্যার ম্যাকমাহান ব্রিটিশ স্পাই টি.ই.লরেন্সকে শরীফ পরিবারের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে নিযুক্ত করে। লরেন্স এক পর্যায়ে শরীফ পরিবারের কনিষ্ঠ পুত্র ফয়সালের অন্তরঙ্গ বন্ধু হিসেবে শরীফ পরিবারের অভ্যন্তরে প্রবেশাধিকার লাভ করতে সমর্থ হয় এবং শরীফ পরিবারের পারিবারিক বন্ধু ও কুটনৈতিক রাজনৈতিক পরামর্শক হিসেবে পরিগণিত হতে সমর্থ হয়। আমাদের মনে রাখা প্রয়োজন যে রসুল(সাঃ) এর বংশধর হলেই যে তিনি ইসলামের নের্তৃত্ব লাভের যোগ্য হবেন তা যেমন হাদিসেও নাই তেমনি ইসলামি শরীয়ার কোথাও উল্লেখ নাই। একইভাবে রসুল(সাঃ) এর জন্মস্থান সৌদী বলে যে সৌদীকেই বিশ্বব্যাপি মুসলিমদের নের্তৃত্তে বা ইসলামী খেলাফতের পুরোধা হতে হবে তারও কোন দিক নির্দেশনা কোরআন বা সুন্নাহতে উল্লেখ নাই। কাজেই বর্তমানে সৌদী সরকারের ঘোষনার উপর ভিক্তি করে রমজান মাস, শাওয়াল মাস এবং হজ্জের মাস শুরু হওয়া নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মুসলিমদের মধ্যে যে মতপার্থক্য সৃষ্টি করা হচ্ছে তা নিতান্তই কোরআন ও সুন্নাহ’র বরখেলাপ ছাড়া আর কিছুই নয়। এটাই শয়তানের জন্য সহজ পথ মুসলিমদেরকে আল্লাহ ও রসুলের হুকমত থেকে বিতারিত করার। যাই হোক মক্কার শরীফ হুসেইন কোরআন ও সুন্নাহর সেই পরামর্শের পথ থেকে সরে গিয়ে ব্রিটিশ নাসারাদের সাহায্যে দুনিয়ার ক্ষমতা লাভের জন্য সচেষ্ট হয়েছিলেন। যেখানে আল্লাহ সোবহানা তালা সয়ং কোরআনে বলেছেন যে “মুলকের মালিক তিনি নিজে এবং তিনি যাকে খুশি তাকে তা প্রদান করেন”, মক্কার নের্তৃত্ব শরীফ হুসেইন কোরআনের সেই আয়াতের বিষয়টি বেমালুম ভুলে গিয়ে ক্ষমতার জন্য উদগ্রীব হয়ে পড়েছিলেন। তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পূর্বেই অটোমান খেলাফতের বিরুদ্ধাচারন করে ব্রিটিশের শরনাপন্ন হয়েছিলেন, যদি ব্রিটিশ তাকে সাহায্য করে তবে তিনি অটোমানের বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রস্তুত আছেন। যাই হোক শেষ পর্যন্ত অটোমানকে ধংস করতে শরীফ হুসাইনকে ব্রিটিশের খুব প্রয়োজন দেখা দেয়। এবং ব্রিটিশ রাজনৈতিকরা শরীফ হুসেইনকে মুসলিম উম্মার খলিফা সহ সিরিয়া, লেবানন, ইরাক, ইরান, ফিলিস্তিন, জর্ডান সহ সৌদি ও তার আশেপাশের সমগ্র আবর ভূখন্ডের মালিক বানাবার মিথ্যা অঙ্গিকার করে এবং শেষ পর্যন্ত শরীফ হুসেইনের নের্তৃত্বে আরব মুসলিমরা ১৯১৬ সালের জুন মাসে অটোমান মুসলিম খেলাফতের বিরুদ্ধে মুসলিম-মুসলিম গৃহযুদ্ধে লিপ্ত হয়। এই যুদ্ধে ব্রিটিশ স্পাই লরেন্স মূলত শরীফ হুসেইনকে রাজপ্রাসাদের ভিতর থেকে যুদ্ধ পরিচালনায় যাবতীয় পরামর্শ দানের কাজ করেছিল। শুধু তাই নয় লরেন্স আরবের যোদ্ধাদের জন্য ব্রিটিশের অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রও সরবরাহ করেছিল যাতে তারা অটোমান মুসলিমদের পুরাদমে পর্যদস্থ করতে পারে। লরেন্স আরবদের স্বাধীনতার স্বপক্ষে এমনই ভূমিকা রেখেছিল যে সবার ধারনা ছিল লরেন্স মূলতই আরবদের স্বাধীনতার পক্ষে কিন্তু মূলত লরেন্স ছিল ব্রিটিশ স্পাই মাত্র যা আরবের মুসলিমরা বেমালুম ভুলে গিয়েছিল। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস যে একই সমগ্র আরব ভূখন্ডকে নিয়ে শরীফ হুসেনইকে দেয়া মিথ্যা অঙ্গিকারের আড়ালে অন্য আরো দুটি অঙ্গিকার ব্রিটিশ সরকার ভিন্ন দুটি পক্ষের সাথে সম্পন্ন করার বিষয় জানার পরও লরেন্স শরীফ হুসেইনকে ব্রিটিশের মোনাফিকির সে বিষয় জ্ঞাত না করে বরং শরীফ হুসেইনকে আরব স্বাধীনতার জন্য শক্তির যোগান দিয়ে যাচ্ছিল।

দ্বিতীয় চাতুরতাঃ

১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার মিশরে নিযুক্ত হাইকমিশনার স্যার হেনরী ম্যাকমাহান ও ব্রিটিশ স্পাই টি.ই. লরেন্সের মাধ্যমে মক্কা’য় নিযুক্ত অটোমান গভর্নর শরীফ হুসাইনের সাথে চুক্তিবদ্ধ থাকার পরও ব্রিটিশ সরকার আরব ভূখন্ডকে রাশিয়া ও ফ্রান্সের সাথে ভাগাভাগি করার জন্য অপর আরো একটি চুক্তি করে যা ইতিহাসে সাইকস-পিকো চুক্তি হিসেবে পরিচিত। আরব ও অটোমানের মধ্যে গৃহযুদ্ধ চলাকালিন সময়ে রাশিয়া, ফ্রান্স ও ব্রিটিশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা কয়েকবার মিলিত হয়েছিল, উদ্দেশ্য অটোমানের পতনের পর সমগ্র আরব ভূখন্ডকে তারা নিজেদের মধ্যে কিভাবে বিভক্ত করে নেবে। অনেকটা বানরের পিঠা ভাগাভাগির মত। এই চুক্তি অনুযায়ী রাশিয়া ইস্তাম্বুল সহ তার্কী’র অধিকার লাভ করে, ফ্রান্স সিরিয়া ও লেবাননের অধিকার লাভ করে এবং ব্রিটিশ বাকী ইরাক ফিলিস্তিনি সহ আরব ভূখন্ডকে নিজেদের মধ্য ভাগ করে নেয়। এই সাইকস-পিকো চুক্তির মাধ্যমেই আধুনিক মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সমুহের রাজনৈতিক ভৌগলিক সীমানা নির্ধারিত হয়েছে। এই ঘটনাটি পুরাপুরিভাবে রসুল(সাঃ) এর দেয়া মুসলিমদের জন্য শতর্কবার্তা স্বরুপ হাদিসের একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরন হিসেবে  এখানে উল্লেখ করা সমীচীন হবে। ইমাম আহম্মেদ (রাঃ) কর্তৃক বর্নিত মুসলিম শরীফের এই হাদিসে রসুল(সাঃ) বলেছিলেন যে “এমন এক সময় আসবে যখন অন্যান্য অমুসলিম জাতীরা সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বৃহত্তর মুসলিম ভূখন্ডকে একদিন আক্রমন করবে এবং নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেবে যেটা শুধু সময়ের ব্যাপার হবে মাত্র যদি মুসলিমরা কোরআন ও সুন্নাহ থেকে সরে যায়”। পাঠক লক্ষ্য করুন কিভাবে কোরআনে ও হাদিসের ভবিষ্যৎ বানী এক্ষেত্রে বাস্তবায়িত হয়েছে। সাইকস-পিকো’র এই চুক্তি অত্যান্ত গোপনীয়ভাবে সম্পাদিত হয়েছিল এবং অনেকদিন পর্যন্ত তা গোপন রাখা হয়েছিল। রাশিয়ার নের্তৃত্তের মধ্যে ১৯১৭ সালে যখন আভ্যন্তরিন বিপ্লব সংঘঠিত হয় এবং রাশিয়ার জার সম্রাটকে উৎখাত করে বোলশেভিক যখন ক্ষমতায় আসিন হয় তখন এই সাইকস-পিকো চুক্তির কথা জনসম্মুখে ফাঁস হয়ে যায়। বোলশেভিক সরকার জার সরকারের দুর্নিতী ও কুকর্ম জনগনের সামনে প্রকাশ করার স্বার্থে এই চুক্তির কথা ফাঁস করে দেয়। এবং এর পরই নিউ ইয়োর্ক টাইমস সহ বিশ্বের বড় বড় পত্রিকায় প্রধান খবর হিসেবে বিষয়টি প্রকাশিত হয়। ফলে ব্রিটিশ সরকার পৃথিবীর মুখে একধরনের বিব্রতকর অবস্থার সম্মুখিন হয় তাদের দুমুখো চরিত্র আরবদের সামনে প্রকাশিত হবার কারনে। যাই হোক পরবর্তিতে  তারা আরবদের সাথে নানা ধরনের কুটনৈতিক মিথ্যা আশ্বাসের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে সমর্থ হয় এবং আরব মুসলিমরাও ব্রিটিশদের আশ্বাসের উপর বিশ্বাস করতে থাকে। এখানে আবারও লক্ষ্য করার বিষয় যে আবারও কিভাবে মুসলিমরা কোরআনের আলোচ্য আয়াতগুলো’র পরিপন্থী অবস্থানে গিয়ে নাসারাদের উপর আস্থা স্থাপন করে বসলো নিজেদের ক্ষমতা লাভের লোভ লালসায়। যাই হোক সাইকস-পিকো চুক্তির কারনে ইরাক, জর্ডান সহ ফিলিস্তিন (বর্তমানে যা ইসরাইল) ব্রিটিশের নিয়ন্ত্রনে চলে যায়।

তৃতীয় চাতুরতাঃ

এর আগে আমরা দেখলাম একই আরব ভূখন্ডকে নিয়ে ব্রিটিশ সরকার একদিকে যেমন আরবদের সাথে মিথ্যা চুক্তি করেছে তেমনি একই সময় তারা রাশিয়া ও ফ্রান্সের সাথেও নিজেদের মধ্যে ভূখন্ড বন্টনের চুক্তি করেছে। এখন আমরা দেখবো কিভাবে এই একই ব্রিটিশ সরকার একই সময়ে একই আরব ভূখন্ডকে নিয়ে ইউরোপিয়ান ইহুদীবাদী Zionistদের সাথে আরো একটি নতুন ধরনের অঙ্গিকার চুক্তিনামা করেছে। ১৯১৪ সালেই ব্রিটিশ সংসদের সর্বোচ্চ কমিটিতে সর্বপ্রথম ব্রিটিশ Zionist নেতাদের সাথে বিশ্বব্যাপি ইহুদীদের জন্য স্বাধীন স্বার্বভৌম একটি পৃথক রাষ্ট্র স্থাপনের বিষয়টি আলোচনায় আসে।

১৯১৪ সালে যখন ব্রিটিশ দরবারে ইহুদীদের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্র স্থাপনের বিষয়টি উত্থাপিত হয় তখন ব্রিটিশ সরকার প্রাথমিকভাবে Zionistদেরকে ইহুদীদের জন্য আফ্রিকার বর্তমান উগান্ডা (যা তৎকালিন সময় ব্রিটিশের নিয়ন্ত্রনে ছিল) ভূখন্ডের জন্য প্রস্তাব করে। ইস! তখন যদি তারা রাজী হয়ে যেত আজ তাহলে মধ্যপ্রাচ্য সহ পৃথিবীর পরিস্থিতি অন্যরকম হতো। কিন্তু তৎকালিন Zionistদের নেতা শেইম ওয়াজম্যান ব্রিটিশের সেই প্রস্তাব বাতিল করে দেয়। তারা সরাসরি জেরুজালেম সহ ফিলিস্তিনে তাদের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবী করে। এবং অবশেষে ব্রিটিশ প্রথম বিশ্বযুদ্ধে সমরাস্ত্র সরবরাহ নিশ্চিত করার স্বার্থে ইহুদীদের পৃথক স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য Zionist দেরকে জেরুজালেম সহ ফিলিস্তিনি ভূখন্ড ছেড়ে দিতে অঙ্গিকার করে। প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক যে, কেন ব্রিটিশ Zionist দেরকে এতটা ছেড়ে দিতে বাধ্য হলো? এখানেই ইতিহাসে নানা ধরনের থিওরীর কথা প্রচলিত আছে যার কিছুটা কনস্পিরেসি থিওরী আবার কিছুটা সত্যও বটে (এ বিষয়ে আমি পরবর্তীতে আরো একটি লেখায় পোষ্ট করবো ইনশা আল্লাহ)। (অসমাপ্ত)
 

Leave a Reply

Your email address will not be published.