«

»

Aug ১৪

প্রাকৃতিক নিয়ম কি এতই শক্তিশালী যে, স্রষ্টার প্রয়োজন ব্যতীত নিজেই নিজের অস্তিত্ব আনয়ন করতে পারে!

প্রাকৃতিক নিয়ম কি এতই শক্তিশালী যে, স্রষ্টার প্রয়োজন ব্যতীত নিজেই নিজের অস্তিত্ব আনয়ন করতে পারে!

নাস্তিকরা স্রষ্টার অস্তিত্বকে অস্বীকার করে প্রাকৃতিক নিয়মে প্রকৃতি সৃষ্টির ব্যাখ্যা দিয়ে থাকে। তাদের এই অবিশ্বাস যুক্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত, এবং তাদের এই চিন্তাধারাকে বলে মুক্তচিন্তা। আর মুক্তচিন্তা হল এক প্রকার দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি যা বলে যে বিজ্ঞান, যুক্তিবিদ্যা এবং যুক্তির আলোকে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত; মতামত গঠনের ক্ষেত্রে প্রথা, অন্ধ বিশ্বাস এবং কর্তৃপক্ষ দ্বারা প্রভাবিত হওয়া বাঞ্চনীয় নয়। সচেতনভাবে মুক্তচিন্তার প্রয়োগকে বলে মুক্তচিন্তন এবং এর অনুশীলন-কারীদের বলে মুক্তমনা। আর তাদের ধারণা বিজ্ঞানের নব নব আবিষ্কারের ফলে অতিপ্রাকৃত কোন শক্তিতে বিশ্বাসের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে গেছে। এর অন্যতম কারণ হলও , এতদিন বিশ্বাস করা হতো অতিপ্রাকৃত কোন শক্তির অস্তিত্ব ছাড়া এই মহাবিশ্বের কোন ব্যাখ্যা দেয়া সম্ভব নয়। এখন ধর্ম বিরোধীরা বলতে লাগলেন , যেহেতু বিজ্ঞানের নব নব আবিষ্কারের ফলে এখন অতিপ্রাকৃত কোন শক্তি বা 'গড' হাইপোথেসিস ছাড়াই এই মহাবিশ্বের সকল দিকের পুঙ্খানুপুঙ্খ ব্যাখ্যা দেয়া সম্ভব , সে কারণে অতিপ্রাকৃত কোন শক্তিতে বিশ্বাস বাহুল্য হয়ে পড়েছে। যেহেতু এই মহাবিশ্বের সকল প্রক্রিয়া কিছু প্রাকৃতিক আইন মেনে পরিচালিত হয় , সেহেতু অতিপ্রাকৃত কোন শক্তি এই মহাবিশ্বকে পরিচালিত করছে এমনটি ভাবা একমাত্র বদ্ধ-মনা সাধারণ জ্ঞান বিবর্জিত মূর্খ আস্তিকদের পক্ষেই সম্ভব। অর্থাৎ নাস্তিকরা নিজেদেরকে জ্ঞানের সর্বোচ্চ স্তরে বুদ্ধিমান প্রাণী মনে করেন, আর আস্তিকরা হলও পশুর সমতুল্য।

এখানে আমি তাদের “প্রাকৃতিক নিয়ম” নিয়ে আলোচনা করবো, এবং এই প্রাকৃতিক নিয়ম কিভাবে মহাবিশ্বের সকল দিকের পুঙ্খানুপুঙ্খ ব্যাখ্যা দেয়া তা তুলে ধরবো। কিন্তু এর গ্রহণ যোগ্যতার দায় ভার পাঠক বৃন্দের কাছে।
এই মহাবিশ্বে যা কিছুই ঘটে , তা ঘটে অতিপ্রাকৃত কোন শক্তির ইচ্ছা বা কারণে , এমনটাই প্রাচীন কাল থেকে আস্তিক মানুষ বিশ্বাস করে এসেছে। কিন্তু আধুনিক বিজ্ঞান দাবী করে , প্রতিটি ঘটনার পিছনে একটি কারণ আছে। কারণ ছাড়া কিছুই ঘটে না এবং এই কারণ পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে জানা সম্ভব। এই যেমন নিউটন পর্যবেক্ষণ করলেন , বিশাল এই মহাবিশ্বের সকল গ্রহ নক্ষত্র গ্যালাক্সি নির্দিষ্ট এক আইন মেনে বিশ্ব পরিক্রমণ করে চলেছে , যা থেকে বিন্দুমাত্র বিচ্যুত হওয়ার উপায় নেই। এই আইনের নাম – মহাকর্ষ আইন। ডারউইনের পর্যবেক্ষণ বা গবেষণা থেকে জানা গেল – অতিপ্রাকৃত কোন শক্তি 'হও' বললেন আর মানুষ সৃষ্টি হয়ে গেল এমনটা নয় , বরং ধাপে ধাপে জৈবিক আইন মেনে বিবর্তনের ভিতর দিয়ে নিম্ন প্রজাতি থেকে হোমো স্যাপিয়েন্স বা মানুষের সৃষ্টি হয়েছে। এভাবেই পর্যবেক্ষণের ও গবেষণার তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে বিজ্ঞানীরা অনুমান করে থাকেন যে , এই মহাবিশ্বের সকল ঘটনা এক কঠিন আইনে আবদ্ধ , যার অপর নাম – প্রাকৃতিক আইন ‘Law of Nature'।

সর্বপ্রথম-ই বলে রাখছি, এই প্রাকৃতিক নিয়ম বা আইন স্রষ্টাকে কখনো অস্বীকার করে না। বরং স্রষ্টার জ্ঞানের মহিমা-ই প্রকাশ করে। এক্ষেত্রে একটি কাল্পনিক উদাহরণ টেনে আনতে পারি- বিজ্ঞানীদের ধারণা এক সময় এই পৃথিবীতে (ডাইনোসরের মত) মানুষের অস্তিত্বও বিলুপ্ত হয়ে যাবে। পৃথিবীতে থাকবে না কোন মানুষ প্রজাতি, কিন্তু তখনো পৃথিবীর বুকে টিকে থাকবে আরশোলা (তেলাপোকা) প্রজাতি। আর তারা যদি বিবর্তনের ধারায় আরও উন্নতি লাভ করে, তাহলে তারাই হবে পৃথিবীর বুকে বেঁচে থাকা বুদ্ধিমান প্রাণী। হয়তো তারা একদিন খুঁজে বের করবে মানুষের অস্থি, সাজিয়ে রাখবে জাদুঘরে। এই ছিল বিজ্ঞানীদের কল্পনা; আর আমি একধাপ এগিয়ে বলতে চাই, তারা যদি আমাদের কঙ্কালের সাথে আমাদের তৈরি কৃত উন্নত কোন যন্ত্রের সন্ধান পান? তাহলে কি তারা যন্ত্রের সু-শৃঙ্খল নিয়ম আর সমলয়বর্তীতা দেখে ভাববেন এটি নিজে থেকেই সৃষ্টি হয়েছে! নাকি ধারনা লাভ করবেন মানুষের জ্ঞান ও বুদ্ধিমত্তার। কারণ সকল যন্ত্র-ই অনেক তথ্যের সহস্র সু-শৃঙ্খল নিয়ম এবং নিয়ম গুলোর মাঝে থাকে সঠিক সিনক্রোনাজ এর সমন্বয়ে তৈরি। যার সামান্য পরিমাণ বিচ্যুতিতে যন্ত্রটি হয়ে পড়বে অকার্যকর। আরশোলা স্বীকার করুক আর নাই করুক, উন্নত যন্ত্রটি হবে মানুষের জ্ঞানের মহিমার প্রকাশ। আশাকরি পাঠকবৃন্দ আমার সাথে একমত হবেন।

কিন্তু প্রাকৃতিক আইনে মহাবিশ্ব সৃষ্টিতে দ্বিমত প্রকাশ করছি না, শুধু বলতে চাচ্ছি এ প্রাকৃতিক আইনটা তৈরি করেছে স্বয়ং স্রষ্টা। আমি জ্ঞানী কিংবা বিজ্ঞানী নয়, তবে তাদের মত ভুল করতে চাচ্ছি না। যেমন- জার্মান দার্শনিক কান্ট (Kant) তো ঘোষণাই দিলেন-“আমাকে কিছু পদার্থ (matter) দাও, আমি দেখিয়ে দেব কিভাবে পদার্থ থেকে এই মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয়েছে”। হেকেল (Haeckel) আরও এক ধাপ এগিয়ে বললেন- “পানি, রাসায়নিক উপাদান ও সময় দেয়া হলে, তিনি মানুষ সৃষ্টি করতে পারবেন”। এবং নিৎসে (Nietsche) বিজয় ঘোষণা দিলেন, “আল্লাহ মৃত”।

নাস্তিকদের ধারনা অজ্ঞতা থেকেই মানুষ ধর্ম বিশ্বাসী হয়ে ওঠে। অতীতের মানুষ ঘটনার কারণগুলো জানতোনা বলেই বিশ্বাস করত অতিপ্রাকৃত কোন শক্তিই সকল কিছুই ঘটিয়ে থাকে। বিজ্ঞানের উন্নতির সাথে সাথে মানুষ যখন প্রকৃত কারণ জানবে, তখন ধর্ম বিশ্বাস এমনিতেই বিলুপ্ত হয়ে যাবে। কিন্তু এটা ছিল নাস্তিকদের অজ্ঞতা!

আর নাস্তিকরা যে প্রাকৃতিক আইন প্রাকৃতিক আইন করতেছেন, যার ধারা মহাবিশ্বের সকল কিছুর পুঙ্খানুপুঙ্খ ব্যাখ্যা দেয়া সম্ভব, এরকম কোন তত্ত্ব এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। বিজ্ঞানীরা কয়েক দিন মাত্র হলও- ঈশ্বর কণিকা সন্ধান লাভ করলেন। হয়তো ভাবছেন- এর মাধ্যমে মহাবিশ্ব সৃষ্টি সম্পর্কে পূর্ণ ব্যাখ্যা দিতে পারবেন এবং একটা ঐক্যবদ্ধ তত্ত্ব পাওয়া সম্ভব হবে। কিন্তু আমাদের হাতে এখনো কোন ফলাফল আসেনি। আমরা হয়তো ভাবছি একটা ঐক্যবদ্ধ তত্ত্ব পাওয়ার কিনারায় এসে পৌঁছে গিয়েছি, যেমন- গত শতাব্দীর শুরুতেই বিজ্ঞানীরা এ ধারনা করেছিলেন। তারা ভেবে ছিলেন সান্দ্রতা গুণাঙ্ক ও পরিবাহিতা গুণাঙ্ক এরকম কয়কটি গুণাঙ্কের স্থাপিতাঙ্ক মাপতে পারলেই একটি ঐক্যবদ্ধ তত্ত্ব পেয়ে যাবেন। কিন্তু পরমাণুর গঠন ও কণাবাদী বলবিদ্যা আবিষ্কারের ফলে তাদের এ আশা গুড়িয়ে গেল। বিজ্ঞানী ম্যাক্স বর্ণ ১৯২০ সালে বলেছিলেন- আমরা যাকে পদার্থবিদ্যা বলি, ৬ মাসে সেটি শেষ হয়ে যাবে। কারণ ডিরাক সমীকরণ আবিষ্কারের পর দেখা গিয়েছিল, এই সমীকরণ ইলেকট্রনের আচরণ শাসন করে। তিনি আশা করেছিলেন- প্রোটনের আচরণ শাসন করে এমন একটা সমীকরণ আবিষ্কার হয়ে যাবে কিছু দিনের মধ্যেই। কিন্তু নিউট্রন আর নিউক্লিয় কেন্দ্রকীয় বল আবিষ্কারের ফলে তার আশাও ভেস্তে গেল।

তাহলে আমরা পূর্বের অবিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি, ঈশ্বর কণা আবিষ্কারও সকল সমস্যার সমাধান নয়, হয়তো বিজ্ঞানীরা যে আশা করেছিলেন- তার চেয়ে বেশি আশা ভঙ্গ হতে পারে। আমরা পেতে পারি আরও জটিল কিছু, যা আমাদের ঐক্যবদ্ধ তত্ত্ব পাবার আশাকে আরও অম্লান করে দেয়। 

“যদি আমরা একটা পূর্ণ ঐক্যবদ্ধ তত্ত্ব অর্জনও করি, তাহলে একমাত্র সরলতম অবস্থান সম্পর্কে ছাড়া বিস্তারিত কোন ভবিষ্যদ্বাণী করতে পারব না” একথা স্বয়ং স্টিফেন হকিং বলেছেন।

আর এ ঐক্যবদ্ধ তত্ত্বই হলও পদার্থ বিজ্ঞানের প্রাকৃতিক আইন, যা সব কিছুর ব্যাখ্যা করতে পারবে। যারা শুধু প্রাকৃতিক নিয়মের গান বাজান তাদের বলছি- আগে ঐক্যবদ্ধ তত্ত্ব সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন এবং দেখুন আপনার প্রাকৃতিক আইন কতটা মহাবিশ্ব সৃষ্টি করতে পারে, তারপর গান বাজান।

২৮ comments

Skip to comment form

  1. 12
    কিংশুক

    আমেরিকা চেয়েছিল অবাধ্য সাদ্দাম গাদ্দাফীকে সরিয়ে অনুগত কাউকে বসাবে। এজন্য আল কায়েদা আই এস এর সাহায্য নিয়ে সাদ্দাম গাদ্দাফিকে সরিয়েছে । কিন্তু কে যে কার উপর চাল দিল তা কি কিছু বুজলি বিজেপি প্রতিবন্ধী?

  2. 11
    কিংশুক

    সাদ্দাম বামপন্থী ইরাকি জাতীয়তাবাদী ছিল। সৌদি আরব সহ অন্য আরব ও তার নিজের দেশের মানুষ তার বিরুদ্ধে থাকায় তার পতন হয়েছে । তা না হলে আমেরিকার বাপেও কিছু করতে পারতোনা। গাদ্দাফির ঘটনাও একই। এখন সেখানে শরিয়া চালু হবে। বামপন্থী সাদ্দাম বা হাদিস অস্বীকার কারী গাদ্দাফীরে তাড়ানোর জন্য কারা কেন সাহায্য করেছিল তা কিছু বুঝলি ছাগু বিজেপি? এবার মাতলামি আরো বাড়ার অপেক্ষায় ?। আচ্ছা বিজেপি ছাগুরা, তোরাতো শ রিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছিস তাইলে সৌদি আরব, ইউ এই, কাতার, কুয়েতে কোটি কোটি কামলা খাটিস কিভাবে? সব দল বেধে রামরাজেজ হিজরত কর। তোরা আসলে কুকুরের চাইতেও খারাপ ।

  3. 10
    কিংশুক

    ওরে ছাগু বিজেপি, আর ভাড়ামো করিসনা। তোর ভাড়ামো করে উত্তেজিত করার কৌশল বুজলাম। ইউরোপ আমেরিকা করুণা করে মুসলমানদের বড়লোক বানিয়ে দিয়েছে! ! তুই আসলেই বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী হিন্দু। তোর সাদা ভগমানরা সারাজীবন অন্যের সম্পদ মেরে বড়লোক হবার ধান্দায় থাকে আর তারাই কিনা মুসলমানদের দান করে বড়লোক বানিয়েছে!! ওরা এখনও তেল গেস সহ নানান কোম্পানীকে দিয়ে অন্নের সম্পদ জোর করে লুটে নেয়। তারা যে আমেরিকা কানাডা অষ্ট্রেলিয়ায় থাকে তাও তো দখল করা। এসব দেশে কত খনিজ সম্পদ আছে তাও বোধহয় জানিসনা। কত গাজা উইথ গোমুত্র খাইয়া লে দাস কে জানে! কাতারে কুয়েত ব্রুণাই ইউ এই বিশ্বের শীর্ষ ধনী তাও জানিস না!
    এমনকি ওমান বাহরাইনও ধনীদেশ। ছাগু বিজেপি, 20000 ডলার মাথাপিছু আয় হলেই তাকে ধনী দেশ বলে। HDI অনুযায়ী উচ্চ রেংকিং এর। তোর ভারত নেপাল প্রথম 100 দেশের মধ্যেই নাই। ভারত নেপাল নিজের চেষ্টায় দরিদ্র রইছে না! শেফালী হেদু গুলা নিজের মা বোন রে বিদেশি দের কাছে
    দেহবেবসা করিয়ে, আরবে কোটি কোটি কামলা দিয়ে মুসলমানদের দয়ায় আফগানিস্তানের চেয়েও গরীব রয়েছে। মুসলমানরা দয়া না করলে না খেয়ে মরতি। এখন তো তোরা ইরাক ইরান লিবিয়া ( এত যুদ্ধের দেশেও ওরা টাকার লোভে চাকর হতে যায় । আএস হে দু গুলারে চটকনা মেরে ছেড়ে দেয়।), সৌদি আরব, ওমান বাহরাইন দুবাই কাতার কুয়েত, জর্ডান মালেশিয়ায় কোটি কোটি বিজেপি কামলা দিয়াতো খাইয়া পইরা বাইচা আছস। এমনকি বাংলাদেশ থেকে 5000000000$ চাকরি করে নেস। তাইলে তোরাইতো মুসলমানদের দয়ায় বাচস???। আগামী 10 বছরের মধ্যেই তোরা ইন্দোনেশিয়া নাইজেরিয়া সোমালিয়াতেও কামলা খাটবি। যদিও মুসলমানদের কাছে দুনিয়ার সফলতা বিত্তের কোনওই মূল্য নেই যদি আগে আখেরাতের সফলতা না পায়।তো আমার না হয় আগেরাতের জন্য দুনিয়ার সফলতার পিছে ছুটলামনা। আখেরাতের আশায় তাতেও অনেক সফল মনে করলাম। কিন্তু তোরা আখেরাতেও হতভাগ্য দুনিয়াতেও ফকিরনীর পুত অশিক্ষিত গরুর রাখালই থাকলি। তোদেরকে পারমাণবিক শক্তি ধর পাকিস্তান আব্বা, চায়না আব্বা চাবুকের উপর রাখে। আবার গাজা রাম গোমুত্রের ককলেট খেয়ে মাতলামি করলে কানের নিচে দিবো।

  4. 9
    কিংশুক

    ইসলাম কিভাবে সচল হবে তা নিয়ে দুঃচিন্তা করার/সাজেশন দেয়ার দায়িত্ব বাংগালী বিজেপিকে কে দিয়েছে? যেখানে বাংলা বিহার ওড়িষ্যার সুবে বাংলা 600 বছর মুসলমানদের এমনকি আফ্রিকার দাস হাবসিদের শাসনে ছিল। পারলে হিন্দু ভারত নেপালকে বা আফ্রিকার খ্রিস্টান দেশ, বৌদ্ধ বার্মা, নাস্তিক ভিয়েতনামকে কাতার, কুয়েত, ব্রুনাই, ইউএই, সৌদি আরবের মতো ধনী হয়ে দেখাক! ছাগু হণুদের ছাগলামি তুলনাহীন।

    1. 9.1
      Momtaz Begum

      ১। "ইসলাম কিভাবে সচল হবে তা নিয়ে দুঃচিন্তা করার/সাজেশন দেয়ার দায়িত্ব বাংগালী বিজেপিকে কে দিয়েছে? যেখানে বাংলা বিহার ওড়িষ্যার সুবে বাংলা 600 বছর মুসলমানদের এমনকি আফ্রিকার দাস হাবসিদের শাসনে ছিল…….."

      বটেই!!! পৃথিবীর একমাত্র সত্য! গ্রন্থ! কোরাণ-হাদীসের এত এত বিজ্ঞান! বুকে ধারন করে মুসলিমরা যদি এইটুকু করতে না পারে তা হলে কিসের ইসলাম? কিসের আল্লা? কিসের কি? তবে ইহুদী, নাসারা, ইংরেজ'দের মার খেয়ে এত কষ্টের স্পেন, গ্রীস, অটোমান, ভারত, কাশ্মির, রহিঙ্গা………….. থেকে লেজ গুটিয়েছে তো কি হয়েছে!  আইসিস, বোকোহারাম, আনসারুল্লা, হেফাজত তো মরে যায় নি। সামনে আরো দিন আছে। 

      ২। "পারলে হিন্দু ভারত নেপালকে বা আফ্রিকার খ্রিস্টান দেশ, বৌদ্ধ বার্মা, নাস্তিক ভিয়েতনামকে কাতার, কুয়েত, ব্রুনাই, ইউএই, সৌদি আরবের মতো ধনী হয়ে দেখাক! ছাগু হণুদের ছাগলামি তুলনাহীন।"

      'কাতার, কুয়েত, ব্রুনাই, ইউএই, সৌদি আরব'- এর অথর্ব অপদার্থ মুমিনরা বড়লোক!!! কে বলেছে??? ওরা তো ইহুদী, নাসারা, আমেরিকার করুনা/বরকতে ফিনফিনে আলখাল্লা গায়ে দিয়ে ঘুড়ে বেড়ায়। একটু গরবর করলে এমন থাপ্পর খাবে যে শেষমেষ  সাদ্দাম, গাদাফির মত ইঁদুরের গর্তও খুজে পাবে না। নাকি ভুল বল্লাম??

      তবে, খ্রীষ্টান/নাস্তিক/ভারত/নেপাল  ওরা যতুটুকু ধনী হয়েছে তা নিজ যোগ্যতায় হয়েছে।  বিজ্ঞান, প্রযুক্তি দিয়ে হয়েছে। শক্তি, সাহস দিয়ে হয়েছে। আমেরিকার মত পরাশক্তিকে ভিয়েৎনাম ছাড়া করেছে। ৯৮ হাজার পাকি মুমিনের গোদাকে বাঙাল মুলুকে ছেঁচা দিয়েছে।  সন্দেহ আছে??  

  5. 8
    কিংশুক

    ছাগুগুলি কি সব নাম ব্যবহার করে যেমন মমতাজ বেগম, ফুলবানু্, আব্দুল হক!!!! হাহাপগে। এমন সব মুসলিম সাউন্ডিং/বাংলাদেশের গ্রাম্য ব্ভূয়া নাম ব্যবহার করার কারন ওদের পৈত্রিক নামে কমেন্ট করলে সবাই জেনে যাবে ওরা ছাগু ব্রাহ্মণবাদী শুদ্র। মুসলমানদের প্রতারণা করাই ওদের ধর্ম। ছাগুদের নিজেদের গায়ে কোনও জামাকাপড় না থাকলেও মুসলমানদের জামার পকেট 2 না হয়ে 1 টা কেন তা নিয়ে প্রাণপাত করে। আজব এক ছাগুর দাদা প্রজাতি।

  6. 7
    আব্দুল আওয়াল সুমন

    @ মমতাজ বেগমঃ বোরাক ছিল বিদ্যুতের চেয়েও দ্রুতগতি সম্পন্ন। পৃথিবীতে এমন কোন প্রাণী আছে কি? ইসলামের অলৌকিক বিষয়গুলি বিজ্ঞানের ব্যাখ্যার উপর নির্ভরশীল নয়।
    আপনার ঘরের বৈদ্যুতিক বাতিও এক ধরনের আলো বা light. তাই বলে এটা কি নিজের শক্তি বা নিজের আলোতে জ্বলে না বিদ্যুতের উপর নির্ভরশীল? কোরানে চাঁদকে আলো বা light বলা হয়েছে। চাঁদের নিজস্ব আলো আছে তা কোথায় বলা হয়েছে?????

    বিজ্ঞান পরীক্ষা, নীরীক্ষা, যাচাই বাচাই করে বিস্ময়কর অনেক কিছু আবিস্কার করেছে। মহাবিশ্ব, চন্দ্র, সূর্য, পৃথিবী, আগুন, পানি, মানুষ, জীবজন্তু ইত্যাদি কি বিস্ময়কর নয়???? এসবকিছু এমনি এমনি হয়ে গেল????

    1. 7.1
      Momtaz Begum

      ১। "বোরাক ছিল বিদ্যুতের চেয়েও দ্রুতগতি সম্পন্ন। পৃথিবীতে এমন কোন প্রাণী আছে কি? 

      তাই নাকি? তো ভাইজান,  মানুষকে এত বোকা ভাবেন কেন!  ধর্ম বলে দিয়েছে- "চারপায়া গাধা আকৃতির বোরাকটি ছিল বিদ্যুতের চেয়েও দ্রুতগতি সম্পন্ন",আর সেটাই বিশ্বাস করতে হবে?  আশ্চর্য!!  তাহলে তো, গাবতলি গরুর হাটের 'মজনু পাগলা' দাবি করেছেন- তিনি নাকি এক ফাল দিয়ে হিমালয় পর্বতের চুড়ায় উঠে যান, আবার আরেক ফাল দিয়ে নেমে আসেন। সেটিও সত্য, কি বলেন? 

      । "কোরানে চাঁদকে আলো বা light বলা হয়েছে। চাঁদের নিজস্ব আলো আছে তা কোথায় বলা হয়েছে?????" 

      তো, "চাঁদের যে নিজস্ব আলো নেই" এ কথাই বা কোরাণের কোথায় বলা হয়েছে?  শুধু শুধু কোরাণ কে বিজ্ঞানময় প্রমান করার কেন এই হাস্যকর  চালাকি?  বিশ্বাসের ভাইরাস যে মানুষকে এতোটা দেউলিয়া বানিয়ে দেয় আগে জানতাম না।  ধন্যবাদ।

      1. 7.1.1
        আব্দুল আওয়াল সুমন

        @Momtaz Begum: বিশ্বাস করার জন্য কেউ কি আপনার হাত পায়ে ধরেছে নাকি গলায় ছুরি ধরেছে? এই পৃথিবী ঘন্টায় ৬৭০০০ কিমি বেগে ঘুরছে, পেট্রোল, অকটেন বা কোন জ্বালানি ছাড়াই। এখানেই আল্লাহর সাথে বিজ্ঞানের পার্থক্য, বুদ্ধির ঢেঁকি! চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র সবকিছু আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন এবং তা কোরানে ঘোষনা করেছেন। এসব স্বচক্ষে দেখেও বিশ্বাস হচ্ছে না আর কোরানে চাঁদের নিজস্ব আলো নেই একথা উল্লেখ থাকলেই কি নাস্তিকরা কোরানে বিশ্বাস করত, নাকি একথা বলত যে, “সব ধর্ম গ্রন্থের সাথেই কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের সাথে মিল পাওয়া যায়?” তোমাদের মত অহংকারী শয়তানদের জন্যই কোরানের এই আয়াতঃ
        ** যাদের ব্যাপারে তোমার পালনকর্তার সিদ্ধান্ত নির্ধারিত হয়ে গেছে তারা ঈমান আনবে না। যদি তাদের সামনে সমস্ত নিদর্শনাবলী এসে উপস্থিত হয় তবুও, যতক্ষন না তারা দেখতে পাবে বেদনাদায়ক আযাব। (ইউনুসঃ ৯৬)

  7. 6
    Shahriar

    Fantastic reply … Jajak-allah

  8. 5
    আব্দুল আওয়াল সুমন

    @মমতাজ বেগমঃ ইসলামের বিরুদ্ধে আপনার অভিযোগগুলি এতই নির্বুদ্ধিতাপূর্ণ যে, সদালাপের বিজ্ঞ পাঠকগন উত্তর দিতেও হয়ত বিরক্তবোধ করছেন। তাই ইসলামের উপর স্বল্প জ্ঞানের অধিকারী হয়েও আমি জবাব দিতে বাধ্য হচ্ছি। মুহাম্মদ (সাঃ) চার পায়া প্রাণীর পিঠে করে মহাশূন্য ভ্রমন করেছেন এটা আপনি কোথায় পেয়েছেন সহীহ হাদীস থেকে দলীল দেয়ার অনুরোধ করছি।

    মানুষ সৃষ্ট জীব হয়ে যদি মহাশূন্য ভ্রমনের প্রযুক্তি আবিস্কার করতে পারে তাহলে স্রষ্টা কেন তাঁর বান্দাকে মহাশূন্য ভ্রমন করাতে পারবেন না??? যে স্রষ্টা মাতৃগর্ভের অন্ধকার প্রকোষ্ঠে শিসুকে জীবিত রাখতে পারেন তিনি কেন ইউনুস নবীকে মাছের পেটে জীবিত রাখতে পারবেন না???

    বিজ্ঞান আর ধর্ম বিপরীতধর্মী, বিজ্ঞান দিয়ে কোরানকে কেন সত্য প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়?
    আসলে ব্যাপারটা তা নয়। প্রমাণিত সত্য কিছু বিষয়কে কোরানের বর্ণনার সাথে মিলিয়ে দেখা হয়। যেমন, পৃথিবী গোলাকার, গ্রহ নক্ষত্র সবকিছু ঘুর্ণায়মান, চাঁদের নিজস্ব আলো নেই ইত্যাদি প্রমাণিত সত্যের বিরুধী কোন তথ্য যদি কোরানে পাওয়া যায় তাহলে কোরানের সত্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হতো। আমার ধারণা প্রমাণিত সত্যের বিরুধী কোন তথ্য এখনও কোরানে পাওয়া যায়নি।

    কিন্তু হাদীসে পাওয়া যায়। একটা ঘটনা ঘটলে বা কেউ কোন কথা বললে একদিনেই অনেক বিকৃত হয়ে যায়। হাদীসগুলি মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবদ্দশা থেকে শুরু করে তাঁর ইন্তেকালের দুশো /আড়াইশো বছর পর পর্যন্ত সংকলিত হয়। বিজ্ঞানের সাথে অমিলের কারণে নয় বরং বহুকাল পূর্ব থেকেই হাদীস সহীহ/জয়িফ/জাল নির্নয় করা চলে আসছে।

    আগুন কোথাথেকে আসে? নিভলে কোথায় যায়? পানি বাষ্প হয়ে আকাশে উঠে, সেখান থেকে ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টি হয়ে আবার মাটিতে নেমে আসে। এসবের যুক্তিসংগত ব্যাখ্যা করেই বিজ্ঞান মহাকৃতিত্ত্বের অধিকারী হয়ে গেল, আর এসব সৃষ্টি করেও স্রষ্টা কিছুই না!!! এরচেয়ে আজব ব্যাপার আর কি হতে পারে?

    রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার ইত্যাদি পরীক্ষা নীরীক্ষা গবেষণা করে বিজ্ঞান আবিস্কার করেছে। আর সুশৃঙ্খল মহাবিশ্বসহ পৃথিবীর সবকিছু এমনি এমনি হয়ে গেছে তা আপনি বিশ্বাস করছেন!!! নাকি এসব বিজ্ঞানীরা তৈরী করেছে???

    1. 5.1
      Momtaz Begum

      @ আব্দুল আওয়াল সুমন,

      হাদীসের রেফারেন্স চেয়েছেন।  তাহলে  দেখুন তো, হাদীস মতে চারপায়া প্রানিটি দেখতে কেমন?

      Reference     : Sahih al-Bukhari 3207
      In-book reference     : Book 59, Hadith 18
      USC-MSA web (English) reference     : Vol. 4, Book 54, Hadith 429
        
      "The Prophet (ﷺ) said, "While I was at the House in a state midway between sleep and wakefulness, (an angel recognized me) as the man lying between two men. A golden tray full of wisdom and belief was brought to me and my body was cut open from the throat to the lower part of the `Abdomen and then my `Abdomen was washed with Zamzam water and (my heart was) filled with wisdom and belief. Al- Buraq, a white animal, smaller than a mule and bigger than a donkey was brought to me and I set out with Gabriel. When I reached the nearest heaven. ……………………………"
       

       

      আপনি বলেছেন- "…………. আসলে ব্যাপারটা তা নয়। প্রমাণিত সত্য কিছু বিষয়কে কোরানের বর্ণনার সাথে মিলিয়ে দেখা হয়। যেমন, পৃথিবী গোলাকার, গ্রহ নক্ষত্র সবকিছু ঘুর্ণায়মান, চাঁদের নিজস্ব আলো নেই ইত্যাদি প্রমাণিত সত্যের বিরুধী কোন তথ্য যদি কোরানে পাওয়া যায় তাহলে কোরানের সত্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হতো। আমার ধারণা প্রমাণিত সত্যের বিরুধী কোন তথ্য এখনও কোরানে পাওয়া যায়নি।"

      এবার আল কোরাণের সাথে মিলিয়ে দেখুন তো, চাঁদের নিজস্ব আলো আছে কিনা????
      সূরা- ১০:৫-

      Muhsin Khan
      It is He Who made the sun a shining thing and the moon as a light and measured out its (their) stages, that you might know the number of years and the reckoning. Allah did not create this but in truth. He explains the Ayat (proofs, evidences, verses, lessons, signs, revelations, etc.) in detail for people who have knowledge.
      Pickthall
      He it is Who appointed the sun a splendour and the moon a light, and measured for her stages, that ye might know the number of the years, and the reckoning. Allah created not (all) that save in truth. He detaileth the revelations for people who have knowledge.
      Yusuf Ali
      It is He Who made the sun to be a shining glory and the moon to be a light (of beauty), and measured out stages for her; that ye might know the number of years and the count (of time). Nowise did Allah create this but in truth and righteousness. (Thus) doth He explain His Signs in detail, for those who understand.
      Shakir
      He it is Who made the sun a shining brightness and the moon a light, and ordained for it mansions that you might know the computation of years and the reckoning. Allah did not create it but with truth; He makes the signs manifest for a people who know.
      Dr. Ghali
      He is The (One) Who has made the sun an illumination, and the moon a light and determined it by phases that you may know the number of years and the reckoning. In no way has Allah created that except with the truth. He expounds the signs for a people who know.

      1. 5.1.1
        Shahriar

        If you not understand Quran and authentic hadis then why u bother with that.
        Just wait for your death and will find all your answer insha-allah.

        Allah will help us all except those unbeliever.

      2. 5.1.2
        এম_আহমদ

        @ momtaz begum

        [১] শুনেন, আপনি নাস্তিক হোন অথবা হিন্দু  –এই কোনোটি আপনাকে এখনো মানুষ করেনি। [২] আপনি এই যে ‘বিজ্ঞানের নামে’ পরধর্ম নিয়ে অসহিষ্ণুতা প্রকাশ করছেন –এটা কেন? আপনার ‘লিস্টের’ কথা দেখুন। দাসীর সাথে যৌনসম্পর্কে বিজ্ঞান কি বলে? পালিত পুত্রের তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীকে বিবাহ করলে বিজ্ঞান কি বলে?  যারা পলায়ন রুখতে ও উদোমের সাথে যুদ্ধ করতে তাদের জীবন ও পরিবার বাজী রেখে যুদ্ধ করে স্ত্রীপুত্র হারাত তাদের ব্যাপারে বিজ্ঞান কি বলে [see note below]?  অবৈতনিক যে যোদ্ধা পরাজিত পক্ষের স্ত্রীকে যুদ্ধলব্ধ সম্পদ হিসেবে পেয়ে তার সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে অথবা তাকে দাসী হিসেবে গ্রহণ করে –এতে বিজ্ঞান কি বলে? [৩] আপনি কোথাকার বিজ্ঞানী? [৪] বিজ্ঞানের উপর এ পর্যন্ত কি কি কাজ করেছেন? [৫] বিজ্ঞানে আপনার অবদান কি? আপনি বিজ্ঞান নিয়ে কথার কেডা? ইসলাম বিদ্বেষী বঙ্গাল হিন্দু অথবা নাস্তিক হলেই কি বিজ্ঞানী হয়ে যায়? [৬] আপনার বিদ্যার এবারত কোথায় লিপিবদ্ধ –কি কি লিখেছেন? [৭] মূল কথা হচ্ছে আপনি বিজ্ঞানী নন। আপনি একজন হিন্দু অথবা নাস্তিক ছাতু। কাজকর্ম নেই, তাই ব্লগে ব্লগে গিয়ে এই হচ্ছে কাজ। [৮] বরং আপনার ‘ধর্ম বিশ্বাস’ আপনাকে এই কাজে নামিয়েছে। এসবে বিজ্ঞানের কিছু কিছু নেই। পড়াশুনা করলে অন্তত মানুষ হতেন –কিন্তু তাও নেই। তাই পরধর্ম অসহিষ্ণু রয়েছে গিয়েছেন।

        [৯] বিজ্ঞান কি এই বিশ্বলোক, এই বিশ্বলোকের যাবতীয় প্রকৃতি ও রহস্য সম্পূর্ণভাবে (completely) জেনে গিয়েছে; এখন কি যাবতীয় বিষয়ে বলা যেতে পারে যে বিজ্ঞানের জ্ঞান in a state of finality?  [১০] মুসলমানরা ফেরেশতাতে বিশ্বাস করে, রূহের জগতে বিশ্বাস করে, যা পদার্থের সাথে জড়িত বিষয় নয়,  যে পদার্থের অনুসন্ধান করলে সেই সত্য উদ্ঘাটিত হবে। ইসলামের নবী (সা) যদি সেই জগতের ‘বোরাক’ নামক এক সত্তার (entity)  মাধ্যমে অন্য জগতে গিয়ে থাকেন, তবে তা কোন বিজ্ঞান দিয়ে আপনি উড়িয়ে দেবেন?  এখানে প্রচলিত অর্থের বিজ্ঞানের কি আছে? আপনি বিজ্ঞানমূর্খ একটা ছানু এখানেই সেই পরিচয়। (১১) মূলত আপনি ‘বিজ্ঞানের নামে’ আপনার নিজ ‘বিশ্বাস’ আর মূর্খনৈতিকতার নিয়ে  ‘বেহায়ার’ মত সব আলোচনায় ঢুকে পড়েন। আপনি যার লেখাই দেখছেন তার পিছনে ‘আপনার মহাজ্ঞান’ নিয়ে হচ্ছেন! এই যে বিরক্তিকর কাজ যদি গ্রামে গঞ্জে কোথাও করতেন তাহলে এক সময় আপনাকে নাকে মুখে জুতাপিটাসহ তাড়িয়ে দিয়ে তারা বাঁচত। তারপর আপনি আপনার মত নাস্তিক অথবা হিন্দুদের মহলে গিয়ে সন্ত্রাসের কাঁন্নকাটি করতেন। তারপর আপনার ইউরোপিয়ান বাবাদের সাইটে গিয়ে ‘গল্প’ রচনা করতেন আর নিজের বিরক্তিকর অসভ্য মূর্খামি আচরণ চাপিয়ে গিয়ে তাদের আবেগ ও করুণার আহবান করতেন।

        [১২] এই কয় সপ্তাহ ধরে momtaz begum নাম ধারণ করে এখানে একই কথা ‘একই সুরে’ বার বার একই ধারায় বলে যে যাচ্ছেন  –এতে আপনার কি ধারণা? [১৩] কেউ আপনার মন্তব্য [*] appreciate করছে? [১৪] আপনার কি ধারণা যে আপনার লিস্টের আইটেমগুলো কেউ আর কোনদিন দেখে নি বা পড়ে নি?

        এবারে অন্য কিছু প্রশ্ন। জবাব দেবেন। [১৫] মুসলমানদের ধর্ম যদি অশুদ্ধ হয়, এটা  যদি অশান্তির ধর্ম ও সমাজ হয়, তবে তা বাদ দিয়ে কোন শুদ্ধ ও আদর্শ তারা গ্রহণ করবে? কোনটি শান্তির পথ? [৬] আপনি কোন বিশ্বাস এবং আদর্শের কথা প্রচার করতে চান? আসেন সেটা আলোচনা করি।

        আমার মনে হয় আপনি সেই আলোচনায় যাবেন না। কারণ এতে আপনার পবিত্র লেঞ্জাআরও উদ্ভাসিত হয়ে পড়বে। আর সেই জ্ঞানও আপনার নেই। পরধর্ম অসহিষ্ণুরা জ্ঞানী হয় না, নিজ সংকীর্ণতার মধ্যে আবদ্ধ থাকে।

        ___________

        Note: The Hawazin Chief, Malik ibn Auf, decided that the tribe should gather for war, accompanied by their flocks and their families. The object of this action, which has been used by Arab nomads on great occasions down to the beginning of the present century, is to encourage the men to fight more fiercely. If their wives and families and all their worldly possessions risk capture by the enemy, the warriors are thought less likely to accept defeat (Glubb. J. [1998]. The Life and times of Muhammad. London:  Madison Books. P.221).  

        1. 5.1.2.1
          Momtaz Begum

          এসব 'হ জব র ল' মাথামুন্ডুহীন রাগাম্বর কথায় এ যুগে পতিত ইসলাম সচল হবে না, এটা বুঝেন তো? 
          পারলে জাপান, সিঙ্গাপুরের মত ভাল কিছু করে দেখান।

          ইসরাইল,  সুইডেন, জার্মানী, বৃটেন, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডা……… র কথা নাই বল্লাম @ জনাব আহমদ।

        2. এম_আহমদ

          এই বুঝি “বৈজ্ঞানিক” উত্তর হল? সাধারণ কথা বুঝার শক্তি নেই –মূর্খ, তারপরও বিজ্ঞানের আড়ালে গাই-পূজার ধর্ম।১৪/১৫ প্রশ্নের কোনটি বুঝতে পারেন নি? থাপ্পড় খেলে ‘হজবরল’ আর ভ্যাঁ ভ্যাঁ। কারণ, চরম মূর্খতা নিয়ে বিজ্ঞানের নামে ধাপ্পাবাজি করতে গেলেই চোরের মত ধরা খাবেন আর চড় থাপ্পড় তো খাবেনই।

        3. শাহবাজ নজরুল

          আহমেদ ভাই, ভাবিজানের চড়  থাপ্পড় খাবার ফেটিশ আছে। আদর করেই থাপ্পড় গুলো দিয়েন। শেষে না আবার একেবারে ভেগে যায়। পরে আমরাও এমন মজার সার্কাস দেখা থেকে তাহলে বঞ্চিত হব।

      3. 5.1.3
        আহমেদ শরীফ

        পারলে জাপান, সিঙ্গাপুরের মত ভাল কিছু করে দেখান। ইসরাইল,  সুইডেন, জার্মানী, বৃটেন, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডা……… র কথা নাই বল্লাম

         

         

         

        না বলাই ভাল।

        তবে প্রয়োজন অনুপাতে যথেষ্ট সংখ্যক টয়লেট আবিষ্কার করার আগেই যদি কোন জাতি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হয়ে যায় _ তবে তাদের চিন্তা-ভাবধারায় যে অস্বাভাবিকতা-হিস্টিরিয়াগ্রস্ততা আসে তার ছাপ এই পোস্টের কিছু কমেন্টে প্রত্যক্ষ করে সদালাপের পাঠকরা বিচিত্র বিনোদন পাবেন বলে আশা রাখি।

  9. 4
    নৈশ শিকারী

    ভালো লেগেছে ধন্যবাদ।

  10. 3
    সুলতান মাহমুদ

    "বিজ্ঞান বিগ ব্যাং থিওরী আবিষ্কারের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত কেউ কোরান বা অন্যান্য ধর্ম গ্রন্থে এই থিওরী খুঁজে পায় নি, অথচ এখন প্রায় সব ধর্ম ই তাদের ধর্ম গ্রন্থে বিগ ব্যাং এর থিওরী খুঁজে পায়। যদি কোন দিন এটাও ভুল প্রমানিত হয়, তবে ধর্ম তার কি ব্যাখ্যা করবে?"

    ভাই অন্য ধর্মের কথা বলতে পারবনা, অাল-কুরঅান এ ব্যাপারে স্বতন্ত্র৷ তবে কোন তথ্য অাবিষ্কারের পূর্বে কেউ-ই বলতে পারেনি কুরঅানে এই তথ্য টা ছিল৷ কারণ যারা কুরঅান পড়েছে তারা কেউ-ই বিজ্ঞানী ছিলেন না, এবং কোন তথ্য অাবিষ্কার করেন নি! তবে তথ্য গুলো অাবিষ্কারের পর যারা তথ্য গুলো জানতো, তারা কুরঅান পড়ে দেখল- "তথ্য গুলোত পূর্বে থেকেই কুরঅানে ছিল"৷ 

    1. 3.1
      সুলতান মাহমুদ

      "বিগ ব্যাং তথ্য যদি ভুল প্রমানিত হয়, তবে ধর্ম তার ব্যাপারে কি ব্যাখ্যা দিবে"! ভাই ধর্ম বা কুরঅান বিজ্ঞানের তথ্য ব্যাখ্যা করার জন্য অাসেনি; এসেছে স্রষ্টার সাথে মানুষের (বিজ্ঞান ও কুরঅান হয়ত কিছু সংখ্যক মানুষের ক্ষেত্রে সেতু বন্দন তৈরীর কাজ করে) সেতু বন্দন তৈরী করার জন্য৷ বিগ ব্যাং তথ্য যদি ভুল প্রমানিত হয়; তবে এর দায় কুরঅানের নয়, দায় ব্যাখ্যাকারীর৷ কারণ কুরঅান তো অার তথ্যের সাথে পরিবর্তন হয়নি৷ অার এই দিক থেকে সকল ধর্ম গ্রন্থের কথা অাপনি বোধ হয় জানেন৷

      1. 3.1.1
        Momtaz Begum

        "ভাই ধর্ম বা কুরঅান বিজ্ঞানের তথ্য ব্যাখ্যা করার জন্য অাসেনি; এসেছে স্রষ্টার সাথে মানুষের (বিজ্ঞান ও কুরঅান হয়ত কিছু সংখ্যক মানুষের ক্ষেত্রে সেতু বন্দন তৈরীর কাজ করে) সেতু বন্দন তৈরী করার জন্য৷ বিগ ব্যাং তথ্য যদি ভুল প্রমানিত হয়; তবে এর দায় কুরঅানের নয়, দায় ব্যাখ্যাকারীর৷ কারণ কুরঅান তো অার তথ্যের সাথে পরিবর্তন হয়নি৷"

        ঠিক তাই। ধন্যবাদ।  

        আসলে ধর্মের সিন্দাবাদ দৈত্যের কল্পকাহিনীর সাথে বিজ্ঞানের কোন যোগসূত্র নেই। বিজ্ঞান মুলত  পরীক্ষা, নিরীক্ষা, পর্যবেক্ষন, যচাই/বাছাই…….. করে সিদ্ধান্তে উপনিত হওয়ার একটি চলমান প্রক্রিয়া।  বিজ্ঞানের একটি ভুল তথ্যকে বিজ্ঞানের আরেকটি সঠিক তত্ব দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়।  এভাবেই বিজ্ঞান চিরন্তন সত্য উদ্বাবন করে।  বিষয়টি এমন না যে "নবীজী চারপায়া প্রানির পিঠে চড়ে মহাশুন্য ভ্রমন করেছে" এমন একটি বিষয়কে সত্য ভেবে তাতেই চোখ বুজে মাথা গুজে থাকা।  এখানেই ধর্মের সাথে বিজ্ঞানের ফারাক। খুব খেয়াল করে কিন্তু @ জনাব  সুলতান মাহমুদ।

        1. 3.1.1.1
          Shahriar

          Let’s see who is right? And this discussion never end until death.

          For me and those how believer “Allah will perfectly address who was right”

        2. 3.1.1.2
          সুলতান মাহমুদ

          ভাই, বিজ্ঞানের কতটুকু জানেন? অামার তা জানা নেই! 

           //বিজ্ঞান মুলত  পরীক্ষা, নিরীক্ষা, পর্যবেক্ষন, যচাই/বাছাই…….. করে সিদ্ধান্তে উপনিত হওয়ার একটি চলমান প্রক্রিয়া।বিজ্ঞানের একটি ভুল তথ্যকে বিজ্ঞানের আরেকটি সঠিক তত্ব দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হয়।  এভাবেই বিজ্ঞান চিরন্তন সত্য উদ্বাবন করে।// অানক ভাল৷

          ১ম প্রশ্নটা এ জন্য যে, অামার কিছু প্রশ্নের উত্তর অাপনি বিজ্ঞানের ভিত্তিতে দিতে পারবেন৷

          //আসলে ধর্মের সিন্দাবাদ দৈত্যের কল্পকাহিনীর সাথে বিজ্ঞানের কোন যোগসূত্র নেই।//দৈত্যের কল্পকাহিনীর থেকেও বিজ্ঞান অারো অনেক বেশি অাজব তথ্য পেশ করে @ Momtaz Begum, অাপনার কি সেটা জানা অাছে?

        3. Momtaz Begum

          দৈত্যের কল্পকাহিনীর থেকেও বিজ্ঞান অারো অনেক বেশি অাজব তথ্য পেশ করে @ Momtaz Begum, অাপনার কি সেরটা জানা অাছে? 

          হাঁ, বিজ্ঞানের নতুন নতুন আবিস্কার মানুষকে আজব করে দেয় বটেই। রেডিও আবিস্কারের পর অনেকেই ভাবতেন রেডিও নামক বাক্সের ভিতর কেউ লুকিয়ে আছে অবশ্যই। বর্তমান সময়ে টেলিভিশন, কম্পিউটার, সেলফোন, গুগোল, ফেসবুক……………. ইত্যাদির গোলক ধাঁধাঁ তারছেয়েও বেশি আজব নয়কি?  অথচ  সবই পরীক্ষা, নিরীক্ষা এবং পর্যবেক্ষনের কষ্টি পাথরে যাচাই করা নিঃর্ভুল সত্য।   

          কিন্তু ধর্মের বিষয়টি ভিন্ন। নবী বলেছেন- নবী 'চারপায়া প্রনির পিঠে' মহাশুন্য ভ্রমন করেছেন!!??  সেটিই সত্য মেনে নিতে হবে। যাচাই, বাছায়ের সুযোগ নেই। শুধু তাই না, এ বিষয়ে কেউ  প্রশ্ন করেলে মুসলিমরা ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত পায়।   আশা করি বুঝাতে পেরেছি।   ধন্যবাদ @ জনাব মাহমুদ।

  11. 2
    Milon

    প্রশ্নের ক্ষেত্রে উত্তরের প্রতিবাদ এবং যুক্তির প্রেক্ষিতে যুক্তির প্রতিবাদ যেখানে চা পাতির আঘাত হয়, সেখানে নীরব থাকাটাই বেশি শ্রেয়। তবুও একটা প্রশ্ন করেই গেলাম, আপনার স্রস্টা কি এতোটাই শক্তিশালী যে, নিজেকে নিজে অস্তিত্বশীল করতে পারে? বিজ্ঞানের অগ্রগমন প্রমানে হয়, কিছু বিষয় হয় যুক্তিতে। যুক্তি অনেক সময় ভুল প্রমান হতেই পারে, কিন্তু প্রমানিত সত্য কখনো ভুল হয় না। আপনিও জাকির নায়েকের ভূমিকায় বিজ্ঞান দিয়ে ধর্ম এবং ধর্ম দিয়ে বিজ্ঞানের সত্যতা প্রমান করার চেষ্টা করেছেন। দু নৌকায় পা না দিয়ে যে কোন এক নৌকায় চলেন।

     

    বিজ্ঞান বিগ ব্যাং থিওরী আবিষ্কারের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত কেউ কোরান বা অন্যান্য ধর্ম গ্রন্থে এই থিওরী খুঁজে পায় নি, অথচ এখন প্রায় সব ধর্ম ই তাদের ধর্ম গ্রন্থে বিগ ব্যাং এর থিওরী খুঁজে পায়। যদি কোন দিন এটাও ভুল প্রমানিত হয়, তবে ধর্ম তার কি ব্যাখ্যা করবে?

     

    আপনার লেখাটা যুক্তিযুক্ত, তাই ভালো লাগলো। অনেক ধন্যবাদ।

    1. 2.1
      সুলতান মাহমুদ

      "প্রশ্নের ক্ষেত্রে উত্তরের প্রতিবাদ এবং যুক্তির প্রেক্ষিতে যুক্তির প্রতিবাদ যেখানে চা পাতির আঘাত হয়, সেখানে নীরব থাকাটাই বেশি শ্রেয়। তবুও একটা প্রশ্ন করেই গেলাম, আপনার স্রস্টা কি এতোটাই শক্তিশালী যে, নিজেকে নিজে অস্তিত্বশীল করতে পারে?" ভাই অাপনার প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে বলতে হয়- স্রষ্টার সৃষ্টি নেই! যদি যুক্তি চান, নিচের লিংকটি দেখে নিতে পারেন-

      http://www.shodalap.org/sultan-mahmud/23192/

       

  12. 1
    Shahriar

    Jajak-allah… Nice post

Leave a Reply

Your email address will not be published.