«

»

Sep ১৬

সদালাপে চলমান “কোরান অনলী” বিষয়ক কঠিন আলোচনায় অধমের দুই পয়সা!

কঠিন কঠিন কথা শুনলে ভয় লাগে – কারন নিজের জ্ঞানের দৈন্যতা নিয়ে যেমনভাবে বিব্রত হই – তেমনি ভয় পাই রব্বুল আল আমিনের দেওয়া পথটি কি সঠিকভাবে অনুসরনের কোন ত্রুটি হচ্ছে কিনা সেই আশংকায়। তাইতো অধমের সবচেয়ে পছন্দ হলো সুরা ফাতিহা। কারন একাধারে এই সাতটি আয়াত যেমন একজন বিশ্বাসী আনুগত্যের শপথ ঘোষনার সুযোগ দেয় – অন্যদিকে চমৎকার ভাবে নিজেকে পরম করুনাময় অসীম দাতা আল্লাহ কাছে নিজের ক্ষুদ্রতা স্বীকার করে নিয়ে সঠিক পথ পাওয়ার জন্যে (সিরাতুল মুস্তাকীম) এর জন্যে কাছে প্রার্থনা করার একটা চমৎকার বাক্যাবলী সন্নিবেশিত আছে এই সুরায়।

সুরা ফাতিহা শেষ করে যখন কোরানের ভিতরে প্রবেশ করি – দেখি কোরান মুলত সুরা ফাতিহারই বিস্তৃতি। কোরানে সবচেয়ে লক্ষ্যনীয় বিষয় হলো আল্লাহর নির্বাচিত বান্দা মোহাম্মদ (সঃ) কে উদ্দেশ্যে করে প্রশ্নোত্তর গুলো – যা প্রকৃতপক্ষে আমাদের জীবনের চলার গাইড হিসাবেই কাজ করে। সেই বিবেচনায় যখন আয়াতগুলো পড়ি তখন মনের মধ্যে প্রশ্ন এসে যায় – কে এই মোহাম্মদ (সঃ) – কি তার মর্যাদা – কেন তাকে আমাদের মাঝে উজ্জল করে তুলে রাখা হয়েছে!

কে এই মুহাম্মদ(সঃ) – উনি কি শুধুই বানীবাহক – নাকি উচ্চমর্যাদার জন্যে রব্বুল আলামিনের কাছ থেকে বিশেষ ভাবে মনোনীত কোন মানব সন্তান?

কোরানের অনেকবার মোহাম্মদ (সঃ) এর মর্যাদা সম্পর্কে বলা হয়েছে – যার মধ্যে সুরা কাওসার অন্যতম –

 

নিশ্চয় আমি আপনাকে কাওসার দান করেছি।

অতএব আপনার পালনকর্তার উদ্দেশ্যে নামায পড়ুন এবং কোরবানী করুন।

যে আপনার শত্রু, সেই তো লেজকাটা, নির্বংশ।

(সুরা আল কাওসার) 

 

মাত্র তিনটি লাইনে মাধ্যমে আল্লাহ যে মর্যাদার কথা বলে গেছেন তা আজ চোখকান খুললেই আমরা দেখতে পাবো। আল্লাহ একত্বের বানী প্রচারের সময়কালে যারা  ধন-জন-প্রাচুর্য্যের কারনে অহংকার করতো – রসুল(সঃ)কে তুচ্ছতাচ্ছল্য করতো – রসুল (সঃ) কে নির্বংশ বলে কটাক্ষ করতো – তাদের নাম ধাম মুছে গেলেও বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের মাঝে উজ্জ্বল হয়ে আছেন রসুল (সঃ)। 

 

সুতরাং দেখা যাচ্ছে মুহাম্মদ (সঃ) শুধুমাত্র একজন বানী বাহকই নন – বিশেষ ভাবে মর্যাদায় অধিষ্ঠিত একজন মানুষ – যার আরো কিছু নমুনা পাই এখানে –

 

(21:107) আমি আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্যে রহমত স্বরূপই প্রেরণ করেছি।  (সুরা আম্বিয়া আয়াত ২১)

 

আর আমাদের মতো অধমদের কাছে রহমত হিসাবে প্রেরিত এই রসুল (সঃ) কে অনুসরন করার কথা বারবার বলা হয়েছে কোরানে – বলাই বাহুল্য সহজ সরল পথ পাওয়ার নির্দেশনাও এই আয়াতগুলো –

 

 ৩:৩১, ৩:৩২, ৩:১৩২, ৪:১৩, ৪:৫৯, ৪:৬৪, ৪:৬৯, ৪:৮০, ৫:৯২, ৮:১, ৮:২০, ৪:৪৬, ৯:৭১, ২৪:৫২, ২৪:৫৪, ২৪:৫৬, ৩৩:২১, ৩৩:৩৩, ৩৩:৭১, ৩৩:৭১, ৪৭:৩৩, ৪৮:১৭, ৫৯:৭, ৫৯:৭, ৬৪:১২। 

 

এই আয়াতগুলোতে পরিষ্কারভাবে আল্লাহ এবং রসুলের আনুগত্যের তাগিদ দেওয়া হয়েছে। অনেকেই হয়তো এর মধ্যে শব্দের হেরফের করে নানান অর্থ করবেন – সেইটাই স্বাভাবিক। বিভ্রান্তির জন্যে শয়তান সর্বদাই সক্রিয় আছে। একটা বিষয় লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে – যারা বিভ্রান্তিতে জড়িয়ে যায় – তারা দ্রুত নিজেদের মধ্যেও বিতর্কে জড়িত হয়ে যায় এবং আরো বিভক্ত হয়ে আরো বিতর্ক করতে থাকে। সেই বিষয়টা প্রবলভাবে দৃশ্যমান হয় যারা রসুল(সঃ) কে অনুসরন করা থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করে তাদের মধ্যে – সংখ্যায় খুবই কম এই মতাদর্শিরা নিজেদের মধ্যে প্রবলভাবে বিতর্ক করে – ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন স্তম্ভ সালাতের সংখ্যা এবং পদ্ধতি নিয়েও বিতর্কে জড়িত এরা। কারনটা খুবই সহজ – যখন আল্লাহ নির্বাচিত এবং মনোনীত আদর্শকে বাদ দিয়ে নিজেরাই আদর্শে পরিনত হতে চায় – তখন অতি সন্যাসে গাঁজন নষ্ট হওয়া ছাড়া কি আর কোন উপায় থাকে!

 

এতোগুলো আয়াতের তাগিদের পরও এরপরও বলবেন কেন আমরা মুহাম্মদ (সঃ) কে অনুসরন করবো – এর উত্তর হলো আল্লাহ সুষ্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করেছেন সুরা আযহাবের ২১ নং আয়াতে – 

 

"অবশ্যই, আল্লাহর বানীবাহকদের মাঝে আছে উজ্জ্বল নমুনা সমূহ"। 

 

শুধু এই কারনেই ইসলামের প্রাথমিক যুগে সাহাবীদের মুখের কথায় রসুলে আদর্শ অনুসরন করেই মুসলমানরা তাদের জীবনযাপন করতেন – সাহাবীদের পর তাবেঈন এবং পরে তাবে-তাবেঈনরা রসুল (সঃ) এর আদর্শকে 

ধারন এবং শিক্ষা দিতেন। সেইটাই সেই সময়ের জন্যে খুবই স্বাভাবিক ছিলো। আমরা যদি প্রাচীন কালের শিক্ষাব্যবস্থা দেখি দেখবো – শিক্ষকদের কাছে ছাত্ররা গিয়ে সার্বক্ষনিক ভাবে অবস্থান করতো – আর মৌখিক ভাবে শিক্ষা গ্রহন করতো পরবর্তীতে ইসলামের বিস্তৃতি যখন ইউরোপের সীমায় গিয়ে শ্পর্শ করলো – তখন ইসলামের শিক্ষাকে সেই পর্যন্ত পৌছানোর লক্ষ্যে পন্ডিতদের মাঝে লিখিত পুস্তকের চিন্তা আসলো – যার ফলাফল হিসাবে আমরা হাদিসগ্রন্থগুলো পেয়েছি। এই ক্ষেত্রে ইমাম মালিক ইবনে আনাস (রঃ) (হিজরী ৯৩ – হিজরী ১৭৯) মুয়াত্তা নামক গ্রন্থটি সর্বপ্রথম এবং সুবিন্যাস্থ। মুয়াত্তা মুলত মুসলমানদের জন্যে করনীয় গুলোকে ( ফতোয়া হিসাবে) চমৎকার ভাবে সাজানো আছে। এখানে বলে রাখা ভাল যে ঈমাম মালিক ইবনে আনাসের জীবনী এবং কর্মকে আজকের শিক্ষকগন যদি আদর্শ হিসাবে গ্রহন করে তাতে উনি যে একজন সন্মানিত শিক্ষকের মর্যাদা পাবেন তা নিশ্চিত করে বলা যায়। 

 

পরবর্তীতে ইমাম মালিকের ছাত্র ইমাম শাফেঈয়ী (রঃ), তাদের সমসাময়িক ইমাম বুখারীসহ অনেকের থেকেই আমরা পরিশ্রমলদ্ধ সংগ্রিহীত হাদিস গ্রন্থগুলো পাই – তার মধ্যে ইমাম বুখারী (রঃ) এর সংগ্রিহীত গ্রন্থের নির্ভযোগ্যতা সবচেয়ে বেশী কারন হাদিস সংগ্রহের ক্ষেত্রে উনার পদ্ধতি এবং সতর্কতা ছিলো সবচেয়ে উঁচুমানের। তার মানে এই না যে ছহি-সেত্তার বাইরের হাদিসগুলো বাতিল হয়ে যাবে। 

 

সুতরাং একজন মুসলমান যখন সিরাতুল মুস্তাকিম খুঁজবে – তাকে কোরানের অনুসরন করেই খুঁজতে হবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তার কোরানের সুষ্পষ্ট নির্দেশের আলোকেই রসুল মোহাম্মদ (সঃ) কে অনুসরন করা জন্যে হাদিসকেই অবলম্বন করতে হবে। হাদিস বাদ দিয়ে শুধু কোরান অনুসরন করার চেষ্টা অনেকটা দিকদর্শন যন্ত্র ছাড়া জাহাজ চালানোর মতোই হবে – দিক নির্দেশনাহীন ভাবে সঠিক গন্তব্যে যেতেও পারে অথবা নাও যেতে পারে সেই জাহাজ। আর মনে রাখা দরকার সিরাতুল মুস্তাকীম তো একটাই – আতিয়াল্লাহ ওয়া আতিয়ার রসুল – আল্লাহ আর রসুলের অনুগত হওয়া। 

 

আল্লাহ আমাদের সঠিক এবং সরল পথে পরিচালিত করুন।

৯ comments

Skip to comment form

  1. 6
    নাজিবুল্লাহ

    আমি মন্তব্য করতে পারছিনা কেন ? এডমিন ভাই দয়া করে নজিবুল্লাহ নাম দিয়ে আমাকে একটি একাউন্ট খুলে দিন, আমি অনেক চেষ্টা করেও একাউন্ট খুলতে ব্যার্থ হয়েছি।

  2. 5
    আব্দুর রহমান আবিদ

    টু সদালাপ এডমিন:

    প্রতিদিন কয় কেজি গু খেলে আপনার মত এমন উল্টাপাল্টা বোঝা সম্ভব,সেটাই ভাবছি।

    আমান ভাই, সদালাপে এ ধরনের অশালীন মন্তব্য খুবই দুঃখজনক। এ ধরনের মন্তব্য পরবর্তীতে সেন্সর করার জন্যে এডমিনের প্রতি সবিশেষ অনুরোধ রইলো। ধন্যবাদ।

    1. 5.1
      মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত

      "আমান ভাই"টা কে ভাই?
       
      সদালাপ দিন দিন রোবটিক হয়ে যাচ্ছে,শুধু বিশাল বিশাল তত্ত্বকথার ভিড়।মাঝে মাঝে একটু ফান না করলে রিডার বাড়বে না।এই বিষয়গুলো অ্যাডমিন মাথায় রাখবেন বলে আশা রাখি।

      1. 5.1.1
        মুনিম সিদ্দিকী

        আমান ভাই এই সদালাপের এডমিন । উনার একান্তিক প্রচেষ্ঠায় এখনও সদালাপ সচল আছে। ধন্যবাদ।

  3. 4
    মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত

    এদেরকে আসলে "কোরান অনলি" না বলে কাদিয়ানি বলা উচিৎ।কারণ রাসুলের(সাঃ) আদর্শ প্রত্যাখ্যানের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে রাসুলকেই(সাঃ) অস্বীকার করা হয়,যেটা করেছে কাদিয়ানি জাহেলরা।

  4. 3
    মুনিম সিদ্দিকী

    ভালই উল্লেখ করেছেন। যথার্থ উল্লেখ করেছেন। আল্লাহ হেদায়েত দেবার মালিক। ধন্যবাদ।

  5. 2
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    কিছু বলার নাই বলে তো বিরাট একটা কমেন্ট দিলেন 🙂
     
     
    وَأَنْ اعْبُدُونِي هَذَا صِرَاطٌ مُّسْتَقِيمٌ
    36:61
    এবং আমার এবাদত কর। এটাই সরল পথ। 
    এইখানেইতো রসুল(সঃ) কে অনুসরন করার কথা বলছি -- এবাদত করে সরল পথ পেতেই রসুলের অনুসরন করার চেয়ে সহজ পথ কি আর আছে? 
     
    যেখানে  আল্লাহ বলছেন -- 
    "অবশ্যই, আল্লাহর বানীবাহকদের মাঝে আছে উজ্জ্বল নমুনা সমূহ"। 
    এই উজ্জ্বল নমুনা বাদ দিয়ে কোন পথে সিরাতুল মুস্তাকিম পাওয়া যাবে আমার ধারনা নাই।
    যাই হোক -- আপনি আপনার নামাজ বিষয়ক সিরিজটা শেষ করেন -- তারপর আপনার সাথে কথা হবে। 
     

  6. 1
    ফারুক

    সালাম।
    আপনি যেমন বুঝেছেন , তেমন লিখেছেন। এনিয়ে আমার বলার কিছু নেই। শুধু নিচের কোট করা অংশ নিয়ে কিছু বলব।

    আর মনে রাখা দরকার সিরাতুল মুস্তাকীম তো একটাই – আতিয়াল্লাহ ওয়া আতিয়ার রসুল – আল্লাহ আর রসুলের অনুগত হওয়া।

    "আতিয়াল্লাহ ওয়া আতিয়ার রসুল – আল্লাহ আর রসুলের অনুগত হওয়া" এটা আল্লাহর আদেশ , এনিয়ে কোন দ্বীমত নেই , তবে এটা সিরাতুল মুস্তাকীম নয়। কারন কোরানে বহু আয়াত আছে যেখানে পরিস্কারভাবে বলা আছে কোনটা সিরাতুল মুস্তাকীম। কিভাবে আল্লাহ ও রসূলের অনুগত হব , সেটা যার যার বিবেচনা বা কোরান পড়ে যে যেমনটা বুঝবে , তেমনভাবেই অনুগত হবে বলেই আমি বিশ্বাস করি। সে কারনে আপনি কিভাবে আল্লাহ ও রসূলের অনুগত হবেন , সেটা আপনার ব্যাপার। এনিয়ে আমার বলার কিছু নেই।
    কোরানে সিরাতুল মুস্তাকীম নিয়ে পরিস্কার আয়াত সমূহ-
     

     

    وَأَنْ اعْبُدُونِي هَذَا صِرَاطٌ مُّسْتَقِيمٌ

    36:61

    এবং আমার এবাদত কর। এটাই সরল পথ।
     

     

     

    إِنَّ اللَّهَ هُوَ رَبِّي وَرَبُّكُمْ فَاعْبُدُوهُ هَذَا صِرَاطٌ مُّسْتَقِيمٌ

    43:64

    নিশ্চয় আল্লাহই আমার পালনকর্তা ও তোমাদের পালনকর্তা। অতএব, তাঁর এবাদত কর। এটা হল সরল পথ।
     

     

     

    وَإِنَّ اللَّهَ رَبِّي وَرَبُّكُمْ فَاعْبُدُوهُ هَذَا صِرَاطٌ مُّسْتَقِيمٌ

    19:36

    তিনি আরও বললেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ আমার পালনকর্তা ও তোমাদের পালনকর্তা। অতএব, তোমরা তার এবাদত কর। এটা সরল পথ।
     

     
    আরো বিস্তারিতভাবে সরল পথ কোনটা , তা জানতে পড়ুন ৬:১৫১-১৫৩
     

    আপনি বলুনঃ এস, আমি তোমাদেরকে ঐসব বিষয় পাঠ করে শুনাই, যেগুলো তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের জন্যে হারাম করেছেন। তাএই যে, আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে অংশীদার করো না, পিতা-মাতার সাথে সদয় ব্যবহার করো স্বীয় সন্তানদেরকে দারিদ্রেøর কারণে হত্যা করো না, আমি তোমাদেরকে ও তাদেরকে আহার দেই, নির্লজ্জতার কাছেও যেয়ো না, প্রকাশ্য হোক কিংবা অপ্রকাশ্য, যাকে হত্যা করা আল্লাহ হারাম করেছেন, তাকে হত্যা করো না; কিন্তু ন্যায়ভাবে। তোমাদেরকে এ নির্দেশ দিয়েছেন, যেন তোমরা বুঝ।
     

    এতীমদের ধনসম্পদের কাছেও যেয়ো না; কিন্তু উত্তম পন্থায় যে পর্যন্ত সে বয়ঃপ্রাপ্ত না হয়। ওজন ও মাপ পূর্ণ কর ন্যায় সহকারে। আমি কাউকে তার সাধ্যের অতীত কষ্ট দেই না। যখন তোমরা কথা বল, তখন সুবিচার কর, যদিও সে আত্নীয়ও হয়। আল্লাহর অঙ্গীকার পূর্ণ কর।

     

    তোমাদেরকে এ নির্দেশ দিয়েছেন, যেন তোমরা উপদেশ গ্রহণ কর। নিশ্চিত এটি আমার সরল পথ। অতএব, এ পথে চল এবং অন্যান্য পথে চলো না। তা হলে সেসব পথ তোমাদেরকে তাঁর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিবে। তোমাদেরকে এ নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে তোমরা সংযত হও।
     

     
    আমার কাছে যেটা অতীব গুরুত্বপূর্ণ -- ৬:১৬১
     

    আপনি বলে দিনঃ আমার প্রতিপালক আমাকে সরল পথ প্রদর্শন করেছেন একাগ্রচিত্ত ইব্রাহীমের বিশুদ্ধ ধর্ম। সে অংশীবাদীদের অন্তর্ভূক্ত ছিল না।
     

     

    1. 1.1
      মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত

      প্রতিদিন কয় কেজি গু খেলে আপনার মত এমন উল্টাপাল্টা বোঝা সম্ভব,সেটাই ভাবছি।আরে দাদা আপনি যে "সরল পথ"-এর অনুসারী হবেন,সেটা কি সরাসরি আল্লাহ্‌র সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে(নাউযুবিল্লাহ) জানতে চান?কুর্‌আন যার উপর নাযিল হয়েছে,তাঁর উপরই আল্লাহ্‌ দায়িত্ব দিয়েছেন কুর্‌আনকে কীভাবে প্র্যাক্টিক্যালি অ্যাপ্লাই করতে হবে সেটা মানুষকে শিখিয়ে দেয়ার।আপনাদের কীভাবে সাহস হল সেই মুহাম্মাদ(সাঃ)-এর শেখানো পদ্ধতি বাদ দিয়ে নিজেদের ইচ্ছামত কুর্‌আনের ব্যাখ্যা দেয়ার?
       
      আপনার কাছে প্রশ্ন-আপনারা কি মুহাম্মাদ(সাঃ)-কে শেষ নবী মানেন?যদি মেনে থাকেন,তাহলে তাঁকে অনুসরণ না করার আজব হেকমতটা বুঝিয়ে বলবেন আশা করি।

      ( ভাষা ব্যবহারের ব্যাপরে সতর্ক থাকার জন্যে আপনাকে অনুরোধ করা যাচ্ছে -- এডমিন )

Comments have been disabled.