«

»

Oct ১৯

জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মওদুদীর মৃত্যদন্ড আর তার ছেলের কিছু বক্তব্য প্রসংগে জামায়াতের অবস্থান

জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা আবু আলা মওদুদী পাকিস্তান জন্মের মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত হয়েছিলেন। এই দন্ড মওকুফ হয়েছিলো মুলত যুক্তরাষ্ট্রের চাপে – তখনকার পাকিস্তানে আমেরিকান রাষ্ট্রদূতের ডি-ক্লাসিফাইড যোগাযোগ থেকে বিষয়টা সবাই জানেন। কারন তখন পাকিস্তানকে যুক্তিরাষ্ট্রের খুবই প্রয়োজন ছিলো কমিউনিজমের প্রসার বন্ধ করার জন্যে ধর্ম বিশেষ করে ইসলামকে ব্যবহার করার জন্যে সংঘঠিত শক্তি দরকার ছিলো। যাই কোন – অনেকেই হয়তো জানে না – কাদিয়ানীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন এবং সরকারকে কিছু দাবী মানানোর জন্যে মুল আন্দোলন শুরু করেছিলো সদ্য গজিয়ে উঠা একটা অরাজনৈতিক সংগঠন (তাহরিক ই খতমে নবুয়ত) – যারা প্রকৃতপক্ষে জামায়াতের একটা পরিকল্পনার অংশই ছিলো – সাথে ছিলো মুসলিমলিগের উগ্রপন্থীরা। (অনেকটা আজকের হেফাযতে ইসলামের মতোই যার পিছনে জামায়াতের পরিকল্পনা আর বিএনপির একটা অংশে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ মদদ রয়েছে)। যাই হোক – তাদের দাবী ছিলো – তৎকালীন পররাষ্ট্র মন্ত্রী মোহাম্মদ জাফউল্লহ খান – যিনি কাদিয়ানী ছিলেন – তাকে অপসার করা, সরকারী উচ্চপদ থেকে কাদিয়ানীদের অপসারন করা এবং কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষনা করা। সেই দাবী আদায়ের আন্দোলন শুরু হলে কাদিয়ানীদের উপর নেমে আসে নির্যাতন এবং ১৯৫৩ সালের ১ ফেব্রুয়ারী একজন কাদিয়ানীর করব দেওয়াকে কেন্দ্র করে দাংগা সূত্রপাত হয় এবং কাদিয়ানীদের হত্যা, তাদের বাড়ীঘরে আগুন জ্বালানো থেকে শুরু করে লুটপাটের মতো ভয়াবহ রূপ লাভ করলে ৪ মার্চ পাকিস্তানে প্রথম আঞ্চলিক মার্শাল ল জারি হয়। মুলত এই দাঙ্গার কারনেই পাকিস্তানের সেনাবাহিনী প্রথম দেশ শাসনের স্বাদ গ্রহনকরে – যার ফলাফল আমরা এবং পাকিস্তানের মানুষ আজও ভোগ করছে। জেনারেল আযম খানের নেতৃত্বে সেই সামরিক শাসনের মেয়াদ ছিলো সেই বছরের ১৪ই মে পর্যন্ত এবং সেই সময় একটা সামরিক আদালত মওদুদী এবং আবুস সাত্তার নিয়াজীকে দাঙ্গা লাগানোর অভিযোগে মৃত্যুদন্ডের দন্ডিত করে।

সবচেয়ে ভয়াবহ ফলাফল এসেছে সে দাঙ্গাকে কেন্দ্র করে তা হলো রাজনীতিক এবং সিভিল প্রশাসনের উপর সামরিক বাহিনীর প্রাধান্য বিস্তার শুরু হয় – তাদের মতে দূর্বল প্রশাসনিক পদক্ষেপই দাঙ্গার কারন। যা ফলে রাষ্ট্রের ক্ষমতায় ব্যপক পরিবর্তন হয় – নুরুল আমিনকে ক্ষমতা ত্যাগ করতে হয় এবং সামরিক বাহিনীর পছন্দের লোক মোহাম্মদ আলিকে প্রেসিডেন্ট করে শুরু হয় রাষ্ট্র পরিচালনার কাজ – যা ১৯৭১ সালে পাকিস্তান ভাংগার কারনও এবং গনহত্যার মতো একটা ভয়াবহ বিষয়কে অনিবার্য করে তুলেছিলো। 

সুতরাং দেখা যাচ্ছে জামায়াতের জন্ম লগ্ন থেকেই দাঙ্গা ফ্যাসাদ আর বিপর্যয় তৈরী করে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করার ইতিহাস আছে- যারই ধারাবাহিতায় ১৯৭১ সালে এরা আলবদর রাজাকার গঠন করে গনহত্যায় যোগ দিয়েছে – এমনকি এখনও শিবির নামক একটা সন্ত্রাসী দল তৈরী করে এরা আজও মানুষকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মেরে ত্রাস সৃষ্টি মতো ঘৃন্য কাজ করছে – পুলিশের মাথা থেতলে দিয়ে রাষ্ট্রের আইনশৃংখলা রক্ষা ব্যবস্থাকে পংগু করে দিতে চাইছে – সম্পদ ধংস করার নতুন নতুন পদ্ধতি আবিষ্কার করে একটা দেশে বিপর্যয় সৃষ্টির চেষ্টা করছে – কারন তাদের একদল নেতা যারা মানবতাবিরোধী অপরাধে বিচারাধীন তাদের রক্ষা করতে হবে। 

সেই মানবতাবিরোধী সংগঠনকে যেমন আইনী পদ্ধতিতে নিষিদ্ধ করা জরুরী – তেমনি জরুরী সামাজিক ভাবে বর্জন করা। সেই বিবেচনায় আমার বিশ্বাস সদালাপের মতো একটা সুস্থ ওয়েবপোর্টালে জামাতের বা জামাতের প্রতিষ্ঠাতার প্রচারনা না করতে দেওয়াই উচিত। 

 

সুত্র ১ 

(২) 

 

জামায়তের প্রতিষ্টাতা মওদুদীকে একজন বিরাট দার্শনিক বা অতিমানব বানানোর একটা প্রচেষ্টা দেখি জামাতের কর্মীদের মাঝে। সংগত কারনেই তারা তা করে। শতধাবিভক্ত ইসলামী আন্দোলনের ভুমি পাক ভারত উপমহাদেশে সব দলই তাদের নেতাদের পিছনেই দাড়িয়ে আছে – যদিও মুসলমানদের নেতা একজনই হওয়া কথা – যিনি হলো মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল্লাহ (সঃ) – মওদুদী কত বড় একজন ইসলামী চিন্তাবিদ বা দার্শনিক তা নিয়ে যাদের কৌতুহল আছে তাদের জন্যে কিছু চমকপ্রদ তথ্য দিয়েছেন মওদুদীর ছেলে সৈয়ধ হায়দার আলী মওদুদী। যিনি কয়েক মাস আগে বাংলাদেশ সফরে এসে মিডিয়ার মুখোমুখি হয়ে কিছু কথা বলেছেন – পাঠকদের জন্যে তার কিছু অংশ তুলি দিচ্ছি – আশা করি তার এই কথা থেকে বর্তমান জামায়াতের নেতাদের বিষয়ে কিছু ধারনা পেতে পারেন। বিশেষ করে ইসলামী শাসন কায়েমের নামে আন্দোলনে যারা ধর্মপ্রান যুবকদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত করে কিন্তু নিজের ছেলেমেয়েদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে – এমন কি  পশ্চিমা দেশে নিরাপদ জীবনে পাঠিয়ে দেয়। আসুন দেখি হায়দার আলী মওদুদীর কিছু কথা – 

 

১) মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা,নির্যাতনের জন্য জামায়াতে ইসলামের ক্ষমা চাওয়া উচিত বলে মনে করেন দলটির প্রতিষ্ঠাতা আবুল আলা মওদুদীর ছেলে সৈয়দ হায়দার ফারুক মওদুদী। তিনি বলেন, গণহত্যার এই অভিযোগ কোনভাবেই অস্বীকার করতে পারবে না জামায়াত। বলেছেন, নেতারা তাদের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা না চাওয়ার কারণে দলের তরুণ কর্মীরা বিপাকে পড়েছে। তারা কোনদিকে যাবে তা তারা বুঝতে পারছে না।

২) হায়দার মওদুদী বলেন, মুক্তিযুদ্ধ চলাচালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় শাখার প্রধান জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী একবার পাকিস্তানে তাদের বাসায় গিয়েছিলেন। এ সময় তিনি বাঙালিদের দমনে আলবদর বাহিনী গঠন এবং তাদের প্রশিক্ষণের কথা স্বীকার করেন।

৩) মওদুদীর ছেলে বলেন, আলবদর বাহিনীর সাথে জামায়াতের সম্পর্ক অস্বীকার করার সুযোগ নেই। কারণ এই বাহিনীর আঞ্চলিক প্রধান ছিলেন মতিউর রহমান নিজামী। মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় তিনি একবারে ১৫ জন বাঙালিকে হত্যা করার কথা জানিয়েছিলেন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে।  তার ওপরে ছিলেন জামায়াতের একজন নায়েবে আমির। এরপরও জামায়াতের এই কথা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

৪) মওদুদীর ছেলে বলেন, ‘অপরাধ স্বীকার করে জামায়াতের ক্ষমা চাওয়া উচিৎ। তারা বলতে পারে, আমাদের নেতারা যা করেছে তা ভুল করেছে। আমরা এর জন্য ক্ষমা চাই। নইলে দলের তরুণরা কোনদিকে যাবে? তারা না পারছে এইদিকে থাকতে না পারছে ওদিকে যেতে’।

৫) মওদুদীর ছেলে হয়েও জামায়াতে যোগ দেননি হায়দার মওদুদী। কেবল তিনি না, তার নয় ভাইয়ের কাউকে জামায়াতের রাজনীতিতে জড়াতে দেননি মওদুদী। তিনি জানান, কেবল রাজনীতি না, জামায়াতের কোনো বইপত্র পড়তে দেননি তাঁর বাবা।

৬) সৈয়দ হায়দার মওদুদী জানান, জামায়াত প্রতিষ্ঠার আগে ভারতে প্রখ্যাত মুসলিম নেতা আবুল কালাম আযাদের সঙ্গে তার বাবার কথা হয়েছিল। জামায়াতের গঠনতন্ত্র এবং উদ্দেশ্য পড়ে আযাদ তাঁকে এমন কোনো দল গড়তে নিষেধ করেছিলেন। এ ধরনের দল হলে সব সাম্প্রদায়িক শক্তি এতে ভিড় করবে বলেও হুঁশিয়ার দিয়েছিলেন তিনি। হায়দার মওদুদী বলেন, আবুল কালাম আযাদের ভবিষ্যতবাণী সত্য হয়েছে।

৭) হায়দার মওদুদী বলেন, কেউ জামায়াতের বিরোধীতা করলেই তাকে অমুসলিক-কাফের বলে তারা। কিন্তু ইসলামের নামে এভাবে বিভক্তি করা কোনো মুসলমান করতে পারে না। তিনি বলেন, মুসলিম লীগ বলতো কেবল তারাই মুসলমান। জামায়াতও তাই করে। এটা কেমন কথা। এরা ইসলামের নামে এভাবে বিভক্তি করে ইসলামের ক্ষতি করছে। মহানবী (সা.) এর দল একটিই। কোনো ইসলামী দল একে ভাগ করতে পারে না।

৮) মওদুদীর ছেলে বলেন, ইসলামের নামেই জামায়াত সব অপকর্ম করেছে। তারা আল্লাহু আকবার বলেই মুসলমানদের হত্যা করেছে। এটা কেমন কথা? আল্লাহ্ তো বলেছেন হত্যা করা গুরুতর অপরাধ। এখন তো এই অপরাধের বিচার হচ্ছে। এর বিরোধীতা করাও উচিত না কারও।
    

এই হলো মওদুদীর সবচেয়ে ঘনিষ্ট মানুষের কথা আর তা নিয়ে জামায়াতের নেতাকর্মীদের বক্তব্য সহজেই অনুমেয়। তারা সব কিছুই অস্বীকার করবে এবং এর মধ্যে ষড়যন্ত্র খুঁজে বের করবে। কারন মানুষ তার নফসের তাগিদেই তার পথ খুঁজে বেড়ায় এবং যা তার নফস তাকে অনুসরন করতে বলে – একদল মানুষ তাকেই অনুসরন করে। এই ক্ষেত্রে মওদুদী বেঁচে থাকলে এবং তার মতবাদের ভুল সংশোধনের চেষ্টা করলেও কিছু লোক তার বিরোধীতা করতো – কারন তাদের নফস তাদের জন্যে ভুলকেই শোভনীয় করে দেখাবে। এতো ঘটনা পরও যখন জামায়াতের যুবকরা তাদের নেতাদের অন্যায়কেই সমর্থন করছে – তাদের বিচার নিয়ে কূটতর্ক করছে – কিন্তু কখনও বলছে না – বিচার অবশ্যই হতে হবে – এবং ৭১ এর অন্যায়ের জন্যে ক্ষমা চাইতে হবে – তখন বুঝতেই হবে – তাদের এই ভুলকেই তাদের নফস শোভনীয় করে রেখেছে এবং এর পিছনেই হয়তো এরা আমৃত্যু দৌড়িবে – যদি না আল্লাহ তাদের সঠিক পথ দেখায়। 

সূত্র ২ 

 

১৪ comments

Skip to comment form

  1. 7
    Anonymous

    নবাব আব্দুল লতিফের সব চেয়ে বড় কৃতি হলো ১৮৬৩ সালে কলকাতায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠা  করেন। এই সমিতি ছিল ভারতের মুসলীমদের সর্ব প্রথম সমিতি 

  2. 6
    মোঃ মাইদুল ইসলাম ফাহাদ

    আস সালামু আলাইকুম। ভাইয়েরা আমার একটা প্রশ্ন ছিল। আল্লামা মওদুদি জামাতে ইসলাম গঠনের জন্য কোরআন, হাদিস, ইজমা বা কিয়াস এর কোনটি গ্রহন করেছিলেন? এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য কোন লিঙ্ক দেওয়া যাবে বা বই এর নাম কি বলা যাবে?

  3. 5
    শমশের খালিদ

    পাকিস্তান স্বাধীন হবার পর ১৯৫৩ সাল নাগাদ পাকিস্তানের বিভিনন শহরে কাদিয়ানীদেরকে অমুসিলম ঘোষণার দাবীতে তীব্র আন্দোলন গড়ে উঠে। এ সময় মাওলানা সাইয়্যেদ আবুল আ’লা মওদুদী (র) জনগণ যেন আইনের সীমা লংঘন না করে এবং শিক্ষিত শ্রেণী যাতে কাদিয়ানীদের ব্যাপারে সঠিক ধারণা লাভ করতে পারে এবং কাদিয়ানী সমস্যার যাতে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ সমাধান হতে পারে সে উদ্দেশ্যে “কাদিয়ানী মাসআলা” নামে একটি পুস্তিকা প্রণয়ন করেন। পুস্তিকাটি সকল মহলের কাছে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়।

    এদিকে পাঞ্জাবে কাদিয়ানী সমস্যাসহ বিভিন্ন বিষয়ে সরকার ও জনগণের মধ্যকার দাংগা ভয়াবহরূপ ধারণ করে। এরূপ পরিস্থিতিতে সামরিক আইন কর্তৃপক্ষ ৫৩ সালের আটাশে মার্চ তারিখে মাওলানা মওদূদীসহ জামায়াতের অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে কোন অভিযোগ ছাড়াই গ্রেফতার করে। এটা ছিল মূলত সামরিক কর্তৃপক্ষের ইসলাম ও জামায়াতে ইসলামীর বিরোধিতার নগ্ন বহিপ্রকাশ।

    মাওলানাকে গ্রেফতারের পর তার বিরুদ্ধে “কাদিয়ানী মাআলা” পুস্তিকার মাধ্যমে জনগণের মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। এ অভিযোগেই ৮ই মে তারিখে সামরিক আদালত মাওলানাকে ফাসীর আদেশ প্রদান করে। মূলত এটা ছিল একটা ছূতা। ইসলামী আন্দোলনের সিপাহসালারকে যেনো তেনো উপায়ে হত্যা করাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য। কিন্তু বিশ্বব্যাপী মুসলিম উম্মাহর তীব্র বিরোধিতা ও ক্ষোভের মুখে তাঁরা তাঁর মৃত্যু দণ্ডাদেশ মওকুফ করে তারা মাওলানাকে যাবজ্জীবনের কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করে। কিন্তু বিশ মাস কারাবাসের পর মাওলানা বিনা শর্তে মুক্তি লাভ করেন।

    মজার ব্যাপার হলো, সামরিক কর্তৃপক্ষ যে “কাদিয়ানী মাসআলা” পুস্তিকা প্রণয়নের অজুহাতে মাওলানাকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রদান করে সে পুস্তিকাটির কিন্তু তারা বাজেয়াপ্ত করেনি। লাহোরের সামরিক আদালতে তার বিচার চলাকালেই লাহোর শহরেই পুস্তিকাটি বাম্পার সেল চলছিল। মূলত পুস্তিকাটির কোথাও কোন উস্কানীমূলক কথা ছিল না। বরং তাতে তিনি প্রত্যক্ষ্য সংগ্রামের বিরোধিতা করেছেন। উল্লেখ্য, সে সময় জামায়াত বাদে অন্য সব দল একত্রিত হয়ে কাদিয়ানীদের বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট এ্যাকশন কর্মসূচী ঘোষণা করেছিল। জামায়াতের কেন্দ্রিয় মজলিসে শুরার প্রস্তাবেও এরূপ কর্মসূচী ঘোষণার নিন্দা করা হয়।

    কাতিয়ানীরা যে মুসলমান নয়, অকাট্য যুক্তি প্রমাণ দিয়ে এ পুস্তিকায়ি তা প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে। কাদিয়ানীদেরকে আইনগত ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করাই ছিল মাওলানার দাবী। এ দাবীর স্বপক্ষে  প্রয়োজনীয় তত্ত্ব ও তথ্য এ পুস্তিকায়ি সরবরাহ করা হয়েছে।এ দাবী আদায়ের লক্ষ্যে মাওলানা নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তোলবার আহ্বান জানান। অবশেষে ১৯৭৩ সালে পাকিস্তানে কাদিয়ানীদেরকে অমুসলিম ঘোষণা করা হয়। কাদিয়ানীরা যে, অমুসলিম এ ব্যাপারে উম্মতের গোটা আলেম সমাজ একমত।

    ১৯৫৩ সালের জানুয়ারী মাসে তৎকালীন পাকিস্তানের নেতৃস্থানীয় আলেমগণ একত্রিত হয়ে শাসনতান্ত্রিক মূলনীতি নির্ধারক কমিটির সুপারিশমালা বিবেচনা করে কতিপয় প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে িএকটি সংশোধনী প্রস্তাব গ্রহণ করেন। এতে মীর্জা গোলাম আহমদ কাদিয়ানীকে যারা নিজেদের ধর্মীয় নেতা হিসেবে গ্রহণ করেছে তাদেরকে একটি সংখ্যালঘু সম্প্রদায় হিসেবে ঘোষণার দাবীও বিশেভাবে উল্লেখযোগ্য।

    প্রস্তাবে স্বাক্ষরকারী আলেমগণ হলেন:

    ১। মাওলানা মুফতী মোহাম্মদ হাসান সাহেব

    ২। আল্লামা সোলায়মান নদবী সাহেব

    ৩। মাওলানা আবূল হাসানাত সাহেব

    ৪। মাওলানা দাউদ গজনবী সাহেব।

    ৫। মাওলানা জাফর আহমদ ওসমানী সাহেব

    ৬। মাওলানা আহমদ আলী সাহেব?

    ৭। সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী সাহেব

    ৮। মাওলানা ইহতেশামূল হক সাহেব

    ৯। মাওলানা সামসুল হক ফরিদপুরী সাহেব

    ১০। মাওলানা আবদুল হামেদ কাদেরী বদায়ূনী

    ১১। মাওলানা মুফতী মোহাম্মদ শফী সাহেব

    ১২। মাওলানা মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী সাহেব

    ১৩। মাওলানা খায়ের মোহাম্মদ সাহেব

    ১৪। হাজী মোহাম্মদ আমীন সাহেব

    ১৫। হাজী আবদুস সামাদ সরবাজী সাহেব

    ১৬। মাওলানা আতহার আলী সাহেব

    ১৭। মাওলানা আবু জাফর মোহাম্মদ সালেহ সাহেব

    ১৮। মওলানা মোহাম্মদ ইসমাইল সাহেব

    ১৯। মাওলানা হাবিবুর রহমান সাহেব

    ২০। মওলানা মোহাম্মদ সাদেক সাহেব

    ২১। মাওলানা হাবিবুল্লাহ সাহেব

    ২২। খলিফা হাজী তুরুঙ্গজয়ী সাহেব- প্রমুখ

     

     

    বিস্তারিত এই বইয়েঃ অনলাইনে পড়ুন এখানে, http://www.icsbook.info/2539/shibir

    সরাসরি ডাউনলোড লিংকঃ http://shibircloud.com/pdf/kadiany_shomossha.pdf

  4. 4
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    আপনাদের জানার জন্যে বলি -- ১৯৫৩ সালে লাহোরে কাদিয়ানীদের বিরুদ্ধে দাঙ্গা লাগানোর অভিযোগে মউদুদীকে মৃত্যুদন্ডের আদেশ দেয় আদালত। কিন্তু সৌদি আরব এবং আমেরিকার অনুরোধে পরবর্তীতে সরকার মৃত্যুদন্ড কমিয়ে আমৃত্য কারাগারের আদেশ দেয়। পরবর্তীতে সরকারের সাথে সমঝোতা করে ১৯৬৪ সালে জেল থেকে মুক্তি পান -- অনেকটা গোলাম আযমের মতোই -- মৃত্যুদন্ডের আদেশ আজীবন কারাদন্ডের রুপান্তরিত হয়। সুতরাং জামায়াতের অপরাধ নয় -- মওদুদীর অপরাধই ছিলো যথেষ্ঠ। যারা আবেগের বশবর্তী হয়ে মওদুদীকে অনেকের সাথে তুলনা করছেন -- তাদের একটু ভাবতে বলছি। 

     

    ধন্যবাদ। 

    1. 4.1
      সত্য সন্ধানী

       ভাই আসলে পাকিস্তানের শাসকেরা কেমন অত্যাচারী সেটা আমরা জানি। অত্যাচারী বলেই কিন্তু আমরা স্বাধীন হয়ে গেছি। হ্যা কাদিয়ানীদের ব্যপারটা জানি কিন্তু এটা আসলেই হয়েছিল কিনা বা নিজেরাই(পাকিস্তান শাষকরা) সেই কাজটা করে মওদুদী সাহেবের উপর দোষ চাপিয়েছিল কিনা রাজনৈতিক উদ্যে্শ্যে সেটা ভেবে দেখার দরকার আছে।

      পাকিস্তানেত শাষকতাই কিন্তু বংগবন্ধুর বিরুদ্ধে নানা চক্রান্ত করেছিল। তারাই কিন্তু এই দেশের কিছু যুদ্ধাপরাধীদের সাথে নিয়ে গন হত্যা করিয়েছিল এবং পরে এই দেশের তাদের নিজেদের লোক দিয়েই কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধীদের পুনর্বাসন করিয়েছিল,আজ যাদের বিচার হচ্ছে আলহামদুলিল্লাহ।

      কাজেই পাকিস্তানের শাষকদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত পাকিস্তানের কোন কিছু আমার খাটি মনে হয় না।

      এখনো অসংখ্য পাকিস্তানী বিশ্বাস করে না একাত্তর সালের যুদ্ধাপরাধের কথা। এসব কেন হয়েছে? কারন পাকিস্তানের শাষকরাই ভুল শিখিয়েছে। কাজেই এমন ভাবেও মওদুদী সাহেবের বিরুদ্ধে এটা একটা অপ প্রচার হতে পারে। আল্লাহ রব্বুল আলামীনই একমাত্র প্রকৃত ব্যাপারটা জানেন।

  5. 3
    নিয়াজ

    সত্যসন্ধানী এবং মানকচু, আপনারা হয়ত ঠিকই বলেছেন। আপনাদের কথা মতন এটাও বলা যায়, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, ছাত্রদল, যুবদলের অপকর্মের দায় আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনা, বিএনপি, খালেদা জিয়ার ওপর চাপানো যায় না।

    জামাতের দায় মওদুদীর ওপর চাপানো যায় না ধরে নিলাম। কিন্তু তার সন্তানেরা কেন জামাতের রাজনীতি করে না? আবার বাংলাদেশে জামাতের নেতাদের সন্তানেরা কেন মাদ্রাসায় না পড়ে ইহুদী-খ্রীষ্টানদের লাইনে পড়ালেখা করে ব্যাংক, গ্রামীণফোনে চাকরি করে? বাবারা ইসলাম নিয়ে রাজনীতি করে, আমাদেরকে ইসলাম মানার জন্য, ইসলামী রাষ্ট্র কায়েমের জন্য জোরজবরদস্তি করে কিন্তু সন্তানদের মুখে দাড়ি নেই, নাইটপার্টিতে মদের গ্লাস হাতে তাদের ছবি দেখা যায়। বিষয়গুলো মাথায় ঢোকে না।

    1. 3.1
      সত্য সন্ধানী

       জিয়া ভাইকে উপরে জবাব দিয়েছি।।দয়া করে চোখ বুলিয়ে নেবেন। এ ছাড়া আমার কিছু বলার নেই কারন এর বেশি কিছু আমি জানি না।আমি মওদুদী সাহেব কে সম্মান করি একজন ইসলামী স্কলার হিসাবে। 

      তিনি বুঝেছিলেন যে, যে উদ্দ্যেশ্য নিহে জামায়াত প্রতিষ্ঠা করেছিলেন সেই সেই উদ্যশ্য ব্যর্থ হয়েছে। কাজে তার সন্তানদের তিনি দূরে রেখেছিলেন।

       বাবারা ইসলাম নিয়ে রাজনীতি করে, আমাদেরকে ইসলাম মানার জন্য, ইসলামী রাষ্ট্র কায়েমের জন্য জোরজবরদস্তি করে কিন্তু সন্তানদের মুখে দাড়ি নেই, নাইটপার্টিতে মদের গ্লাস হাতে তাদের ছবি দেখা যায়। বিষয়গুলো মাথায় ঢোকে না।

      এইসব কারনেই সম্ভবত মৌদুদী সাহেব ছেলেদের জামাত কে অনুসরন করতে দেন নি। কারন অবস্থা দেখে অঅনুকান করেছিলেন এবং ভবিষ্যতে জামায়াতের নেতারা ইসলাম কে পুজি করে অপকর্ম শুরু করবে। হয়ত বুঝেছিলেন যে তাঁ র উদ্যশ্য ব্যর্থ হয়েছে।

       

  6. 2
    মানকচু

    ঐ দশকে ইসলাম বিদ্বেষী সকল মহলের যে সাড়াশি প্রোপাগান্ডা চলে তার মোকাবেলা যারা করেন তাদের মধ্যে মাওলানা মাওদূদী (র.) ছিলেন অন্যতম। তার লেখায় ছিল যৌবনের উচ্ছ্বাস ও স্টাইল ছিল অনবদ্য। পরবর্তীতে তার অবদানের কথা স্বীকার করতে এই উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন আল্লামা সুলাইমান নাদভী (র.) বলেন, ‘… এটা সত্য যে, তিনি [মাওদূদী] এযুগের একজন ইসলামী দার্শনিক ও উচ্চ মর্যাদাশীল আ’লীমে দ্বীন। ইউরোপ থেকে নাস্তিকতার যে সয়লাব হিন্দুস্থানে এসেছিল, আল্লাহ তা’আলা এটাকে থামানোর ব্যবস্থা এমন এক পবিত্র হাত দ্বারা করেছেন, যিনি ইউরোপের আধুনিক এবং প্রাচীন মতাদর্শ সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান রাখেন। এবং এর সাথে কোরান ও হাদিসের উপর এত গভীর ও স্পষ্ট জ্ঞান রাখেন যে, বর্তমান যুগের প্রত্যেক মাসআলার উপর এর আলোকে সন্তোষজনক আলোচনা রাখতে পারেন। এ কারণে বড় বড় নাস্তিকরাও তার যুক্তির সামনে নত হয়ে যায় …’ [(মাওলানা বশীরুজ্জামান, (১৯৮৮) সত্যের আলো, সিলেট: আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইলয়াস (প্রকাশক), পৃ. ১৭৯-৮০)]

     

    এস আহমেদ এর লেখা থেকে।

    সদালাপে আমি নতুন এসেছি। শুধু পড়ব। আমার ব্লগে তিন বছর ধরে পড়ছি। লিখেছি মোটে ছয়টি।

    জিয়াউদ্দিন শস্যের ভিতর ভুত থাকে না যেন। বিশ্বজিত দাদা মার গেছে। তার মৃত্যুকে আপনারা একপ্রকার সাপোর্ট করছেন অথবা চুপ থাকছেন। আমি মুক্তমনাতে কিন্চিৎ গিয়েছি। যা হোক যা মনে আসলো বললাম।

    অফটপিকঃআমি একজন লীগার।

    1. 2.1
      সত্য সন্ধানী

       মানকচু ভাইয়ের সাথে একমত। বাংলাদেশে জামাতের অপকর্মে আর সন্ত্রাস সহিংসতার দায় কোন ভাবেই মওদুদী সাহেবের উপর চাপানোর সুযোগ নেই,যেমন ইহুদী,খ্রিষ্টান, বা মুসলিম দের কোন অপকর্মের দায় মুসা আঃ,,ইসা আঃ,  বা মহানবী সঃ এর চাপানোর সুযোগ নেই।

      1. 2.1.1
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        মওদুদী সাহেব ১৯৭১ সালে পাকিস্তান রক্ষার জন্যে তার সমর্থকদের লড়াই করার নির্দেশ দিয়েছিলেন -- যার ফলশ্রুতিতে রাজাকার আলবদর বাহিনীর জন্ম হয়। এখন আলবদর নেতাদের বিচার হচ্ছে -- তারা দোষী প্রমানিত হচ্ছে। এখানে মওদুদী সাহেব নির্দেশ দাতা হিসাবে দায় এড়াতে পারেন না। ১৭ সালের গনহত্যার দায় তাঁর উপরও বর্তায় বটে। 

        1. 2.1.1.1
          সত্য সন্ধানী

           

          মওদুদী সাহেব ১৯৭১ সালে পাকিস্তান রক্ষার জন্যে তার সমর্থকদের লড়াই করার নির্দেশ দিয়েছিলেন

          মনে হয় সেটা নয়।কারন  উইকিপিডিয়া তে মউদুদি সাহেব সম্পর্কে যা লেখা আছে সেখানে শেষের দিকে এটা পেলাম।

          1971 – In the question of united Pakistan or separation of the East Pakistan (Later Bangladesh) he relinquished his authority to East Pakistan Shura (Consultative body of Jamaat)

          অনশ্য উইকির সত্যতা যাচাই করার জন্য রেফারেন্স চেক করার অপশন আছে সেটা আমি করিনি। আপনি চেক করে দেখতে পারেন। ততকালীন পুর্ব পাকিস্তানের ( বর্তমানে বাংলাদেশ) রাজনৈতিক অবস্থা পর্যবেক্ষন করার সুযোগ মনে হয় না তার কাছে ছিল। উনি ইসলাম ধর্মীয় রাজনৈতিক দল মহৎ।উদ্যেশ্য নিয়েই বানিয়েছিলেন কিন্তু পরে সেটা পরিনত হয়েছে বর্তমানের জামায়াতে ইসলামী তে। প্রধান যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযম কেই কিন্তু আমরা সবাই রাজাকার শিরোমনি হিসাবে জানি আর সে কিন্তু জামায়েত আমীর হয়েছে ১৯৯১ সালে ( ভুল হলে সংশোধন করে দেবেন)। 

          কাজেই তখনকার পুর্ব পাকিস্তান জামায়াতের আমীর যা হুকুম দিয়েছে সেটা সম্পুর্ন ভাবে তার নিজের সিদ্ধান্ত বলেই মনে হয়। তারা (৭১  পুর্ব পাকিস্তান জামাতের আমীর সহ শুরা সদস্য রা) সরাসরি অভিযুক্ত কিনা জানি না, তবে আমরা যারা স্বাধীনতার পর জন্ম নিয়েছি তারা জামায়াতের যুদ্ধাপরাধী বলতে সাধারন ভাবে গোলাম আজম & গং কেই বুঝি। কাজেই হুকুমের আসামী করতে হলে সাবেক পুর্ব পাকিস্তান জামায়াতের আমীর ও শুরা সদস্যদের কেই করতে হবে যেহেতু তারা স্বাধীন ভাবেই বিষয়টা নিয়ে কাজ করার সুযোগ পেয়েছিল।

          আপনি নিজেই মওদুদী সাহেবের ছেলের কথা লিখেছেন,কাজেই তিনি যা বলেছেন সেটা নিসচই তার বাবার কাছ থেকেই শেখা। আপনার পয়েন্ট গুলো থেকেও কিন্তু পরিষ্কার হয়েছে যে 

           

           এই ক্ষেত্রে মওদুদী বেঁচে থাকলে এবং তার মতবাদের ভুল সংশোধনের চেষ্টা করলেও কিছু লোক তার বিরোধীতা করতো

           

          ৫) মওদুদীর ছেলে হয়েও জামায়াতে যোগ দেননি হায়দার মওদুদী। কেবল তিনি না, তার নয় ভাইয়ের কাউকে জামায়াতের রাজনীতিতে জড়াতে দেননি মওদুদী। তিনি জানান, কেবল রাজনীতি না, জামায়াতের কোনো বইপত্র পড়তে দেননি তাঁর বাবা। 

          তিনি বুঝেছিলেন যে, যে উদ্যশ্য নিয়ে জামাত প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কাজ হচ্ছে উলটা। কাজেই এ জন্যেই সম্ভবত তিনি এই ব্যবস্থা নিয়েছিলেন এবং সেটাই স্বাভাবিক।

          পাকিস্তানও কিন্তু তৈরী হয়েছিল সংখ্যা গরিষ্ঠ বাঙালীদের ভোটে এবং মুসলিম লীগের জন্মও বাংলাদেশে।

          কিন্তু যে উদ্যশ্য নিয়ে পাকিস্তান আন্দোলন হয়েছিল সেই উদ্যশ্য সম্পুর্ন ভন্ডুল হয়েই কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা অত্যাচারিত হলাম এবং স্বাধীন হলাম তাই না?

           তার তাছাড়াও আমি মওউদুদী সাহেব কে একজন ইসলামী স্কলার হিসাবেই সম্মান করি,জামায়াতের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে মোটেই না,এবং অনেকেই ব্যপারটা সেভাবেই দেখে।

           

        2. সত্য সন্ধানী

            দুক্ষিত আমার তথ্যটা ভুল। পুর্ব পাকিস্তান জামায়ের আমীর নিয়ে। আসলে স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৯০ সালে সে আবার জামায়াতের আমীর হয়। আমি এটাই ভুল করে লিখে দিয়েছি। অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আমি ক্ষমা প্রার্থী।

          আমি আসলেই এইসব বইপত্র পড়িনাই তেমনটা। তবে সেখানেও কিন্তু গোলাম আযম স্বাধীন ভাবেই কাজ করার সুযোগ পেয়েছিল।কাজেই এখানে মৌদুদী সাহেবের দায় থাকতে পারে না।

        3. সত্য সন্ধানী

           তারা (৭১  পুর্ব পাকিস্তান জামাতের আমীর সহ শুরা সদস্য রা) সরাসরি অভিযুক্ত কিনা জানি না

          আমি ভুলে গেছিলাম যে সেই সময় পুর্ব পাকিস্তান জামায়াতের আমীর গোলাম আজমই ছিল। আমি শুধু রাজাকার সর্দার হিসাবেই একে ভাবী,এর বিষয়ে আমি তেমন চিন্তা করার দরকার মনে করি না বলেই আচমকা ভুলে গেছি। মন্তব্যটা এডিট করে বা মুছে দিলে খুশি হব। দৃষ্টি কটু আর হাস্যকরা লাগছে ব্যাপার টা 🙁

           

  7. 1
    রায়হান

    জামাত মানে ই সহিংসতা।

Comments have been disabled.