«

»

Apr ২২

আম-দুধ তত্ত্ব আর জিয়াউদ্দিনের বেহাল দশা!

অবশেষে ৫ই জানুয়ারী বাংলাদেশে একটা নির্বাচন হলো – বলা যায় গণতন্ত্রের একটা নতুন ভার্শন তৈরী হলো – এইটা গণতন্ত্র কি না তা নিয়ে গবেষকরা নিশ্চয়ই গবেষণায় ব্যস্ত। আপাতত বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং রাজনীতির নামে গণতান্ত্রিক অধিকারের নামে অরাজকতা আর মসলতন্ত্রের একটা নীরবতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। নির্বাচনের আগে দেশব্যাপী জ্বালাও পোড়াও এর পর নির্বাচন যেন সাপের মাথায় ঠান্ডা পানি ঢেলে দিলো কেউ – সন্ত্রাসী জামাত শিবির সুবোধ বালক হয়ে ঘরে ফিরে গেলো – বিএনপি বক্তৃতা বিবৃতির মাঝেই সীমাবন্ধ হয়ে গেলো। মূলত বাংলাদেশের গণতন্ত্র চর্চার ভবিষ্যৎ নিয়ে বিজ্ঞমানুষেরা চিন্তিত হলেও মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী এসে বলে গেলেন – গণতন্ত্রের চেয়ে স্থিতিশীলতাই বেশী গুরুত্বপূর্ণ। আপাত দৃষ্টিতে সবাই তা মেনেই চলছে।

একটা কথা বলা গুরুত্বপূর্ণ মনে করছি – গণতন্ত্রের দেশে থেকে একটা বিষয় পরিষ্কার বুঝেছি তা হলো "রাইট" আর "প্রিভিলেজ" এক বিষয় নয়। রাস্তা ব্যবহার করা পথিকের রাইট আর তার উপর সভা সমাবেশ করে পথিকের চলাচল বন্ধ করার অনুমতি পাওয়া হলো "প্রিভিলেজ"। অনেকেই এই কাজকে রাইট বিবেচনা করে মানুষের জীবনকে অতিষ্ট করে তুলছিলো। তারা গণতন্ত্র চর্চার নামে রাষ্ট্রের মালিক জনগণের রাইটকে অস্বীকার করছিলো। তাই প্রিভিলেজ বিষয়ে বলা হয় – ইউ এবিউজ ইট ইউ লুজ ইট। আপাত দৃষ্টিতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো জনগণের রাইটকে অস্বীকার করার ক্ষমতা হারিয়েছে – যা সুষ্পষ্ট হয়েছে খালেদা জিয়ার ডাকে মার্চ ফর ডেমোক্রসির সুপার ফ্লপ হওয়া থেকে।

গত বছরের রাজনৈতিক ঢামাডোলে আরেক খেলোয়াড় ছিলো হেফাযতে ইসলাম। শুরু থেকেই বলে আসছিলাম এইটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য পুরণের একটা উদ্যোগ। এর আগেও বাংলাদেশে হয়েছে – বিশেষ করে এতিম বাচ্চাদের অসহায়ত্বের সুযোগে মাদ্রাসার শিক্ষকরা তাদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেছে বহুবার। এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না। হেলিকাপ্টার ব্যবহার করে সারা দেশে একটা হৈ চৈ ফেলে ৫ই এপ্রিল ঢাকায় মহা সমাবেশ হলো – তারা তাদের দাবী জানালো – সরকারও নমনীয় নীতি নিলো – কিছু পদক্ষেপও নিয়েছিলো। কিন্তু রাজনৈতিক প্লেয়ারদের এতে সন্তুষ্ট হওয়ার কথা না। তারা মাত্র একমাসের ব্যবধানে ৫ই মে ঢাকা অবরোধ ডাকলো এবং একটা রহস্যজনক উপায়ে মতিঝিলে এসে জড়ো হলো। তাদের সাথে কাকতালীয় ভাবে বিরোধী দলীয় জোটের সরকার পতনের আলটিমেটাম মিলে গেলে সরকার কঠোর অবস্থানে চলে গেলো – তাতে মতিঝিল থেকে সমাবেশকারীদের বিতারিত করলো সরকার – তা নিয়ে নোংরা রাজনীতি অব্যহত থাকলো। সরকারের সাথে হেফাযতের সম্পর্কের চরম অবনতি হলো এবং সরকার ৫ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তার প্রতিদান পেলো। তারপর বিরোধী জোট ওভার এস্টিমেট করে সমস্ত আলোচনার পথ ছেড়ে একদিকে জামাত-শিবিরের তান্ডব আর ধ্বংসযজ্ঞের উপর অন্যদিকে হেফাযতের ভোট ব্যাংকের উপর নির্ভর করে একটা কঠিন আন্দোলন তৈরী করতে চেষ্টা করলো। কিন্তু রাজনৈতিক কৌশল আর কূটনৈতিক কর্মতৎপরতার কাছে পুরোপুরি পরাজিত হলো। সবার সাথে হেফাযতও ব্যাকফুটে চলে গেলো। তাদের "ইমানী আন্দোলন" আপাতত বাক্সবন্দী হয়ে গেলো। ৫ই মে আর ৫ই এপ্রিলে ইমানী জাগরণে কত মানুষ জাগ্রত হয়েছে তার দৃশ্যত কোন প্রমাণ দেখা গেলো না। আগের মতোই নামাজের সময় মসজিদগুলোর চাইতে বাইরেই বেশী লোকজন দেখা গেলো।

দীর্ঘ বিরতির পর মাওলানা শাফী আবারো আলোচনায় আসলেন – উনি বললেন – আল্লামা শফী বলেছেন, ছাত্রলীগ ও সরকার তাঁর বন্ধু। তাদের সাথে হেফাযতের কোন শত্রুতা নেই। শুধু ঘটনা এখানেই থেমে নেই – খবরে দেখা যাচ্ছে – 

সরকার ও আওয়ামীলীগের সঙ্গে হেফাজতের কোনও বিরোধ নেই উল্লেখ করে হেফাজতে ইসলামের আমীর আল্লামা আহমেদ শফী বলেছেন, ‘আমরা শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে নই।’ 

এসময় তিনি পোশাক শিল্পের সংকট কাটিয়ে সচল হয়ে উঠার প্রার্থনা করে বলেন, ‘বাংলাদেশ যেন সোনার বাংলায় পরিণত হয়। ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করতে পারছেন না। গার্মেন্টস শিল্প অচল হয়ে পড়েছে। তা সচল থাকারও আহবান জানান তিনি।’

অবশ্য এর আগে আহমেদ শফী নারীদের চাকরির জন্যে বাড়ীর বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। সূত্র

আরো খবর দেখা যাচ্ছে – শফীকে ৩২ কোটি টাকার জমি উপহার দিচ্ছে রেলওয়ে! 

সুতরাং দেখা যাচ্ছে – হেফাযতে ইসলাম সরকার তথা আওয়ামীলীগের সাথে মৈত্রী সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করেছে। অর্থাৎ আম আর দুধ মিলে গেছে – এখন আঁটির কি হবে?

 

(২) 

হেফাযতের আন্দোলনের শুরু থেকে এর বিরুদ্ধ অবস্থানে ছিলাম। কারণ আমি আমার সামান্য জ্ঞান আর অভিজ্ঞতা থেকে নিশ্চিত ছিলাম এই আন্দোলন ইসলাম বা ঈমানের সাথে কোন সম্পর্ক নেই (যদিও এর সাথে জড়িত অনেক নেতা এবং কর্মীদের বৃহৎ অংশ সরল বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে বিশ্বাস করেছে যে আন্দোলনটা আসলেই ইসলামের আন্দোলন। বিশেষ করে গত বছরের মে মাসে যে হেফাযতের নেতা আর কর্মীরা নিহত হয়েছে এবং যারা নির্যাতনের শিকার হয়েছে তাদের প্রতি আন্তরিক সহমর্মিতা সহ বলতে চাই উনারা দাবার ঘুটি হিসাবেই ব্যবহৃত হয়েছেন। তাদের নিয়তের উপর নিশ্চয়ই আল্লাহ তাদের নিয়ামত দান করবেন।)। 

এই সময়ে সদালাপের অনেক বন্ধু আমার অবস্থানের কারণে আমাকে ব্যক্তিগত ভাবে শত্রু বিবেচনা করছেন বলে ধারণা করছি (আজ সারোয়ারের একটা কমেন্ট দেখে তাই মনে হলো)। রাজনীতি নিয়ত পরিবর্তনশীল – রাজনীতিতে স্থায়ী শত্রু মিত্র নেই। আমি সুষ্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই – আমি আপ্রাণ চেষ্টা করেছি আমার লেখায় বা মন্তব্যে কাউকে ব্যক্তিগত ভাবে কষ্ট না দিতে – ব্যক্তি হিসাবে যদি কেউ আমার কোন কথায় কষ্ট পেয়ে থাকেন তার জন্যে আন্তরিক ক্ষমাপ্রার্থী। জীবনের একটা অংশ ব্যয় করেছি সক্রিয় রাজনীতিতে – সেই আলোকেই আমি আমার অবস্থান নিয়েছি – বিশেষ করে যুদ্ধাপরাধের বিচার ইস্যুতে জামায়াত-শিবিরের কূটকৌশলে পড়ে যে সরলপ্রাণ ধার্মিক মানুষগুলো যেন প্রতারিত না হয় সেই বিষয়ে সোচ্চার থেকেছি। এইটা আমার নীতিগত অবস্থান। আমি একজন বিচার প্রার্থী – বিশ্বের ইতিহাসের ২য় বৃহত্তম গণহত্যার বিচার না হওয়ার যে দায় বাংলাদেশে বয়ে বেড়াচ্ছে তা থেকে মুক্তির বিষয়ে সব সময়ই সোচ্চার থেকেছি। আমার এই অবস্থানের কারণে অনেক বিরোধীতার সন্মুখিন হয়েছি এবং এই বিষয়ে কোন আক্ষেপ নেই। শুধু আক্ষেপ রাজনৈতিক কূটকৌশলের কারণে বিতর্ক করতে গিয়ে দ্বীনি ভাইদের  বিরাগভাজন হয়েছি – যা কোন ভাবেই আমার জন্যে স্বস্থির কারণ হয়নি। 

আশা করি রাজনৈতিক বিতর্ককে এক পাশে রেখে অধম জিয়াউদ্দিনের ভুলত্রুটিগুলো সবাই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আশা করি আসন্ন রামাদান মাস উপলক্ষে সদালাপ ফাউন্ডেশন থেকে কিছু ভাল কাজ করতে আমরা আবার ঐক্যবদ্ধ হবো। আবারো সদালাপ পরিবার একটা আত্মা হিসাবে কাজ করতে পারবে।

সবাইকে ধন্যবাদ।

৫ comments

Skip to comment form

  1. 4
    সরোয়ার

    জিয়া ভাই,

    আমার মন্তব্যে কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি দুঃখিত। আপনার অনুপ্রেরণাতেই  ব্লগিং জগতে আসা। ইসলাম বিদ্বেষী থাবা বাবা'র ইস্যুতে আপনার অবস্থান দেখে খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। 

    দেশের আলেম-ওলেমারা আমাদের মত এত ডিল্পোমেটিক নন। কিন্তু তাঁদের মনে-প্রাণে ইসলাম ও মুহাম্মদ (সাঁ) এর প্রতি মর্যদা  অতুলনীয়। প্রিয় নবীর বিরুদ্ধে  মিথ্যা ও অসন্মানের প্রতিবাদে দেশের সত্যিকারে আলেম-ওলেমা ও ইমানদার মানুষেরা হেফাযতের ব্যানারে শরীক হয়েছিল। যারা জীবনে কখনো রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল না তারাও প্রতিবাদ করেছিল। তাই ঐ সময়ের প্রতিবাদ রাজনীতির অংশ ছিল না। টাইমিং টা ঠিক না হওয়াতে রাজনৈতিক দলগুলো যে যার মত সুযোগ নিচ্ছিল। সরকারও এখন সেখান থেকে ফায়দা নিতে চাচ্ছে।

    যেভাবেই হোক ইসলাম বিদ্বেষীদের বিষেদাগার অনলাইন থেকে রিয়েল লাইফে প্রকাশিত হয়েছিল।  তাই প্রতিবাদ হওয়া জরুরী ছিল। এবং এটি আমার মতে ঈমানী দায়িত্বও ছিল, কেননা সবকিছুর চেয়ে নবীর সন্মান অনেক অনেক বড় ও গুরুত্বপূর্ণ।

    এইচ এস সি  পরীক্ষা দিয়ে আমরা কয়েক বন্ধু এক চিল্লার তাবলীগে গিয়েছিলাম। পরবর্তীতে আমরা সবাই মেডিকেল, বুয়েট বা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হই। কিন্তু আমাদের এক সাথী বন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি না হয়ে কওমী মাদ্রাসায় ক্লাস ওয়ানে ভর্তি হলো। বর্তমানে সে একজন মুফতি ও ঢাকার একটি স্বনামধণ্য এলাকার মসজিদে পেশ ইমাম। সে এখন আমাদের চেয়ে মানসিকভাবে  স্যাটিসফাইড। আমাদের চিল্লার জামাতের জিম্মাদারও একজন বড় আলেম ছিলেন। তিনিও ঢাকা কলেজ থেকে এইচ এস সি পাশ করার পর আমার বন্ধুর মত ইসলাম শিক্ষা করার জন্য কাওমী মাদ্রাসায় ভর্তি হন।

    মাদ্রাসার অনেক বড় বড় আলেমদের সাথে সাক্ষাত ও কথা হয়েছে। তারা অত্যন্ত বিনয়ী ও অমায়িক লোক। মিডিয়ায় তারা অভ্যস্ত নন। মিডিয়াওয়ালারা তাদেরকে ভিলেন হিসেবে প্রতিনিয়ত উপস্থাপন করে।তাই আমাদের মত সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিত মানুষের মত ডিপ্লোমেটিক ওয়েতে কথা বলতে অদক্ষ। কিন্তু সেই অবস্থা অদূর ভবিষ্যতে আর থাকবে না। অনেক ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, পিএইচডিধারী লোকের ছেলেরা কওমী মাদ্রাসায় পড়াশুনা করছে। আমার পিএইচডিধারী বন্ধু যিনি একটি খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানে প্রধান হিসেবে আছেন, তিনিও তার ছেলেকে মাদ্রাসায় পড়াচ্ছেন।

    বিশ্বে তাবলীগের কারণে অনেক অনেক মানুষ সাধারন শিক্ষায় শিক্ষিত মানুষ সুন্দর চরিত্রের অধিকারী হয়েছেন। যে যার জায়গায় যথাসম্ভব ন্যায় ও নৈতিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। মাস্তান, সন্ত্রাসীরাও তাবলীগে সময় ব্যয় করার পর ভাল মানুষে পরিনত হচ্ছেন। আর এই সবের মূলের রয়েছে কওমী মাদ্রাসার আলেম-ওলেমা, যারা তাবলীগের পলিসি নির্ধারন করে থাকেন। তারা যদি সতিক্যারে আল্লাহওয়ালা না হতে তবে এত লোক তাবলীগে এসে ইসলাম ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতেন না। অনেক কথা বলে ফেললাম।

    আপনি বড় ভাইয়ের মত। তাছাড়া আপনি দ্বীনিভাইও। তাই কষ্ট-অভিমান মুখ্য নয়। বস্তুত, আমাদের দুনিয়ার জীবন চরমভাবে অনিশ্চিত। আমার সেই চিল্লার জামাতের ফেন্ড ডা নাজমুল আমাদের মাঝে নেই। অনেক চেনা-জানা বন্ধু এখন পরপারের লোক। তাদের কেউ ভাবেনি তারা এত কম বয়সে পরবারের যাত্রী হবে। আমাদের মত তাদেরও অনেক স্বপ্ন ছিল।

     রামাদান মাস উপলক্ষে   সদালাপ ফাউন্ডেশনের ব্যানারে ভাল কাজে নিজেকে নিয়োজিত করে আনন্দিত হবো।  

     

     

    1. 4.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      কষ্ট পাইনি তেমন একটা -- কারন এমন অনেক ঘটনা জীবনে ঘটেছে। তবে অবাক এবং হতাশ হয়েছি বেশ। এতো দ্রুত আমরা নিজেদেরকে হারিয়ে ফেলি -- এতো অল্পতেই আমরা অন্যকে বিচার করে ফেলি। সত্যই অবাক হয়েছি। যাই হোক ০ সমস্যা নেই। ভাল থাকবেন। 

  2. 3
    মুনিম সিদ্দিকী

    আমার মনে হয় সময় হচ্ছে সবচেয়ে বড় মলম! দেখবেন সব ঠিক হয়ে যাবে ঠিক যেন ভাইয়ে ভাইয়ে লড়াই ঝগড়ার পর গলাগলি! ধন্যবাদ।

  3. 2
    ফাতমী

    জিয়া ভাই,

    মানুষ রাগ করলে, রাগ প্রকাশ করবেই, এতে চিন্তিত হবার কারণ নেই। মানুষটাই আসল বিষয়।

    "আবারো সদালাপ পরিবার একটা আত্মা হিসাবে কাজ করতে পারবে। -আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

     

  4. 1
    ফাতমী

    হাটহাজারী মাদ্রাসা এবং ব্যাক্তি শফী এক নয়। ঐ লিজটা অনেক আগেই মাদ্রাসা পেয়েছে। সেহেতু "আরো খবর দেখা যাচ্ছে -- শফীকে ৩২ কোটি টাকার জমি উপহার দিচ্ছে রেলওয়ে!" খবরের শিরোনাম মিসলিডিং। আপনি এটলিস্ট নিয়মনিতি মেনে চলার চেষ্টা করুন। এই অনুরোধ থাকবে।

    ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.