«

»

Feb ০৯

লা মাযহাবী!

দুই বছর আগে একজন মুরব্বী এসেছিলেন বাংলাদেশ থেকে – উনাকে নিয়ে তারাবীহ নামাজ পড়তে যেতাম – বুঝে শুনেই উনাকে নিয়ে একটু দূরের মসজিদে যেতাম – যেখানে হানাফী মাযহাব অনুসারে নামাজ পড়ানো হয়। ভালই চলছিলো রামাদান মাসটা। কিন্তু গোল বাঁধলো ২৭ রোজার পর। সেই মসজিদের "খতম" তারাবী শেষ। তাই ভাবলাম বাসার কাছাকাছি মসজিদে গিয়ে বাকী কয়দিন নামাজ পড়ি। সেই মসজিদের ইমাম ছিলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলেম ড. মঞ্জুর ইলাহী। উনি বিতর নামাজ পড়ালেন একটু ভিন্ন ভাবে (যা মসজিদে হারামে অনুসরণ করা হয়)। নামাজ শেষে মুরব্বি সরাসরি ইমাম সাহেবের কাছে গেলেন – জিজ্ঞাসা করলেন – "আপনি কোন্‌ মাজহাব অনুসরণ করেন?" 

ইমাম সাহেব সোজা জবাব দিলেন – "মোহাম্মদী মাযহাব অনুসরণ করি।"

ভদ্রলোক কোন ভাবেই সন্তুষ্ট হলেন না – পুরো পথে গাড়ীতে বলতে লাগলেন – এই নামাজ হয়নি। এই ইমাম "লা মাযহাবী", ইত্যাদি। 

উনি বাসায় ‌এসে আবার বিতর নামাজ পড়েছেন বলে পরে আমাকে জানিয়েছেন। আমিও এই প্রথম শুনলাম লা মাযহাবী বলে আরেকটা গ্রুপ আছে। 

 

(২)

গতবার বাংলাদেশে গিয়ে আরো মজার অভিজ্ঞতা হয়েছে। বেশ কয়েক বার (বিভিন্ন মসজিদে) নামাজ পড়ার আগে এবং পরে কেউ না কেউ আমাকে বলেছে আমার নামাজে ভুল আছে। কেউ নামাজ শুরুর আগেই আমার হাত ঠিক করে দিয়েছে – একজন প্যান্টের পায়ের দিকের কাপড় ঠিক করতে বলেছে। ভালই লাগছিলো। খুবই সচেতন সবাই। কিন্তু ভাবছিলাম – যদি হজ্জের সময় বা টরন্টো ডাউন টাউনে উনারা নামাজ পড়তে আসেন তবে কি করবেন। এক সময় একজন জিজ্ঞাসা করেই বসলো – "আপনি কোন্‌ মাজহাব ফলো করেন?"

আমি কি উত্তর দেবো – অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলাম – আমাকে কেন মাযহাব অনুসরণ করতে হবে? 

উনি বললেন – হুম, আপনি তাহলে লা মাযহাবী! 

আমি আবার অবাক হলাম – কারণ আমি নিজেই জানি না আমি একটা বিশেষ গোষ্ঠীর একজন সদস্য। কি আশ্চর্য! 

 

(৩) 

গতকাল রায়হানের পোস্ট অনুসরণ করে একটা ভিডিওতে দেখলাম – মাওলানা শাফি বলছেন – হানাফী মাযহাবই একমাত্র "হক" এর পথ। অন্য সবই বাতিল! কী মারাত্মক কথা। জন্মসূত্রে আমি হানাফী হওয়ার কথা – কিন্তু না বুঝেই আমি বাতিল হয়ে গেলাম। যখন ইসলাম অনুসরণ করা শুরু করলাম তখন আমি জন্মভূমি থেকে অনেক দূরে – বিশ্বের নানান দেশের মুসলিমদের সাথে জামায়াতের নামাজ পড়ি – নানান দেশের মসজিদে নামাজ পড়েছি – কিন্তু কখনও কেউ জানতে চায়নি আমি কোন্‌ মাযহাব অনুসরণ করি। অবশেষে কিনা শফি সাহেবের অনুসারে আমি বাতিলের দলে চলে গেলাম – আমার সাথে টরন্টোর হাজার হাজার মুসল্লী – মসজিদুল হারাম এর লাখো মুসল্লী – যারা ‌এক সাথে গলা ছেড়ে "আমিন" বলে উঠে – সবাই "বাতিল" হয়ে গেলো – কারণ এরা হানাফী মাযহাবের অনুসরণে নীরবে "আমিন" বলে না। 

 

(৪)

আজ এক ভদ্রলোক আমাকে বুঝালেন কেন মাযহাব অনুসরণ করা জরুরী।

জানতে চাইলাম – রসুল (সঃ) – সাহাবী (রাঃ)গণ কোন্‌ মাযহাব অনুসরণ করতেন। উনি যে যুক্তি দিয়েছেন – পুরো যুক্তিই বড়ই দুর্বল – এই বিষয়ে বিস্তারিত ভিন্ন জায়গায় বলবো। তবে উনাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম – ইমাম আবু হানিফা কি কোন বইপত্র লিখে রেখে গেছেন। হানাফী মাযহাবের মূল গ্রন্থের নাম কি? আমি জানতে চাই।

আমার প্রশ্ন শুনে ভদ্রলোক বোধ হয় একটু বিরক্ত হয়েছেন। উনি বলছেন – পরে বলবেন। 

আমার প্রশ্ন এখনও উত্তরের অপেক্ষায় আছে – কেন আমাকে একটা মাহযাব অনুসরণ করতে হবে আর হানাফী মাযহাবই একমাত্র "হক্ক" পথ আর সবাই বাতিল কেন? আমি যদি একজন "মুসলিম" হতে চাই তাহলেও কি আমাকে অবশ্যই "হানাফী" হতে হবে?

৩৬ comments

Skip to comment form

  1. 19
    Anonymous

     
    কিংশুক ভাই
    লা মাযহাবী কি সেটা অপনে যানেন? উত্তর টা দিবেন
    আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাত সধু চার ইমাম না

    ভাই তাদের আগে আর পরে অনেক মাযহাব  ছিল।

    ইমাম গন ছিল ইজতাইদ অর তারা মত ভলত।

     

  2. 18
    Liakat Jowardar

     হে  আল্লাহ আমাদের সকল ফেতনা থেকে হেফাজত করো।

  3. 17
    Liakat Jowardar

    মাযহাব নিয়ে এই উপমহাদেশে যুগ যুগ ধরে বিরাট এক ফেতনা চলে আসছে। যা মুসলমানদের মধ্যে বিভক্তি সৃষ্টি করছে। র. সা. এর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে নামাজ পড়ার পদ্ধতিই চার ইমাম সংকলন করেছেন- যা হানাফি, শাফেয়ি. মালেকি ও হাম্বলি মাযহাব নামে পরিচিত। আর মুসলমানগণও চার ইমামের যেকোনো একজনের সংকলিত হাদিস অনুসরণে নামাজ পড়ে থাকে। ফলে নামাজ আদায়ের ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। যা দেখে অজ্ঞ লোকেরা বিদ্বেষ পোষণ করে। এটা কোনোক্রমেই ঠিক নয়। আল্লাহপাক আমাদের কোরআন ও সঠিক হাদিসের আলোকে আমল করার তাওফিক নসিব করুন।

  4. 16
    শামস

    শুধু জানতাম নিজে বংশপরম্পরায় হানাফি, এর বেশি কিছু না. আসলে এই উপমহাদেশে প্রায় সবাই হানাফি মাজহাব এর অনুসারী. মাজহাব এর উত্পত্তি নিয়ে একটু ঘেটে দেখলাম বিষয়টা খুব জটিল কিছু না, কিন্তু জটিল করে দিয়েছে অনুসারীরা। আর এই জটিলতা যে এখনকার অনেক আলেমরা করেন বা করছেন সেটাও ভুল. জটিলতার শুরুটা অনেক আগের। বিস্তারিত আলোচনার ব্যাপার। একটা উদাহরণ দিলে এর গভীরতা বুঝা যাবে।  স্পেন এর মুসলিম মুররা ছিল মালেকি মাজহাবের, তারা হানাফী মাজহাব এর অনুসারী কেউ আছে জানতে পারলে তাদের দেশ থেকে বিতারিত করে দিত. পুরো বিষয়টা অনুসারীদের অতিরঞ্জন, যার বিরুদ্ধে মাজহাবের ইমামরা কঠোরভাবে নিষেধ করে দিয়েছেন । আর লা-মাজহাবীরাও সেই ইমামদের সময় থেকেই ছিল, ইদানিং নতুন করে আসে নাই, কিন্তু ঈমামদের মাজহাব যেভাবে গ্রহণযোগ্যতা পায় এবং ভিত্তি গাড়ে সেটা অন্য মতবাদগুলো সেভাবে করতে পারেনি।আবার অনেক আলেম-ওলামা মাজহাব পালনের উপর জোর দিয়েছেন, এর অনেক কারণও আছে. একটি কারণ বলা যায়, বিশেষত যখন মুসলিম সাম্রাজ্য শক্তিহীন হয়ে পড়ছিল এবং সেই সুত্রে বিভাজনও বাড়ছিল।

    যে মাওলানা বা শায়েখই যদি বলে এই মাজহাবই একমাত্র ঠিক, মাজহাব ছাড়াও এই পন্থা বা সেই পন্থাই একমাত্র ঠিক তখন সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।সমস্যাটা আসলে সেখানেই! দিনশেষে প্রত্যেকেই তার নিজের কাজের জন্য জবাবদিহি করতে হবে, কারো উপর দোষ চাপানোর সুযোগ নেই, কারণ আমাদের সবাইকেই বুঝ দেয়া হয়েছে পরখ কিরে দেখার জন্য, গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসানোর জন্য না। বিচারের মালিক একমাত্র আল্লাহ, আমাদের লক্ষ্য কেবল ভালো বা তার চেয়েও ভালোর জন্য সংগ্রাম (জিহাদ) করা!

     

    1. 16.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

       মাজহাব এর উত্পত্তি নিয়ে একটু ঘেটে দেখলাম বিষয়টা খুব জটিল কিছু না, কিন্তু জটিল করে দিয়েছে অনুসারীরা।

       

      -- এইটা হলো আসল কথা। সব মাযহাবই গ্রহন বর্জনের জন্যে উন্মুক্ত ছিলো -- কিন্তু এর অনুসারীরা এক সময় এইগুলো কঠিন করে ফেলেছে। 

       

      সূরা আল বাক্বারাহ (The Cow )

      (2:170আর যখন তাদেরকে কেউ বলে যে, সে হুকুমেরই আনুগত্য কর যা আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেছেন, তখন তারা বলে কখনো না, আমরা তো সে বিষয়েরই অনুসরণকরব। যাতে আমরা আমাদের বাপ-দাদাদেরকে দেখেছি। যদি ও তাদের বাপ দাদারা কিছুই জানতো না, জানতো না সরল পথও। 

      -- বুঝা যাচ্ছে -- বাপ-দাদাকে অনুসরন করার মাঝেও বিপদ আছে। 

  5. 15
    কিংশুক

    কোরআন হাদিসের জ্ঞান যে কত ব্যাপক বিষয় তা না বুঝেই অবার্চীনের মতো কথা বলা হচ্ছে । কোরআন হাদিসের ব্যাখ্যার ভিন্নতায় হাজার হাজার দল তৈরি হওয়া সম্ভব। বাস্তবে শয়তানি শিয়া, কাদিয়ানি, শির্কি মাজার পুজারিরা,  কোরআন অনলিরাও কোরআন হাদিস ইতিহাস দিয়ে তাদের মতকে বুঝাতে সক্ষম। মাজহাব না মানা সরাসরি কোরআন হাদিস মানার দাবীদার লা মাজহাবিদেরড়ও হাজার দল আছে। শাঁখ মাদখালির কয়েক ডজন দলের ছাগুরাই আই এস বানাইছে। একজন এক সাথে নামাজে হাত ছেড়ে,  বুকের উপর বেঁধে,  নাভির উপর বাঁধ তে, লাফে ইয়াদিন করতে ও না করতে পারেনা। কিন্তু চার মা জবাব সুন্নাহকে এমন ভাবে ভাগ করে নিয়েছে এক মাঝহাবে হাত ছেড়ে,  আরেক মাজহাবে হাত বুকের উপর বেঁধে,  আরেক মাজহাবে নাভির নীচে বেঁধে নামাজ পড়া হয়। চার ম াজহাবের মাধ্যমে সকল সুন্নাহর উপর আমল করা হয় এজন্যই এই দলের নাম আহলে সুস্নাত ওয়াল জামায়াত।অবার্চীনরামৌলিক জ্ঞান ছাড়াই বিশেষজ্ঞ সাজে!!

     

    1. 15.1
      আব্দুল আওয়াল সুমন

      এটাই হলো আপনাদের মূলনীতি! যুক্তি খন্ডন করতে না পারলে পাশ কাটিয়ে গিয়ে আবোল তাবোল বকা। হেদায়েত খুবই মূল্যবান জিনিস। আমি হেদায়েতের জন্য প্রতিনিয়ত আল্লাহর নিকট দোয়া করি। আপনিও করুন, ভাগ্যে থাকলে পেতেও পারেন।

  6. 14
    আব্দুল আওয়াল সুমন

    কুরআন-সুন্নাহ পুরোপুরি মানলে চার মাযহাবই মানা হয়, কিন্তু শুধু এক মাযহাব মানলে কুরান-সুন্নাহ পুরোপুরি মানা হয় কি? চার মাযহাবের যেকোন এক মাযহাব কি স্বয়ংসম্পুর্ণ? হানাফি মাযহাব স্বয়ংসম্পূর্ণ হলে পরবর্তী তিন মাযহাব কেন সৃষ্টি হল?

    “আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম।” (মায়েদাঃ ৩)

    আল্লাহতা’লা ইসলামকে পরিপূর্ণ করে দিয়েছেন তাই এতে নতুন কিছু যোগ করা বা কোন কিছু বাদ দেয়ার অধিকার কারো নেই। অথচ মাযহাবের নামে ইসলামে নতুন কিছু যোগ করা হয়েছে এবং কিছু বাদ দেয়া হয়েছে।

    হাত ছেড়ে নামায পড়া, ফরজ নামাযের পর সম্মিলিত মোনাযাত, সম্মিলিত জিকির, সম্মিলিত দুরুদ, মিলাদ, কিয়াম, তাসাউফ ইসলামে নেই কিন্তু মাযহাবে আছে (মাযহাবের অনুসারীদেরকেই এসব করতে দেখা যায়)।

    এক রাকা’আত বিতর সালাত ইসলামে আছে কিন্তু মাযহাবে নেই।

    আবু হানিফা (রহঃ) কে অনুসরণের জন্য আল্লাহ, রাসূল (সাঃ) এমনকি আবু হানিফা (রহঃ) নিজেও বলেন নি। অথচ হানাফি মাযহাবের অনেক অনুসারীকে যখন কোন হাদীস শোনানো হয় তারা বলে এটা আমাদের মাযহাবে নেই তাই মানা যাবে না। এবং তাদেরকে যদি বলা হয় এমন আমল কুরআন-হাদীসে নেই, তখন তারা বলে কুরআন-হাদীসে নেই কিন্তু মাযহাবে আছে, মাযহাব মানা ফরজ। এটা স্পষ্ট গোমরাহি।

    1. 14.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্যে। খুবই স্বাভাবিক ভাবে যে কথাগুলো বললেন তা বলার জন্যে যথেষ্ট সাহস লাগে তা যারা বাংলাদেশের বাইরে থাকেন সহজেই অর্জন করেন। এখানে প্রতিটি মসজিদে নানান ধরনের মুসল্লী এক কাতারের দাড়িয়ে নামাজ আদায় করেন -- কেউ কারো ভুল ধরিয়ে দিতে আসে না -- কারন নামাজের মৌলিক বিষয়গুলোর দিকেই সবার দৃষ্টি নিবন্ধ থাকে।  আমার যতটুকু বুঝ -- অলস মানুষের জন্যে মাযহাব অনুসরন করা খুবই উপকারী -- কিন্তু এইটা বিপদের কারনও হতে পারে। কারন যখন তাদের সামনে একটা হাদিস উপস্থিত হয় -- এরা বলে আমরা তা মানি না -- কারন এইটা আমাদের মাযহাবে নেই। পক্ষান্তরে উনারা যা অনুসরন করেন তার ভিত্তি সম্পর্কেও জানে না। এতে বিপদ হলো জেনেশুনে রসুল(সঃ) কে অস্বীকার করা। অন্ধের মতো মাযহাব অনুসরনের বিষয়ে ইমামগনও সতর্ক করে দিয়েছে --   ইমাম আহমদ বিন হাম্বল (রহ)   বলেছেন: —"তোমরা আমার, ইমাম মালেক, শাফেঈ আওযাঈ এবং সুফিয়ান ছাওরীর তাকলীদ(অন্ধ আনুগত্য) করবে না।বরং তারা যে উৎস থেকে গ্রহন করেছেন সেই উৎস থেকেই গ্রহন কর।" --  ইমাম মালেক ও ইমাম আবু হানীফার রায় তাদের নিজস্ব রায় বা ইজতিহাদ। আমার কাছে এ সবই সমান। তবে দলীল হল আছার অর্থাৎ সাহাবী ও তাবেঈগনের কথা। —"যে ব্যাক্তি রাসূল (সা এব কোন হাদীসকে প্রত্যাখান করবে , সে তো ধ্বংসের কিনারায় এসে দারিয়েছে।" — যদি কোন হাদীস সহীহ হয়, তাহলে সেটাই আমার মাযহাব। বর্তমান সময়ের আলেমদের মধ্যেও অনেকেই নিজেদের সংশোধন করে নিচ্ছেন -- যেমন প্রিন্সিপাল ইব্রাহিমকে দেখলাম বলছেন -- জামাতে ইমামের সাথে জোরে "আমিন" বলা একটা লুকানো রত্ন -- আমরা সেই রত্ন এতোদিন খুঁজে পাইনি -এখন পেয়েছি -- অনুসরন করছি।         

  7. 13
    Arefin

    if hanafi majhab are right, why other majhab came through, why there are four majhab in the Islam, why four types of salat in Islam, our Rasul(SAW) wasn't performed four types of salat, there is a matter of common sense. If He (SAW) performed different types of salat so He (SAW) divided the muslim ummah into different community (Naujubillah). He (SAW) cant divide His ummah, because He (SAW) is a leader of the whole world. Please follow the sahih hadith of Rasulallah (SAW). 

    1. 13.1
      Shahriar

      সম্পূর্ন একমত।  jajak-allah.

    2. 13.2
      কিংশুক

      এসব সাধারণ বিষয় না জেনেই তর্ক করছেন! তখন সাহাবী রাঃ গণের মধ্যের আলেম ওস্তাদ একেক সাহাবী একেক শহরে দীন শেখাবার স্কুল /মাদ্রাসা /শিক্ষায়াতন গড়ে তুলেছিলেন। উনাদের পরে উনাদের ছাত্ররা আবার নিজেরা শিক্ষা দিতেন। চার ইমামের একেক জন একেক শহরের ঐসব মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন। যেমন ইমামে আজম আবু হানিফা রঃ ছিলেন ইরাকের কুফার। সাহাবা রাঃ গণের মধ্যেও অনেক মাসআলায় মতানৈক্য ছিল বলে নানান এলাকার উনাদের ছাত্রদের মধ্যেও আলাদা মাজহাব তৈরি ছিল। আমাদের হাতে থাকা বর্তমান কোরআন সহীহ হাদিস কুফার তাবেয়ি তাবে তাবেয়িনের চেইনে পাওয়া বলে কুফার লোকদেরকে আমরা বিশ্বস্ত বলে গণ্য করি। ঐ সময়ের খলিফারা প্রত্যেক অঞ্চলের ইমামদের তাঁদের নিজ অঞ্চলের জন্য ইমাম হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। ওনাদের নিজেদের মধ্যে কোনও বিরোধই ছিলনা।

      1. 13.2.1
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
        1. 13.2.1.1
          Shahriar

          jajak-allah Zia bhai,

          really very well said. 

  8. 12
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    তিনটা ভিডিও দিলাম -- আশা করি বিষয়টা পরিষ্কার হবে। আমাকে কেন কোন ইমামের অন্ধ অনুসারী হওয়ার দরকার নেই। সব ইমামই তাঁদের সাধ্যমতো শ্রেষ্ট পথ তৈরীর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু সবাই ছিলেন উদার -- কিন্তু আজকের কিছু মানুষ মাযহাবকে এক একটা ভিন্ন পথ হিসাবে প্রচার করছেন আর অনুসারীরা হয়ে যাচ্ছে মিলিট্যান্ট। কেউ যদি কোন মাযহাব অনুসরন করে তাতে কোন সমস্যা নেই -- কিন্তু যখন তার মাযহাবই শ্রেষ্ট -- অন্যগুলো বাতিল -- বা মাযহাবের অনুসারী ঘোষনা না দিলে বাতিল -- এই ধরনের চিন্তা বিপজ্জনক। আল্লাহ আমাদের সঠিক পথের সন্ধান দিন।

  9. 11
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
  10. 10
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
  11. 9
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন
  12. 8
    করতোয়া

    আমি একসময় নিজেকে হানাফী মাযহাবের অনুসারী মনে করতাম। তারপর অনেক পড়ালেখার কারনে এখন মনে হয় কোন ঈমাম-ই আমাদের খারাপ কিছু বলেননি। সবাই সত্য বলেছেন। সমস্যা হচ্ছে আমরা কম জানা পাবলিকরা ইমামের তরিকায় নিজেদের ভাগ করে ফেলেছি। আমি এখন ব্যক্তিগতভাবে নিজেকে লা-মাযহাবই মনে করি। তবে ঐ সকল জ্ঞানী ইমামদের অস্বীকার করি না। তারা যে শ্রম আর মেহনত করে আমাদের জন্য ইসলামকে সহজবোধ্য করেছেন সেটা বিবেচনা করেই তাদের প্রতি সন্মান রেখেই ইসলামকে অনুসরন করা উচিৎ। এখানে মাযহাব বড় কিছু নয় বরং কতটা তাকওয়ার সাথে আল্লাহ'র উপাশনা করছি। শিয়াদেরও অনেক কিছু আছে যা আমার কাছে মনে হয় অযৌক্তিক কিছু নয়। বিষয়টা হচ্ছে পূবে বা পশ্চিমে মুখ করে নামাজ পরার মধ্যে কোন কল্যান নাই আছে তাকওয়ার মধ্যে। এটা কোরআনের আয়াত। কাজেই এই আয়াতকেই কনটেমপ্লেট করে ঈমামদের নিয়ে ভেদাভেদ করা উচিৎ নয়।

    1. 8.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      সম্পূর্ন একমত। আপনাকে ধন্যবাদ। 

       

       

  13. 7
    rur

    এই ব্লগের লেখকরা হয়ত কম-বেশি সবাই প্রতিষ্টিত।এটা জানার ইচ্ছা ছিল যে দেশের জন্য প্রতিষ্টিত সবাই আপনারা কে কি করেছেন বা করেন!পয়েন্ট আকারে দিলে আরও ভাল হয়।তাছাড়া,লিস্টের নিচের লেখক ‘মোঃ মোস্তফা কামাল ও বুড়ো শালিক’ এর কোন লেখা আসে না কেন!

    1. 7.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      ভাই -- এইগুলোতো ব্যক্তিগত তথ্য -- এই বিষয়ে হয়তো পাবলিক প্লেসে শেয়ার করা ঠিক হবে না। আর যে দুইজন লেখকের কথা বললেন -- সেই বিষয়ে উনারাই ভাল বলতে পারবেন।

  14. 6
    কিংশুক

    হযরত মোহাম্মদ সাঃ কোন মাজহাবের অনুসারী ছিলেন এমন প্রশ্ন করাই বোকামী কারন উনি যা করেছেন তাই শরিয়ত। ব্যাপারটা হলো লক্ষ সাহাবী রাঃ গণ জীবনের যে অংশে যেভাবে হুজুর সাঃকে দেখেছেন তাই উনার কাছে দলিল। এখন নবুওয়াতের তেইশ বছরে শরিয়তের অনেক সংশোধন, সংস্করণ ঘটেছে। এজন্য লক্ষ সহিহ হাদিসের মধ্যেও অনেক বিরোধ রয়েছে। বিজ্ঞ ঈমামগণ সেসব আপাতঃ বিরোধী সুন্নাহর মধ্যে আসল সমন্বয় করে প্রকৃত সত্য বের করে এনেছেন কোরআন হাদিস এবং সাহা বা রাঃ তাবেয়িন রঃ গুণের প্রেকটিস  দেখে এবং তীক্ষ্ণ মেধা দিয়ে । ঐ চার ইমাম তাবেয়ীন তা বে তাবেয়িন থাকায় এবং ওনাদের ওস্তাদদের চেইন সাহাবী রাসূল সাঃ পর্যন্ত যাওয়ায় দ্বীপ অবিকৃত অবস্থায় আহারে সুন্নাহর নিকট আছে। দ্বীনের জন্য উনারা  সবাই জান মাল দিয়ে কেবল দ ্বীনকেই রক্ষার কাজ করেছেন। প্রত্যেক হাদিস সংকলকও এই কাজ করেছেন। ঐ শতকের সকল আলেম ঐক্যবদ্ধ হয়ে চার মাজহাব ছাড়া প্রকৃত খাঁটি দ্বীন পাওয়া অসম্ভব এই ফতোয়া  দিয়ে গেছেন। তা বে তাবেয়িন হতে আঠারশ শতক পর্যন্ত যত আলেম, তাফসিরবিদ, হাদিসবিদ, ইসলামি ইতিহাস বিদ ছিলেন সবাই চার মাজহাবের অনুসারী ছিলেন (শিয়া ফিতনা ব্যতীত। তারা ভিন্ন জাতের)। কেয়ামত পর্যন্ত আহলে হক্ব বিজয়ী থাকবে। দ্বীনও টিকে থাকবে। আল্লাহ্ই পরীক্ষায় আহলে সুন্নাহকে বরাবর  সকল কঠিন পরীক্ষায় এমনকি শাহাদাতের বিনিময়ে হলেও কৃতকার্য পাচ্ছেন ।

    1. 6.1
      Shahriar

      "ঐ শতকের সকল আলেম ঐক্যবদ্ধ হয়ে চার মাজহাব ছাড়া প্রকৃত খাঁটি দ্বীন পাওয়া অসম্ভব এই ফতোয়া  দিয়ে গেছেন"  

      Can you please show some reference which support your explanation… and what kind of alem you are talking pls be specific?

      jajak-allah.  

      1. 6.1.1
        Anonymous

        right brother, if his comment is shahih give us some reference with authentic source.

        Jazak Allahu Khair

    2. 6.2
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      ঐ শতকের সকল আলেম ঐক্যবদ্ধ হয়ে চার মাজহাব ছাড়া প্রকৃত খাঁটি দ্বীন পাওয়া অসম্ভব এই ফতোয়া  দিয়ে গেছেন।   

      -- আপনার কথামতো যদি চার মাযহাবে খাঁটি দ্বীন পাওয়া যায় -- তাহলে কি চারটাই  অনুসরন করা ভাল হবে না! কারন একটা হয়তো আংশিক ভাবে খাঁটি -- অন্যটা তার পরিপুরক হবে। সেই ক্ষেত্রে কোন একটা মাযহাবকে "একমাত্র হক্ক" ঘোষনা দেওয়াটা কতটা দায়িত্বশীল কাজ হচ্ছে -- সেইটা জানার ইচ্ছা থাকলো।

  15. 5
    মোঃ শফিকুল ইসলাম

    বাড়াবাড়ি করা নবীর চরিত্র নয়,বাড়াবাড়ি বাদ দিয়ে সহজ সরল পথে থাকার নামই ইসলাম।

  16. 4
    কিংশুক

    আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াত হক্বপন্থী বলে দৃঢ়ভাবে দাবী করে কারন তাদের পক্ষে কোরআন, সুন্নাহ ও প্রথম তিন জামাতের প্রেকটিসের অসংখ্য দলিল আছে যা অন্য কারো নেই। এই দল হক্ব না হলে ইসলামই এই দুনিয়াতে নাই। প্রতিটি ফতোয়ার পক্ষে অসংখ্য দলিল।

    1. 4.1
      shahriar

      When ask who are "আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াত" everyone said we are!!!!???

      So what's the criteria to select "আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াত" ???

      The Prophet (saws) prophecized that there will come a time that Islam will be divided into seventy-three sects, Every one of these sects will go to the Hell Fire, except the one which was followed by the Prophet (saws) and his companions (r.a.).

      Then the re-answer come again everyone said that we follow Prophet (saws) and his companions (r.a.). Really funny.

      As per Quran (Chapter:3:64) said we are muslim, This is enough for me to express myself.

      Jajak-allah.

      ——————————————–

      http://corpus.quran.com/translation.jsp?chapter=3&verse=64

      http://www.islamhelpline.net/node/1036

      http://aqeedahinislam.blogspot.com/2013/01/hadith-about-73-sects-of-muslims.html

      1. 4.1.1
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        অবশ্যই নিজেকে কোন একটা মাযহাবের অংশ পরিচয় দেওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই। তবে ইবাদতের পদ্ধতিতে হয়তো কিছু পার্থক্যের জন্যে কোন সূত্র হিসাবে ইমামের পরিচয় দেওয়া ঠিক আছে। কিন্তু সেই পরিচয় দিতে গিয়ে নিজেদের শ্রেষ্ট হিসাবে বিবেচনা করা একটা ভুল সন্দেহ নেই। এতে অহংকারের প্রকাশ ঘটে -- যা মারাত্বক বটে।

  17. 3
    কিংশুক

    আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাতের মতে চার মাজহাবই হক্বপন্থী। তবে লা মাজহাবিরা পথভ্রষ্ট হলেও মুসলমানই। জনাব মওদুদি সাহেবও সকল সাহাবী রাঃ গণকে সত্যের মাপকাঠি না মানায় এবং সকল নবী আঃকে সব সময় ভুলের উর্ধে না মানায় পথভ্রষ্ট। সকল পথভ্রষ্টরাও জান্নাতে যাবে তবে সরাসরি নয় কিছুকাল জাহান্নামে থেকে। অবশ্য কে জান্নাতে যাবে আল্লাহ্ ছাড়া কেউ জানেনা। কেউ যাতে সিরাতুল মুস্তাকিম আহলে সুন্নাহ বহির্ভূত বাতিল পথে না যায় সেজন্য সমালোচনা করা হয়। কে কি ফতোয়া দিলো তাতে তো আর কিছু হবেনা। বিচারের মালিক আল্লাহ্।

    1. 3.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      লা মাযহাবী -- মানে যারা ঘোষনা দিয়ে নিজেদের চার ইমামের একজনের অনুসারী না হবে তারা "পথভ্রষ্ট" -- এই ধরনের কথা বলার মতো কোন দালিলিক প্রমান কি আছে -- দয়া করে দেখাবেন। রসুল (সঃ) এর হাদিস আর কোরান অনুসরন করার পরও কি একজনকে এই চার ইমামের অনুসারী হতেই হবে? 

      1. 3.1.1
        শাফিউল আলম

        ভাই আপনি মাযহাব কি এবং কেন বইটি পরেন

  18. 2
    shahriar

    Jajak-allah, আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    Very well said. At this time very suitable thought/write-up. Plesae keep continue …

    We are not Majhabi, La-majhabi, Sunni, Shia, আহলে হাদিস, জামায়াতে ইসলাম, তাবলীগ জামাত or whatever the name are.

    We are only Muslim, that's it. Nothing more or less.

    Jajak-Allah.

  19. 1
    এস. এম. রায়হান

    দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুকে থাকার সুবাদে মাযহাবী বনাম লা-মাযহাবী, দেওবন্দী বনাম আহলে হাদিস, জামায়াতে ইসলাম বনাম তাবলীগ জামাত, পীর/মাযার-পূজারী বনাম হুজুর-পূজারী, ইত্যাদি পন্থীদের মধ্যে মল্লযুদ্ধ ও কাদা ছোঁড়াছুড়ি দেখেছি। তাদের কীর্তিকলাপ দেখতে দেখতে আমি দিশেহারা হয়ে পড়েছি!

    হানাফী মাযহাবই যদি একমাত্র "হক্ক পন্থা" হয় তাহলে তো বাকি তিন মাযহাবের অনুসারীরাই বাতিলপন্থী তথা জাহান্নামী হবে! লা-মাযহাবীদের তাহলে কী হবে!

    1. 1.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      জানি নারে ভাই। না চাইতেই লা মাযহাবী হয়ে গেলাম। কি করবো বলুন। ছোট কালে পড়তাম -- "চার মাযহাবে চার ফরজ।" -- এখন মনে হয় সেই সমস্যা থেকে বের হয়ে গেছে সমাজ -- অন্তত মাযহাবকে ফরজ বলা হয় না। 

      তবে পাকিস্তানে এখনও ক্রশ-মাযহাব বিয়ে হওয়াও কঠিন। এই রকমই শুনলাম একজনের মুখে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.