«

»

May ১১

জাস্টিস সার্ভড – বেটার লেইট দ্যান নেভার!

Gy3aiTZ1_400x400
৭১ সালের কুখ্যাত আলবদর বাহিনীর প্রধান নিজামীর দন্ড কার্যকর হয়ে গেলো – এখন নিজামী ইতিহাসের অংশ। এখনও অনেকে হয়তো জানেন না – কি ভয়ংকর অপরাধ করেছে মতিউর রহমান নিজামী। ১৯৭১ সালে জামায়াতের ইসলামী পাকিস্তানের কেন্ত্রীয় মজলিশের সুরা পাকবাহিনীর গনহত্যার শুরু পর তাদের অবস্থান কি হবে সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহন করতে পারেনি নানান বিতর্কের কারনে। সেই কারনে  মাওলানা মওদুদী (যিনি কেন্দ্রীয় সুরার আমির ছিলেন) – জামায়াত কি বাংলাদেশের পক্ষে থাকবে নাকি পাকিস্তান আর্মির পক্ষে থাকবে; সেই সিদ্ধান্তের ভার দায়িত্ব অর্পন করে পূর্ব পাকিস্তান জামায়াতের সুরার উপর। তখন গোলাম আযমের নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তান জামায়াত এই মর্মে সিদ্ধান্ত নেয় যে তারা পাকিস্তানের অখন্ডতা রক্ষার পক্ষে কাজ করবে। এর পিছেন মুলত গোলাম আযমের রাজনৈতিক উচ্চাভিলাস কাজ করেছে – যা পরবর্তীতে প্রমানিত হয়েছে। 

সেই সিদ্ধান্তের আলোকে ২৫মার্চ (১৯৭১) এ পাক-বাহিনীর গনহত্যা শুরু কয়েকদিনে মধ্যেই খুলনায় জামায়াত নেতা মাওলানা এ কে এম ইউসুফের উদ্যোগ খুলনায় রাজাকার বাহিনী গঠিত হয় – কিন্তু কালক্রমে রাজাকার বাহিনী আর্মির নিয়ন্ত্রনে চলে যাওয়ার ফলে জামায়াতের পক্ষে টার্গেটেট কিলিং সম্ভব হচ্ছিলো না বলেই তৎকালীন জামায়াতের ছাত্র উইং "ইসলামী ছাত্রসংঘ"  (বর্তমানের শিবির)কে "আল-বদর" বাহিনীতে রূপান্তরিত করা হয়। এর কার্যক্রম শুরু হয় মোমেনশাহী (ময়মসিংহ) ছাত্রসংঘের সভাপতি আশরাফের নেতৃত্বে – পরে কেন্দ্রীয়ভাবে আল-বদর বাহিনী কাজ শুরু করে – যেহেতু নিজামী ছিলো ছাত্র সংঘের প্রেসিডেন্ট – সেই সুবাদে আলবদরের প্রধান হিসাবে সে কাজ করে। আল-বদর বাহিনীর কাজ ছিলো পাকিস্তানী আর্মির সহায়ক হিসাবে তথ্য সংগ্রহ করা এবং তাদের অপারেশনে সহায়তা করা – কিন্তু যুদ্ধের শেষ দিকে তাদের মুল হয়ে যায় টার্গেটেট কিলিং – শিক্ষক-চিকিৎসক-বুদ্ধিজীবি হত্যা করে বাংলাভাষীদের বুদ্ধিবৃত্তিক পংগু করে দেওয়া। কি ভয়ানক এই খুনী চক্রের নেতা আজ অসহায় ভাবে ফাঁসীর কাষ্ঠে ঝুলে মৃত্যু বরন করলো। 

(তথ্যসূত্র – "আলবদর" – সেলিম মনসুর খালেদ – প্রকাশ কাল ২০০৩ – লাহোর – ভাষা: উর্দ্দু) 

আল্লাহ তার বিচারের কিছু অংশ দুনিয়াতেই দেখান – কোথায় তার ব্যারিষ্টারী পাশ করা ছেলে (মাদ্রাসায় না পড়িয়ে ব্যারিষ্টারী পড়িয়েছে যাতে আইনী সহায়তায় কাজে লাগে) কোথায় বিএনপির দেওয়া বনানীর জমি – কোথায় তার রক্ষক মোটরসাইকেলধারী শিবির বাহিনী – সবই অর্থহীন – একটা মাত্র দঁড়ির টান – তারপর সবই শেষ।

এর থেকে আমাদের জন্যে নি্শ্চয় শিক্ষা আছে। অপরাধীর কোন মুক্তি নাই – আর অহংকারের পতন অবশ্যম্ভাবী।

অবশেষ ইতিহাস হয়ে যাওয়া নিজামী কিছু কথা দেখা যাক –  ৭১ সালে যখন বাংলাদেশের কোটি মানুষ রিফিউজী হয়ে পালিয়ে ভারতে চলে গেছে – আরো কয়েক কোটি মানুষ দেশের ভিতরে পালিয়ে বেড়াচ্ছে পাক-বাহিনীর অত্যাচার-ধর্ষন-খুন থেকে বাঁচার জন্যে তখন নিজামী কি বলতো –

১. 
“…আমাদের পরম সৌভাগ্যই বলতে হবে পাক সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় এদেশের ইসলাম প্রিয় তরুণ সমাজ বদর যুদ্ধের স্মৃতিকে সামনে রেখে আল বদর বাহিনী গঠন করেছে। বদর যুদ্ধে মুসলিম যোদ্ধাদের সংখ্যা ছিল ৩১৩। এই স্মৃতিকে অবলম্বন করে তারাও ৩১৩ জন যুবকের সমন্বয়ে এক-একটি ইউনিট গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। … আমাদের বিশ্বাস সেদিন আর খুব বেশী দূরে নয় যে দিন আল বদরের তরুণ যুবকেরা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর পাশাপাশি দাঁড়িয়ে হিন্দুবাহিনীকে পর্যুদস্তু করে হিন্দুস্তানের অস্তিত্বকে খতম করে সারা বিশ্বে ইসলামের বিজয় পতাকা উড্ডীন করবে। …” — মতিউর রহমান নিজামী 
[সূত্র : দৈনিক সংগ্রাম, ১৪ই নভেম্বর ১৯৭১, ‘বদর দিবস : পাকিস্তান ও আলবদর’ শিরোনামে লিখিত উপসম্পাদকীয়]
২. 
“…খোদাবী বিধান বাস্তবায়নের সেই পবিত্র ভূমি পাকিস্তান আল্লাহর ঘর। আল্লাহর এই পূত-পবিত্র ঘরে আঘাত হেনেছে খোদাদ্রোহী কাপুরুষের দল। এবারের শব-ই-কদরে ইসলাম ও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পরিচালিত উল্লেখিত যাবতীয় হামলা প্রতিহত করে, সত্যিকারের শান্তি ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠার এই তীব্র অনুভূতি আমাদের মনে সত্যিই জাগবে কি?” — মতিউর রহমান নিজামী 
[সূত্র : দৈনিক সংগ্রাম, ১৬ই নভেম্বর ১৯৭১, ‘শব-ই-কদর একটি অনুভূতি’ শীর্ষক উপসম্পাদকীয়]

এই হলো নিজামী! আফশোস – যদি এই লোকটা একবারও তার অপরাধের জন্যে অনুতপ্ত হতো – ক্ষমতা চাইতো – হয়তো বাঙ্গালী জাতি তাকে ক্ষমা করেই দিতো। কিন্তু ওদের অপরাধ এতো বড় যে ওরা ক্ষমা চাইতেও ভয় পায়।

প্রসংগক্রমে বলা দরকার – জামায়াতের ইসলামী পাকিস্তান তাদের ওয়েব সাইটে আল-বদর বাহিনীর প্রশংসা করেছে এই বলে যে – "Thousands of Bangali workers of Jamaat organized themselves under the banner of Al-Badar and Al-Shamas and fought against Indians and Bangali secessionists together." 

অবশেষে বাংলাদেশ ন্যায়ের পক্ষে একটা বড় পদক্ষেপ দিলো – বিচারহীনতার একটা দীর্ঘ কালের সমাপ্তির দিকে বাংলাদেশে। অভিনন্দন বাংলাদেশে, অভিনন্দন প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা – যার দৃঢ় নেতৃত্ব ও অবিচলতার ফসল হিসাবে বাংলাদেশ একজন জঘন্য যুদ্ধাপরাধীকে তার প্রাপ্য শাস্তি দিতে পেরেছে। 

সবশেষ সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রশংসা এবং কৃতজ্ঞতা – যিনি আমাদের ন্যয় এবং সত্যের পক্ষে থাকার নির্দেশ দিয়েছে এবং রহমত দিয়ে আমাদের ঘিরে রেখেছেন। 

 

আদালতের রায় এবং পর্যবেক্ষন বিষয়ক কিছু লিংক নীচে দেওয়া হলো: 

১) নিজামীকে মন্ত্রী করা ছিল শহীদদের প্রতি ‘চপেটাঘাত’
২) ধর্মের অপব্যবহার করেছেন ‘ইসলামের পণ্ডিত’ নিজামী
৩) নিজামীর ফাঁসি যে অপরাধে
 

৭৯ comments

Skip to comment form

  1. 23

    @জিয়াউদ্দিন,

    “কারন বিচার প্রক্রিয়ার ত্রুটির পিছনে ছোটা এবং বিচারকের সমালোচনা করার চেয়ে বিচার মেনে নেওয়াটাই আমি যৌক্তিক মনে করি – কারন হলো নীচের ্‌আয়াতটা -এবং আমি নিরাপদ থাকি – কারন বিচারের ভুলে দায় আমার না – যারা এর সাথে জড়িত সবার।“

    আপনার লিখার মধ্যে দ্বিচারিতা থাকে। আপনি নিজের পক্ষে যুক্তি পেশ করতে দ্বিচারিতার আশ্রয় নেন। আপনার লিখার দ্বিমুখী নীতির অনেক উদাহরণ দেওয়া যায়। আপনি বিচার মানার জন্য কোরানের আয়াত আনলেন- সবাইকে নসিহত করলেন। অথচ আপনি নিজেই বিচার না মেনে বিচারককে প্রশ্নবিদ্ধ করে ব্লগ লিখেছিলেন! বিচার পছন্দ না হওয়ায় বিচারককে কি বলেছিলেন? বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী ও সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী সম্পকে কি বলেছিলেন তা আপনার স্মরণে আছে? আপনি কোরানের আয়াত না মেনে তখন কেন বিচারকের সমালোচনা করেছিলেন? তখন কোরানের আয়াত কেন মানেননি? আপনি স্বঘোষিত “ইসলাম জানা” একজন হিসাবে কেন দ্বি-চারিতার আশ্রয় নিচ্ছেন? আসলে বিচার নিয়ে যে প্রশ্নগুলো উত্থাপন হচ্ছে- সেগুলো বস্তুনিষ্ঠ- এমনকি এতে আপনি বিব্রত। তাই কোরানের আয়াতের ভয় দেখিয়ে আপনি সবার মুখ বন্ধ করতে চাচ্ছেন- এটা আপনার একটা কৌশল। কোরানের আয়াত নিয়ে আপনার প্রকৃত ভয় থাকলে- আপনি নিজেই  সেই কাজটি করতেন না।

    http://www.shodalap.org/zia1307/8008/

    1. 23.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      ধন্যবাদ লিংকটার জন্যে। স্বীকার করতেই হবে -- সেই লেখাটায় বিচারপতির সমালোচনা ছিলো। লক্ষ্য করতে অনুরোধ করবো -- লেখাটা ২০১১ সালে লেখা। সেই সময় আমি ্‌আলোচিত কোরানের আয়াতটা জানতাম না। জানলে এভাবে লিখতাম না -- যদিও জানি পুরো বিষয়টা ছিলো বিতর্কিত -- তারপরও বিচারপতির সমালোচনা করা ঠিক না। কিন্তু এর পর ২০১২ সালে কাদের মোল্লার রায়ের পর আমার অবস্থানটা দেখেন -- তা হলে বিষয়টা পরিষ্কার হবে। 

      দুর্ভাগ্য আমাদের -- যারা ইসলামের কথা বলেন -- আলেম হিসাবে পরিচিত তাদের কাছে এই আয়াতটা শিখতে পারিনি। নিজেই শিখতে হয়েছে। 

      যাই হোক -- ব্যক্তি জিয়াউদ্দিনের অনেক ভুল ত্রুটি থাকতে পারে -- কিন্তু কোরানের আয়াতের কোন সমস্যা হবার কথা নয়। আর একজন মুসলিম যখন কোরানের আয়াত শুনে -- তখন বলার কথা -- সামওয়ানা ওয়া আতোয়ানা (আমি শুনলাম এবং মেনে নিলাম) -- এর বাইরে কোন কিছু আশা করা যায় না। 

       

      আর আমি কোরানের আয়াত উল্লেখ করেছি তাও একটা কারনে -- "ওতাওয়া বিল হাক্ক ওতাওয়া বিল সারব" এইটাও কোরানের নির্দেশ -- পরষ্পরের সাথে হক্ক কথাটা আলোচনা জরুরী বটে।

      যাই হোক -- আপনার উচিত ব্যক্তি জিয়াউদ্দিনের পিছনে না সময় নষ্ট করে তার লেখার বিষয়বস্তু ও বস্তুনিষ্টতা নিয়ে সমালোচনা করা। সেইটাই একজন মুসলিম অন্য মুসলিমের কাছে দাবী করতে পারে। 

       

      ধন্যবাদ  

  2. 22
    মহিউদ্দিন

    আপনি যা বলছেন – তা অনেকবার শুনেছি – গোয়েবলসের আদলে একই কথা বারবার বলে তা প্রতিষ্ঠিত করতে চাচ্ছেন।

     "গোয়েবলসের আদলে"  কথাটা আমার পরিবর্তে আপনার বেলায়ই ১০০% প্রযোজ্য।
    যখন দেখি "জাস্টিস ডান" বলেন যা এমনকি দেশের মিডিয়া বা পৃথিবীর কোন মিডিয়া শিরোনাম দিয়ে লিখতে চায়নি! অন্তত আমি দেখিনি। 

    আপনার সাথে আমার ব্যক্তিগত শত্রুতা নাই এবং করো সাথেই নেই। আপনার প্রোপাগাণ্ডা দেখেই বাধ্য হয়ে কিছু না কিছু বলতে হয়। 
    বাংলাদেশের টালমাটাল রাজনীতিতে আমার তেমন কোন ইন্টারেষ্ট নেই। তাছাড়া আমাদের লেখার কারণে বাংলাদেশ উদ্ধার হয়ে হয়ে যাবে, অথবা গদীশীনদের গদিতে আগুন লেগে যাবে সেই সম্ভাবনাও নাই। তবু দেশের জন্য মনের টানে এবং অন্যায় অত্যাচার দেখলে নিজেকে কিছু বলা থেকে বিরত রাখা কষ্ট হয় তাই ভন্ডযুদ্ধের জবাবে কথা বলে থাকি। 

    তবে আপনি ভালই বলেছেন, “সেইটা নির্ভর করে তার শিক্ষা আর রূচির উপর”। চিন্তা করুন আপনার শিক্ষা, রুচি আর যে পারিপার্শ্বিকতা থেকে এগুলো আপনি অর্জন করে যে রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে প্রবেশ করে প্রতিপক্ষ নির্মূল করতে যা কিছু করেছেন বলে স্বীকার করেছেন (মারধর, দৌড়ের উপর রাখা, আর প্রতিপক্ষ গালি দিয়ে ব্লগ লিখা ইত্যাদি তো দেখলামই) আর যা কিছু আপনাকে রিমান্ডে নিলে বেরিয়ে আসত, সেগুলোর সেই যে রুচি আর সেই যে শিক্ষা, এটা কি বলার অপেক্ষা রাখে?

    আর অপ্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে, কোরানের বাণী টানা দেখলে সেই প্রবাদের কথা মনে পড়ে, Religion is the last refuge of a scoundrel.

     “বিচার বিতর্কিত হলেই আসামীরা নির্দোষ হয়ে যায় না”।

    অবশ্যই না।
    আপনি এই বিচারিক প্রসেসের বিতর্কটুকুই বুঝতে পারেন নি, কেননা ভণ্ডযুদ্ধের দামামা-কোরাসে রাত-দিন নিমজ্জিত তাই কর্ণকুহরে অন্য কিছু প্রবেশ করবে কিভাবে? আপনি এই সামান্য কথাটি বুঝতে পারছেন না যে কাঠগড়ায় দাঁড়ানো অভিযুক্ত ব্যক্তিরা সত্যিই দোষী, না নির্দোষ, সেটা যে আদালত নির্ণয় করবে সেটিই বিতর্কিত, প্রশ্নবিদ্ধ। যেখানে বিচারকরাই চাপের মুখে আছেন বলে পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, যেখানে আপনার আর আপনার আদর্শের দলের দুশমন হত্যা না হয়ে ন্যায় বিচার কতটুকু হয়েছে সে প্রশ্ন তো আসতেই পারে  আর সে কথা কেউ বললে তাকে বিপদে পড়তে হবে কেন? আপনাদের কাজ তো আপনারা করতেই পারছেন। তবে এগুলো আলোচিত হবেই এবং হচ্ছেও, এবং ইতিহাসেও তা আলোচিত হবে।

    এখানে অপরাধীকে সমর্থনের কথা নয়, এটা আপনার ফ্যসিষ্ট মানসিকতার প্রকাশ। আজ গোটা বিশ্বের যারাই দ্বিমত পোষণ করবে তারা হয় জামাতি আর না হয় জামাতের টাকা খেয়েছে! বা "এরা বিচার চায় না", "বিচারকে বন্ধ করতে চায়" এসব কথা বলা তো কোনো সুস্থ চিন্তা হতে পারে না। এখানেই আপনার বিবেচনা ও বিবেকের সাথে আমার ১৮০ ডিগ্রি তফাৎ। ভাল থাকুন। 

    1. 22.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      ধন্যবাদ, অপ্রয়োজনীয় ব্যক্তি কেন্ত্রিক আলোচনা অনেকটা কমিয়েছেন -- তারপরও আমাকে নানান ভাবে জাজ করছেন -- এবারও নতুন কিছু শব্দ ব্যবহার করলেন। যাই হোক -- সেইটা আপনার অভিরুচী। 

      যখন দেখি "জাস্টিস ডান" বলেন যা এমনকি দেশের মিডিয়া বা পৃথিবীর কোন মিডিয়া শিরোনাম দিয়ে লিখতে চায়নি! 

      -- এইটা তো আমার লেখা শিরোনাম -- বিশ্ব মিডিয়া বা কোন দেশের মিডিয়ার সাথে সম্পর্ক কি? প্যালেষ্টানে ইসরায়েলের বোমায় ৮০০ শিশু নিহত হলেও তাকে গনহত্যা বলে না বিশ্ব মিডিয়া -- তাকে কি সেইটা গনহত্যা নয়? আমাকে কেন মিডিয়ার আনুগত্য করতে হবে। আপনি কি মনে করেন তা বলার পুরো এখতিয়ার আমার -- কিন্তু আমার কথা বলার অধিকার আপনি নানান ভাবে বন্ধ করার জন্যে আমাকে নানান বিশেষনে ভূষিত করছেন -- আবার আমাকে বলছেন   ফ্যাসিবাদী -- এইটা কেমন বিচার হলো। 

       

      আর অপ্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে, কোরানের বাণী টানা দেখলে সেই প্রবাদের কথা মনে পড়ে, Religion is the last refuge of a scoundrel.

      -- আমার কাছে প্রাসংগিক মনে হয়েছে বলেই বলেছি এবং ব্যাখ্যাও দিয়েছি। আপনি ইংরেজীতে একটা বাক্য লিখে তা কোরানের কথাকে অপাংসগিক বানালেন তা জানি না -- তবে আমার কাছে কোরানের আয়াতই ফাস্ট রিফিউজ -- অন্তত আমি তাই বিশ্বাস করি। আপনি হয়তো অন্যভাবে ভেবে থাকতে পারনে। মজার বিষয় কি জানেন -- এই বিচার বিতর্কিত করতে গিয়ে অনেক আলেমকেও দেখলাম -- মৃত্যুদন্ড কত নিষ্টুর শাস্তি তা বলে নানান জায়গায় আবেদন করতে -- যদিও মুত্যুদন্ড আল্লাহর বিধান বটে।

       

      আমার বিশ্বাস প্রপাগান্ডা কাকে বলে তার সংজ্ঞা আপনি জানেন --  আমার লেখা কতটা প্রপাগান্ডা আর কতটা রিয়েলিটি তা পাঠকই জানে। আপনি আমার লেখার সাথে কত দিন পরিচিত জানি না -- তবে সেই ১৯৮৮ সাল থেকে যুদ্ধাপরাধী রাজাকার আলবদরের বিচারে সোচ্চার -- তাই যখনই একটা বিচার সম্পূর্ন হয় -- তখনই বলি জাস্টিজ ডান -- গ্রেনেড মেরে বা রাতের আধারের হত্যা করা হলে এই কথা বলতাম না। বিচারের ভুলত্রুটির দায় আমার না -- ্‌আমার দায় বিচার চাওয়া -- জালেমের বিরুদ্ধে দাড়ানো এবং তাদের আইনের মুখোমুখি করার দাবী করা। এইটা আমার মিশন -- সেই মিশনের একটা সাফল্য হলো এক একটা বিচার শেষ হওয়া। আশা করি "জাস্টিজ ডান" কথা বুঝাতে পেরেছি। 

      বিচার বিতর্কিত না করে বরঞ্চ যদি দন্ডিতরা নির্দোষ এই কথাগুলো প্রমান সহ উপস্থাপন করতে পারতেন -- তা হলে তা হতো ভাল -- কিন্তু অন্যের দোষত্রুটি কথা বলে দন্ডিতদের দোষত্রুটিগুলো আড়াল করার যে মহাযজ্ঞ চলছে তা তো দেখছি -- যার ঢেউওর প্রভাব টরন্টোর মসজিদগুলোতে দেখা যায়। এই্ যে আংশিক সত্য আর মিথ্যার মিশ্রনের রাজনৈতিক খেলঅ -- তার দায় পুরোটা জামাতের এবং এক সময় তাদের এ্ই জন্যে বড় ধরনের খেশাসর দিতে হবে। যার কিছুটা নমুনা দেখছি আজ মধ্যপ্রাচ্যে জামায়াতের পা রাখার জায়গা নেই -- কিন্তু ৭১ এর পর মধ্যপ্রাচ্যেই ছিলো জামায়াতে মুল প্রেট্রোন -- এর কারনগুলো ভাবুন -- ভেবে দেখুন এই ৭২ থেকে ৭৫ পর্যণ্ত জামায়াতের মিথ্যা প্রচারনার ফলাফল আজ জামায়াতের নেতাদের অবস্থানে কোথায় নিয়ে গেছে। 

      ভাল থাকুন।  

      1. 22.1.1
        মাহফুজ

        মি. মহিউদ্দিন, আপনার উল্রেখিত প্রবাদটি (Religion is the last refuge of a scoundrel) যারই (সম্ভবত George Orwell এর) হোক না কেন, তিনি এবং যারাই এর সাথে সূর মেলাবে তারা নিশ্চয় সত্য ধর্মের প্রকৃত রূপকে চিনতে ব্যর্থ হয়েছেন।

        বিশেষ করে একজন প্রকৃত মুসলিম কখনই "ধর্ম হলো দুর্বৃত্তের শেষ আশ্রয়স্থল" এরূপ ভ্রান্ত বাণী বিশ্বাস করতে ও তা প্রচার করতে পারে না।

        শান্তিপ্রিয় মানুষ শান্তির জন্যই সত্য ধর্ম চিনে নিয়ে তার ছায়াতলে আশ্রয় গ্রহণ করে। যদি বলা হত- "Hypocrisy in the name of religion is the last refuge of a scoundrel", তাহলে তা মেনে নেয়া যেত।

        Unrighteousness/ irreligion অর্থাৎ অধর্মই বদমাশ, দুর্বৃত্ত, শয়তানের আশ্রয়স্থল।

        মুসলিদেরকে অপরের ধার করা বাণী ছেড়ে মহান স্রষ্টা প্রেরিত পবিত্র কোরআনের বাণীতে বিশ্বাস করা ও তা প্রচার এবং পালনে সচেষ্ট হওয়া উচিত।

         

  3. 21
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    বিএনপি জামাতের চলমান যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে বিতর্ক তৈরীর একটা ধূয়া হলো -- এ্ই বিচার আন্তর্জাতিক মানের হয়নি -- তাই তারা টবি ক্যাডম্যানের মাধ্যমে হেগের আদালতে অভিযোগ করেছিলো ২০১৪ সালে -- 

    Investigate Bangladesh for 'crimes against humanity'

    অবশেষে তা বাতিল  করা হয় -- 

    Int'l court of Hague rejects BNP-Jamaat's allegations against Bangladesh Govt.

    Source: http://defence.pk/threads/intl-court-of-hague-rejects-bnp-jamaats-allegations-against-bangladesh-govt.432094/#ixzz4ACQfKOJP

    এতে কি "আন্তর্জাতিক" মানের আলেয়ার পিছনে ছুটা বন্ধ হবে! 

  4. 20
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    আপনার সাথে তর্ক করার ইচ্ছা নেই -- কারন আপনার কষ্টটা বুঝি -- সহমর্মিতাও আছে। আপনার কথা বুঝ যাচ্ছে আপনি আইনেও বেশ পারদর্শী -- যেমন ঝগড়াতেও। আর কানাডিয়ারা কি জানে -- ওরা তেমন জ্ঞান রাখে না -- সকল জ্ঞান বাংলাদেশের বিশেষ দলের আইনজীবিরাই রাখেন -- সুতরাং সেই বিতর্ক বাদ। আর আপনার আইনী জ্ঞানের উপর অসীম আস্থা স্থাপন করলাম। এবার আসেন আলোচনা শুরু করি। 

    একটা প্রশ্ন দিয়ে শুরু করতে চাই -- যদি জবাব দেন -- আপনার এই যে আইনী অভিযোগগুলো তা কি শুধু মাত্র "আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যালের"জন্যে প্রযোজ্যে -- নাকি বাংলাদেশের পুরো বিচার ব্যবস্থার জন্যেই প্রযোজ্য। মানে শুধু ট্রাইবুন্যালই "পক্ষপাত দুষ্ট" -- আর তার সাথে আপীল বিভাগও কি পক্ষপাত দুষ্টতায় অভিযুক্ত? 

    আমার বুঝার বিষয় হলো -- বাংলাদেশের সকল নাগরিক যে ব্যবস্থায় বিচারের মুখোমুখি হয় -- সেই ব্যবস্থায় আপনার অভিযোগ গুলোকি প্রযোজ্য? যদি সকল নাগরিক এই ব্যবস্থায় সুবিচার পায় -- তবে বিশেষ শ্রেনীর কিছু মানুষ সুবিচার পেতে অসুবিধা কোথায়? ট্রাইবুন্যাল তো হাইকোর্টের এক্সেনশান -- সেখানে হাইকোর্টের বিচারপতিরা বসেন আর সুপ্রীয়ম কোটর্তো স্বাভাবিক কোর্টই -- যা ১৬ কোটি মানুষের জন্যে প্রযোজ্য -- তা বিশেষ কিছু লোকের জন্যে সমস্যা কেন?  যদি এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেন উপকৃত হই। দয়া করে ইউটিউবের প্রপাগান্ডার ভিডিও গুলো দেখতে বলবেন না, প্লিজ। আপনিও জানেন এইগুলো প্রডা্শন কেন এবং কি উদ্দেশ্যে হয় -- এইগুলো আংশিক সত্য এবং মিথ্যার মিশ্রনে ভরা থাকে যা মুলক কর্মী সমর্থকদের জন্যেই তৈরী -- তার অডিয়েন্স সাধারন মানুষ না বলেই জানি। 

    আরেকটা কথা চিন্তা করি -- বিচার ভুল -- বিচারক পক্ষপাত দুষ্ট -- এই গুলোতো বিচারকে বিতর্কিত করাই নাকি -- আপনার কথামতো ধরে নিলাম বিচার সঠিক হয় নি -- তার মানে কি "আসামী নির্দোষ" প্রমানিত হয়ে গেলো?  

    আমার যতটুকু বুঝ -- আপনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে এই বিচার ত্রুটিপূর্ন -- এখন সেই সিদ্ধান্তের পক্ষে প্রমানাদি খুঁজে এনে তার লিংক দিয়ে নিজের সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমান করার চেষ্টা করেন। এইটা কি আমার ভুল দেখা?

    আর কিছু বিষয় যদি বুঝিয়ে বলে --

    ১) যুদ্ধারাপধে বিচারে আর্ন্তজাতিক মান বলতে কি বুঝায়  (উদাহরন সহ),

    ২) স্বচ্ছতা বলতে কি বুঝায়, আর

    ৩) নিরপেক্ষতা বলতে কি বুঝায়।  

    এই ক্ষেত্রে কে কি বললো তার রেফারেন্স না দিলেই ভাল হয় -- কারন টাকা দিলে বাঘের দুধও পাওয়া যায় -- আর কেসিডির মিলিওয়ন ডলার কাদের কাদের পকেটে গেছে তার হদিস আপনিও জানে না আমিও জানি না। তাই আশা করি জ্ঞানার্জণের সহায়তার জন্যে আপনি নিজের বক্তব্যগুলোই সদালাপের মাধ্যমে পাঠকদের জানালে কৃতজ্ঞ থাকবো। 

    ধন্যবাদ। 

    1. 20.1
      সুজন সালেহীন

      জিয়া ভাইকে একটা কম্প্রিহেনসিবল উদাহরণ দিয়ে বুঝাই “কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট” কাকে বলে। ধরুণ নিজামী সাহেবের ব্যারিস্টারী পাশ করা ছেলে কথিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বাদী রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী নিযুক্ত হলেন। ততমতে তিনি রাষ্ট্রপক্ষের উকালতনামায় স্বাক্ষরও করলেন। এখন নিজামী সাহেবের ব্যারিস্টারী পাশ ছেলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মামলায় বাদী রাষ্ট্রপক্ষের স্বার্থের বিপক্ষে আসামীপক্ষের কৌশলী নিযুক্ত হতে পারবেন না। কারণ উকালতনামায় স্বাক্ষরের মাধ্যমে একজন আইনজীবি সংশ্লিস্ট মামলায় শুধুমাত্র ঐ মক্কেলের স্বার্থের পক্ষে কাজ করবেন বলে শফতবদ্ধ হয়ে গেলেন। এটা বাংলাদেশের কোর্টে প্র্র্যাকটিসরত সব আইনজীবিরা জানেন। এটা শুধু আমাদের দেশীয় পদ্ধতি না। এটা আন্তর্জাতিকভাবে সুপ্রতিস্টিত পেশাগত নীতি। কথিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বাদী রাষ্ট্রপক্ষের কৌশলী মালুম গংদের অজ্ঞ ভাবার কোন কারণ নেই। বরং আমার অবাক লাগছে আপনার কথিত কানাডিয়ান “কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট” বলতে কি বুঝেন! নাকি আপনি আবু সাঈদ জিয়াউদ্দীন সাহেবের ধারণাকে বেচারা কানাডিয়ানের বলে চালিয়ে দিলেন! এরপরও যদি নিজামী সাহেবের মামলায় এ ধরণের কোন “কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট” ঘটে থাকে, আপনি বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট চত্বরে অবস্হিত বাংলাদেশের আইনজীবিদের নিবন্ধন প্রতিস্টান বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে নিজামী সাহেবের ব্যারিস্টারী পাশ ছেলের বিরুদ্ধে পেশাগত অসদাচরণের অভিযোগ দাখিল করতে পারেন। এতে নিজামী সাহেবের ব্যারিস্টারী পাশ ছেলের আইনজীবি সনদ বাতিলের সুযোগ পেতে পারেন। এখন ছেলেকে ব্যারিস্টারী পড়িয়েছে বলে যে হিংসার উদ্রেগ হচ্ছে, তাতে আপাতত উপশম হবে।

      আপনি এই পোস্টের কোন এক মন্তব্যে আমাকে জানালেন আন্দাজ অনুমান নির্ভর কথা বলা মুসলমানদের জন্যে শোভনীয় নয়। আমি মুসলমান হিসেবে এটা আমি অবশ্যই মানি। এবং আমি আমার সংশ্লিষ্ট মন্তব্যের সূত্র উল্লেখ করে জানাতে চেয়েছিলাম এটা আমার অনুমান নির্ভর মন্তব্য নয়। এখন বলেন আপনি কে যদি আপনার জন্য আন্দাজ অনুমান নির্ভর কথা বলা শোভন হয়! আপনি কিসের উপর নির্ভর করে বলে দিচ্ছেন কে কোন বিষয়ে কোন উদ্দেশ্যে তার সন্তানদের পড়িয়েছেন কিম্বা কার কোন উচ্চাভিলাষ কাজ করে? প্রসংগত আমার মা-বাবার ইচ্ছে ছিল আমি একটা বিষয়ে পড়ে প্রতিষ্টিত হব। কিন্তু আমি আমার মা-বাবার ঐ ইশ্পিত বিষয়ে ভর্তির সুযোগ না পেয়ে অন্য বিষয় পড়তে বাধ্য হই। এখন এমন এক জায়গায় থিতু হয়েছি যেটা আমি নিজেও কখনো কল্পনা করিনি। আপনি কিসের উপর নির্ভর করে বলবেন আমার বর্তমান অবস্হানের পূর্বকারণ কি ছিল!

      এই পোস্টের অন্য এক মন্তব্যে দেখলাম আপনি মন্তব্যকারীকে উপদেশ দিলেন জামাতিদের দেখলে গা ঘিন ঘিন করে এরা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রতারক শুধু নিজের দেশেই না সারা বিশ্বের আলেমদেরও ওরা বিভ্রান্ত করছে। তাই দুরে থাকুন। সেইটাই ভাল।

      যেটা উনার জন্য ভাল, সেটা আপনার জন্য ভাল নয় কেন? আপনাকে হামেশা দেখা যায় আপনি জামায়াত কিম্বা তাদের নেতাদের নিয়ে লিখতে। অন্তত এই সদালাপ সেটাই প্রমাণ করে। কেন আপনি তাদের থেকে দূরে থাকছেন না? পাছে সারা বিশ্বের আলেমদের মত আপনি বিভ্রান্ত হবেন!

      আদালত পাড়ার বর্তমান অবস্হা দেখে দেশের সর্বজন শ্রদ্ধেয় আইনজ্ঞ ব্যারিস্টার রফিকুল হক সাহেব আক্ষেপ করে বলেছিলেন এখন আইনের উকিলের চেয়ে লাইনের(আওয়ামী) উকিলের দরকার। কারণ এখন আইনজানা উকিল দিয়ে মক্কেলরা প্রত্যাশিত প্রতিকার পাচ্ছেনা। কথিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কোন অর্থে আন্তর্জাতিক? বরং এর কাযক্রম ও উপাদানে বলা যায় এটা গৃহপালিত ট্রাইব্যুনাল। এই ট্রাইব্যুনালে চলমান মামলার একজন সাক্ষী বিরুদ্ধপক্ষ কর্তৃক গুম করা হয়েছিল, এর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল কি প্রতিকার দিয়েছিল? মামলার একটিপক্ষ যখন তখন তাদের সাক্ষীর সংখ্যা সংযোজন করতে পারে, সময় চাইতে পারে কিন্তু অপরপক্ষের জন্য সীমিত! ট্রাইব্যুনাল-১ এর প্রথম চেয়ারম্যান বিচারপতি নাসিম সাহেব পূর্বকালে ঘাদানিকের সংশ্লিষ্ট ছিলেন এবং বর্তমান চেয়ারম্যান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম আইনজীবি থাকাকালে সুপ্রীম কোর্ট আইনজীবি সমিতির আওয়ামী লীগ প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এখন বাংলাদেশের প্রশাসনে কর্মকর্তাদের পক্ষপাতদুষ্ট না হলে তাদের রক্ষা নাই! একটি মামলায় ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের এক শীর্ষনেতাকে বিচারক সাহেব বেকসুর খালাস দিয়েছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট বিচারক সাহেবকে ক্ষমতাসীনদের মাস্তানির শিকার হয়ে দেশছাড়া হতে হয়েছে। হাইকোর্টের একজন বিচারপতি সাহেবকে দেখা গেল এজলাসে বসে ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের শীর্ষনেতাকে তিরস্কার আর ঠাট্টা করছেন আর যত্রতত্র স্বপ্রণোদিত(Suo motu)রুল জারী করছেন। প্রত্যেকটা রুলের পেছনে য়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য কাজ করছে তা আপনাআপনি প্রমাণিত। পরে এই বিচারপতি সাহেবকে দেখা গেল কথিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের একটি মামলার আপীলকে সামনে রেখে তড়িগড়ি জৈষ্ঠ্যতা লংঘন করে আপীল বিভাগে পদোন্নতি করা হয়েছিল। এখন এই বিচারপতি সাহেব বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের টকশোতে অত্যন্ত গর্বসহকারে বলে বেড়াচ্ছেন তিনি একমাত্র বিচারপতি যিনি আপীলে অমুককে ফাঁসির দন্ড দিয়েছিলেন। ন্যায়বিচার মানে আসামীকে শুধুমাত্র ফাঁসির দন্ড দেয়া নয়। ন্যায়বিচার মানে আসামীর ফাঁসির দন্ড, কারাদন্ড, অর্থদন্ড, বেকসুর খালাস অথবা এদের সমন্বয়ে যেকোন একটি হতে পারে। আন্তর্জাতিক মান বলতে আন্তজাতিকভাবে প্রতিষ্টিত আইনের সব রীতি-নীতি অনুসরণ করা। স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা যেকোন সুস্হ, বোধসম্পন্ন মানুষের বোধগম্য।

      1. 20.1.1
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        আপনার ব্যবহূত তিনটা কথা চরম আপত্তিকর -- 

        ১) মালুম গং (প্রতিপক্ষকে যারা সন্মান দেয় না তারা কোন ভাবেই সন্মান পাওয়ার যোগ্য রাখে না) 

        ২) কথিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশের সংবিধান ও আইনের আওতায় বৈধ ভাবে প্রতিষ্টিত একটা বিচারিক কার্যক্রমকে অবজ্ঞা করা মানে বাংলাদেশকে অস্বীকার করা -- এইটা শুধু পাকিস্তানীদের পক্ষেই সম্ভব)

        ৩) ঘাদানিক (ঘৃনার চাষাবাদ শুরু হয় নামের বিকৃতি দিয়ে -- জামাত-শিবির আর ফ্রীডম পার্ট এই বিকৃত নামে একটা বিচারের দাবীর আন্দোলনকে তাচ্ছল্য করছে -- ফলাফল আমরা দেখছি) 

        সদালাপকে বাঁশের কেল্লা ভাবার কোন কারন নেই -- এই ধরনের শব্দবলী ব্যবহার করে অন্যকে নিরপেক্ষ থাকা বয়ান দেওয়া হাস্যকর বটে। 

        এইবার কিছু কথা বলি -- আপনি শুরু থেকেই একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে বসে আছে -- উপপাদ্যের মতো -- এখন সকল বিন্দু যোগ করে আপনার সিদ্ধান্ত প্রমান করবেন। এইটা তো স্বাভাবিক। বেহুদা বিতর্ক করে সময় নষ্ট না করে বরঞ্চ অন্য বিষয়ে আলোচনা করি। আমার মনে হয় -- পৃথিবীর কোন কিছুই আপনাকে কনভিন্স করতে পারবে না যে দন্ডিত যুদ্ধাপরাধীরা অপরাধ করেছে। 

        আমার বিশ্বাস বাংলাদেশের বাস্তবতায় সর্বোচ্চ আইনী সুযোগ পেয়েছে অপরাধীরা -- বিচারের সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা রক্ষা হয়েছে  এবং সুবিচার হয়েছে। আমি আন্তর্জাতিক মান বিষয়টা কি সেইটা বুঝার চেষ্টা করেছি অনেকবার -- কিন্তু এই পর্যন্ত বুঝতে পারিনি -- কারন সাদা চামড়ার কোন মানুষ ইংরেজীতে কিছু বললেই যদি সেইটা আন্তর্জাতিক মানের মানদন্ড হয় -- তবে এক রকম -- সেইটা আবার স্থান ভেদে প্রয়োগ আলাদা -- সাদ্দাম হোসনকে ঈদের আগের রাতে ফাঁসি দিয়ে ভিডিও ছেড়ে দিয়েছিলো তখন তখন স্টীফেন র‍্যাপ ছিলো প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা। সেই সময় র‍্যাপ সাহেব কিন্তু এই নিয়ে কোন আপত্তি করেননি। কিন্তু উনার পদ চলে যাওয়ার পরাও বেশ কয়েকবার বাংলাদেশে এসেছিলেন -- কে তার খরচ বহন করেছে তা জানি না -- তবে উনিও কিন্তু আর্ন্জাতিক মান নিয়ে তেমন কিছু বলেননি। অথবা হেগের আদালত থেকে বহিষ্কৃত আইনজীবি টবি ক্যাডম্যান যখন কোন বিষয় নিয়ে কথা বলে -- সেইটা এক ধরনের মানদন্ড -- আসামী পক্ষের উকিলরা হেরে যাওয়া আগে নানান বিষয়ে অভিযোগ তুলে -- এখন হেগের আদালত নিয়েও অভিযোগ উঠছে -- ওরা নাকি কালো মানুষদের টার্গেট করছে -- কিন্তু ইসরায়েলের মতো অপরাধী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে টু শব্দও করছে না। সুতরাং কোন আন্তর্জাতিক মানের কথা আমরা বলবো -- মুসলিম দেশ হিসাবে সৌদির আরবের মান নিতো রাজী থাকলে নিমার ্‌আল নিমারের বিচারটা দেখা যেতে পারে -- অথবা ইরানের বিচারের বিষয়গুলো দেখা যেতে পারে। তাই আন্তর্জাতিক মানে ধূয়া আসলে মানুষে বিভ্রান্ত করা একটা প্রপাগান্ডা ছাড়া কিছুই না। 

         আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকোন অর্থে আন্তর্জাতিক?

        -- এই বিষয়ে আগেও বলেছি -- আদালতের নাম "আন্তর্জাতিক" না -- আদালত গঠনের আইনটির নামের সাথে আন্তর্জাতিক শব্দটা থাকায় এই কনফিউশন তৈরী করা হচ্ছে। আইনের শিরোনাম -- আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবুনাল) আইন ১৯৭৩ -- যা ১৯৭৩ সালে সংসদে পাশ হয়। এই আইনে আওতায় আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত অপরাধসমূহের বিচার করা যাবে -- 

        এই ট্রাইব্যুনাল নিম্নোক্ত অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি বা দল, সেনাবাহিনী কিংবা তাদের সহযোগী সশস্ত্রবাহিনীর বিচারের ক্ষমতা রাখে।[৩]

        ১. মানবতা বিরোধী অপরাধ (Crimes against Humanity)
        ২. শান্তি বিরোধী অপরাধ (Crimes against Peace)
        ৩. গণহত্যা (Genocide)
        ৪. যুদ্ধাপরাধ (War Crimes)
        ৫. ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশন বিরোধী কাজ
        ৬. আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে যে কোন অপরাধ ইত্যাদি

        লক্ষ্য করার মতো বিষয় হলো -- এই আইনের আওতায় সেনাবাহিনী এবং "সহযোগী"দের বিচার করার বিধান রাখা হয়েছিলো -- সেই সহযোগী হিসাবে রাজাকার-আলবদরদের বিচার করার সুযোগ হয়েছে। 

        আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত অপরাধসমূহ বিচারের জন্যে এই আইনও  দেশী আদালত প্রতিষ্টার বিধান দিয়েছে -- সেই সুবাদে ট্রাইবুন্যাল তৈরী করা গেছে। 

        জামাত-শিবির, রাজাকার আর আলবদরদের অনুসারীরা এই বিচার মানবে এমন চিন্তা কশ্মিন কালেও করি না- কিন্তু দুর্ভাগ্য হলো -- সদালাপেও রাজাকার আলবদরের পক্ষে সাফাই গাওয়ার সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে। 

        1. 20.1.1.1
          সুজন সালেহীন

          শব্দগুলির ব্যাপারে আপত্তি করে আপনি বরং নিজের অজ্ঞতাই প্রকাশ করলেন!

          ১) মালুম গং মানে মালুম এবং অন্যান্যরা অর্থাত গং মানে অন্যান্যরা। এটি আদালতে ব্যবহৃত শব্দ। আপনি দেখবেন আমাদের দেশের আদালতে মামলার নথিপত্রে এ শব্দটির অনিবার্য ব্যবহার। ধরুণ একটি মামলা রাষ্ট্র বনাম রফিক, ফরহাদ এবং পলাশ- আদালতের পরিভাষায় সংক্ষিপ্তাকারে মামলাটিকে উল্লেখ করা হবে রাষ্ট্র বনাম রফিক গং যা ইংরেজীতে লেখা হয় State Vs Rafique & Others. আইনজীবি হিসেবে মালুম সাহেব ও তার সহকর্মীদেরকে যদি সংক্ষিপ্তাকারে মালুম গং উল্লেখ করা হয়, তাহলে তিনি নিজেও আপত্তি করবেননা।

          ২) কথিত মানে ইংরেজীতে said বলা হয়। এ শব্দটিও দলিল পত্রে ব্যবহার হয় কোন জিনিসকে নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করার জন্যে। কথিত বা তর্কিত বা ইংরেজীতে in question, যেমন the subject in question অর্থাত যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে বা তর্কিত বিষয় বা কথিত বিষয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল অন্যান্য দেশেও থাকতে পারে। এখানে বাংলাদেশে অবস্হিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল নিয়ে আলোচনা হচ্ছে অর্থাত তর্কিত বা কথিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানে বাংলাদেশে অবস্হিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এটা অবজ্ঞপ্রসূত নয়।

          ৩) ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি সংক্ষেপে ঘাদানিক বা ঘাদানি কমিটি। এক সময় বাংলাদেশের পত্রপত্রিকায় ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটিকে সংক্ষেপে ঘাদানিক বা ঘাদানি কমিটি বলে রিপোর্টে আসত। পরবর্তীতে ঐ কমিটির আন্দোলন স্তিমিত হয়ে যাওয়ার কারণে শব্দটি পত্রপত্রিকায় তেমন দেখা যেত না। জামায়াত-শিবিরকে সংক্ষেপে অনেকে জাশি লেখে। বিশিষ্ট আওয়ামী বুদ্ধিজীবি ডঃ মুনতাসির মামুন ইদানিং একটি শব্দ সৃজন করেছিলেন হেজাবি মানে হেফাজত-জামায়াত-বিএনপি। এখানে নাম বিকৃতি হয়েছে?

          বাকী বিষয়ে নির্মোহ, ন্যায়বোধ সম্পন্ন না হলে আলোচনা করা বৃথা!

    2. 20.2
      মহিউদ্দিন

      জিয়া ভাই, 
      আপনি আবার একই খেলা শুরু করলেন! আপনি আলোচনায় টু দি পয়েন্টে থাকতে পারেন না, এক কথা বাদ দিয়ে ১০ ডালে ঘুরেন তারপর আপত্তিকর কথা বলেন –এটা কেন? 
      এই যে আপনি তর্ক করবেন না বলেই তর্ক জুড়লেন, তাও এই বলে: আপনি আমার “কষ্টটা বুঝেন”, “সহমর্মিতাও আছে”। এখন তো দেখছি "মনস্তাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞ" হয়ে গিয়েছেন!  আপনি কি কষ্টের কথা আর কি সহমর্মিতার কথা বলছেন? আপনাকে এখন সঠিক উত্তর দিলে আপনি কান্না শুরু করবেন, 'আমাকে গালি দিচ্ছেন" বলে। আপনার কি মনে হয় আমার এসব বিষ্ঠা খেলার সময় আছে? Really do you think I have time to response to this crap?

      কথা ছিল বিচারে "স্বার্থের দ্বন্দ্ব" তথা conflict of interest এর বিষয়ে একাডেমিক আলোচনা এবং এ ব্যাপারে আমি প্রচুর যুক্তি ও তথ্য লিংক দিয়ে আমার পয়েন্ট অফ ভিউকে পরিস্কার করার চেষ্টা করেছি। আপনি না বুঝলে সেটার উত্তর দেবেন।  তারপর জাস্টিস টি এইচ খানের বক্তব্য যেখানে আপনার গোটা ‘জাস্টিস সার্ভড’ ব্লগকে হাস্যকর এবং পঙ্গু করে দেয়, আপনি সেটির আলোচনা করেন নি । একটি ট্রাইব্যুনাল আপনাতেই যখন প্রশ্নবিদ্ধ তখন জাস্টিসের প্রশ্নই উঠে না। কিভাবে এটা ন্যায়বিচারের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত এবং আপনার ধারণার সঙ্গে যে ন্যায় বিচার সাংঘর্ষিক তা আলোচনা এসেছে  কিন্তু এখন তা বাদ দিয়ে অন্য প্রশ্ন শুরু করেছেন। এ যেন কেউ এক মাতালকে জিজ্ঞাসা করছে এ বেটা তুই কি মাতাল? উত্তরে সে বলে "ভাই বলেন তো আমি কি দেখতে সুদর্শন  না কুৎসিত?"

      এক কাজ করেন যে সব  ভিন্ন প্রশ্নগুলা আপনি করেছেন তার উত্তর আপনার কাছে জানা থাকলে আমাদেরকে জানিয়ে দেন সেটাই বরং ভাল হবে।

      আমি তো আপনাকে ইউটিউবের সব ভিডিওতে বিশ্বাসী করতে বলছিনা কিন্তু যে পয়েন্টগুলা এখানে বলা হয়েছে তার জবাব দিতে আপত্তি কোথায়?  

      বিচার ব্যবস্থা সুষ্টু (Fair) বা সে প্রক্রিয়া সুষ্ঠু হওয়ার অর্থ এটা নয় অপরাধীকে মুক্তি দেয়া বরং যাকে যে অপরাধের অভিযুক্ত করা হয়েছে সে ব্যাপারে যাতে "Beyond reasonable doubt" সহ অভিযোগ গুলা প্রমাণ করার সুযোগ যাতে থাকে সেটা নিশ্চিত করা এবং এ প্রমাণগুলা যাতে স্বার্থের দ্বন্দ্বের ঊর্ধ্বে গিয়ে সঠিক বিবেচনার সুযোগ পায় ও সে অনুসারে কোন মভ বা কারো চাপের বাহিরে থেকে রায় আসে। এখন এ সব কথা বলতে গেলে কোন অপরাধীর প্রতি অনুকম্পা দেখানো মনে করতে পারে একমাত্র সে যে মনে করে বিচারের কোন প্রয়োজন নাই আমারা যাদেরকে দুষী মনে করি বা "পারশিপশনের" ভিত্তিতেই একে মারতে হবে। আপনি হচ্ছেন এই দলের এক জঘন্য উদাহরণ।

      এ ধরণের বিচারের কথা টেনে ধাপ্পাবাজির কিছু নেই, উল্লেখিত বিচারকগণ ‘সম্ভবত’ আপনার চেয়ে বিচার/আদালত সম্পর্কে কিছুটা বেশি বুঝেন। আপনি ব্লগিং করেই জাঁদরেল বিচার বিশেষজ্ঞ হয়েছেন, ধরা খেলে বলেন ‘অজ্ঞ’, না হলে বিজ্ঞ। শোনেন, ডালে ডালে বিচরণ বন্ধ করেন। একটি বিচার জাতি আশা করেছিল কিন্তু আপনারা তা প্রশ্নবিদ্ধ করে ধ্বংস করে দিলেন। এই চরম অঘটন ও ব্যর্থতার জন্য আপনারা দায়ী। আপনারা যাদের সাথে দীর্ঘকাল ধরে নানান আক্রমণে লিপ্ত তাদেরকে এখন “জামাইর মা, কণের মা” কোর্ট সাজিয়ে মেরে ফেলেছেন, এটা কোন জাস্টিস নয় তাই পৃথিবীর অনেক প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিরাও বলেছেন এটা –হত্যা যার অজস্র ইউটিউব ভিডিও তথ্য আছে চিরদিন থাকবে সাইবার জগতে। অবশ্য এগুলা সবই প্রোপাগান্ডা তাই চিন্তার কারণ নাই। 

      একজন মুসলিমের কাছে end does not justify the means. Here lies the Iman. কথা হচ্ছে এসব শুনার কি দরকার? বিশেষ করে বাংলাদেশে সব কিছুতে যে কালচার সর্বত্র এখন বিদ্যমান সেখানে এসব কথার কি কোন মূল্য আছে?  

      আপনার সঙ্গে এ বিষয়ে আর আলোচনা বা সময় ব্যয় করার ইচ্ছা নাই। আপনি আপনার ধারনা নিয়েই থাকুন। 

      আর আমাকে দু:খিত ভাবার কোন কারণ নাই আল্লাহ আমাকে অনেক সুখে রেখেছেন সে জন্য হাজার শোকরিয়া। আপনি আপনার বিচার নিয়ে খুশী থাকুন তবে সামান্য দু:খিত যে আপনার ব্লগের কষ্টটা বৃথা গেল বিশেষ করে উপরোক্ত আলোচনার মাধ্যমে! টোটেল ফ্লপ । অবশ্য আপনি মানবেন না জানি তাই পাঠকদের উপরই ছেড়ে দেয়া উত্তম মনে করি।   

       

      1. 20.2.1
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        সমস্যাটা হলো আপনি অতিরিক্তি ব্যক্তি নির্ভর কথা বলেন। আমি না বিচারক -- না আইনজীবি -- না কারো ভিডিও এনে পোস্ট করে আমার পয়েন্ট তৈরী করি। কেন আমাকে ব্যক্তি আক্রমন করা -- সেইটা আলোচনার জন্যে কোন সুস্থ পথ না। কৌশলে আপনি এখানে গালি দিলেন। বুঝা যাচ্ছে আপনি খুবই উত্তেজিত হয়ে থাকেন। যাই হোক। 

         

        আমি সাধারনত ইউটিউবের ভিডিওগুলো এড়িয়ে চলি -- কারন সেগুলো যে দিককেই হোক সেইগুলো একচোখা হয়ে থাকে -- মুলত কোন বিষয়ে একটা মতকে জোর দেওয়া হয়। তারপরও আপনার দেওয়া ভিডিও না শুধু সেই সিরিজের সবগুলো ভিডিও দেখলাম। বিচারপতি টি এইচ খানের কোন কথাটা এতো গুরুত্ব পূর্ন হলো বুঝিনি -- উনি নিজের ঢোল বাজালেন -- তারপর কিছু মকারী করলেন -- দর্শকরা হাসলো। এইতো -- বরঞ্চ ব্যারিষ্টার রাজ্জাক কিছু আইনী প্রশ্ন তুলেছেন -- যা উনি কোর্টেও বলেছেন বলে জানি এবং কোর্ট অনেকগুলো বিষয় এড্রেসও করেছে। ঘটনা হলো -- এই সেমিনার জামাতের স্পনসরে করা জাতীয়তাবাদী আইনজীবি দলেরই একটা আলোচনা সভা -- এরা সবাই কোন না কোন ভাবে একটা দলের প্রতি অনুগত -- সেই দলের সুরের প্রতিদ্ধনিই করছে সবাই। আমার মনে হয় এরশাদ শিকদারের এই পরিমান অর্থ আর জনবল থাকলে সেও বিচার নিয়ে এই ধরনের সেমিনার করতো। আপনারা বিচারকে দলীয় বলেন দলীয় আইনজীবিদের মতামতের ভিত্তিতে -- কি চমৎকার স্ববিরোধীতা। 

         

        যাই হোক -- বিষ্টা যদি কেই মুখে নিয়ে রাখে -- তাকে রসগোল্লা খাওনায়নো কি সম্ভব?

        একটা কথা নিশ্চয় জানেন -- আপনার দেওয়া ভিডিও সেমিনারের আইনজীবিদের থেকে আর্ন্তজাতিক আদালতে অভিযোগ তোলা হয়েছিলো -- তিন বছর পর কিছুদিন আগে তা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে্ --  

         

        Int'l court of Hague rejects BNP-Jamaat's allegations against Bangladesh Govt.

        Source: http://defence.pk/threads/intl-court-of-hague-rejects-bnp-jamaats-allegations-against-bangladesh-govt.432094/#ixzz4ACQfKOJP

         

        আশা করি আপনাদের অভিযোগগুলো যে ভিত্তিহীন তা মেনে নেবেন। 

        1. 20.2.1.1
          মহিউদ্দিন

          আপনি পাঠকদেরকে বিভ্রান্ত  করছেন দেখে আপনার সাথে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার অনিচ্ছা সত্বেও আবার ফিরে আসতে হল।

          সমস্যাটা হলো আপনি অতিরিক্তি ব্যক্তি নির্ভর কথা বলেন। আমি না বিচারক – না আইনজীবী – না কারো ভিডিও এনে পোস্ট করে আমার পয়েন্ট তৈরি করি। কেন আমাকে ব্যক্তি আক্রমণ করা – সেইটা আলোচনার জন্যে কোন সুস্থ পথ না।

          কেন  সুস্থ পথ হবে না?
          এখানে আলোচনা হচ্ছে  ট্রাইবুন্যালের কার্য্যকর্মে Conlict of Interest আছে কি না এবং  সভ্যসমাজের আইনি ভিত্তিতে হচ্ছে কিনা তা নিয়ে পর্যালোচনা সেখানে আমি তো ভাই আপনার মত ধরা পড়লে অবিজ্ঞ না হলে "বিজ্ঞ" নয়! তাই এবিষয়ে সম্মানিত প্রফেশনাল ব্যক্তিদের বক্তব্য সামনে এনেই আলাপ হতে হবে। এখানে কোন বটতলার উকিলের কথা আনা হচ্ছে না।

          "একটা কথা নিশ্চয় জানেন – আপনার দেওয়া ভিডিও সেমিনারের আইনজীবিদের থেকে আর্ন্তজাতিক আদালতে অভিযোগ তোলা হয়েছিলো – তিন বছর পর কিছুদিন আগে তা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে্" 

          কোন ভিডিও দেখতে আপনার এলার্জি থাকলে আমার কিছু করার নাই। আমার উদ্দেশ্য পাঠকদের বিবেচনায় রাখা। আপনি এসব ন্যায় বিচারিক কথাবার্তা শুনতে চাইবেননা সেটা তো বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই তো "কার পরিচালনায় এসব সেমিনার  আলোচনা হচ্ছে,  টাকা দিয়ে বাঘের দুধ পাওয়া যায়!" ইত্যাদি গার্বেজমার্কা কথাবার্তা দিয়ে সঠিক কথাগুলাকে অবমূল্যায়ন করার চেষ্টা থেকে বিরত থাকার আশা অন্তত আপনার কাছে আশা করা বোকামি। 

          সেমিনার কারা আয়োজন করেছে সেটা এখানে আমার দেখার দরকার নাই বরং সেখানে কি কথা হচ্ছে বা কে বলছেন সে কথা  ঠিক না বেঠিক কিংবা আইনি ভিত্তি আছে কি না সেটা দেখা হচ্ছে জরুরী। তা না হলে তো আসামী পক্ষের কোন কথা আদালতে গ্রহণ করারই দরকার নাই। অবশ্য এটা সে আদালতই করতে পারে যারা বিচারিক হত্যা কান্ডের তথা জুডিসিয়্যাল হত্যার পক্ষে গুষ্টির হুকুম পালন করতে দায়বদ্ধ নানা কারণে। এ সব কোন বিবেকবান বা সভ্য মানুষের কাজ হতে পারে না।

          তাছাড়া আপনি যে লিংক দিয়েছেন সেটা আমাদের আলোচনায় বিষয়বস্তুর বাহিরে। সে কেসটা ছিল ভিন্ন ইসু নিয়ে বাদী পক্ষের অবস্থান বাংলাদেশে দূর্বল থাকায় তাদের পক্ষে সে পরিমান তথ্য প্রমান জোগাড় করা সম্ভব হয়নি। আন্তর্জাতিক আদালতে যথেষ্ট পরিমান নির্ভরযোগ্য প্রমাণাদি দিয়ে নালিশ দাখিল করতে না পারলে সেটা শুনানী হয় না। এখানে হয়তোবা সেটা কাজ করেছে আমি নিশ্চিত নই।
          Investigate Bangladesh for 'crimes against humanity এটা ভিন্ন বস্তু। এটা ছিল government forces shooting, detaining and torturing civilian protesters।

          Cadman's office identified alleged instances of government forces shooting, detaining and torturing civilian protesters.

          অগ্রহণীয়তার কারণ: "Numbers are difficult to quantify due to the absence of credible investigations and the inability of the media and international nongovernmental organisations to properly document crimes," said the filing.

          Link: http://www.thedailystar.net/investigate-bangladesh-for-crimes-against-humanity-10018

          আপনি আর কিছু না পেয়ে একটি ভিন্ন বিষয় দিয়ে ধাপ্পা মারছেন পাঠকদেরকে বিভ্রান্ত করতে।

          আমরা আলোচনা করছি একাত্তরের যুদ্ধাপরাধের ‘কণের-মা জামাই-মা’ ট্রাইব্যুনালের কথা আর আপনি দিচ্ছেন সরকারের মানবাধিকার লঙ্গণের ক্রাইম (government forces shooting, detaining and torturing civilian protesters) –এসব আপনি কি করছেন? কই ‘যুদ্ধাপরাধ’ ট্রাইবুন্যাল, কই বাংলাদেশ ক্রাইম, কই টবি কেডম্যানের সস্পর্কিত associate press এর প্রেস release, আপনি চতুর্দিকে গড়াচ্ছেন কেন? 

          আপনার (১) আন্তর্জাতিক মান, (২) স্বচ্ছতা, (৩) নিরপেক্ষতা বলতে কি বুঝায় তা জাস্টিস টি এইচ খানের বক্তব্যে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ব্যক্ত হয়েছে।

          আপনার অবস্থা যদি আমি ‘মু’ শব্দ দিয়ে উল্লেখ করি তো চিৎকার করবেন, গালি দিয়েছি বলবেন, অথচ এভাবেই আপনার তর্ক। এখন পর্যন্ত অনেক প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে বার বার নতুন কিছু বলে যাচ্ছেন। আপনি দলান্ধতায় আবদ্ধ থাকবেন, আর ইউটিভকে ডিস্ক্রেডিট করবেন অথচ বড় বড় প্রফেসর থেকে রাষ্ট্র প্রধানদের বক্তব্য ইউটিউবে রয়েছে। টি এইচ খান যদি নিজের ঢোল বাজান তবে সেই অধিকার তার আছে, আপনি কেডা তাকে ডিস্ক্রেডিট করার? ট্রাইব্যুনাল যেখানে মকারির ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত সেখানে লোকজন তো হাসবেই। বিচারপতি টি এইচ খান কারো টাকা খেয়ে থাকেন তবে দলিল দেন। 

          বর্তমান  ক্ষমতাসীনদের বাংলাদেশ ওযার ক্রাইম ইস্যুর ধাপ্পাবাজি যে বিরোধীদল নিধন করা বিচারপতি টি এইচ খানের বক্তব্যে সেটা পরিস্কারভাবে প্রকাশ পেয়েছে। আপনি "শাক দিয়ে মাছ ঢাকার প্রচেষ্টা" করতে পারেন তাতে কিছু যায় আসেনা।  অতপর conflict of interest গেল কই, কার পক্ষ হয়ে গালি দিলাম, সে সব গেল কই?

          ট্রাইবুন্যল আন্তর্জাতিক মানের কিভাবে হয়েছে তার পক্ষে কোন নির্ভরযোগ্য নিরপেক্ষ মহলের কোন বক্তব্য আপনার কাছে থাকলে তা সাদা চামড়ার দরকার নাই কালো চামড়ার হলেও চলবে আমাদেরকে জানাতে পারেন আমাদের ভুল ভাঙ্গতে পারে। আর রায়গুলা যে হয়েছে তা Beyond reasonable doubt এর ভিত্তিতে কিভাবে হয়েছে সে বিষয়ে কোন তথ্য প্রমান থাকলে এখানে রাখতে পারেন। যেখানে পুরা বিচার ব্যবস্থাকে দলীয়করনের অভিযোগ উঠেছে সেখানে আপিল বিভাগের কথা বলে আপনার বক্তব্যের গ্রহণযোগ্যতা পায় না।  

          যাই হোক – বিষ্টা যদি কেই মুখে নিয়ে রাখে – তাকে রসগোল্লা খাওনায়নো কি সম্ভব?

          তবে বিষ্টাকে রসগোল্লা মনে করে যদি মনের সুখে কেউ খেতে থাকে তার কথাতেই ভন্ড যুদ্ধের সন্ত্রাসী মানসিকতার দূগর্ন্ধ আসবে তাই দূরে থাকাই ভাল।

        2. আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

          আপনার মতো ১৮০ ডিগ্রী বিপরীত চিন্তার মানুষের সাথে কথা বলতে ভালই লাগে -- অবশ্য যদি খিস্তি-খেউড়টা একটু বন্ধ করতেন। ব্যক্তি জিয়াউদ্দিনের সাথে আপনার শত্রুতা নেই -- জানা মতে আমি আপনার কোন ক্ষতি করিনি -- কিন্তু আপনি অবিরত আমাকে গালি গালাজ করেই যাচ্ছেন। অবশ্য কিছু কথা আমার কাছে গালি মনে হলেও হয়তো আপনার ডিকশেনারীতে তা গালি নাও হতে পারে -- সেইটা নির্ভর করে তার শিক্ষা আর রূচির উপর। 

          আপনি যা বলছেন -- তা অনেকবার শুনেছি -- গোয়েবলসের আদলে একই কথা বারবার বলে তা প্রতিষ্ঠিত করতে চাচ্ছেন -- সেইটা বোধ হয় টিকবে না -- কারন --

          ১) বিচার ব্যবস্থা এবং বিচারকদের মেনেই আসামী পক্ষের আইনজীবিরা ওকালতনামায় সই করেছে এবং বিচারের পুরো প্রক্রিয়ায় কোর্টকে সহায়তা করেছে -- সুতরাং পদ্ধতিগত ত্রুটি নিয়ে অভিযোগ করা ভিডিওগুলো আসলে অর্থহীন প্রপাগান্ডা মাত্র। এইগুলো শুধুমাত্র অপরাধীদের সমর্থকদের জন্যে সান্তনা খোঁজার একটা উপায়। এইগুলো কোন আইনগত বা ঐতিহাসিক মূল্য নেই -- শুধুমাত্র কোর্টের দলিল এবং রায়গুলোই ইতিহাসে আলোচিত হবে। 

          ২) বিচার নিয়ে যত অভিযোগ তার ভিত্তি তৈরী করার জন্যে যেহেতু অন্যায় এবং অনৈতিক পদ্ধতি গ্রহন করা হয়েছে -- তাই বিচার বিরোধী অভিযোগগুলোই প্রশ্ন বিদ্ধ হয়ে থাকবে। 

          ৩) যারা অভিযোগ করেছে (বিশেষ করে যে ভিডিওর কথা আপনি বলছেন) সবাই একটা বিশেষ মতাদর্শের অনুসারী -- এরা কোন ভাবেই বিচার চায় না -- বিচার বন্ধ করা -- বিচার বিতর্কিত করা জন্যে এরা সবাই যেমন আইনজীবি হিসাব ভূমিকা রেখেছে -- তেমনি রাজনৈতিক নেতা হিসাবেও ভূমিকা রেখেছে। তাই তাদের উদ্দেশ্যের সততা প্রশ্ন বিদ্ধ বটে। 

          শেষ পর্যণ্ত ্‌আপনাকে একটা কথা বলি। আপনি একটা বিপদজ্জনক কাজের নিজেকে নিয়োজিত করেছে। কেন বিপদজ্জনক তা একটু চিন্তা করলেই ধরতে পারবেন। আপনি লক্ষ্য করুন -- আপনি বিচার নিয়ে বারবার সন্দেহ প্রকাশ করছেন -- এমনও বিষয় আসছে যে আপনি বিচারকের বিচারের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিচ্ছেন। এইটা কতটা যৌক্তিক ভেবে দেখুন। আপনি "বিয়ন্ড রিজনেবল ডাউটের কথা বলছেন -- কিন্তু আপনি কখনই আসামীদের অপরাধের বিষয়ে বলছেন না -- বিচার বিতর্কিত হলেই আসামীরা নির্দোষ হয়ে যায় না -- এইটা আশা করি বুঝেন। আর যদি বিচারক সৎ ভাবে বিচার করে থাকে তবে আপনি আপনার অন্ধ আনুগতের কারনে বিচারকদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে কত বড় ভুল করছেন তা নিশ্চয়ই জানেন। লক্ষ্য করবেন -- আসামীদের আইনজীবিরা শেষ পর্যণ্ত কোর্টকে মেনেই বিচারে সহায়তা করেছে। 

          যখন কাদের মোল্লাহ যাবজ্জীবন সাজার রায় হয়েছিলো -- তখনও রায় মেনে একটা ব্লগ লিখেছিলাম -- তখনও ফাঁসী ওয়ালার কিভাবে আমাকে গালি গালাজ করছে আগ্রহ থাকলে এখানে দেখতে পারেন। 

          কাদের মোল্লার রায় -- জামাতিদের মৃত্যু ভয় এবং ইতিহাসের লিখন

           

          কারন বিচার প্রক্রিয়ার ত্রুটির পিছনে ছোটা এবং বিচারকের সমালোচনা করার চেয়ে বিচার মেনে নেওয়াটাই আমি যৌক্তিক মনে করি -- কারন হলো নীচের ্‌আয়াতটা -এবং আমি নিরাপদ থাকি -- কারন বিচারের ভুলে দায় আমার না -- যারা এর সাথে জড়িত সবার। 

          (4:59)

          হে ঈমানদারগণ! আল্লাহর নির্দেশ মান্য কর, নির্দেশ মান্য কর রসূলের এবং তোমাদের মধ্যে যারা বিচারক তাদের। তারপর যদি তোমরা কোন বিষয়ে বিবাদে প্রবৃত্ত হয়ে পড়, তাহলে তা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের প্রতি প্রত্যর্পণ কর-যদি তোমরা আল্লাহ ও কেয়ামত দিবসের উপর বিশ্বাসী হয়ে থাক। আর এটাই কল্যাণকর এবং পরিণতির দিক দিয়ে উত্তম।

          আমি সাধারনত কাউকে উপদেশ দেই না -- এইটা আমার কাছে  অনধিকার চর্চা মনে হয় -তার উপরে আপনি একজন স্বঘোষিত জ্ঞানী মানুষ -- সর্ব বিষয়ে আপনার জ্ঞান বিস্মৃত -- তারপরও সাহস করে বলে -- আপনিও এই আয়াতটা ভেবে দেখতে পারে।

          আরেকটা অনুরোধ -- যে সকল আবোলতাবল কথা বললেন -- যেমন ভন্ড যুদ্ধ, চেতনাবাদী ইত্যাদি তার একটা ডিকশেনারী বানান -- কারন সদালাপের পাঠকদের জন্যে এই ধরনের স্বউদ্ভবিত ভাষা বুঝা কঠিন হবে। আপনাদের ভোকাবুলারী বুঝা আমার জন্যেও কঠিন। 
           

          ভাল থাকেন। 

      2. 20.2.2
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        আর আমি যে বেসিক প্রশ্নগুলো করলাম -- তার উত্তর আপনি কখনই দেবেন না -- কারন সেই উত্তর আপনার কাছে নেই -- আপনি তো অন্যের বক্তব্যকে প্রচারের কাজটাই করেন। আপনি যদি সত্যই এই বিষয়ে সৎ হন -- তবে আসেন আলোচনা করি -- 

        ১) যুদ্ধারাপধে বিচারে আর্ন্তজাতিক মান বলতে কি বুঝায়  (উদাহরন সহ),

        ২) স্বচ্ছতা বলতে কি বুঝায়, আর

        ৩) নিরপেক্ষতা বলতে কি বুঝায়।  

         

        আর পাঠকতো থাকলোই -- পাঠকই বিচার করবে কে সঠিক আর ভুল। ধন্যবাদ। 

  5. 19
    মহিউদ্দিন

    ভাইয়া, ওয়া আলাইকুম সালাম।

    আপনার কথা হচ্ছে যারাই আপনার মতের বিপক্ষে বলবে বা মুখোশ উন্মোচনের চেষ্টা করবে তা আপনার কাছে "গালি" মনে হয়। তাই চেষ্টা করেন "ভিক্টিম" সেজে সদালাপের পাঠকের সহানুভূতি কুড়াতে। Nice try চালিয়ে যান।

    আমার জাজমেন্ট ভুল হতেও পারে সে ব্যাপারে আমি তর্কে যাব না। After all I am an ordinary person। "to err is human; to forgive, divine" (Alexander Pope, "Essay on Criticism") তাই এব্যাপারে কথা না বাড়ায়ে পাঠকদের বিবেচনায় বিষয়টি ছেড়ে দেয়াই ভাল।

    আচ্ছা এই যে আপনি বললেন, আমি আরেক জনের পক্ষ হয়ে আপনাকে গালাগালি দিয়েছি –আমি কার পক্ষে দিলাম? আপনি নাম ধরে বলুন এবং সেই স্পষ্ট দলিল দিন। আপনি কি আমার প্রতি গালির অভিযোগ আগে তুলেন নি? এখন অন্যজন জড়াচ্ছেন কেন?  

    অন্য কারো ঝগড়ায় পানি ছিটানো আমার উদ্দেশ্য ছিল না। আপনি একটি  প্রতিষ্ঠিত আইনি অধিকারের ভুল উদ্ধৃতি দিয়ে একটি গুষ্টির অন্যায় পদক্ষেপের বৈধতা দিচ্ছেন অহরহ। আর আপনি যখনই সুযোগ পান তখনই আপনার সে "যুদ্ধ" চালিয়ে যেতে এগিয়ে আসেন সেটা তো আমরা দেখতেই পাচ্ছি।
     
    "কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট"  ব্যাপারে আপনাকে এত কিছু বলার পরে এবং এ সংক্রান্ত তথ্য লিংক দেয়া স্বত্বেও তা না বুঝার ব্যর্থতা ঢাকতে কোন এক বিশেষ কেইসের উদাহরণ দিয়ে, কখন কি কারণে কোর্ট সে মামলায় জনৈক মাকে তার ছেলের কেস লড়তে সত্যিই বারণ করেছে না আসলে মা ছেলের পক্ষে সাক্ষী হতে আপত্তি ছিল তা স্পষ্ট নয়। আর সে কেসের মেরিটইবা কি এবং কোন প্রেক্ষিতে সেই বিচারক সে আপত্তি করেছেন তার বিস্তারিত বর্ণনা ও সূত্র ছাড়া এখানে যে অস্পষ্ট উদাহরণ দিয়েছেন তা দিয়ে কাকে বোকা বানাতে চান?

    সদালাপের পাঠকদের সামনে আপনার তথ্য প্রতারণার অবস্থান শক্ত করতেই  কানাডিয়ান একজনের নাম উত্থাপন করলেন।অন্টারিওর সে একক একটি কেস এবং কোনো এক Philip Slayton এর কথা দিয়ে আদালতে কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্টের অর্থ বা আসামী পক্ষের অধিকার বদলে যায় না এবং  “সকল আইনজীবী” একমত হওয়া বা সকল দেশের আইনের ঐক্য বুঝায় না। How a single isolated case can become the precedence to change World Human right or rights of defendant?

    আপনি আইন বুঝেন না আবার কানাডা বসে বাংলাদেশে জাস্টিস ডান বুঝে ফেলেছেন। আবার কিন্তু আপনি “আইনের বিষয়ে অজ্ঞ” হয়েও বিগত বছরগুলো ধরে আইনের কথাই নিশ্চিতভাবে বলে যাচ্ছেন। এমনকি চলতি ট্রাইব্যুনালের প্রশ্নবিদ্ধতার ব্যাপারে বিভিন্ন মহলে অনেক কথা আসলে সে নিয়ে কেউ কিছু বললেই আপনি তার বিপক্ষে নির্বিঘ্নে কখনও "বিচারকে বিতর্ক করা হচ্ছে" বলে ফতোয়া দিয়ে দেন, হুমকি দেন,  কখনও জামাতি ট্যগিং করেন এবং "সুশীল সাজার" ব্যঙ্গ করেন ইত্যাদি কিসের আলামত? এ আচরণ শেষ পর্যন্ত এ ব্লগের এডমিন সাহেবেরও দৃষ্টিগোচর হয়েছে যা তিনি তাঁর ব্লগে উল্লেখ করেছেন। সে জন্য তাকে ধন্যবাদ। আমি নিশ্চিত সচেতন পাঠকদের অনেকেই আপনার এসব  গালি নয় "সদাচরণ" আগেই লক্ষ্য করেছেন। 
     
    আপনার পকেটের সেই কানাডিয়ান বন্ধুকে পারলে প্রশ্ন করবেন বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধের মামলায় আসামী পক্ষের ডিফেন্সে "কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট" তার চোখে ধরা পড়লেও এ ট্রাইব্যুনালের কিছু সদস্যদের ব্যাপারে যে কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট ভরপুর বলে অনেকে অভিযোগ করে আসছেন যা আমরা মিডিয়াতে দেখে আসছি বিশেষ করে সাবেক বিচারক (জাতিসংঘ যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত রুয়ান্ডা ট্রাইব্যুনাল) জাস্টিস টি এইচ খান সাহেবের মতো লোকও এই ট্রাইব্যুনালকে নিয়ে যে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেছেন সে সম্পর্কে তার বা আপনার কি অভিমত?

    আর সেই কানাডিয়ানের কাছ থেকে তো অনেক কিছু ইতিমধ্যে শিখে ফেলেছেন তাকে এই লিংকের তথ্যগুলা আপনাকে ব্যখা করতে বলবেন কাজে আসবে।

    সেই কারনে তার সিটিজেনশীপ বাতিল হবে এমন মন্তব্যের কারনও বুঝিনি।
    এ কথা তো আমি বলি নাই, আমি কোথায় বলেছি? 
    তবে " ল সোসাইটি অফ আপার কানাডা কি করে আপনার কানাডিয়ান বন্ধু নিশ্চয় জানেন?

    ভাল থাকুন। 
     

     

  6. 18

    @ আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন,

    “……কোথায় তার ব্যারিষ্টারী পাশ করা ছেলে (মাদ্রাসায় না পড়িয়ে ব্যারিষ্টারী পড়িয়েছে যাতে আইনী সহায়তায় কাজে লাগে)”.

    আপনি মিথ্যা বলছেন কেন? তার ব্যারিস্টার ছেলে যে মাদ্রাসা থেকে কামিল পাশ করেছে-সে খবর রাখেন না? মিথ্যা অপপ্রচার কেন করেন? ভাই আপনি পারেনও! কে কোন উদ্দেশ্যে তার ছেলেকে কি পড়িয়েছে সেটাও আপনি বলে দিতে পারেন! তো ভাই, তার আরেক ছেলেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচার কেন বানিয়েছিল ব্লুন তো? 

    “……দ্বিতীয় ছেলে ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন। রাবেয়া ভূঁইয়া একাডেমিতে আইন বিষয়ে পড়ালেখা শেষ করে লন্ডনে গিয়ে বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এ ছাড়া নিজামীর এই ছেলে তামিরুল মিল্লাত মাদ্রাসা থেকেও কামিল পাস করেছেন।“

     নিচের লিঙ্কটা দেখুন।

    http://www.real-timenews.com/bangla//newsdetail/detail/1/3/142108#.VzKcGmbmrcc

    1. 18.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      তাইতো, আমার বিরাট ভুল হয়ে গেছে। এক ছেলে মাদ্রাসায় গিয়েছিলো তা বলার দরকার ছিলো। তারপর তারা আলেম হওয়ার রাস্তা ত্যাগ করে দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে -- সেই অর্থেই বলেছি -- মাদ্রাসা পড়া মানে কি তাতো আপনিও বুঝেন। যাই হোক -- নিজামীর মামলা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এক কানাডিয়ান অবাক হয়ে বললো -- একজন আসামীর ছেলে কিভাবে আইনজীবি হিসাবে নিয়োগ পায় -- এইটা কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট -- অবশ্য যারা "আর্ন্তজাতিক মানের বিচার চান" তার এই বিষয়ে দেশীয় পদ্ধতিই বহাল রেখেছেন। 

       

      1. 18.1.1
        মহিউদ্দিন

        "নিজামীর মামলা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এক কানাডিয়ান অবাক হয়ে বললো – একজন আসামীর ছেলে কিভাবে আইনজীবি হিসাবে নিয়োগ পায় – এইটা কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট – "

        যদি কথাটা সত্যি হয় তাহলে What a stupid statement !
        এ ব্যক্তি দেখছি "ভণ্ড যুদ্ধের আরেক সন্ত্রাসী" !

        কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট কাকে বলে এবং কোথায় প্রযোয্য তা না বুঝেই কেউ একটা কমেন্ট করল আর সেটাকে একজন  সঠিক বুঝে উদ্ধৃতি মারলেন! অবাক লাগে এসব মানুষের আচরণ দেখলে!  I do not think he is a Canadian. আর কত মিথ্যা বলতে হবে কোন অপরাধকে চাপা দিতে? 

        এ পৃথিবীর যে কোন সভ্য সমাজের আদালতে আসামী পক্ষ তার কেইস লড়ার জন্য সে নিজেই  উকিল হতে পারে আর চাইলে তার ছেলে বা অন্য যে কাউকে  উকিল হিসাবে নিয়োগ দিতে পারে। এটা আইনী অধিকার । আর তা করলে সেটা আবার কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট হয়ে যায় কিভাবে? 

        আইনের ভাষায় কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট প্রযোজ্য হয় যে বিচারকের আসনে বসবেন তার বেলায়। বাংলাদেশে  যে ট্রাইব্যুনাল হয়েছে তা কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্টে ভরপুর এবং তা যে হয়েছে ১০০ + % সত্যি।  আসলে  ট্রাইব্যুনালের সদস্যদের সবাইকে ন্যায় বিচারের পরিবর্তে রাজনৈতিক বিচারের বিবেচনায় মানুষ হত্যা করার উদ্দেশ্যে যে নিয়োগ দেয়া হয়েছে সেটা অস্বীকার করার উপায় নাই। সেজন্য আন্তর্জাতিক  মহলে এ বিচার প্রক্রিয়ার ব্যাপারে যথেষ্ট সমালোচনার ঝড় উঠেছে। যা আমরা বিভিন্ন পর্যবেক্ষকদের মন্তব্যে শুনতে পাই।  তাছাড়া যারা  ট্রাইব্যুনাল বা আপিল সেকশনে আছেন তারা সবাই আওয়ামী ঘরানার মানুষ কিংবা বামপন্থী ও  ঘাদানী দলের প্রাক্তন সদস্য বা একটিভিষ্ট। তারা যাদেরকে  আগে থেকেই দুষী বলে চিহ্নিত  করে আসছেন তাদের কাছে এ বিচারের রায়ে Beyond reasonable doubt বলে কোন কিছুর বিবেচনার দরকার আছে বলে মনে করার কি কোন কারণ থাকতে পারে? এটাকেই বলে কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট। এখনও বুঝতে না পারলে কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট কাকে বলে এখানে পড়েন।

        তবে কিছু মানুষের ভণ্ডামির কোন শেষ নাই। জিয়া ভাই তাদের দলের একজন বলে মনে হয়। এতদিন বলে আসলেন তিনি অন্যদের মত একজন ব্লগার মাত্র কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে তিনিও “ঘাদানী" দলের মত।  তাই তাকেও বাংলাদেশের "আইসিটির"  ট্রাইব্যুনালের মতই দেখাচ্ছে, ‘আমিই জামাইয়ের মা আমিই কণের মা’, আমিই ভণ্ড যোদ্ধা, আমিই সদালাপের এডমিন সাজবো! 

        দু:খের ব্যপার হচ্ছে দেশের একটি গুষ্টির কারণে আজ  অনেকের কাছে মিথ্যা বলা কোন ব্যপারই না। আর এ বিচারে কতটুকু ন্যায় বিচার হয়েছে  না বিরোধী দল নিধনে সহজ হয়েছে সে প্রশ্ন করলে এই ভণ্ড যুদ্ধের সন্ত্রাসীদের চোখ রাঙ্গানো দেখতে হয়। তারা এই বলে "ভাই আপনি অযতা এ বিচারকে বিতর্কিত করতে যাচ্ছেন কেন?"

        তাদেরকে প্রশ্ন করব এখানে দেখুন এই লোকটা কীভাবে নিরপেক্ষ আদালতের অবমাননা করছে, তাহলে  এই লোকের কি শাস্তি হওয়া উচিৎ নয়? চেতনার ব্যবসীদেরমত আমিও বলতে চাই উচিৎ, উচিৎ।

        বাংলাদেশ International War Crimes 

        [embed width="123" height="456"]

         

         

        1. 18.1.1.1
          আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

          আস সালামু আলাইকুম -- মহিউদ্দিন ভাই। 

          আপনার এই মন্তব্যে খুবই বিষন্ন বোধ করলাম। এতো দ্রুত মানুষকে জাজ করার কারন বুঝিনাই। যাই হোক -- যে কেউই আপনার মত মতো কথা না বললেই ভন্ড হয়ে যাবে -- এইটা কি সঠিক বিচার হলো। আমার উপর আপনার রাগের কারন জানি না। জ্ঞানত আমি আপনাকে গালি দেই নাই -- আসলে আমি গালি দেওয়ার বিরদ্ধে সব সময় সোচ্ছার -- সাম হোয়ার থেকে আমু ব্লগ -- সবক্ষে্ত্রেই গালির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলাম। আমার সৌভাগ্য যে সদালাপেও গালির বিরুদ্ধে কথা বলতে হচ্ছে। 

          যাই হোক -- সব বিষয়ে কথা বলতে চাই না। ঝ্গড়া করার ইচ্ছাও নেই। প্রথম প্রসংগটা বলি। ২০১১ সালে ওন্টারিও সুপিরিওর কোর্ট "মা আইনজীবিকে পুত্রের মামলা লড়ার বিরুদ্ধে রুল জারি করেছিলো।" এরপর ওন্টারিওতে নিকট আত্নীয় কোর্টে উকিল হিসাবে রিপ্রেজেন্ট করে না। এই বিষয়ে সকল আইনজীবি মোটামুটি একমত -- 

          ‘It may not be wise to have the mother represent the son. But I don’t think it should be stopped unless there are egregious reasons for the court to interfere,’ says Philip Slayton.

          আমি আইনের বিষয়ে অজ্ঞ -- কিন্তু এ্ই বিষয়ে ভন্ড বলে গালি নেবার মতো কোন কাজ করিনি। আর কানাডিয়ান হিসাবে এই কমেন্ট করার পিছনে হয়তো সেই লোককের এই জ্ঞানই কাজ করেছে। সেই কারনে তার সিটিজেনশীপ বাতিল হবে এমন মন্তব্যের কারনও বুঝিনি। 

          যাই হোক -- এর আগেও আপনি আরেকজনের পক্ষ হয়ে আমাকে গালাগালি করলেন -- এবারও করলেন। এইটা আপনার কোন ধরনের মানসিকতা বুঝি নাই। অবশ্য গালি নিয়ে চিন্তিত না -- শুধু সদালাপের পরিবেশের চিন্তা করেই কথাগুলো বলা। আমি ২০০৩ সালে বিপ্লব পালের গালি দিয়ে অনলাইনে চলা শুরু করেছি -- এরপর কাউকে না কাউকে পেয়েছি গালি দেবার জণ্যে -- অবশেষে সদালাপে মুমিন ভাইরা গালি দিয়ে আমাকে আপ্যায়িত করছেন।

          সত্যই বিষ্ময় লাগে -- আপনার মতো লোক যখন অন্যের ঝগড়া করার দায়িত্ব নিয়ে আমাকে গালি দিচ্ছেন। 

          ভাল থাকবেন। 

        2. 18.1.1.2
          Sami

          “….তাইতো, আমার বিরাট ভুল হয়ে গেছে। এক ছেলে মাদ্রাসায় গিয়েছিলো তা বলার দরকার ছিলো। তারপর তারা আলেম হওয়ার রাস্তা ত্যাগ করে দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে – সেই অর্থেই বলেছি – মাদ্রাসা পড়া মানে কি তাতো আপনিও বুঝেন।“

          @জিয়াউদ্দিন,

          আপনি স্বীকার করছেন বিরাট ভুল হয়ে গেছে। কিন্তু ভুলটা শুধরে দিলেন না কেন? মিথ্যা অপপ্রচার তো রয়েই গেল আপনার লিখাতে। অবশ্য আপনার উদ্দেশ্য যদি হয়- মিথ্যা বলা, অপ্প্রচার করা- তাহলে ভিন্ন কথা। আপনি ভুল না শুধরিয়ে- কথা ঘুরিয়ে বলছেন- এক ছেলে মাদ্রাসায় গিয়েছিল তা বলার দরকার ছিল। অথচ প্রথমে বললেন- মাদ্রাসায় না পড়িয়ে- ব্যারিস্টারি পড়িয়েছে আইনি সহায়তার জন্য। যে ছেলেকে উদ্দেশ্য করে বললেন- মাদ্রাসায় না পড়িয়ে ব্যারিস্টারি পড়িয়েছে- সেই কিনা বাস্তবে মাদ্রাসা থেকে সবচেয়ে বড় ডিগ্রি নিয়ে (কামিল) পাশ করেছে!  আপনি আলেম হওয়া বলতে কি বুঝেন? মাদ্রাসায় পড়া কামিল পাশ করা কেউ কি আলেম না?  মাদ্রাসায় পড়ে কামিল পাশ করেই তো সে অন্য পেশায় গিয়েছে। অন্য পেশায় গেলে আলেম হওয়ার রাস্তা বন্ধ হয় কিভাবে? আপনাদের মত অনেকেই তো বলেন মাদ্রাসার আধুনিকরনের কথা- যাতে মসজিদ, মাদ্রাসার ইমাম না হয়ে তারা সব পেশায় জড়াতে পারে।  নিজামির ছেলে হওয়ার জন্য এখন ভিন্ন কথা বলছেন।

          মাদ্রাসায় যারা পড়ে- তাদের সম্পকে আমার ধারনা ভাল। স্কুল পড়ুয়ারা সবাই কি ভাল? ভাল মন্দ সব জায়গায় আছে। একটা খবরেও দেখেছিলাম মাদ্রাসা থেকে পাশ করা ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিতে কোন এক ইউনিটে প্রথম হয়েছি্ল। আমার পরিচিত একজন মাদ্রাসা থেকে পড়ে- পরে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেশ ভালভাবে পাশ করে বর্তমানে কলেজের শিক্ষক। এমনকি স্কুল কলেজ পড়ুয়াদের চাইতে ভাল শিক্ষক। মাদ্রাসায় পড়ুয়া সবাই খারাপ এমন ধারনা ভুল। একটা কথা ভাবতে হবে যে তারা তো স্কুল কলেজের মত সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে না।

          যাই হোক- আপনি বা এডমিন আমার  কিছু মন্তব্য প্রকাশ করেন নি। আগের মন্তব্যটিও বেশ কয়েকবার চেষ্টার পর প্রকাশ না পেলে শেষে রেজিস্টার করার পর প্রকাশ পায়। অথচ রেজিস্টার করতেই হবে এমন নিতিমালা দেখলাম না। সদালাপের নীতিমালা বিরোধী কিছু থাকলে সেটা মন্তব্যকারিকে সংশোধন করার সুযোগ দিতে হবে। অন্যথায় মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে যা সদালাপের নীতিবিরোধী। যে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে সদালাপের জন্ম সেই একই অন্যায় সদালাপ কেন করছে?  ভিন্নমতের কুদ্দুস খান আর বিপ্লব পালেরা আপনাদের লিখা প্রকাশ করতো না বলেই তো সদা্লাপের জন্ম হয়েছিল । এখন সেই কুদ্দুস খানের পথেই সদালাপকে হাটতে কেন দেওয়া হবে? কেউ যা ইচ্ছা তাই বা মিথ্যা লিখলে তার লিখার বিপরীতে মন্তব্য করতে কেন দেওয়া হবে না?

  7. 17
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    ধন্যবাদ। 

    তর্ক করার স্বার্থে তর্ক করে লাভ কি বলুন। যুক্তি আগে না জ্ঞান আগে তা নিয়ে বহুত তর্ক করা যায়। কিন্তু জ্ঞানহীন তর্ক আসলে মানুষকে ভুল রাস্তায় নিয়ে যায়। এইটা খুবই সহজ কথা। পৃথিবীতে অনেক বিষয় আছে যা যুক্তি দিয়ে কোন সমাধানে আসা যায় না। যেমন ধরুন মা তা বাচ্চাকে ভালবাসে -- তার পিছনে যুক্তি কি? এই বিষয়ে জ্ঞান হলো -- আল্লাহ এই ভাবেই সৃষ্টিকে সাজিয়েছেন -- যেখানে প্রতিটি মা তার বাচ্চাকে ভালবাসবে। 

    যাই হোক -- আপনি আশপাশ দিয়ে যা বলতে চাইছে তা যদি একটু উচ্চস্বরে সুস্পষ্ট ভাবে বলতেন -- তা হলে আলোচনাটা সুবিধা হতো। 

    ন্যায় বিচারের অন্যতম শর্ত হোল , দশ জন অপরাধী আইনের ফাক গলে বেরিয়ে গেলেও দুঃখ বা ক্ষতি নেই , একজন নিরপরাধ যেন শাস্তি না পায়।

    -- এই শর্ত কিসের ভিত্তিতে সামনে আনলেন। এইটা অতি আবেগের কথা বটে। সমাজের ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্টার জন্যে অবশ্যই অন্যায়কারীকে বিচারের সন্মুখিন হতে হবে -- সেই বিচারের দায়িত্ব যাদের তারা তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন যাতে সত্যটা প্রতিষ্ঠিত হয়। তার জন্যেইতো বিচারের জন্যে দীর্ষ সময় নেয়া হয় -- একটা দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর রায় হয় -- তার উপরে আবার আপীলের সুযোগ থাকে -- সেখানে বিচারের বিচার করা হয়। এরপর যদি ভুল হয় তার দায় বিচার প্রক্রিয়ার সাথে জড়িতরা কতটুকু নেবে তা নির্ভর করে তাদের উদ্দেশ্যের উপর। 

    অবশ্যই ক্ষমা সবচেয়ে গুরু্ত্বপূর্ন -- কিন্তু ক্ষমা যেখানে দূর্বলতার প্রকাশ সেখানে আপরাধীরা ক্ষমাকে তাদের অধিকার বিবেচনা করে অপরাধকে তুচ্ছ জ্ঞান করে পুনপৌনিক অপরাধ করবে বলেই বিচারের বিষয়টা গুরুত্ব রাখে -- তা ছাড়া ক্ষমা করার অধিকার শুধু মজলুমের -- মজুলমকে এই বিষয়ে জ্ঞান দেওয়া বা বা্ধ্য করা যায় না। 

    আপনার কিভাবে মনে হলো যে এই বিচার রাগের কারনে করা হচ্ছে। 

    মনে রাগ প্রতিহিংসা পূষে রেখে ন্যায় বিচার করা যায় না। 

    -কে রাগ পুশে রেখেছে বলে আপনি মনে করছেন। আলী রাঃ এর যে কথাগুলো বললেন -- এইটা সত্য ঘটনা -- এই ঘটনা সাথে এই বিচারের কোন মিলটা পেলেন। রাজাকার -- আলবদররা যা করেছে তার প্রতিদান হিসাবে রাস্তায় পিটিয়ে তাদের মেরে ফেললে আপনি এই ধরনের জ্ঞানপূর্ন বয়ান দিলে তা যৌক্তিক হতো -- কিন্তু একটা বিচার প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আপরাধীদের শাস্তি দেওয়া সমাজের জন্যের গুরুত্বপূর্ন কাজ বিচার না থাকলে সেই সমাজ জংগলের সমাজ হবে। 

    ধন্যবাদ। 

  8. 16
    শাহবাজ নজরুল

    যারা এখানে নিজামীকে নানাভাবে ডিফেন্ড করছেন যে "তিনি যেহেতু মুসলিম তাই অন্য মুসলিমের হত্যা, ধর্ষণ এর সাথে তিনি জড়িত থাকতে পারেন না" -- তাদের কাছে দু'টি সহজ প্রশ্ন --

    ১. ১৯৭১ সালে উনি কি আল-বদর বাহিনীর প্রধান ছিলেন?

    ২. আল-বদর বাহিনীর প্রধান হিসেবে নিজামী সাহেবের দায়িত্ব কি ছিল?

    1. 16.1
      ফারুক

       

      এই প্রশ্নদুটির তাৎপর্য বুঝলাম না।  কোন বাহিনীর প্রধান হলে সেই বাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্যের কুকর্মের দায় কি বাহিনীপ্রধানের উপর বর্তায়? তাহলে তো মুজিব হত্যার জন্য ডালিম রশিদকে ফাঁসি না দিয়ে শফিউল্লাহকে ফাঁসি দেয়া উচিৎ ছিল।

      আল-বদর বাহিনীর ম্যনিফেস্টোতে খুন ধর্ষন জায়েজ করার নীতি থেকে থাকলে এবং সেই নীতির প্রবক্তা হয়ে থাকলে বাহিনীপ্রধানের বিচার হওয়া উচিৎ। তবে তেমন নীতির কথা শুনেছি বলে মনে পড়ে না।

      1. 16.1.1
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        @ফারুক -- 

        সব কিছু যুক্তি দিয়ে চলে না -- চাই জ্ঞান এবং প্রমান। কোর্ট এবং আইনী প্রক্রিয়া শেষ করতে লেগেছে দীর্ঘ ছয় বছর -- সেই ছয় বছরে কয়েক ডজন আইনজীবি নিজামীর পক্ষে কাজ করেছে -- কোর্চে তিন দফায় তাদের যুক্তি তর্ক ্‌উপস্থাপন করছে -অবশেষে ওদের প্রধান আইনজীবি খন্দকার মাহবুব হোসেনের আকুতি ছিলো যেন গলাটা বাঁচানো যায়। কোর্টে যথেষ্ট প্রমান এবং যুক্তির ভিত্তিতে রায় হয়েছে এবং কার্যকর হয়েছে। আল বদর বাহিনী গঠন এবং তার অপকর্মের জন্যে নিজামীর দায় নিয়ে বিস্তারিত এসেছে আপীলের রায়েও -- যা অনলাই্নে পাওয়া যায়। যদি মনে করেন পড়ে দেখতে পারেন। 

        এইখানে লিংক: 

        Motiur Rahman Nizami vs The Chief Prosecutor, International Crimes Tribunal, Dhaka Bangladesh.

         

        1. 16.1.1.1
          ফারুক

          @আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন,
           সব কিছু যুক্তি দিয়ে চলে না – চাই জ্ঞান এবং প্রমান। 

          এটা মনে হয় হয় ভুলে বলে ফেলেছেন। যুক্তি ছাড়া কোনটা সঠিক জ্ঞান আর কোনটা সাজানো প্রমাণ , সেটা কিভাবে নির্ধারন করবেন?

          ন্যায় বিচারের অন্যতম শর্ত হোল , দশ জন অপরাধী আইনের ফাক গলে বেরিয়ে গেলেও দুঃখ বা ক্ষতি নেই , একজন নিরপরাধ যেন শাস্তি না পায়। যারা অনন্ত পরকালে বিশ্বাসী, তাদের জন্য এটা আরো বেশি প্রযোজ্য। ইহকালে অপরাধী আইনকে ফাকি দিয়ে বেরিয়ে গেলেও পরকালে আল্লাহকে ফাকি দিতে পারবে না। অনন্ত শাস্তি থেকে তার মুক্তি নেই। 

          কোরানে কাসাসের আইন থাকলেও ক্ষমাকে সবার উপরে স্থান দেয়া হয়েছে। ইহকালে যদি ক্ষমা না করতে পারি , তাহলে পরকালে কিভাবে নিজের জন্য ক্ষমা আশা করব? জানেনই তো , আল্লাহর ক্ষমা ছাড়া কেউই জান্নাতে যাবে না। 

          মনে রাগ প্রতিহিংসা পূষে রেখে ন্যায় বিচার করা যায় না। আপনার জন্য একটি গল্প -- আলি যখন যুদ্ধের ময়দানে এক কাফেরকে পরাস্ত করে তাকে মারার জন্য তলোয়ার তুলেছেন , তখন কাফের তার মুখে থুতু দিল।  পরকালে রাগের বশবর্তী হয়ে কাফেরকে হত্যার জন্য যদি আল্লাহ তাকে শাস্তি দেন এই ভয়ে আলি তখন কাফেরকে না মেরে তলোয়ার নামিয়ে নিলেন।

      2. 16.1.2
        শাহবাজ নজরুল

        তাত্পর্য খুব সহজ। জবাব টি দেবার চেষ্টা করে দেখেন, তখনই বুঝবেন।

        আপনি কেমন আছেন ফারুক ভাই? অনেকদিন পরে কথা হলো। ভালো থাকবেন।

        1. 16.1.2.1
          ফারুক

          আপনার কাছে সহজ হলেও আমি বুঝিনি। বুঝিয়ে দিন।

          আমি ভাল আছি। আপনি কেমন আছেন? আপনিও ভাল থাকুন।

  9. 15
    মজলুম

    বাঙালিরা ছিলো নিম্ন বর্নের হিন্দু,  পরে সেন বংশের আমলে উত্তর প্রদেশ হতে কিছু লোক ধরে এনে ব্রাক্ষন বানায় শুদ্র বাঙালীদের শাসন করার জন্যে। এরা চ্যাটার্জি, ব্যানার্জী, মুখার্জি নামে পরিচিত। বাঙালি জাত হলো কালো এবং বেটে। কিন্তু ব্রাক্ষনরা যেহেতু ককেশাস আন্চল হতে এসে ভারতে ঘাটি গাড়ে, তাই তাদের দেখতে লম্বা ও সুন্দর রঙের হয়। বাঙালি নিম্ন বর্নের জাাতেরা ব্রাক্ষনদের সেবা করে,ব্রাক্ষনরা হিন্দু ধর্ম হতে শিখিয়ে দেয় যে ওদের সেবা করাই শুদ্রদের জন্যে ইবাদাত । ব্রাক্ষনরা যাই করুক, ওদের কোন পাপ হয়না। আর শুদ্র বর্নের বাঙালিদের কাজ হলো ওদের সেবা করা।  এই বিশ্বাস শুদ্র বাঙালিদের জিনের মধ্যে গেথে গেছে। তাই এখনো দেখবেন ঢাকার শাখারী পট্টি বা মেথর পট্টিতে হিন্দুরা ভারতের জয়গান গায়। ভারতের খেলার দিন ভারতের পতাকা উড়ায়, ঢোল বাজায়, ভারত হারলে এরা কান্দে, ভারত জিতলে এরা হাসে। অথচ এই শুদ্রগুলো ভারতে গেলে ব্রাক্ষনরা বলবে দূর হও, দূর হও, জাত গেলো, জাত গেলো। যেই ব্রাক্ষনদের  জন্যে এরা হাসে বা কাদে, সেটা হাজার বছর ধরে ব্রাক্ষনদের সেবা করারই ফল।
    ব্রাক্ষনরা এদের উপর যতই নির্যাতন করুক, এরা ব্রাক্ষনদের জন্যে হাসবে, কাদবে। ব্রাক্ষনদের করা পাপকে পাপ মনে করবে না।

    এই শুদ্ররা এক সময় সূফি সাধকের আহবানে, ব্রাক্ষনদের অত্যাচার হতে বাচার জন্যে মুসলিম হলেও এদের জিনে এখনো ব্রাক্ষনদের গোলামি করার স্বভাব রয়ে গেছে। এরা পাকিস্তানি বা আরব দেখলে ওদের ব্রাক্ষনভাবে। যেহেতু ওরা দেখতে লম্বা এবং সুন্দর বর্নের। ওদের সেবা করাই এদের কাছে ইসলামিক/ধর্মীয়  মনে হয়। ওদের পাপকে পাপ মনে করেনা। পাকিস্তানিরা এদের উপর নির্যাতন করলেও এরা মেনে নেবে এবং মেনে নেয় এবং পাকিস্তানি গীত গাইবে ধর্মের ব্যানারে, ঠিক যেমন আগে হিন্দু থাকার সময় করেছিলো যে ওটা তাদের ধর্মীয় দায়িত্ব। তাই এরা পাকিস্তানিদের করা পাপ কে পাপ মনে করেনা। পাকিস্তানিরা এই বাঙালিদের বেটে, কালো বললেও এরা হাসি মুখে মেনে নেয়। অথচ পাকিস্তানিরা এই বাঙালি মুসলিমদের নিচু জাতের মুসলিমইভাবে।

    এরা মুসলিম হলেও ইসলামকে সেইভাবে বুঝেনি বা ওদের জিন পরিবর্তন হয়নি। বিদায় হজ্বের সময় রাসূল(সঃ) বলে গেছেন, সকল মুসলিম সমান। আরবের উপর অনারবের কোন স্থান নাই। তেমনি অনারবের উপর আরবেরও স্থান নাই। সাদার উপর কালো লোকদের স্থান নাই, তেমনি কালো লোকদের উপর সাদা লোকদের স্থান নাই। শুধু তাকওয়ার ভিত্তিতেই উচু, নিচু হিসাব করা হয়।
    এরা মহান আল্লাহর সেই কথাও দেখেনা যেখানে আল্লাহ বলছেন, তিনি অর্থ, লম্বা, সাদা, সুন্দর, কূৎসিত, গরীব, কালো এসব দেখেন না, তিনি শুধু মানুষের অন্তর দেখেন, ইমান দেখেন। তিনি জাত, পাত এসব দেখেন না।

     

    1. 15.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      একমত। 

      এখনও বাংলাদেশ, পকিস্তানের একদল মানুষ তাদের বংশের বিষয়ে গর্ব করে। বাংলাদেশের সৈয়দ, চৌধুরী ইত্যাদি সবার দাবী তাদের রক্ত আরব থেকে আমদানী করা। কি আশ্চর্য -- মুহাম্মদ (সঃ) এর উন্মত হয়েও কিভাবে মানুষ বংশ আর পরিবার নিয়ে গর্ব করে জানি না। 

      আর পাকিস্তানপ্রীতিতে কিছু মানুষের জিনের মিশে আছে -- তেমনি ভারত কারো কারো জন্যে পূন্য ভুমি। 

      কি আর করবেন। হয়তো আরো কয়কটা জেনারেশন যাবে এই অবস্থায় -- পরে ঠিক হবে। 

      1. 15.1.1
        মজলুম

        বংশ গৌরব এসব জাহেলি। জাহেলি যুগে এসবের প্রচলন ছিলো। রাসূল(সঃ) বলেছেন, জাহেলি যুগের অবসান হয়ে গেছে, জাত/পাতের ইসলাম ধর্মে নাই। আরেক হাদিস হতে জানা যায় অহংকার/গৌরব হলো আল্লাহর চাদর। মানুষেরা যেন আল্লাহর চাদর নিয়ে টানাটানি না করে। আরেক হাদিস হতে জানা যায় যে, যার অন্তরে সরিষার দানার মত অহংকার আছে সে জান্নাতে প্রবেশ করবেনা।

        1. 15.1.1.1
          মুনিম সিদ্দিকী

          ভাই আপনি খুব জ্ঞানী মানুষ, তাই আপনার সাথে আলোচনার সাহস আমার নেই।

          তবে আপনি কি এই হাদিসটি শুনেছেন যে, বিয়ে শাদীর সময় যেন পারিবারিক ভারসাম্য রক্ষা সম্পর্ক ঠিক করা হয়?

          আমি তো দেখিনি যাদের পূর্বপুরুষ এই দেশে ইসলাম প্রচারের এসেছিলেন তারা বংশ গর্ব করতে, তবে বিয়ে সাদীতে পারিবারিক বা বংশীয় ভার সাম্য মেনেই করতেন। এখনো করেন। ধন্যবাদ।

  10. 14
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    বিশেষ ভাবে জ্ঞানপ্রাপ্ত মুনিম সিদ্দিকির কাছ থেকে জাতি কি কি জানলো -- 

     

    ১) মানুষ কেমন জ্ঞানান্ধ কিংবা মতলববাজ  হলে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করা আর স্বাধীন বাংলাদেশের বিরোধীতা করাকে এক করে ফেলতে পারে।

    ২) আর মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী করতে যারা কনভেনশনাল  যুদ্ধে অংশ নিয়ে যুদ্ধ করা এক জিনিস, আর ঐ যুদ্ধে সমরনীতির বিরুদ্ধে গিয়ে মানবতা বিরুধী অপরাধ ঘটান আরেক জিনিস তা বুঝতে না পারা।

    ৩) আজকের বাংলাদেশের বাস্তবতায় নয়, সেদিনের বাস্তবতা দিয়ে সে ঐতিহাসিক ঘটনার বিচার করতে হবে। 

    ৪) ১৬ ই ডিসেম্বর যে অস্ত্রসমর্পনের যে দলিল স্বাক্ষর হয়েছিলো, সে দলিলটি আদ্যপ্রান্ত আবার পড়ে দেখুন। তাহলে আপনাদের বুঝ পানির মত স্বচ্ছ হবে, যে আপনারা বাস্তবতা থেকে কত দূরে সরে এসেছেন।

    ৫) শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭৫ সালের ২৫ শে জানুয়ারীর বাকশাল ঘোষণার দিন দেয়া ভাষণও ভালো পড়ে দেখুন, আপনারও শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশ থেকে কত দূরে সরে এসেছেন।

    ৬) আমরা না মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করি, না মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের বিরোধীতা করি। 

    ৭) আমরা এই বিচার নিয়ে দেশে বিদেশে যে সব আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে, সেই সব আলোচনা সমালোচনায় যে গুলোকে বাস্তব বলে মনে হচ্ছে সে কথা তুলে ধরছি।

     

    এই পয়েন্টগুলো থেকে আমরা বিশেষ জ্ঞানার্জন করবো এই আশায় কিছু প্রশ্ন করছি মুনিম ভাইকে -- উনি যদি সংক্ষেপে জবাব দেওয়ার জন্যে তসরিফ আনেন -- তবে এই স্বল্পজ্ঞানী মানুষগুলো উপকৃত হবে বলাই বাহুল্য। আসেন মুনিম ভাই পয়েন্ট মতো আসি --

    ১) আপনি বলছে -- বিচার সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে আপনি বেশ কয়েকবার "আমরা" শব্দটা উচ্চারন করেছে। দয়া করে এই "আমরা" বলতে কাদের বুঝাচ্ছেন। বস্তুত জামাত এবং জামায়াতের পেইড কিছু লোকজন এই বিষয়ে বিতর্ক তৈরী করছে। আপনি এই্ আমরা বলতে কি তাদের বুঝ্চ্ছে -- মানে জামাত এবং জামাতের পেইড এজেন্ট?

    ২) বাংলাদেশের জন্মের সময় যারা বিরোধীতা করেছে তাদের সবার বিচার হচ্ছে না -- বিশেষ করে রাজনৈতিক দল (মুসলিমলীগ, নেজামে ইসলামী, পিডিপি জামায়াত) -- রাজাকারের ৫০ হাজার সদস্যের বিচার হচ্ছে না- শুধুমাত্র যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এসেছে -- (বস্তুত এদের যারা সক্রিয় ছিলো তাদের সবাই কিছু না কিছু অপরাধ করেছে) -- সে্ই বিচারের আপনার বিরোধীতা কেন? 

    আপনি এখন কৌশল করে কথা বলছেন -- কিন্তু আপনি শুরু থেকেই এই বিচারের বিপক্ষে -- 

    "

    "ঐ যুদ্ধে যারা পরাজিত তারা যুদ্ধাপরাধী। তাই বিচার হবে যুদ্ধাপরাধের বিচার। কিন্তু আমাদের দেশে যে বিচার চলছে তা কি যুদ্ধাপরাধের বিচার?

    না। তা যুদ্ধাপরাধের বিচার নয় কারণ যুদ্ধাপরাধের বিচার করতে হলে মূল অপরাধী পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর ১৯৫ জনের বিচার করতে হবে। সে ধরণের বিচার করা দূরের কথা বিচার চাওয়ার ক্ষমতাও এখনও বাংলাদেশের হয়নি।" (

    মুনিম সিদ্দিকী

    অক্টোবর ৫, ২০১৩ )

    এখন প্রশ্ন -- আপনি কি আসলে এই বিচার চেয়েছেন -- নাকি বিচার বিতর্কিত করার উপাদানগুলো যা জামাতের প্রপাগান্ডা মেশিন সরবরাহ করছে তা প্রচার করছেন? 

    এই পর্যণ্তই -- আরো প্রশ্ন আছে। আপাতত এ্ দুইটা জবাব দিলেই পরেরগুলোয় যাবে। 

     

     

    1. 14.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      <<<এই পয়েন্টগুলো থেকে আমরা বিশেষ জ্ঞানার্জন করবো এই আশায় কিছু প্রশ্ন করছি মুনিম ভাইকে – উনি যদি সংক্ষেপে জবাব দেওয়ার জন্যে তসরিফ আনেন – তবে এই স্বল্পজ্ঞানী মানুষগুলো উপকৃত হবে বলাই বাহুল্য। আসেন মুনিম ভাই পয়েন্ট মতো আসি –>>>>

      উত্তরঃ- জিয়াভাই আমি অসুস্থ, উত্তর না দিলে পাছে ভুল বুঝেন তাই অসুস্থ শরীর নিয়েই উত্তর দিলাম।

      <<১) আপনি বলছে – বিচার সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে আপনি বেশ কয়েকবার "আমরা" শব্দটা উচ্চারন করেছে। দয়া করে এই "আমরা" বলতে কাদের বুঝাচ্ছেন। বস্তুত জামাত এবং জামায়াতের পেইড কিছু লোকজন এই বিষয়ে বিতর্ক তৈরী করছে। আপনি এই্ আমরা বলতে কি তাদের বুঝ্চ্ছে – মানে জামাত এবং জামাতের পেইড এজেন্ট?>>

      উত্তরঃ- আমরা বলতে আমজনতা।

      <<২) বাংলাদেশের জন্মের সময় যারা বিরোধীতা করেছে তাদের সবার বিচার হচ্ছে না – বিশেষ করে রাজনৈতিক দল (মুসলিমলীগ, নেজামে ইসলামী, পিডিপি জামায়াত) – রাজাকারের ৫০ হাজার সদস্যের বিচার হচ্ছে না- শুধুমাত্র যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এসেছে – (বস্তুত এদের যারা সক্রিয় ছিলো তাদের সবাই কিছু না কিছু অপরাধ করেছে) – সে্ই বিচারের আপনার বিরোধীতা কেন? >>>

      উত্তরঃ- এই উত্তর দেবার পর আমার মাথা শরীরে থাকবে কিনা জানিনা তবে উত্তরে বলব যে, যে যুদ্ধাপরাধীর বিচার নিয়ে আমার একটি আলাদা ভিশন আছে। বর্তমান বিচারটি আমার ভিশন মত হয়নি,

      আপনি নিশ্চয় জানেন ২০০১ সালে বাংলা ব্লগজগত চালু হয়নি, আমি সে সময় নিজ ইচ্ছায় যুদ্ধাপরাধের বিচার চেয়ে জাতিসংঘের মহা সচিব বরাবরে অনলাইন পিটিশন করি। আমি যখন অনলাইন পিটিশন হোস্টিং করি তখন হয়তো আপনি এই বিষয় নিয়ে কল্পনা করেননি।

      আমি সে লিংকটি পাচ্ছিনা বিধায় পুরা আবেদন পত্রটি এখানে তুলে ধরছি, অনুরোধ করবো, আপনি আমার আবেদন পত্রের প্রতিটি লাইন ছত্র পড়ে আমার যুদ্ধাপরাধের বিচারের ভিশনটি বুঝার চেষ্টা করবেন।

      Bangladeshi Nation Demand Justice

      View Current Signatures -- Sign the Petition

      To: Secretary General, United Nations

      Dear Mr. Kofi Anan,

      With all due respect, we would like to bring to your notice one of the most horrible genocide of the 20th century that had occurred in 1971 in the then East Pakistan, which is now known as Bangladesh.

      On 25th March 1971 at around midnight, the ferocious Pakistani army had come out from the barracks and massacred the unarmed, innocent and sleeping people. 3,000,000 people were massacred, 200,000 women were raped and hundreds of villages were burnt to ashes and razed to the ground from 25th March till 16th December 1971. Millions of people lived in tents on the other side of the border facing starvation and famine.

      When the invaders came to the reality that they can not hold on to the then East Pakistan, they, along with their collaborators, hatched one of the most hateful plan which can only be compared to the calculated plan to extinct the Jew intellectuals during the WW II. The invaders and their collaborators rounded up the intellectuals from every department and murdered them in cold blood. As the invaders and their collaborators understood that they couldn’t keep the land and the Bengalis under their feet, they planned to destroy the nation and so they massacred the intellectuals who would have steered the Bengali nation out of chaos and into prosperity.

      The peace loving people of the world cannot stand aside and let one of the most horrible genocide of the 20th century go by and the criminals without trial. The convicts and their collaborators must be brought to trial and punished for their crime. The Bangladeshi nation demands justice for the atrocities that had been carried against them.

      The international court of justice is now a world recognized body. We, the peace loving people of the world request you, sir, to advice the international court to investigate the war crimes carried out during the independence war of Bangladesh and bring all the criminals to justice and apologize to the Bangladeshi nation.

      We hope that the United Nations will do everything in its power to give the Bangladeshi nation the justice it seeks.

      Sincerely,

      The Undersigned

      View Current Signatures

      The Bangladeshi Nation Demand Justice Petition to Secretary General, United Nations was created by Munim2000 and written by -?- (munim2000@yahoo.com). This petition is hosted here at http://www.PetitionOnline.com as a public service. There is no endorsement of this petition, express or implied, by Artifice, Inc. or our sponsors. For technical support please use our simple Petition Help form.

       

      <<আপনি এখন কৌশল করে কথা বলছেন – কিন্তু আপনি শুরু থেকেই এই বিচারের বিপক্ষে –  >>>

      উত্তর ঃ- আপনি কি চাচ্ছেন আমি এমন কিছু মন্তব্য করি যা বর্তমান সময়ের আইন লংগন বলে ধরা হয়, এবং আমাকে আদালত অবমাননার অভিযোগে গ্রেফতার করা হোক?

  11. 13
    কিংশুক

    ভাল কমেন্ট মুছে খুব বীরত্বের সাথে নিজের দলকে বাঁচিয়েছেন । কমেন্টটার ঠিক কোন কথাটা মিথ্যা ছিল তা সবাইকে জানান।

    1. 13.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      আমিতো বলেছি -- বেহুদা বিষয়ে কথা বলা পছন্দ করি না -- আওয়ামীলীগ আর বিএনপি মুদ্রার দুই পিঠ -- একটা বুদ্ধিমান চোর -্ আরেকটা বোকা চোর। এই বিষয়ে আলোচনার দরকার নাই। আপনি আমাকে গালি দিছেন -- সেইটাই গুরুত্বপূর্ন। দয়া করে আমার লেখায় কমেন্ট না কলেই খুশী হবো। জামাতিদের দেখলে গা ঘিন ঘিন করে -- এরা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রতারক -- শুধু নিজের দেশেই না -- সারা বিশ্বের আলেমদেরও ওরা বিভ্রান্ত করছে। তাই দুরে থাকুন। সেইটাই ভাল। ধন্যবাদ এবং বিদায়। 

  12. 12
    মজলুম

    রাজনৈতিক পোষ্ট মুক্ত সদালাপ হোক। ওটা বরং সবাই সবার ফেসবুকে লেখেন। আল-বদরের মত এক নৃসংশ খুনী সংগঠনের কমান্ডারদের জন্যে তাদের ছানাপোনা, জামাতের চরম হিতৈশী, জামাতের ফুল সাপোর্টার, জামাতের হাফ সাপোর্টার, জামাতের সেমি সাপোর্টার, শত্রুর শত্রু বন্ধু হিসেবে জামাতও বন্ধু(আওয়ামীলীগ শত্রু)  হিসেবে খুনীদের পক্ষে  যেভাবে কোমর বেধে নামে, সেটা যদি আল্লাহ ও তার রাসূলের(সঃ)  জন্যে হতো, তাদের বানী প্রচার করার জন্যে হতো, কতই না ভালো হতো।

    1. 12.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      ধন্যবাদ।

      রাজনীতি বলতে যে কোন দলের পক্ষে কথা বলা -- সেই দলের কর্মসূচী প্রচার করা -- বা সেই দলের ভুলত্রুটি নিয়ে আলোচনা করাতে দোষের কিছু দেখি না। সমস্য হলো -- রাজনীতি মানেই ঘৃনার বহিপ্রকাশ -- এইটা দেখে হতাশ। জামাত একটা রাজনৈতিক দল (যদিও এখন নির্বাচন করার যোগ্যতা হারিয়েছে) -- তার পক্ষে কোন লেখা সদালাপে দেখি না -- কিন্তু কোন ভাবে আওয়ামীলীগ শব্দটা দেখলেই একদলের মাথা গরম হয়ে উঠে -- ইতিহাস-ভুগোল-পৌরনীতি নিয়ে আসে -- গালাগালি করে নিজেদের ঘৃণার প্রকাশ দেখেও চরম হতাশ। 

      আপনার পর্যবেক্ষনের সাথে একমত -- লক্ষ্য একটাই আল-বদর রাজাকারদের নির্দোষ প্রমান করা -- সত্যই অবাক লাগে -- ইসলামের নামে এতো বড় অপরাধ পৃথিবীর ইতিহাসে আরো কোথাও হয়েছে কিনা জানি না -- সেই অপরাধীদের পক্ষে ইসলামে নামে -- মুসলিম ভাতৃত্বের নামে যখন সাফাই গাওয়া হয় -- তখন অবাক হই না এই ভেবে যে সেই দেশের ৯০ ভাগ মুসলিম বাস করে কিন্তু মসজিদের গিয়ে দৃশ্যত আল্লাহর ভয়ের চেয়ে জুতা চোরের ভয়েই বেশী সন্ত্রস্ত থাকে। 

      অবশ্যই সদালাপ মুক্ত আলোচনার জায়গা -- কিন্তু কোন অপরাধী (বিশেষ করে কনভিক্টেড অপরাধীদের) সাফাই গাওয়া যায়গা হবে না। সদালাপ ইতো মধ্যে জামাতবান্ধব ট্যাগ খেয়েছে -- ভবিষ্যতে আল-বদর রাজাকারদের ফোরাম হিসাবে চিহ্নিত হবে এইটা কোন ভাবেই কাম্য হতে পারে না। 

       

       

      1. 12.1.1
        কিংশুক

        @মজলুম রাজনৈতিক পোষ্ট মুক্ত সদালাপ কাম্য। কারন কেউ একজন একঢিলে চার পাখি মারার প্ল্যান নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে পোষ্ট্ দিয়ে নিজের দলের প্রতিদ্বন্দ্বী সব দলকেই এক লাইনে ব্রাশ ফায়ার করে নিজের দলকে ঈশ্বরের মতো সমালোচনার উর্ধে তুলে দিয়ে প্রোপাগান্ডা চালাবে আর নিজের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করা বীর উত্তমদেরকেও আইএসআই এর চর , আওয়ামী লীগ ছাড়া অন্য দলের সদস্যদের গণহারে ষড়যন্ত্রকারী সাজাবে তা তো কাম্য নয়। এর জন্য তো নিজেদের দলের মিডিয়া কর্মী সব আছে। সদালাপকে ঐ মিডিয়া বানালে বিপক্ষের যৌক্তিক, ইতিহাস ভিত্তিক সত্যের মুখোমুখি হতে হবে। ঐকাজ ফেসবুকে নিজের পেজ, দলীয় বিভিন্ন পেজ, মিডিয়ায় করলে আমরা আনন্দিত হবো। সদালাপ কোন রাজনৈতিক দলের মূখপাত্র নয়। স দালাপের সৃষ্টি হয়েছিল ইসলামিক প্লাটফর্ম হিসাবে । এখানে এখন গণহারে দলীয় বন্দনা করা হচ্ছে । এই পোস্ট অবশ্য যুদ্ধাপরাধের বিচার বিষয়ে কিন্তু লেখক মার্কামারা দলীয় মূখপাত্র হিসাবে এক ঢিলে সব পাখি মারতে চায়। এজন্য ভবিষ্যতে রাজনৈতিক পোষ্ট্ না দিলেই বা দিলেও ক্ষমতাসীন দল ছাড়া সবাই  আগাছা টাইপ না লেখলে এবং সত্যর সাথে মিথ্যা মিশ্রিত করা, সত্যকে অস্বীকার করার মনোমনোবৃত্তি ত্যাগ করলে বিতর্ক কম হবে। কোন দেশে, সমাজেই সবাই এক মতাদর্শী হবেনা ।

         

  13. 11
    কিংশুক

    বিচারের বিষয় নিয়ে অবশ্যই কিছু বলবোনা, আগেই জানা রায়। কিন্তু আওয়ামী ভন্ডামী লেখক ছাড়তে না পারায় হাসি আসলো। নিজামির ছেলেকে মাদ্রাসায় পড়াননি তাতে আপনারতো খুশি হবার কথা কারন আপনিও মাদ্রাসার বিপক্ষের । আর ক্বওমী মাদ্রাসা দেওবন্দের প্রতিষ্ঠা তারা মাওলানা মওদুদিকে ম ুরতাদ কুফুরির যেসব ফতোয়া দিয়ে গেছে ও জামাত বিরোধী তাতে তাদের সন্তানেরা সেখানে পড়েওনা। সেটাও ঠিক আছে কিন্তু  বিএনপি জামাতের ভোট নিয়ে সরকার গড়ায় তারা জণগনের ভোটে নির্বাচিত হওয়ায় এমপি মন্ত্রীর কোটায় প্লট দিয়েছে। এখনকার মতো সিলেকশনের বিরোধী দল বানিয়ে এমপি মন্ত্রীত্ব দেয়নি। বিএনপির চেয়ে আওয়ামী এমপি মন্ত্রী বাম মন্ত্রীরা বেশি প্লট পেয়েছে। আপনি মনে হয় ভুলে যাচ্ছেন দেশে একসময় গণতন্ত্র ছিল,  ভোটাধিকার ছিল। ভালই বিনোদন দেয় চামচারা।

     

     

     

     

    1. 11.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

       আপনারতো খুশি হবার কথা কারন আপনিও মাদ্রাসার বিপক্ষের ।

      -- আপনারা কারা -- কাদের কথা বলছেন? 

      আপনি যে জামাতি এই কথাটা ধরতে সময় লাগলো। বেহুদা মিথ্যাচার না করে নিজের ব্লগ লিখুন -- যুদ্ধাপরাধী দুধে ধোয়া শিশু -- ওরা আরেকটু হলেও ফেরেস্তা হয়েই জন্মাতো -- কিন্তু  ঘটনা চক্রে ওরা আল বদর হয়ে গেছে। 

      দয়া করে আমার ব্লগে মন্তব্য করে বিরক্ত না করার জন্যে অনুরোধ করছি। কারন আগের ব্লগে আপনি আমাকে গালি দিয়েছেন এবং আমার প্রশ্নের জবাব না দিয়ে আবার্‌ও গালাগালি শুরু করলেন। 

       

      1. 11.1.1
        কিংশুক

        আমি জামাতি কিভাবে বুঝলেন? আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সত্য বললেও শাক দিয়ে মাছ ঢাকতে জামাতি বানায়।যুদ্ধাপরাধীরা দুধে ধোয়া শিশু এরকম কোন কথা আমি ইহজনমে বলিনি। আপনার এন্টেনা সঠিক তরংগ ধরতে ব্যর্থ ।আল্লাহকে হাজির নাজির জেনে বলছি আমি জামাত করিনা, তিনবারের জাতীয় নির্বাচনে কোনবারই জামাতকে ভোট দেয়নি , একবার আওয়ামী জোটকে ভোট দিয়েছিলাম যার জন্য এখন আল্লাহ্ র কাছে ইস্তেগফার করি। আপনারা কারা তাও বুঝতে পারছেন না! ওরে আমার ভাজা মাছ উল্টাইয়া খেতে পারেনা শিশুর মতো সরল ভাইটারে!  হাহামগে ন্যাকা। আপনি ভিন্ন মত সহ্য করতে না পারলে ব্লগে লেখার দরকার কি? আপনাকে আগের এক লেখায় যা বলেছিলাম তার জন্য ক্ষমা চাচ্ছি এবং ভবিষ্যতে আর বলবোনা কথা দিচ্ছি কিন্তু সেটাও মনের ভিতর থেকে উৎসারিত ছিল।

         

         

         

         

        1. 11.1.1.1
          কিংশুক

          দুঃখিত তিনবার না দুই বার ভোট দিয়েছি। দুই হাজার এক ও আট এ। 

  14. 10
    বাকাট্টা রবিন

    "এই কথাতো আপনি অনেকবার বলছেন। লাভ কি হইলো।" 

    লাভ হউক না হউক এতে প্রমাণিত হইল রাষ্ট্রপক্ষ যেনতেন ভাবে মিথ্যা স্বাক্ষীর মাধ্যমে নিরাপরাধ ব্যাক্তিকে অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে হত্যা করতে চায়। আর সেটাকেই আপনি সাফাই গাইছেন। এই আইসিটি যে ক্যাঙ্গারুর কোর্ট সেটা প্রমাণিত সত্য। আপনে স্বাক্ষীর গুরুতর মিথ্যা কথা আমলে না নিয়ে অন্ধের মত এই ক্যাঙ্গারুর কোর্টকে সমর্থন করছেন। আপনার বিবেক আলীগের কাছে বন্ধক দেওয়া আছে। 

    1. 10.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      আমার বিবেক কার কাছে বন্ধক আছে তা নিয়ে আপনি রাতের ঘুম নষ্ট না করে আর্ন্তজাতিক মানের আদালতের একটা সংজ্ঞা এবং একট উদাহরন দেন -- যা সাথে তুলনা করে বুঝা যাবে বাংলাদেশের ট্রাইবুন্যালয়ের মান কতটা ভাল বা খারাপ। সব সময়ই অভিযুক্তরা বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করে -- কিন্তু যখন রায় নিজেদের পক্ষে যায় তখন চুপ মেরে যায়। আপীল বিভাগে সাঈদীর রায় কি নিরপেক্ষ ছিলো? 

  15. 9
    বাকাট্টা রবিন

    এই ICTর বিচার শুরুর আগে হাসিনা বলেছিল এই বিচার হবে আন্তর্জাতিক মানদন্ডে;

    Bangladeshi Prime Minister Sheikh Hasina says her country’s first ever war crimes 
    trial relating to the 1971 war of independence will be fair, impartial and conform to 
    international standards—this according to the Bangladeshi newspaper The Daily Star. 
    According to the paper, the Prime Minister made the comments to US 
    ambassador-at-large for war crimes Stephen Rapp on Tuesday in Dhaka, following 
    his pointed criticism of the judicial process.

    http://icsforum.org/mediarchive/2011/12/01/bangladeshi-pm-tribunal-fair-and-impartial/

    কিন্তু স্কাইপি স্ক্যান্ডালের পর ফাস হয়ে গেল যে সরকারের মন্ত্রীরা সরাসরি বিচারকদের সাথে মামলা নিয়ে চাপ দিচ্ছে। কোন সভ্য দেশে কি মামলা চলাকালীন রাষ্ট্রের মন্ত্রীরা বিচারকদের চাপ দিয়ে মামলা তাদের রাজনৈতিক এজেন্ডার রায় চাপাতে পারে? 

    দেশী কি আন্তর্জাতিক নিয়ম হইল কোন মামলায় মিথ্যা স্বাক্ষী দিলে তাকে শাস্তি পেতে হয়। কিন্তু এই আইসিটিতে দেখা গেছে বাদী তথা রাষ্ট্র পক্ষের স্বাক্ষী ভুল, বিকৃত, মিথ্যা স্বাক্ষী দিলেও খোদ বিচারক সেটাকে সংশোধন করে দিয়ে যেভাবে ফাসীর জন্য মামলাকে সেট করা যায় সেভাবেই মামলাকে ফাইনাল করছেন। আপনে কখনই এই গরমিল ও মিথ্যা স্বাক্ষীর বিরুদ্ধে কিছু বলেন নাই। নিজামী, কাদের মোল্লা, মুজাহিদ এবং কামরুজ্জামান এদের সবার বিরুদ্ধে কথিত চাক্ষুস স্বাক্ষীর সবারই বিবাদী পক্ষের আইনজীবির জেরায় ভুল ও মিথ্যা কথা বলছে সেটা কোর্টের নথিতে লিপিবদ্ধ আছে। যদিও উচ্চ আদালতের বিচারকগণ এটাকে বলছে যে এই গুলি সঠিক না যা আসামীকে শাস্তি দিতে যথেষ্ঠ কিন্তু দিন শেষে ঐ রাজনৈতিক কারণেই তাদেরকে ফাসী দিছে। দুই মন্ত্রী যাদের একজন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল তারা সরাসরি উচ্চ আদালতের এই পর্যবেক্ষণকে নিয়ে কটাক্ষ করাতে জরিমানা দিতে হইছে তারপরেও কি বলার অপেক্ষা রাখে এটা পক্ষপাতদুষ্ট বিচার না? 

    আপনে লিপিবদ্ধ স্বাক্ষী সবুদ বিবেচনায় না নিয়ে খালি নিজামীকে দোষী ও তার ফাসী নিয়ে খুশী প্রকাশ করছেন সেটা কোন ধরণের বিবেক? 

    1. 9.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      এই কথাতো আপনি অনেকবার বলছেন। লাভ কি হইলো। আসলে আপনি তো বিচারের বিশ্বাস করেন না। পৃথিবীর সবচেয়ে সুফী লোক দিয়ে বিচার করালেও কিছু না কিছু ত্রুটি আপনি খুঁজে পেতেনই -- কারন এই ধরনের অজুহাত আপনাদের দরকার --  এই অজুহাত নিজেদের সন্তুষ্ট করতে পারলেই যথেষ্ট -- মনে হয় আপনি নিজেই এইগুলো বিশ্বাস করেন না -- করলে এক কথা কেউ বারবার বলে না। 

       

      বরঞ্চ বিচারের রায়গুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ুন -- লজ্জিত হউন -- কি দরকার অন্যের পাপের বোঝা নিজে মাথায় উঠানো। এরা সত্যই অপকর্ম করে -তাই দেখুন ৭১ থেকে ৭৭ পর্যণ্ত এরা লুকিয়ে রাখে নিজেদের পরিচয়। 

      ভাল থাকুন। 

  16. 8
    শাহবাজ নজরুল

    @সুজন সালেহীন 

    আমি ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিইনি। আমি শুধু উনাদের ততকালিন প্রক্ষাপট বলতে চাইছিলাম। পোস্টে উল্লেখিত উদ্ধৃতি থেকে বুঝা যায় নিজামীরা ততকালীন হিন্দুস্হানের আগ্রাসনের বিপক্ষে ছিল। হিন্দুস্হানের এগিয়ে আসাটাকে উনারা আগ্রাসন হিসেবে দেখেছিল। 

    নিজামীরা হিন্দুস্তানের আগ্রাসনের বিপক্ষে ছিলেন তাই তারা পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিলেন -- এইতো? তার অবধারিত মানে তো একটাই -- তারা মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। তাহলে আপনার অবস্থান কিভাবে "মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে" নয় তা ব্যাখ্যা করবেন কি? কিংবা সহজভাবে অন্য ভাষায় বললে --

     "মনে করেন আপনি ৭১ সালে যুদ্ধের বয়সে আছেন। আপনি কি যুদ্ধে যেতেন নাকি হিন্দুস্থানের আগ্রাসন ঠেকাতে আল-বদর বাহিনীতে যোগ দিতেন?" 

    এই পয়েন্ট'টা আগে একটু ক্লিয়ার করেন। পরে অন্য পয়েন্ট গুলোতে আসছি। 

    1. 8.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      অপেক্ষায় থাকলাম -- জবাবটা দরকার। 

       

      1. 8.1.1
        সুজন সালেহীন

        আপনাদের সমীকরণটা যদি এইরকম হয় ভারতবিরোধী = মুক্তিযুদ্ধবিরোধী, তাহলে কি বলার আছে?

        1. 8.1.1.1
          শাহবাজ নজরুল

          শেষমেষ আপনি কিন্তু সহজ প্রশ্নের জবাবটা দিলেন না সুজন ভাই। প্রশ্নটা বেশ সহজ কিন্তু জবাবটা অনেকের জন্যে দেয়া বেশ কঠিন। 

    2. 8.2
      মুনিম সিদ্দিকী

      মানুষ কেমন জ্ঞানান্ধ কিংবা মতলববাজ  হলে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করা আর স্বাধীন বাংলাদেশের বিরোধীতা করাকে এক করে ফেলতে পারে। আর মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী করতে যারা কনভেনশনাল  যুদ্ধে অংশ নিয়ে যুদ্ধ করা এক জিনিস, আর ঐ যুদ্ধে সমরনীতির বিরুদ্ধে গিয়ে মানবতা বিরুধী অপরাধ ঘটান আরেক জিনিস তা বুঝতে না পারা। আজকের বাংলাদেশের বাস্তবতায় নয়, সেদিনের বাস্তবতা দিয়ে সে ঐতিহাসিক ঘটনার বিচার করতে হবে। 

      আপনারা প্রগতিশীল মানুষ আমার মত ধর্মান্ধ নন। ১৬ ই ডিসেম্বর যে অস্ত্রসমর্পনের যে দলিল স্বাক্ষর হয়েছিলো, সে দলিলটি আদ্যপ্রান্ত আবার পড়ে দেখুন। তাহলে আপনাদের বুঝ পানির মত স্বচ্ছ হবে, যে আপনারা বাস্তবতা থেকে কত দূরে সরে এসেছেন।

      শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭৫ সালের ২৫ শে জানুয়ারীর বাকশাল ঘোষণার দিন দেয়া ভাষণও ভালো পড়ে দেখুন, আপনারও শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশ থেকে কত দূরে সরে এসেছেন। আমরা না মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করি, না মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের বিরোধীতা করি। 

      আমরা এই বিচার নিয়ে দেশে বিদেশে যে সব আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে, সেই সব আলোচনা সমালোচনায় যে গুলোকে বাস্তব বলে মনে হচ্ছে সে কথা তুলে ধরছি। সদালাপে আওয়ামী লীগ বিরুধী লেখক থাকলেও কেউ বাংলাদেশ বিরুধী লোক নেই। তবে সদালাপের কেউ কেউ ভারতকে বন্ধু মনে করেন। আর কেউ কেউ ভারতকে অবিশ্বাস করেন। তবে কেউই চাননা ভারতের মত বৃহত প্রতিবেশীর সাথে অবন্ধু সুলভ আচরণ করতে। ধন্যবাদ।

      1. 8.2.1
        শাহবাজ নজরুল

        আমি খুব সহজ  করেছিলাম। হয়ত dichotomic অপশন দেয়া আপনার পছন্দ হয়নি। আপনি তাহলে একটা সহজ উত্তর দিন। ৭১ এ আপনি যুবা বয়স্ক থাকলে আপনি কি করতেন? আপনাকে কোনই চয়েস দিলাম না। উত্তরটা আপনি যথাযথ ব্যাখ্যা সহকারে দিতে পারেন।

        যেমন ধরেন আমাকে যদি কেউ এই প্রশ্ন করে তবে আমার উত্তর দিতে এক মুহূর্তও দেরী হবেনা। আমার উত্তর হবে আমি যুদ্ধে যেতাম। এবং আমার মনে এই নিয়েও কোনো সন্দেহ নেই যে ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে আমরাই ঠিক পথে ছিলাম -- পাকিস্তানি'রা ছিল জুলুমের পক্ষে।

        1. 8.2.1.1
          মুনিম সিদ্দিকী

          শাহবাজ ভাই আপনি ঐতিহাসিক বাস্তবতার ভিত্তিতে প্রশ্ন করেননি, করেছেন নিজের আবেগ বা বিশ্বাস থেকে যা বাস্তবতা থেকে অনেক দূরে।
          তারপরও আমি বলছি, সে সময় রাজনীতি ঘনিষ্ঠ পরিবার বা লোক ছাড়া বেশীর ভাগ লোকের ভূমিকা ছিলো সেই রকম, যখন ১৭৫৭ সালে ২৩ শে জুন পলাশীর যুদ্ধের পর সাধারণ মানুষের মনোভাব ছিলো। দেশের বেশীর ভাগ মানুষ সেই সময়কে গণ্ডগোলের বছর বলে বর্ণনা করতো।
          আমার বিশ্বাস ২৫শে মার্চ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিলো, জনগণের মনে কোন দিকে যাবে তা নিয়ে দ্বিধা ধন্ধ ছিলো। কাছে যে বাড়িতে তেকে পাক আর্মীর জন্য গরু ছাগল দেয়া হয়েছে, সে বাড়িতে রাত্রে মুক্তিযোদ্ধা আশ্রয় নিয়েছে। সাধারণ মানুষ শ্যাম রাখিনা কুল রাখি অবস্থার মধ্যে পড়েছিলো।
          এবার আসি আমার কথায়, আমার বয়স, তখন ১৩/১৪ । আমার মরহুম আব্বা ৬৯ এর ২৭শে মার্চ ইন্তেকাল করেন। তিনি টাউন জামে মসজিদের অবৈতনিক প্রধান ইমাম চিলেন। ঈদের জামাতের ইমাম ছিলেন। অন্যদিকে তিনি সরকারী মাদ্রাসার অধ্যক্ষ্য ছিলেন। আমার জ্ঞান হবার পর উনাকে রাজনৈতিক কোন দল বা দলের সমর্থনে কথা বলে শুনিনি, তাকে আমাদের শহরের সকল দলের লোকেরা সমান ভাবে সম্মান করতেন।
          এস ডিও সাহেবরা ও কখনো তাদের অফিসে ডেকে নেননি। প্রয়োজন হলে তারা আমাদের বাসায় চলে আসতেন।
          আমি যখন ক্লাস থ্রিতে ভর্তি হই তখন থেকে প্রতিদিন স্কুল শুরু আগে পাকিস্তানী জাতিয় সংগীত গাইতাম, সাথে সাথে পাকিস্তানী ফ্লাগ স্যালুট দিতাম। বই পুস্তকে পাকিস্তানকে আমাদের জন্ম ভূমি বলেই বিশ্বাস করতাম। ভারতকে আমাদের শত্রু মনে করতাম।
          অন্য দিকে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন, ৬৯ এর গণ অভ্যুত্থান এর ছাত্র নেতাদের জ্বালাময়ী ভাষণ শুনে শুনে পশ্চিম পাকিস্তানীদের প্রতি ঘৃণা দানা বাধে। ৭০ এর নির্বাচনে আওয়ামীলীগের বিজয়কে আমাদের বাঙ্গালীদের বিজয় বলেই বিশ্বাস করতাম।
          কিন্তু সমস্যা শুরু হয় ২৫শে মার্চের পর থেকে। সব কিছু লণ্ডভণ্ড হয়ে পড়ে, একদিকে পাকিস্তানী অন্যদিকে বাঙ্গালী টানা পোড়নে পড়ে যেতে হয়। তখন পক্ষ নেবার সিদ্ধান্ত নেবার জন্য আরো সময়ের দরকার হয়ে পড়ে। কিন্তু মাত্র নয় মাসের মাথায় দেশ স্বাধীন হয়ে যাওয়ায় কোন সিদ্ধান্তে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
          তবে দেশ স্বাধীন হয়ে যাবার সাথে সাথে সকল দ্বিধা ডুর হয়ে যায়, নতুন দেশের আনন্দে রাস্তা দিয়ে এগিয়ে চলা ভারতীয় বাহিনীকে হাত তলে স্বাগতম জানানোতে সামিল হয়ে পড়ি। ভারতীয় বাহিনীর পিছন পিছন যখন মুক্তিযোদ্ধারা এগিয়ে যেতে থাকে তাদের সাথে তুমুল আবেগে জয়বাংলা বিজয় ধ্বনি দিয়ে মিছিলের সাথে এগিয়ে চলা।
          আর এই বিজয় মিছিল দেখে মনে হয় আমিও মুক্তিযুদ্ধে সামিল হই। কিন্তু যখন আমার শহরে প্রবেশ করি, আর ভারতীয় বাহিনীকে মানুষের ঘরে বোচকা সহ দেখতে পাই তখন অবাক হয়ে যাই। ধাক্কা খায় মনে। ঐদিন আমাদের শহরের কুসুমবাগ সিনেমা হলে জার্মানী দুটি প্রজেক্টর ভারতীয় বাহিনী খুলে নিয়ে গিয়েছিল।
          আমার বাসাতে ভারতীয় বাহিনীর সদস্যদের হাতে আমাদের ঘরের জিনিস পত্র দেখে জিজ্ঞাস করি, আপনারা এখানে কেন? জোয়ান জবাব দেয় নিরাপত্তার জন্য তল্লাসি চালানো হচ্ছে।
          পরিশেষে বলবো ঐ সময় আমার কোন রাজনৈতিক পরিপক্বতা ছিলোনা। কারণ আমাদের শহরে যুদ্ধে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ সাধিত হয়নি।
          শহরের পাক সেনারা আমাদেরকে বাচ্চা বলে আমাদের সাথে কোন খারাপ ব্যবহার করেনি। বরং যখন ফজরের নামাজ পড়ে আমরা বেড়াতে বের হতাম, তখন পাকি আর্মীদের কিছু আর্মী তারাও নামাজ পড়ে আমাদের পিছন পিছন আসতো। একদিন নয় প্রতিদিন। আমরা ভাবতাম তারা হয়তো কোন খারাপ মতলবে আমাদের পিছু নিচ্ছে।
          একদিন মনু নদীর পুলের ঠিক মধ্যখানে আমার সাথী ইমরানকে তাদের মধ্যে একজন ঝাপটে ধরে। আমরা চিতকার করে উঠি। কিন্তু অবাক হয়ে দেখতে পাই সকল আর্মী কান্না কাটি শুরু করে দিয়েছে। আর ইমরানকে ধরে তার গালে চুমু দিচ্ছে মেরে লাল মেরে বেটা বলে। তাদের কান্নার কারণ যখন বুঝতে পারিনি তখন তারা বুঝিয়ে দিলো, বলল, তাদেরকে মিথ্যা বলে এই দেশে নিয়ে আসা হয়েছে, তাদেরকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সকল মুসলিম মুরতাদ হয়ে গেছে, তারা গাদ্দার হয়ে গেছে, তাই তাদেরকে শাস্তি দিতে তাদেরকে এই দেশে আনা হয়েছে।
          অথচ তারা দেখতে পাচ্ছে এই সব অভিযোগ মিথ্যা। বাঙ্গালীরা তাদের চেয়েও অধিক বেশী মুসলিম। আমাদের মত ছোট ছোট ছোট বালকদের প্রতি ওয়াক্তে নামাজ পড়তে দেখে তারা বুঝতে পারে যে দেশের ছোট ছোটি শিশুরা নামাজ পড়ে মাথায় টুপি পরে তারা মুরতাদ হতে পারেনা। তারা আরো জানায় তারা আমাদের বয়সী সন্তান দেশে রেখে এসেছে। তাদের আশঙ্কা তারা আর কন দিন তাদের দেশে ফিরে যেতে পারবেনা, তারা তাদের প্রিয় সন্তানকে দেখতে পারবেনা, তারা এই দেশে মারা যাবে।
          শাহবাজ ভাই আপনার প্রশ্ন এই গুলো ছিলোনা, কিন্তু এক কথায় আপনাকে উত্তর দেয়া সম্ভব নয় বিধায় এত কথা বলতে হলো।
          আশাকরি ঐতিহাসিক বাস্তবতা মেনে নিয়ে বিচার করবেন সেদিনের আমাদের ভূমিকাকে। ধন্যবাদ।

  17. 7
    সুজন সালেহীন

    নিজামীর ফাঁসি কার্যকরে পাকিস্তানের চাইতে তুরস্ক বেশী তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। পাশাপাশি জাতিসংঘ, বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন, মিশরের মুসলীম ব্রাদারহুড, পাকিস্তানের জামায়াতে ইসলামী উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তবে যুদ্ধাপরাধের বিচারকে কেন্দ্র করে পাক-ভারত রীতিমত ঠান্ডা যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। প্রতিবারই কথিত যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি কার্যকরে বাংলাদেশের আপত্তি স্বত্ত্বেও পাকিস্তান বারবার প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তেমনি এ বিচারকে কেন্দ্র করে ভারতীয়দের ততপরতাও বেশ রহস্যজনক। যুদ্ধাপরাধের প্রথম আসামী হিসেবে জামায়াত নেতা কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকরের ঠিক এক সপ্তাহ আগে ঢাকায় এক সফরে এসেছিলেন তদানীন্তন ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিব সুজাতা সিং। এবার জামায়াত আমীর মাওলানা নিজামীর ফাঁসির রায়ের আগের দিন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা সুপ্রীম কোর্টে  বৈঠক করেন খোদ প্রধানবিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সাথে। শুধু তাই নয়, এই রহস্যজনক বৈঠকের পাশাপাশি বাংলাদেশের সবচেয়ে সিনিয়র ইসলামপন্থী নেতা হিসেবে নিজামীর ফাঁসির কয়েক ঘন্টার মধ্যে ঢাকা সফরে আসনে বর্তমান পররাষ্ট্র সচিব জয়শংকর। অনেকে মনে করছেন, নিজামীর অবস্থানের গুরুত্বের প্রতি লক্ষ্য রেখেই এবার বেশি সতর্ক ছিল ভারত। ফাসির রায় বহাল থাকার আগে প্রধানবিচারপতিকে নির্দেশনা দিতে বৈঠক করেন হাইকমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা। আর কার্যকরের পর পরবর্তী করণীয় বাতলে দেয়া এব‌ং শেখ হাসিনাকে দিল্লীর বিশেষ ধন্যবাদ জানাতে আসেন জয়শংকর। এর আগে ভারতের দ্যা হিন্দু পত্রিকায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী শ্রীমতি সুষমা স্বরাজের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর বৈঠকের খবর প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী শ্রীমতি সুষমা স্বরাজের সঙ্গে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে রায়ের জন্য অপেক্ষমান জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীর মামলা সম্পর্কে কথা বলবেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। যুদ্ধাপরাধের নামে জামায়াত নেতাদের বিচার শুরুর আগে থেকেই অনেকে মনে করতেন এটা ভারতের রাজনৈতিক এজেন্ডা। ভারতের এজেন্ডা বাস্তবায়নেই যে মূলত দেশে ভারতবিরোধী ইসলামী শক্তিগুলোকে নিঃশ্বেষ করা হচ্ছে এটা দেশি-বিদেশী অনেকে মিডিয়াতেই ইতিমধ্যে এসেছে।  এখন ভারত নিজে থেকেই এটা প্রমাণ করতে চায় যে, বাংলাদেশে তাদের কতটা প্রভাব তৈরি হয়েছে। এর মাধ্যমে লাভ তাদের চিরশত্রু পাকিস্তানকে নিজেদের সক্ষমতার বার্তা দেয়া। আর পাকিস্তান সেই বার্তা বুঝতে পেরেই নিজামীর পক্ষে তাদের সংসদের নিন্দা প্রস্তাব পাশ করেছে। মূলত এই নিন্দা তারা বাংলাদেশে মাধ্যমে ভারতকেই জানালো। বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল অবলম্বনে

    1. 7.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      নিজামীর ফাঁসি কার্যকরে পাকিস্তানের চাইতে তুরস্ক বেশী তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে।

       

      --  তুরষ্ক না -- বলুন তুরষ্কের বর্তমান সরকার। যারা ব্রাদারহুড এর নেট ওয়ার্কের সদস্য -- যেমন জামাতও। একই তরিকার দল। যাই হোক -- পাকিস্তান আর তুরষ্ক দুই দেশই গনহত্যা অস্বীকারকারী। সুতরাং অবাক হবার কিছু নাই।

       

      বাই দ্যা ওয়ে -- আপনার পররাষ্ট্র বিষয়ক পর্যবেক্ষন দারুন -- জামাত কখনও ক্ষমতায় আসলে আপনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হবেন এই দোয়া রইল। যদিও আন্দাজ অনুমান নির্ভর কথা বলা মুসলমানদের জন্যে শোভনীয় নয় -- কিন্তু জামায়াতের ইসলামী (এইটা বিশেষ ধরনের ইসলাম) এর জন্যে তা স্বাভাবিক। 

      1. 7.1.1
        মুনিম সিদ্দিকী

        তুরস্ক নয়, বলুন বরতমান তুরস্কের সরকার।!!!! কি দ্বিমুখী নীতি আপনারা ধারণ করেন জিয়াভাই। ১৯৭১ সালের যে ঘটনা ঘটেছিলো তা ঘটিয়েছিল পাকিস্তানের অবৈধ সরকার ইয়াহিয়া রেজিম, এর পিছনে ছিলো পাঞ্জাবী এলিটরা, কিন্তু আপনারা কখনো ইয়াহিয়া কিংবা পাঞ্জাবী এলিটদের দোষারূপ করেন না, করেন গোটা পাকিস্তানকে, শুধু ৭১ সালের ঘটনার দোষারোপ এ আপনারা ক্ষান্ত নয়, ভারত ভাগের দায়ও নিয়েও দোষারোপ করে থাকেন, শুধু তাই মুসলিম উম্মাহর মত ফর্জ নির্দেশকে উপেক্ষা করে ৭১ একটি রেজিমের অপরাধের দায় সম্পূর্ন ভাবে আজকের পাকিস্তানের সকল নাগরিকের উপর অর্পণ করে চলছেন। যাতে করে মুসলিম উম্মাহর চেতনা যেন পুনঃ প্রতিষ্ঠিত করা না যায়।

        1. 7.1.1.1
          শাহবাজ নজরুল

          পাকিস্তানের জনগনকে ঢালাওভাবে দোষারোপ করা অবশ্যই অন্যায় হবে। তবে দুঃখের ব্যাপার এই যে আজ পর্যন্ত এমন পাকিস্তানি খুঁজে পেলাম না যে এই সত্যটি নিজে বুঝেছে ও বলেছে, অর্থাৎ, ১৯৭১ সালের যে ঘটনা ঘটেছিলো তা ঘটিয়েছিল পাকিস্তানের অবৈধ সরকার ইয়াহিয়া রেজিম, এর পিছনে ছিলো পাঞ্জাবী এলিটরা। আজ পর্যন্ত পাকিস্তানিদের মুখে একই বুলি শুনলাম -- "ভারত ষড়যন্ত্র করে পাকিস্তান ভেঙ্গেছে।"

          আপনার সাথে যখন পাকিস্তানিদের দেখা হয় তখন তারা কি বলে থাকেন? যদি কমন বুলি (অর্থাৎ "ভারত ষড়যন্ত্র করে পাকিস্তান ভেঙ্গেছে।") বলে থাকেন -- তখন কি আপনি তাদের সার্বিক চিত্র বুঝিয়ে দেন যে আসলে -- "১৯৭১ সালের যে ঘটনা ঘটেছিলো তা ঘটিয়েছিল পাকিস্তানের অবৈধ সরকার ইয়াহিয়া রেজিম, এর পিছনে ছিলো পাঞ্জাবী এলিটরা"?

        2. আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

          কি যে বলেন -- মুনিম ভাইতো মুক্তিযুদ্ধে পক্ষের লোক। উনি পাকিস্তানও ভাল বাসেন -- আবার মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করেন। বিচার চান -- কিন্তু তা হতে হবে সচ্ছ কাঁচের মতো -- নিরপেক্ষ এবং আন্তর্জাতিক মানের (ISO 9001 Standrads)  এর মতো। 

          মুনিম ভাই -- পাকিস্তানের কোন একজন মানুষকে দেখেছেন যে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পাকবাহিনীর হত্যা ধর্ষন নিয়ে কোন কথা বলে। বিচারপতি হামদুর রহমান রিপোর্টকে ওর দীর্ঘ চল্লিশ বছর আড়াল করে রেখেছিলো। সেখানে সুনির্দিষ্ঠ ভাবে পাকিস্তানী সেনা কর্মকর্তার বিচারের কথা বলা হয়েছে। এরা বিচারতো করেইনি -- বরঞ্চ বাংলাদেশের পাকবাহিনীর সহযোগীদের বিচারের বিরুদ্ধে সেই দেশের সংসদের নিন্দা প্রস্তাব পাশ হয়। কিসের কথা বলেন আপনি -- যদি পাকিস্তান তার রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করতো তবে বলতাম সরকারের সিদ্ধান্ত -- কিন্তু সংসদে সবদলই এক বাক্য বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একজোট হয়ে যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষায় কথা বলে। 

          যাই হোক -- আপনার পাকিপ্রেমে কারন জানি না -- তবে পাকিস্তানীদের সাথে থাকি গত ২০ বছর -- আমার প্রতিবেশী থেকে শুরু করে মসজিদের মুসল্লী পাকিস্তানী -- ওরা সব কিছুতেই ভারতের দোষ খুঁজে বেড়ায় -- বাংলাদেশকে ভাই মনে করে -- কিন্তু ৭১ সম্পর্কে পুরোই অজ্ঞ -- এই বিষয়ে কথা বললে বলে সব্‌ই ভারতের চক্রান্ত। তাদের পক্ষে কথা বলার আগের আরেকবার ভাবুন -- একাত্তরই নয় -- এখনও পর্যণ্ত ওরা নিজের দেশের মানুষের উপর নির্যাতন জুলুম চালিয়ে যাচ্ছে -- তালেবানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামে আমেরিকাকে ঢেকে এনে ড্রোন দিয়ে বেলুচিস্থানের স্বাধীনতাকামীদের হত্যা করছে গত দুই দশ ধরে। একটা অভিশপ্ত রাষ্ট্র -- এক অভিশপ্ত জনগোষ্ঠী -- যারা নিজেদের  মেয়েকে গুলি করে পশ্চিমাদের হাতে তুলে দিয়েছে ইসলামের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডার জন্যে। কাদের পক্ষে সাফাই গান, মুনিম ভাই। 

        3. কিংশুক

          এখানে একটি কথা উ ল্লেখ করি যার জন্য আমাকে রাজাকার হিসাবে চিহ্নিত করা হতে পারে কিন্তু কথাটা বাংলার সূর্য সন্তান জাসদ নেতা মেজর জলিল বীর উত্তমের। তাঁকে ভারতের নির্দেশে চাকুরিচ্যুত করে চাকরি জীবনের কোন বিনিফিট না দিয়ে বৌ বাচ্চা নিয়ে পেটে লাথি মারে আওয়ামী লীগ। তিনি যুদ্ধ কালীন সময়ে ভারতে গিয়ে ভারত সরকার ও প্রবাসী সরকারের কাজকর্ম পর্যবেক্ষন করে বুজতে পেরেছিলেন যে, আওয়ামী লীগ ও ভারতের মধ্যে আগেই স্বাধীনতার বিষয়ে একটি সমঝোতা ছিল। আমাদের স্বার্থ স্বাধীন দেশ, ভারতের স্বার্থ হল পাকিস্তান ভাংগলে তার সামরিক ও কুটনৈতিক বাজেট অনেক কমে যাবে বিশেষতঃ কাশ্মীর নিয়ে যুদ্ধ কয়েকবার হয়েছিল । ভারত হায়দ্রাবাদকে জোর করে দখল করে নেয়, হায়দরাবাদের রাজাকাররা কিছু করতে পারেনি। তাছাড়া সাতচল্লিশে কংগ্রেসের অধীনে অখণ্ড ভারত ভেঙে পাকিস্তান সৃষ্টি কংগ্রেস নিজেদের পরাজয় হিসেবে দেখতো। যাই হোক, ভারতের ষড়যন্ত্র স্বীকার করলেও পাকিস্তানের বৈষম্য, গণতন্ত্র হীনতা, বাংগালীর অধিকারের পক্ষে যুদ্ধ করেছিলেন তিনি। কিন্তু জামাত যে আশংকা করে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দোসর হয়েছিল স্বাধীনতার পর তা বাস্তবে ঘটতে দেখে তিনি আওয়ামী লীগের ব্যর্থতা ও ভারতের নীল নকশা বাস্তবায়ন ঠেকাতে নিজের সর্বস্ব ঢেলে দিয়েছিলেন । পাকিস্তানের ব্যর্থতার পাশাপাশি ভারতের স্বার্থ ও ছিল।

        4. হবিজবি

          @শাহবাজ নজরুল

          excellent answer.  i have same experience in my abroad life, never seen any Paki admit their guilty.

        5. শাহবাজ নজরুল

          @কিংশুক,

          যুক্তির খাতিরে আপনার বক্তব্য আংশিক সত্য ধরে নিয়েও বলা যায় যে -- আপনার চিত্রিত প্রেক্ষাপট একপেশে ও ফিল্টারড। এতে সার্বিকতা প্রকাশ পায়নি। কেবল একটা দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিষয়বস্তু দেখলে মানুষ পার্সপেকটিভ হারায় -- তাই আপনার অর্ধসত্য চিত্রকল্প এর সাথে একমত হতে পারলাম না। ধন্যবাদ। 

        6. কিংশুক

          আমারটা অবশ্যই আপনি মানবেন না, আপনার নিজের কাছে সৎ থেকে যা ইতিহাস পড়ে, গবেষণা করে যা সত্য মনে হয় তাই মানবেন । আপনার সাথে আমি একমত। তবে ঐ পর্যবেক্ষন মেজর জলিলের, তিনি একশ শতাংশ সৎ ও আদর্শবান ছিলেন, আদর্শের জন্য জীবনও দিতে পারতেন।  আপনার দৃষ্টি ভংগিকে স্যালুট কারন আপনি দলীয় প্রোপাগান্ডিষ্ট নন। ধন্যবাদ ।

  18. 6
    Guest

    Another awesome article from আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন 

    Good writing and very thoughtful.

    Keep it up.

    Cheers !

  19. 5
    Kamal

    >>অবশেষে বাংলাদেশ ন্যায়ের পক্ষে একটা বড় পদক্ষেপ দিলো……

    ন্যায়ের পক্ষে আপনার আকুতি দেখে বড় ভাল লাগল।এখন লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে মানুষ মারার বিচার চান কিনা সেটাও বলুন।

    1. 5.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      সব হত্যাকান্ডের বিচার চাই -- এমন কি র‍্যাবের ক্রশ ফায়ার এবং জোট সরকারের আমলের "অপারেশন ক্লিন হার্টের" নামে ৫৬ জন মানুষের হত্যার বিচার চাই। বিচার না হলে কোন দিনই বাংলাদেশ সভ্য সমাজ হিসাবে পরিচয় দিতে পারবে না। 

      1. 5.1.1
        Kamal

        হত্যাকান্ডে উৎসাহ দেয়াকেও কি আপনি অপরাধ বলে মনে করেন?

        1. 5.1.1.1
          আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

          বুঝি নাই, বুঝিয়ে বলেন! 

  20. 4
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    নিজামীর দন্ড কার্যকর করা পর পাকিস্তানের ভুমিকাই প্রমান করে যে নিজামী একাত্তরে কি ভুমিকায় ছিলো। পাকিস্তান সকল ধরনের কূটনৈতিক রীতিনীতি অবজ্ঞা করে নিজামীর জন্যে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে -- এতে প্রমানিত হচ্ছে যে শৃধৃ একাত্তরেই নয় -- আজ পর্যন্ত নিজামীরা পাকিস্তানী। এরা বাংলাদেশের জন্ম শত্রু বটে। 

     

    ১) নিজামীর ফাঁসিতে পাকিস্তানের কান্না 

    "বুধবার প্রকাশিত পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিজামী সেই অপরাধের জন্য অভিযুক্ত যা ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের আগে সংঘটিত হয়েছে। তিনি পাকিস্তানের সংবিধান সমুন্নত রাখতে চেয়েছিলেন, এটাই ছিল তার একমাত্র পাপ।"

    ( এইটাই সত্য কথা -- নিজামী ৭১ এ পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর সহযোগী হিসাবে নিজ দেশের মানুষের উপর নিশংস হয়েছিলো) 

    ২) নিজামীর ফাঁসিতে মনঃক্ষুণ্ন পাকিস্তান

    "পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, ১৯৭৪ সালের ত্রিপক্ষীয় চুক্তির অংশ হিসেবে ক্ষমাশীলতার পদক্ষেপ হিসেবে বাংলাদেশ বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে না নিতে রাজি হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশকে সেই অঙ্গীকার সমুন্নত রাখা উচিত।"

    (সেই চুক্তিতে বলা হয়েছিলো পাকিস্তান তাদের যুদ্ধাপরাধী সেনাদের বিচার করবে -- সেইটা আগে করা উচিত তারপর বাংলাদেশের বিষয়ে জ্ঞান দান করা উচিত -- কিন্তু পাকিস্তান সেই দেশ যারা সব সময় ওয়াদা ভংগ করে এবং ধোকাবাজি করে নিজের দেশের মানুষের সাথেই) 

     

     

    1. 4.1
      মজলুম

      মুলতঃ এখানে দ্বন্দ্ব হচ্ছে আদর্শিক লড়াই। ইসলাম বনাম ধমনিরপেক্ষতা। 

       

      তখন নিখিল পাকিস্তান কেমন ইসলামিক ছিলো? পূর্ব পশ্চিম পাকিস্তান তো তখন সেক্যুলারই ছিলো, এখনো ও আছে , ওদের আইন কানুন সবতো ব্রিটিশদের রেখে যাওয়া আইন গুলোই।  ইসলামিক রিপাবলিক অফ পাকিস্তান নাম হলেই ওটা ইসলামিক হয়ে যায় না যেমন ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ নর্থ কোরিয়া নাম হলেই নর্থ কোরিয়া ডেমোক্রেটিক হয়ে যায় না। 

      1. 4.1.1
        Guest

        একটু খোলাসা করে বলুন তো মজলুম সাহেব, আপনি কি পাকিস্তান পন্থী? আপনার কথা বার্তা শুনে তাই মনে হচ্ছে। মানে ইসলাম ধর্ম আর মুক্তিযুদ্ধ তো পাশাপাশি যায়না, তাই না? আর পাকিস্তান তো এই দেশ কে পুত, পবিত্র, পাক-ই-স্তান বানাইতে চেয়েছিল, কাজেই তাদের তো সমর্থন করাই উচিৎ যদি ইসলাম কে সমর্থন করেন, নাকি? ইসলাম ধরমেই মেনেই তো পাকিস্তান এই দেশ কে বিধর্মী মুক্ত করতে চেয়েছিল… কি ঠিক বললাম?

  21. 3
    সুজন সালেহীন

    নিজামীরা ভারতের আধিপাত্যবাদের বিরুদ্ধে ছিল। ততকালীন সময়ে ভারতের আগ্রাসনের ভয়ে তারা আমাদের স্বাধীনতার বিপক্ষে রাজনৈতিক অবস্হান নিয়েছিল। পক্ষপাতদুষ্টু বিচার আর বানোয়াট স্বাক্ষী দিয়েও কোন অপরাধে তাদের সরাসরি সম্পৃক্ততা প্রমাণ করা যায়নি। ৭১ সনের হত্যাযজ্ঞ ও বর্বরতার জন্য চিহ্নিত ১৯৫ জন পাক সেনাদের বিচারের জন্য প্রণীত ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনটি একাধিকবার সংশোধন করা হয়েছে শুধুমাত্র নিজামীদের বিচার করার জন্য। মুল অপরাধীদের ভুলে গেলেও এটাতো সত্য যে অপরাধ সংগঠিত হয়েছে। সে অপরাধের দায়ভার নিজামীদের উপর চাপিয়ে দিতে উক্ত আইনটিকে বারবার সংশোধন করা হয়। শুধু দায়ভার নয়, শাস্তি হিসেবে ফাঁসি যেন নিশ্চিত থাকে সেটাও সংশোধনীর উদ্দেশ্য ছিল। শুধু বিচার হলে হবেনা, এদের ফাঁসি হওয়া চাই। তাহলে এটাতো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যতাড়িত ছিল না? মুলতঃ এখানে দ্বন্দ্ব হচ্ছে আদর্শিক লড়াই। ইসলাম বনাম ধমনিরপেক্ষতা। তারা অন্য রাজনীতি করলে হয়তো ৭১ সনে তাদের ভূমিকা বেমালুম বিস্মৃতির অন্তরালে থাকত। এখনতো আমরা দেখছি ভারত কতটুক দরদ! নিয়ে ৭১ সনে আমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধে সহযোগিতা করেছিল। ভারতের নগ্ন আগ্রাসনে খোলাসা হচ্ছে সবকিছু। দেশে এখন ভারতের প্রক্সি শাসন চলছে। আমাদের বিকাশমান গণতন্ত্র ও নির্বাচন ব্যবস্হাকে তারা ধ্বংস করে দিয়েছে। শিক্ষাক্রমে ধীর বিষ প্রক্রিয়া চলছে। ইসলামী মূল্যবোধের গল্প, কবিতার বদলে এখন হিন্দু দেব-দেবীদের কথা, পাঁঠাবলি, রামায়নের কবিতা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আমাদেরকে রূপান্তরের জন্য তাদের আপাত টার্গেট ২০৪১!

    1. 3.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সবাই -- বাংলাদেশের প্রতিরক্ষাবাহিনীও। কারো এই অপরাধে শাস্তি হয় না -- শুধু নিজামীর হয়েছে -- হাসির কথা বলেন ভাই। 

      যাই হোক -- ট্রাইবুনাল নিয়ে মিথ্যাচার কেন করেন। ১৯৭৩ সালে "আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যাল ্‌আইনে যেমন সামরিক বাহিনীর বিচারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিলো -- তেমনি সেখানে "অক্সিলারী ফোর্স" এর বিচারের ব্যবস্থা ছিলো। এই জন্যে কোন সংশোধনী করা হয়নি। তারপর আপনি ঢালাও ভাবে সংশোধনীর কথা বললেন -- সবগুলোই করা হয়েছে আসামীদের অধিকতর সুবিধা দেওয়ার জন্যে -- শুধু একটা সংশোধনী আনা হয়েছে বাদী পক্ষের আপিলের সুযোগ দেওয়ার জন্যে যা মুল আইনে ছিলো না। 

      মিথ্যাচার করে কি লাভ বলুন -- পারলেন না নিজেদের নেতাদের বাঁচাতে --  মাঝের থেকে নিজের ইমান নষ্ট করছেন। দয়া করে মিথ্যা তথ্য -- আর -- বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন। নিজের জন্যেই সেইটা ভাল। 

      রাজনীতি ভিন্ন বিষয় -- অপরাধকে রাজনীতি দিয়ে আড়াল করা কঠিন হয়ে পড়ে যখন অপরাধগুলো বড় হয়। 

    2. 3.2
      শাহবাজ নজরুল

      আপনি কি তাহলে ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছেন? পাকিস্তানের পক্ষ তখন হয়ত অনেকেই নিয়েছিল, অনেকটা মৌনভাবে, অনেকটা আদর্শিক ভাবে -- তাই বলে কেউ যদি পাকিস্তানি বাহিনীর দোসর হয়ে খুন, ধর্ষণ আর অগ্নিসংযোগ এ সহায়তা করে তবেও কি আপনি বলবেন যে নিজামী কিংবা রাজাকারেরা ঠিক কাজ করেছে? কিভাবে মুসলিম ভাইবোনদের হত্যা করা -- তাদের ধর্ষণ করা ইসলামী হলো? আর কিভাবেই বা লক্ষ লক্ষ মুসলিম ভাইবোনদের নির্বিচারে হত্যা করা সেকুলার, মদখোর, শিয়া ইয়াহিয়া খান ইসলামের রক্ষাকারী হলেন?

      1. 3.2.1
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        কি আর বলেন -- উনারা মুখস্ত ম্যানুয়ালের বাইরে যেতে পারেন না। 

        1. 3.2.1.1
          সুজন সালেহীন

          আমি ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিইনি। আমি শুধু উনাদের ততকালিন প্রক্ষাপট বলতে চাইছিলাম। পোস্টে উল্লেখিত উদ্ধৃতি থেকে বুঝা যায় নিজামীরা ততকালীন হিন্দুস্হানের আগ্রাসনের বিপক্ষে ছিল। হিন্দুস্হানের এগিয়ে আসাটাকে উনারা আগ্রাসন হিসেবে দেখেছিল। পাক-বাহিনীর সহযোগি হয়ে নিজদেশবাসীকে হত্যা-খুন, ধর্ষণ আর অগ্নিসংযোগ করাকে কখনো ঠিক কাজ বলে মনে করিনা করিনা। এটাও বিশ্বাস করি ইসলামপন্হী হিসেবে নিজামীরা সেটা করতে পারেননা। পক্ষপাতদুষ্টু বিচার আর বানোয়াট স্বাক্ষী দিয়েও হত্যা-ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগে তাদের সরাসরি সম্পৃক্ততা প্রমাণ করা যায়নি। শুধু লাঠিয়াল মিডিয়ার প্রচারণায় তিলকে তাল বানিয়ে মানুষের মাঝে বিরুপ মনোভাব সুষ্টি করে বায়বীয় অভিয়োগ তুলে রাজনৈতিক জিঘাংসা চরিতার্থ করা হয়েছে। শুধু মুসলিম ভাই-বোন নয়, অন্যধর্মের ভাই-বোনদেরও হত্যা-ধর্ষণ করা কখনো ইসলামী নয়, হবেনা। সেকুলার লোকতো ইসলাম ধর্মই পছন্দ করেনা। এবং তাদের সেকুলারি চেতনা একটু বেশী জাগে ইসলামের ক্ষেত্রে। তারা ইসলামী কৃষ্টি, সংস্কৃতি, মুল্যবোধ মুছে দিতে চায়। তদুপরি সে যদি হয় মদখোর শিয়া, সেতো ইসলামের শত্রু! সে লক্ষ লক্ষ মুসলিম ভাইবোনদের নির্বিচারে হত্যা করবে তার রাজনৈতিক স্বার্থে।

  22. 2
    মজলুম

    আপনার ভাগ্য ভালো যে আপনি সদালাপের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন, নইলে আপনাকে শুধু গালাগালি না, অনেক আগে আই.পি সহ ব্যান করা হতো সদালাপ হতে।  

    1. 2.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      মজার কমেন্ট করলেন, তা বোধ হয় না সদালাপ সম্পাদক এর উপর আস্থা রাখুন।

  23. 1
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    একটা দুঃখ প্রকাশ করতেই হচ্ছে -- প্রথম পাতায় আমার তিনটা লেখা দেখা যাচ্ছে -- এইটা আমার কাম্য নয়। চেষ্টা করেছি কম লেখতে্। অবশ্য সবাইকে অনুরোধ করবো -- দয়া করে কিছু লিখুন -- আমার লেখাগুলো প্রথম পাতা থেকে সরে যাক -- তাহলে আমি আরো বেশী লিখতে পারবো। ধন্যবাদ সবাইকে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published.