«

»

Jan ২৪

নানান পদের “মুসলিম” আর বাস্তবতা

একবার চিন্তা করলাম সদালাপে যে সকল পোস্ট আসে তার একটা পরিসংখ্যান তৈরী করবো – যেমনটা মুক্তমনাকে নিয়ে করেছিলাম। বেশ কিছু পোস্ট দেখার পর আগ্রহ হারিয়ে গেলো – বলা যেতে পারে ভয় পেয়ে গেলাম। মুলত দেখা যায় – নানান পদের "মুসলিম" তরিকা নিয়ে বিতর্কমুলক পোস্টই বেশ আলোচিত হয়। যেমন কেউ মনে করেন ইলিয়াসীয় পথই শ্রেষ্ট পথ – অন্য একদল দাবী করে মওদুদী ছাড়া মুক্তি নাই। আরেকদল আছেন নানান পীর-ফকিরের ভক্ত – আছেন কোরান অনলী – আছে ইমামভক্ত ইত্যাদি। 

সদালাপ আসলে বাস্তবতার থেকে বিন্ন কিছু না। বাস্তবেও আমরা নানান কিসিমের মুসলিম দেখি। বিশেষ করে ঈদের জামাতে কতটা তাকবীর হবে এই নিয়েতো প্রায় প্রতি ঈদেই ঝামেলা হয়। এখন আবার দেখছি জামাতের পর ইমাম সাহেব দোয়া পড়াবেন কিনা তা নিয়েও ভাগাভাগি। এইগুলো অবশ্য তুলনামুলক ভাবে সহজ ঝামেলা – কারন ঝামেলাকারীরা সব সময় মসজিদে যায় না -ফলে বছরের অধিকাংশ সময়ই সমস্যামুক্ত থাকা যায়। 

সবচেয়ে বড় ঝামেলার কথা বলি এবার। কয়েকদিন আগে কাজের সুবাদে এক ইসমাইলি ভদ্রলোকে সাথে দেখা। শুরুতে উনি ইংরেজীতে শুরু করলেন – আমিও তাই চালাচ্ছিলাম। হঠাৎ করে উনি আমার নাম দেখে উর্দুতে কথা বলা শুরু করলেন – আমি দুঃখিত বলার পর – আবার ইংরেজীতে কথা হচ্ছে। বয়ষ্ক মানুষ – আবুধাবীতে বিরাট ব্যবসা – ৭০ সালে ঢাকায় থাকতেন – বঙ্গবন্ধুর বাসার কাছেই বাসা ছিলো – বঙ্গবন্ধুর পরিচিত মানুষ ইত্যাদি। এই সকল গল্প আমাকে তেমন শ্পর্শ করছিলো না – কারন আমি উনাকে কিছু প্রশ্ন করার জন্যে সুযোগ খুঁজছিলাম। টরন্টোতে ইসমাইলীয় সম্প্রদায়ের নেতা আগা খানের নামে বিরাট কপ্লেক্স তৈরী হয়েছে। এই বিষয়ে জানতে চাইলে উনি বারবার মিলিওন ডলারের কথা বলছিলেন। কয়েকবার জানতে চাইলাম বিতরে যে মসজিদ আছে সেখানে আমি নামাজ পড়তে পারবো কি না। উনি বারবার এই প্রসংগ এড়িয়ে গিয়ে বলছিলেন – রোববারে চারটা থেকে ছয়টা পর্যন্ত ভিজিটরদের জন্যে খোলা থাকে। 

বুঝা গেলো – আমার সেখানে যাওয়ার বা নামাজ পড়ার কোন সুযোগ নাই। যদিও সেই কম্প্লেক্সটির নাম মুসলিম হেরিটেজ মিউজিয়াম। ধারনা করি ওরা আমাকে মুসরিম বিবেচনা করে না। কিন্তু আমার জন্যে আরেক বিষ্ময় অপেক্ষা করছিলো – যখন ভদ্রলোক বিদায় নিচ্ছিলেন – উনিও আমাকে প্রথম সালাম দিলেন – আমিও যথারীতি উত্তর দিলাম। আর ভাবছিলাম – 

 

“যখন তোমাদেরকে অভিবাদন করা হয় (সালাম দেওয়া হয়), তখন তোমরাও তা অপেক্ষা উত্তম অভিবাদন কর অথবা ওরই অনুরূপ কর। (সূরা নিসা ৮৬ আয়াত)

 

আরো মনে পড়লো –

হে ঈমানদারগণ! তোমরা যখন আল্লাহর পথে সফর কর,তখন যাচাই করে নিও এবং যে,তোমাদেরকে সালাম করে তাকে বলো না যে, তুমি মুসলমান নও। তোমরা পার্থিব জীবনের সম্পদ অন্বেষণ কর,বস্তুতঃ আল্লাহর কাছে অনেক সম্পদ রয়েছে। তোমরা ও তো এমনি ছিলে ইতিপূর্বে; অতঃপর আল্লাহ তোমাদের প্রতি অনুগ্রহ করেছেন। অতএব, এখন অনুসন্ধান করে নিও। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের কাজ কর্মের খবর রাখেন। {সূরা নিসা-৯৪}

একজন ইসমাইলীকে কি কাফের বলা যাবে? মনে হয় না – কারন এই বিচারে ভার আমার উপর নাই – আমি শুধু নিজের ইমান নিয়েই চিন্তিত। 

(২)

বাংলাদেশের নানান ওয়াজ দেখার একটা মজায় পেয়ে বসেছিলো কিছুদিন – সেখানে দেখেছি ওয়াজের মাঝে আলেমগন ভিন্নমতের মানুষদের অবলীলায় কাফের – মুরতার বরে দিচ্ছেন। একজনকে দেখলাম – বলছেন – এই পথই একমাত্র হক্কের পথ আর সব বাতেল। যদিও বিশ্বের সব মুসলিমরা এক ইমামের অনুসারি নয়।

তাহলে প্রকৃত পথটি কি?

উত্তরটা খুবই সহজ – বিদায় হজ্জ্বে মোহাম্মদ (সঃ) সেই উত্তরটাই দিয়ে গিয়েছিলেন –

" "আমি তোমাদের জন্য দু'টি জিনিস রেখে যাচ্ছি, তোমরা যতদিন এ দু'টি জিনিস আকড়ে ধরে থাকবে, ততদিন তোমরা বিপথগামী হবে না। এ দুটি জিনিস হল কুরআন এবং আমার সুন্নত"  ।

সমস্যাতো এখানেই – যখন ইসলামকে নুতন করে আবিষ্কারের নামে নানান মত-পথ তৈরী হয় – তাতে বিভ্রান্তি বাড়ে। পরষ্পরের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে বিবাদে লিপ্ত হওয়ার একটা পথ এই মতাদর্শ। 

(৩)

শেষ কথাটা বলে শেষ করি – গতবার দেশে গিয়ে বরাবরে মতোই বাইতুল মোকাররামের বইএর দোকানগুলোতে বই কেনার জন্যে গিয়ে যা দেখলাম তাতে মাথা নষ্ট হওয়া ছাড়া উপায় ছিলো না। সেখানে ইসলামের নামে নানান বইপত্র বিক্রি হচ্ছে – তার মাঝে আছে তাবিজ লেখার বইও। কি সর্বনাশ! আসলে এইতো আমাদের জ্ঞান – কোরানের পাশে শিরকের বই – কারন কোরান মলাটের ভিতরে থাকে – সেখানে প্রবেশ করার মতো শিক্ষা নেই – সহজেই সেখানে শয়তান এসে তাবিজকে কোরানের প্রতিস্থাপক বানায়। অন্যদিকে আলেমসমাজ ইসলাম রক্ষায় জাকির নায়েক – ড. বিলাল ফিলিপের বিরুদ্ধে সরকারের কাছে ধর্ণা দেয় – তাদের নিষিদ্ধ করে – কারন উনারা তাবিজের বিরুদ্ধে কথা বলেন।

আশা করি সদালাপ ইসলামের মুল বিষয় বহির্ভুত বিতর্ক থেকে মুক্ত থাকবে – আর কেউ যেন তাদের মতাদর্শকে শ্রেষ্ট প্রমান করার মাধ্যম হিসাবে সদালাপকে ব্যবহার না করতে পারে সেইটাও আশা মধ্যে থাকলো।  

১৩ comments

Skip to comment form

  1. 13
    Sami

    @জিয়াঊদ্দিন,
    “.….মওদুদী ছাড়া মুক্তি নাই”- এরকম দাবি জামাত করেছে তার প্রমাণ দিলেন না। মনগড়া কথা বলা, মিথ্যাচার করা বন্দ করেন।

  2. 12
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    @ কিংশুক

    শুনে মজা পেলাম ওরা এখনও আমার কথা স্মরন করে -- পারলে একটা লিংক দিয়েন।
    ভাল থাকবেন। দোয়া করবেন।

  3. 11
    Reza

    লিখাটাতে একটা ব্যালান্স করার চেস্টা করা হয়েছে। কিন্তু ইসলামের কিছু মৌলিক বিষয়ে ব্যালান্স না করে এক পক্ষ নিতে হয়। লেখকের সেটা জানে না বলেই মনে হচ্ছে।

  4. 10
    zawaid

    amar to mone hoi kono mot ba pir er kase jabar dorkar nei,,,,apne quran ar sohi hadis thik moto poron ar islam 5 pillar mene cholun,,,tai ki sothik noi??????????

  5. 9
    মোঃ তাজুল ইসলাম

    মহি ভাই, আপনার কথাগুলো সুন্দর। কখন দোয়া কবুল হয় তা কোরানে উল্লেখ করা আছে। শেষরাতেই আল্লাহ্‌ দোয়া কবুল করেন। (৩:১৭ + ৫১:১৮)।
    আপনার কথাগুলো ভাল লাগল।

  6. 8
    মহিউদ্দিন

    নানান পদের “মুসলিম” আর বাস্তবতা দেখলে আমার কাছে যা মনে হয় তা হল আমরা নিজেদেরকে যত বড়ই মুসলিম মনে করি না কেন আসল কথা হল আমাদের কাজে কর্মে আন্তরিকতা না থাকলে কোন কাজই সফল হবে না।

    আজ যারা ইসলামের বিরুদ্ধে লেগে আছে তারা কিন্তু তাদের মিশনে আন্তরিক। সেটা বাংলাদেশ থেকে ইসলাম মুছে ফেলার চক্রান্তে হউক বা অন্য কোথাও ইসলামের শত্রুতায় লিপ্ত হউক না কেন সকল জায়গাতেই তারা তদের কাজে আন্তরিক। তাদের এই আন্তরিকতা একটু খেয়াল করলেই বুঝা যায়।

    পক্ষান্তরে আমরা যারা মুসলিম নিজেদেরকে ইসলামের পক্ষে আছি বলে মনে করি তাদের অবস্থা হচ্ছে “ধরি মাছ না ছুঁই পানির মত”। মুসলিমদের সব চেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে আমাদের আত্মাকে সত্যিকার অর্থে আল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত করতে খুব কম সংখ্যকই উৎসাহী। আমাদের হৃদয়কে প্রশান্ত আত্মার হৃদয়, যা কোরআনের ভাষায় “আন-নাফ আল-মুতমাইন্নাহ”, করতে না পারায় আমাদের মাঝে আল্লাহর উপর নির্ভর করার দৃঢ় বিশ্বাস ও মানসিক ক্ষমতা হারিয়ে গিয়েছে। রাসুল (স:) যখন মদিনায় পৌঁছেন তখন প্রথম যে ভাষণটি দিয়েছিলেন তাতে ছিল একে অন্যের প্রতি সালাম তথা শান্তি বিনিময় করা এবং রাত্রে এবাদত করা।
    একজন বান্দা যখন শেষ রাত্রে আরামের ঘুম ছেড়ে আল্লাহর দরবারে প্রার্থনায় দাঁড়াবে এবং হাত তোলে অশ্রু-ভেজা নয়নে আল্লাহর করুণা ভিক্ষা করবে, তাঁর কাছে সাহায্য চাইবে তখন এমন বান্দার মর্যাদা কি অপরাপর লোকের মত হতে পারে? রাসুল (স:) ভালভাবে জানতেন যদি কোন জনপদের মানুষ বিশ্ব ভুবনের মালিক আল্লার সাথে তাদের সম্পৃক্ততা গড়ে তোলতে আন্তরিক হয় তখন তাদের বিজয় আসতে দেরী হবে না।

    রাসুল (স:) এর কথা ও পথ প্রদর্শন যে নির্ভুল এটার সাক্ষ্য ইতিহাস।

    একজন মানুষ যখন তার আত্মাকে সত্যিকার অর্থে আল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত করতে পারে তখন সে কি অর্থের দাপটে কিংবা ক্ষমতার দাপটে মানুষের উপর অত্যাচার করতে পারে, মানুষকে শোষন করতে পারে, অন্যের কষ্টার্জিত সম্পদ বা প্রতিষ্ঠানে ডাকাতি করতে পারে? আবার কেউ নিজেদেরকে “মুছল্লির” বেশে হাজারো মানুষকে জড়িত করে ধর্মের কথা বলবে কিন্তু তার চোখের সামনে অন্যায় অত্যাচার হচ্ছে কিংবা দেশের চিহ্নিত অত্যাচারীরা ও মাফিয়ারা তাদের সামনে বসে তাদের দোয়াতে শরিক হতে আসবে কিন্তু সে দোয়াতে তাদেরকে হেদায়েত করতে, তাদের অত্যাচার থেকে কোন জনপদকে রক্ষা করতে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করতে চাইবেনা তারা কি সত্যিকার অর্থে সেই “আন-নাফস আল-মুতমাইন্নাহ” এর দলে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে? ক্বাল্লা অর্থাৎ কখনই নয়!

    একজন সত্যিকার আন্তরিক বিশ্বাসী ও ইমানদারের কাছে ভাল মানুষ হওয়ার বিষয়টি বড়। এতে তার উদ্দেশ্য আল্লাহর আনুগত্য ও তার ভালবাসা প্রাপ্তি। কিন্তু যারা বিশ্বাসে আন্তরিক নয় তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন। কারণও অসংখ্য। দুনিয়াই সবচেয়ে বড়।

    তাই আমাদের দোয়া হচ্ছে হে আল্লাহ আমাদেরকে ভাল মানুষ হওয়ার তৌফিক দেন। আমিন।

    “হে আল্লাহ, তোমার নিকট আশ্রয় চাই এমন জ্ঞান থেকে যা কোন উপকার করে না, এমন আমল থেকে যা উপরে উঠানো হয় না, এমন অন্তর থেকে যা ভীত হয় না এবং এমন কথা থেকে যা শুনা হয় না।” (সহীহ মুসলিম)
    …….আমীন

  7. 7
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    ধন্যবাদ।

  8. 6
    Sami

    “.…….অন্য একদল দাবী করে মওদুদী ছাড়া মুক্তি নাই”/
    মওদুদী ছাড়া মুক্তি নাই- কোথায় দাবি করেছে দলটি? প্রমাণ দিন।

  9. 5
    shahriar

    @তাজুল ইসলাম:

    there are lot of variation in deferent type of (ছিয়া ছিত্তা ৬-টি গ্রন্থেই(বুখারী, মুসলিম, দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাযাহ) in terms of different book publisher.

    like this reference said we have to follow quran as well sunnah.

    “O People, and understand words which I convey to you. I leave behind me two things, the QURAN and my example, the SUNNAH and if you follow these you will never go astray.”

    http://www.iqrasense.com/about-islam/the-last-sermon-khutbah-of-prophet-muhammad-farewell-sermon.html

    Also Quran it self said we must follow prophet Mohammad (SA) instruction(sunnah) as well.

  10. 4
    কিংশুক

    ইসমাইলিদের বিষয়ে আমার ধারনা অবশ্য আপনার চাইতে ভিন্ন কারন তারা সরাসরি কোরআনের অনেক আয়াত, হাদিস বিরোধী মতবাদী। যাই হোক সর্বোপরি আপনার সাথে একমত। বিশ্ব জুড়ে মুসলমানরা নানান গ্রুপ হয়ে দিনরাত এক দল আরেক দলের বিরুদ্ধে নিজেদের সকল প্রকার শ্রম দিয়ে কোন্দল চালিয়ে যাচ্ছে যাতে করে নিজের মতবাদকেই একমাত্র ইসলাম /সহীহ ইসলাম /হক ইসলাম হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করা যায় । মারামারি কাটাকাটি, আত্মঘাতী হামলা, কল্লা কাটাও কম করছে না উগ্রপন্থীরা। এতে করে ইসলামের শত্রুরা খুব সহজেই মুসলিমদের কাবু করতে পারছে। নিজেরা এক থাকলে মুসলিমদের সাথে কেউ লাগার সাহস পেতোনা। শিয়াদেরও আমার খুবই অপছন্দ । কিন্তু এত বিলিয়ন ডলারের প্রচার, আল কায়েদা, আইএস, সিপাহী এ সাহাবা ধরনের সন্ত্রাস বাদী দল, পুরো আহলে সুন্নাহ মিলে এত ফতোয়া দিয়েও কি মধ্যপ্রাচ্য, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ইত্যাদি দেশ হতে শিয়া মতবাদীদের সুন্নী বানানো যাচ্ছে? উল্টা প্রচন্ড ঘৃণা বাদ চাষের মাধ্যমে পুরো মুসলিম বিশ্ব আগ্নেয় গিরিতে রুপান্তরিত হচ্ছে । যে মৌখিক ভাবেও ঈমানদার দাবী করে এবং এক কোরআনে পড়ে , আল্লাহর কি যাব মানে তার বিষয়ে আল্লাহ্ই বিচার করবেন। আর কোরআন, হাদিসের ব্যাখ্যা অনুযায়ীই অনেক বিষয়ে অনেক মত হওয়া সম্ভব তবে তাওহিদ পরিপন্থী হওয়া যাবে না । সারা পৃথিবীতে নানান মতবাদী থাকবেই। উগ্রবাদই নষ্টের গোড়া। আমারব্লগের স্রোতের প্রতিকুলে ইসলাম বিরোধী /বিধর্মী/নানান প্রকার নাস্তিক /ইসলামি জ্ঞান শুন্য সংশয় বাদীদের বিরুদ্ধে যে জিয়া ভাইকে আমরা দেখেছি সে জিয়া ভাই সবসময় সচল থাকবেন আশা করি। ঐ চক্রের সবাই এখনও তাদের ফেসবুকের লেখায় আপনার কথা স্মরণ করে।

  11. 3
    শামস

    অনেকে বিভক্তির মধ্যেই শক্তি দেখতে পায়. এক এক দল প্রচন্ড জোশে নিজেদের শ্রেষ্ঠ প্রমাণ করে, আর ভাবে সবাই কাতারে কাতারে তাদের অনুগামী হবে. উল্টা ভাঙ্গাভাঙ্গি চলছেই।

    “আশা করি সদালাপ ইসলামের মুল বিষয় বহির্ভুত বিতর্ক থেকে মুক্ত থাকবে – আর কেউ যেন তাদের মতাদর্শকে শ্রেষ্ট প্রমান করার মাধ্যম হিসাবে সদালাপকে ব্যবহার না করতে পারে সেইটাও আশা মধ্যে থাকলো। ” ———-- সহমত।

  12. 2
    মোঃ তাজুল ইসলাম

    @জিয়া ভাই,
    ধন্যবাদ। ইসলামের মূল বিষয় বিতর্কমুক্ত থাকুক, ইহাই কামনা। তবে, বিভিন্ন বিষয়ে মত প্রকাশ করা উচিত নয়ত আলোচনার মাধ্যমে জ্ঞ্যান বিকশিত হবে না।

    ” “আমি তোমাদের জন্য দু’টি জিনিস রেখে যাচ্ছি, তোমরা যতদিন এ দু’টি জিনিস আকড়ে ধরে থাকবে, ততদিন তোমরা বিপথগামী হবে না। এ দুটি জিনিস হল কুরআন এবং আমার সুন্নত” ।

    >>ছিয়া ছিত্তা ৬-টি গ্রন্থেই(বুখারী, মুসলিম, দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনে মাযাহ) বিদায় হজ্জ্বের ভাষনে বলা হয়েছে “আমি তোমাদের মাঝে একটি জিনিষ রেখে যাচ্ছি, তা আল্লাহ্‌-র কোরান”।

  13. 1
    shahriar

    jajak-allah khairan.. for your nice post.

Leave a Reply

Your email address will not be published.