«

»

Jan ১২

বিপজ্জনক হয়ে উঠা হেফাযতের কর্মকান্ডের নিন্দার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি

শিরোনামেই যেমন বললাম – হেফাযত নিজেদের বাংলাদেশের ইসলামের স্বঘোষিত রক্ষক ঘোষনা করে নিজেদের কর্মকান্ডকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে গেছে তা একটা বিপজ্জনক পর্যায়ে যেতে আর সামান্য একটু বাকী আছে। বলাই বাহুল্য রাষ্ট্রীয় নীতি নির্ধারন থেকে শুরু করে ইসলামের ব্যাখ্যাও হেফাযতের দখলে চলে গেছে। ধারাবাহিকতার শুরু ১৯৯৮ সালে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট গঠনের পর থেকে হেফাযত অর্থাৎ কওমীয় মাদ্রাসার থেকে পাশ করা তথাকথিত আলেম (হাফেজ, ক্বারী অথবা কিছু মসলা মাসায়েল মুখস্ত করে বেতন ইমাম বা মুয়াজ্জিনের চাকুরী করা এই লোকজনকে আলেম হিসাবে বিবেচনা করা কঠিন) উপলদ্ধি করতে পারলো যে উনারা রাজনীতিতে একটা ভুমিকা রাখতে পারবে। সেই সুবাদে আরেক ধাপ এগিয়ে এলো আওয়ামীলীগ – নাস্তিক-সেকুলারদের মুখে ঝামা ঘষে দিয়ে এদের সাথে চুক্তি করে তাদের বাজারদর আরো বাড়িয়ে দিলো। কিন্তু সীমা লংঘন করে একটা বড় ধাক্কা খেলো এরা ৫ই মে শাপলা চত্তরে। এরপর আবার পর্দার আড়ালে শুরু হলো বুঝাপড়া। দেখলাম গনভবনে হেফাযতের নেতারা দাওয়াত খেলেন – সেখানে ৫ই মের “তথাকথিত হাজার হাজার শহীদের” কথা ভুলে গেলেন – এমনকি একটা তদন্তও দাবী করলেন না।

পর্দার আড়ালে সরকারের হাতে একটা একটা করে বিভাজনের গুটি তুলে দিচ্ছে হেফাযত – শুরু হয়েছিলো বিলাল ফিলিপের অসন্মান জনক বিদায় থেকে পিস টিভি বন্ধ করা – জাকির নায়েকের বাংলাদেশের আসা বন্ধ করা – শেষ পর্যন্ত মাওলানা সা’দ কে অপমান করে বাংলাদেশ থেকে বিদায় করার মাধ্যমে ইসলাম বিদ্বেষীদের হাতে শুধু অস্ত্রই তুলে দেয়নি – রাজনীতি অন্ধকারের একটা পথ তৈরী করেছে হেফাযতের নেতারা।

মাওলানা সা’দের যে বক্তব্য আমরা পড়ছি বা দেখছি তা হেফাযতের প্রচার করা – মাওলানার পক্ষে কোন প্রচার আমরা দেখিনি। হেফাযত আমেরিকায় এক কপি কোরান পোড়ানের প্রতিবাদে ঢাকায় মিছিল করে – কিন্তু তাদের নিজেদের সমাবেশের কারনে হাজার হাজার কপি কোরান পোড়ানোর ঘটনায় নিরব থাকে। কিন্তু যখন তাদের পছন্দ না হয় তখন তাদেরই একজনকে “মরা গরু” বলে অপমান করতে দ্বিধান্বিত হয় না।

বস্তুত বাস্তব শিক্ষা থেকে দুরে থেকে কোরান মুখস্ত করে যারা জীবন যাপন করতে বাধ্য হয় – তাদের জন্যে মাওলানা সাদের বক্তব্য সত্যই ভয়াবহ। মাওলানা সাদ মাদ্রাসার দূর্নীতি নিয়ে কথা বলেই তাদের চক্ষুসুল হয়েছেন বলাই বাহুল্য।

সাধারন মানুষের কাছে তাদের কুটিল বক্তব্যের চেয়ে রাস্তা বন্ধ করে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে কষ্ট দেওয়াটাই মুখ্য বিষয় হয়েছে। মাওলানা সাদের সাথে একমত হতেই হবে – না হলে ঈমান থাকবে না – এমন কোন কথা নেই। মাওলানা সাদ একজন মানুষ – তার নিজের মতামত প্রচারের অধিকার আছে। কিন্তু তার বাংলাদেশে আসা বন্ধ করা জন্যে রাস্তা বন্ধ করা কতটা ইসলাম সন্মত তা অবশ্যই প্রশ্ন যোগ্য। যেখানে পরিষ্কার বলা হয়েছে – রাস্তা থেকে কোন একটা গাছের ডাল সরিয়ে জনগনের পথ চলা সুগম করা ঈমানের একটা অংশ। সেখানে রাস্তা বন্ধ করে একজন মেহমানকে অপমান করার জন্যে সাধারন মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি কতটা ইসলামের হেফাযত করা হলো তা ফেইসবুক আর বাংলাদেশের মিডিয়ার উল্লাশ দেখলেই বুঝা যায়।

দিনে দিনে হেফাযত একটা দানবে রূপ নিচ্ছে – আওয়ামীরীগ ভোটের পাল্লা ভারী করতে হেফাযতকে আপাতত আষ্কার দিচ্ছে – পোষে রাখছে – কিন্তু একসময় এই হেফাযতই দানব হয়ে সবাইকে গ্রাস করতে চাইবে। সময় থাকতে এই দানবকে মোকাবেলা করা দরকার। নতুবা বাংলাদেশের ইসলাম ধ্বংস হবে হেফাযতের হাতেই – কারন এরা ইসলামে নামে নিজেদের মতাদর্শ মানুষের উপর চাপিয়ে দেবে। এই কথা নির্দিধায় বলা যায় কারন এরা নিজেদের স্বার্থে বাইরে গেলে নিজেদের সন্মানিত আলেমদেরও সামান্য ছাড় দিচ্ছে না।

একটা কথা বলেই শেষ করছি – বাংলাদেশে যে জঙ্গীবাদের চলমান যুদ্ধ চলছে – বিনাবিচারে অঘোরে প্রান হারাচ্ছে অনেক যুবক – সেই জঙ্গীবাদের আমদানী করেছে “কওমী” হেফাযতরাই। আফগানিস্তানে রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমের যুদ্ধে প্রক্সি-যোদ্ধা হিসাবে কওমী মাদ্রাসা থেকে হাজার হাজার ছাত্র রিক্রুট করে পাকিস্তানে ট্রনিং দিয়ে আফগানিস্তানে পাঠানো হয়েছিলো – পরে এরা দেশে ফিরে এসে নিজেদের মানুষদেই উপর বোমাবাজি শুরু করেছিলো। সদ্য মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত মুফতি হান্নান থেকে শুরু করে অনেক মুফতিকেই জঙ্গী হিসাবে আমরা দেখেছি। বস্তুত মাদ্রাসাগুলোকে অচলায়তন বানিয়ে এরা নিজেদের জন্যে একটা শক্ত ঘাটি তৈরী করে রেখেছে – যা সেনাবাহিনীর পর বাংলাদেশের সবচেয়ে সংগঠিত শক্তি বটে। তাদের দিক থেকে নজর সরালে এরা বাংলাদেশের সর্বনাশ করবে – এবং তাদের হাতে বাংলাদেশের ইসলাম চর্চার পরিসমাপ্তি হবে – সেখানে চালু হবে ক্যাথলিকদের মতো একটা ধর্ম – হয়তো তার নাম হবে হেফাযতের ইসলাম।

আল্লাহ সেই ফেতনা থেকে বাংলাদেশের ইসলাম এবং মুসলিমদের রক্ষা করুন।

২৮ comments

Skip to comment form

  1. 18
    এস. এম. রায়হান

    জিয়া ভাই, এইখানে পাঁঠা-খাসিরা আপনাকে স্মরণ করেছে! আর যথাযথ নিয়ম অনুযায়ী সার্বিক বিনোদনে আছে আমগো সবার প্রিয় লাদি-বাবা। পাঁঠা থেকে সম্প্রতি অর্ধ-খাসি'তে বিবর্তিত হওয়া টরন্টো-প্রবাসী এক ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী বর্ণমনা সেই পোস্টে প্রমাণ করার চেষ্টা করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ক্যানাডাতে মুসলিমবিদ্বেষ বা কোনো রকমের রেসিজম বলে কিছু নেই। 'প্রমাণ' হিসেবে একটি লিঙ্ক দিয়ে সে এগারো বছরের একজন (মুসলিম) শিশুকে মিথ্যুক প্রমাণ করেছে। এর দ্বারা প্রমাণ হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ক্যানাডাতে আসলেই মুসলিমবিদ্বেষ বলে কিছু নেই! এগুলোর সবই নাকি মুসলিমদের মিথ্যা-বানোয়াট ষঁড়ঁযঁন্ত্রঁ।

    উল্লেখ্য যে, সেই পোস্টে লাইক-সমর্থন করা মন্তব্যকারীদের সকলেই একেকজন বাদামী চামড়ার মুসলিম-বিদ্বেষী রেসিস্ট। এরা শ্বেতাঙ্গ রেসিস্টদের জুতার তলা চেটে চেটে মুসলিমদের দিকে রুটিন করে থুথু ছিটায়, মাঝে মাঝে একেবারে বোমিও করে দেয়!

    নোট: 

    -- মাত্র কিছুদিন আগে ক্যানাডার কুইবেকে মসজিদে ঢুকে কয়েকজন মুসলিমকে গুলি করে হত্যার খবর কিন্তু তাদের সকলেই চেপে গেছে।

    -- জার্মানিতে একজন শ্বেতাঙ্গ নারীকে ধর্ষণের দায় মুসলিম রেফিউজিদের উপর চাপিয়ে দিয়ে প্রচার করা হয়েছিল, যার উপর ভিত্তি করে বর্ণমনারা মুসলিমদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল -- সেটি পরে সেই নারীর বানোয়াট কাহিনী প্রমাণ হয়েছে। এটি ইউরোপের জাতীয় পত্রিকাগুলোতেই তখন এসেছিল। এই খবরও বর্ণমনা পাঁঠা-খাসিরা চেপে গেছে।

    অর্থাৎ অভিজিৎ রায়ের মানসিকতার বর্ণমনারা শুধুমাত্র তাদের পক্ষের খবরগুলো প্রচার করে ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঘৃণা-বিদ্বেষ ছড়ায়, আর বাকি খবরগুলোর ক্ষেত্রে পবিত্র গোবরের মধ্যে মাথা গুঁজে থাকে!

  2. 17
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    শুনছিলাম ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব ও বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি মুহাম্মদ ফয়জুল্লাহ টকশো।  উনি  পাঁচ বছর বিএনপি জামায়াতের লুটপাটের সময় সরকারকে সমর্থন দিয়ে গেছেন -- এখন আওয়ামীলীগের মিত্র সেজে আছেন। বলা হ য় হেফাযত রাজনীতি করে না। মুফতি ফয়জুল্লাহর মতো একটিভ রাজনীতিবিদ কিভাবে হেফাযতের নেতা হয়।, সেই প্রশ্নটা  মাথায় ঘুরছে।  

  3. 16
    ফারদিন

    সব কিছুর বুঝা না বুঝা ডিফেন্ড করে কমন সেন্স এর উপর। পিস টিভির জন্য আপনার অভাবনীয় দরদ দেখে অনেক হতচকিত নয়নে আমার বিবেক আমাকে জিজ্ঞেস করলো টিভি দেখেন অথচ মাওঃ সাদ সাহেবের ভ্রান্তি গুলো কি তিনি তা জানেন না। জাকির নায়েক সাহেবের জন্য ইনার এত্তো মায়া বরাদ্দ অথচ এদেশীয় বৃদ্ধ ইসলামের খাদেমের জন্য হাজারো তকমা। আমার দেশে কারা কিভাবে কতটুকু ত্যাগ স্বীকার করে দ্বীন ঠিকিয়ে রেখেছেন তা জানতে উনি উদগ্রীব না বরং উনার বিলাল ফিলিপস সাহেবের সোহবত ফরজ। একদিকে হেফাজতিরা নর্দমার কীট আবার দিন শেষে সমালোচনার স্বার্থে শহিদ।

    এসব দ্বৈরথনীতি কি আদৌ বাস্তব সম্মত?

    1. 16.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      আপনার কথাগুলো বুঝলাম। আপনি আমার কথা পছন্দ করছেন না। না করতেই পারেন। আপনার কাছে একটা প্রশ্ন --

      ইসলামের স্বঘোষিত হেফাযতকারীরা তবলিগ জামায়াতের বিবাদকে রাস্তা নিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষকে যে ভোগান্তি তৈরী করে ইসলামের কতটা উপকার হলো?

       

  4. 15
    Md Amir

    বিল্ডিংয়ের ভিত্তি দূর্বল হলে কিন্তু পুরো বিল্ডিংটাই বিপদজনক।  থার্ড ক্লাস দেওবন্দীদের খুঁজতে অণুবীক্ষণ  যন্ত্রের প্রয়োজন নেই। থার্ড ক্লাস দেওবন্দিদের বৈশিষ্ট্য তাদের শীর্ষ আলেমদের মধ্যেই দেখতে পারবেন। তাহলে First ক্লাস দেওবন্দ কাকে বলবেন?     যারা তাদের মুরিদ ; পীর পুজারি তাদের ?
    তাদের কর্মকান্ড স্যকুলারদের উস্কে দেয় বলেই তো তাদের বিরুদ্ধে কথা বলা। তারা Real islam দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে বলেই তো তাদের বিরুদ্ধে বলা।  তাদের শিক্ষায় সংস্কার চাই বলেই তো এই মনোভাব। 
    কয়েক হাজার লোককে কয়েক ঘন্টা জ্যামে আটকা রাখার মাধ্যমে ইসলামের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়নি ?   সাদ সাহেব চলে যাওয়ায় কওমীরা কি মনে করে যে, তার ভুল ব্যাখ্যা "শুন্য" হয়ে গেছে। ফাইনালি  ভুল ব্যাখ্যাকে ভুল প্রমান করার জন্য সঠিক ব্যাখ্যা দিয়েই প্রমান করতে হবে। যেহুতু তারা একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ সেহুতু আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে পারত।  সাদ সাহেবের অংশগ্রহনের সাথে সাথেই বুঝি তার আকিদা প্রতিষ্ঠা  হয়ে যেত আর ৪০ লক্ষ মানুষ গোমরাহি হতো যার ফলে তাকে বিদায়ের জন্য কয়েক হাজার মানুষকে জ্যামে আটকা রাখা, স্যকুলারদেরকে ইস্যু তৈরি করে দেয়া "ইসলাম সম্মত" হয়েছে! 

    1. 15.1
      মজলুম

      আপনার মন্তব্যেই বুঝা যায় আপনি কোন দলের আর কোন ক্যাটাগরীর। তাই আর কিছু বললাম না, আর মন্তব্য ও করবোনা। 

  5. 14
    মজলুম

    আপনি হয়তো সদালাপে আমার লেখালেখি দেখেন নি, এই সালাফি-মাজহাবি দ্বন্ধ আমি নাই আর কওমীদের বিরুদ্বে লেখালেখি করার কয়েক জনের মধ্যে আমিও একজন। কওমী ও সালাফি, এই দুই গ্রুপের মধ্যেই কিছু থার্ড ক্লাস লোক আছে, এগুলা হলো ফেতনাবাজ।  এই থার্ড ক্লাস মাজহাবী/দেওবন্দীরা বলবে জাকির নায়িক কাফির বা থার্ড ক্লাস সালাফিরা বলবে আহমদ শফী সাহেব মুশরিক। দুই গ্রুপেই এই থার্ড ক্লাস লোক আছে যারা  কয়েকটা ইউটিউব ভিডিও দেখে  বা কয়েকটা বই পড়ে ভাবে যে উনি ইসলামের সবকিছু জেনে ফেলেছেন আর তখন পুঁটি মাছের মতো লাফায়। শয়তান এদের উপর প্রভাব বিস্তার করে সবচেয়ে বেশী। 

    দেশীয় রাজনীতির উপর জিয়া ভাইয়ের লিখা হলো আওয়ামী সেক্যুলার অনলাইন এক্টিভিস্টদের লেখাগুলোর কপিপেস্ট, আর তার উপর একটু ইসলামের প্রলেফ লাগিয়ে দেন।  সেই জন্যে কওমীদের বিরুদ্বে সেক্যুলারদের ডিহিউমাইজেশনে উনিও শরিক হন। মূল কথা হলো, এই সেক্যুলার গোষ্ঠীর কাছে যাহা জাকির নায়িক তাহাই আহমেদ শফী। ওদের কাছে যাহাই দেওবন্দী তাহাই সালাফি। সেক্যুলারেরা যদি আহমেদ শফি এবং জাকির নায়িকের বিরুদ্বে ভেদাভেদ না করে তাহলে আমরা কেন নিজেদের মধ্যে ভেদাভেদ করবো। 

    লম্বা বইয়ের কথা বলেছি কারন জিয়া ভাই সব সময় একটা ঢোল পিটায় যে কওমীরা কয়েকটা সূরা কিরাত মুখস্ত করে মসজিদের ইমাম, মিলাদ মাহফিল করে পেট চালায়। উনি কখনো কোন কওমী মাদ্রাসার আশে পাশেও যায় নি। ওদের সিলেবাস কি, কি পড়ে তাও জানে না।  তাই এখানে একটু লিখেছি, তারপরও দেখবেন ভবিষৎতে উনার লেখা গুলোতে ঐ একই ঢোল পিটাবেন উনি, কিন্তু কোন কওমী মাদ্রাসা ভিজিট ও করবেনা, ওদের সিলেবাস কি তাও জানতে চাইবেনা। 

    এখন কথা হলো মানুষকে জ্যামে আটকিয়ে কস্ট দেওয়া। সাদ সাহেবের বিরুদ্বে গত বছরের ইজতেমার আগেই ফতোয়া দেওয়া হয়েছিলো, তাকে ইজতেমায় না যেতে এবং তার গোমরাহি কথা গুলো থেকে ফিরে আসতে বলা হয়েছে। তবুও তিনি গত বছর এসেছেন। তারপর একবছর গেলো, উনি তার গোমরাহি কথা গুলো ফিরিয়ে নেননি।  উনি আবার তাবলিগের শূরা সিস্টেম ভেঙ্গে দিয়ে একক ভাবে কতৃত্ব নিয়েছেন। এবার ও ইজতেমায় না আসতে বলা হয়েছে, তবুও উনি এসেছেন। সেই জন্যে হেফাজত দলীয়ভাবে না, কওমীদের একাংশ এয়ারপোর্টের সামনে অবরোধ করে।  এখন কথা হলো ৪০ লাখ লোককে গোমরাহি বা পথভ্রষ্ট করা বেশী ক্ষতিকর না কয়েক হাজার লোককে কয়েকঘন্টা জ্যামে বসিয়ে রাখা বেশী ক্ষতিকর। অবশ্যই ইসলামের দৃষ্টিতে ৪০ লক্ষ লোককে গোমরাহি করা বেশী ক্ষতিকর। 

  6. 13
    Md Amir

    সাদের বিষয়ে সব ফায়সালা ভারতের দেওবন্দ নিয়েছে বলে হেফাজতের জন্য বৈধ হয়ে যায়নি যে, রাস্তা অবরোধ করে মানুষের চলাচলে বাধার সৃষ্টি করবে। তাদের বইয়ের সাইজ মানুষের মত লম্বা বলে ওহি নাযিল হয়নি যে, তাদের মতের বিপক্ষে গেলেই কাফির হতে হবে। কোরআন, হাদীস, ফিকহ,  উসূলে ফিকহ সম্পর্কে তারা এতই জানে যে, শুধুমাত্র আপনার দাঁড়ি, পোশাক ও টাকনুর নিচে কাপড় দেখেই বিচারের রায় দিয়ে দিবে। সালাফিরা কোরআন, হাদীসের রেফারেন্স দিয়ে বক্তব্য দিলে সেটা হয়ে যায় ফিতনা। আর রাস্তা অবরোধ করে সাধারন মানুষকে কষ্ট দেয়া বুঝি 'শৃংখলা'

    1. 13.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      অনেক ধন্যবাদ। 

      আমি যা বলতে চেয়েছি তার সারমর্মটাই আপনি বললেন। মুল পয়েন্ট হলো --

      রাস্তা অবরোধ করে মানুষের চলাচলে বাধার সৃষ্টি করবে। 

      -- কারো এই অধিকার নেই। মক্কায় মুশরিকরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে অবরোধ করেছিলো -- এখন হেফাযত সেই পথে হাঁটছে -- নিজেদের মতাদর্শকে প্রতিষ্টার জন্যে গায়ের জোর খাটাচ্ছে -- সাধারন মানুষকে জিম্মি করে -- তাদের স্বাভাবিক চলাচলকে বাধা দিচ্ছে। এইটা ইসলামের দৃষ্টিতে কতটা বৈধ তা ভাবা উচিত।
       

       

  7. 12
    মজলুম

    ওয়ালাইকুমুস সালাম তাজুল ইসলাম ভাই, এদেশের সেক্যুলার গোষ্ঠী শুধু এই দেশে ইসলামি হুকুম আহকাম প্রতিষ্ঠার জন্যে হুমকি নয়, এরা এই দেশের মুসলিমদের অস্তিত্বের জন্যে চরম হুমকি। এই নির্যাতীত রোহিঙ্গা মুসলিমদের যেভাবে ডিহিউমানাইজ করে প্রচার করেছে এই সেক্যুলার গোষ্ঠি এবং আওয়ামী অনলাইন সেক্যুলার এ্যাকটিভিস্টরা তা ভয়াবহ। রোহিঙ্গারা বাচ্ছা ফয়দা করে বেশী, ওরা অপরাধপ্রবন, ওরা হিংস্র, ওরা মায়াবড়ি দিলে খায়না, ওরা গাছ-পাহাড় কেটে পরিবেশ বিপর্যয় করে, ওরা নিজেদের ঘরে আগুন দিয়েছে বাংলাদেশে আসার জন্যে, ওরা জঙ্গী।  সাধারন মুসলিমদের উপর যাদের মায়া মমতা নাই, সে বাঙালি মুসলিম হোক আর রোহিঙ্গা মুসলিম হোক, তাদের উপর মুসলিমদের ও মায়া মমতা থাকা  ঠিক না। আল ওয়ালা আল বারা-- আল্লাহর জন্যেই ভালোবাস আর আল্লাহর জন্যেই ঘৃনা। 

    ডিহিউমানাইজ হলো কোন জাতিগোষ্ঠি বা দলের উপর গনহত্যা করার প্রি-কার্জর, এগুলো প্রপাগান্ডার জনক এডওয়ার্ড বার্নায়েসের প্লেবুকে আছে। জামাত-শিবির আর  কওমী মাদ্রাসার লোকজনদের ডিজিউমানাইজ করার পর রোহিঙ্গাদের উপর সেক্যুলারদের ডিহিউমানাইজ দেখেছি। 

    আরেকটা কথা হলো কয়েকদিন আগের টিটু রায়ের রাসূল(সঃ) কে নিয়ে ব্যাঙ করা স্ট্যাটাস নিয়ে। কালের কন্ঠের মতে এটা নাকি করেছে খুলনার মাওলানা হামিদী। এর আগেও এই রকম কয়েকটা ঘটনায় সেক্যুলার মিডিয়া প্রচার করেছে ঐ হিন্দু বা বৌদ্ব ছেলে কোরান, রাসূল(সঃ) কে ব্যাঙ্গ  করে নাই, ওগুলা করছে জামাত-শিবিরের লোকজন। এই দেশের সেক্যুলার মিডিয়া দেখে যা বুঝতে পারি তা হলো এই দেশে যত ইসলাম, রাসূল(সঃ) ও কোরান বিরোধী ব্যাঙ্গ  বিদ্রুপ হয় এবং হাগার হাগার কোরান পোড়ানো হয় সব করে জামাত-শিবির আর হেফাজতের লোকেরা। আর ইসলাম বিদ্বেষীরা মূলত ধর্মান্ধতা, ধর্মীয় কুসংস্কার, বিজ্ঞান, মৌলবাদ এগুলো নিয়ে লেখালেখি করে। 

    কিন্তু আমরা যারা সাধারন মুসলিম আমরা জানি, একজন মুসলিম যত খারাপই হোক না কেন, হোক সে চোর ডাকাত বা প্রতারক কিন্তু তার মনে যদি সরিষা পরিমান ইমান থাকে সে কখনই অন্য কাউকে ফাসাতে আল্লাহ রাসূল(সঃ) বা কোরানকে ব্যাঙ্গ বিদ্রুপ করবেনা, বা কোরান কোরান পুড়াবেনা। 

    কিন্তু বাংলাদেশে এই ধরনের ঘটনা ঘটলে বা  ফাঁস হলে  সেক্যুলার মিডিয়া প্রচার করে, না ঐ হিন্দু,বৌদ্ব লোকটা করে নাই, সে স্কুলে যায় নাই, ফেসবুক কেম্নে চালায়। বা ঐটা করছে জামাত-শিবিরের লোকজন বা হেফাজতের লোকজন। 

    কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যানে এই দেশের মানুষেরা জানে কারা কি করে, কারা কি প্রচার করে আর কি গোপন করে। 

    ভালো থাকুন। আল্লাহ হাফেজ। 

  8. 11
    মজলুম

    এজন্যেই আমি আগেই কমেন্টে বলেছি, ত্যানা ছিড়ে অনেকদুর যাওয়া যায় কিন্তু সত্য হলো উপলব্দীর বিষয়। ত্যানা সবাই ছিড়তে পারে, কিন্তু ত্যানা ছিড়াই সব নয়। যাকগে, খালি তাইজুল ভাইকে একটা কমেন্টের রিপ্লাই দোবো। আর কোনো কমেন্ট করবোনা এই পোষ্টে। জিয়া ভাই ভালো থাকুন..

    1. 11.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      সেইটাই -- আপনি সিদ্ধান্ত নিয়েই মন্তব্য করলেন -- আর আমার কথাকে টুইস্ট করলেন। আমিও জানি কোন কওমীর লোকজন কোরান পুড়াবে না -- কিন্তু সেইদিন তাদের কারনেই কোরান পুড়েছে -- গায়ের জোরে মতিঝিল দখল করতে গিয়ে অনাসৃস্টি তৈরী করেছে হেফাযত। হকারদের দোকানগুলো কভার করা থাকে -- সেইগুলোতে নির্বিচারে আগুন দেওয়া হয়েছে -- তার সেখানে কোরান পুড়েছে। দায় হেফাযতেরই। তাদের মিছিল থেকে নারী সাংবাদিকে গায়ে হাত তোলা হয়েছে -- এই দায় কি নাস্তিক-সেকুলারদের। সব কিছুতে ষড়যন্ত্র খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা না করাই ভাল। হেফাযত সম্পর্কে আগেই বলেছি -- এরা ক্ষমতার মজা পেয়েছে। শক্তি দিয়ে এরা নিজেদের প্রতিষ্টা করতে চায়। সেখানে ইসলাম তাদের কাছে গৌন হয়ে গেছে। রাজনৈতিক দলের মতো নিজেদের মতামত চাপিয়ে দিতে এরা ঘেরাও করে -- সাধারন মানুষকে জিম্মি করে। 

      আজ হয়তো আমার মতো কয়েকজনকে "জানেন না, জ্ঞান নাই" বলে এড়িয়ে যাবে। এক সময় আফসোস হবে নিশ্চয়। জ্ঞান ভিত্তিক ইসলাম এর বিপরীত অনুসরন ভিত্তিক ইসলামের যে চর্চা হেফাযত চাপিয়ে দিতে চাইছে -- এর পরিনাম যে কত ভয়াবহ হবে তা পাকিস্তানের দিকে তাকালেই বুঝা যাবে। 

      যাই হোক -- সব দোষ অন্যের আর হেফাযত নির্দোষ এই তত্ত্ব মনে হয় খুব একটা গ্রহনযোগ্য নয় -- শুধুমাত্র মাদ্রাসাগুলো তহবিল নীরিক্ষা করলেই আসল সমস্যা বের হয়ে আসবে। মানুষের দানের অর্থ কোথায় যায় সেইটা মানুষের সামনে পরিষ্কার ভাবে উপস্থাপন করার সাহস যাদের নাই -- মাওলানা সাদ তাদের শত্রু হয়েছেন সংগত কারনেই। যারাই মাওলানা সাদের মতো সত্য কথাটা বলবেন -- তারা আর আলেম থাকবেন না -- তাদের আলেম হওয়ার জন্যে হেফাযতের সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা বাধ্যতামুলক করা হবে -- নতুবা সাধারন মানুষ জিম্মি হবে আর রাজনৈতিক দলগুলো আলু পোড়া খাওয়ার সুওযোগ পাবে। 

      হেফাযতের সাথে আলোচনা  করার জন্যে তথ্যমন্ত্রী তিনদিন সময় নিয়েছিলো -- তখন আগারগায়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে একটা সভা হয় -- সেখানে আলেমগন মতামত দেন পিস টিভি ইসলামের সাথে সংগতিপূর্ন না -- ফেতনা সৃষ্টি করছে। সেই তিনদিন পর্ সরকার আরো চারদিন সময় নেয় সিদ্ধান্ত ঘোষনা করতে -- তারপর আরো কয়েকদিন পর মন্ত্রীসভায় পিসটিভি বন্ধের আদেশ পাশ হয়। সেই সময়কালে ইসলামের স্বঘোষিত হেফাযতকারীগন হাইবার নেশনে ছিলেন বলে কি উনারা একটা বিবৃতিও দিতে পারেননি? বিলাল ফিলিপের বিষয়েও একই কথা -- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিলাল ফিলিপকে চেনেন না -- তার বিরুদ্ধে কে কে অভিযোগ নিয়ে গিয়েছিলো -- নাস্তিকদের ভুমিকা দেখেছি দর্শকের মতো -- এরা বিলাল ফিলিপের বিষয়ে গার্ডিয়ানের খবর কপি-পেস্ট করছে। কিন্তু কারা "হানাফী মাযহাবই একমাত্র হক্কের পথ" বলে প্রচার করে বিলাল ফিলিপকে সালাফী আলেম বলে সরকারের কাছে উনার সভা বন্ধের জন্যে ধর্ণা দিয়েছিলো -- সেই বিষয়গুলো একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন -- হেফাযত একমাত্র তাদের মতাদর্শ ছাড়া আর কারো ছাড় দেয় না -- এই ক্ষেত্রে ইনু মন্ত্রীও যদি তাদের বন্ধু হয় তাও ঠিক আছে -- কিন্তু মাওলানা সাদ. বিলাল ফিলিপ বা জাকির নায়েককে সহ্য করা হয় না। 

      ​ধন্যবাদ।

  9. 10
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    হেফাযত হাজার হাজার কোরান পুড়িয়েছে এমন কথাতো আমি বলিনি -- আমার কথাটা পরিষ্কার পৃথিবী অন্য প্রান্তে কোরান পুড়ালো উনারা ঢাকার রাস্তায় আগুন লাগায় -- কিন্তু উনাদের নিজেদের সমাবেশের কারন কোরান পুড়লে নিশ্চুপ থাকেন। সমস্যাটা এখানেই। উনাদের সিলেকটিভ বিক্ষোভ আর প্রতিবাদের বিষয়গুলো লক্ষ্য করেছেন নিশ্চয়।

    জানিক নায়েকের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় প্রপাগান্ডা চালিয়েছে কারা -- পিস টিভি বন্ধ হওয়ার অনেক আগেই জাকির নায়েককে কাফের ঘোষনা করেছে কারা -- বাংলাদেশের ইসলামের স্বঘোষিত হেফাযতকারীরা জাকির নায়েকের টিভি বন্ধ করার পর মুখে টেপ লাগিয়ে রাখলো কি করানে। কে কে তথ্যমন্ত্রীর সাথে বৈঠক করেছে টিভি বন্ধ করার আগে -- এই বিষয়গুলো একটু জানা দরকার। তবেই বুঝা যাবে কারা এই টিভি বন্ধের পক্ষ সরকারকে উদ্ভুদ্ধ করেছে। 

    আর বিলাল ফিলিপের মতো একজন আলেমকে যখন দেশ থেকে বের করে দেওয়া হলো -- হেফাযত কোন শব্দও করলো না -- যেখানে উনারা সামান্য বিষয় নিয়ে মাওলানা সাদের বিরুদ্ধে বিরাট মিলিটেন্সী দেখালো। বিষয়গুলো কি আপনাকে ভাবায় না?

    যাই হোক -- অবশেষে আপনিও আমার মতের সংগে একমত -- তবলীগের সংস্কার প্রয়োজন -- কওমী শিক্ষায়ও সংক্ষার প্রয়োজন। 

    ধন্যবাদ। 

  10. 9
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    প্রথম আলো এখানে সোর্স না -- সোর্স হলো মাওলানা কাজেমী -- উনার বক্তব্য প্রথম আলো ছেপেছে। মাওলানা কাজেমীর বক্তব্য যদি সঠিক ভাবে না ছাপানো হয় তা উনার প্রতিবাদ করা উচিত। হেফাযতই যে মাওলানা সাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে তা হেফাযতের প্রচার থেকে সুষ্পষ্ট হয়েছে। 

    বাংলাদেশে তাবলিগ জামাতের মূল কেন্দ্র কাকরাইল মসজিদের একটি শাখার আমির মিজানুর রহমান শুক্রবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “তাবলিগের নাম করে হেফাজতের কর্মীরা আর মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা বিমানবন্দর এলাকায় ওই গণ্ডগোল করেছে। পিঠ বাঁচানোর স্বার্থে তারা তাবলিগের নাম ব্যবহার করেছে। আর সরকার হেফাজতের কাছে নতি স্বীকার করেছে।”

     

    -- এইটা আমার বক্তব্য না -- এইটা বিডিউনিউজে ছাপা তবলিগের বক্তব্য। আশা করি সত্য স্বীকারে আপনার দ্বিধা থাকবে না। 

  11. 8
    Sami

    মাওলানা সাদ মাদ্রাসার দূর্নীতি নিয়ে কথা বলেই তাদের চক্ষুসুল হয়েছেন বলাই বাহুল্য।

    আপনি জিয়াউদ্দিন না জেনেই অনেক কথা লিখেন! কোন লিখা লিখার আগে আপনার জেনে শুনে  লিখা উচিৎ। মাওলানা সাদের ফতোয়া কোনদিন না শুনেই আপনি এই লিখাটা লিখেছেন। মাওলানা সাদ কেন চক্ষুসুল তা আগে ভাল করে জানুন। নিচের বিতর্কিত ফতোয়াগুলো কি আপনার জানা নাই? নিচের বিষয়গুলো লিখায় এড়িয়ে গেলেন কেন?

     

    * “ Hazrat Moosa (alayhis salaam) left his nation and went in seclusion to engage in Munaajaat with Allah Ta’aala, due to which 188 000 individuals went astray. The Asl was Moosa (alayhis salaam), he was the Zimme-Daar. The Asl was supposed to remain. Haroon (alayhis salaam) was a helper and partner.”

    * “Naql-o-Harkat is for the completion and perfection of Taubah. People know of the three conditions of Taubah, they don’t know the fourth. They have forgotten it. What is it? Khurooj! [i.e. coming out specifically for Tabligh]. People have forgotten this condition. A person killed 99 people. He first met a monk. The monk made him despair. He then met an Aalim. The Aalim told him to go to a certain locality. This killer did Khurooj, therefore Allah Ta’aala accepted his Taubah. From this it is understood that Khurooj is a condition of Taubah. Without it, Taubah is not accepted. People have forgotten this condition. Three conditions of Taubah are mentioned. The fourth condition, i.e. Khurooj is forgotten.”

    * “There is no place for getting Hidaayat except the Masjid. Those branches of Deen where Deen is taught, if their connection is not with the Masjid, then, by the oath of Allah Ta’aala there will be no Deen in it. Yes the Ta’leem of Deen will take place, not Deen.”

    (In this quotation, by connection with the Masjid, his intention is not going to perform Salaah in the Masjid. This is because he said this while talking about the importance of the Masjid and talking about Deen only after bringing a person to the Masjid. He said it while speaking about his specific ideology, the details of which is in the audio. His ideology is thus: to speak about Deen outside of the Masjid is contrary to the Sunnah, and contrary to the manner of the Ambiyaa’ (alayhis salaam) and the Sahaabah (radhiyallahu anhum))

    * “To teach Deen for a wage is to sell Deen. People who commit Zina will enter Jannah before those who teach Qur’aan for a wage.”

    * “According to me Salaah with a camera phone in ones’ pocket is invalid. Get as many Fatwas as you want from the Ulema. Listening to and reciting Qur’aan on a camera phone is a disgrace to the Qur’aan, there will be no reward for it. A person will be sinful by doing so. No reward will be attained. Because of doing so Allah Ta’aala will deprive one from the ability of practising on the Qur’aan. Those Ulema who give the Fatwa of permissibility in this regard, according to me they are Ulema-e-Soo, Ulema-e-Soo’. Their hearts and minds have become affected by the Christians and Jews. They are completely ignorant Ulema. According to me, whichever Aalim gives the Fatwa of permissibility, by Allah Ta’aala his heart is devoid of the greatness of the Kalaam of Allah Ta’aala. I am saying this because one big Aalim said to me: “What is wrong with it?” I said that the heart of this Aalim is devoid of the greatness of Allah Ta’aala even if he knows Bukhari. Even non-Muslims may know Bukhari.”

    * “It is Waajib upon every Muslim to read the Qur’aan with understanding it. It is Waajib. It is Waajib. Whoever leaves out this Waajib act will get the sin of leaving out a Waajib act.”

    * “I am astonished that it is asked: “With whom do you have Islaahi Ta’alluq?” Why is it not said, that my Islaahi Ta’alluq is with this effort? My Islaahi Ta’alluq is with Da’wat. Have Yaqeen that the A’maal of Da’wat is not just enough for reformation, rather, it guarantees reformation. I have contemplated deeply, this is the reason why those involved in the effort do not stay steadfast. I am saddened over those people who sit here and say that six points is not complete Deen. The person who himself says his milk is sour cannot do business. I was completely shocked when one of our own Saathis asked for leave for a month saying that he wanted to spend I’tikaaf in the company of so and so Sheikh. I said that until now you people have not joined Da’wat and Ibaadat. You have spent at least 40 years in Tableegh. After spending 40 years in Tableegh a person says that he wants leave because he wants to go for one month I’tikaaf. I said that the person who requests leave from Da’wat in order to do Ibaadat, how can he improve his Ibaadat without Da’wat? I am saying it very clearly that the difference between the A’maal of Nubuwwat and the A’maal of Wilaayat, the difference is only that of not engaging in Naql-o-Harkat. I am saying it extremely clearly that we do not make Tashkeel to merely go out to learn Deen, because there are other avenues of learning Deen. Why is it necessary to go out in Tableegh only? The object is to learn Deen. Learn in a Madrasah. Learn in a Khaanqah.”

     

    1. 8.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      অনেক দিন পর আপনার দেখা পেলাম। ভাল আছেন। আমার যে জ্ঞান কম তাতো গত পাঁচবছর ধরে বলে আসছেন -- এইটা নতুন করে বলার দরকার নাই। যাই হোক -- মাওলানা সাদের সর্বশেষ অবস্থান আমরা জানি। একজন বিনয়ী মানুষের পরিচয় দিয়েছেন -- বিতর্কিত বক্তব্য থেকে সরে এসেছেন। এই বিষয়ে আলেমরা নিজেদের মধ্যেই সমাধান করতে পারতেন। উনাকে ঠেকানোর জন্যে রাস্তা অবরোধ করে সাধারন মানুষের দুর্ভোগের কারন হওয়াটাই আমার কাছে মুখ্য। পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ আলেম আছেন -- তাদের মতপার্থক্য আছে -- থাকবে -- কিন্তু সেই মতপার্থক্যের করনে সাধারন মানুষের চলাচল বন্ধ করা -- সাধারন মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে জিম্মি করা কতটা ইসলাম সন্মত -- তা আমার মতো কম জানা মানুষের কাছে বোধগম্য নয়। বরঞ্চ ইসলাম নিয়ে হেফাযতের উদ্ধত অবস্থান এবং শক্তির অহংকারই আমরা দেখলাম। এইখানেই ইসলামে স্বঘোষিত হেফাযতের ইসলাম রক্ষার নামে ইসলামের বিপক্ষে চলে যাওয়ারটা দেখা যাচ্ছে -- আগেই বলেছি -- ইমানের সর্বশেষ শাখা হলো রাস্তা থেকে প্রতিবন্ধকতা সরানো আর উনারা নিজেদের মতপার্থক্যের কারনে নিজেদেরই একজনকে ঠেকানোর জন্যে সাধারনের চলাচলের উপর প্রতিবন্ধকতা তৈরী করেছেন এবং হুমকী দিয়েছে আরো করবেন। 

      আর একটা কথা মনে করিয়ে দিতে চাই -- মাওলানা সাদের বিরুদ্ধে হেফাযতের যে অভিযোগ -- একই অভিযোগে মাওলানা শামসুল হক ফরিরপুরীর ফতোয়া আছে জামায়াতের বিরুদ্ধে -- মাওলানা মো্দুদীর বিরুদ্ধেও তাদের একই অভিযোগ এবং জামায়াতের ইমানের পিছনে নামাজ পড়া না জায়েজ -- এই ফতোয়া এখনও বলবত আছে -- কারন মাওলানা মউদুদী উনার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো বিষয়ে তওবা করেছেন বলে জানা যায় নি। 
      ভাল থাকেন। 

  12. 7
    Anonymous

    http://www.deoband.net/blogs/darul-uloom-deobands-fatwa-about-maulana-saad-kandhlawi-of-tabligh

     

  13. 6
    মজলুম

    যারা কওমীদের মূর্খভাবে ওরা জানেও না কওমীদের সিলেবাস কি। আমাদের দেশে ভার্সিটি হতে ইংরেজী ও বাংলা সাহিত্যির উপর গ্রাজুয়েট হলে কেউ থাকে অশিক্ষিত বলেনা। এমনকি আমাদের দেশের টানা দুইবারের অর্থমন্ত্রীও আবুল মাল মুহিত ও ইংরেজী সাহিত্যের উপর গ্রেজুয়েট, সে অর্থনিতীর উপর পড়েনি। কই তাকে তো কেউ অশিক্ষিত বলেনা? কওমী থেকে যারা গ্রেজুয়েট হয় বা দাওরা থেকে ফারেগ হয়, এরা একই সাথে আরবী, ফার্সী ও উর্দু সাহিত্যের উপর যে পড়াশোনা আর গভীর জ্ঞান আছে  তা আমাদের ভার্সিটিগুলোর বাংলা ও ইংরেজী সাহিত্যের উপর গ্রেজুয়েট ওয়ালারা ও করেনা।  আর কোরান, হাদিস, ফিকাহ, উসুলে ফিকাহ এর উপর পড়াশোনাতো বাদই দিলাম। 

    কিন্তু আমাদের দেশের মানুষের মূল ভাষা বাংলা হওয়ায় বাংলার ডিমান্ড বেশী তাই সাপ্লাই ও বেশী। সেই জন্যে আমাদের দেশে বাংলা সাহিত্যের উপর লেখা লেখির দাম পাওয়া যায়, তাই যদু মধুরাও লেখে। 

    আর আরবী, ফার্সি, উর্দু এর ডিমান্ডই নাই, তাই সাপ্লাই ও নাই আর কওমীদের ও দাম নাই…..।

    পরিশেষে কথা হলো, সব মুসলিমদের মতই কওমীদের ও দোষ ত্রুটি আছে, কিন্তু তাদের সাথে মতেরমিল না হওয়ায় তাদের ডিহিউম্যানাইজ বা অমানুষ করে দেখানো ঠিক না। 

    আল্লাহ সব মুসলিমকে বুঝার তৌফিক দিক। 

    1. 6.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

       সব মুসলিমদের মতই কওমীদের ও দোষ ত্রুটি আছে, কিন্তু তাদের সাথে মতেরমিল না হওয়ায় তাদের ডিহিউম্যানাইজ বা অমানুষ করে দেখানো ঠিক না। 

       

      -- এই একই কথাটা কি প্রয়োজ্য নয় হেফাযতের জন্যে -- মাওলানা সাদ একজন মানুষ -- উনার বক্তব্য উনার নিজস্ব -- কিন্তু উনার বক্তব্যের জন্যে রাস্তা বন্ধ করে সাধারন মানুষের জীনকে জিম্মি করা কতটা ইসলামের অনুসরন -- আমার প্রশ্নট সেখানেই। হেফাযতের প্রচারগুলো দেখেন -- সেখানে মাওলানা সাদকে যাচ্ছেতাই ভাবে গালাগালি করা হয়েছে -- সেইখানে আপনার বক্তব্য কি?

      কওমী মাদ্রাসাগুলো ঢালাও ভাবে এই সমস্যার মধ্যে নেই -- এই কথা যেমন সত্য -- তেমনি কিছু কিছু কওমী মাদ্রাসা সংগঠিত শক্তি প্রদর্শনের জন্যে ব্যবহূত হচ্ছে তাও সত্য। তারাই সমস্যা। এরা ইসলাম রক্ষার নামে নিজেদের এজেন্ডাকে রক্ষার চেষ্টা করছে। সরকারকে ইন্ধ দিচ্ছে। রাজনৈতিক শক্তির সাথে অপজোট গড়ে তুলছে। 

  14. 5
    মজলুম

    কওমী মাদ্রাসা সম্পর্কে আপনার জানশুনা অনেক কম, তার আগেও একটা পোষ্ট দেখেছি। কয়েকটা কওমী মাদ্রাসা ভিজিট করে আসেন। ওদের অনেক বই আছে তার সাইজ একজন মানুষের মত লম্বা। একটু ধারনা দিলাম আর কি। 

    আপনার এই পোষ্টে যথেষ্ট মন গড়া এবং নিজের মতামত আছে যা সবই ভুল। 

    পর্দার আড়ালে সরকারের হাতে একটা একটা করে বিভাজনের গুটি তুলে দিচ্ছে হেফাযত – শুরু হয়েছিলো বিলাল ফিলিপের অসন্মান জনক বিদায় থেকে পিস টিভি বন্ধ করা – জাকির নায়েকের বাংলাদেশের আসা বন্ধ করা – শেষ পর্যন্ত মাওলানা সা’দ কে অপমান করে বাংলাদেশ থেকে বিদায় করার মাধ্যমে ইসলাম বিদ্বেষীদের হাতে শুধু অস্ত্রই তুলে দেয়নি – রাজনীতি অন্ধকারের একটা পথ তৈরী করেছে হেফাযতের নেতারা। 

    বেলাল ফিলিপস, জাকির নায়িক, আর পিস টিভির কারা বন্ধ করেছে অপপ্রচার করে তা সবাই জানে, এই সরকারের লোকজন এবং তাদের সমর্থন দেওয়া ও আওয়ামী হালুয়া রুটি খাওয়া সেক্যুলার লোকজন।  

    মাওলানা সা’দের যে বক্তব্য আমরা পড়ছি বা দেখছি তা হেফাযতের প্রচার করা – মাওলানার পক্ষে কোন প্রচার আমরা দেখিনি। হেফাযত আমেরিকায় এক কপি কোরান পোড়ানের প্রতিবাদে ঢাকায় মিছিল করে – কিন্তু তাদের নিজেদের সমাবেশের কারনে হাজার হাজার কপি কোরান পোড়ানোর ঘটনায় নিরব থাকে।  

    হাজার হাজার কপি কোরান? সেক্যুলারেরাও একই দাবী করে এবং যারা এসব করে ওদের মানসিক চিকিৎসা প্রয়োজন। 

    বস্তুত বাস্তব শিক্ষা থেকে দুরে থেকে কোরান মুখস্ত করে যারা জীবন যাপন করতে বাধ্য হয় – তাদের জন্যে মাওলানা সাদের বক্তব্য সত্যই ভয়াবহ। মাওলানা সাদ মাদ্রাসার দূর্নীতি নিয়ে কথা বলেই তাদের চক্ষুসুল হয়েছেন বলাই বাহুল্য।

    জ্বিনা, উনি নিজেও স্বীকার করেছেন মূসা(আঃ)  কে নিয়ে মনগড়া প্রচার , খলিফা ওমরকে নিয়ে, এবং সেই দুই বিষয়ে ক্ষমাও চেয়েছেন 

    একটা কথা বলেই শেষ করছি – বাংলাদেশে যে জঙ্গীবাদের চলমান যুদ্ধ চলছে – বিনাবিচারে অঘোরে প্রান হারাচ্ছে অনেক যুবক – সেই জঙ্গীবাদের আমদানী করেছে “কওমী” হেফাযতরাই। আফগানিস্তানে রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমের যুদ্ধে প্রক্সি-যোদ্ধা হিসাবে কওমী মাদ্রাসা থেকে হাজার হাজার ছাত্র রিক্রুট করে পাকিস্তানে ট্রনিং দিয়ে আফগানিস্তানে পাঠানো হয়েছিলো – পরে এরা দেশে ফিরে এসে নিজেদের মানুষদেই উপর বোমাবাজি শুরু করেছিলো।  

    বামপন্হি দলগুলোর বাজানো গান আমেরিকাও বাজায়, আপনিও বাজান। বস্তব সত্য সম্পূর্ন ভিন্ন।  

    যাকগে আমি কয়েকটা কোট করে বলেছি, এটা নিয়ে ত্যানা পেছিয়ে  অনেকদূর যাওয়া যায়, তবে সত্য বিষয় হলো উপলব্দির বিষয়। যেমন সেক্যুলার কথা, হেফাজত হাগার হাগার কোরান পুড়িয়েছে। যারা বিনা ওযুতে কোরান ধরেনা ওরা নাকি হাগার হগার কোরান পুড়ায়। 

    এটা হলফ করে বলতে পারি আপনি কখনৈ কোন কওমী আলেমের সাথে ভালোভাবে বন্ধুত্ব করতে পারেন নি।  

    শেষ বিষয় হলো মাওলানা সাদের বিষয় নিয়ে হেফাজত নয়, বরং ভারতের দেওবন্দীরা সবার আগে প্রতিবাদ করেছে ও কি করনীয় তা বলেছে, পরে এই দেশের কওমী আলেমরা তার পক্ষ নিয়েছে। 

    এই বিষয়ে ঠিকই আছে, তাবলীগে অনেক সংস্কার প্রয়োজন। কোরান না পড়ে পড়ে ফাজায়েলে আমল, মুন্তাখাব। আমল বিল মারুফ আছে, নাহি আনিল মুনকার নাই। বেহেশতের কথা প্রচার করে কিন্তু দোজখের বিষয়ে কথা বলেনা।  চিল্লার সাথীদের অগ্রাধিকার কিন্তু আলেমদের নয়। সেই জন্যে তাবলীগে বিদাতে ভরে গেছে।  

  15. 4
    মজলুম

    কওমী মাদ্রাসা সম্পর্কে আপনার জানশুনা অনেক কম, তার আগেও একটা পোষ্ট দেখেছি। কয়েকটা কওমী মাদ্রাসা ভিজিট করে আসেন। ওদের অনেক বই আছে তার সাইজ একজন মানুষের মত লম্বা। একটু ধারনা দিলাম আর কি। 

    আপনার এই পোষ্টে যথেষ্ট মন গড়া এবং নিজের মতামত আছে যা সবই ভুল। 

    পর্দার আড়ালে সরকারের হাতে একটা একটা করে বিভাজনের গুটি তুলে দিচ্ছে হেফাযত – শুরু হয়েছিলো বিলাল ফিলিপের অসন্মান জনক বিদায় থেকে পিস টিভি বন্ধ করা – জাকির নায়েকের বাংলাদেশের আসা বন্ধ করা – শেষ পর্যন্ত মাওলানা সা’দ কে অপমান করে বাংলাদেশ থেকে বিদায় করার মাধ্যমে ইসলাম বিদ্বেষীদের হাতে শুধু অস্ত্রই তুলে দেয়নি – রাজনীতি অন্ধকারের একটা পথ তৈরী করেছে হেফাযতের নেতারা। 

    বেলাল ফিলিপস, জাকির নায়িক, আর পিস টিভির কারা বন্ধ করেছে অপপ্রচার করে তা সবাই জানে, এই সরকারের লোকজন এবং তাদের সমর্থন দেওয়া ও আওয়ামী হালুয়া রুটি খাওয়া সেক্যুলার লোকজন।  

    মাওলানা সা’দের যে বক্তব্য আমরা পড়ছি বা দেখছি তা হেফাযতের প্রচার করা – মাওলানার পক্ষে কোন প্রচার আমরা দেখিনি। হেফাযত আমেরিকায় এক কপি কোরান পোড়ানের প্রতিবাদে ঢাকায় মিছিল করে – কিন্তু তাদের নিজেদের সমাবেশের কারনে হাজার হাজার কপি কোরান পোড়ানোর ঘটনায় নিরব থাকে।  

    হাজার হাজার কপি কোরান? সেক্যুলারেরাও একই দাবী করে এবং যারা এসব করে ওদের মানসিক চিকিৎসা প্রয়োজন। 

    বস্তুত বাস্তব শিক্ষা থেকে দুরে থেকে কোরান মুখস্ত করে যারা জীবন যাপন করতে বাধ্য হয় – তাদের জন্যে মাওলানা সাদের বক্তব্য সত্যই ভয়াবহ। মাওলানা সাদ মাদ্রাসার দূর্নীতি নিয়ে কথা বলেই তাদের চক্ষুসুল হয়েছেন বলাই বাহুল্য।

    জ্বিনা, উনি নিজেও স্বীকার করেছেন মূসা(আঃ)  কে নিয়ে মনগড়া প্রচার , খলিফা ওমরকে নিয়ে, এবং সেই দুই বিষয়ে ক্ষমাও চেয়েছেন 

    একটা কথা বলেই শেষ করছি – বাংলাদেশে যে জঙ্গীবাদের চলমান যুদ্ধ চলছে – বিনাবিচারে অঘোরে প্রান হারাচ্ছে অনেক যুবক – সেই জঙ্গীবাদের আমদানী করেছে “কওমী” হেফাযতরাই। আফগানিস্তানে রাশিয়ার বিরুদ্ধে পশ্চিমের যুদ্ধে প্রক্সি-যোদ্ধা হিসাবে কওমী মাদ্রাসা থেকে হাজার হাজার ছাত্র রিক্রুট করে পাকিস্তানে ট্রনিং দিয়ে আফগানিস্তানে পাঠানো হয়েছিলো – পরে এরা দেশে ফিরে এসে নিজেদের মানুষদেই উপর বোমাবাজি শুরু করেছিলো।  

    বামপন্হি দলগুলোর বাজানো গান আমেরিকাও বাজায়, আপনিও বাজান। বস্তব সত্য সম্পূর্ন ভিন্ন।  

    যাকগে আমি কয়েকটা কোট করে বলেছি, এটা নিয়ে ত্যানা পেছিয়ে  অনেকদূর যাওয়া যায়, তবে সত্য বিষয় হলো উপলব্দির বিষয়। যেমন সেক্যুলার কথা, হেফাজত হাগার হাগার কোরান পুড়িয়েছে। যারা বিনা ওযুতে কোরান ধরেনা ওরা নাকি হাগার হগার কোরান পুড়ায়। 

    এটা হলফ করে বলতে পারি আপনি কখনৈ কোন কওমী আলেমের সাথে ভালোভাবে বন্ধুত্ব করতে পারেন নি।  

    শেষ বিষয় হলো মাওলানা সাদের বিষয় নিয়ে হেফাজত নয়, বরং ভারতের দেওবন্দীরা সবার আগে প্রতিবাদ করেছে ও কি করনীয় তা বলেছে, পরে এই দেশের কওমী আলেমরা তার পক্ষ নিয়েছে। 

    এই বিষয়ে ঠিকই আছে, তাবলীগে অনেক সংস্কার প্রয়োজন। কোরান না পড়ে পড়ে ফাজায়েলে আমল, মুন্তাখাব। আমল বিল মারুফ আছে, নাহি আনিল মুনকার নাই। বেহেশতের কথা প্রচার করে কিন্তু দোজখের বিষয়ে কথা বলেনা।  চিল্লার সাথীদের অগ্রাধিকার কিন্তু আলেমদের নয়। সেই জন্যে তাবলীগে বিদাতে ভরে গেছে।  
     

  16. 3
    Provashi

    আওয়ামীরীগ ভোটের পাল্লা ভারী করতে হেফাযতকে আপাতত আষ্কার দিচ্ছে – পোষে রাখছে – কিন্তু একসময় এই হেফাযতই দানব হয়ে সবাইকে গ্রাস করতে চাইবে। 

    আপনার পর্যব্যক্ষন বাহ্যিক দৃষ্টিতে সঠিক মনে হলেও পিছনে আরো অনেক বিষয় বিবেচনায় নিতে হবে।

    ১) আওয়ামী লীগ বোকা না!  তারা হেফাযতিকে আষ্কার দিয়ে রাস্থা ঘাটে সাদা পায়জামা আর সাদা টুপি পরে মিটিং মিছিল করাতে দিয়ে যে দৃশ্যের অবতারনা করা হয় তা দিয়ে বিশ্ব মোড়লদেরকে ভয় দেখিয়ে বাংলাদেশে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার যে বৈধতা মিলে সেটি বুঝেন না?

    যে ভাবে দেশ চলছে সে ভাবেই চলতে দিন দেশ তো দিনে দিনে সব ক্ষেত্রে উন্নতি হচ্ছে। বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর যে সব কাহিনী আমরা শুনি সামাজিক মিডিয়াতে তাতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কত বেশী বৃদ্ধি পেয়েছে তা কে না জানে?

    ২) একটা কথা আছে যে "বোকা বন্ধু শত্রু থেকেও বেশী ক্ষতিকর"। ইসলামের জন্য হেফাজতি মার্কা মুল্লারা বাংলাদেশে সেই ভুমিকায় লিপ্ত আছেন! 

    প্রথম আলোর হেডলাইন নিউজ, মৌলানা সাদকে বাদ দিয়ে বিশ্ব ইজতিমা। এ নিউজের মূল ইস্যু হইলো বাংলাদেশের একটা গ্রুপ, ইজতিমার অরিজিনাল যে শুরা সেই কমিটির এক মাত্র জীবিত সদস্য ভারতের মৌলানা সাদকে বাদ দিয়ে ইজতিমার ক্ষমতা দখল করেছে। 
    অনেক লম্বা প্রতিবেদন, কিন্ত, সেই খানে যেই কথাটা নাই তাতে হইলো একটা ১৩ সদস্যের নতুন শুরা কমিটি এখন ইজতিমার দখল নিয়েছে, তার একজন সদস্য হইল ফরিদুদ্দিন মাসুদ। 
    মনে পরে মওলানা ফরিদুদ্দিন মাসুদ ? শাহবাগ? শোলকিয়ার ইমাম? ইনি আওয়ামি লীগের খাস লোক। এই কমিটিতে আরো আছে, হেফাজতে ইসলাম যাদের অনেকের ব্যাঙ্ক একাউন্ট এখন হৃষ্ট পুষ্ট। বিষয়টা হইলো একটা নির্দলীয় নিরপেক্ষে গ্রুপ বিশ্ব ইজতিমার দখল নিয়েছে। 

    তো তাবলীগের জমায়েতকে ভাঙ্গার আসল উদ্দেশ্য হল একটা প্রক্সি গ্রুপ দিয়া তাব্লিগের ভারত ভিত্তিক কমিটিকে দখল করা। 
    এই খেলা আগামী ২০১৮ সালের নির্বাচন মাথায় রেখে প্রিপারেশান। তাবলীগের ক্ষমতার কেন্দ্র সরকার দখল করে রাখলো।  যখন দরকার হবে, এদেরকে দিয়ে খেলানো যাবে বা এদেরকে যেন কেউ খেলাতে না পারে ,সেইটা সরকার চেক দিয়ে রাখলো। 

     

  17. 2
    মোঃ তাজুল ইসলাম

    ভাই, আপনার কথাগুলোর সাথে সহমত। সাদ সাহেব কওমী মাদ্রাসা সম্পর্কে কি বলেছেন তা জানতে পারিনি। দৈনিকগুলোতে সাদ সাহেবের মন্তব্য পাইনি। জানা গেল, উনাকে এজতেমায় ঢুকতে দেওয়া হবে না, ঢাকা ত্যাগ করার আন্দোলন হচ্ছে। তবলিগ জামাত দুই ভাগে বিভক্ত ইত্যাদি।

     

    বিল্লাল ফিলিপস, জাকির নায়কদের মত লোকেরা এই দেশে আসতে পারে না, হেফাজতের কারনে- ইহা যদি সত্য হয়, অবশ্যই হেফাজত একটি বিষাক্ত সর্প এই দেশ ও জাতির জন্য। 

    1. 2.1
      মজলুম

      তাজুল ভাই, দুঃখের কথা কি আর বলবো। ভারত সরকার জাকির নায়িকের বিরুদ্বে ৬ টা রুল, দুইটা ইন্টারপোল রেড এ্যালার্ট জারি করেছে। তার আইআরএফ বন্ধ ও বাজেয়াপ্ত করেছে। তখন ভারতীয় সংবাদ মাধ্যেম গুলো দেখেছি, জার্নালিসম তো নয় বরং কুৎসিত এক্টিভিজম করেছে। এর মধ্যে একজন হলে ভারতীয় জোসেফ গোয়েলবস অর্নব গৌস্বামী, তখন টাইমস টিভিতে, আর এখন বিজেপি এমপির রিপাবলিক টিভিতে।  সেই ভারতের ইশারা ইঙ্গিতে চলা বাংলাদেশ সরকার নাকি কওমীদের কথায় জাকির নায়িক ও পিস টিভি বন্ধ করেছে। এটা কোন পাগল ও বিশ্বাস করবেনা যদি সে সব কাহিনী জানে। ভারতীয় প্রিন্ট ও টিভি সংবাদ মাধ্যেমগুলোর থেকে খবর নিয়ে সেগুলা প্রচার করতো বাংলাদেশের সবচেয়ে বড়ো আওয়ামী চাটা লীগ মুজার ৭১ টিভি এবং আরেক আরেক চাটা লীগ তৌফিক খালিদির বিডিনিউজ২৪।  তথ্যমন্ত্রী ইনুর ঐ সময়কার  ভারতীয় টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকার দেখবেন। ঐসময়কার মন্ত্রী তারানা হালিম ও বলেছে পিস টিভি বন্ধ, জাকির নায়িককে ব্যান করতে হবে, যাকির নায়িক নাকি নারীদের অসম্মান! করে কথা বলে।  

      এখন কেষ্ট ব্যাটাই চোর। আগে দেখতাম বাংলাদেশের সব আকাম কুকামের দোষ দিতো সবাই জামাতের উপর, এখন দেখি দেয় কওমীদের উপর! 

      1. 2.1.1
        মোঃ তাজুল ইসলাম

        মজলুম ভাই, 
        আসসালামু আলাইকুম।
        আপনাকে দেখে ভাল লাগল। আপনাদের মত জ্ঞানগর্ভ আলোচনা করতে জানি না।

        যাক, ইনু & তারানার জাকিরের প্রতি ঘৃণা জানতাম। হেফাজত বা আলেম সমাজের দোহাই দিয়ে পিস টিভি বন্ধ তা অনুমান করি কিন্তু সঠিকটি জানা নেই। 

        এই দেশে স্যাকুলার মানে ধর্ম নিরপেক্ষতা নয়, স্যাকুলার মানে ইসলাম বিদ্বেষী। এদের নিজের জীবন ধরে রাখে রঙিন বোতলের ভিতর। বোতলের ভিতর থেকে ক্ষমতার চেয়ারে বসে ইসলাম বিষেদগার করে যাচ্ছে।

        আল্লাহ্‌ এই দেশ ও দেশের মানুষদের রহমত করুন।

  18. 1
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    প্রথম আলোর খবর থেকে: 

    সাদ কান্ধলভীকে নিয়ে আপত্তি কোথায়?

    সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে ফজলুল করিম কাশেমি বলেন, ‘তিনি স্বঘোষিত আমির। তাঁকে মাওলানা শাহ আহমদ শফীসহ (হেফাজতের আমির) উলামায়ে কেরামরা মানেন না। তিনি হাদিসের অপব্যাখ্যা করে যাচ্ছেন, কওমি মাদ্রাসার খেদমত যাঁরা করেন, তাঁদের ব্যাপারে আপত্তিকর কথা বলেছেন। শুধু তা-ই নয়, হজরত মুসা (আ.)-কে নিয়ে বেয়াদবিমূলক কথা বলেছেন।’ তিনি বলেন, তাবলিগ জামাতের আমির নির্বাচিত হন মজলিশে শুরার মাধ্যমে। সাদ নিজে নিজেই আমির হয়ে গেছেন।

     

     

    1. 1.1
      মজলুম

      প্রথম আলো কবে থেকে অথেনটিক সোর্স হলো? সাদের বিষয়ে সব ফয়সালা নিয়েছে ভারতের দেওবন্দ, সেই বিষয়ে কিছু না বলে আপনার সব রোষ হেপাজতের ঘাড়ে! 

      1. 1.1.1
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        মাওলানা সাদের বিষয়ে বিরোধ তো আজকের না -- গত চারবছর ধরেই শুনছি এই বিষয়ে সমস্যা হচ্ছে। দেওবন্দী উদ্যোগ সফল হয়নি -- কারন কি তা নিয়ে বিতর্ক আছে। আর তবলিগের বয়ানের প্রচুর মনগড়া কথা থাকে -- সূত্রছাড়াই প্রচুর কথা তার বলে। এই নিয়ে কারো কোন মাথা ব্যথা হয়নি এতোদিন যে মাত্র মাদ্রাসার অর্থ বিষয়ক কথা বলেছেন -- তখনই বাংলাদেশের কওমীরা জেহাদী হয়ে উঠেছে। তারা ইসলাম রক্ষার জন্যে মাওলানা সাদকে এজতেমার মাঠে যেতে দেয়নি। এতো কি সমস্যার সমাধান হলো? 

        বস্তুত হেফাযত (গড়ে উঠা নতুন রাজনৈতিক শক্তি) তাদের মাসল প্রদর্শন করলো -- তবলিগের লোকজন চুপ করে বসেছিলো বিধায় একপক্ষের লম্ফজম্ফ দেখলাম। আর দেখলাম সাধারন মানুষকে জিম্মি করে হেফাযত কিভাবে তাদের দাবী আদায় করলো। এইটা না ইসলামের কোন উপকার হলো -- না কোন একটা ভাল উদাহরন তৈরী করলো। 

        এর ফলাফল যে কত খারাপ হবে তা অচিরেই দেখবেন। বস্তুত তবলীগ জামায়াতে বিশেষ করে বাংলাদেশে একটা বিভাজন তৈরী হলো। একদল মাদ্রাসা (কওমী) থেকে পাশ করা অহংকারী লোকজন -- যারা নিজেদের ইসলামের সোল এজেন্ট ভাবে -- অন্য দিকে সাধারন শিক্ষায় শিক্ষিত মানুষ -- যারা তবলিগের মাধ্যমে নিজেদেরকে ধর্মের কাজ নিয়োজিত করাকে জীবনের অংশ বিবেচনা করছে -- যারা বিনয়ী এবং নিরহংকারী। 

        অহংকারী কওমীদের বক্তব্য শুনার জন্যে মাওলানা শফির বক্তব্যই যথেষ্ট -- যিনি এক ফু দিয়ে সকল মতামতকে বাতেল ঘোষনা করে দেন -- শুধুমাত্র উনাদের মতামতই একমাত্র হক্কের পথ এই ঘোষনা দেন। 
         

Leave a Reply

Your email address will not be published.