«

»

Jan ২৬

বাংলাদেশের সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে সরকারী পদক্ষেপ নিয়ে কিছু কথা

সাইবার ক্রাইম বিষয়ক সরকারী পদক্ষেপের মনে হচ্ছে একটা বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। সরকার বলছে – সাইবার ক্রাইম বন্ধ করতে চায় এবং এইটা সত্য যে বাংলাদেশের দ্রুত বাড়তে থাকা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের প্রযুক্তি সম্পর্কে জ্ঞান কম থাকায় এরা নানান ভাবে বিপদে পড়বে। সরকারের দায়িত্ব হলো নাগরিকের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেওয়া – এবং তথ্য প্রযুক্তির বিকাশমান যুগে পুরনো আইনে তা সম্ভব নয় বলে দেশে দেশে সাইবার ক্রাইম বন্ধের আইন করা হচ্ছে। 

খবরে প্রকাশ-

 

বাংলাদেশ কম্পিউটার সিকিউরিটি ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম (সিএসআইআরটি) নামে এই দল বুধবার থেকে সাইবার ক্রাইম সনাক্তে কাজ শুরু করেছে বলে বিটিআরসি চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়া আহমেদ বুধবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছেন। 

আগে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নিত বিটিআরসি, তবে এখন সিএসআইআরটি কাজ শুরু করায় সাইবার ক্রাইমের বিষয়ে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলবে। 
 

এদের কাজ কি হবে?

 

রাষ্ট্রীয়, সমাজ, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ায়- ওয়েবসাইটগুলোতে এমন বিষয় সনাক্ত করে ব্যবস্থা নেওয়াই হরে এই দলের মূল কাজ। 
 

কারা কমিটিতে আছে?

বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন আহমেদকে আহ্বায়ক করে ১১ সদস্যের এই দল গঠন করা হয়েছে। কমিশনের সদস্য, মোবাইল ফোন অপারেটর, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার, পিএসটিএন, ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে ও সাইবার ক্যাফের প্রতিনিধিদের এই দলে রাখা হয়েছে। 

কি শাস্তি হবে?

 

১) টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনের ৬৯ ধারা অনুযায়ী এই শাস্তি দেওয়া হতে পারে বলে জানান তিনি। 

২) কোনও ওয়েবসাইটে ক্ষতিকর কিছু থাকলে তাৎক্ষণিক ভাবে তা বন্ধ নাও করা হতে পারে জানিয়ে বিটিআরসি চেয়ারম্যান বলেন, অপরাধীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসাই এই টিমের মূল লক্ষ্য। 

৩) তবে গুরুতর কোনও অপরাধ বা যা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া উচিৎ, সে ক্ষেত্রে এ টিম কমিশনকে জানিয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে পারবে বলে জানান তিনি। 

তিন বিশেষজ্ঞের নজরদারি – 

সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে বিটিআরসি’র তিন জন সাইবার ক্রাইম (বিটিআরসি সহকারী পরিচালক পদমর্যাদা) বিশেষজ্ঞ পুরোদমে কাজ শুরু করেছেন। 

বিটিআরসি ভবনে একটি কক্ষে আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সর্বক্ষণ এ নজরদারি করা হবে বলে জানান বিটিআরসি চেয়ারম্যান। 

 

 
 

ব্যবহারকারীদের সংখ্যা বেড়ে বিশাল হওয়ার আগেই – এখনই যদি সাইবার ক্রাইম বন্ধ করার মতো মেকানিজম তৈরি না করা – ভবিষ্যতে এইটা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। পৃথিবীর সব দেশেই সাইবার ক্রাইম বন্ধের জন্যে আইন আছে এবং তা মানতে বাধ্য ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা। বাংলাদেশে যেমন মোবাইল ফোনের উপর কোন নিয়ন্ত্রণ নেই – যার ফলে মোবাইল ফোনে সকল অপকর্ম করা যায়। উদাহরণ হিসাবে বলা যায় – যুদ্ধাপরাধীর বিচার ঠেকানো ইন্টারনেটে যা প্রচার করা হচ্ছে – তা শাস্তিযোগ্য অপরাধের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। 

বাংলাদেশ সম্পর্কে এক কথায় বলা যায় – সরকারের উপর মানুষের বিশ্বাস না থাকা – এবং সরকারের সকল পদক্ষেপের বিষয়ে বিরোধীটা করার মাধ্যমে মতামত দিয়ে নিজেদের সুশীল অবস্থান তৈরি করা আর সর্বোপরি সরকারের কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা না থাকায় সাইবার ক্রাইমকে অনেকেই বাকস্বাধীনতার সাথে এক করে ফেলছে বলে মনে হচ্ছে। তা ছাড়াও ব্রিটিশ শাসনের সময় থেকে সরকারের সব সিদ্ধান্তকে নেতিবাচক দৃষ্টিতে দেখার যে সংস্কৃতি আমরা মজ্জাগত করেছি তার থেকে বেড়িয়ে আসার কোন চেষ্টা কখনই আমাদের বুদ্ধিজীবীদের করতে দেখা যায় না। আমাদের সুশীল মহল থেকে সরকারের সব পদক্ষেপেই দ্রুত ত্রুটি খুঁজার মতো তত্ত্ব দিতে দেরী হয় না। 

অবশ্য বাক স্বাধীনতা বিষয়ে রাষ্ট্র নিজস্ব চিন্তার প্রতিফলন ঘটানো নতুন কিছু না। যেমন ধরা যাক – কানাডার কোন পাবলিক লাইব্রেরীতে প্যালেস্টাইনী কোন লেখকের বই পাওয়া যায় না – কারণ তাকে এন্টি সেমেটিক আইনে অবৈধ বলে ধরে নেওয়া হয়। তেমনি কানাডায় সমকামী ইস্যুতে ভিন্নমতের কোন লেখা প্রকাশ করা নিষিদ্ধ – তেমনি হলোকাস্ট নিয়ে কোন আলোচনা করা বেআইনি। ইত্যাদি। 

এগুলো রাষ্ট্রের চরিত্র নির্ধারণ করার জন্যে তৈরি আইন। তাই বাক-স্বাধীনতার কথা বলে ১৫ই আগস্টের হত্যাকাণ্ড সমর্থন করে মতপ্রকাশ রাষ্ট্রের চরিত্র গঠনের জন্যে বিপজ্জনক। অনন্তকাল ধরে মুক্তিযুদ্ধের শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কের অবসান হবে না – কারণ বাংলাদেশের জন্মের বিরোধীরা এই বিতর্ককে উসকে দেবে বারবার যাতে রাষ্ট্রের মূলভিত্তি কখনই শক্ত হতে পারে – এখানে রাষ্ট্রকে বিতর্কের একটা একটা সীমানার মধ্যে থাকতে হবে। যেমনটা আমরা দেখি জার্মানিতে নাৎসীইজম প্রচার করা নিষিদ্ধ – তা বলে জার্মানকে কেউ স্বৈরশাসকের দেশ বলি না। জার্মানের ২য় বিশ্বযুদ্ধের পর নতুন চরিত্রটাকে নাৎসীইজমের থেকে বাহির করার জন্যে এইটুকু নিয়ন্ত্রণ ঠিক মনে করা হয়েছে। 

বাংলাদেশের বাক-স্বাধীনতাকে যদি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার উপর প্রতিষ্ঠিত করে একটা কাঠামোতে রাখা হতো – তাহলে আজ হয়তো জামায়াত-শিবিরের মতো খুনী চক্রের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে এতো শক্তি ব্যয় না করে তা কোন গঠনমূলক কাজে ব্যয় করতে পারতো। 

খবরের থেকে যতটুকু বুঝা যায় যে সরকার তাড়াহুড়া করে এই পদক্ষেপ নিয়েছে। যার কারণে আইনি অপ্রতুলতার কারণে বা যথেষ্ট যুগোপযোগী না হওয়ায় এই পদক্ষেপ ভুল বা ইচ্ছাকৃত অপব্যবহারের কারণ হতে পারে। সরকারের উচিত ছিলো আরও আলোচনা করে আইনকে যুগোপযোগী করে তা যথেষ্ট স্বচ্ছতার সাথে প্রয়োগ করা। বিশেষ করে বাংলাদেশে শিশুদের সুরক্ষার বিষয়টি আইনে আসা উচিত – তেমনি সিনিয়র সিটিজেনদের বিষয়ে বিশেষ নিরাপত্তা সাইবার আইনে থাকা দরকার – কারণ পরিচয় চুরি করে বা তাদের সাথে প্রতারণা করে তাদের সারাজীবনের অর্জিত সম্পদ এক মূহুর্তেই সরিয়ে ফেলতে পারে সাইবার ক্রাইমের মাধ্যমে। শুধু মাত্র প্রচার প্রোপাগান্ডার বিষয়ে অতিরিক্ত সংবেদনশীল না হয়ে – সার্বিক সাইবার ক্রাইম নিয়ে সরকারের একটা পদক্ষেপ জরুরী।

তাই যারা অত্যন্ত নেতিবাচক ভাবে স্বল্প জেনে বিষয়টির বিরুদ্ধে লেগেছেন – তারা ইতিবাচক ভাবে বিষয়টি ভেবে সরকারকে পরামর্শ দিলেই বরঞ্চ দেশের লাভ হবে বলে আমার বিশ্বাস।

১২ comments

Skip to comment form

  1. 4
    shapon mondol

    আইনের শাসন দরকার ঠিক আছে আইনের নীতি নিরদারক গন হইতে আইন প্রয়গ কারি সংস্তা এবং সাধারন জনগন সকলের আইনের প্রতি স্রধ্যা থাকতে হবে । এবং আইনের ফাক ফোঁকর যেমন চিন্তা করা যাবেনা এছারাও আমাদের সকলের সজাগ দৃষ্টি রাক্তে হবে যেন আইনকে কেউ অবমাননা না করে , এবং একে অপরে সাথে ভ্রাত্যিত্য বন্দন রেখে পথ চলতে হবে । আর যারা আইনের চোখ ফাকি দেওয়ার জন্য সজাগ থাকে তাদের দিকে আইন প্রয়োগকারীর সংস্তার আস্তার সহিদ কাজ করতে হবে । যে কোন শক্তি আইনের প্রতি হস্তখেপ করুক না কেন ,কঠোর হস্তে ধমন করত্যে হবে । তবেই আইন পাসের মুল্য থাকবে । 

  2. 3
    dhildher hossain

    আইনের শাসন দরাকার তবে প্রত্যেকটি জনগণকে / আমাদের আইন কে সম্মান দেখাতে হবে । আইনের ফাক ফোঁকর না খুজে আইনকে সকলের মানতে হবে এবং আইন যেন ভঙ্গ না হয় সে দিকে সরবস্তরের জনগণেরই দৃষ্টি দিতে হবে । কেউ কোন বেয়াইনি কাজ করলে বাদা দিতে হবে । আইনের প্রতি সমান এবন আইনের বাইপাস  খোজার পথ পরিহার করতে হবে তবেই আইনের সার্থকতা আসবে ।

  3. 2
    জব্বার খান

    উদাহরণ হিসাবে বলা যায় – যুদ্ধাপরাধীর বিচার ঠেকানো ইন্টারনেটে যা প্রচার করা হচ্ছে – তা শাস্তিযোগ্য অপরাধের মধ্যে নিয়ে আসতে হবে। এগুলো রাষ্ট্রের চরিত্র নির্ধারণ করার জন্যে তৈরি আইন। তাই বাক-স্বাধীনতার কথা বলে ১৫ই আগস্টের হত্যাকাণ্ড সমর্থন করে মতপ্রকাশ রাষ্ট্রের চরিত্র গঠনের জন্যে বিপজ্জনক। অনন্তকাল ধরে মুক্তিযুদ্ধের শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কের অবসান হবে না – কারণ বাংলাদেশের জন্মের বিরোধীরা এই বিতর্ককে উসকে দেবে বারবার যাতে রাষ্ট্রের মূলভিত্তি কখনই শক্ত হতে পারে – এখানে রাষ্ট্রকে বিতর্কের একটা একটা সীমানার মধ্যে থাকতে হবে।

     
    আপনার সাথে একমত। বাকস্বাধীনতা আর বাকসন্ত্রাসের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারন করতে হবে, আইনের শাসন অবশ্যই দরকার। এছাড়া চিন্তার স্বাধীনতা ও মিথ্যাচার, ঘৃনাবাদ, দেশের সার্বভৌমত্ব, দেশ-সমাজের শৃংখলা বিনষ্টকারী কার্যক্রমের মধ্যেও সীমারেখা প্রয়োজন। জামায়াত শিবিরের প্রোপাগান্ডার ব্যাপারেও পদক্ষেপ নেয়া আশু কর্তব্য। জামায়াত শিবির তরুন প্রজম্মের ব্রেন ওয়াশের সকল চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে। এরকম একটি প্রোপাগান্ডার সাইট দেখুন: http://storyofbangladesh.com/ । দেশবিরোধী চক্রের বিষদাঁত ভেঙে দেয়ার সকলপ্রকার ব্যাবস্থা নেয়ার দাবী জানাই।

    1. 2.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      ধন্যবাদ -- লিংকটা কিভাবে একটা রাষ্ট্রের মুলে আঘাত আনছে তার বড় প্রমান। এইগুলোকে বন্ধ করার জন্যে দ্রুত আইন করা জরুরী। 

  4. 1
    শামস

    সাইবার ক্রাইমকে নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ ভাল। কিন্তু আমাদের দেশে সবকিছুরই রাজনীতিকরণ যেভাবে হয় যদি তা এখানে হয় (যা হওয়ার সম্ভবনা খুব বেশী), তাহলে হয়ত এই আইনই একসময় অপ্রেশনের কাজে ব্যবহার হতে পারে। বাংলাদেশে যে ক্ষমতার চক্র বিরাজমান সেখানে বুমেরাং হবার সম্ভবনা খুব বেশী থাকে। তাই শেষপর্যন্ত এই যোগাযোগের এই দারুণ মাধ্যমটিও কলুষিত হলে হাপিত্যেশ করা ছাড়া আর কিছুই বাকী থাকবে না। আর কি কি করা যাবে, কি করা যাবে না তার একটা স্পষ্ট সীমারেখা উল্লেখ না থাকলে এই সমস্যা আরো বাড়বে। ইন্টারনেট একটা খুব ওপেন মাধ্যম। অতএব, যাদের ব্যাপারে একশন নেয়া হবে সেটাও ওপেন হওয়া উচিত।

    1. 1.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

       সব বিষয়ের সুবিধা অসুবিধা আছে। যেমন ধরা যাক বটি একট নিত্যপ্রয়োজনীয় বস্তু যা ছাড়া রান্নার কাজ হবে না আবার বটি দিয়ে কত মানুষ খুন করা হয়েছে তারও হিসাবে নেই। এখন কেউ যদি বটি কেনার কথা শুনেই খুনের কথা মনে করে -- তাইলে সমস্যাটা বটির না -- যে ভাবছে তার।
      সাইবার ক্রাইম ঠেকানোর আইন জরুরী -- এখনই না করলে পস্তাবে। কত বাবা-মা তাদের শিশু সন্তানের জন্যে কাঁদবে তার হিসাব নেই। এখনই বাংলাদেশের শিশু কিশোরদের বিনোদনের প্রধান মাধ্যম হয়ে উঠেছে ইন্টারনেট। তাই শিশুরা কি পড়ছে -- কি ব্রাউজ করছে -- সেই বিষয়টি নজরের রাখা জরুরী।  

      1. 1.1.1
        শামস

        এখন কেউ যদি বটি কেনার কথা শুনেই খুনের কথা মনে করে — তাইলে সমস্যাটা বটির না — যে ভাবছে তার।

        বটি কেনার কথা শুনলে খুনের কথা মনে হবে তার যে ভুক্তভোগী, সবার না। এখন দেশের নোংরা রাজনীতির  ভুক্তভোগী কে না সেটাই প্রশ্ন!
         

        1. 1.1.1.1
          আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

          আপনার আশংকাকে উড়িয়ে দিচ্ছি না। তবে কোন কাঠামোগত পদ্ধতি না দেখেই তার বিরোধীতা না করে অপেক্ষা করি -- যদি অপব্যবহার হয়ই -- তখনওতো প্রতিবাদের পথ বন্ধ হবে না। আগে দেখি -- তারপর কথা বলি। 

      2. 1.1.2
        মুনিম সিদ্দিকী

        সেই সাথে ভারতীয় আকাশ মিডিয়া আমাদের শিশুদের কে হিন্দি শিখানো, পুজা আর্চনা করা শিখানো বন্ধ করা দরকার নতুনবা আগামী প্রজন্মের কাছে বাংলা আর বাংগালীর কালচার মরে ভুত হয়ে যাবে।

    2. 1.2
      মুনিম সিদ্দিকী

      কি যে বলেন ভাই! যারা  লগি বৈঠার শক্তি আছে, যারা অফিসগামী মানুষকে উলংগ করার শক্তি রাখে তারা যখন ক্ষমতায় থাকবে তখন যা হারাম করে আইন করবে, এরাই আবার বিরুধী দলে থাকলে তা ভায়লেট করবে। কারণ তারা আন্দোলন বলেন আর আইন বলেন তা যথাযত ভাবেই ব্যবহার করতে জানেন।
      আশা করব আমার এই ধারণা মিথ্যা প্রতিপন্ন যেন হয়।
       
       

      1. 1.2.1
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        হা হা হা..মুনিম ভাই ..আপনি কতগুলো শব্দ ব্যবহারের বিষয়ে খুবই উৎসাহি দেখছি -- লগি বৈঠা, বাকশাল, দূর্ভিক্ষ ইত্যাদি। 
         
        লগি বৈঠার ঘটনার পর ২ বছর একটা সরকার ছিলো -- যারা এই বিষয়ে তদন্তও করেনি। প্রয়োজনও মনে করেনি একটা গনকমিশন করে এর কারন এবং দায়ীদের খুঁজতে। কারন সবাই জানে এইটা একটা কন্ট্রোলড ইভেন্ট। এইটা ঘটানো হয়েছে কারো কারো স্বার্থকে কাজে লাগাতে। 
         
        এই সকল ইস্যুকে রাজনীতিকীকরন করার ক্ষেত্রে খুবই সতর্ক থাকা উচিত। 

        1. 1.2.1.1
          মুনিম সিদ্দিকী

          জিয়া ভাই আপনাকে হয়তো বুঝাতে পারবনা! এই শব্দ গুলো আপনার মনে হয়তো অস্বস্থি আনে! কিন্তু এই শব্দ গুলো আমার চেতনাতে দাগকাটা ইতিহাসের বুদ বুদ হয়ে ভাসে, এই শব্দ গুলো আমার দেখা আমার অনুভব করা সত্য যা আমি বই থেকে পড়ে বা কারো কাছ থেকে শুনে অন্ধ ভাবে গু ধরছিনা। হতে পারে কেউ কেউ বলেন স্বাধীনতা পরবর্তি ২ যুগের তরুণরা মননে জ্ঞাণে নষ্ট হয়ে গিয়েছিল, আমি তাদের মধ্যে এক জন । ধন্যবাদ।
           

Leave a Reply

Your email address will not be published.